ইরানে পাল্টা হামলার ব্যাপারে যা বলছে সাধারণ ইসরায়েলিরা




ইসরাইলকে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধের আহ্বান ম্যাক্রোঁর

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: যুদ্ধবাজ ইসরাইলকে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। সেই সঙ্গে তিনি গাজায় প্রায় এক বছর ধরে চলা যুদ্ধের অবসানে ‘রাজনৈতিক সমাধান’ খোঁজার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।

ফরাসি প্রেসিডেন্ট শনিবার ফ্রান্স ইন্টার রেডিওতে এক বক্তৃতায় বলেন, ‘আমার বিশ্বাস, আজকের অগ্রাধিকার হলো একটি রাজনৈতিক সমাধানে ফিরে আসা এবং গাজায় যুদ্ধ ও হত্যা বন্ধে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করা’।

সেই সঙ্গে, ফ্রান্স ইসরাইলকে কোনো অস্ত্র পাঠাচ্ছে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

ম্যাক্রোঁর এই বক্তব্য এমন সময়ে এলো যখন চলমান গাজা সংঘাতের প্রায় এক বছর পূর্ণ হতে চলেছে। ইসরাইলি বাহিনী গত বছরের ৭ অক্টোবর থেকে গাজার নিরীহ মানুষের ওপর আক্রমণ চালিয়ে আসছে।

ফরাসি প্রেসিডেন্ট ঠিক দুই সপ্তাহ আগেই প্যারিসের এলিজি প্যালেসে ওয়ার্ল্ড জিউইশ কংগ্রেসের (WJC) সভাপতি রোনাল্ড এস লাউডারের সঙ্গে বৈঠক করেন। যেখানে ফ্রান্সের ইহুদি সম্প্রদায় চলমান ইসরাইল-গাজা সংঘাত এবং অপহৃত ইহুদিদের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে ম্যাক্রোঁ ইসরাইল-হামাস সংঘাত সমাধানের গুরুত্ব এবং অবশিষ্ট জিম্মিদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এদিকে ফরাসি প্রেসিডেন্ট গত মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) ইসরাইলে ইরানের হামলার নিন্দা জানিয়ে বুধবার মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক বাহিনী মোতায়েন করেন। যা ইসরাইলের নিরাপত্তার প্রতি ফ্রান্সের দেওয়া প্রতিশ্রুতিরই বহি:প্রকাশ। সূত্র: দ্য জেরুসালেম পোস্ট




মিত্ররা ইসরাইলের সাথে ‘যুদ্ধে পিছ পা হবে না’: ইরান

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: ইরানের সর্বোচ্চ নেতা শুক্রবার এক ব্যতিক্রমী ভাষণে দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলেছেন, এই অঞ্চলের চারপাশে তাদের মিত্ররা ইসরাইলের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাবে। কারণ, তিনি তার শত্রুর বিরুদ্ধে তাদের দেশের ক্ষেপণাস্ত্র হামলাকে রক্ষা করেছেন।

ইসরাইলের ওপর ইরানের দ্বিতীয়বারের মতো সরাসরি হামলার পর তেহরানে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এই ভাষণ দেন। তেহরানসমর্থিত হিজবুল্লাহ যোদ্ধা এবং ইসরাইলি সৈন্যদের মধ্যে গুলি বিনিময় লেবাননে সর্বাত্মক যুদ্ধে পরিণত হওয়ার পর এটিও তার প্রথম ভাষণ।

গাজা উপত্যকায় চলমান যুদ্ধের সূচনাকারী ইসরাইলের ওপর হামাসের গত বছরের ৭ অক্টোবরের হামলার প্রথম বার্ষিকীর আগে দেয়া বক্তৃতায় খামেনি ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী হামাস যোদ্ধাদের ‘যৌক্তিক এবং আইনি’ পদক্ষেপের পক্ষে রয়েছেন এবং ইসরাইলি বাহিনীর বিরুদ্ধে তার ‘ভয়ঙ্কর প্রতিরক্ষা’র প্রশংসা করেছেন।

