ইন্টারনেট বন্ধ নিয়ে যা বলল পাকিস্তান সরকার

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: পাকিস্তানে চলমান আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সরকার ইন্টারনেটের গতি কমিয়ে দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে পাকিস্তান সরকারের দাবি, তারা ইন্টারনেটের গতি কমায়নি। বরং ভিপিএন ব্যবহারের কারণে ইন্টারনেটের গতি কমে গেছে। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।

 রবিবার ইসলামাবাদে এক সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী সাজা ফাতিমা বলেন, ‘পাকিস্তান সরকার ইন্টারনেট ব্লক বা গতি ধীর করেনি।’ সরকার বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলে সমস্যাটির সমাধান করার চেষ্টা করছে বলেও দাবি করেন তিনি।

এদিকে ইন্টারনেট সেবা বিঘ্নিত হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন দেশটির ফ্রিল্যান্সাররা। একজন ফ্রিল্যান্সার নাম না প্রকাশের শর্তে জিও টিভিকে বলেন, ‘আমরা কঠিন সমস্যায় আছি। ফ্রিল্যান্সিং কমিউনিটির বহু মানুষ দীর্ঘ মেয়াদে ক্লায়েন্ট হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছেন। হোয়াটসঅ্যাপে আমরা কোনো ফাইল পাঠাতে পারিনি, আবার আমাদের কাছে পাঠানো ফাইলও ডাউনলোড করতে পারিনি।’

অভিযোগ উঠেছে, ভিন্নমতাবলম্বীদের কন্ঠরোধ করতে ইন্টারনেটে বিধিনিষেধ আরোপ করছে পাকিস্তানের সরকার। এ উদ্দেশ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কনটেন্ট যাতে বৃহৎ জনগোষ্ঠীর কাছে না পৌঁছায়, সেজন্য পরীক্ষামূলকভাবে ফায়ারওয়াল ইনস্টল করেছে। সে কারণেই বড় আকারে ইন্টারনেট সেবা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিঘ্ন দেখা দিয়েছে। এর আগে গত ৮ ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নিরাপত্তার অজুহাতে পাকিস্তান সরকার এক্সও ব্লক করে দেয়।



থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রা




থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন পেতংতার্ন

চন্দ্রদ্বীপ আন্তর্জাতিক :: থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রাকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ৩৭ বছর বয়সী পেতংতার্ন দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও ধনকুবের থাকসিনের মেয়ে।

গতকাল রবিবার ব্যাংককের স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৯টার পর এক অনুষ্ঠানে পেতংতার্নের হাতে সরকার গঠনের আনুষ্ঠানিক চিঠি দেন রাজা মাহা ভাজিরালংকর্ন। এরপর তিনি দেশটির নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।

আলজাজিরার এ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

এর আগে শুক্রবার থাইল্যান্ডের দ্বিতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী এবং সিনাওয়াত্রা পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হন থাকসিনের মেয়ে পেতংতার্ন। তিনি দেশটির পার্লামেন্টের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ভোট পেয়েছেন।

পেতংতার্ন দেশটির দ্বিতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী। এর আগে তার ফুফুও দেশটির প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। বৃহস্পতিবার থাকসিনের দল ফেউ থাই পার্টি পেতংতার্নকে প্রার্থী হিসেবে বেছে নেয়। জোটের অন্য ১০ দলের কেউ কোনো প্রার্থী দেয়নি।

২০২২ সালে রাজনীতিতে প্রবেশের আগে পেতংতার্ন তার পরিবারের হোটেল ব্যবসা দেখভাল করতেন। গত বছরের সাধারণ নির্বাচনে দলীয় কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত ছিলেন তিনি। ওই নির্বাচনে প্রগতিশীল মুভ ফরোয়ার্ড পার্টি (এমএফপি) সবচেয়ে বেশি আসন পেয়ে জয়লাভ করে। তারা অঙ্গীকার করে, দেশে রাজতন্ত্রের প্রভাব কমাবে এবং দীর্ঘসময় ধরে চলতে থাকা একচেটিয়া ব্যবসা ও শিল্পখাতগুলোকে প্রতিযোগিতামূলক করে তুলবে।

দীর্ঘ সময় ধরে থাইল্যান্ডে সামরিক বাহিনী, রাজতন্ত্রের প্রতি অনুগত রাজনৈতিক দল ও থাকসিনের সমর্থক এবং সংস্কারবাদী দলগুলোর মধ্যে টানাপড়েন চলছে।

