লেবাননে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে ইসরায়েল




ভারতে ৩ হাজার টন ইলিশ রপ্তানির সিদ্ধান্তে পরিবর্তন

 

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে ভারতে তিন হাজার টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্তে পরিবর্তন এনেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। 

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সংস্থা আমদানি ও রপ্তানি নিয়ন্ত্রকের প্রধান নিয়ন্ত্রককে চিঠি দিয়ে ২ হাজার ৪২০ টন ইলিশ রপ্তানি অনুমতির কথা জানানো হয়েছে। ৪৯টি প্রতিষ্ঠানকে এ অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৪৮টি প্রতিষ্ঠান ৫০ টন করে ২ হাজার ৪০০ টন, আর একটি প্রতিষ্ঠান ২০ টন ইলিশ রপ্তানি করবে।ইলিশ রপ্তানির অনুমতি পাওয়ার জন্য আবেদনের শেষ সময় ছিল গত সোমবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত। নতুন ও পুরোনো সব আবেদনপত্র এবং এর সঙ্গে সম্পর্কিত কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে ইলিশ রপ্তানির চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। এর বিপরীতে দেওয়া হয় আটটি শর্ত। শর্তে বলা হয়েছে, অনুমতির মেয়াদ কার্যকর থাকবে আগামী ১২ অক্টোবর পর্যন্ত।

যেসব শর্ত দিয়ে প্রতিবছর ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হয়, এবারও সেগুলোই রাখা হয়েছে। শর্তগুলো হচ্ছে বিদ্যমান রপ্তানিনীতির বিধিবিধান মানা, শুল্ক কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ইলিশের কায়িক পরীক্ষা করানো এবং প্রতিটি চালান (কনসাইনমেন্ট) শেষে রপ্তানিসংক্রান্ত কাগজপত্র বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে দাখিল করা।

এছাড়া অনুমোদিত পরিমাণের চেয়ে বেশি ইলিশ রপ্তানি না করা, অনুমতি কোনোভাবেই হস্তান্তর না করা এবং অনুমোদিত রপ্তানিকারক ছাড়া ঠিকায় (সাব–কন্ট্রাক্ট) রপ্তানি না করার শর্তও থাকছে। বলা হয়েছে, সরকার যেকোনো সময় রপ্তানি বন্ধ করতে পারবে। সব সময়ই এসব শর্ত থাকে।

ইলিশ রপ্তানির অনুমোদন পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- আরিফ সি ফুডস, জারা এন্টারপ্রাইজ, সততা ফিশ ফিড, এস এ আর এন্টারপ্রাইজ, নাহিয়ান এন্টারপ্রাইজ, তানিশা এন্টারপ্রাইজ, রুপালী সি ফুডস লিমিটেড, লাকি এন্টারপ্রাইজ, টাইগার ট্রেডিং, রিপা এন্টারপ্রাইজ, জেবিএস ফুড প্রোডাক্টস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, মাশফি অ্যান্ড ব্রাদার্স, মহিমা এন্টারপ্রাইজ, সেভেন স্টার ফিশ প্রসেসিং কোম্পানি লিমিটেড, রহমান ইমপেক্স, আসিফ ইমপেক্স, নোমান এন্টারপ্রাইজ, যমুনা অ্যাগ্রো ফিশারিজ, রুপালী ট্রেডিং করপোরেশন, সততা ফিশ, প্যাসিফিক সি ফুডস লিমিটেড, জেজে ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল, বিশ্বাস ইন্টারন্যাশনাল, ক্যাপিটাল এক্সপোর্ট ইমপোর্ট অ্যান্ড কোম্পানি, অর্পিতা ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল, সুমন ট্রেডার্স, সাজ্জাদ এন্টারপ্রাইজ, সততা ফিশ, আঁচল এন্টারপ্রাইজ, ২ এইচ ইন্টারন্যাশনাল, এমএপি ইন্টারন্যাশনাল, সরদার এক্সপোর্ট অ্যান্ড ইমপোর্ট, ইউভা ট্রেডিং, ফারিয়া ইন্টারন্যাশনাল, আসফা ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল, স্ট্যান্ডার্ড ফুড করপোরেশন, জেএস এন্টারপ্রাইজ, পদ্মা অ্যাগ্রো ফিশারিজ, ন্যাশনাল অ্যাগ্রো ফিশারিজ, মেসার্স আহনাফ ট্রেডিং, নাফিজা এন্টারপ্রাইজ, ডিপ সি ফিশারিজ লিমিটেড, মাসুদ ফিশ প্রসেসিং, আরকে ট্রেডার্স, বৃষ্টি এন্টারপ্রাইজ, ভাই ভাই এন্টারপ্রাইজ ও লোকজ ফ্যাশন। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে লোকজ ফ্যাশন ২০ টন, আর বাকি সবকটি প্রতিষ্ঠান ৫০ টন করে ইলিশ রফতানির অনুমোদন পেয়েছে।

