শেখ হাসিনা চাইলে বিদেশি আইনজীবী নিয়োগ দিতে পারেন

 

আসামিপক্ষে বিদেশি আইনজীবী নিয়োগ বিষয়ে করা এক প্রশ্নের জবাবে চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা মনে করি আসামিপক্ষ তাদের বেস্ট ডিফেন্স দেওয়ার জন্য আইনজীবী চান—সেটি দেশি হোক, বিদেশি হোক আমাদের পক্ষ থেকে আপত্তি থাকার কোনো কারণ নেই।…তারা যে ধরনের আইনজীবী চান, সরকারের পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত হলে আমাদের পক্ষ থেকে আপত্তি থাকবে না। যাতে কোনো আসামি না বলতে পারেন যে বিচারপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে তার এই সমস্যা ছিল, ওই সমস্যা ছিল, যে কারণে তিনি ন্যায়বিচার পাননি। এটা যাতে বলতে না পারেন, সে বিষয়ে সরকারও সচেতন আছে, প্রসিকিউশন টিম হিসেবে আমরাও সচেতন আছি। মনে করি বিচার শেষ হওয়ার পরে আসামিপক্ষ এবং বাদীপক্ষ, দুই পক্ষই যে বলে এখানে সুবিচার হয়েছে। কারও প্রতি কোনো অন্যায় করা হবে না, কিন্তু কোনো অপরাধে ছাড়ও কাউকে দেওয়া হবে না—এটা আমাদের পরিষ্কার বার্তা। ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য যা যা করার দরকার, তাই করা হবে।’

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘আমাদের মধ্যে কোনো গোপনীয়তা নেই যে রায় নিজেদের মতো করে বানিয়ে দিতে হবে, মিথ্যা কথা বলে তদন্ত সাজাতে হবে—প্রয়োজন নেই। বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের অধিকাংশ এই ঘটনাগুলোর লাইভ উইটনেস। বাংলাদেশের সবার চোখের সামনে অপরাধ ঘটেছে, যা ঘটেছে, যাদের চোখের সামনে ঘটেছে, প্রত্যেকে এসে সাক্ষী দেবেন, তাতে বিচারের রায় যা হওয়ার তা হবে। আমরা কাউকে কোনো অধিকার বঞ্চিত করতে চাই না। সম্পূর্ণ ফেয়ার ট্রায়াল নিশ্চিত করার জন্য প্রসিকিউশন কাজ করবে।’

এছাড়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র–জনতার আন্দোলনে আহত–নিহতের তালিকা, চিকিৎসা ও দাফনের বিষয়ে তথ্যাদি চেয়ে দেশের সব জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার, সিভিল সার্জন ও সরকারি–বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কাছে চিঠি পাঠানোর কথা জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, ‘মূলত তদন্তের সূচনালগ্নে প্রাথমিক যে বিষয়গুলো দরকার, সেগুলো আমরা সংগ্রহ করার জন্য চিঠি দিয়েছি। এর মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক তদন্তের যে যাত্রা সেটি আমরা শুরু করেছি।’

জুলাই–আগস্ট বিপ্লব নিয়ে ক্যামেরায় ধারণ করা ডকুমেন্ট ও প্রতিবেদনের অনুলিপি সরবরাহ করার জন্য সব মিডিয়া হাউসের (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া) প্রশাসনে যারা আছেন, তাদের কাছে চিঠি পাঠানোর কথাও জানান চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম।

সম্মিলিতভাবে তদন্ত সংস্থাকে সহায়তা করার জন্য সমন্বয়ক ও ছাত্রনেতাদের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম বলেন, ‘শিগগিরই ছাত্রনেতাদের বা সমন্বয়কদের আমাদের এখানে আসার আহ্বান জানাব। তাদের কাছে যেসব তথ্য–প্রমাণ আছে, এগুলো সংগ্রহের ব্যাপারে তারা কীভাবে সহযোগিতা করবে, সে বিষয়গুলো নির্ধারণের জন্য তাদের এখানে আমন্ত্রণ




ড. ইউনূসের সঙ্গে অর্থনৈতিক সংলাপের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের




গাজায় তাঁবু ক্যাম্পে বর্বর হামলা, নিহত অন্তত ৪০ ফিলিস্তিনি




এবার বয়কটের হুমকিতে টরন্টোর ‘বেগমপাড়া’র বাসিন্দারা!