হামাসের নজিরবিহীন হামলার ফলে ১,২০৫ জন ইসরাইলি নিহত হয়। হামাসের এই হামলা বিশ্বব্যাপী নিন্দার ঝড় ওঠে। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যের চারপাশে ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলো বিশেষ করে লেবাননের হিজবুল্লাহ এবং ইয়েমেনের হাউছি বিদ্রোহীদের সমর্থন আদায় করেছে।

হিজবুল্লাহ শনিবার দিনের প্রথম দিকে বলেছে, তারা লেবানন সীমান্ত এলাকায় ইসরাইলি সৈন্যদের সাথে চলমান সংঘর্ষে জড়িত ছিল। ইসরাইলি সৈন্যদের পিছু হটতে বাধ্য করেছে।

:ইসরাইলি সেনাবাহিনীর আরবি-ভাষার মুখপাত্র আভিচায় আদ্রাই এলাকার বুর্জ আল-বারাজনেহ আশপাশের কিছু অংশের বাসিন্দাদের সরিয়ে নেয়ার জন্য সতর্ক করার পর এএফপি সংবাদদাতারা শনিবার ভোরে বৈরুত শহরের দক্ষিণ শহরতলিতে ধারাবাহিক বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন।

জর্ডান ও বাহরাইন হামাস এবং হিজবুল্লাহর প্রতি সমর্থন প্রদর্শনের জন্য জুমার নামাজের পর ভিড় জমায়। যদিও উভয়ের সাথে ইসরাইলের সম্পর্ক রয়েছে।

জর্ডানের রাজধানী আম্মানে বিক্ষোভকারীরা ৭ অক্টোবরের হামলার ‘গৌরব এবং মর্যাদা’র প্রশংসা করে পোস্টার বহন করে।




লেবাননে ইসরায়েলের হামলায় স্ত্রী-সন্তানসহ হামাস নেতা নিহত

চন্দ্রদ্বীপ আন্তর্জাতিক :: লেবাননের ত্রিপোলিতে ফিলিস্তিনি শরণার্থী শিবিরে ইসরাইলের হামলায় হামাস নেতা সাইদ আতাল্লাহ স্ত্রী-সন্তানসহ নিহত হয়েছেন। আজ শনিবার হামাস-সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যম ফিলাস্টেন এ তথ্য জানিয়েছে।

ফিলাস্টেনের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, সাইদ আতাল্লাহ তার পরিবারের তিন সদস্যসহ উত্তর লেবাননের ত্রিপোলিতে বেদদাউই ফিলিস্তিনি শরণার্থী শিবিরে থাকতেন। সেখানে করা ইসরায়েলের হামলায় স্ত্রী-সন্তানসহ তিনি নিহত হয়েছেন।

অন্যদিকে, লেবাননের দৈনিক আন-নাহার বলছে, নিহতদের মধ্যে সাইদ আতাল্লাহ, তার স্ত্রী ও দুই সন্তান রয়েছেন। ইসরাইলি ড্রোন হামলায় আতাল্লাহ এবং তার পরিবার যে অ্যাপার্টমেন্টে থাকতেন তা সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে গেছে।

তবে হামাস আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো আতাল্লাহর নিহত হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেনি। তবে হামাসের ঘনিষ্ঠ সংগঠন ফিলিস্তিনি ইসলামিক জিহাদ (পিআইজে) বলেছ, আতাল্লাহ তার স্ত্রী ও দুই মেয়েসহ নিহত হয়েছেন।




ইসরাইলের সবগুলো গ্যাসক্ষেত্র একযোগে ধ্বংস করা হবে: আইআরজিসি

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: ইরানে নতুন করে যেকোনো ধরনের আগ্রাসন চালানোর চেষ্টা করলে দখলদার ইসরাইলের সব জ্বালানী স্থাপনা একসঙ্গে ধ্বংস করে ফেলা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।

