হাশেম সাফিউদ্দিন হিজবুল্লাহর নতুন প্রধান

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: ইসরায়েলের বিমান হামলায় হিজবুল্লাহ প্রধান হাসান নাসরুল্লাহ নিহত হওয়ার পর লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী ও রাজনৈতিক দলটির নতুন প্রধান কে হচ্ছেন, তা নিয়ে জল্পনা চলছে। ধারণা করা হচ্ছে, হিজবুল্লাহর দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত হাশেম সাফিউদ্দিন দলটির নতুন প্রধান হতে যাচ্ছেন। কিন্তু কে এই হাশেম সাফিউদ্দিন?

সাফিউদ্দিন হিজবুল্লাহর নির্বাহী কাউন্সিলের প্রধান। গোষ্ঠীটির রাজনৈতিক বিষয় দেখভাল করা তাঁর দায়িত্ব। তিনি গোষ্ঠীটির জিহাদ কাউন্সিলেরও সদস্য। নিজেদের সামরিক অভিযানের ব্যবস্থাপনা করাই এই কাউন্সিলের কাজ।

সাফিউদ্দিন প্রয়াত নাসরুল্লাহর চাচাতো ভাই। নাসরুল্লাহর মতো তিনিও ধর্মীয় পণ্ডিত। তিনিও মাথায় কালো পাগড়ি পরেন।

২০১৭ সালে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সাফিউদ্দিনকে সন্ত্রাসী তকমা দেয়। গত জুনে ইসরায়েলের হামলায় হিজবুল্লাহর এক কমান্ডার নিহত হওয়ার পর তিনি কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। ওই কমান্ডারের দাফন অনুষ্ঠানে তিনি বলেছিলেন, ‘(শত্রুদের) কান্না ও বিলাপের জন্য প্রস্তুত হও।’ সাফিউদ্দিনের বিবৃতিতে প্রায় সময় হিজবুল্লাহর সামরিক অবস্থানের প্রতিফলন থাকে।




ইসরায়েলি হামলায় ইরানের বিপ্লবী গার্ডের এক কমান্ডারও নিহত

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় হিজবুল্লাহ প্রধান হাসান নাসরাল্লাহর পাশাপাশি ইরানের বিপ্লবী গার্ড কোরের (আইআরজিসি) একজন জ্যেষ্ঠ কমান্ডারও নিহত হয়েছেন। শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে।

সরকারি বার্তা সংস্থা আইআরআনএ বলেছে, লেবাননে ইসরায়েলের যে হামলায় হিজবুল্লাহ প্রধানকে হত্যা করা হয়েছে, সেখানে আইআরজিসির ডেপুটি কমান্ডার ফর অপারেশনস জেনারেল আব্বাস নীলফরৌশানও নিহত হয়েছেন।

তবে এ বিষয়ে আর কোনো বিশদ বিবরণ দেয়নি ইরানি সংবাদমাধ্যমটি।




ইসরায়েলের ‘সবচেয়ে বড় শত্রু’র মৃত্যু নিশ্চিত করল হিজবুল্লাহ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: লেবাননের ইরান সমর্থিত হিজবুল্লাহ গোষ্ঠী শনিবার নিশ্চিত করেছে, তাদের নেতা হাসান নাসরাল্লাহ নিহত হয়েছেন। এর আগে ইসরায়েল দাবি করেছিল, তারা একদিন তাকে একটি বিমান হামলায় হত্যা করেছে। এএফপির প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

হিজবুল্লাহ এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘৩০ বছর ধরে নেতৃত্ব দেওয়া হিজবুল্লাহর মহাসচিব সায়্যেদ হাসান নাসরাল্লাহ মহান ও অমর শহীদ সহযোদ্ধাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, নাসরাল্লাহ ‘দক্ষিণ বৈরুতের উপশহরে বিশ্বাসঘাতক ইহুদিদের হামলার’ পর গোষ্ঠীর অন্য সদস্যদের সঙ্গে নিহত হন।

