মার্কিন নাগরিকদের ভ্রমণ ঝুঁকিপূর্ণ দেশের তালিকায় বাংলাদেশ




যোদ্ধাদের যে ‘ভয়ঙ্কর নির্দেশনা’ দিলো হামাস




যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়ায় স্কুলে গুলি, বহু হতাহতের শঙ্কা




গাজার মধ্যাঞ্চলে যুদ্ধ বন্ধ রেখেছে হামাস-ইসরায়েল




ইসরাইলি স্থল বাহিনীর প্রধানের পদত্যাগ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: দখলদার ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে তেলআবিবে ব্যাপক বিক্ষোভ-প্রতিবাদের মাঝেই পদত্যাগের ঘোষণা দিলেন দেশটির স্থল বাহিনীর প্রধান মেজর জেনারেল তামির ইয়াদাই।

ইসরাইলের সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করে জানানো হয়েছে, ব্যক্তিগত কারণেই তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

মেজর জেনারেল তামির ইয়াদাই গত তিন বছর ধরে ইসরাইলের স্থল বাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

মঙ্গলবার টাইমস অব ইসরাইলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইয়াদাই তার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত ইসরাইলের চিফ অব স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল হারজি হালেভি এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়ভ গ্যালান্ট অনুমোদন করেছেন।

এতে আরও বলা হয়েছে, আশা করা হচ্ছে, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই একজন উপযুক্ত কর্মকর্তাকে পাওয়া গেলেই ইয়াদাই তার পদ থেকে সরে যাবেন। তবে তার পরিবর্তে কে আসবেন, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

ইয়াদাই আপাতত ছুটিতে থাকবেন এবং পরে সামরিক বাহিনীতে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদের জন্য তার প্রার্থিতা জমা দেবেন বলে জানা গেছে।

এদিকে ইয়াদাইয়ের পদত্যাগকে ইসরাইলের সামরিক বাহিনীতে একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ ইয়াদাই তার সময়কালে ইসরাইলি স্থল বাহিনীকে আধুনিকীকরণ এবং কার্যক্রম পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

সামরিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তামির ইয়াদাইয়ের উত্তরসূরি বেছে নেওয়া ইসরাইলের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হবে; যা দেশটির সামরিক বাহিনীর ভবিষ্যৎ কার্যক্রমের ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে। সূত্র: মেহের নিউজ




বাংলাদেশ থেকে ব্যবসা গোটানোর পরিকল্পনা ভারতের রেমন্ডের




তুরস্ক ও মিসরের প্রেসিডেন্টকে সৌদি যুবরাজের ফোন

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: সামরিক দিক থেকে মুসলিম বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিধর দুই দেশ হচ্ছে তুরস্ক ও মিসর। মধ্যপ্রাচ্যে যে কয়েকটি দেশকে সমীহ করে চলে ইসরায়েল, সেই তালিকায় রয়েছে এই দুই দেশ।

এবার তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়েপ এরদোয়ান এবং মিসরের প্রেসিডেন্ট ফাত্তাহ আল সিসির সঙ্গে রোববার ফোনালাপ করেছেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। তাদের ফোনালাপে এই তিন নেতা ফিলিস্তিন পরিস্থিতি কথা বলেছেন।

এরদোয়ানের সঙ্গে ফোনালাপে সৌদি যুবরাজ বলেন, ফিলিস্তিনে আগ্রাসন বন্ধে আরব ও ইসলামিক দেশগুলোর ঐক্যবদ্ধ হতে হবে এবং জনগণের ওপর ভয়াবহ হামলা বন্ধে চাপ প্রয়োগ করতে হবে বলে জানান।

ইসরায়েলের মিত্র হিসেবে পরিচিত দেশ মিসরের রাষ্ট্রপ্রধান আল সিসিকে করা ফোনে যুবরাজ মোহাম্মদ বলেন, ফিলিস্তিনে ইসরায়েলের অভিযান বন্ধ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কারণ, তারা একের পর এক ফিলিস্তিনিদের ওপর আগ্রাসন চালিয়ে যাচ্ছে।

গেল বছরের ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনে হামলা শুরু করে ইসরায়েল। ওই হামলায় এখন পর্যন্ত ৪০ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন প্রায় ১ লাখ মানুষ। এমতাবস্থায় ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকরে বিশ্ব সম্প্রদায় বারবার ব্যর্থ হচ্ছে।




