জাতিসংঘের ‘গুম বিষয়ক কনভেনশন’-এ সই করবে বাংলাদেশ




মাঙ্কিপক্স নিয়ে বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে শাহজালাল বিমানবন্দর

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : মাঙ্কিপক্স’ রোগের সংক্রমণ নিয়ে বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। বিমানবন্দরের আগমনি চ্যানেলে সার্বক্ষণিক একটি চিকিৎসক দল নিয়োজিত রয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।

শনিবার (১৭ আগস্ট) শাহজালাল বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন মো. কামরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, মাঙ্কিপক্স বিষয়ে এয়ারলাইনসগুলোকে সতর্ক থাকতে। মাঙ্কিপক্স লক্ষণযুক্ত কোনো যাত্রী থাকলে দ্রুত তা স্বাস্থ্য বিভাগকে জানাতে হবে। এছাড়া, বাংলাদেশে আসার ২১ দিনের মধ্যে যাত্রীদের মাঙ্কিপক্সের লক্ষণগুলো দেখা দিলে ১০৬৫৫ নম্বরে কল করতেও অনুরোধ করা হয়।

বৈঠকে সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের জন্য সতর্কতা ও দায়িত্ব সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ স্বাস্থ্য বিভাগ ইতোমধ্যে লক্ষণযুক্ত যাত্রীদের মোকাবিলার জন্য ব্যবস্থা স্থাপন করেছে। লিফলেট দিচ্ছে এবং আগমন স্বাস্থ্য ডেস্কগুলো ২৪/৭ ডাক্তারের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। শাহজালাল বিমানবন্দর দিয়ে আগত যাত্রীদের তাপমাত্রা থার্মাল স্ক্যানার আর্চওয়ে দ্বারা স্ক্রিন করছে। প্রয়োজন হলে লক্ষণযুক্ত যাত্রীদের কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল, সংক্রামক রোগ হাসপাতাল এবং কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে পাঠানো হবে।

বৈঠকে এয়ারলাইনসগুলোকে সতর্ক থাকতে এবং কোনো লক্ষণযুক্ত যাত্রী থাকলে দ্রুত স্বাস্থ্য বিভাগকে অবহিত করতে বলা হয়েছে। আগমনের ২১ দিনের মধ্যে লক্ষণগুলো দেখা দিলে যাত্রীদের ১০৬৫৫ নম্বরে কল করতে অনুরোধ করা হয়েছে।

এদিকে, শনিবার (১৭ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মাঙ্কিপক্স আক্রান্ত দেশ বা ব্যক্তির সংস্পর্শের কারণে বাংলাদেশে আসা দেশি বা বিদেশি ব্যক্তির মাধ্যমে রোগটি ছড়িয়ে পড়তে পারে।




জয়ী হলে যেসব অর্থনৈতিক সুবিধা দেবেন হ্যারিস

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটিক পার্টি থেকে প্রার্থী হয়েছেন কমলা হ্যারিস। বাইডেন সরে যাওয়ার পর থেকেই শুরু করেছেন নির্বাচনী প্রচারণা। দিচ্ছেন নতুন নতুন প্রতিশ্রুতি। এবার অর্থনৈতিক কিছু সুবিধা দেওয়ার কথা জানালেন।

হ্যারিস একটি পরিকল্পনা উপস্থাপন করেছেন। যেখানে তিনি বেশিরভাগ আমেরিকানদের জন্য কর কমানো, দোকানদারদের দ্বারা মূল্য বৃদ্ধি নিষিদ্ধ ও আরও সাশ্রয়ী মূল্যের আবাসন তৈরির কথা বলেছেন।

ডেমোক্র্যাটিক প্রেসিডেন্ট মনোনীত প্রার্থী হিসেবে হ্যারিস প্রথমবার অর্থনীতিকেন্দ্রিক বক্তৃতায়, শিশুসহ পরিবারের জন্য ছয় হাজার ডলারের একটি নতুন চাইল্ড ট্যাক্স ক্রেডিট প্রবর্তনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। শিশু আছেন এমন পরিবারের জন্য ট্যাক্স কামনোর পাশাপাশি ওষুধের দাম কমানোরও ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