গত ২১ সেপ্টেম্বর ভারতে ৩ হাজার টন ইলিশ রপ্তানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে একটি নির্দেশনা জারি করা হয়।

এর আগে গত ১১ আগস্ট মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছিলেন, ‘দেশবাসী ইলিশ পাবে না, আর বিদেশে রপ্তানি হবে, এটা হতে পারে না। আগে দেশকে গুরুত্ব দিতে হবে। এরপর রপ্তানি করা হবে।’

পরে গত ২১ সেপ্টেম্বর হঠাৎ করেই ভারতে তিন হাজার টন ইলিশ রপ্তানির কথা জানায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

পরদিন ২২ সেপ্টেম্বর অর্থ ও বাণিজ্য উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ সাংবাদিকদের জানান, বৃহত্তর স্বার্থে এবং সর্বোচ্চ মহলের সিদ্ধান্তে ভারতে ইলিশ মাছ রপ্তানি করা l




লেবাননে ‘সাময়িক অস্ত্রবিরতি’ চায় যুক্তরাষ্ট্র, ইইউসহ আরব দেশগুলো




লেবাননে ইসরায়েলের নতুন হামলায় নিহত ৭২

 

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: লেবাননে ইসরায়েলের নতুন হামলায় আরও অন্তত ৭২ জন নিহত এবং চার শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। এর ফলে দেশটিতে ইসরায়েলি হামলায় মৃতের সংখ্যা ৬২০ জন ছাড়িয়েছে। লেবানিজ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাতে বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা।

লেবানিজ পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, দেশটিতে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক বোমা হামলার জেরে অন্তত পাঁচ লাখ মানুষ ঘরবাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।

এতদিন কেবল আকাশপথে হামলা চালালেও এবার লেবাননে স্থল অভিযানেরও হুমকি দিয়েছে ইসরায়েল। লেবানিজ সীমান্তে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে একটি ‘সম্ভাব্য’ স্থল অভিযানের জন্য ইসরায়েলি সৈন্যদের প্রস্তুত থাকতে বলেছেন দেশটির সামরিক প্রধান হের্জি হালেভি।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্য একটি ‘পূর্ণ মাত্রার বিপর্যয়’ দেখা দিয়েছে। তেহরান হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, ইসরায়েল যদি সংঘাত বাড়ায় তবে ইরান ‘সব উপায়ে’ লেবাননকে সমর্থন করবে।

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠকে এক ভাষণে সংস্থাটির প্রধান আন্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, লেবানন ‘আরেকটি গাজা হতে পারে না’। অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

ফ্রান্সের ইউরোপ ও পররাষ্ট্র বিষয়ক মন্ত্রী জিন-নোয়েল ব্যারোট ইউএনএসসি’কে বলেছেন, তারা ইসরায়েল এবং হিজবুল্লাহর মধ্যে ২১ দিনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কাজ করছেন।

গত সপ্তাহে লেবাননে একের পর এক পেজার ও ওয়াকিটকি বিস্ফোরণে কয়েক ডজন নিহত ও হাজার হাজার মানুষ আহত হন। এর পেছনে ইসরায়েলের হাত রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। যদিও এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ।

