সিনওয়ারের নিথর দেহকে ‘দর কষাকষির’ কাজে ব্যবহার করবে ইসরায়েল

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: হামাসের প্রধান নেতা ইয়াহিয়া সিনওয়ারের মরদেহকে জিম্মিদের মুক্তির জন্য ‘দর কষাকষির’ কাজে ব্যবহার করবে দখলদার ইসরায়েল। গত বুধবার গাজার রাফার তেল সুলতান এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে প্রাণ হারান সিনওয়ার।

পরিচয় শনাক্তের জন্য পরেরদিন বৃহস্পতিবার তার মরদেহ ইসরায়েলে নিয়ে যাওয়া হয়। পরীক্ষা শেষে জানা যায় এটি হামাস প্রধানের মরদেহ। এরপর তার নিথর দেহটিকে একটি গোপন জায়গায় নিয়ে যায় দখলদার ইসরায়েল।

ইসরায়েলি দুটি সূত্র মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে জানিয়েছে, সিনওয়ারের মরদেহকে কাজে লাগিয়ে কীভাবে জিম্মিদের ফিরিয়ে আনা যায় সেটিকে প্রাধান্য দেওয়া হবে। যার অর্থ এখনই সিনওয়ারের মরদেহটি কবর দেওয়া হবে না।

গত বছরের ৭ অক্টোবর প্রায় ২৫০ জনকে ইসরায়েল থেকে ধরে গাজায় নিয়ে যায় হামাস। তাদের মধ্যে ১০০ জনেরও বেশি জিম্মি এখনো সেখানে রয়ে গেছেন।

একটি সূত্র সিএনএনকে বলেছেন, “যদি হামাস সিনওয়ারের মরদেহের বিনিময়ে জীবিত এবং মৃত ইসরায়েলিদের ফেরত দিতে রাজি থাকে, তাহলে এটি ভালো।”

সূত্রটি জানিয়েছে, শুধুমাত্র জিম্মি বিনিময়ের মাধ্যমেই হামাস সিনওয়ারের মরদেহ ফেরত নিতে পারে। আর নয়ত তার মরদেহ কখনো গাজায় নিতে দেওয়া নাও হতে পারে। যদি সিনওয়ারকে গাজায় নিয়ে কবরস্থ করা হয় তাহলে সেটিকে ঘিরে মাজার তৈরি হতে পারে বলেও জানিয়েছে সূত্রটি।

এদিকে সিনওয়ারকে হত্যার পরই দখলদার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু জানান, যদি হামাস অস্ত্র ফেলে দিয়ে তাদের জিম্মিদের ছেড়ে দেয় তাহলে যুদ্ধ বন্ধ করে দেওয়া হবে। তবে গতকাল শুক্রবার হামাস জানিয়েছে, গাজায় আগে ইসরায়েলকে যুদ্ধ বন্ধ ও তাদের সব সেনাকে প্রত্যাহার করে নিয়ে যেতে হবে। এরপরই জিম্মিদের মুক্তি দেওয়া হবে। আর নয়ত কোনো জিম্মি ছাড়া পাবে না।

সূত্র: সিএনএন




কীভাবে হামাস নেতার সন্ধান পেল ইসরাইল

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ইয়াহিয়া সিনওয়ার। হামাসের সূচনালগ্ন থেকে পাশে ছিলেন সাহসী এই নেতা। কিন্তু ইসরাইলের হামলায় গত বুধবার প্রাণ হারান তিনি। শনিবার হামাসের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। সাধারণত হামাসের প্রধান ও গুরুত্বপূর্ণ নেতারা বেশ আড়ালেই থাকেন। লোকচক্ষুর বাইরে থাকা হামাস নেতার সন্ধান কীভাবে পেল ইসরাইল-এটা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। আলজাজিরা।