থাইল্যান্ডের সাংবিধানিক আদালত আগের প্রধানমন্ত্রী শ্রেত্থা থাভিসিনকে বরখাস্ত করার পর নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনে বাধ্য হয় দেশটির পার্লামেন্ট।

শ্রেত্থার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি তার মন্ত্রিসভায় এমন একজনকে স্থান দিয়েছিলেন, যিনি এর আগে ফৌজদারি অপরাধে ছয় মাস কারাদণ্ড ভোগ করেছেন।




‘হাসিনার মতো ভুল মমতা করেননি’

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : আরজি কর-কাণ্ডের প্রেক্ষিতে যারা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করছেন, তাদের আঙুল ভেঙে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিলেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ। তিনি এই আন্দোলনকে বাংলাদেশের বিক্ষোভের তুলনা করেছেন। তিনি বলেন, হাসিনা যে ভুল করেছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই ভুল করবেন না, করেননি।

কলকাতার মাল্টি সুপার স্পেশালিটি সরকারি হাসপাতাল আরজি করে এক নারী চিকিৎসককে ধর্ষণের পর খুনের ঘটনায় নজিরবিহীন প্রতিবাদ দেখছে ভারত। দোষীদের শাস্তির দাবিতে দেশজুড়ে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। কলকাতার তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনায় দিল্লিতেও পালিত হয় ‘মেয়েরা রাত দখল করো’কর্মসূচি।

গতকাল শনিবার দোষীদের ফাঁসির দাবিতে কোচবিহার জেলায় পথে নেমেছিল তৃণমূল। কোচবিহারের সাগরদিঘিতে গান্ধীমূর্তির পাদদেশে বিক্ষোভ সমাবেশের মঞ্চে দাঁড়িয়ে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন বলেন, ‘‘এই ঘটনায় যাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে আঙুল তুলছেন, যাঁরা সমাজমাধ্যমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে গালাগালি করছেন, যাঁরা আঙুল তুলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগ চাইছেন, সেই আঙুলগুলোকে চিহ্নিত করে ভেঙে দেওয়ার বন্দোবস্ত করতে হবে। না-হলে এরা বাংলাকে বাংলাদেশ তৈরি করবার চেষ্টা করবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে ভাঙচুর করার পরেও পুলিশ গুলি চালায়নি। পুলিশ এখানে বাংলাদেশ করতে দেবে না। সরকার এখানে বাংলাদেশ করতে দেবে না। তৃণমূলের কর্মীরা সাধারণ মানুষের সহযোগিতা নিয়ে বাংলাকে বাংলাদেশ করতে দেবেন না।’

উদয়নের এই বক্তব্যের পর কটাক্ষ করেন জেলা বিজেপির সভাপতি সুকুমার রায়। তিনি বলেন, ‘হাজার হাজার, লাখ লাখ মানুষ এখন মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ চাইছেন রাস্তায় নেমে। রাত দখল করেছেন নারীরা। ওই কর্মসূচিতে কত লোক হয়েছিল! তিনি (উদয়ন) কয়টা হাত ভাঙবেন? কার আঙুল ভাঙবেন। এমন যেন না হয়। আগামী দিনে ওর (উদয়ন) আঙুলও যেন ঠিক থাকে।’




ভারতে রাজনৈতিক আশ্রয় পেয়েছেন যেসব বিদেশি নেতা




আফ্রিকায় খরার কবলে ৭ কোটি মানুষ

চন্দ্রদ্বীপ আন্তর্জাতিক :: আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চলে প্রায় ৭ কোটি মানুষ খরার কবলে পড়েছে। এল নিনোর প্রভাবে সেখানে কোনো ফসল জন্মাচ্ছে না। গতকাল শনিবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সাউদার্ন আফ্রিকান ডেভেলপমেন্ট কমিউনিটি (এসএডিসি)।

১৬টি আফ্রিকান দেশের প্রধান শনিবার জিম্বাবুয়ের রাজধানী হারারেতে বৈঠকে বসেছিল। সেখানে তারা খরা পরিস্থিতি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে কথা বলেন।

চলতি বছর শুরুর দিকে খরা দেখা দেয়। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয় ফসল ও গবাদিপশু উৎপাদন। দেশজুড়ে দেখা দেয় খাদ্যসংকট। প্রভাব পড়ে বৃহত্তর অর্থনীতিতেও।