তবে ওই ঘটনার কয়েকদিন যেতে না যেতেই লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলসহ রাজধানী বৈরুতের কাছে সরাসরি হামলা শুরু করে ইসরায়েল।

 

জবাবে ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে কয়েকশ রকেট ছুড়েছে হিজবুল্লাহ। যদিও এর বেশিরভাগেই ধ্বংস করার দাবি করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। তারা বলেছে, গত মঙ্গলবার ইসরায়েলের দিকে প্রায় ৩০০ রকেট ছুড়েছে লেবানিজ গোষ্ঠীটি। এতে মাত্র ছয়জন আহত হয়েছেন।




বাংলাদেশকে নতুন ঋণ দেওয়ার ইঙ্গিত আইএমএফের

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : রাষ্ট্র সংস্কারে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ড. ইউনূস সরকারের ‘পাশে আছে’ বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা। তিনি বলেন, আইএমএফ এ সরকারের জন্য আর্থিক সহায়তার বিষয়টি দ্রুত অগ্রাধিকার দিয়েছে। তিনি বাংলাদেশে আইএমএফের একটি মিশন পাঠিয়েছেন এবং তারা এখন ঢাকায় রয়েছে। ঢাকা সফর শেষে মিশনটি আগামী অক্টোবর মাসে আইএমএফ পরিচালনা পর্ষদের কাছে তাদের প্রতিবেদন জমা দেবে।

জর্জিয়েভা বলেন, আইএমএফ পরিচালনা পর্ষদ  মিশনের  প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বাংলাদেশের জন্য একটি নতুন ঋণ কর্মসূচি শুরু করতে পারে অথবা গত বছরের শুরুর দিকে চালু হওয়া বিদ্যমান সহায়তা কর্মসূচির আওতায় আরও ঋণ দিতে পারে।

নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদরদপ্তরে সাধারণ পরিষদের বার্ষিক অধিবেশনের ফাঁকে মঙ্গলবার আইএমএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভার সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগ এ তথ্য জানিয়েছে।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও পরিবহন উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান এবং বাংলাদেশের অর্থনীতির ওপর শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির প্রধান  ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।




মোসাদের সদর দপ্তরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে হিজবুল্লাহ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: তেল আবিবে ইসরায়েলি গোয়েন্দা বাহিনী মোসাদের সদর দপ্তর লক্ষ্য করে ব্যালিসটিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে লেবাননের সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহ। খবর রয়টার্সের।

সংগঠনটি আরও দাবি করছে, সাম্প্রতিক সময়ে লেবানন ও হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে ইসরায়েলের হামলাগুলোর মূল পরিকল্পনা মোসাদের সদরদপ্তর থেকেই এসেছে।

৭ অক্টোবর ইসরায়েলি ভূখণ্ডে হামাসের হামলার মাধ্যমে শুরু হওয়া গাজার যুদ্ধের শুরু থেকেই ইসরায়েলি সীমান্তে প্রায় প্রতিদিনই হামলা চালিয়ে এসেছে হিজবুল্লাহ। সংগঠনটির দাবি, তারা হামাসের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে এসব হামলা চালাচ্ছে।

তবে এবারই প্রথম হিজবুল্লাহ ইসরায়েলি ভূখণ্ডে ব্যালিসটিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি জানিয়েছে।

এর আগে, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী দাবি করেছিল তারা লেবানন থেকে আসা একটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছে। এ সময় তেল হাবিবে আকাশ হামলার সতর্কতাসূচক সাইরেন বেজে ওঠে।

হিজবুল্লাহ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘আমরা আজ বুধবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ছয়টায় তেল আবিবের শহরতলীতে অবস্থিত মোসাদের সদরদপ্তর লক্ষ্য করে একটি ‘কাদের ১ ‘ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছি।’

‘আমাদের নেতাদের হত্যাকাণ্ড এবং পেজার ও অন্যান্য ওয়্যারলেস ডিভাইসের বিস্ফোরণের জন্য এই সদরদপ্তরটিই দায়ী’, যোগ করে হিজবুল্লাহ।

উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে ইসরায়েলি হামলায় লেবাননে হিজবুল্লাহর এক শীর্ষ কমান্ডার সহ অসংখ্য মানুষ নিহত হয়েছেন।

সংগঠনটি আরও জানায়, গাজার মানুষের প্রতি সমর্থন ও ‘লেবানন ও লেবাননের জনগণের সুরক্ষায়’ এই হামলা চালানো হয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে গাজার পরিবর্তে ইসরায়েলের প্রাণঘাতি হামলার মূল লক্ষ্যে পরিণত হয়েছে লেবানন।

লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সোমবার থেকে শুরু করে দেশটিতে অন্তত ৫৫৮ জন নিহত হয়েছেন। ১৯৭৫ থেকা ১৯৯০ সাল পর্যন্ত দেশটিতে চলমান গৃহযুদ্ধের পর এটাই সবচেয়ে বড় আকারে সহিংসতার




যেভাবে এত শক্তিশালী হয়ে উঠল হিজবুল্লাহ

চন্দ্রদ্বীপ আন্তর্জাতিক :: ইসরায়েল এবং লেবাননভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ এখন এক ভয়ানক সংঘাতে লিপ্ত, যেকোনো সময় যা পূর্ণ যুদ্ধে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ইসরায়েলের জন্য গাজার হামাসের চেয়ে হিজবুল্লাহ অনেক বেশি শক্তিশালী প্রতিপক্ষ। অনেকে ইরান-সমর্থিত এই গ্রুপকে অঞ্চলের সবচেয়ে শক্তিশালী আধা-সামরিক বাহিনী হিসেবে গণ্য করে।

লেবাননে হিজবুল্লাহর বেশ ক্ষমতাধর রাজনৈতিক এবং সামাজিক শাখাও আছে। হিজবুল্লাহর নেতা হাসান নাসরাল্লাহ ইসরায়েলকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলছেন তার গোষ্ঠীর নতুন অস্ত্র এবং সক্ষমতা আছে। তারা উত্তর ইসরায়েলের গভীরে ড্রোন থেকে ফিল্ম করে ফুটেজ প্রকাশ করেছে, যেখানে হাইফা বন্দর লেবানন-ইসরায়েল সীমান্ত থেকে অনেক দুরের অন্যান্য স্থাপনা দেখা যাচ্ছে।

গত কয়েক দিনে, তারা গত এক বছরের যেকোনো সময়ের চেয়ে ইসরায়েলের আরও গভীরে আঘাত হেনেছে। ইসরায়েলও ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে লেবাননে। এখন পর্যন্ত দুই পক্ষের সংঘাতে পাঁচ শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

লেবাননের গৃহযুদ্ধ চলাকালে ১৯৮২ সালে হিজবুল্লাহ প্রতিষ্ঠা করে হয়েছিল এবং তার প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের দখলদারিত্বর অবসান ঘটানো। নিজ নিজ অবস্থানে থেকে দীর্ঘ যুদ্ধের পর হিজবুল্লাহ ২০০০ সালে তাদের লক্ষ্য অর্জন করে, যখন তারা ইসরায়েলকে সরে যেতে বাধ্য করে।

এরপর ইসরায়েলকে ধ্বংস করার লক্ষ্য নিয়ে লড়াই চালিয়ে গেছে হিজবুল্লাহ।

শিয়া মুসলমানদের সংগঠন হিজবুল্লাহ ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠী এবং সরকারের অংশ, যারা ‘অ্যাক্সিস অফ রেসিস্ট্যান্স’ বা প্রতিরোধ চক্র বলে পরিচিত। হিজবুল্লাহ ছিল প্রথম গ্রুপ যাদের ইরান সমর্থন করে এবং তাদের রাজনৈতিক ইসলাম প্রচারের জন্য ব্যবহার করে।

