বাংলাদেশে হত্যা ও অধিকার লঙ্ঘনের দায়ে জড়িতদের বিচার চায় জাতিসংঘ




মমতাকে পদত্যাগের আল্টিমেটাম শিক্ষার্থীদের

 

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলন ও সরকার পরিবর্তনের হাওয়া বইছে পশ্চিমবঙ্গেও। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আগামী ২৬ আগস্টের মধ্যে পদত্যাগের আল্টিমেটাম দিয়েছে রাজ্যটির ছাত্রসমাজ। পদত্যাগ না করলে ২৭ আগস্ট সচিবালয় নবান্ন ও অভিযানের ডাক দিয়েছে তারা।

নবান্ন চলো কর্মসূচিতে দলমত নির্বিশেষে রাজ্যের সাধারণ মানুষকে অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়ে এই আল্টিমেটাম দেয় ছাত্রসমাজ। ফলে ওইদিন রাজ্যে বড় সংঘাতের আশঙ্কা করছে রাজনৈতিক মহল।

এর মধ্যেই মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ আরো বিপদে ফেলেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে। যা অনুপ্রাণিত করেছে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিবাদী মানুষ এবং আন্দোলনকারী ছাত্র-ছাত্রীদের।

এদিন সকালে কলকাতা লাগোয়া সল্টলেক ও বিধান নগরের রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরে বিক্ষোভ দেখান বিজেপির ছাত্র সংগঠন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের কর্মী সমর্থকরা। প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেই আরজি করকাণ্ডে কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনিত গোয়েল এবং আরজি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রিন্সিপাল সন্দীপ ঘোষকে গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভে শামিল হন কয়েক হাজার কর্মী সমর্থক। সেখানে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি এবং পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যাপক লাঠিচার্জ করে। গ্রেপ্তার করা হয় বেশ কিছু এবিপি নেতাকর্মীকে।

আরজি করকাণ্ডে দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মঙ্গলবার কলকাতার প্রাণকেন্দ্র ধর্মতলার টিপু সুলতান মসজিদের সামনে জাতীয় কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বিক্ষোভ করার জন্য কর্মী সমর্থকরা জমায়েত হতেই পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে কলকাতা পুলিশের সদর দপ্তর লালবাজারে নিয়ে যায়। আজ পথে নেমেছেন সিপিআইএম। বামফ্রন্টের পক্ষ থেকে জেলাশাসকের দপ্তরগুলোতে বিক্ষোভ এবং আইন অমান্য কর্মসূচি পালন করে বামফ্রন্টের নেতাকর্মীরা।




বাংলাদেশ থেকে সরে গেল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ




যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে রাজি নেতানিয়াহু

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: ফিলিস্তিনের গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে ইসরাইলের শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে কয়েক দফা বৈঠক করেছে কাতারসহ মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কয়েকটি দেশ। তবে প্রতিবারই যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে কঠিন সব শর্ত জুড়ে দিয়েছে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সরকার। তাতে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে যুদ্ধবিরতি কার্যকর ইস্যু। তবে এবার যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে রাজি হয়েছেন নেতানিয়াহু, সোমবার তেল আবিবে এমন দাবি করছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্লিংকেন। খবর ডয়চে ভেলের।

ব্লিংকেন জানিয়েছেন, যুদ্ধবিরতি নিয়ে নেতানিয়াহুর সঙ্গে তার খুবই কার্যকর বৈঠক হয়েছে। সেখানে নেয়ানিয়াহু তাকে জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র যে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছে তা তিনি মেনে নিচ্ছেন। এখন হামাস তা মেনে নিলেই এই অঞ্চলে আর যুদ্ধ থাকবে নাl

ব্লিংকেন বলেছেন, ‘ইসরায়েলের বন্দিদের মুক্তি দিয়ে গাজায় ফিলিস্তিনিদের স্বস্তি ফেরানোর বিষয়টি এখন হামাসের উপর নির্ভর করছে। এটা নির্ণায়ক মুহূর্ত। যুদ্ধবিরতি করে বন্দিদের ঘরে ফেরানোর এবং দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার এর থেকে ভালো সুযোগ সম্ভবত আর পাওয়া যাবে না।’

যুদ্ধবিরতি কার্যকরে শুরু থেকেই মধ্যস্থতা করছে কাতার। কাজেই ব্লিংকেন এখন কাতার যাবেন। এবং সেখানে গিয়ে কাতারের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির বিষয়টি নিয়ে কথা বলবে পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করবেন। আর সেটি হলে ইসরায়েল-হামাস সংঘাত শুরুর পর ১০ মাসে এই নিয়ে নয়বার মধ্যপ্রাচ্য সফর করবেন ব্লিংকেন।

মধ্যস্থতাকারীদের একাটা অংশ অবশ্য মনে করছেন, যুদ্ধবিরতি চুক্তি এবার হয়ে যাবে। তবে ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনার ফলে এই সংঘাত আরো বাড়ার আশংকাও করছেন অনেকে। যা নিয়েই চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে মিশরে যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা হবে। সেই আলোচনার আগে অবশ্য নেতানিয়াহু সতর্ক করে বলেছেন, আলোচনার সময় কেউ যেন এমন কোনো কাজ না করে, যাতে এই প্রক্রিয়া বানচাল হয়l