আইআরজিসির ডেপুটি কমান্ডার মেজর জেনারেল আলী ফাদাভি শুক্রবার লেবাননের আল-মায়াদিন টিভি চ্যানেলকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরানে হামলা চালালে নিজের অস্তিত্বকে ঝুঁকির মুখে ফেলবে ইসরাইল। খবর পার্সটুডের।

তিনি বলেন, দখলদার সরকার যদি কোনো ভুল করে তাহলে আমরা এটির জ্বালানির সকল উৎস, সবগুলো বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র, সব তেল শোধনাগার ও গ্যাস ক্ষেত্রগুলোতে একযোগে হামলা চালাবো।

লেবাননের বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে টানা দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে আসছে ইসরাইল। এর জবাবে মঙ্গলবার রাতে ইরান ইসরাইলের সামরিক স্থাপনাগুলোতে বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। পরে তেল আবিব ইরানের তেল ক্ষেত্রগুলোতে হামলা চালানোর হুমকি দেয়। ওই হুমকির প্রেক্ষাপটে জেনারেল ফাদাভি পাল্টা এ হুঁশিয়ারি দিলেন।

তিনি বলেন, ইরান একটি বিশাল দেশ যার রয়েছে বহুমুখী অর্থনৈতিক কেন্দ্র, অথচ ইসরাইলের মাত্র তিনটি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র ও কয়েকটি শোধনাগার রয়েছে।

ওইসব কেন্দ্রে একযোগে হামলা চালানোর সমক্ষমতা আমাদের রয়েছে বলেও মন্তব্য করেছেন জেনারেল ফাদাভি।

ইরানের সেনাবাহিনীর কমান্ডার মেজর জেনারেল আব্দুররহিম মুসাভি শুক্রবার আল-মায়াদিনকে বলেছেন, ইসরাইল যদি কোনো কাঁচা কাজ করে তাহলে তাকে ‘ভয়ানক ও ধ্বংসাত্মক জবাব’ দেয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা অতীতে ধৈর্যের চরম পরাকাষ্ঠা প্রদর্শন করেছি, কিন্তু এখন আমরা উপযুক্ত সময়ে নিখুঁত ও ধ্বংসাত্মক জবাব দেয়ার প্রস্তুতি নিয়েছি। ইসরাইল যেকোনো পর্যায়ে যতখানি আগ্রাসন চালাবে তেহরান তার চেয়ে শক্তিশালী জবাব দেবে বলেও জানান তিনি।

এর আগে গেলো বছরের অক্টোবর মাসের ৭ তারিখে ইসরাইলে এই দশকের সবচেয়ে বড় সামরিক অভিযান চালায় গাজার হামাস সরকার। এর পরপরই গাজায় বিমান হামলা ও স্থল হামলা শুরু করে ইসরাইল। এ আগ্রাসনে ৪২ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। এছাড়া আহত হয়েছেন এক লাখের বেশি মানুষ।




পাকিস্তান সফরে যাচ্ছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

চন্দ্রদ্বীপ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :: আন্তঃসরকার সংস্থা সাংহাই কো অপারেশন অর্গানাইজেশনে (এসসিও) যোগ দিতে পাকিস্তান সফরে যাচ্ছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর। শুক্রবার (০৪ অক্টোবর) ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এই তথ্য জানিয়েছেন।

খবর – এনডিটিভি’র।

ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, জয়শঙ্কর ১৫ ও ১৬ অক্টোবর ইউরেশীয় নেতাদের সম্মেলনে পাকিস্তানে ভারতীয় প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন। তবে এই সম্মেলনের ফাঁকে তিনি কোনো পাকিস্তানি নেতার সাথে সাক্ষাৎ করবেন কিনা, সেটি জানাননি জয়সওয়াল।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে জয়শঙ্কর জানয়েছিলেন, বহু বছরের আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসবাদ সমস্যার সমাধান করতে চায় ভারত।
তিনি তখন বলেছিলেন, এটি কোনো ভালো প্রতিবেশীর নীতি হতে পারে না।