হিজবুল্লাহ শুধু সশস্ত্র গোষ্ঠী নয়,তারা একটি রাজনৈতিক দল। লেবাননের সংসদে তাদের আইনপ্রনেতা আছে এবং কয়েক দশক ধরে দেশের বিভিন্ন সরকারে তাদের প্রতিনিধি ছিল।তাদের বিস্তীর্ণ সমাজসেবা মূলক কর্মকাণ্ডও রয়েছে। দক্ষিণ লেবানন এবং দেশের অন্যান্য অঞ্চলে তারা স্কুল এবং স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র পরিচালনা করে। সেসব এলাকায় তাদের শক্তিশালী উপস্থিতি আছে।

শুরুর দিকে তারা যুক্তরাষ্ট্রকে লক্ষ্য করে হামলা পরিচালনা করতো, যে কারণে ওয়াশিংটন তাদের একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে চিহ্নিত করে। এই হামলাগুলোর মধ্যে ছিল বৈরুতে মার্কিন নাগরিক অপহরণ এবং ১৯৮৩ সালে বৈরুতে যুক্তরাষ্ট্রের মেরিন বাহিনীর ব্যারাকে ট্রাক বোমা হামলা, যেটায় ২৪১ জন মার্কিন সেনা নিহত হয়।

লন্ডনে স্কুল অফ ওরিয়েন্টাল অ্যান্ড আফ্রিকান স্টাডিজ (সোয়াস) এর মিডল ইস্ট ইন্সটিটিউট-এর পরিচালক লীনা খাতিব বলেন, ‘ইরানের সমর্থন হিজবুল্লাহকে লেবাননের সবচেয়ে ক্ষমতাবান রাজনৈতিক গ্রুপ হিসেবে তাদের অবস্থান জোরদার করতে সহায়তা করেছে। একই সাথে, তারা সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-সমর্থিত সামরিক গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে সমরাস্ত্রে সবচেয়ে সুসজ্জিত।’

হিজবুল্লাহ যোদ্ধারা ২০০৬ সালে সীমান্তের ওপারে হানা দিয়ে দু’জন ইসরায়েলি সৈন্য জিম্মি করে। এর ফলে ইসরায়েল এবং হিজবুল্লাহর মধ্যে এক মাস ব্যাপী যুদ্ধ শুরু হয়। যুদ্ধে কোন হার-জিত হয়নি, কিন্তু লড়াই দক্ষিণ লেবাননে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ নিয়ে আসে।

যুদ্ধে ইসরায়েলের লক্ষ্য ছিল হিজবুল্লাহকে নির্মূল করা। কিন্তু এই লেবানিজ গোষ্ঠী যুদ্ধ থেকে আরও শক্তিশালী হয়ে বেরিয়ে আসে, এবং ইসরায়েলের উত্তর সীমান্তে একটি প্রধান সামরিক এবং রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হয়।

অভ্যন্তরীণ প্রতিপক্ষ হিজবুল্লাহকে তার অস্ত্র ভাণ্ডার রাখার জন্য এবং সরকারে আধিপত্য বিস্তার করার জন্য সমালোচনা করেছে।

হিজবুল্লাহ ২০০৮ সালের মে মাসে কিছু সময়ের জন্য বৈরুতের একটি অংশ দখল করে। লেবাননের সরকার হিজবুল্লাহর নিজস্ব টেলিকম নেটওয়ার্ক-এর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয়ার পর হিজবুল্লাহ শহরের একাংশের নিয়ন্ত্রণ নেয়।

হিজবুল্লাহর সামরিক সক্ষমতা কতটুকু?

হিজবুল্লাহ হচ্ছে আরব বিশ্বের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য আধা-সামরিক বাহিনী, যাদের একটি শক্ত সাংগঠনিক অবকাঠামো এবং বড় মাপের অস্ত্রাগার রয়েছে। তারা দাবি করে তাদের এক লাখ যোদ্ধা আছে। হিজবুল্লাহর সামরিক সক্ষমতা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। তারা সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদকে ক্ষমতায় রাখতে ভূমিকা পালন করেছে। তারা সিরিয়া এবং ইরাকে ইরান-সমর্থিত মিলিশিয়া এবং ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের প্রশিক্ষণ দিয়েছে।

