হিজবুল্লাহর চেইন অব কমান্ড বজায় আছে : রাশিয়া

লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর চেইন অব কমান্ড এখনো বজায় আছে বলে জানিয়েছে রাশিয়া। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাকারোভা  বুধবার সাংবাদিকদের জানান, হিজবুল্লাহ এখনো নিজেদের সুসংগঠিত রেখেছে এবং ইসরায়েলের হামলার পরও তাদের চেইন অব কমান্ড ভাঙেনি।

তিনি বলেন, “আমাদের মূল্যায়ন অনুযায়ী, হিজবুল্লাহ এবং তাদের সামরিক শাখা তাদের চেইন অব কমান্ড হারায়নি। তারা যে সুসংগঠিত আছে সেটি তারা প্রদর্শন করছে।”

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা উস্কে দেওয়ার জন্য পশ্চিমা দেশ বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যকে দায়ী করেছেন এই রুশ এই কূটনীতিক। তিনি বলেছেন, ইসরায়েলকে সমর্থন দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র মূলত তাদের ভণ্ডামি প্রদর্শন করছে।




ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্র সফর বাতিল

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের যুক্তরাষ্ট্র সফর বাতিল হয়েছে। মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) এই তথ্য জানিয়েছে পেন্টাগন। ইসরায়েলি মিডিয়া জানিয়েছে, গ্যালান্টের বুধবারের পরিকল্পিত সফরের আগে প্রথমে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই খবর জানিয়েছে।

গত সপ্তাহে ইসরায়েলে চলতি বছরের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করে ইরান। এই হামলা ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যকার উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলেছে। এই হামলার জবাবে বিকল্প কি ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে তা বিবেচনা করছে ইসরায়েলে। এরই মধ্যে মঙ্গলবার হঠাৎ গ্যালান্টের সফর বাতিলের খবরটি আসে। গ্যালান্ট কেন তার সফর বাতিল করেছে সে কারণ বলতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে পেন্টাগন। এমনকি, এ বিষয়ে জানতে সাংবাদিকদের ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। রয়টার্স জানায়, নেতানিয়াহু ও গ্যালান্টের কার্যালয় মন্তব্যের অনুরোধে তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দেয়নি।




৬ আরব দেশকে ইরানের হুমকি

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: আরব উপসাগরীয় ছয়টি দেশ তাদের আকাশসীমা বা সামরিক ঘাঁটি ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে দিলে, ইরান তার জবাব দেবে বলে হুমকি দিয়েছে তেহরান। দেশটির শীর্ষ স্থানীয় কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

ইরানি ওই কর্মকর্তা বলেন, ইরান পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে তেহরানের বিরুদ্ধে পারস্য উপসাগরীয় কোনো দেশের যে কোনো পদক্ষেপ, তা আকাশসীমা বা সামরিক ঘাঁটি ব্যবহার করার মাধ্যমে হোক, তেহরান এটি পুরো গোষ্ঠীর নেওয়া পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করবে। আর সেই অনুযায়ী প্রতিক্রিয়া জানাবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা বলেন, তেহরানের বার্তায় আঞ্চলিক ঐক্যের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। ইসরায়েলের বিরুদ্ধে স্থিতিশীলতা রক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। এ ছাড়া এটি স্পষ্ট করে বলা হয়েছে যে, ইরানের বিরুদ্ধে কোনো আঞ্চলিক দেশের আকাশসীমা ব্যবহার করতে দেওয়াসহ ইসরায়েলকে কোনো সাহায্য প্রদান করা অগ্রহণযোগ্য।

গত সপ্তাহে ইসরায়েলে প্রায় ২০০টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান। এরপর থেকে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা চলছে। যে কোনও মুহূর্তে ইসরায়েল ইরানে হামলা চালাতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।




আমরা যুদ্ধের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত : ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী




ফিলিস্তিনিদের সাথে ইসরায়েলের যুদ্ধে চীন ও রাশিয়া কেন মধ্যস্থতা করছে?

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:   সম্প্রতি, নতুন এবং অনেকটাই ভিন্ন রকমের ভূমিকায় দেখা যাচ্ছে বেইজিং ও মস্কোকে। প্রায় এক বছর আগে গাজায় সাম্প্রতিক যুদ্ধ শুরুর পর ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনিদের সংঘর্ষে তারা অবতীর্ণ হয়েছে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে।

জুলাই মাসে, হামাস, ফাতাহ্ এবং অন্যান্য প্রায় এক ডজন ফিলিস্তিনি গোষ্ঠী মিলে চীনের রাজধানী বেইজিং-এ একটি অস্থায়ী চুক্তি স্বাক্ষর করে। গাজার যুদ্ধ শেষে সেখানকার প্রশাসনের জন্য একটি “জাতীয় পুনর্মিলনের অন্তর্বর্তী সরকার” গঠনের লক্ষ্যে ওই চুক্তি হয়েছিল।