সবশেষ ২০১৫ সালে ভারতের কোনো মন্ত্রী পাকিস্তান গিয়েছিলেন। সে সময় তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ আফগানিস্তান সংক্রান্ত একটি সফরে সে দেশে গিয়েছিলেন।

প্রসঙ্গত, এসসিও বিশ্বের বৃহত্তম আঞ্চলিক আন্তঃরাষ্ট্রীয় সংস্থা। ভারত-পাকিস্তান ছাড়াও এই সংস্থার সদস্যের তালিকায় রয়েছে রাশিয়া, চীন, কাজাখস্তান, উজবেকিস্তান, কিরগিজস্তান এবং তাজিকিস্তান।




ইউনেস্কোর হ্যামদান পুরস্কার পেলো গুড নেইবারস বাংলাদেশ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: দেশে প্রথমাবের মতো ইউনেস্কোর হ্যামদান পুরস্কার পেলো গুড নেইবারস বাংলাদেশ। শিক্ষক উন্নয়ন কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষাঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় এ পুরস্কার পেয়েছে আন্তর্জাতিক এই উন্নয়ন সংস্থা।

শুক্রবার (৪ অক্টোবর) বিশ্ব শিক্ষক দিবসে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে এই পুরস্কার ঘোষণা করে ইউনেস্কো। সেখানে গুড নেইবারস বাংলাদেশের পক্ষ থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন কান্ট্রি ডিরেক্টর এম মাইনুদ্দিন মাইনুল। এরপর তিনি তার সংক্ষিপ্ত বক্তব্য তুলে ধরেন।

বক্তব্যে মাইনুদ্দিন মাইনুল বলেন, এই পুরস্কারটি আমাদের শিক্ষকদের জন্য এক অনন্য স্বীকৃতি। তারা (শিক্ষকরা) শুধুমাত্র শিক্ষাই দিচ্ছেন না, পাশাপাশি সকল ধরনের বৈষম্য ও অবিচারের বিরুদ্ধে লড়াই করে যাচ্ছেন।

তিনি আরো বলেন, এই লড়াই শুধু সুশীল সমাজের নয়। এই লড়াই এনজিওসহ গোটা জাতির।

দেশে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের বিস্তৃত এবং শিক্ষামূলক পরিবেশ তৈরিতে পরিচালিত হচ্ছে জিএনবির শিক্ষা কার্যক্রম। দেশের ১৩টি জেলার মোট ৩৯৬টি স্কুল নিয়ে পরিচালিত হচ্ছে এই কর্মসূচি। এতে কাজ করছেন ৪৯ জন উচ্চ প্রশিক্ষিত শিক্ষক।




ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালাবে ইসরায়েল?

তবে জো বাইডেন বলেছেন, ইরানের তেল স্থাপনায় সম্ভাব্য ইসরায়েলি আক্রমণ নিয়ে আলোচনা চলছে। হোয়াইট হাউসের সাংবাদিকরা বাইডেনকে প্রশ্ন করেছিলেন, ইসরায়েল কি ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জবাব দিতে গিয়ে তেহরানের তেল স্থাপনায় আক্রমণ চালাবে? এর জবাবে বাইডেন বলেছেন, আমরা আলোচনা করছি।

এদিকে শুক্রবার (৪ অক্টোবর) মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের শীর্ষ একজন কর্মকর্তা সিএনএনকে বলেছেন, ইসরায়েল যে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালাবে না- এমন নিশ্চয়তা তারা বাইডেন প্রশাসনকে দেয়নি।

ওই কর্মকর্তা বলেছেন, এটা সত্যি বলা কঠিন যদি ইসরায়েল ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার এক বছর পূর্তিতে প্রতিশোধ নেয়। এই কর্মকর্তাকে সিএনএন প্রশ্ন করেছে, ইসরায়েল কী যুক্তরাষ্ট্রকে নিশ্চিত করেছে যে তারা ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার বিষয় আলোচনার বাইরে রেখেছে?