দীর্ঘ সময়ে মাটির নিচে হামাসের তৈরি সুড়ঙ্গে থাকছিলেন ইয়াহিয়া সিনওয়ার। ধারণা করা হচ্ছিল, একদল দেহরক্ষী এবং ইসরাইলি জিম্মিদের ‘মানবঢাল’ বানিয়ে আত্মগোপনে ছিলেন তিনি। তবে মৃত্যুর আগে ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় মাত্র তিনজন সঙ্গীকে নিয়ে একটি ভবনের কক্ষে প্রবেশ করলেও শেষ মুহূর্তে তিনি ছিলেন একা। সিনওয়ারের অবস্থান শনাক্তকারী ড্রোনের ক্যামেরায় এই নেতাকে হত্যার আগের মুহূর্তের ভিডিও এমন তথ্যই প্রকাশ করেছে। ইসরাইলের প্রতিরক্ষা বাহিনী বলছে, তাদের ৮২৮তম ব্রিগেডের একটি ইউনিট বুধবার রাফার তাল আল-সুলতান এলাকায় টহল দিচ্ছিল। ওই সময় সেখানকার একটি ভবনে অভিযান চালান হয়। কারণ, সেনাদের কাছে তথ্য ছিল, ভবনটি হামাসের সিনিয়র নেতারা ব্যবহার করেন। তারপর ওই ভবনে অভিযান চালিয়ে তিনজনকে হত্যা করা হয়। ওই তিনজনের মধ্যে একজনের সঙ্গে হামাস নেতা সিনওয়ারের শারীরিক গঠনের মিল পান ইসরাইলি সেনারা। পরে সেই মৃতদেহের আঙুলের একটি অংশ পরীক্ষার জন্য ইসরাইলে পাঠানো হয়। ইসরাইলের কাছে সিনওয়ারের জেনেটিক তথ্য সংরক্ষণ করা হয়েছে। কারণ, জীবনের কয়েক দশক সিনওয়ারের কেটে গেছে ইসরাইলের কারাগারে। আরও পরে ওই এলাকার পুরো নিয়ন্ত্রণ নিয়ে হামলায় প্রায় ধ্বংস হয়ে যাওয়া ভবন থেকে মৃতদেহগুলো বের করে ইসরাইলে নিয়ে যায় অভিযান পরিচালনাকারী সদস্যরা। ইসরাইলেই ডিএন পরীক্ষা করে এবং ড্রোনের ভিডিও ও কয়েকটি গ্রাফিতি ছবির সাহায্যে সিনওয়ারের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়। আইডিএফের মুখপাত্র ড্যানিয়েল হাগরি বলেছেন, ওই ভবনে যে সিনওয়ার আছেন, সেটি তার বাহিনী নিশ্চিতভাবে জানত না। তিনি জানান, আমাদের অভিযান শুরু হলে তিনজন বন্দুকধারীকে এক ঘর থেকে আরেক ঘরে দৌড়াতে দেখেছে সেনারা। একবার গুলি চালানো হলে তারা বিচ্ছিন্ন হয়ে যান ও সিনওয়ার একা ভবনের মধ্যে একটি কক্ষে প্রবেশ করেন। এরপর একটি ড্রোন দিয়ে তার অবস্থান শনাক্ত করে হত্যা করা হয়।




ইরানে হামলার বিষয়ে ইসরায়েলকে সতর্ক করলো রাশিয়া

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার বিরুদ্ধে ইসরায়েলকে সতর্ক করেছে রাশিয়া। ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে মস্কো মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে ইরানের সাথে মতবিনিময়ের সময় এই সতর্কতা আসে। রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্রে এ খবর জানিয়েছে বার্তাসংস্থা তাস।

ধারণা করা হচ্ছে, ইসরায়েলের যে কোনো প্রতিশোধমূলক হামলা হবে অত্যন্ত ভয়ংকর।

এমন আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন রাশিয়াও। আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় কোনো হামলা হলে তা মানবে না রাশিয়া। এ ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকতে ইসরায়েলকে সতর্ক করেছে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
এ বিষয়ে এক বিবৃতিতে রাশিয়ার উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই রিয়াবকভ বলেন, ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় ইসরায়েলের যে কোনো হামলার বিরুদ্ধে রাশিয়া সতর্ক বার্তা দিচ্ছে।




