ইসরায়েল ‘বিপর্যয়কর জবাব’ পাবে, বলল ইরানের বিপ্লবী গার্ড




ইসরায়েলি সেনারা লেবাননে প্রবেশ করুক, চান হিজবুল্লাহ প্রধান

 




শেখ হাসিনার ভারতেই থাকা উচিত : শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট




ব্রিটেনের ভ্রমণ ভিসায় যে বিশাল প‌রিবর্তন

হোম সেক্রেটারি ইভেট কুপার ঘোষণা দি‌য়েছেন, চল‌তি বছ‌রের নভেম্বর থেকে কয়েকটি দেশের পর্যটকদের ভিসা ছাড়াই যুক্তরাজ্যে প্রবেশের জন্য দশ পাউন্ড ফি দিতে হবে।

যুক্তরাজ্যের আগের সরকার বৈধ বসবাসের অধিকার বা ভিসা ছাড়াই যুক্তরাজ্যে প্রবেশ বা ট্রানজিট করা লোকদের জন্য গত বছর ইলেকট্রনিক ট্রাভেল অথরাইজেশন-ইটিএ সিস্টেম চালু করেছিল।

ইটিএ বর্তমানে কাতার,বাহরাইন, কুয়েত, ওমান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব এবং জর্ডানের নাগরিকদের জন্য প্রযোজ্যি। কিন্তু, নভেম্বর থেকে এটি ইউরোপীয় ব্যতীত অন্য সকল নাগরিকদের জন্য প্রযোজ্য হবে। আগামী বছ‌রের মার্চ মাস থে‌কে এটি ইউরোপীয় নাগরিকদের জন্য আও প্রসারিত হবে।

মাইগ্রেশন এবং সিটিজেনশিপমন্ত্রী সীমা মালহোত্রা বলেছেন, ডিজিটাইজেশন প্রতি বছর সীমান্ত দিয়ে ব্রিটে‌নে আসা লক্ষাধিক পর্যটকদের জন্য একটি নতুন অভিজ্ঞতা তৈরি করে। আমরা যুক্তরাজ্যে পর্যটকদের আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাই। তারা আমাদের পর্যটনে ৩২ বিলিয়নেরও বেশি অবদান রাখবেন। ইটিএ’র বিশ্বব্যাপী সম্প্রসারণ নতুন প্রযুক্তি এবং আধুনিক অভিবাসন ব্যবস্থা যুক্ত করার মাধ্যমে নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য আমাদের প্রতিশ্রুতি নি‌শ্চিত ক‌রে।

হোম অফিসের একজন মুখপাত্র বলেছেন, যুক্তরাজ্য সরকার গ্লোবাল এয়ারলাইন, মেরিটাইম এবং রেল ক্যারিয়ারের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে চলেছে, যারা আমাদের ডিজিটাইজেশন প্রোগ্রামের সুষ্ঠু বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

নতুন নিয়মের কারণে জর্ডানের নাগরিকরা আর ইটিএ নিয়ে যুক্তরাজ্যে ভ্রমণ করতে পারবে না। ত‌বে এমন ভ্রমণকারীদের জন্য চার সপ্তাহের ট্রানজিশন পিরিয়ড থাকবে যারা ইতোমধ্যেই একটি ই‌টিএ নি‌য়ে ভ্রমণের বুকিং নিশ্চিত করেছেন৷




নিউইয়র্কে ড. ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক হচ্ছে না

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ : জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের ফাঁকে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বৈঠক হচ্ছে না বলে জানিয়েছে ভারতের গণমাধ্যম। উভয় নেতা জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে আগামী সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন।

বিষয়টির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বরাত দিয়ে ভারতের সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানিয়েছে। সংবাদমাধ্যমটি বলছে, চলতি মাসের শুরুর দিকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাইডলাইনে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির মধ্যে বৈঠকের জন্য আনুষ্ঠানিক অনুরোধ করা হয়েছিল। কিন্তু ড. ইউনূসের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদি দেখা করবেন বলে আশা করা হচ্ছে না। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন বলে জানিয়েছেন।

ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর শান্তিতে নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নেয়। ইতোমধ্যে সরকারের প্রায় দেড় মাস কেটে গেছে। এই সময়ে পশ্চিমা বিশ্বসহ বেশিরভাগ দেশ ড. ইউনূসের সঙ্গে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে তাদের স্পষ্ট অবস্থান ব্যক্ত করলেও স্বাভাবিক সম্পর্কে ফিরতে পারছে না প্রতিবেশী দেশ ভারত। বাংলাদেশ নিয়ে একটি অস্বস্তি ও শঙ্কা কাজ করছে দিল্লির। ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকারের সময় তাদের ভাষায় ‘ইসলামপন্থী ও উগ্র ডানপন্থী শক্তি’ মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারে এমন আশঙ্কায় ভুগছে প্রতিবেশী দেশটি।

এমন অবস্থার মধ্যে জাতিসংঘের আসন্ন সাধারণ অধিবেশনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ড. ইউনূসের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ। তবে ভারতের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি। এমন অবস্থার মধ্যে ভারতের সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বৈঠক না হওয়ার কথা বলা হয়েছে।

ভারতীয় এক কর্মকর্তা হিন্দুস্তান টাইমসকে বলেছেন, ‘নিউইয়র্কে সাধারণ পরিষদের সাইডলাইনে মোদি কিছু দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। তবে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধানের সঙ্গে কোনো বৈঠক শিডিউলে নেই।’

ড. ইউনূসের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আপাতত বৈঠক না করার বিষয়ে বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন, এখন যদি ড. ইউনূসের সঙ্গে মোদিকে সরাসরি বৈঠক করতে হয় তাহলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যাপারেও আলোচনা করতে হবে। আর মোদি এখন হাসিনাকে নিয়ে কথা বলতে চাইছেন না। কারণ আলোচনা হলে সেখানে অবশ্যই হাসিনাকে ফেরত দেওয়ার বিষয়টি উঠবে।

ওয়াশিংটনভিত্তিক উইলসন সেন্টারের দক্ষিণ এশিয়া ইনস্টিটিউটের পরিচালক মাইকেল কুগেলম্যান বলেছেন, ‘ঢাকার সঙ্গে দিল্লির সম্পর্ক খুবই স্পর্শকাতর একটি বিষয়ে পরিণত হয়েছে। এখন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে উচ্চ পর্যায়ে কথা বললে ভারতকে এমন কিছু বিষয়ের ওপর নজর দিতে হবে। যেটি তারা এখন আলোচনায় রাখতে চাইবে না।’




ভারত ইচ্ছাকৃতভাবে বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীকে দুর্বল রাখার চেষ্টা করেছে!

 

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: শেখ হাসিনার শাসনামলে ভারত গোপনে  প্রভাব খাটিয়ে  বাংলাদেশের সামরিক শক্তিকে দুর্বল করে রেখেছে বলে অভিযোগ। লক্ষ্য একটাই বাংলাদেশের সেনা ভারতের দিকে যাতে কোনো স্ট্র্যাটেজিক চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতে না পারে। হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশ প্রকৃত অর্থে স্বাধীনতার স্বাদ উপভোগ করছে- সামরিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে। ১৭০ মিলিয়ন জনসংখ্যার দেশটির হাতে রয়েছে মাত্র ৮ টি মিগ্, ২৯ টি ফাইটার জেট। 

যা প্রমাণ করে হাসিনার আমলে স্পষ্টতই দেশের সামরিক ক্ষেত্রকে অবহেলিত করে রাখা হয়েছে। অন্যদিকে অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েও সামরিক দিক থেকে অনেক বেশি শক্তিশালী পাকিস্তান। গ্লোবাল ফায়ার পাওয়ার ইনডেক্স ২০২৪ এর মতে , পাকিস্তানের মিলিটারি বাহিনী বিশ্বরাঙ্কিংয়ে ৯ নম্বরে রয়েছে।