এসএডিসির নির্বাহী সচিব ইলিয়াস মাগোসি বলেন, এই অঞ্চলের ১৭ শতাংশ মানুষ খরার কবলে, সংখ্যায় যা ৬ কোটি ৮০ লাখ। তিনি বলেন, ‘এ বছরে বর্ষা মৌসুমে পর্যাপ্ত বৃষ্টি হয়নি। যার প্রভাব পড়েছে আবহাওয়ায়।

জাতিসংঘ বলেছে, আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চল বিগত ১০০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে শুষ্ক ফেব্রুয়ারি দেখেছে এবার। ওই অঞ্চল এবার স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের মাত্র ২০ শতাংশ পেয়েছে। তাপমাত্রাও গড়ের চেয়ে কয়েক ডিগ্রি বেশি ছিল।

খরার কারণে দক্ষিণ আফ্রিকার দেশগুলির মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে জিম্বাবুয়ে, মালাউই ও জাম্বিয়া।




নেতানিয়াহুর ব্যক্তিগত বাসভবনে হিজবুল্লাহর ড্রোন

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: দখলদার ইসরাইলের যুদ্ধবাজ প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ব্যক্তিগত বাসভবনে হিজবুল্লাহর একটি পুনরুদ্ধারকারী ড্রোন প্রবেশ করেছে বলে জানিয়েছে ইসরাইলি মিডিয়া।

রোববার ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম জেরুসালেম পোস্ট এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, লেবানিজ সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর একটি পুনরুদ্ধারকারী ড্রোন সম্ভবত সিজারিয়া এলাকায় ইসরাইলি সরকারের প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত বাসভবনে প্রবেশ করেছে।

ড্রোনটি ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বাসস্থানের ফুটেজ নিতে সক্ষম হয়েছে। পাশাপাশি বিষয়টি ইসরাইলি কর্মকর্তাদের মধ্যে আতংক ও ভীতির জন্ম দিয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ইসরাইলি সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ঘটনাস্থলে ইসরাইলি যোদ্ধাদের পাঠানো হয়েছে। তবে তারা ড্রোনটির সঠিক অবস্থান চিহ্নিত করতে ব্যর্থ হয়েছে। সূত্র: মেহের নিউজ

 




হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির আগে তরুণ কর্মকর্তাদের ক্ষোভের মুখে পড়েছিলেন সেনাপ্রধান

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে কোটা সংস্কার আন্দোলন একপর্যায়ে রূপ নেয় সরকার পদত্যাগের এক দফায়। পুলিশবাহিনী পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যর্থ হলে একপর্যায়ে সারা দেশে সেনা মোতায়েন করে সরকার। তাতেও শেষ রক্ষা হয়নি, দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হন শেখ হাসিনা। তবে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা পালানোর আগে ২ আগস্ট এক কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। ওই দিন এক বৈঠকে তরুণ সেনা কর্মকর্তাদের ক্ষোভের মুখে পড়েন তিনি। খবর ভারতীয় সাপ্তাহিক সংবাদ সাময়িকী দ্য উইকের।

প্রতিবেদন অনুসারে, দেশে চলমান পরিস্থিতি নিয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়ের জন্য ওই বৈঠক ডেকেছিলেন সেনাপ্রধান। সেখানে তিনি সেনা কর্মকর্তাদের ক্ষোভ প্রশমনে কিছু যুক্তি তুলে ধরেন। ওয়াকার-উজ-জামান তাদের বোঝানোর চেষ্টা করেন, অগণতান্ত্রিক উপায়ে ক্ষমতা হস্তান্তর হলে বাংলাদেশ কেনিয়া বা আফ্রিকার দেশগুলোর মতো হয়ে যেতে পারে।

এ সময় তিনি কর্মকর্তাদের সংযত থাকার পরামর্শ দিয়ে বলেন, ১৯৭০ সালের পর আমাদের দেশে এমন গণবিক্ষোভ আর কখনো ঘটেনি। এটি একটি ব্যতিক্রম ঘটনা। আমাদের সবাইকে ধৈর্য ধরতে হবে।

তবে সেনাপ্রধানের বক্তব্যে আশ্বস্ত হননি কর্মকর্তারা। তরুণ কর্মকর্তাদের ক্ষোভ প্রকাশের মধ্য দিয়ে বৈঠকটি শেষ হয়। এর মধ্য দিয়ে সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার দাবি মানতে বাধ্য হন।

বৈঠকের তিন দিন পর ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা একটি সামরিক হেলিকপ্টারে চড়তে বাধ্য হন। ওই হেলিকপ্টার তাকে ভারতীয় সীমান্ত পেরিয়ে আগরতলায় নিয়ে যায়। সেখানে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি সি১৩০ পরিবহন উড়োজাহাজ অপেক্ষমাণ ছিল, সেটা তাকে দিল্লির কাছে হিন্দন বিমানঘাঁটিতে নিয়ে যায়।

জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের অবস্থা ছিল অস্বস্তিকর। কারণ, তাকে নিয়োগ দিয়েছিলেন শেখ হাসিনা। তা ছাড়া বৈবাহিক সূত্রে তিনি শেখ হাসিনার আত্মীয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিষয়টি সম্ভবত জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানকে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সম্পর্কে আরও সতর্ক করে তুলেছিল। বিশৃঙ্খলার মধ্যে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড মোকাবিলা ও স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনতে সেনা মোতায়েনকে যৌক্তিক হিসেবে তুলে ধরতে সেনাপ্রধান বলেছিলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ভালোভাবে দায়িত্ব পালন করেছে। তারা ১ হাজার ৭১৯টি গুলি ছুড়েছে, ১৪ হাজার ফাঁকা গুলি ছুড়েছে এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে সহিংস জনতার মুখোমুখি হয়ে ৩১টি উত্তপ্ত পরিস্থিতি সামাল দিয়েছে।

মতবিনিময়ে সেনাপ্রধানের পদক্ষেপের বৈধতা নিয়ে তদন্তের আহ্বান আসে। তরুণ মেজর মো. আলী হায়দার ভূঁইয়া সেনা মোতায়েনকালে সেনাবাহিনী যে ভূমিকা রেখেছে, তার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। নিজের বক্তব্যের পক্ষে যুক্তি দিয়ে তিনি পবিত্র কোরআন থেকে উদ্ধৃত করেন, তিনি দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে আল্লাহর করুণা ভিক্ষা করেন এবং এতে যুক্ত না হওয়ার কথা বলেন। একজন কনিষ্ঠ কর্মকর্তার এই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান শুধু বলেন, ‘আমিন’।

নারী কর্মকর্তা মেজর হাজেরা জাহান এই ঘটনায় শিশুদের প্রাণহানি ও এর ন্যায্য বিচার হওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনীর ওপর জনগণের অসন্তোষ বাড়তে থাকা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। সেনাপ্রধান তার সঙ্গে একমত পোষণ করেন।

বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমির এক কর্মকর্তা র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) কয়েকজন কর্মকর্তার ‘অগ্রহণযোগ্য’ কর্মকাণ্ডের কথা তুলে ধরেন। জবাবে জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, পরিস্থিতি ঠিক হলে এগুলো দেখা হবে।

সেনাবাহিনীর ওপর জনগণের সমর্থন কমে যাওয়ার কথা তুলে ধরে সেনাসদস্যদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেন ৫ এয়ার ডিফেন্স রেজিমেন্টের কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাহবুব। চট্টগ্রামের আরেক কর্মকর্তা আহত শিক্ষার্থীদের সহায়তার মাধ্যমে সেনাবাহিনীর ভাবমূর্তি ফিরিয়ে আনতে কাজ করার পরামর্শ দেন।

সব শেষে জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান যে সামাজিক চাপ ও হয়রানির মুখোমুখি হচ্ছেন, তা তুলে ধরেন এবং নিজের হতাশা প্রকাশে আইয়ুব বাচ্চুর একটি গানের কথা তুলে ধরেন।




ঢাকায় সীমিত পরিসরে চালু ভারতীয় ভিসা কেন্দ্র

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: বাংলাদেশের অস্থির রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে গত বৃহস্পতিবার থেকে বন্ধ রাখা হয়েছিল ভারতীয় ভিসার আবেদন কেন্দ্রগুলি। পরিস্থিতি কিছুটা ছন্দে ফিরতেই ও পার বাংলায় ফের চালু করা হল ভারতীয় ভিসা কেন্দ্রগুলি।  সীমিত পরিসরে চালু করা হয়েছে ঢাকায় ভারতীয় ভিসা কেন্দ্র। ভিসার জন্য আবেদনকারীদের জানানো হয়েছে, কবে তাঁরা ভিসা পাবেন, সে বিষয়টি তাঁদের মোবাইলে এসএমএস পাঠিয়ে জানিয়ে দেওয়া হবে। সীমিত পরিসরে কাজ চলার জন্য, এই প্রক্রিায় কিছুটা দেরি হতে পারে। ফলে এসএমএস পাওয়ার আগে অযথা ভিসা কেন্দ্রে ভিড় না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।




গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির বিষয়ে যা বললেন বাইডেন