বাংলাদেশে চরম দারিদ্র্যের মধ্যে বসবাস করছেন ৪ কোটি ১৭ লাখ মানুষ: জাতিসংঘের প্রতিবেদন

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: জাতিসংঘের বৈশ্বিক বহুমাত্রিক দারিদ্র্য সূচক, ২০২৪ এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে চরম দারিদ্র্যের মধ্যে ৪ কোটি ১৭ লাখ মানুষ বসবাস করছেন, যাদের মধ্যে ৬ দশমিক ৫ শতাংশ অতি মানবেতর জীবনযাপন করছেন। সার্বিক প্রতিবেদনে জানা গেছে, বিশ্বের ১০০ কোটি মানুষ তীব্র দারিদ্র্যতায় রয়েছেন, যাদের বেশিরভাগই আফ্রিকা ও দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশে দারিদ্র্যের সবচেয়ে বড় কারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান। এ ক্ষেত্রে দেশের দারিদ্র্য সূচক ৪৫ দশমিক ১ শতাংশ, শিক্ষায় ৩৭ দশমিক ৬ শতাংশ এবং স্বাস্থ্যে ১৭ দশমিক ৩ শতাংশ। ফলে চরম দারিদ্র্যে অতি মানবেতর জীবন যাপনকারী ৪ কোটি ১৭ লাখ মানুষের সংখ্যা বেড়ে চলেছে।

জাতিসংঘ ১১২টি দেশের ৬৩০ কোটি মানুষের ওপর গবেষণা করে এই বহুমাত্রিক দারিদ্র্য পরিস্থিতি তুলে ধরেছে। গবেষণায় ২০২২–২৩ বছর পর্যন্ত এক দশকের বেশি সময়ের তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে, যাতে মৌলিক মানবিক সেবা যেমন পর্যাপ্ত আবাসন, পয়োনিষ্কাশন, বিদ্যুৎ, ভোজ্যতেল ও পুষ্টির ঘাটতি বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। শিশুদের স্কুলে উপস্থিতির হারও এতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশগুলোতে দারিদ্র্যের স্তর অন্যান্য দেশগুলোর তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। এসব দেশে পুষ্টি, বিদ্যুৎ, পানি ও পয়ঃনিষ্কাশনের ক্ষেত্রে বড় বৈষম্য দেখা গেছে। চরম দারিদ্রে বসবাসকারী ১১০ কোটি মানুষের মধ্যে ৪৫ কোটি ৫ লাখ মানুষ সংঘাতের ছায়ায় রয়েছেন। এছাড়া, ১৮ বছরের কম বয়সী প্রায় ৫৮ কোটি ৪০ লাখ মানুষ চরম দারিদ্র্যের মধ্যে রয়েছে।

বিশ্বের চরম দারিদ্র্যে বসবাসকারী প্রায় অর্ধেক মানুষ ভারতেই রয়েছে। দেশটির ১৪০ কোটি মানুষের মধ্যে ২৩ কোটি ৪০ লাখ লোক চরম দারিদ্র্যে দিন কাটাচ্ছেন। পরবর্তী অবস্থানে রয়েছে পাকিস্তান, ইথিওপিয়া, নাইজেরিয়া এবং ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো। দারিদ্র্যের শিকার ১১০ কোটি মানুষের প্রায় অর্ধেক এই পাঁচ দেশের।




ফেব্রুয়ারি থেকে মালয়েশিয়ায় শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধি পাচ্ছে

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: মালয়েশিয়ায় ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি বাড়িয়ে এক হাজার ৭০০ রিঙ্গিত করা হয়েছে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৪৭ হাজারেরও বেশি। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে নতুন মজুরি কার্যকর হবে। বর্তমানে দেশটিতে ন্যূনতম মজুরি ১ হাজার ৫০০ রিঙ্গিত।

