নিউইয়র্কে পৌঁছেছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস




তৌ‌হিদ-জয়শঙ্কর বৈঠক




লেবাননে ইসরায়েলের হামলায় নিহত বেড়ে ৪৯২




দিশানায়েকে প্রেসিডেন্ট হওয়াটা কি ভারতের জন্য চ্যালেঞ্জ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: দিসানায়েকে শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট হওয়াটা কি ভারতের জন্য চ্যালেঞ্জ? চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে অনূঢ়া কুমারা দিশানায়েকে যখন ভারত সফরে গিয়েছিলেন, তখন এসেছিলেন, সেই সময় কেউ অনুমান করতে পারেনি যে মাত্র সাত মাসের মধ্যে বামপন্থি এই নেতা শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হবেন।

এখন প্রশ্ন হলো বামপন্থি নেতা হিসেবে পরিচিত অনূঢ়া কুমারা দিশানায়েকে শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট পদে আসীন হওয়ায় ভারতের ওপর কী প্রভাব পড়তে পারে?

শ্রীলঙ্কার বিদেশ নীতিতে ভারতের অবস্থান

রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পরে, অনূঢ়া কুমারা দিশানায়েকের সামনে একাধিক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। সেই তালিকায় আছে দেশের অর্থনৈতিক সঙ্কট, দুর্নীতি ও জাতিগত উত্তেজনার মতো অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জ। এর পাশাপাশি শ্রীলঙ্কার বিদেশ নীতিকে তিনি কোন দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন ও তার নিরিখে ভারতের সঙ্গে সে দেশের সম্পর্কই বা কোন পথে যাবে সেটিও বেশ গুরুত্বপূর্ণ।

মতাদর্শের দিক থেকে ভারতের কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি ডানপন্থি। অন্যদিকে, অনূঢ়া কুমারা দিশানায়েকে বামপন্থি আদর্শের নেতা। সাধারণত বামপন্থি সরকারকে মতাদর্শগতভাবে চীন ঘনিষ্ঠ হিসেবে ধরা হয়। এই পরিস্থিতিতে দিশানায়েকে কি ভারতের জন্য ‘চ্যালেঞ্জ’ হয়ে দাঁড়াবেন?

অধ্যাপক হর্ষ ভি পন্থ দিল্লির ‘অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের স্টাডিজ অ্যান্ড ফরেন পলিসি’ বিভাগের ভাইস চেয়ারম্যান। তার মতে দিসানায়েকে ও জেভিপি (জনতা ভিমুক্তি পেরামুনা) অতীতে কিছুটা ‘ভারত-বিরোধী’ ছিল। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সেই নীতিতে পরিবর্তন দেখা গিয়েছে।

অধ্যাপক পন্থ বলছেন, “তার দল জেভিপি ঐতিহ্যগতভাবে ভারত বিরোধী। শুরু থেকেই তারা সে দেশে ভারতের প্রভাবের বিরুদ্ধে। ইতিহাস ঘাটলে আপনি দেখতে পাবেন ওরা বহুবার ভারতের বিরুদ্ধে সহিংস প্রতিবাদ করেছে।”

অধ্যাপক পন্থ বলছেন, “শ্রীলঙ্কায় ভারতের প্রভাব কমানোর বিষয়টা বরাবরই দিশানায়েকের কাছে একটা বড় এজেন্ডা। তবে, আমার মনে হয় সাম্প্রতিক বছরে দিশানায়েকের বক্তব্য কিছুটা ভারসাম্যপূর্ণ এবং চিন্তাশীল হয়েছে। তিনি সুশাসন, ভারসাম্য ও জোট নিরপেক্ষ পররাষ্ট্রনীতির ওপর গুরুত্ব দিয়ে এসেছেন।”

‘এই বিষয়টা তার সরকারের নজরে থাকবে বলে আমার মনে হয়। বিশেষত আইএমএফের (ইন্টারন্যাশানাল মানিটারি ফান্ড বা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল)-এর প্যাকেজের পরবর্তী প্রভাব ও সমাজে তার ফল সে কথা কথা মাথায় রেখে। এসব ইস্যুই কিন্তু নির্বাচনে তার জয়ের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।’