বিশেষ করে পাকিস্তানের বিমান বাহিনী উল্লেখযোগ্যভাবে শক্তিশালী – তাদের হাতে রয়েছে   জেএফ-১৭ , ২৫ টি জে-১০সি ফাইটার জেট।  জিম্বাবুয়েকে ১২-এমএফআই-১৭ সুপার মুশশাক প্রশিক্ষক বিমান সরবরাহ করার জন্য পাকিস্তান আরেকটি বহু মিলিয়ন ডলারের চুক্তি পেয়েছে। এখানেই শেষ নয় । পাকিস্তান বিমানবাহিনীতে প্রায় ৬৫,০০০ পূর্ণকালীন কর্মী (যার মধ্যে ৩,০০০ জন পাইলট) রয়েছেন এবং তারা বর্তমানে প্রায় ৮৮৩টি উড়োজাহাজ পরিচালনা করে। চীন পাকিস্তান বিমান বাহিনীকে (পিএএফ) জে-৩১ স্টিলথ ফাইটার অফার করেছে। পাকিস্তানের অস্ত্রসম্ভারে  রয়েছে তুরস্কের অত্যাধুনিক বন্দুকও । এখানে আরেকটি বিষয় ভুলে গেলে চলবে না মুসলিম বিশ্বে একমাত্র পাকিস্তানের হাতেই রয়েছে নিউক্লিয়ার পাওয়ার বা পারমাণবিক শক্তি।

নিজের নিরাপত্তার স্বার্থে ভারত সবসময় চেয়ে এসেছে বাংলাদেশের মিলিটারি বাহিনী দুর্বল হয়েই থাকুক। আর তাই সামরিক বিভাগে বরাদ্দ না বাড়িয়ে ভারতকে সাহায্য করে  এসেছেন বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।  ভারত জানে যদি বাংলাদেশের মিলিটারি বাহিনী শক্তিশালী হতে শুরু করে তাহলে এই অঞ্চলে ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে। হাসিনার পতনের পর বাংলাদেশের এখন মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত দেশের অর্থনৈতিক এবং সামরিক খাতকে শক্তিশালী করা। পাকিস্তানের থেকে সামরিক সহায়তার মাধ্যমে বাংলাদেশ নিজের মিলিটারি বাহিনীকে শক্তিশালী এবং উন্নত করতে পারে, যে সহায়তা তারা ভারতের থেকে পায়নি। যে কোনো বিদেশী শক্তির বিপরীতে বিশেষ করে ভারতকে টেক্কা দিতে পাকিস্তান -বাংলাদেশ অংশীদারিত্ব দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলে একটি নতুন শক্তি  হিসেবে উদ্ভুত করে l




ইসরায়েলের ওপর হামলা বন্ধ করলে হুতিকে স্বীকৃতি দিবে যুক্তরাষ্ট্র!

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: গাজায় চলমান বর্বরতার প্রতিবাদে ইসরায়েল ও লোহিত সাগরে হামলা চালিয়ে যাওয়া ইয়েমেনভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতিকে রাজনৈতিক স্বীকৃতি দিতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। গোষ্ঠীটির দাবি, যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্রস্তাব দিয়েছে, তারা যদি হামলা বন্ধ করে তবে ইয়েমেনে তাদের সরকারকে স্বীকৃতি দেওয়া হবে।

গত বছরের ৭ অক্টোবর অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকা থেকে ইসরায়েল অভিমুখে হাজার হাজার রকেট ছুড়ে মুক্তিকামী ফিলিস্তিনিদের সশস্ত্র সংগঠন হামাস। এতে ইসরায়েলে নিহত হয়েছেন এক হাজার ৪০০ জন। এরপর বছরের পর বছর অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় চালানো নিপীড়ন আরও জোরালো করে ইসরায়েলি বাহিনী। সেদিনের পর থেকে চালানো সামরিক অভিযানে প্রাণ হারিয়েছে ৪০ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি, আহত ৯০ হাজারেরও বেশি। হতাহতদের বেশিরভাগই বেসামরিক। এমন অবস্থায় বিশ্বজুড়ে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানানো হচ্ছে।