বর্তমানে ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্বপালনকরা হ্যারিস চার বছরের মধ্যে ৩০ লাখ নতুন আবাসন ইউনিট নির্মাণ ও প্রথমবারের ক্রেতাদের জন্য বাড়ি তৈরিকারীদের জন্য একটি ট্যাক্স প্রণোদনা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

হ্যারিস উত্তর ক্যারোলিনায় একটি সমাবেশে সমর্থকদের বলেছেন, মার্কিন অর্থনীতি শক্তিশালী রয়েছে কিন্তু দাম এখনো অনেক বেশি। প্রেসিডেন্ট হিসেবে তিনি মধ্যবিত্তের দিকে নজর দেবেন বলেও উল্লেখ করেছেন।

তিনি বলেন, সবাইকে নিয়ে আমরা একটি ইতিবাচক অর্থনীতি গড়ে তুলবো। মধ্যবিত্তকে গড়ে তোলা আমার অন্যতম লক্ষ্য থাকবে কারণ তারা যখন ভালো থাকে তখন মার্কিন অর্থনীতিও শক্তিশালী থাকে।

হ্যারিস আগামী সপ্তাহগুলোতে তার অর্থনৈতিক পরিকল্পনার ব্যাপারে আরও বিস্তারিত প্রকাশ করবেন। মূলত এক্ষেত্রে তিনি তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে পার্থক্য তৈরি করতে চান।

সূত্র: রয়টার্স

 

 




নেতানিয়াহুর দেওয়া চারটি শর্তের যুদ্ধবিরতি আলোচনা চ্যালেঞ্জের মুখে

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: ফিলিস্তিনের গাজায় যুদ্ধবিরতি এবং ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে বন্দিবিনিময় নিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার কাতারের রাজধানী দোহায় আরেক দফা আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দেওয়া চারটি গুরুত্বপূর্ণ শর্তের কারণে এ আলোচনা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।

এসব শর্ত আলোচনাকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে। শর্তগুলোকে ইসরায়েল নিজেদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা করছে। কিন্তু হামাস ও অন্যান্য ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ সংগঠন এসব শর্তের বিরোধিতা করছে।

কাতার, মিসর ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় গতকাল দোহায় শুরু হওয়া যুদ্ধবিরতির আলোচনায় উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছেন। আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র ও মিসরের গোয়েন্দাপ্রধানেরা রয়েছেন। ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের প্রধান ডেভিড বার্নিয়ার নেতৃত্বে দেশটির একটি প্রতিনিধিদল এ আলোচনায় অংশ নিয়েছে। যুদ্ধবিরতির এ আলোচনা আজ শুক্রবারও চলবে বলে জানিয়েছে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

অবশ্য গত বুধবার হামাস বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের দেওয়া প্রস্তাব বাস্তবায়নে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি পেলে তারা যুদ্ধবিরতি ও বন্দিবিনিময় আলোচনায় যোগ দেবে।

নেতানিয়াহুর ৪ শর্ত

বন্দিবিনিময় চুক্তির অংশ হিসেবে হামাস গাজায় যুদ্ধ বন্ধ করা, ইসরায়েলি বাহিনী প্রত্যাহার এবং বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের নিজ বাড়িঘরে ফেরার ওপর জোর দিচ্ছে। কিন্তু সম্প্রতি নেতানিয়াহুর দপ্তর থেকে দেওয়া বিবৃতি অনুযায়ী, চুক্তি চূড়ান্ত করতে হলে চারটি প্রধান বিষয়ে সমঝোতায় পৌঁছাতে হবে।

প্রথমত, উত্তর ও দক্ষিণ গাজাকে ভাগ করে গাজায় নতুন করে ইসরায়েলি বাহিনী ‘নেতজারিম করিডর’ তৈরি করেছে। মধ্য গাজা থেকে উত্তর গাজায় সশস্ত্র ফিলিস্তিনিদের এই করিডর অতিক্রম ঠেকানোর প্রক্রিয়ার ওপর জোর দিচ্ছে নেতানিয়াহুর দপ্তর।

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইসরায়েলি আলোচকেরা দেশটির সংবাদমাধ্যমকে বলে আসছেন, ফিলিস্তিনিদের তল্লাশি করার প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন নিয়ে দেওয়া শর্তের কারণে চুক্তিতে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি হয়েছে।

