বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে অগ্রাধিকার দেয় চীন: শি জিনপিং

বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখতে চায় চীন—এমন বার্তা দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। বাংলাদেশ-চীন কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তিতে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে বিনিময় করা শুভেচ্ছা বার্তায় এ মন্তব্য করেন তিনি।

শনিবার (৪ অক্টোবর) ঢাকার চীনা দূতাবাস এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, প্রেসিডেন্ট শি বার্তায় উল্লেখ করেছেন, চীন ও বাংলাদেশ ঐতিহ্যগতভাবে ঘনিষ্ঠ ও বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী দেশ। দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার ইতিহাস রয়েছে।

শি জিনপিং বলেন, “গত ৫০ বছরে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক পরিস্থিতি যত পরিবর্তিতই হোক না কেন, চীন ও বাংলাদেশ শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পাঁচ নীতির ভিত্তিতে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সমতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার সম্পর্ক বজায় রেখেছে। এই সম্পর্ক দুই দেশের মধ্যে ‘উইন-উইন’ সহযোগিতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত।”

তিনি আরও বলেন, “সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দুই দেশ পারস্পরিক আস্থা সুসংহত করেছে। বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের আওতায় অবকাঠামো, বাণিজ্য, প্রযুক্তি ও উন্নয়ন খাতে সহযোগিতা আরও গভীর হয়েছে। চীন বাংলাদেশের সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্বকে আরও এগিয়ে নিতে এবং যৌথ উন্নয়নের পথে একসঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী।”

শি জিনপিং আশাবাদ ব্যক্ত করেন, “রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে একযোগে কাজ করে পারস্পরিক স্বার্থ ও জনগণের কল্যাণে চীন ও বাংলাদেশের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি, দুই দেশ বিশ্ব শান্তি ও টেকসই উন্নয়নে বড় অবদান রাখতে পারবে।”

অন্যদিকে, রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন তার শুভেচ্ছা বার্তায় বলেন, “চীন ও বাংলাদেশের বন্ধুত্ব পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। গত ৫০ বছরে দুই দেশ কেবল রাজনৈতিকভাবে নয়, অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রেও ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা করেছে, যা দুই দেশের জনগণের জীবনে বাস্তব সুবিধা এনেছে।”

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, “বাংলাদেশ আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও অভিন্ন সমৃদ্ধি বাড়াতে চীনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার প্রতি কৃতজ্ঞ। পাশাপাশি বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়নে চীনের দীর্ঘমেয়াদি সহায়তা দেশের উন্নয়নযাত্রায় অমূল্য অবদান রাখছে।”

দুই দেশের নেতারা আশা প্রকাশ করেন যে, ভবিষ্যতে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও বিস্তৃত হবে এবং বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




ইসরায়েলে আটক ফ্লোটিলা অভিযাত্রীদের অনশন কর্মসূচি শুরু

ফিলিস্তিনের গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছে দিতে গিয়ে ইসরায়েলের হাতে আটক হয়েছেন আন্তর্জাতিক ফ্লোটিলা অভিযাত্রীরা। আটককৃতরা অন্যায় আচরণের প্রতিবাদ জানাতে অনির্দিষ্টকালের জন্য অনশন শুরু করেছেন। শুক্রবার এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশন (এফএফসি)।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের নৌবাহিনী গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা মিশনের নৌযানগুলো জব্দ করে এবং ক্রু ও অভিযাত্রীদের আটক করে বন্দরে নিয়ে যায়। এর প্রতিবাদে আটক ব্যক্তিরা খাবার গ্রহণ না করে অনশনের সিদ্ধান্ত নেন।