এএফপির এক সাংবাদিক জানান, লেবাননের রাজধানী বৈরুতে হিজবুল্লাহর এই ঘোষণার পরপরই এক পথচারীকে চিৎকার করে বলতে শোনা যায়, ‘হে আল্লাহ!’ এবং নারীদের রাস্তায় কাঁদতে দেখা যায়। এ ছাড়া গুলির শব্দও শোনা গেছে, যা এই প্রভাবশালী ধর্মীয় নেতার জন্য শোক প্রকাশের ইঙ্গিত। তিনি হিজবুল্লাহ সমর্থকদের কাছে অত্যন্ত শ্রদ্ধেয় ছিলেন।

একজন এএফপি প্রতিবেদক দেখেছেন, রাস্তায় কালো ঘোমটা পরা একজন নারী চিৎকার করে বলছিলেন, ‘ওদের কথা বিশ্বাস করবেন না, ওরা মিথ্যা বলছে, সায়্যেদ ভালো আছেন।’

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী শনিবার বলেছে, তাদের অন্যতম ‘সবচেয়ে বড় শত্রু’ হিজবুল্লাহপ্রধান হাসান নাসরাল্লাহর হত্যাকাণ্ড বিশ্বের নিরাপত্তা বৃদ্ধি করেছে। তবে গোষ্ঠীর অন্য শীর্ষ নেতারাও লক্ষ্যবস্তুতে থাকবেন। ইসরায়েলি সামরিক মুখপাত্র রিয়ার অ্যাডমিরাল ড্যানিয়েল হাগারি এক টেলিভিশন ব্রিফিংয়ে বলেন, ‘নাসরাল্লাহ ছিল সর্বকালের অন্যতম বৃহৎ ইসরায়েলবিরোধী শত্রু…তার অপসারণ বিশ্বের নিরাপত্তা আরো মজবুত করেছে।

’ অন্যদিকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শনিবার জানিয়েছে, হিজবুল্লাহপ্রধান হাসান নাসরাল্লাহর দেখানো পথ ইসরায়েলি বিমান হামলায় তার হত্যার পরও অব্যাহত থাকবে।এদিকে স্থানীয় সময় শনিবার সকাল পর্যন্ত ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান দিয়ে বৈরুতের দক্ষিণ ও এর উপকণ্ঠে  তীব্র হামলা চালানো হয়েছে, যা ২০০৬ সালের ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ যুদ্ধের পর থেকে সবচেয়ে প্রবল হামলা বলে মনে করা হচ্ছে।

নাসরাল্লাহ ২০০৬ সালের পর থেকে জনসমক্ষে খুব কমই দেখা দিয়েছেন। ১৯৯২ সালে মাত্র ৩২ বছর বয়সে তিনি হিজবুল্লাহর মহাসচিব নির্বাচিত হন, যখন ইসরায়েলি হেলিকপ্টারের গুলিতে তার পূর্বসূরি আব্বাস আল-মুসাভি নিহত হন।




ড. ইউনূসের ভাষণ নিয়ে যা বলল জাতিসংঘ

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশনে ভাষণ দেওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। গতকাল শুক্রবার সংস্থাটির নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে এই অবস্থানের কথা জানান মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন দুজারিক।

ব্রিফিংয়ে দুজারিককে প্রশ্ন করা হয়, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস কিছুক্ষণ পূর্বে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে ভাষণ দিয়েছেন। তিনি ভাষণে বাংলাদেশের জটিল পরিস্থিতি, গাজাসহ পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গার চলমান যুদ্ধ এবং গাজা ও ইউক্রেনের মানবিক সংকটের কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি দীর্ঘ সময় ধরে জাতিসংঘের অংশীদার হিসাবে অবদান রেখে চলেছেন। তার আজকের এই ভাষণকে কীভাবে দেখছেন? আমার দ্বিতীয় প্রশ্ন হচ্ছে, প্রফেসর ইউনূস এবং জাতিসংঘ মহাসচিবের মধ্যকার বৈঠক নিয়ে আপনার পর্যবেক্ষণ কী জানাবেন?