ইসরায়েলের হিসেব অনুযায়ী, হিজবুল্লাহর কাছে ১ লাখ ৫০ হাজার রকেট এবং ক্ষেপণাস্ত্র আছে, যার মধ্যে রয়েছে গাইডেড মিসাইল এবং দূর-পাল্লার অস্ত্র যা ইসরায়েলের যেকোনো অংশে আঘাত হানতে সক্ষম।




বাংলাদেশ ২.০’ প্রকল্পে অর্থ সহায়তার প্রস্তাব আইএমএফ প্রধানের

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা বাংলাদেশের সংস্কারের উদ্যোগকে সমর্থন করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেছেন, তারা এ বিষয়ে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করতে এরইমধ্যে ঢাকায় একটি দল পাঠিয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সদর দফতরে জাতিসংঘের বার্ষিক সাধারণ পরিষদের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকের সময় আইএমএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তার সমর্থন প্রকাশ করে বলেন, ‘এটি অন্য দেশ, এটি বাংলাদেশ ২.০’।

এসময় অধ্যাপক ইউনূস নির্বাচন, বেসামরিক প্রশাসন, পুলিশ, বিচার বিভাগ, দুর্নীতি দমন ও সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারের সুপারিশের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যে ছয়টি কমিশন গঠন করেছে, সেগুলোর বিষয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, কমিশনের সুপারিশ নিয়ে সরকার রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করবে। সংস্কারের বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছে ভোটার তালিকা প্রস্তুত হয়ে গেলে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হবে বলেও জানান প্রধান উপদেষ্টা।

আইএমএফ-এর প্রধান নির্বাহী এই উদ্যোগের প্রতি সমর্থন জানান। ঋণদাতা সংস্থাটি এই সরকারের জন্য আর্থিক সহায়তার বিষয়টি দ্রুত ‘ট্র্যাক করবে’ জানিয়ে জর্জিয়েভা বলেন, তিনি বাংলাদেশে আইএমএফ-এর একটি দল পাঠিয়েছেন এবং দলটি এখন ঢাকায় রয়েছে। আগামী মাসে দলের সদস্যরা আইএমএফ পরিচালনা পর্ষদের কাছে তাদের প্রতিবেদন জমা দেবে।

জর্জিয়েভা বলেন, আইএমএফ বোর্ড দলের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বাংলাদেশের জন্য একটি নতুন ঋণদান কর্মসূচি শুরু করতে পারে অথবা গত বছরের গোড়ার দিকে চালু হওয়া বিদ্যমান সহায়তা কর্মসূচির আওতায় আরও ঋণ দিতে পারে।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও পরিবহন বিষয়ক উপদেষ্টা ফওজুল কবির খান ও ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। ড. দেবপ্রিয় দেশের অর্থপ্রদানের ভারসাম্য জোরদার করতে আইএমএফ-এর সহায়তার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, বিনিময় হার (এক্সচেন্জ রেট) স্থিতিশীল করতে আইএমএফের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হবে।




মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক করেছেন দেশের যেসব সরকারপ্রধান

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসবেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। নিইউয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) এই বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। গত ২৩ বছরের মধ্যে বাংলাদেশের প্রথম সরকারপ্রধান হিসেবে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন তিনি। 

স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশের বেশ কয়েকজন সরকারপ্রধান মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের অফিস অব দ্য হিস্টোরিয়ানের রেকর্ডে বলা হয়েছে, আমেরিকায় গিয়ে এখন পর্যন্ত দেশটির প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের ছয়জন সরকারপ্রধান।

মুজিব-ফোর্ড বৈঠক: ১৯৭৪ সালের ১ অক্টোবর বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান হোয়াইট হাউজের ওভাল অফিসে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জেরার্ড ফোর্ডের সঙ্গে বৈঠক করেন। প্রেসিডেন্ট ফোর্ড এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমানের বৈঠকটি ছিল খুবই সংক্ষিপ্ত। সে বৈঠকের অফিশিয়াল কথোপকথনের বিস্তারিত জেরার্ড ফোড প্রেসিডেনশিয়াল লাইব্রেরিতে প্রকাশ করা হয়েছিল।