প্রসঙ্গত, ফিলিস্তিনের যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার বাসিন্দাদের জন্য খাদ্য ও ওষুধ নিয়ে গত ৩১ আগস্ট স্পেনের বন্দর থেকে যাত্রা শুরু করেছিল গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা। এতে ৪৪টি দেশের ৫০০ জন নাগরিক অংশ নেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন সুইডিশ পরিবেশ আন্দোলন কর্মী গ্রেটা থুনবার্গ, দক্ষিণ আফ্রিকার প্রয়াত প্রেসিডেন্ট নেলসন ম্যান্ডেলার নাতি মান্ডলা ম্যান্ডেলা, বিভিন্ন দেশের সংসদ সদস্য, আইনজীবী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও স্বেচ্ছাসেবীরা।

প্রথমে বুধবার রাতে ইসরায়েলি নৌবাহিনী ১৩টি নৌযান আটক করে। তবে বাকি নৌযানগুলো গাজার দিকে যাত্রা অব্যাহত রাখে। পরের দিন বৃহস্পতিবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত আরও ২৯টি নৌযান জব্দ করা হয়। সর্বশেষ শুক্রবার সকালে শেষ নৌযানটিও আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়।

এফএফসি জানায়, আটক অভিযাত্রীরা প্রথম দিন থেকেই অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন। তাদের দাবি, আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে মানবিক সহায়তার বহর আটকে দেওয়া হয়েছে, যা গণমানবাধিকারের চরম অবমাননা।

মানবিক এই অভিযানে অংশ নেওয়া নাগরিক সমাজের নেতৃবৃন্দ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন যাতে দ্রুত অভিযাত্রীদের মুক্তি দেওয়া হয় এবং গাজার মানুষের কাছে খাদ্য ও ওষুধ পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




গাজার উদ্দেশ্যে সুমুদ ফ্লোটিলা আটক, বিশ্বজুড়ে বিক্ষোভ

গাজার উদ্দেশ্যে রওনা হওয়া ‘সুমুদ ফ্লোটিলা’ আটক ও শতাধিক অধিকারকর্মী গ্রেফতারের ঘটনায় আন্তর্জাতিক মহলে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। স্পেন, ইতালি, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্রসহ বহু দেশে হাজারো মানুষ রাস্তায় নেমে ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছেন এবং আটককৃতদের মুক্তির দাবি জানিয়েছেন।

ইসরায়েলি বাহিনী ১-২ অক্টোবরের মধ্যে গাজার কাছে আন্তর্জাতিক জলসীমা থেকে ফ্লোটিলার একাধিক নৌযান আটক করে এবং অন্তত ২৫০ জনকে আশদোদ বন্দরে নিয়ে যায়। গ্রেফতার হওয়াদের মধ্যে সুইডিশ জলবায়ু আন্দোলনকারী গ্রেটা থুনবার্গও রয়েছেন।

স্পেনে শিক্ষার্থীরা ফিলিস্তিনি পতাকা নিয়ে বিক্ষোভ করেছেন এবং ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার আহ্বান জানিয়েছেন। ইতালির বিভিন্ন শহরে গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং শ্রমিক ইউনিয়নগুলো দেশব্যাপী ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে। লন্ডনে সংসদ ভবন থেকে ডাউনিং স্ট্রিট পর্যন্ত বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীরা গাজা অবরোধ তুলে নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। ওয়াশিংটনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনে মার্কিন নাগরিকদের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ হয়েছে। ফ্লোটিলায় থাকা মার্কিন নাগরিকদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক পাঁচ সেনা ও এক ন্যাশনাল গার্ড সদস্য।

পশ্চিম তীরের রামাল্লাতেও ব্যাপক বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, তারা ফিলিস্তিনিদের অধিকারের পক্ষে থাকবেন এবং আন্তর্জাতিক মহলকে সচেতন করার চেষ্টা চালাবেন।

‘ইন্টারন্যাশনাল কমিটি টু ব্রেক দ্য সিজ’ প্রধান জাহির বিরাওয়ি বলেন, বিশ্বজুড়ে বিক্ষোভগুলো ইসরায়েলের অবরোধের বিরুদ্ধে একপ্রকার গণভোট হিসেবে কাজ করছে। তিনি আরও জানিয়েছেন, ‘ফ্রিডম ওয়েভস’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে গাজার উদ্দেশে আরও একটি ফ্লোটিলা রওনা দিচ্ছে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