নেতানিয়াহুর দ্বিতীয় শর্ত হলো, মিসর সীমান্তবর্তী ফিলাডেলফিয়া করিডর এবং মিসর ও গাজার মধ্যকার রাফা ক্রসিংয়ের নিয়ন্ত্রণ ইসরায়েলের হাতে রাখা। গত মে মাস থেকে এই করিডর ও ক্রসিং নিয়ন্ত্রণ করছে ইসরায়েল।

তৃতীয় শর্ত হলো, গাজায় এখনো কতজন ইসরায়েলি বন্দী জীবিত আছেন, হামাস যেন সে তথ্য দেয়; যাঁদের বিনিময় ইসরায়েলের কারাগারে থাকা ফিলিস্তিনি বন্দীদের মুক্তি দেওয়া হবে।

ইসরায়েলের কারাগারগুলোতে কমপক্ষে সাড়ে ৯ হাজার ফিলিস্তিনি রয়েছেন। অন্যদিকে হামাসের দাবি, গাজায় ১১৫ ইসরায়েলি বন্দী রয়েছেন, যাঁদের ৭০ জনের মতো ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন।

প্রস্তাবিত চুক্তির অংশ হিসেবে ‘জীবিত ও মৃত’ ইসরায়েলিদের একটি অংশকে মুক্তি দেওয়ার কথা। কিন্তু নেতানিয়াহু অধিকাংশ জীবিত বন্দীর মুক্তির বিষয়ে জোর দিচ্ছেন। এ জন্য তিনি আগে থেকেই তাঁদের নামের তালিকা চান।

চতুর্থ শর্ত হলো, হামাস মুক্ত করতে চায়, এমন যেকোনো বন্দীর মুক্তির বিষয়টি নাকচ করে দেওয়ার অধিকার চায় ইসরায়েল। একই সঙ্গে মুক্তি পাওয়া ফিলিস্তিনি বন্দীদের তৃতীয় কোনো দেশে পাঠাতে চায় দেশটি। হামাস এই শর্ত প্রত্যাখ্যান করেছে।

গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলে আকস্মিক হামলা চালায় হামাস। ওই দিন থেকেই গাজায় পাল্টা হামলা শুরু করে ইসরায়েল। প্রায় ১০ মাস ধরে গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর নির্বিচার হামলায় ৪০ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহত ব্যক্তিদের বেশির ভাগই নারী ও শিশু। এ ছাড়া আহত হয়েছেন প্রায় ৯২ হাজার ফিলিস্তিনি।




রয়টার্সকে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা সরকার সিদ্ধান্ত নিলে শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরত চাইবো

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, ‘শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মামলা বাড়ছে। হত্যাসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা হচ্ছে। তাকে ভারত থেকে ফেরত আনা হবে কিনা সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে অন্তর্বর্তী সরকার। যদি স্বরাষ্ট্র ও আইন মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নেয় তাহলে তাঁকে (শেখ হাসিনা) দেশে ফেরত পাঠাতে ভারতকে অনুরোধ করা হবে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বৃহস্পতিবার দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। এটি ভারত সরকারের জন্য বিব্রতকর হবে মন্তব্য করে তিনি বলেন, (ভারত) বিষয়টি জানে। আমি নিশ্চিত যে, তারা এ বিষয়ে খেয়াল রাখবে।

তৌহিদ হোসেন বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত আনতে ভারতকে অনুরোধ করা হবে কিনা, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে সরকার। এ বিষয়ে জানতে রয়টার্সের পক্ষ থেকে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল। তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

ভারতসহ বিশ্বের সব দেশের সঙ্গে বাংলাদেশ সুসম্পর্ক চায় জানিয়ে পররাষ্ট্র বলেন, বাংলাদেশ এরই মধ্যে অনেক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে। এখন আর রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া সম্ভব নয়। তাই ভারতসহ অন্য দেশগুলোকে মিয়ানমারের নাগরিক রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানান তিনি।




ফের শুরু হলো হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধবিরতির আলোচনা