এর জবাবে ওই কর্মকর্তা বলেছেন, আমরা আশা ও প্রত্যাশা করি কিছু প্রজ্ঞার পাশাপাশি শক্তি দেখতে পাবো, কিন্তু আপনারা জানেন যে কোনো গ্যারান্টি নেই।

গত মঙ্গলবার ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে ১৮০টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে ইরান। দেশটি দাবি করে, তাদের ছোড়া ৮০ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলে আঘাত হেনেছে। এরপরেই ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, তারা এর কড়া জবাব দেবে।

অন্যদিকে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, আক্রান্ত হলে তারাও প্রত্যাঘাত করতে তৈরি। তিনি জানান, যেকোনো ধরনের সন্ত্রাসী, জঙ্গি হামলা হলে বা কেউ যদি সীমা অতিক্রম করে, তাহলে আমাদের সেনাবাহিনী তার জবাব দেবে।




শান্তিতে নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনীত জাতিসংঘের মহাসচিব




মুসলিমদের শত্রু এক: খামেনি

চন্দ্রদ্বীপ আন্তর্জাতিক :: ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিম বিশ্বকে এক হওয়ার আহ্বান জানিয়ে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি বলেছেন, আমরা যদি এক হতে পারি তাহলে এই যুদ্ধে ইসরায়েলকে পরাজিত করা সম্ভব। ফিলিস্তিনি, লেবানিজ, মিসরীয় ও ইরাকিদের শত্রু একজনই। তারা ইয়েমেন ও সিরিয়ার জনগণের শত্রুও। আমাদের সবার শত্রু একই।

তিনি বলেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইসরায়েলের জন্য ‘সর্বনিম্ন শাস্তি’।

শুক্রবার (৪ অক্টোবর) তেহরানে ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মসজিদে জুমার নামাজের খুতবায় একথা বলেন। প্রায় পাঁচ বছর পর এই খুতবা দিলেন খামেনি। খবর ইরনা।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা বলেন, ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আমাদের এ লড়াই চলবে। তাদের পরাজিত করতে হলে আমাদের হামাস-হিজবুল্লাহর মতো ইসরায়েল বিরোধী দেশগুলোকে এক হতে হবে। এটি আমাদের জন্য একটি ইসলামী কর্তব্য।

প্রয়োজনে ইরানের মাটি থেকে সরাসরি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি করেন এই নেতা।

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি বলেন, আমরা আমাদের দায়িত্ব পালনে বিলম্ব করি না আবার তাড়াহুড়োও করি না। রাজনৈতিক ও সামরিক সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীদের মতামত অনুযায়ী যেটা যুক্তিসঙ্গত এবং সঠিক তা যথাসময়ে বাস্তবায়ন করি।

তিনি বলেন, আগ্রাসনকারীদের হাত থেকে আত্মরক্ষার অধিকার প্রতিটি দেশেরই রয়েছে। মুসলিম দেশগুলোকে তাদের সাধারণ শত্রুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে হবে।

ইসরায়েলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা এবং লেবাননে মিত্র হিজবুল্লাহর ওপর ইসরায়েলি হামলা শুরুর পর প্রথমবারের মতো তিনি এই খুতবা দিলেন।

এই উপলক্ষে তেহরানে হাজার হাজার মানুষের ঢল নামে। কারও কারও হাতে হিজবুল্লাহর সবুজ ও হলুদ পতাকা দেখা যায়। কেউ বা ফিলিস্তিনের পতাকা নিয়ে আসেন। তবে সবার উদ্দেশ্য একটিই—খামেনিকে এক নজর দেখা।