সুমুদ ফ্লোটিলায় ইসরায়েলি হানাদার বাহিনীর হামলা, আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে অভিযোগ

চন্দ্রদ্বীপ ডেক্স : গাজা অভিমুখে ত্রাণ নিয়ে যাত্রা করা গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার বহরে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলার  অভিযোগগুলো জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) পাঠানো হবে।

ত্রাণ বহরের সঙ্গে থাকা আইনজীবীদের বরাতে ভূমধ্যসাগরে অবস্থিত একটি জাহাজে থাকা আল জাজিরার হাসান মাসুদ বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, নৌবহরে থাকা আইনজীবীরা ইসরায়েলের আন্তর্জাতিক মানবিক ও সামুদ্রিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনা নথিভুক্ত করছেন। ইসরায়েলি লঙ্ঘনের অভিযোগগুলো আইসিজেতে পাঠানো হবে।

হাসান মাসুদ বলেন, ‘আমরা সমস্ত ক্যামেরা পর্যবেক্ষণ করছি। আমরা নিশ্চিত করতে পারি, বেশ কয়েকটি নৌকা এখনো গাজায় পৌঁছানোর চেষ্টা করছে। এমনকি যদি কেবল একটি নৌকা গাজায় পৌঁছায়, তবুও এটি অবরোধ ভাঙার লক্ষ্য অর্জন করবে।’

তিনি আরও জানান, ইতালির সিসিলি থেকে রওনা হওয়ার পর আরেকটি নৌবহর এখন গাজার দিকে যাত্রা করছে। এটি ইঙ্গিত দিচ্ছে, কর্মীরা ক্ষুধার্ত ফিলিস্তিনি জনগণের কাছে পৌঁছানোর জন্য প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন।

এদিকে, ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন অনুসারে, ইসরায়েলি নৌ-কমান্ডোরা গ্লোবাল ফ্লোটিলার ৪৪টি জাহাজের মধ্যে প্রায় ৪০টিতে উঠে পড়ে। তারা জিপিএস সিগন্যাল বন্ধ করে দিয়ে জাহাজে থাকা শত শত কর্মীকে আটক করে।

রয়টার্সের যাচাই করা ইসরায়েলি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি ভিডিওতে গ্রেটাকে সৈন্য-বেষ্টিত একটি ডেকের ওপর বসে থাকতে দেখা গেছে। আটক যাত্রীদের মধ্যে নেলসন ম্যান্ডেলার নাতি মান্ডলা ম্যান্ডেলাও রয়েছেন।

গাজামুখী নৌবহরটিতে ইসরায়েলি এমন হামলায় বিশ্বজুড়ে নিন্দার ঝড় উঠেছে। এটিকে ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড’ আখ্যা দিয়েছে তুরস্ক। একই সঙ্গে এ ঘটনায় স্পেন, ইতালি, জার্মানি, তুরস্ক ও গ্রিসসহ বহু দেশে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়েছে।

 




গাজাগামী ফ্লোটিলায় হামলা, বিশ্বজুড়ে বিক্ষোভের ডাক

ফিলিস্তিনের গাজার উদ্দেশে যাত্রা করা ত্রাণবাহী নৌবহর গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলায় ইসরায়েলের নৌবাহিনী হামলা চালিয়েছে। এতে অন্তত ১৩টি জাহাজ জব্দ করা হয়েছে এবং সুইডিশ পরিবেশ আন্দোলনকর্মী গ্রেটা থুনবার্গসহ দুই শতাধিক স্বেচ্ছাসেবককে আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ছিলেন ইউরোপীয় পার্লামেন্ট সদস্য ও ফরাসি নাগরিক এমা ফোরোও। তিনি ফ্লোটিলার স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে সরাসরি অংশ নিচ্ছিলেন।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) গভীর রাতে হামলার ঘটনা ঘটে। এর আগেই ফ্লোটিলাটি গাজার উপকূল থেকে প্রায় ২২৫ কিলোমিটার দূরে ইসরায়েলের ঘোষিত তথাকথিত ‘বিপৎসীমায়’ প্রবেশ করেছিল। আয়োজকরা জানিয়েছিলেন, বৃহস্পতিবার ভোরে তাদের গাজা উপকূলে পৌঁছানোর কথা ছিল। তবে সেই লক্ষ্যে পৌঁছানোর আগেই ইসরায়েলি নৌবাহিনী অভিযান চালায়।