এই গোষ্ঠীগুলো একই ধরনের চুক্তির জন্য ফেব্রুয়ারিতে মস্কোতেও বৈঠক করেছিল।

চীন ও রাশিয়া উভয়ই ইরান, সিরিয়া আর তুরস্কের মতো গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক শক্তিমত্তার খেলোয়াড়দের সাথে সম্পর্ক বজায় রাখছে।

প্রতিদ্বন্দ্বী পরাশক্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো, বেইজিং বা মস্কো কেউই হামাসকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করে না। তাই হামাসকে সংলাপে আমন্ত্রণ জানাতে কোনও সমস্যা নেই চীন ও রাশিয়ার।

তবে এই ধরনের মধ্যস্থতায় কোনও বাস্তব ফলাফল হবে কি? বিশেষজ্ঞরা অবশ্য সেটা সম্ভব নয় বলেই মনে করেন। তবে এখানে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হচ্ছে, চীন ও রাশিয়া এই হস্তক্ষেপের মাধ্যমে কী করতে চাইছে?

এক্ষেত্রে তাদের দু’টি প্রধান উদ্দেশ্য রয়েছে: আন্তর্জাতিক প্রভাব অর্জন এবং বিশ্বে আমেরিকা ও পশ্চিমা শক্তিকে প্রতিহত করা।




ইরানে হামলার বিষয়ে ফোনালাপ করবেন বাইডেন-নেতানিয়াহু

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: ইরানে হামলার পরিকল্পনা নিয়ে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে ফোনে কথা বলবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তিন মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে এই আলাপ বুধবার (৯ অক্টোবর) হতে যাচ্ছে বলে প্রতিবেদন করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস। ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মার্কিন কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে অ্যাক্সিওস বলেছে, ‘আমরা চাই, এই ফোনকলের মাধ্যমে ইসরায়েলি প্রতিশোধের মাত্রা নির্ধারিত হোক।’

ওই কর্মকর্তার বরাতে অ্যাক্সিওস আরও জানিয়েছে, ইরানের গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুতে হামলা করলেও কোনও বাড়াবাড়ি করবে না ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র এই নিশ্চয়তা চায়।

এই প্রতিবেদনের বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেনি হোয়াইট হাউজ।

লেবাননে ইসরায়েলি আগ্রাসনের প্রতিশোধ হিসেবে গত সপ্তাহে ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। মধ্যপ্রাচ্যসহ পুরো বিশ্ব এই হামলার ইসরায়েলি জবাব নিয়ে শঙ্কিত। কেননা ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালানোর প্রচ্ছন্ন হুমকি রয়েছে তেল আবিবের দিক থেকে।

তাদের ‘চিরশত্রু’ ইরানকে সমুচিত জবাব দেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তার বক্তব্যের উত্তরে তেহরান জানিয়েছে, যেকোনও প্রতিহিংসামূলক পদক্ষেপ কেবল ‘ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ’ ডেকে আনবে।

দুইপক্ষের রেষারেষিতে মধ্যপ্রাচ্যে সর্বাত্মক যুদ্ধ বেঁধে যাওয়ার আশঙ্কা বেড়েই চলেছে। যুদ্ধ শুরু হলে তাতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যক্ষভাবে জড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।




নির্বাচনে ট্রাম্পকে সমর্থন নেতানিয়াহুর

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: আসন্ন মার্কিন নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সমর্থন দিচ্ছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। সোমবার (৭ অক্টোবর) তুর্কি বার্তাসংস্থা আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জানা গেছে, কমলা হ্যারিসের প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক প্রেসিডেন্ট ⁶ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সমর্থন দিচ্ছেন নেতানিয়াহু। যেন তিনি হোয়াইট হাউসে ফিরে যেতে পারেন। তবে এ ব্যাপারে কমলা হ্যারিসের কোনো মন্তব্য জানা যায়নি l

নেতানিয়াহু ঘনিষ্ঠ বন্ধু কিনা জিজ্ঞেস করা হলে হ্যারিস ফোকাস সরিয়ে নিয়ে বলেন, উভয় দেশের জনগণের মধ্যে জোট বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

উল্লেখ্য, নির্বাচন আসন্ন হওয়ায় ইসরাইলকে সমর্থন দেয়ায় যুক্তরাষ্ট্রে স্থানীয় মুসলমানদের থেকে বেশ চাপেই আছেন হ্যারিস। কেননা, তার দলের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইসরাইলের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে ব্যর্থ হওয়ায় হতাশ তারা। ইসরাইলের বিরুদ্ধে আরও শক্তিশালী অবস্থান নেওয়ার পক্ষে তারা।

সূত্র : আনাদোলু এজেন্সি




পদার্থবিদ্যায় নোবেল পেলেন জন হোপফিল্ড ও জিওফ্রে হিন্টন




বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে যা বলল যুক্তরাষ্ট্র

চন্দ্রদ্বীপ আন্তর্জাতিক :: যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে মানবাধিকার সুরক্ষিত দেখতে চায় মন্তব্য করে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথু মিলার বলেছেন, ‘চূড়ান্তভাবে গত কয়েক মাসে যারা বাংলাদেশি জনগণের মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য দায়ী, তাদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।’

গতকাল সোমবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিকের করা প্রশ্নের জবাবে মুখপাত্র মিলার এ কথা বলেন।

ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নে বলা হয়, বাংলাদেশে এখন দুর্গাপূজার সময়। নিরাপত্তা নিয়ে নানা উদ্বেগের মধ্যে দেশটির হিন্দু সম্প্রদায় তাদের সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপূজা উদ্যাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। অন্যদিকে হিন্দু সম্প্রদায় যাতে শান্তিপূর্ণভাবে ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করতে পারে, তা নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশ সরকারের কাছে বার্তা দিয়েছে প্রতিবেশী ভারত। এ পরিস্থিতিতে মার্কিন সরকার কি সংখ্যালঘুদের জীবন রক্ষায় বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করেছে?