 




চিঠি দিয়ে ড. ইউনূসকে যে বার্তা দিলেন জাতিসংঘের মহাসচিব

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে গত ৮ আগস্ট দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নিয়েছেন নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এবার অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সমর্থন জানিয়ে ড. ইউনূসকে একটি চিঠি লিখেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।

গত ১৬ আগস্ট পাঠানো সেই চিঠিতে দেশের শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক, গণতান্ত্রিক উত্তরণের পথে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রচেষ্টাকে সম্পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে জাতিসংঘ। যা সোমবার রাতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং চিঠিটি শেয়ার করে। যেই চিঠিতে জাতিসংঘ প্রধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে ড. ইউনূসের দায়িত্ব গ্রহণের জন্য তাকে তার শুভেচ্ছা জানান।

বাংলাদেশ ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে রয়েছে উল্লেখ করে গুতেরেস চিঠিতে লিখেছেন, এই ক্রান্তিকালীন সময়ে সহিংসতার অবসান, জবাবদিহিতা নিশ্চিত এবং গণতান্ত্রিক নির্বাচনের পথ নির্ধারণে ড. ইউনূসের নেতৃত্ব হবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জাতিসংঘ মহাসচিব বলেছেন, ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সাথে কাজ করতে এবং অনুরোধ পেলে যেকোনও সমর্থন দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ জাতিসংঘ। বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থে আবাসিক সমন্বয়কারী এবং জাতিসংঘের কান্ট্রি টিমের মাধ্যমে এই অনুরোধ করা যেতে পারে।

গুতেরেস বলেন, বাংলাদেশে শান্তি ফিরিয়ে আনা এবং সংসদ নির্বাচন আয়োজনের প্রচেষ্টাকে আমি স্বাগত জানাই। এই ক্রান্তিকালীন সময়ে সহিংসতার অবসান ঘটাতে, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে, আইন-শৃঙ্খলা পুনরুদ্ধার করতে এবং গণতান্ত্রিক নির্বাচনের পথ নির্ধারণে ড. ইউনূসের নেতৃত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে।

তিনি বলেন, আমি আশা করি, যুবক ও নারীদের পাশাপাশি সংখ্যালঘু এবং আদিবাসী সম্প্রদায়ের কণ্ঠস্বরও বিবেচনায় নেওয়াসহ আপনার সরকার একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক পন্থা গ্রহণ করবে। সব নাগরিক এবং বিশেষ করে সংখ্যালঘুদের পূর্ণ সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার কাজ করবে।

জাতিসংঘ মহাসচিব আরও বলেন, রোহিঙ্গা শরণার্থীদের কল্যাণ নিশ্চিত করার জন্য আমি আপনাকে জোরালোভাবে আহ্বান জানাচ্ছি, বিশেষ করে মিয়ানমারের অবনতিশীল পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে।




পাকিস্তানের সংসদে ইঁদুর নিধনে বিড়াল মোতায়েন

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : পাকিস্তানের পার্লামেন্ট ভবনে বেড়েছে ইঁদুরের উপদ্রব। ইঁদুরের কারণে নষ্ট হচ্ছে রাষ্ট্রীয় সম্পদ। আর তাই সংসদে ইঁদুর নিধনে শিকারি বিড়াল মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তানের রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)।

আর এই প্রকল্পের জন্য ১২ লাখ রুপি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সিডিএ। গতকাল সোমবার সিডিএ এর বরাতে এ খবর জানিয়েছে পাকিস্তানি গণমাধ্যম জিও নিউজ।

প্রতিবেদনে বলা হয়, পার্লামেন্ট ভবনে ইঁদুরের উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় দক্ষ শিকারি বিড়াল মোতায়েনের উদ্দেশ্যে বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পার্লামেন্টের বিভিন্ন স্থানে বিশেষ ইঁদুরের ফাঁদও পেতে রাখা হবে।

পাকিস্তান পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি এবং উচ্চকক্ষ সিনেট ভবনে অনেক দিন ধরে ইঁদুরের উপদ্রপের কারণে নানা ধরণের ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছিল। এছাড়া দেশটির অনেক গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ইঁদুরের কারণে নষ্ট হয়েছে বলে জানা গেছে।

তাই এ পরিস্থিতিতে ইঁদুর নিধনে ব্যতিক্রমী প্রকল্প হাতে নিল দেশটি।




তেল আবিবে বোমা হামলা, দায় স্বীকার হামাস-ইসলামিক জিহাদের




মৌমিতার ময়নাতদন্ত রিপোর্ট, যা জানা গেল

চন্দ্রদ্বীপ আন্তর্জাতিক :: আরজি কর হাসপাতালে ধর্ষণ ও হত্যার শিকার মৌমিতার ময়নাতদন্ত রিপোর্ট সামনে এনেছে। পশ্চিমবঙ্গের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের এক এক্সক্লুসিভ প্রতিবেদনে এই ময়নাতদন্ত রিপোর্ট সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়।