হামলার পর ইউরোপীয় পার্লামেন্ট সদস্য এমা ফোরো বিশ্বব্যাপী বিক্ষোভের ডাক দেন। গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার এক্স অ্যাকাউন্টে তার দেওয়া বার্তায় বলা হয়— “দেশটিকে অবরুদ্ধ করুন, বিশ্ব অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দিন। আসুন ফ্লোটিলার মিশন সম্পন্ন করি: অবরোধের অবসান ঘটাই, গাজায় গণহত্যা বন্ধ করুন।”

ইসরায়েলের আগ্রাসন ও অবরোধে গাজায় ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টি হয়েছে। খাদ্য ঘাটতি, অনাহার ও অপুষ্টিতে প্রতিদিন শিশু ও সাধারণ মানুষ মারা যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে অবরোধ ভাঙতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা মানবাধিকারকর্মীরা একত্রিত হয়ে যাত্রা শুরু করেছিলেন। নৌবহরে প্রায় ৪০টি দেশের প্রতিনিধিত্ব ছিল।

অন্যদিকে ইসরায়েল দাবি করেছে, এই ত্রাণবাহী বহর তাদের আরোপিত ‘আইনসম্মত নৌ অবরোধ’ ভাঙার চেষ্টা করছে। যদিও আন্তর্জাতিক মানবিক আইনে অবরুদ্ধ অঞ্চলে সাহায্য পাঠানোর অনুমতি সুস্পষ্টভাবে দেওয়া আছে।

এমন ঘটনা আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, ইসরায়েলের এই হামলা আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের শামিল। একইসাথে তারা বিশ্ব নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে অবিলম্বে গাজায় ত্রাণ পৌঁছাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার।

এই হামলার পর গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার ভবিষ্যৎ মিশন অনিশ্চয়তার মুখে পড়লেও আয়োজকরা জানিয়েছেন, যত বাধাই আসুক না কেন তারা গাজার মানুষের পাশে দাঁড়াতে তাদের আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




আজ লাহোরের বায়ু দুষণ সর্বোচ্চ, ঢাকার অবস্থান কত?

চন্দ্রদ্বীপ ডেক্স : বৃহস্পতিবার (০২ অক্টোবর) সকাল ৯টার দিকে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক আন্তর্জাতিক বায়ুমান প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ার বিশ্বব্যাপী বায়ুদূষণে  শীর্ষ তালিকা প্রকাশ করেছে  যার মধ্যে প্রথমে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর। শহরটির বাতাসের মানের স্কোর ১৭৪। বাতাসের এই মান নাগরিকদের জন্য ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

আইকিউএয়ারের তথ্য অনুযায়ী, আজ বায়ুদূষণে বিশ্বের শীর্ষ নগরীর মধ্যে ঢাকার অবস্থান ১৬তম স্থানে। ঢাকার বাতাসের মানের স্কোর ৮১। এই মান স্বাস্থ্যের জন্য ‘সহনীয়’ হিসেবে গণ্য করা হয়।

আইকিউএয়ারের তথ্য বলছে, দূষিত বাতাসের তালিকার শীর্ষ ২ নম্বরে আছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতারের দোহা। শহরটির বাতাসের মানের স্কোর ১৫৮। বাতাসের এই মানও নাগরিকদের জন্য ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বায়ুদূষণে শীর্ষ ৩ নম্বরে আছে মধ্য আফ্রিকার দেশ গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের রাজধানী ও বৃহত্তম শহর কিনশাসা। ১৪৪ স্কোর নিয়ে শহরটির বাতাস আজ সংবেদনশীল গোষ্ঠীর নাগরিকদের জন্য অস্বাস্থ্যকর।