জবাবে মিলার জানান, অবশ্যই তারা বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের অধিকার সুরক্ষিত দেখতে চান। আর এ কথা সারা বিশ্বের ক্ষেত্রেই সত্য।

আরেক প্রশ্নে বলা হয়, বাংলাদেশে ক্রমবর্ধমান উচ্ছৃঙ্খল জনতার সহিংসতা (মব ভায়োলেন্স) ও বিচারবহির্ভূত হত্যার (লিঞ্চিং) ঘটনা নিয়ে ফ্রান্সভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা জেএমবিএফের জরুরি আহ্বানের প্রতিক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র কি কোনো সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেবে? এ ছাড়া নিরপরাধ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে করা মামলার সংখ্যা নিয়ে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের আলোকে বাংলাদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ব্যাপারে জবাবদিহি কীভাবে নিশ্চিত করবে যুক্তরাষ্ট্র? মার্কিন সরকার এই মুহূর্তে বাংলাদেশে মানবাধিকার সুরক্ষাকে কীভাবে দেখছে?

জবাবে মিলার বলেন, প্রশ্নকারীর উল্লেখ করা এসব বিষয় নিয়ে তিনি কথা বলতে পারেন না। তবে তিনি বলতে পারেন, মাত্র দুই সপ্তাহ আগেই নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তখন এই বিষয় স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে, তারা (যুক্তরাষ্ট্র) মানবাধিকার সুরক্ষিত দেখতে চান। আর চূড়ান্তভাবে গত কয়েক মাসে যারা বাংলাদেশি জনগণের মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য দায়ী, তাদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।




লেবাননে আশ্রয়কেন্দ্রে যাচ্ছেন বাংলাদেশিরা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: লেবাননে অব্যাহত ইসরাইলি হামলার মধ্যে দেশটিতে অবস্থানরত বাংলাদেশিরা আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন।

সোমবার (৭ অক্টোবর) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে বৈরুতে অবস্থিত বাংলাদেশি দূতাবাস।

বাংলাদেশ দূতাবাস জানিয়েছে, লেবাননে যুদ্ধের কারণে যেসব প্রবাসী কর্মস্থল ও আবাসস্থল ত্যাগ করেছেন তাদেরকে লেবানন প্রবাসী বিভিন্ন বাংলাদেশি ব্যক্তি ও সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে সমন্বয় করে তুলনামূলক নিরাপদ এবং অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এছাড়া, কিছু সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি লেবানিজ সরকার ঘোষিত আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় গ্রহণ করেছে। বাংলাদেশ দূতাবাস কর্তৃক বিভিন্ন সাময়িক আশ্রয়কেন্দ্র ও আবাসস্থলে অবস্থানকারী প্রবাসীদের কাছে খাদ্যসামগ্রীসহ অত্যাবশ্যকীয় জিনিসপত্র পৌঁছানো হয়েছে। এ সহায়তা কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

দূতাবাস বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে আশ্রয়কেন্দ্রে বিছানাপত্র, পরিচ্ছন্নতা সামগ্রী পৌঁছানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, লেবাননে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে এখনও কেউ আশ্রয়কেন্দ্র কিংবা নিরাপদ স্থানে পৌঁছাতে না পারলে অথবা অন্য যেকোনো প্রয়োজনে দূতাবাসের ফ্রন্ট ডেস্ক নম্বর- ৭১২১৭১৩৯, হট লাইন-৭০৬৩৫২৭৮ এবং হেল্প লাইন- ৮১৭৪৪২০৭ এ যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করেছে দূতাবাস।

লেবাননের বৈরুতে সাম্প্রতিক সময়ে ভয়াবহ হামলা চালাচ্ছে ইসরাইল। বিমান হামলার পাশাপাশি চলতি মাসের এক তারিখ থেকে স্থল অভিযানও শুরু করেছে নেতানিয়াহু বাহিনী। ইসরাইলি হামলায় দেশটিতে এ পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা ২ হাজার ছাড়িয়েছে বলে জানিয়েছে লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

জাতিসংঘ জানিয়েছে, ইসরাইলি হামলার কারণে সেপ্টেম্বরের ২৩ তারিখ থেকে এ পর্যন্ত লেবাননের ১০ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। আশ্রয়শিবিরেও জায়গা নেই বিপুল পরিমাণ মানুষকে ঠাঁই দেয়ার।