এই মুহূর্তে বিশ্বের শীর্ষ ১০ ধনী ব্যক্তি কারা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের প্রসিদ্ধ ফোর্বস সাময়িকীর অনলাইন সংস্করণে ‘রিয়েল টাইম’ বিলিয়নিয়ারের তালিকা প্রকাশ করা হয়।

তালিকা অনুযায়ী, এই মুহূর্তে বিশ্বের শীর্ষ ১০ ধনীর তথ্য তুলে ধরা হলো। একই সঙ্গে তাঁরা এখন কত সম্পদের মালিক, তা–ও উল্লেখ করা হলো।

রিয়েল টাইম (বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টা) বিশ্বের শীর্ষ ১০ ধনী ব্যক্তি হলেন—

 ইলন মাস্ক

এখন বিশ্বের শীর্ষ ধনী ইলন মাস্ক। মার্কিন ধনকুবের মাস্ক বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান টেসলাসহ বেশ কয়েকটি কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও)। তাঁর সম্পদের পরিমাণ ২৭০ দশমিক ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

২. ল্যারি এলিসন
দ্বিতীয় শীর্ষ ধনী ল্যারি এলিসন। মার্কিন ধনকুবের ল্যারি ওরাকল করপোরেশনের সহপ্রতিষ্ঠাতা। তাঁর সম্পদের পরিমাণ ২০৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

৩. জেফ বেজোস
বিশ্বের তৃতীয় শীর্ষ ধনী জেফ বেজোস। মার্কিন ধনকুবের বেজোস পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ই-কমার্স সাইট অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা। তাঁর সম্পদের পরিমাণ ২০৪ দশমিক ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

৪. মার্ক জাকারবার্গ
মার্ক জাকারবার্গ বিশ্বের চতুর্থ শীর্ষ ধনী। তিনি ফেসবুকের সহপ্রতিষ্ঠাতা। মার্কিন ধনকুবের জাকারবার্গ ফেসবুকের মালিক কোম্পানি মেটার সিইও। তাঁর সম্পদের পরিমাণ ১৯৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

৫. বার্নার্ড আরনল্ট অ্যান্ড ফ্যামিলি

বার্নার্ড আরনল্ট ফরাসি ধনকুবের। তিনি ফরাসি বিলাসপণ্যের ব্র্যান্ড এলভিএমএইচের সিইও। তাঁর সম্পদের পরিমাণ ১৯৫ দশমিক ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

৬. ওয়ারেন বাফেট
ওয়ারেন বাফেট মার্কিন ধনকুবের। তিনি বহুজাতিক বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান বার্কশায়ার হ্যাথাওয়ের প্রধান। তাঁর সম্পদের পরিমাণ ১৪৪ দশমিক ৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

৭. ল্যারি পেজ
মার্কিন ধনকুবের ল্যারি পেজ। তিনি গুগলের সহপ্রতিষ্ঠাতা। তিনি এখন গুগলের মূল প্রতিষ্ঠান অ্যালফাবেটের পর্ষদ সদস্য। তাঁর সম্পদের পরিমাণ ১৩৭ দশমিক ৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

৮. আমানসিও ওরতেগা
আমানসিও ওরতেগা স্প্যানিশ ধনকুবের। তিনি ফ্যাশন গ্রুপ ইন্ডিটেক্সের সহপ্রতিষ্ঠাতা। তাঁর সম্পদের পরিমাণ ১৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

৯. সের্গেই ব্রিন
মার্কিন ধনকুবের সের্গেই ব্রিন। তিনি বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন গুগলের সহপ্রতিষ্ঠাতা। তিনি এখন গুগলের মূল প্রতিষ্ঠান অ্যালফাবেটের পর্ষদ সদস্য। তাঁর সম্পদের পরিমাণ ১৩২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

১০. স্টিভ বলমার
স্টিভ বলমার মার্কিন ধনকুবের। তিনি মাইক্রোসফটের সাবেক সিইও। তিনি বলমার গ্রুপের সহপ্রতিষ্ঠাতা। বলমার পেশাদার লস অ্যাঞ্জেলেস ক্লিপারস বাস্কেটবল দলের মালিক। তাঁর সম্পদের পরিমাণ ১২৫ দশমিক ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।




ইসরায়েল জবাব দিলে আরও মিসাইল ছোড়া হবে, ইরানের সতর্কতা




ইরানের মিসাইল ইসরায়েলে সরাসরি আঘাত হেনেছে : বিবিসি




লেবাননে ইসরায়েলি সেনাদের প্রবেশের তথ্য মিথ্যা : হিজবুল্লাহ




ন্যাটোর নতুন প্রধান হলেন নেদারল্যান্ডসের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুট্টে

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: পশ্চিমা সামরিক জোট নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশনের (ন্যাটো) মহাসচিব তথা প্রধান হলেন নেদারল্যান্ডসের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুট্টে। আজ মঙ্গলবার বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে অবস্থিত ন্যাটো কার্যালয়ে সদ্য সাবেক মহাসচিব নরওয়ের জেনস স্টলটেনবার্গের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব বুঝে নেন তিনি।

জার্মান সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলের খবরে বলা হয়েছে, ৩২ সদস্যের সামরিক জোট ন্যাটোর অগ্রাধিকারগুলো রুট্টে ধরে রাখবেন বলে মনে করছেন সদস্যরা। এসব অগ্রাধিকারের মধ্যে রয়েছে ইউক্রেনের জন্য সমর্থন অব্যাহত রাখা, প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ানো ও ইউরোপীয় নিরাপত্তায় যুক্তরাষ্ট্রকে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ রাখা।