আইকিউএয়ার স্কোর শূন্য থেকে ৫০ ভালো হিসেবে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ মাঝারি হিসেবে গণ্য করা হয়, আর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তাকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু বলে মনে করা হয়। ২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে থাকা একিউআই স্কোরকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। এ অবস্থায় শিশু, প্রবীণ ও অসুস্থ রোগীদের বাড়ির ভেতরে এবং অন্যদের বাড়ির বাইরের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে।

এ ছাড়া ৩০১ থেকে ৪০০-এর মধ্যে থাকা আইকিউএয়ার ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে বিবেচিত হয়, যা নগরের বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে। সাধারণত একিউআই নির্ধারণ করা হয় দূষণের পাঁচটি ধরনকে ভিত্তি করে। যেমন—বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ ও ওজোন (ও৩)। বায়ুদূষণ গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে থাকে। এটা সব বয়সী মানুষের জন্য ক্ষতিকর। তবে শিশু, অসুস্থ ব্যক্তি, প্রবীণ ও অন্তঃসত্ত্বাদের জন্য বায়ুদূষণ খুবই ক্ষতিকর।

ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশনের (ডব্লিউএইচও) মতে, বায়ুদূষণের কারণে প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়।

বায়ুদূষণে প্রধানত স্ট্রোক, হৃদ্‌রোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ, ফুসফুসের ক্যান্সার ও শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ থেকে মৃত্যুর হার বাড়ে।

 




সুমুদ ফ্লোটিলার জাহাজে উঠে পড়ল ইসরায়েলি সেনারা

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার দিকে এগিয়ে যাওয়া “ওয়ার্ল্ড সুমুদ ফ্লোটিলা”র জাহাজে উঠে পড়েছে দখলদার ইসরায়েলি সেনারা। বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) রাতে নৌবহরের অন্যতম নেতৃত্বদানকারী জাহাজ আলমা-তে ইসরায়েলি সেনাদের উঠতে দেখা গেছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আই

এর পাশাপাশি আদারা নামের আরেকটি জাহাজেও সেনারা উঠে পড়ে। সেখানে উপস্থিত অধিকারকর্মীদের হাতে থাকা মোবাইল ফোন পানিতে ফেলে দিতে দেখা গেছে। যদিও তারা স্বেচ্ছায় তা করেছেন নাকি সেনাদের বাধ্যবাধকতায়, সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো তথ্য মেলেনি।

এই নৌবহরে বিশ্বের প্রায় ৪০টি দেশের ৫০০ অধিকারকর্মী অংশ নিয়েছেন। ৪৫টি ছোট-বড় জাহাজে করে তারা মানবিক ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে গাজার উদ্দেশ্যে রওনা হন। তাদের লক্ষ্য কেবল ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া নয়, বরং দখলদার ইসরায়েলের আরোপিত অবৈধ নৌ অবরোধ ভাঙার চেষ্টা।

ইসরায়েল আগে থেকেই সতর্ক করে দিয়েছিল, ত্রাণবাহী এসব জাহাজ যেন গাজার উপকূলে না আসে। কিন্তু সেই সতর্কতা উপেক্ষা করে অধিকারকর্মীরা এগিয়ে যাওয়ার সময় থেকেই তাদের জাহাজ আটকানো শুরু করেছে দখলদার বাহিনী।

এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক মহলে আবারো ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, গাজায় মানবিক ত্রাণ পৌঁছানোকে বাধা দেওয়া মানবিক অধিকারের ঘোর লঙ্ঘন। তারা অবিলম্বে এই অভিযান বন্ধ করে ত্রাণবাহী জাহাজগুলোকে নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছানোর দাবি জানিয়েছে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