অধ্যাপক পন্থ জানিয়েছেন, ২০২২ সালে মহিন্দা রাজাপাকসার সরকার যেভাবে পড়ে গিয়েছিল এবং রনিল বিক্রমাসিংহে ক্ষমতায় এসেছিলেন, সেই সময় শ্রীলঙ্কাকে যেভাবে সাহায্য করেছিল ভারত সেকথা মাথায় রেখেই নতুন সরকারকে কাজ করতে হবে।

চেন্নাইয়ের লয়োলা কলেজের অধ্যাপক গ্ল্যাডসন জেভিয়ার বলেন, ভারতের করা আর্থিক সহায়তার কথা নতুন প্রেসিডেন্ট স্মরণে রাখবেন। কিছু ভারতীয় প্রজেক্টের সমালোচনা করেছেন তিনি (অনূঢ়া কুমারা দিশানায়েকে)। কিন্তু তিনি কখনো চীনের সমালোচনা করেননি। তাই ধরে নেওয়া যায় যে তার মধ্যে এক ধরনের পক্ষপাতিত্ব রয়েছে।

‘তবে শ্রীলঙ্কা এখনো অর্থনৈতিক সঙ্কটে রয়েছে। তাদের আর্থিক সহায়তার প্রয়োজন কিন্তু এখনও অব্যাহত থাকবে। যখন শ্রীলঙ্কায় গভীর অর্থনৈতিক সংকট দেখা গিয়েছিল তখন ভারত তৎক্ষণিক আর্থিক সহায়তা প্রদান করে। আমি মনে করি, নতুন প্রেসিডেন্ট এসব বিষয়গুলো বিবেচনা করবেন। আমার মনে হয় না, তিনি ভারতকে বের করে দিয়ে ওই দেশেকে আরও কঠিন পরিস্থিতিতে ফেলবেন।’

জাফনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আহিলন কাদিরগামার অবশ্য ভিন্ন মত পোষণ করেন। তার মতে, এই মুহূর্তে জেভিপি কোনো দেশের সঙ্গে খুব নৈকট্য যেমন রাখবে না, তেমনই খুব দূরত্বও তৈরি করবে না।

বিবিসি তামিল সার্ভিসের সংবাদদাতা মুরলীধরন কাশী বিশ্বনাথনের সঙ্গে কথোপকথনের সময় তিনি বলছেন, বিষয়টা হলো জনতা বিমুক্তি পেরামুনার কিন্তু সেই পুরনো জেভিপি নেই। এটা একটা মধ্যপন্থি দলে পরিণত হয়েছে। তবে রনিল বিক্রমাসিংহের মতো তিনি ভারতের পক্ষে অতটা অনুকূল হবেন কি না তা বলা সম্ভব নয়। আমি মনে করি, কোনো দেশের সঙ্গে তিনি খুব ঘনিষ্ঠ বা বৈরী হবেন না। তিনি বুঝবেন এখন কঠোর অবস্থান নেওয়ার সময় নয়।




অমিত শাহ’র বক্তব্যের কড়া প্রতিবাদ বাংলাদেশের

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের উল্টো করে ঝুলিয়ে সোজা করা হবে’— ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ’র এই বক্তব্যের কড়া প্রতিবাদ ক‌রে‌ছে বাংলা‌দেশ।

সোমব‌ার (২৩ সে‌প্টেম্বর) ঢাকায় ভারতের ডেপুটি হাইকমিশনারের কাছে হস্তান্তর করা প্রতিবাদ নোটে এ কথা জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হ‌য়ে‌ছে, সম্প্রতি ভারতের ঝাড়খন্ড সফরে গি‌য়ে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বাংলাদেশি নাগরিকদের নি‌য়ে অত্যন্ত অশোভন মন্তব‌্য ক‌রে‌ছেন। তার এমন বক্তব্যের কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলা‌দেশ।