যদিও মারাত্মক ক্ষয়ক্ষতিসহ বিভিন্ন কারণে ইউক্রেন যুদ্ধে সমর্থন বজায় রাখা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে, মার্কিন নির্বাচনে যথেষ্ট সমর্থন থাকা রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের কিয়েভ ও ন্যাটোর প্রতি সমর্থন নিয়ে আশঙ্কায় আছে সামরিক জোটটি।

স্নায়ুযুদ্ধকালে পশ্চিম ইউরোপের ওপর সোভিয়েত ইউনিয়নের যেকোনো হামলা প্রতিহত করতে ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ন্যাটো। ইউক্রেন যুদ্ধের মধ্য দিয়ে সংস্থাটি দীর্ঘদিন পর আন্তর্জাতিক রাজনীতির কেন্দ্রে চলে আসে।




সব ধরনের পণ্যের মূল্য হ্রাসে রেকর্ড করল শ্রীলঙ্কা




মধ্যপ্রাচ্যে কোনও জায়গা ইসরায়েলের নাগালের বাইরে নয়: ইরানকে নেতানিয়াহু




লেবাননে স্থল হামলা শুরু ইসরায়েলের




লেবাননে স্থল হামলা শুরু ইসরায়েলের

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী আজ মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) স্থল হামলা চালানোর ঘোষণা দেয়। যদিও হামলাটি সীমিত এবং নির্ধারিত লক্ষ্যবস্তু লক্ষ্য করে চালানো হচ্ছে বলে দাবি করেছে তারা।

ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী স্থল হামলার ব্যাপারে বলেছে, কয়েক ঘণ্টা আগে হিজবুল্লাহর অবকাঠামো লক্ষ্য করে দক্ষিণ লেবাননের সীমান্তবর্তী কয়েকটি গ্রামে ‘নির্দিষ্ট এবং সীমিত’ স্থল অভিযান শুরু করেছে সেনারা। ব্লু লাইনের কাছে অবস্থিত হিজবুল্লাহর এই অবকাঠামোগুলো ইসরায়েলি শহরগুলোর জন্য তাৎক্ষণিক হুমকি হিসেবে দাঁড়িয়েছে।

এর আগে সোমবার রাতে লেবাননে স্থল হামলার অনুমোদন দেয় দখলদার ইসরায়েলর নিরাপত্তা পরিষদ। ওই সময় জানানো হয়, হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে যুদ্ধের পরবর্তী ধাপের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

লেবাননে স্থল হামলার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়ার আগে দেশটির সীমান্তবর্তী অঞ্চলে ব্যাপক বিমান ও কামান হামলা চালায় ইসরায়েলি বাহিনী। ওই সময় ধারণা করা হচ্ছিল, স্থল সেনাদের লেবাননে প্রবেশের ব্যবস্থা করতে এমন তীব্র হামলা চালানো হচ্ছে।

ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী বিবৃতিতে দাবি করেছে, এই স্থল হামলা হবে ‘সীমিত, স্থানীয় এবং হিজবুল্লাহর নির্দিষ্ট অবস্থান’ লক্ষ্য করে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওস জানিয়েছে, দখলদার ইসরায়েলের নিরাপত্তা পরিষদ লেবাননে সীমিত এবং স্বল্পমেয়াদী স্থল হামলার অনুমোদন দিয়েছে। এছাড়া ইসরায়েলি সেনাদের উত্তর লেবানন দখল করার কোনো পরিকল্পনা নেই বলে সংবাদমাধ্যমটিতে দাবি করা হয়েছে।

লেবাননে ইসরায়েলের নতুন স্থল অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে ‘অপারেশন নর্দান অ্যারোস’। ইসরায়েলি বাহিনী জানিয়েছে, হামলাটি চালানো হচ্ছে স্থল, আকাশ এবং কামান বাহিনীর সমন্বয়ে।




ইসরায়েলকে জবাব দিতে হবে অ্যাটম বোমা দিয়ে’

 

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: লেবাননের বৈরুতে বিমান হামলা চালিয়ে সশস্ত্র বাহিনী হিজবুল্লাহর প্রধান সাইয়েদ হাসান নাসরুল্লাহকে হত্যা করে ইসরায়েলি বাহিনী। এর তীব্র প্রতিবাদ জানায় ইরান। বিশ্বের মুসলিম সম্প্রদায় কে একত্র হয়ে ইসরায়েলের মোকাবিলা করার আহ্বান জানান ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। কিন্তু আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলছেন অতি-কট্টরপন্থীরা।

ইরানের সংবাদমাধ্যম ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়। এতে বলা হয়, ইসরায়েলকে শিক্ষা দিতে পারস্য উপসাগরের হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়া এবং পরমাণু অস্ত্র প্রস্তুত করার তাগিদ দিয়েছেন ইরানের অতি-কট্টরপন্থীরা। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আওয়াজ তুলছেন তারা। বলা হচ্ছে, ইসরায়েলকে জবাব দিতে হবে অ্যাটম বোমা দিয়ে।

এসব অতি-কট্টরপন্থীরা সাবেক পারমাণবিক সমঝোতাকারী সাঈদ জলিলির অনুসারী বলে জানা যায়। ইসরায়েলের একের পর এক হামলার ব্যাপারে ইরানি প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ও তাঁর সরকারের সক্রিয় না থাকার সমালোচনাও করেন তারা। এসব অতি-কট্টরপন্থীরা বলছেন, ইসরায়েলের মুখোমুখি হতে চাইছে না এই ইরান সরকার। তবে ইরানের এসব সিদ্ধান্ত নেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। তিনি কেন হামলার জবাব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেননি, এ ব্যাপারে অতি-কট্টরপন্থীরা কোনো মন্তব্য করছেন না।