স্থানীয় সংসদ সদস্যও এসেছিলেন ওই অনুষ্ঠানে। কিন্তু অনুষ্ঠানে আসতে দেওয়া হয়নি হঠাৎ ফুলেফেঁপে ওঠা বাঙালি দুর্নীতিবাজদের, যাঁরা কিনা বাংলাদেশের অবৈধ অর্থের বিনিময়ে কানাডার টরন্টোতে বাড়ি-গাড়ি বানিয়েছেন।

এটি তো গেল সামাজিক অনুষ্ঠানে বয়কটের ঘটনা। বাংলাদেশ থেকে যেসব দুর্নীতিবাজ ব্যবসায়ী ও কর্মকর্তা কানাডায় বিত্তশালী হয়েছেন, তাঁদের বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই বয়কট করা হয়।

তাঁদের বেশির ভাগই একপ্রকার সামাজিকভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন। উপায় না দেখে তাঁদের বেশির ভাগ কানাডিয়ানদের সঙ্গেই বেশি মিশে থাকেন। আবার অনেকে টরন্টো ছেড়ে অন্য শহরের দিকে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেছেন। ফলে কানাডার টরন্টো খ্যাত বেগমপাড়া এখন আরো বড় হচ্ছে। নানা শহরে এসব দুর্নীতিবাজ বসতি স্থাপন করছেন।




পশ্চিমবঙ্গে ডাক্তারদের কাজে ফেরার নির্দেশ

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: ভারতের পশ্চিমবঙ্গে আন্দোলনরত চিকিৎসকদের কাজে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দিলো সুপ্রিম কোর্ট। আগামীকাল মঙ্গলবার বিকেল পাঁচটার মধ্যে তাদের কাজে যোগ দিতে বলা হয়েছে।আরজি কর হাসপাতালে নারী চিকিৎসক ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে তারা আন্দোলন করছিলেন।

দেশটির প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বে তিন বিচারপতির বেঞ্চ জানিয়েছে, রাজ্য সরকারকে চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। প্রতিটি জেলায় জেলাশাসক ও পুলিশ সুপার বিষয়টি দেখবেন। আদালত নিযুক্ত কমিটি বিষয়টি নিয়ে কী সুপারিশ করবে, তার জন্য অপেক্ষা করার দরকার নেই।

তারা নির্দেশ দেন, পুলিশ ও প্রশাসন যেন সব সরকারি হাসপাতালে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগাবার ব্যবস্থা করে। পুরুষ ও নারী ডাক্তারদের রেস্ট রুম ও আলাদা টয়লেটের ব্যবস্থা যেন থাকে। তারা কোনো হুমকির মুখে পড়লে পুলিশ-প্রশাসনকে ব্যবস্থা নিতে হবে।

সুপ্রিম কোর্টের শুনানিতে রাজ্য সরকারের আইনজীবী কপিল সিবাল বলেন, ‘চিকিৎসকদের একাংশ এখনো আন্দোলন করছেন, কাজে যোগ দেননি। এর ফলে ২৩ জন মারা গেছেন। ছয় লাখ মানুষ চিকিৎসা পাননি।’

তার যুক্তি, ‘গরিবদের জন্য সরকারি হাসপাতালই ভরসা। সেখানে সুপ্রিম কোর্টের অনুরোধের পরেও যদি চিকিৎসকরা কাজে যোগ না দেন, তাহলে কী হবে?’

কপিল সিবাল দাবি করেন, ‘রাজ্যজুড়ে আন্দোলন হচ্ছে, কিন্তু পুলিশকে কিছু না জানিয়েই সেসব হচ্ছে।’

বিচারপতির বেঞ্চ জানিয়েছে, আন্দোলন করার জন্য কোনো চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া যাবে না। কিন্তু কাজে যোগ না দিলে ব্যবস্থা না নেয়ার কথা তারা আর বলতে পারবেন না।

তারা এটাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন, চিকিৎসকদের আস্থা ফেরাতে সরকারকে ব্যবস্থা নিতে হবে। জেলাশাসক ও পুলিশ সুপার পরিস্থিতি দেখবেন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন। সব চিকিৎসককে নিরাপত্তা দিতে হবে। যেসব ব্যবস্থা নিতে হবে, তার খরচ রাজ্য সরকারকে বহন করতে হবে। সুপ্রিম কোর্ট বিষয়টির উপর নজর রাখবে বলেও তারা জানিয়েছেন।




অবরুদ্ধ ইসরাইল, শঙ্কিত নেতানিয়াহু

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: ইরান নেতৃত্বাধীন প্রতিরোধ অক্ষ ইসরাইলকে ঘিরে ফেলেছে এবং ইহুদি রাষ্ট্রটি এ প্রতিরোধ শক্তির দ্বারা অবরুদ্ধ অবস্থায় রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।

রোববার ফিলিস্তিনি সংবাদ সংস্থা সামা নিউজ এজেন্সির বরাতে ইরানের বার্তা সংস্থা ইরনা এ খবর জানিয়েছে।