বাংলাদেশের মতো আমার সরকারও ফেলতে চাইছে: মমতা

চন্দ্রদ্বীপ আন্তর্জাতিক :: পশ্চিমবঙ্গে আরজি কর আন্দোলনকে বাংলাদেশের শেখ হাসিনার সরকারের বিরুদ্ধে চলা আন্দোলনের সঙ্গে তুলনা করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। গতকাল বুধবার তিনি বলেন, ‘অনেকে ভাবছেন, বাংলাদেশের মতো এখানেও সরকার ফেলে দেবে। আমি ক্ষমতার মায়া করি না।’

কলকাতার মাল্টি সুপার স্পেশালিটি সরকারি হাসপাতাল আরজি করে এক নারী চিকিৎসককে ধর্ষণের পর খুনের ঘটনায় নজিরবিহীন প্রতিবাদ দেখছে ভারত। দোষীদের শাস্তির দাবিতে দেশজুড়ে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। কলকাতার তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনায় দিল্লিতেও পালিত হয় ‘মেয়েরা রাত দখল করো’কর্মসূচি। দিল্লির চিত্তরঞ্জন পার্কে রাত দখল বা ‘রিক্লেম দ্য নাইট’-র ডাক দেওয়া হয়। মুম্বাইয়ের আন্ধেরিতে পশ্চিম ইনফিনিটি মলের সামনেও জমায়েতের ডাক দেওয়া হয়।

মমতার দাবি, ‘আরজি করের ঘটনা নিয়ে সিপিএম এবং বিজেপি রাজনীতি করছে। বাংলাদেশে একটা ঘটনা ঘটে গিয়েছে। অনেকে ভাবছেন, বাংলাদেশের ঘটনা টেনে এনে এখানেও ক্ষমতা দখল করবেন। কিন্তু মনে রাখবেন, আমি ক্ষমতার মায়া করি না।’

আরজি করের ঘটনার প্রতিবাদে যে আন্দোলন চলছে, তা বিশেষ রাজনৈতিক দল পরিকল্পিত ভাবে করাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন মমতা। তিনি বলেন, ‘যারা আন্দোলন করছেন, তারা অধিকাংশই ছাত্রছাত্রী নন। রাজনৈতিক দল এটা পরিকল্পিতভাবে করছে। ভাবছে মমতাকে ক্ষমতা থেকে সরাবে। ওরা জানে না, মমতার সরতে আসলে এক সেকেন্ড লাগে। ঠিক যেভাবে আমি রেল থেকে সরে এসেছিলাম। অন্যায়ের কাছে আমি মাথা নত করি না, করব না। দরকার হলে মানুষের কাছে মাথা নত করব, কিন্তু কোনও রাজনৈতিক দলের কাছে নয়।’

মমতা বলেন, ‘যত দিন বাঁচব, মানুষকে ন্যায়বিচার এনে দেব। এই ঘটনা জানার পরেও আমি পুলিশকে দিয়ে অনেক কাজ করিয়েছিলাম। কিন্তু ওরা হাইকোর্টে গেলেন।’

বাংলাদেশে প্রবল জনবিক্ষোভের মুখে গত ৫ আগস্ট পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। ভারতে সেই আন্দোলনের সঙ্গে আরজি কর আন্দোলনের তুলনা করছেন।




বাংলাদেশের পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে আসবে: মোদির আশাবাদ

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভারতের ৭৮তম স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে আজ বৃহস্পতিবার এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে যা কিছু হচ্ছে, সেটা নিয়ে প্রতিবেশী দেশ হিসেবে চিন্তিত হওয়ার বিষয়টি আমি বুঝতে




থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীকে পদচ্যুত করা হয়েছে

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী স্রেথা থাভিসিনকে পদচ্যুত করা হয়েছে। দেশটির সাংবিধানিক আদালত আজ বুধবার তাঁকে পদচ্যুত করার পাশাপাশি মন্ত্রিসভা ভেঙে দিয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে দেশটিতে নতুন করে রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হলো। এখন দেশটির পার্লামেন্টকে একজন নতুন প্রধানমন্ত্রী বাছাই করতে হবে।

দুর্নীতির দায়ে দণ্ডিত একজন আইনজীবীকে মন্ত্রী নিয়োগ দিয়ে স্রেথা ‘নৈতিকতার নিয়ম লঙ্ঘন’ করছেন বলে তাঁর পদচ্যুতির পক্ষে রায় দিয়েছেন পাঁচজন। তবে চারজন বিচারপতি এর বিপক্ষে ছিলেন। স্রেথাকে নিয়ে ফেউ থাই পার্টির তিনজন সাংবিধানিক আদালতের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর পদ হারিয়েছেন।