সোমবার ঢাকায় ভারতের ডেপুটি হাইকমিশনারের কাছে হস্তান্তর করা প্রতিবাদ নোটের মাধ্যমে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব‌্য নিয়ে অস‌ন্তোষ প্রকাশ ক‌রে‌ছে। একই স‌ঙ্গে ভারত সরকারকে রাজনৈতিক নেতাদের এ ধরনের আপত্তিকর ও অগ্রহণ‌যোগ‌্য কাজ করা থেকে বিরত থাকার পরামর্শের আহ্বান জানানো হ‌য়ে‌ছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, প্রতিবেশী দেশের নাগরিকদের বিরুদ্ধে দায়িত্বশীল অবস্থান থেকে আসা এই ধরনের মন্তব্য দুটি বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও বোঝাপড়ার মনোভাবকে ক্ষুণ্ন করে।

এর আগে শুক্রবার ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য ঝাড়খণ্ডে এক নির্বাচনী সমাবেশে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বাংলাদেশি অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের উল্টো ঝুলিয়ে সোজা করবেন বলে হুমকি দেন।

তিনি বলেন, ঝাড়খণ্ডে বিজেপি সরকার গঠন করতে পারলে প্রত্যেক বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে খুঁজে বের করে উল্টো ঝুলিয়ে রাখা হবে।

দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় এই রাজ্যে বিজেপিকে সরকার গঠনে সহায়তা করার জন্য জনতার প্রতি আহ্বান জানান অমিত শাহ। এ সময় তিনি বাংলাদেশি অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন।

ঝাড়খণ্ডের সাঁওতাল পরগণা জেলায় উপজাতি জনগোষ্ঠীর লোকজনের সংখ্যা কমে যাওয়া এবং বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ক্রমবর্ধমান সংখ্যা সম্পর্কে অতীতে বিজেপির বিভিন্ন নেতার করা মন্তব্যের সঙ্গে সুর মেলান তিনি।




রপ্তানীতে বাংলাদেশকে বড় সুখবর দিল চীন

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: চল‌তি বছরের ডিসেম্বর থেকে বাংলাদেশকে শতভাগ শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা দেবে বেইজিং।

সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় চীনা দূতাবাস এক বিবৃ‌তিতে এ তথ্য জা‌নিয়েছে।

চীনা দূতাবাস জানায়, গত ৫ সে‌প্টেম্বর প্রেসি‌ডেন্ট শি জিন‌পিং চীন-আফ্রিকান শীর্ষ সম্মেলনে স্বল্পোন্নত (এলডিসি) দেশকে শতভাগ শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা দেওয়ার ঘোষণা দি‌য়ে‌ছেন। আগামী ১ ডি‌সেম্বর ২০২৪-এ বাংলা‌দেশ ও চী‌নের কূট‌নৈ‌তিক সম্প‌র্ক স্থাপ‌নের দিন থে‌কে বাংলা‌দেশ শতভাগ শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা পা‌বে।

জানা গেছে, ট্যারিফ কোটা ব্যবস্থাপনা সাপেক্ষে পণ্যের জন্য শূন্য-শুল্ক ব্যবস্থাপনা শুধু কোটার পরিমাণের মধ্যে থাকা পণ্যগুলোর জন্য প্রযোজ্য হ‌বে। কোটার পরিমাণ অতিক্রম করা পণ্যে মূল শুল্ক হারের অধীন হবে।

২০২২ সালে চীন ৯৮ শতাংশ বাংলাদেশি পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা দেয়, যার মধ্যে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যসহ ৩৮৩টি নতুন পণ্য ছিল। ২০২০ সালে ৯৭ শতাংশ বাংলাদেশি পণ্য এ সুবিধা পেত।

২০২০ অর্থবছরে চীন দুই দশমিক চার ট্রিলিয়ন মূল্যমানের পণ্য আমদানি করে, যার মধ্যে বাংলাদেশের অংশ মাত্র শূন্য দশমিক শূন্য পাঁচ শতাংশ। এই তথ্য এটাই নির্দেশ করছে যে, চীনের সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে।

রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্টের চেয়ারম্যান এমএ রাজ্জাক একটি গবেষণাপত্রে উল্লেখ করেছেন, চীনের আমদানি বাজেটের এক শতাংশও যদি বাংলাদেশ থেকে যায়, তাহলেও আমরা বছরে ২৫ বিলিয়ন ডলার উপার্জন করতে পারব।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার চীন। ২০২২-২৩ অর্থবছরে চীন থেকে ১৮ দশমিক ছয় বিলিয়ন ডলার মূল্যমানের পণ্য আমদানি করে বাংলাদেশ। অপরদিকে, বাংলাদেশ থেকে চীনে রপ্তানি হয় ৬৭৬ মিলিয়ন ডলারের পণ্য।




পাচারের অর্থ ফেরাতে সহযোগিতার আশ্বাস যুক্তরাজ্যের

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থ আইনি প্রক্রিয়ায় ফেরত আনতে যুক্তরাজ্য সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে বলে জানিয়েছেন শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান।

সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) শিল্প উপদেষ্টার নিজ দপ্তরে বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ উপ-হাইকমিশনার ও উন্নয়ন পরিচালক জেমস গোল্ডম্যানের সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

এ সময় পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা চান শিল্প উপদেষ্টা। এ ব্যাপারে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন জেমস গোল্ডম্যান।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) দেশগুলোর মধ্যে ব্রিটেন বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেয়। বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে চমৎকার দ্বি-পাক্ষিক সম্পর্ক রয়েছে।
একসঙ্গে কাজ করার মাধ্যমে এ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উচ্চতর অবস্থায় উত্তরণ করা সম্ভব।শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান এ সময় বিগত সরকারের আমলে বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে যুক্তরাজ্য সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন।

এ সময় শিল্প উপদেষ্টার দপ্তরে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব জাকিয়া সুলতানা ও অতিরিক্ত সচিব মো. সলিম উল্লাহসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

এর আগে শিল্প মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে উপ-হাইকমিশনারকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ব্রিটেন দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের বিশ্বস্ত উন্নয়ন সহযোগী।




খোঁজ মিলছে না সিনওয়ারের, তদন্ত চায় ইসরায়েল




লেবাননে ইসরায়েলের বিমান হামলায় নিহত ৫০, আহত ৩০০




ইরাক থেকে ইসরাইলে ড্রোন হামলা চালাল ইরানপন্থি যোদ্ধারা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: সাম্প্রতিক সময়ে ইসরাইলকে লক্ষ্য করে বেশ কয়েকটি ড্রোন হামলার দাবি করেছে ইরাকের ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স। এবার লেবাননে উত্তেজনার মধ্যে ইরাক থেকে ইসরাইলে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরানপন্থি সশস্ত্রযোদ্ধা। রোববার এক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে টাইম অব ইসরাইল।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানপন্থি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর ইরাকি জোট ইসরাইলে ড্রোন হামলার দাবি করেছে।

এর আগে, ইসরাইলি সামরিক বাহিনী (আইডিএফ) জানায়, তারা রাতজুড়ে ইরাক থেকে আসা একাধিক সন্দেহজনক হামলা আটকে দিয়েছে। এই হামলায় কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলি দাবি করেছে ইসরইল।

এক টেলিগ্রাম বার্তায় ইরান-সমর্থিত এই সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ‘গাজায় আমাদের জনগণের সমর্থনে ইরাকের ইসলামিক রেজিস্ট্যান্সের যোদ্ধারা রোববার সকালে ইসরাইলের কৌশলগত অবস্থান লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালিয়েছে’।

গত শীতে, ইরাকের ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইরাক ও সিরিয়ায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সৈন্যদের বিরুদ্ধে ১৭৫টিরও বেশি রকেট এবং ড্রোন হামলার দাবি করেছে। মার্কিন বাহিনী উভয় দেশে এই গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে একাধিক প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়েছে।  অবশ্য গত কয়েক মাসে মার্কিন সেনাদের ওপর হামলা অনেকাংশে কমে গেছে।

গাজায় যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে লেবাননে ইরান সমর্থিত এবং হামাসের মিত্র হিজবুল্লাহর সঙ্গে ইসরাইলের উত্তেজনা বাড়ছে। এছাড়া ইয়েমেন ইরাক থেকেও বিভিন্ন সংগঠন ইসরাইলের লক্ষ্যে হামলা এবং পাল্টা আক্রমণের ঘটনা