গাজার আরও কাছে গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা

অবরুদ্ধ ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার উদ্দেশ্যে এগিয়ে যাচ্ছে গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা। এই নৌবহরে রয়েছে প্রায় ৪৫টি জাহাজ এবং ৪০টি দেশের পাঁচ শতাধিক অধিকারকর্মী, যাদের লক্ষ্য গাজার মানুষের জন্য মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়া ও ইসরায়েলের অবৈধ নৌ অবরোধ ভাঙা।

ফ্লোটিলা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা বর্তমানে এমন এক স্থানেরও অতিক্রম করেছে যেখানে এর আগে গ্রেটা থুনবার্গসহ কয়েকজন অধিকারকর্মীকে আটক করেছিল ইসরায়েলি বাহিনী। বুধবার (১ অক্টোবর) তাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে জানানো হয়, “আমরা গাজার দিকে অগ্রসর হচ্ছি। সবাই নিরাপদ আছি। মাদলিন জাহাজ যেখানে আটক হয়েছিল, আমরা এখন অনেক দূরে এগিয়ে গেছি। তবে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছি।”

তাদের মূল উদ্দেশ্য হলো—গাজার জনগণের পাশে দাঁড়ানো, প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছে দেওয়া এবং শান্তিপূর্ণ উপায়ে বিশ্ববাসীর কাছে অবরুদ্ধ জনগণের প্রতি সংহতির বার্তা পৌঁছে দেওয়া।

অন্যদিকে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ইয়েনেত জানিয়েছে, ফ্লোটিলার অগ্রযাত্রা ঠেকাতে ইতোমধ্যেই বড় ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী। তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী, অধিকারকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়ে জাহাজগুলো জব্দ করা হবে। এ জন্য আসোদ বন্দরের আশপাশের হাসপাতালে জরুরি চিকিৎসা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং প্রায় ৫০০ পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

খবরে আরও বলা হয়েছে, ফ্লোটিলা গাজার কাছাকাছি পৌঁছালে ইসরায়েলি নৌবাহিনীর এলিট ইউনিট সায়েতেত ১৩ সরাসরি অভিযানে অংশ নেবে। অধিকারকর্মীদের আটক করে আসোদ বন্দরে নিয়ে যাওয়া হবে এবং সেখান থেকে কেতজিয়োত কারাগারে স্থানান্তর করা হতে পারে। যারা ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মানবে, তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে, আর যারা অমান্য করবে তাদের কারাগারেই আটক রাখা হবে।

ইসরায়েলি সেনারা জব্দকৃত জাহাজের একটি অংশ বন্দরে নিয়ে যাবে, আর বাকিগুলো সমুদ্রে ডুবিয়ে দেওয়া হতে পারে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ফ্লোটিলায় থাকা অধিকারকর্মীরা জানিয়েছেন, যে কোনো সময় ইসরায়েলি বাহিনী তাদের ওপর হামলা চালাতে পারে।

গাজার অবরুদ্ধ জনগণের জন্য এগিয়ে চলা এ নৌবহরকে ঘিরে এখন পুরো আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। মানবাধিকারকর্মীরা বলছেন, গাজায় প্রবেশ করা এবং সহায়তা পৌঁছে দেওয়া কেবল একটি মানবিক দায়িত্ব নয়, এটি অবরুদ্ধ মানুষের ন্যায্য অধিকারের জন্য একটি বৈশ্বিক আন্দোলন।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তর ও সংস্কার কার্যক্রমে পূর্ণ সমর্থন : জাতিসংঘ

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ : বাংলাদেশের চলমান গণতান্ত্রিক রূপান্তর ও সংস্কার কার্যক্রমে  পূর্ণ সমর্থন ও সংহতি ব্যক্ত করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস ।সোমবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ মন্তব্য করেন।

প্রধান উপদেষ্টার  নেতৃত্বে উচ্চপর্যায়ের এক প্রতিনিধি দল এ  বৈঠকে অংশ নেয়। দলে ছিলেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান, মুখ্য সচিব সিরাজ উদ্দিন মিয়া এবং এসডিজি সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ।