বিচারক পুণ্য উদচাচন রায়ে বলেন, ‘তিনি (স্রেথা) এই মন্ত্রীকে (পিচিট চুয়েনবান) নিয়োগ দেওয়ার ক্ষেত্রে সততার পরিচয় দেননি। তাই সংবিধানের আলোকে সংখ্যাগরিষ্ঠের রায়ে প্রধানমন্ত্রীকে (স্রেথা) পদচ্যুত করা হয়েছে।’

পিচিটকে ২০০৮ সালে দুর্নীতির দায়ে যে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল, তা স্রেথার অজানা থাকার কথা নয় বলে মন্তব্য করে বিচারক পুণ্য বলেন, কিন্তু তা বিবেচনায় না নিয়ে পিচিটকে মন্ত্রী নিয়োগ দিয়ে স্রেথা অসততার পরিচয় দিয়েছেন এবং নৈতিক মানদণ্ড লঙ্ঘন করেছেন।

স্রেথার বিরুদ্ধে নৈতিকতার লঙ্ঘনের অভিযোগ ওঠার পর পিচিট মন্ত্রিসভা থেকে আগেই পদত্যাগ করেছিলেন। উল্লেখ্য,  প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে স্রেথাকে সরিয়ে দিতে গত মে মাসে প্রায় ৪০ জন সিনেটর আবেদন করলে আদালত তা গ্রহণ করেন।

এদিকে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর সাংবাদিকদের স্রেথা বলেন, ‘আমি আদালতের রায়কে সম্মান করি। তবে আমি আবারও জোর দিয়ে বলছি, প্রায় এক বছরের মতো যে সময়টা আমি ক্ষমতায় ছিলাম, ভালো মনমানসিকতা নিয়ে সৎভাবেই দেশ শাসন করতে চেয়েছিলাম।’

স্রেথাকে পদচ্যুত করার এক সপ্তাহ আগে দেশটির প্রধান বিরোধী দল মুভ ফরোয়ার্ড পার্টিকে (এমএফপি) বিলুপ্ত ঘোষণা করেন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার রাজতান্ত্রিক দেশটির এই একই আদালত। তখন প্রগতিশীল দলটির সাবেক প্রধান পিটা লিমজারোয়েনরাতকেও রাজনীতি থেকে এক দশকের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।

এক বছরের কম সময়ের মধ্যে স্রেথা প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদচ্যুত হওয়ায় দুই দশক ধরে রাজনৈতিক অস্থিরতায় ভোগা দেশটিতে নতুন করে অস্থিতিশীলতা তৈরি হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। গত ২০ বছরে সেনাবাহিনী, রাজতন্ত্রের অনুগত রাজনৈতিক দল ও প্রগতিশীল দলগুলোর মধ্যকার দ্বন্দ্বের কারণে দেশটিতে কয়েকবার সামরিক অভ্যুত্থান হয়েছে, বড় বড় বিক্ষোভ হয়েছে।




ছাত্র আন্দোলনে হত্যার তদন্ত করবে জাতিসংঘ

 

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: বাংলাদেশে সাম্প্রতিক ছাত্র আন্দোলনের সময় বিক্ষোভকারীদের হত্যার ঘটনায় শিগগিরই তদন্ত শুরু করবে জাতিসংঘ। জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার টুর্কের বরাত দিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রেস উইং এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘ছাত্র আন্দোলনের সময় বিক্ষোভকারীদের হত্যা করার বিষয়ে তদন্তের জন্য খুব শিগগির জাতিসংঘের নেতৃত্বে একটি তদন্ত শুরু করা হবে। জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞদের একটি দল তদন্ত শুরু করতে শিগগিরই বাংলাদেশ সফর করবে।’

বুধবার ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে টেলিফোনে আলাপকালে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার এ কথা বলেন। অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করায় ফলকার টুর্ককে এবং দীর্ঘদিনের বন্ধু জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসকে ধন্যবাদ জানান ড. ইউনূস।