যে কোনো মুহূর্তে হতে পারে হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি




হামাসের হামলায় ১০ ইসরায়েলি সেনা নিহত




ইরানে দ্বিতীয় দফার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন আজ

 




যুক্তরাজ্যে লেবার পার্টির নিরঙ্কুশ জয়

 

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: যুক্তরাজ্যের সাধারণ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে লেবার পার্টি। এখন পর্যন্ত ৫৩৬ আসনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে লেবার পার্টি ৩৬৭ আসনে জয় পেয়েছে।

অন্যদিকে ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টি জয় পেয়েছে ৮৫ আসনে। ৫১ আসনে জয় নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি।

যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টের মোট ৬৫০টি আসনের মধ্যে সরকার গঠনের জন্য কোনো দলকে এককভাবে পেতে হবে ৩২৬টি আসন।

এখন পর্যন্ত প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে, লেবার পার্টি ৩২৬টির বেশি আসনে এরই মধ্যে জয় পেয়েছে। ফলে তারাই সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। যদিও এখনো ১১৪ আসনের ফলাফল প্রকাশিত হয়নি।

লেবার পার্টির জয়ের ফলে যুক্তরাজ্যের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন কিয়ার স্টারমার। হলবর্ন ও সেন্ট প্যানক্রাসে জয়ের পর লেবার পার্টির নেতা স্টারমার বলেন, পরিবর্তন শুরু হয়েছে। এখন আমাদের সময় কিছু দেওয়ার জন্য।

২০২০ সালের এপ্রিলে লেবার পার্টির নেতা হিসেবে দায়িত্ব নেন স্টারমার। জেরেমি করবিনের স্থলাভিষিক্ত হয়েছিলেন

বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) স্থানীয় সময় সকাল ৭টা থেকে সাধারণ নির্বাচনের ভোট শুরু হয়। ১৯৪৫ সালের পর যুক্তরাজ্যে প্রথমবারের মতো জুলাই মাসে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভোট চলে রাত ১০টা পর্যন্ত।

সূত্র: বিবিসি




৪ শতাধিক আসনে জিততে চলেছে লেবার পার্টি, ঋষির বিদায়ের ইঙ্গিত




গাজায় যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত আলোচনা ফের শুরু করতে চান নেতানিয়াহু




এক নজরে যুক্তরাজ্যের নির্বাচন




ইসরায়েলে বৃষ্টির মতো ২০০ রকেট ছুড়েছে হিজবুল্লাহ




যুক্তরাজ্যে নির্বাচন আজ, ভরাডুবির শঙ্কায় সুনাকের দল




হারিকেন বেরিলের আঘাতে লণ্ডভণ্ড গোটা দ্বীপ, ৭ জনের মৃত্যু

বরিশাল অফিস ::  পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়ে গেছে ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের দ্বীপ ইউনিয়ন আইল্যান্ড। অতি বিপজ্জনক সামুদ্রিক ঝড় হারিকেন বেরিলের আঘাতে দ্বীপটিতে আর কোনো বাড়িই অক্ষত নেই। হারিকেন বেরিলের আঘাতে এখন পর্যন্ত ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। সেন্ট ভিনসেন্ট এবং গ্রেনাডিনসের পাশে অবস্থিত এই দ্বীপে বাসিন্দা ক্যাটরিনা কোই এক ভিডিও বার্তায় এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বেরিল অতিক্রম হওয়ার পর ইউনিয়ন দ্বীপ খারাপ অবস্থায় রয়েছে। কার্যত পুরো দ্বীপের সব বাসিন্দা গৃহহীন হয়ে পড়েছেন। কোনো বাড়ি আর অক্ষত নেই। ঘরবাড়ি মাটির সঙ্গে মিশে গেছে। রাস্তা বন্ধ হয়ে গেছে। বিদ্যুতের খুঁটিগুলো মাটিতে পড়ে আছে। সবকিছু হারিয়ে গেছে। আমার এখন থাকার মতো কোনো জায়গা নেই।

১৯৮৫ সাল থেকে এই দ্বীপটিতে বসবাস করছেন ক্যাটরিনা। ২০০৪ সালে হারিকেন ইভান নামের আরেকটি ভয়াবহ ঝড়ের মধ্যে পড়েছিলেন তিনি। কিন্তু হারিকেন বেরিলের মাত্রা আগের ঝড় থেকে অন্যরকম ছিল বলে জানিয়েছেন তিনি।

ক্যাটরিনা বলেন, এখান দিয়ে যেন একটি টর্নেডো অতিক্রম করেছে। দ্বীপের ৯০ শতাংশ অংশ নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। আমি আমার স্ত্রী এবং মেয়েকে নিয়ে আশ্রয় নিয়েছিলাম। সত্যি বলতে, আমি নিশ্চিত ছিলাম না এই রাতে বাঁচবো।

ক্যাটরিনার চাচাতো বোন ও হোটেল ব্যবসায়ী আলজি জানিয়েছেন, হারিকেনটি আঘাত হানার সময় ঘরের দরজা ও জানালাগুলোর সামনে ফার্নিচার রাখতে বাধ্য হয়েছিলেন তিনি। যেন তীব্র ঝড়ো বাতাসে এগুলো উড়ে না যায়।

তিনি বলেন, চাপ অনেক শক্তিশালী ছিল যে এটি আমরা কানেও অনুভব করছিলাম। আমরা নিজ কানে শুনতে পারছিলাম এক বাড়ির ছাদ উড়ে এসে আরেক বাড়ির ছাদে পড়ছে, জানালা ভাঙছে, পানি ঢুকছে। কেউ বুঝতে পারেনি ঝড়টি এতটা খারাপ হবে। সবাই বেশ ভীত হয়ে পড়েছেন।

এই নারী জানিয়েছেন, এখন দ্বীপের সব বাসিন্দাদের লক্ষ্য হলো থাকার একটা জায়গা তৈরি করা। এজন্য অনেকে ভাঙা কাঠ দিয়ে অস্থায়ী বাসস্থান তৈরি করছেন। এছাড়া খাবার ও সুপেয় পানি যোগার করাটাও তাদের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ হবে।

হারিকেন বেরিল শক্তি ধরে রেখে এখন জ্যামাইকার দিকে এগিয়েছে। এটা সেখানে পূর্ণশক্তি নিয়ে আঘাত হানবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।