শুক্রবার (১৮ অক্টোবর) দেওয়ান রাকায়াত (সংসদ) বাজেট-২০২৫ পেশকালে প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম এ তথ্য জানিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম বলেছেন, মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় শিল্প ও উৎপাদন প্রযুক্তিবিদদের জন্য প্রারম্ভিক বেতন ২ হাজার ২৯০ রিঙ্গিত, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য ৩ হাজার ৩৮০ রিঙ্গিত এবং পেশাদার সৃজনশীল বিষয়বস্তু ডিজাইনারদের জন্য ২ হাজার ৯৮৫ রিঙ্গিত নির্ধারণের একটি নির্দেশিকা প্রকাশ করবে।

মানবসম্পদ মন্ত্রী স্টিভেন সিম জানান, ২০২৫ সালের বাজেটে ঘোষিত নতুন ন্যূনতম মজুরি কর্মীদের কল্যাণ নিশ্চিত করার জন্য সরকারের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে বাড়ানো হয়েছে। বিশেষ করে স্বল্প আয়ের শ্রমিকদের মর্যাদা উন্নীত করার লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এদিকে, মালয়েশিয়ান এমপ্লয়ার্স ফেডারেশন একটি বিবৃতিতে ক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগের (এমএসএমই) সম্মুখীন চ্যালেঞ্জগুলিকে স্বীকার করে, নতুন ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণের জন্য সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে।




হামাসের নতুন নেতৃত্বে আসছেন খালেদ মাশাল

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের নতুন প্রধান হতে যাচ্ছেন খালেদ মাশাল। লেবাননের এলবিসিআই নিউজ সূত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, খালেদ মাশাল হামাসের ভারপ্রাপ্ত প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন এবং তিনি এখন ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তির বিষয়ে আলোচনা করার জন্য মূল দলগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করবেন।

ইসরায়েলের হামলায় নিহত ইয়াহিয়া সিনওয়ারের পর বন্দি বিনিময় এবং যুদ্ধ শেষ করার বিষয়টি ক্রমশ জটিল হয়ে উঠছে। যদিও হামাস এখনও ইয়াহিয়া সিনওয়ারের মৃত্যুর বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেনি, তবে ইসরায়েল দাবি করছে যে সিনওয়ার হামলায় নিহত হয়েছেন।

নতুন পরিস্থিতির মধ্যে, খালেদ মাশালের নেতৃত্বে হামাসের ভবিষ্যৎ কেমন হবে তা নিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা আগ্রহী হয়ে রয়েছেন।




ভোটের বিনিময়ে বিয়ের ব্যবস্থা করার অনুরোধ বিধায়ককে

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: ভারতের উত্তরপ্রদেশে একটি পেট্রল পাম্পে এক অদ্ভুত ঘটনায় পা রাখলেন স্থানীয় বিধায়ক (এমএলএ) ব্রিজভূষণ রাজপুত। গাড়ির ফুয়েল রিচার্জ করতে আসা এই বিধায়কের সঙ্গে পেট্রল পাম্পের কর্মী অখিলেন্দ্র খারে একটি মজার আবদার করে বসেন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পেট্রল পাম্পের কর্মী বিধায়ককে বলেন, “নির্বাচনে আপনাকে ভোট দিয়েছি, তাই এবার বিয়ের ব্যবস্থা করে দিন।” এই আবদার শুনে হতভম্ব হয়ে যান রাজপুত।

ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গেছে। বিধায়ক নিজে ফেসবুকে একটি ভিডিও পোস্ট করে এই ঘটনার কথা শেয়ার করেন। ৪৪ বছর বয়সি অখিলেন্দ্র খারে অকপটে বিধায়ককে বিয়ের ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানায় যখন তিনি পেট্রল পাম্পে তেল ভরাতে থামেন।