জবাবে দুজারিক বলেন, অধিবেশনে দেওয়া প্রতিটি ভাষণ নিয়ে আমাদের মন্তব্য করার সুযোগ নেই। কোনো দেশ যখন তাদের সবচাইতে সম্মানিত কোনো প্রতিনিধিকে জাতিসংঘে পাঠায় তা আমাদের অবশ্যই সন্তুষ্ট করে।

প্রধান উপদেষ্টা গত ২৩ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক পৌঁছেন। তিনি চারদিনের সফরকালে খুবই কর্মব্যস্ত সময় পার করেন। ড. মুহাম্মদ ইউনূস মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনসহ ১২টি দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধান এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং সাইডলাইনে ৪০টি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেন। সফরকালে প্রধান উপদেষ্টার ব্যাপক কর্ম-তৎপরতা বাংলাদেশের সঙ্গে আন্তর্জাতিক বিশ্বের অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক এবং অংশীদারিত্ব এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে বিরাট অবদান রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।




হিজবুল্লাহ প্রধান হাসান নাসরুল্লাহ নিহত হয়েছেন : ইসরায়েল




বিশ্বকে এখনই বেছে নিতে হবে শান্তি নয়তো অভিশাপ

চন্দ্রদ্বীপ আন্তর্জাতিক :: ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে দুটি মানচিত্র নিয়ে এসেছেন। শুক্রবার (সেপ্টেম্বর ২৭) যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে পরিষদের ৭৯তম অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে তিনি তা প্রদর্শন করে বিশ্বকে এখনই একটি বাছাইয়ের আহ্বান জানান।

নেতানিয়াহুর ভাষায় তার হাতে থাকা মানচিত্রের একটি বিশ্বের জন্য শান্তির আশীর্বাদ এবং অপরটি অভিশাপ। অভিশাপের বিশ্বে সিরিয়া, ইরাক ও ইরানের মানচিত্র কালো রংয়ে ঢাকা। আর শান্তির মানচিত্রে এ তিন দেশ ও লেবাননের সার্বভৌমত্বের কোনো অস্তিত্ব নেই।

প্রথমে শান্তির মানচিত্র দেখিয়ে নেতানিয়াহু বলেন, ইসরায়েল এবং তার আরব অংশীদারদের এশিয়া এবং ইউরোপকে সংযুক্ত করে এগিয়ে যেতে হবে। এর জন্য একটি নিরাপদ পথ প্রয়োজন। কিন্তু দ্বিতীয় মানচিত্রটি দেখুন। এটি একটি অভিশাপের মানচিত্র। এটি সন্ত্রাসের একটি মানচিত্র; যা ইরান ভারত মহাসাগর থেকে ভূমধ্যসাগরব্যাপী তৈরি করেছে এবং চাপিয়ে দিয়েছে।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু বলেছেন, তিনি মূলত এই বছর জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে না আসার ইচ্ছা করেছিলেন। তবে অন্যান্য বিশ্ব নেতাদের দ্বারা তার দেশের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও অপবাদ শোনার পরে তিনি সিদ্ধান্ত বদলে এসেছেন। তার আসার উদ্দেশ্য সত্য বলা বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, আমরা বর্বর শত্রুদের মুখোমুখি হচ্ছি। যারা আমাদের ধ্বংসের চেষ্টা করছে। আমাদের অবশ্যই এই বর্বর খুনিদের বিরুদ্ধে নিজেদের রক্ষা করতে হবে। তারা কেবল আমাদের ধ্বংস করতে চায় তা নয় বরং আমাদের সাধারণ সভ্যতাকেও ধ্বংস করতে চায়। আমাদের সবাইকে অত্যাচার ও সন্ত্রাসের অন্ধকার যুগে ফিরিয়ে দিতে চায়। ভবিষ্যত নিরাপদ করতে আমাদের দ্বিতীয় কোনো পথ খোলা নেই। আমাদের জিততেই হবে।