বৈঠকে রাজনৈতিক সংস্কার, আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচন, জুলাই মাসের গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত নৃশংসতার জবাবদিহিতা, সুরক্ষাবাদী শুল্কনীতিকে ঘিরে বৈশ্বিক বাণিজ্য ইস্যু এবং ৩০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিতব্য আন্তর্জাতিক রোহিঙ্গা সম্মেলনসহ বিস্তৃত বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

প্রধান উপদেষ্টা মহাসচিবকে অন্তর্বর্তী সরকারের গৃহীত সংস্কার কার্যক্রম এবং একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানে সরকারের অঙ্গীকারের বিষয়ে অবহিত করেন।

মহাসচিব গুতেরেস বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তর ও সংস্কার এজেন্ডায় জাতিসংঘের দৃঢ় সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। গত ১৪ মাসে প্রধান উপদেষ্টার ভূমিকার প্রশংসা করে মহাসচিব বলেন, এই কঠিন রূপান্তর প্রক্রিয়ায় তাঁর নেতৃত্বকে তিনি সম্মান ও শ্রদ্ধা করেন।




রোহিঙ্গা ও আশ্রয়দাতাদের সহায়তায় ৫৮ মিলিয়ন ডলার দিচ্ছে এডিবি

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে চুক্তি করে মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী ও তাদের আশ্রয়দাতা কক্সবাজারের স্থানীয়দের জন্য ৫৮.৬ মিলিয়ন ডলারের অনুদান এবং ২৮.১ মিলিয়ন ডলারের স্বল্পসুদে ঋণ প্রদান করবে। এই অর্থ মৌলিক অবকাঠামো ও জরুরি সেবা সম্প্রসারণে ব্যবহার হবে।

সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকার অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) কার্যালয়ে চুক্তি স্বাক্ষর করেন ইআরডি সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী এবং এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর হোয়ে ইউন জিয়ং।

এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর বলেন, “মিয়ানমারের বাস্তুচ্যুত ও তাদের আশ্রয়দাতা স্থানীয়দের স্থিতিশীলতা ও জীবিকা নির্বাহের সুযোগ জোরদারে বাংলাদেশকে সহায়তা করতে পেরে আমরা আনন্দিত। শরণার্থী শিবিরের বাসিন্দা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে সামাজিক সংহতি বৃদ্ধি করা হবে।”

প্রকল্পের আওতায় কক্সবাজার ও ভাসানচর এলাকায় পানি, স্যানিটেশন, স্বাস্থ্য, সড়ক-সেতু, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, খাদ্য নিরাপত্তা, বিদ্যুৎ এবং দুর্যোগ সহনশীলতা উন্নত ও সম্প্রসারিত করা হবে।

বিশেষ উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে,

  • কক্সবাজারে সোলার-পাওয়ারড স্ট্রিটলাইট স্থাপন/প্রতিস্থাপন
  • ভাসানচরে পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা পুনঃস্থাপন
  • রান্নার জন্য বায়োগ্যাস উৎপাদন সম্প্রসারণ
  • ক্ষুদ্র পাইপযুক্ত পানি সরবরাহ ব্যবস্থা কক্সবাজার ও ৯টি উপজেলায় চালু
  • হাতিয়ায় বহুমুখী সাইক্লোন শেল্টার নির্মাণ
  • পালংখালী ও উখিয়ায় ভূ-পৃষ্ঠস্থ পানি শোধনাগার নির্মাণ

বর্তমানে কক্সবাজারের ৩৩টি শিবিরে ১০ লাখেরও বেশি বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা বাস করছে, যাদের মধ্যে প্রায় ৭৫ শতাংশ নারী ও শিশু। ভাসানচর শিবিরে ৩৬ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা স্বেচ্ছায় স্থানান্তরিত হয়েছে।

এই প্রকল্পের মাধ্যমে রোহিঙ্গা শিবির ও আশ্রয়দাতা স্থানীয়দের জন্য সামাজিক, স্বাস্থ্যসেবা ও জীবনধারণ সুবিধা বৃদ্ধি পাবে।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