এই মজার ঘটনাটি জনসাধারণের মধ্যে হাস্যরসের সৃষ্টি করেছে এবং এটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে আলোচিত হচ্ছে। বিধায়কের প্রতিক্রিয়া এখনো জানা যায়নি, তবে পরিস্থিতির সুনির্দিষ্টতা অনেকের কাছেই হাস্যকর মনে হয়েছে।

**ট্যাগ:** ব্রিজভূষণ রাজপুত, বিয়ের ব্যবস্থা, ভোট, উত্তরপ্রদেশ, পেট্রল পাম্প, অখিলেন্দ্র খারে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, হাস্যরস, ভারত, নির্বাচনী রাজনীতি, এমএলএ, ভাইরাল ভিডিও, নির্বাচনে ভোট, প্রাসঙ্গিক ঘটনা, স্থানীয় রাজনীতি




সিনিওয়ারের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করল হামাস

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: হামাসের প্রধান ইয়াহিয়া সিনওয়ারের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোষ্ঠীর এক সিনিয়র নেতা।

শুক্রবার (১৮ অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

ইয়াহিয়া সিনওয়ারের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে এক ভিডিও বার্তা দেন হামাসের সিনিয়র নেতা খলিল আল-হাইয়া।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘সিনওয়ার যুদ্ধে মারা গেছেন।’

হামাসের এই কর্মকর্তা বলেছেন, গোষ্ঠীটি ফিলিস্তিনি জনগণের উচ্চাকাঙ্ক্ষা অর্জনের পথে অগ্রসর হবে। এই যাত্রায় সিনওয়ারের মৃত্যু দলটিকে আরও শক্তিশালী করে তুলবে।

ঊর্ধ্বতন এই নেতা আরও বলেন, গাজার উপর আগ্রাসন শেষ না হওয়া এবং উপত্যকায় সেনাদের সম্পূর্ণ প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত ইসরায়েলি জিম্মিদের ফিরিয়ে দেয়া হবে না।

হাইয়া বলেন, ‘জেরুজালেমকে রাজধানী করে পুরো এলাকা নিয়ে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত হামাসের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।’

শহীদ ইয়াহিয়া সিনওয়ারের স্মৃতি স্মরণ করে টেলিভিশনে সম্প্রচারিত ভাষণে খলিল হায়া বলেন, তিনি ছিলেন অটল, সাহসী এবং নির্ভীক। সিনওয়ার আমাদের মুক্তির লক্ষ্যে তার জীবন উৎসর্গ করেছেন। তিনি মাথা উঁচু করে, আগ্নেয়াস্ত্র ধরে, জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত গুলি চালিয়েছিলেন।

হাইয়া বলেন, ‘তার (সিনওয়ার) পুরো জীবন একজন পবিত্র যোদ্ধা হিসেবে কাটিয়েছেন। ছোট বেলা থেকেই তিনি একজন প্রতিরোধী যোদ্ধা হিসেবে তার সংগ্রামে নিয়োজিত ছিলেন। তিনি ইসরায়েলি কারাগারের ছিলেন এবং বদলি চুক্তির মাধ্যমে মুক্তি পান। এরপরও তিনি সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন।’

হামাস প্রধান সিনওয়ারের মৃত্যুর পর গোষ্ঠীর সবচেয়ে সিনিয়র ব্যক্তি হলেন আল-হাইয়া।