ইসরায়েলের বিমান হামলা, বেঁচে আছেন হিজবুল্লাহ প্রধান




কলকাতার বাজারে যত টাকায় বিক্রি হচ্ছে ইলিশ

চন্দ্রদ্বীপ আন্তর্জাতিক :: দুর্গাপূজা উপলক্ষে বাংলাদেশ থেকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ইলিশ যাওয়া শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে তা রাজ্যটির রাজধানী কলকাতাসহ বিভিন্ন শহরে বিক্রি শুরু হয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিনের খবরে বলা হয়, আজ শুক্রবার সকাল থেকে কলকাতা, হাওড়াসহ বিভিন্ন বাজারে বাংলাদেশি ইলিশ বিক্রি করতে দেখা গেছে। । ৮০০-১২০০ গ্রাম ওজনের প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০০-১৬০০ রুপিতে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ১৭০০-২৩০০ টাকা।

গতকাল বৃহস্পতিবার বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে ১৮ টন অর্থাৎ ১৮ হাজার কেজি ইলিশ কলকাতায় পৌঁছায়। দুটি ট্রাকে করে ২০০ বক্স ইলিশ বুধবার বিকেলে বেনাপোল বন্দরে পৌঁছায়। পরে গতকাল বৃহস্পতিবার পেট্রাপোল দিয়ে ইলিশগুলো কলকাতায় ঢুকেছে।

প্রতি কেজি মাছের রপ্তানি মূল্য পড়ছে ১০ মার্কিন ডলার। যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১২০০ টাকা। আর ভারতীয় মুদ্রায় ৮৪০ রুপি। আমদানি মূল্যের ওপর ভিত্তি করেই ইলিশের খুচরা বিক্রি নির্ধারিত করা হয়।

বাংলাদেশ মোট ২ হাজার ৪০০ মেট্রিক টন ইলিশ ভারতে রপ্তানির অনুমতি দিয়েছে। সব ইলিশ পশ্চিমবঙ্গে পৌঁছালে দাম আরও কমবে বলে মনে করছেন ক্রেতারা।




লেবাননে ইসরায়েলের হামলায় নিহত ৭০০ ছাড়িয়েছে

চন্দ্রদ্বীপ আন্তর্জাতিক :: লেবাননে ইসরায়েলের বিমান হামলায় ৯২ জন নিহত ও দেড় শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। আজ শুক্রবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

সংবাদমাধ্যমটি বলছে, গত কয়েকদিনে লেবাননে ইসরায়েলের হামলায় নিহতের সংখ্যা ৭০০ ছাড়িয়ে গেছে।

লেবানিজ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, ইসরায়েলি হামলায় দক্ষিণাঞ্চলীয় বেশ কয়েকটি শহর ও গ্রামে ৪০ জন, পূর্বাঞ্চলের দুটি এলাকায় ৪৮ জন এবং মধ্য মাউন্ট লেবানন গভর্নরেটের পূর্বে চারজন নিহত হয়েছেন। সবমিলিয়ে গত সোমবার থেকে ইসরায়েলের বিমান হামলা শুরু হওয়ার পর থেকে লেবাননে ৭০০ জনের বেশি মানুষ মারা গেছেন।

এদিকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু লেবাননে উত্তেজনা কমানোর ক্রমবর্ধমান আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে আক্রমণ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, যতক্ষণ না হিজবুল্লাহ সীমান্তজুড়ে রকেট নিক্ষেপ বন্ধ না করে, ততক্ষণ হামলা চলবে।



লেবাননজুড়ে ইসরায়েলের হামলা চলছেই, নিহত আরও ৯২