কলকাতার মাল্টি সুপার স্পেশালিটি সরকারি হাসপাতাল আরজি করে মৌমিতা নামে এক নারী চিকিৎসককে ধর্ষণের পর খুনের ঘটনায় নজিরবিহীন প্রতিবাদ দেখছে ভারত। দোষীদের শাস্তির দাবিতে দেশজুড়ে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে।

মৌমিতার ময়নাতদন্ত রিপোর্টে বলা হয়, তার দেহে ছিল একাধিক আঘাতের চিহ্ন। ‘যৌন হেনস্থা’র প্রমাণও মিলেছে।

ময়নাতদন্তের রিপোর্ট বলছে তাকে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছিল। এমনকি, তার যৌনাঙ্গে জোরপূর্বক কিছু প্রবেশ করানো হয়েছিল।

নিপীড়নের শিকার হয়ে প্রাণ হারানো মৌমিতার শরীরে একাধিক ক্ষতচিহ্ন ছিল। মাথা, গাল, ঠোঁট, নাক, ডান চোয়াল, চিবুক, গলা, বাঁ হাত, বাঁ কাঁধ, বাঁ হাঁটু, গোড়ালি এবং যৌনাঙ্গে ক্ষতচিহ্ন মিলেছে। রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, তার ফুসফুসে রক্ত জমাট (হেমারেজ) বেঁধেছিল। শরীরে আরও কিছু অংশেও জমাট বেঁধে ছিল রক্ত। তাকে যে শ্বাসরোধ করে ‘খুন’ করা হয়েছে রিপোর্টে লেখা রয়েছে তা-ও।

একাধিক মহল থেকে অভিযোগ তোলা হয়েছিল, নির্যাতিতার দেহে ‘১৫০ গ্রাম সিমেন’ মিলেছে। কলকাতা হাইকোর্টে তার পরিবার যে পিটিশন দায়ের করেছে, সেখানেও এই বিষয়টির উল্লেখ রয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্টে ‘সিমেন’ সংক্রান্ত কোনও উল্লেখ নেই। রিপোর্টে

রিপোর্টে ‘এক্সটারন্যাল ও ইন্টারন্যাল জেনিটালিয়া’ কলমে লেখা হয়েছে, ওজন ‘১৫১ গ্রাম’। প্রসঙ্গত, ময়নাতদন্তের রিপোর্টে নিয়ম মেনে মৃতদেহের বিভিন্ন অংশের ওজন উল্লেখ করা হয়। এ

বিভিন্ন মহল থেকে নির্যাতিতার শরীরের একাধিক হাড় ভাঙার যে সব কথা উঠে আসছিল, ময়নাতদন্তের রিপোর্টে তেমন হাড় ভাঙার কোনও উল্লেখ নেই। রিপোর্টে লেখা হয়েছে, ‘শ্বাসরোধ করার কারণে মৃত্যু। মৃত্যুর ধরন খুন। যৌনাঙ্গে জোরপূর্বক কিছু প্রবেশ করানোর মেডিক্যাল প্রমাণও রয়েছে। যৌন হেনস্থার সম্ভাবনা।’

গত ৯ আগস্ট সকালে আরজি কর হাসপাতালে জরুরি বিভাগের চারতলার সেমিনার হলে মৌমিতার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ, যিনি পেশায় ছিলেন সিভিক ভলান্টিয়ার। হাইকোর্টের নির্দেশে ঘটনার তদন্ত করছে সিবিআই।




সিসিলিতে বিলাসবহুল প্রমোদতরী ডুবে একজনের মৃত্যু

চন্দ্রদ্বীপ আন্তর্জাতিক :: ইতালির সিসিলিতে এক ব্রিটিশ বিলাসবহুল প্রমোদতরী ডুবে একজনের মৃত্যু হয়েছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ছয়জন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সোমবার ভোররাতের দিকে দক্ষিণ ইতালির সিসিলি দ্বীপের উপকূলের কাছে যুক্তরাজ্যের পতাকাবাহী একটি জাহাজ ঘূর্ণিঝড়ের কবলে ডুবে গেলে জাহাজে থাকা ২২ ব্যক্তি সাগরে ভেসে যান।

কর্তৃপক্ষ অনুসন্ধান চালিয়ে ১৫ জনকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। বাকি ৭ জনকে এখনো খুঁজে পাওয়া যায়নি।

জাহাজে থাকা ২২ জনের মধ্যে বেশির ভাগই যুক্তরাজ্যের নাগরিক। এছাড়া ছাড়া জাহাজে ২ জন মার্কিনি, ১ জন কানাডিয়ান, নিউজিল্যান্ডের ১ জন, শ্রীলঙ্কার ১ জন, ফ্রান্সের ২ জন এবং একজন আয়ারল্যান্ডের নাগরিক ছিলেন।



দ্রুত যুদ্ধবিরতির চেষ্টায় ইসরায়েলে ব্লিংকেন