যেকোনো সময় গ্রেপ্তার হতে পারেন পুতিন

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ::আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি থাকা অবস্থাতেই মঙ্গোলিয়ায় সফর করছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। আইনগতভাবে তাই যেকোনো সময় গ্রেপ্তার হতে পারেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।

গত বছর আন্তর্জাতিক আদালত (আইসিসি) তার ওপর গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। ওই পরোয়ানা জারির পর প্রথমবারের মতো আইসিসির কোনো সদস্য দেশে পা রাখলেন তিনি। স্থানীয় সময় আজ মঙ্গলবার মঙ্গোলিয়ার রাজধানী উলানবাটোরে পা রাখেন পুতিন।

তার এই সফরকে ঘিরে কয়েকদিন ধরেই উত্তেজনা বিরাজ করছিল। ইউক্রেনের পক্ষ থেকে তাকে গ্রেপ্তারের দাবি তোলা হয়েছিল। আইসিসির একজন মুখপাত্রও জানিয়েছে পুতিনকে গ্রেপ্তার করতে মঙ্গোলিয়া বাধ্য। কারণ তারা আইসিসির সনদে স্বাক্ষর করা দেশ।

তবে পুতিন উষ্ণ অভ্যর্থনাই পেয়েছেন মঙ্গোলিয়ায়। তার এই সফরকে কেন্দ্র করে সেখানে জমকালো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। দেশটির শীর্ষ নেতারা পুতিনকে স্বাগত জানান।

ক্রেমলিনের এক মুখপাত্র বলেছেন, পুতিনকে এই সফরের সময় গ্রেপ্তার করার মতো কিছু ঘটবে বলে তারা মনে করেন না। পাঁচ বছরের মধ্যে মঙ্গোলিয়ায় পুতিনের প্রথম সফর উপলক্ষে রাজধানী উলানবাটোরের সেন্ট্রাল চেঙ্গিস খান চত্বরে দুই দেশের পতাকা দিয়ে সাজানো হয়। সেখানে মঙ্গোলিয়ার প্রেসিডেন্ট উখনাগিন খুরেলসুখের সঙ্গে সাক্ষাত করেন পুতিন।




ক্ষমা পেলেন আমিরাতে সাজাপ্রাপ্ত ৫৭ বাংলাদেশি

চন্দ্রদ্বীপ আন্তর্জাতিক :: সংযুক্ত আরব আমিরাতে সাজাপ্রাপ্ত ৫৭ বাংলাদেশিকে ক্ষমা করে দিয়েছেন দেশটির রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান। তাদের দেশে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার এক বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এ কথা জানান। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমের সম্পাদকদের সঙ্গে বৈঠকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এ তথ্য জানান বলে উল্লেখ করেন প্রেস সচিব শফিকুল আলম। আজ সকাল সাড়ে ১১টা থেকে প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় এ বৈঠক শুরু হয়।

গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়ে গত ১৯ জুলাই সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রবাসী বাংলাদেশিরা বিক্ষোভ করেন। পরবর্তীতে সেখানকার ৫৭ জন বাংলাদেশিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তাদের মধ্যে তিনজনকে যাবজ্জীবন, ৫৩ জনকে ১০ বছর এবং বাকি একজনকে ১১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

এর আগে এই ৫৭ বাংলাদেশিকে মুক্ত করতে আইনজীবী নিয়োগ দিয়েছিল বাংলাদেশ দূতাবাস। বাংলাদেশ মিশনের ডেপুটি চিফ মোহাম্মদুর মিজানুর রহমান স্বাক্ষরিত এক পত্র থেকে সে তথ্য জানা যায়।

ব্যারিস্টার ওলোরা আফরিনকে আইনজীবী নিয়োগ দিয়ে ওই পত্রে বলা হয়, আবুধাবিতে ফেডারেল কোর্ট অফ আপিলের মাধ্যমে আরব আমিরাতে ৫৭ জন বাংলাদেশী প্রবাসীর গ্রেপ্তার ও সাজা সংক্রান্ত মামলার বিষয়ে এবং দূতাবাসকে বিনা খরচে (প্রো বোনো) সহায়তা করার জন্য আপনার আবেদনের প্রেক্ষিতে দূতাবাস আপনার নিয়োগ অনুমোদন করছে। বন্দীদের মুক্তি দিতে এবং মামলার বিষয়ে অন্য কোনো আইনি পথ গ্রহণ করতে আপনাকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া করতে হবে। দূতাবাস মামলা সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে আপনাকে সহায়তা করবে।’




ইসরায়েল হামলা অব্যাহত রাখলে বন্দিরা ‘কফিনে’ ফেরত যাবে : হামাস