এই সংঘাত ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য অঞ্চলেও। অভিযান শুরুর পর থেকে একাধিকবার ইসরায়েলকে হুঁশিয়ারি দিয়েছে হুতি বিদ্রোহীরাও। এরপর থেকে নিয়মিত লোহিত সাগরে জাহাজ লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে ইরান সমর্থিত এই গোষ্ঠী। গত সপ্তাহে প্রথম ইসরায়েলি ভূখণ্ড লক্ষ্য করে হামলা চালায় তারা।

হুতির সিনিয়র কর্মকর্তা আল বুখাতি বলেন, আমরা যেকোনো অভিযান পরিচালনার পর যুক্তরাষ্ট্র থেকে যোগাযোগ করা হয়। তারা আমাদের সামরিক কার্যক্রম বন্ধ রাখার জন্য চাপ দেয়।

যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র উভয়ের পক্ষ থেকেই যোগাযোগ করা হয়। অনেক ভয়ভীতি দেখানোর পাশাপাশি লোভনীয় প্রস্তাবও দেওয়া হয়ে থাকে। তারমধ্যে একটি ছিল ইয়েমেনের হুতি সরকারকে স্বীকৃতি দেওয়া।

তবে এই দাবি অস্বীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই দাবি পুরোপুরি অযৌক্তিক। তিনি বলেন, হুতিদের প্রচারণায় সত্য বলে কিছু নেই তারা সত্যের ছদ্মবেশে বিভ্রান্তি ও গুজব ছড়ায়।




প্রতিরক্ষামন্ত্রী গ্যালান্টকে বরখাস্ত করছেন নেতানিয়াহু!

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তার প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টকে বরখাস্ত করে তার স্থানে ন্যাশনাল রাইট পার্টির নেতা গাইডিয়ন সারকে বসাতে চাচ্ছেন। সোমবার ইসরাইলি মিডিয়া এ খবর প্রকাশ করে।

দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর সাথে সীমান্ত উত্তেজনা বাড়া নিয়ে সরকারের ভূমিকা প্রশ্নে নেতানিয়াহু ও গ্যালান্টের মধ্যে মতানৈক্যের প্রেক্ষাপটে এ খবর প্রকাশিত হলো। গ্যালান্ট উত্তেজনা কমানোর জন্য ব্যাপক কূটনৈতিক চেষ্টা চালানোর পক্ষে অভিমত প্রকাশ করছেন। আর নেতানিয়াহু ব্যাপক মাত্রায় সামরিক অভিযান চালাতে চান।

সাবেক লিকুদ সদস্য সার ২০২০ সালে নেতানিয়াহুর সাথে বিবাদের প্রেক্ষাপটে আলাদা দল গঠন করেন। তিনি আবারো ইসরাইলের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছেন।

অন্যদিকে নেতানিয়াহুর ডানপন্থী মিত্রদের কাছে অপছন্দের লোক হলেন গ্যালান্ট। এমনকি উগ্র ডানপন্থী ন্যাশনাল সিকিউরিটি মন্ত্রী ইতামার বেন-গভিরও অপছন্দ করেন গ্যালান্টকে।
সামাজিক মাধ্যমে বেন-গভির বলেন, ‘কয়েক মাস ধরেই গ্যালান্টকে বরখাস্ত করার জন্য নেতানিয়াহুর প্রতি আমি আহ্বান জানাচ্ছি। এখন তাকে অবিলম্বে বরখাস্ত করার সময় চলে এসেছে।