জিয়া-কার্টার বৈঠক: ১৯৮০ সালে জাতিসংঘ অধিবেশন শেষ করে বাংলাদেশের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ওয়াশিংটনে হোয়াইট হাউজে যান। তখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন জিমি কার্টার। সে সময় আমেরিকার নির্বাচন ঘনিয়ে আসছিল। অনেক ব্যস্ততার মধ্যেও জিয়াউর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন মি. কার্টার।

এরশাদ-রেগান বৈঠক: ১৯৮৩ সালের অক্টোবরে বাংলাদেশের তৎকালীন সামরিক শাসক জেনারেল এরশাদ হোয়াইট হাউজের ওভাল অফিসে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রেগানের সঙ্গে বৈঠক করেন।

এরশাদ-বুশ বৈঠক: ১৯৯০ সালের অক্টোবরের শুরুতে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জেনারেল এইচ এম এরশাদ আবারো বৈঠক করেন যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশের (সিনিয়র) সঙ্গে। সে সময় নিউইয়র্কের একটি হোটেলে ৪০ মিনিটের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

খালেদা-বুশ বৈঠক: ১৯৯২ সালের মাচে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। হোয়াইট হাউজের ওভাল অফিসে প্রায় একঘণ্টা যাবত সে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

হাসিনা-ক্লিনটন বৈঠক: ২০০০ সালে বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের দুইবার বৈঠক হয়েছে। ২০০০ সালের মার্চ মাসে ঢাকা সফরে আসেন বিল ক্লিনটন। মি. ক্লিনটন ছিলেন একমাত্র মার্কিন প্রেসিডেন্ট যিনি ক্ষমতায় থাকার সময় বাংলাদেশ সফর করেছিলেন। এর আগে কিংবা পরে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতাসীন কোনো প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশ সফর করেননি। এর সাত মাস পরে শেখ হাসিনা হোয়াইট হাউজে গিয়ে ক্লিনটনের সঙ্গে বৈঠক করেন।

ক্লিনটন ঢাকা সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশাপাশি তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী খালেদা জিয়ার সঙ্গেও বৈঠক করেন।

২০০০ সালের অক্টোবরে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হোয়াইট হাউজের ওভাল অফিসে পুনরায় বৈঠক করেন যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের সঙ্গে।

সূত্র : বিবিসি




জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন শ্রীলঙ্কার নতুন প্রেসিডেন্ট

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ::শ্রীলঙ্কার নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিশানায়েকে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন। বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে তার ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে। তার এ ভাষণ রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনসহ অন্যান্য চ্যানেলেও সম্প্রচার করা হবে বলে জানা গেছে।

বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) শ্রীলঙ্কার সংবাদমাধ্যম নিউজ ফাস্ট ও ডেইলি মিরর এ বিষয়ে খবর প্রকাশ করে।

খবরে জানানো হয়, শ্রীলঙ্কার নবনির্বাচিত প্রসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিশানায়েকে বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় ৭টা ৩০ মিনিটে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন। ধারণা করা হচ্ছে, ভাষণে তার সরকারের আগামীদিনের করণীয় সম্পর্কে বক্তব্য রাখবেন।

এর আগে সোমবার রাতে ডা. হরিণী জয়সুরিয়াকে অন্তর্বতী সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ করেন প্রেসিডেন্ট। এছাড়া আরো তিন মন্ত্রীকেও নিয়োগ করা হয়।

সোমবার রাতেই মন্ত্রিসভার সদস্যদের সঙ্গে পরামর্শ করে এক ডিক্রিবলে বিগত জাতীয় সংসদ ভেঙে দেন প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিশানায়েকে।

এরপর দেশটির নির্বাচন কমিশনকে নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য আহ্বান জানানোর কথা। তারপর নির্বাচন কমিশন জাতীয় সংসদের নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করবে। নির্বাচন অনুষ্ঠানের আগে ১০ থেকে ১৭ দিন মনোনয়নপত্র দাখিল করার সময় দেওয়া হবে।

২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে নতুন সংসদ তার যাত্রা শুরু করবে বলে শ্রীলঙ্কার সংবাদমাধ্যম জানায়।