শনিবার স্থানীয় এক বৈঠকে বক্তৃতা দেওয়ার সময় নেতানিয়াহু উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, অধিকৃত অঞ্চলে একটি গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ সময় তিনি ‘হামাস ইচ্ছাকৃতভাবে গাজায় চলমান যুদ্ধকে ব্যবহার করে ইসরাইলের ভেতরে গৃহযুদ্ধ উস্কে দিতে চাইছে’ বলেও অভিযোগ করেন।

এছাড়া নেতানিয়াহু তার সরকারের ওপর ক্রমবর্ধমান চাপের কথাও জানান। যা গাজায় হামলা বন্ধ করার জন্য এবং অস্ত্রবিরতির দাবিতে ক্রমাগত বেড়েই চলেছে।

এক্ষেত্রে তিনি তেলআবিবে তার বাসভবনের সামনে লাখো মানুষের বিক্ষোভের উল্লেখ করেছেন। যারা গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে স্বাক্ষর না করায় নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে এবং ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে বন্দি বিনিময় চুক্তির দাবি তুলেছে।

বিক্ষোভকারীরা বিভিন্ন ব্যানার, ইসরাইলি পতাকা এবং হামাসের হাতে বন্দি থাকা ইসরাইলি জিম্মিদের ছবি হাতে নিয়ে নেতানিয়াহুর বাসভবনের চারপাশে জড়ো হয়। তাদের দাবি, গাজায় চলমান যুদ্ধবিরতি চুক্তি করতে এবং ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীর সঙ্গে বন্দি বিনিময় দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে।

এ বিক্ষোভ ইসরাইলে চলমান রাজনৈতিক ও সামাজিক উত্তেজনার প্রতিফলন। যেখানে সরকারবিরোধী আন্দোলন দিন দিন বেড়েই চলছে। বিক্ষোভকারীদের মতে, গাজায় চলমান সংঘর্ষে মানবিক বিপর্যয় বাড়ছে এবং বন্দি বিনিময় ও যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে সংঘর্ষের অবসান ঘটানো প্রয়োজন।

এ নিয়ে নেতানিয়াহু বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশ্যে জোর দিয়ে বলেন যে, ইসরাইলকে এ বিপর্যয় মোকাবিলা করতে অবশ্যই ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

ইতোমধ্যে ১১ মাসেরও বেশি সময় ধরে গাজায় ইসরাইলের অব্যাহত আক্রমণে এখন পর্যন্ত ৪০ হাজার ৯০০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত এবং ৯৪ হাজার ৭শ জন আহত হয়েছেন। যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু।

যদিও নেতানিয়াহু এর আগে হামাসকে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন এবং গাজায় আগ্রাসন অব্যাহত রাখেন। তারপরও তিনি এখনও সেই লক্ষ্য পূরণ করতে পারেননি।

এছাড়া গত বছরের ৭ অক্টোবর হামাসের হাতে বন্দিদের মুক্ত করতেও তিনি ব্যর্থ হয়েছেন। তবুও তিনি দাবি করেন যে, গাজার হুমকি দূর করার মাধ্যমেই ইসরাইলিরা শান্তিপূর্ণভাবে তাদের বাড়িতে ফিরতে পারবে। সূত্র: ইরনা




নাইজেরিয়ায় তেলের ট্যাংকার বিস্ফোরণ, নিহত ৪৮

চন্দ্রদ্বীপ আন্তর্জাতিক  :: নাইজেরিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় একটি তেলের ট্যাংকারের ট্রাক বিস্ফোরিত হয়েছে। এতে অন্তত ৪৮ জন নিহত হয়েছেন। গতকাল রবিবার দেশটির উত্তর-মধ্যাঞ্চলীয় নাইজার রাজ্যে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় দুর্যোগ ব্যবস্থা সংস্থা জানিয়েছে, যাত্রী ও গবাদি পশু বহনকারী একটি ট্রাকের সঙ্গে জ্বালানিবাহী ট্যাংকারটির সংঘর্ষ হয়। এসময় আরও কয়েকটি যানবাহন দুর্ঘটনার কবলে পড়ে।

সংস্থাটির মুখপাত্র হুসাইনি ইব্রাহিম জানিয়েছেন, দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৪৮ জন মারা গেছেন।




সপ্তাহে তিনদিন ছুটির যুগে প্রবেশ করল সৌদি




জীবন পাল্টে দিতে পারে এ পি জে আব্দুল কালামের এই ১০ বাণী




কমালা হ্যারিস নির্বাচনে জিতলে ইসরায়েল ‘ধ্বংস’ হয়ে যাবে : ট্রাম্প