তিনি বলেন, উত্তরাঞ্চলের ব্যাপারে অবশ্যই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আর এই কাজে নেতৃত্ব দিতে পারার মতো সঠিক লোক নন গ্যালান্ট।

সার যদি ইসরাইলি সরকারের অন্তর্ভুক্ত হতে পারেন, তবে লেবানন ও গাজা সঙ্ঘাত নতুন মাত্রা পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সূত্র : মিডল ইস্ট মনিটর




লেবাননে ইসরায়েলের নজিরবিহীন হামলা, একসঙ্গে আহত প্রায় ৩ হাজার

 

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) লেবাননে ছোট আকারের যোগাযোগের যন্ত্র পেগারে বিস্ফোরণ ঘটতে শুরু করে। যা সারাদেশে প্রায় একসঙ্গে ঘটে। এই যন্ত্রটি ব্যবহার করে থাকে সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর যোদ্ধারা। এছাড়া অনেক সাধারণ মানুষও ব্যবহার করেন। এটির মাধ্যমে বার্তা পাঠানো যায়।

পকেটে ও হাতে থাকা এই যন্ত্র বিস্ফোরণের মাধ্যমে হাজার হাজার মানুষ আহত হওয়ার জন্য জন্য দখলদার ইসরায়েলকে দায়ী করেছে হিজবুল্লাহ এবং লেবাননের সরকার।

তবে একসঙ্গে যন্ত্রগুলোর মাধ্যমে ইসরায়েল কীভাবে বিস্ফোরণ ঘটালো সেটি এখন নিশ্চিত নয়। এছাড়া ইসরায়েলও হামলার দায় স্বীকার করেনি।

বিবিসি জানিয়েছে, আহতদের রক্তদানের জন্য সাধারণ মানুষকে আহ্বান জানানো হয়েছে। অনেককে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

হিজবুল্লাহ হুমকি দিয়েছে, পেগারের মাধ্যমে চালানো হামলার উপযুক্ত জবাব ইসরায়েলকে দেওয়া হবে।

গত এক বছর ধরে সীমান্তে হিজবুল্লাহ এবং ইসরায়েলের মধ্যে সংঘর্ষ চলে আসছে। কিন্তু এবার একযোগে দেশটিতে বড় হামলা চালিয়েছে তারা।

 




আবারো পেট্রলের দাম কমানো হলো

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম গত দুই সপ্তাহে কমেছে উল্লেখযোগ্য হারে। এমন পরিস্থিতিতে সব ধরনের তেলের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান। দেশটির সরকার পেট্রলের দাম লিটারে ১০ রুপি কমানোর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

পাকিস্তানের অর্থ বিভাগ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে পেট্রলিয়াম পণ্যের মূল্য নির্ধারণ করেছে তেল ও গ্যাস নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

দেশটিতে পেট্রলের পাশাপাশি হাইস্পিড ডিজেলের দাম ২৬২ দশমিক ৭৫ রুপি থেকে কমিয়ে ২৪৯ দশমিক ৬৯ রুপি করা হয়েছে। এক্ষেত্রে প্রতি লিটারে দাম কমানো হয়েছে ১৩ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ। তাছাড়া কেরোসিনের দাম ১৬৯ দশমিক ৬২ রুপি থেকে কমিয়ে ১৫৮ দশমিক ৪৭ রুপি করা হয়েছে। লাইট ডিজেলের দাম ১৫৪ দশমিক শূন্য ৫ রুপি থেকে কমিয়ে ১৪১ দশমিক ৯৩ রুপি করা হয়েছে।

পেট্রল প্রধানত ব্যক্তিগত পরিবহন, ছোট যানবাহন, রিকশা ও দুই চাকার গাড়িতে ব্যবহৃত হয়। উচ্চ জ্বালানির দাম মধ্যম ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত শ্রেণির সদস্যদের বাজেটকে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত করে। অন্যদিকে পরিবহনখাতের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ উচ্চ গতির ডিজেলের ওপর নির্ভরশীল।