সিনওয়ারের হত্যাকাণ্ডে বদলা জোরালো হবে: ইরান

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের প্রধান ইয়াহিয়া সিনওয়ারের হত্যাকাণ্ডে ওই অঞ্চলে প্রতিরোধ আরও জোরালো হবে বলেছে জাতিসংঘে ইরানের প্রতিনিধিদল। হামাসপ্রধানকে হত্যা করা হয়েছে—ইসরায়েলের এমন দাবির কয়েক ঘণ্টা পর ইরানের প্রতিনিধিদলের পক্ষ থেকে এ মন্তব্য আসে।
ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের প্রধান ইয়াহিয়া সিনওয়ারের হত্যাকাণ্ডে ওই অঞ্চলে প্রতিরোধ আরও জোরালো হবে বলেছে জাতিসংঘে ইরানের প্রতিনিধিদল। হামাসপ্রধানকে হত্যা করা হয়েছে—ইসরায়েলের এমন দাবির কয়েক ঘণ্টা পর ইরানের প্রতিনিধিদলের পক্ষ থেকে এ মন্তব্য আসে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে ইরানের প্রতিনিধিদল বলেছে, ‘প্রতিরোধ শক্তিশালী হবে। তিনি (সিনওয়ার) যুবক ও শিশুদের জন্য আদর্শ হয়ে থাকবেন, যারা তাঁর দেখানো পথ ধরে ফিলিস্তিনকে মুক্তির দিকে নিয়ে যাবে। যত দিন দখল ও আগ্রাসন চলবে, তত দিন প্রতিরোধও জারি থাকবে। শহীদেরা অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে বেঁচে থাকবেন।’

গতকাল ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেতের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, বুধবার ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর ৮২৮তম ব্রিগেডের অভিযানে দক্ষিণ গাজায় তিনজন নিহত হন। ওই তিনজনের মরদেহের পরিচয় শনাক্তের পর ইয়াহিয়া সিনওয়ারের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কিছু জানায়নি হামাস। ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসরায়েল কাৎসও সিনওয়ারের নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।




১২ বছর পর মিসর সফরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: ইরানের শীর্ষ কূটনীতিক আব্বাস আরাগচি বুধবার কায়রোতে পৌঁছেছেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, প্রায় ১২ বছরের মধ্যে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এটি প্রথম মিসর সফর।

২০১৩ সালের জানুয়ারিতে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সর্বশেষ মিসর সফর করেন। ওই সময় আলী আকবর সালেহি আফ্রিকা সফরকালে কায়রোতে যান।

আরাগচি বর্তমানে বেশ কয়েকটি দেশ সফর করছেন। তিনি জর্ডান সফর শেষে মিসরের রাজধানীতে পৌঁছেছেন। জর্ডানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আয়মান সাফাদির সাথে সাক্ষাৎ করেছেন তিনি।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, গাজা ও লেবাননের বিরুদ্ধে ইসরাইলের নৃশংসতা ও আগ্রাসনের মধ্যে দু’নেতা আঞ্চলিক পরিস্থিতি উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করেছেন।

আরাগচি, আম্মানে থাকাকালীন জর্ডানের রাজা দ্বিতীয় আবদুল্লাহর সাথেও দেখা করেন।

গত সপ্তাহে আরাগচি ওই অঞ্চলে উত্তেজনা হ্রাস ও সংঘাত ছড়িয়ে পড়া নিয়ন্ত্রণ করার প্রয়াসে লেবানন, সিরিয়া, সৌদি আরব, কাতার, ইরাক ও ওমান সফর করেন।

তিনি মিসরের পর তুরস্ক সফর করবেন বলেও ধারণা করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার আরাগচি ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জিন-নোয়েল ব্যারোট ও জাতিসঙ্ঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের সাথেও কথা বলেন।

ইসরাইলের ওপর ইরানের ১ অক্টোবরের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার বিপরীতে ইসরাইলের প্রতিশোধ নেয়ার অপেক্ষায় থাকার প্রেক্ষাপটে তেহরান এই অঞ্চলে কূটনৈতিক পদক্ষেপ নিয়েছে।

ইরান বলেছে, ইরান-মিত্র গোষ্ঠীর প্রধানদের পাশাপাশি রেভল্যুশনারি গার্ডের একজন কমান্ডারকে হত্যার প্রতিশোধ হিসেবে ১ অক্টোবর হামলা চালানো হয়েছে। ইসরাইল হামলা করলে পাল্টা আঘাত করা হবে।
সূত্র : বাসস