গভীর সমুদ্রে ৭.১ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল বোর্নিও

মালয়েশিয়ার –সংলগ্ন উপকূলে শক্তিশালী একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৭.১, যা স্বাভাবিকভাবেই উপকূলীয় এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সময় রাত ১২টা ৫৭ মিনিটে কম্পনটি অনুভূত হয়। হঠাৎ গভীর রাতে ভূমিকম্প আঘাত হানায় অনেকেই ঘর থেকে বেরিয়ে খোলা স্থানে আশ্রয় নেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল মালয়েশিয়ার অঙ্গরাজ্যের রাজধানী থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটারেরও কম উত্তর-পূর্বে। ভূমিকম্পের গভীরতা ছিল প্রায় ৬১৯.৮ কিলোমিটার, যা অত্যন্ত গভীর বলে বিবেচিত হয়।

ভূমিকম্পটি গভীর সমুদ্রতলে উৎপত্তি হওয়ায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা কম বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানি বা বড় অবকাঠামোগত ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

এদিকে স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, এই ভূমিকম্পের কারণে সুনামির আশঙ্কা নেই। গভীর সমুদ্রের নিচে কম্পন হওয়ায় পানির স্তরে বড় ধরনের অস্বাভাবিকতা সৃষ্টি হয়নি।

অন্যদিকে, ভূমিকম্পটির মাত্রা ৬.৮ হিসেবে রেকর্ড করেছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, সাবাহর পশ্চিম উপকূল ছাড়াও রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় মৃদু থেকে মাঝারি মাত্রার কম্পন অনুভূত হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গভীরতার কারণে এই ধরনের ভূমিকম্প সাধারণত তীব্রভাবে অনুভূত হলেও তা পৃষ্ঠে বড় ধরনের ধ্বংসযজ্ঞ ডেকে আনে না। তবুও উপকূলীয় ও ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলে বসবাসকারী জনগণকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানা গেছে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




মার্কিন শুল্ক কমার ইঙ্গিতে চাঙা ভারতের শেয়ারবাজার

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বহুল আলোচিত বাণিজ্যচুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার ইঙ্গিতে ভারতের শেয়ারবাজারে বড় ধরনের উত্থান দেখা দিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষণার পরপরই বিনিয়োগকারীদের আস্থা বেড়ে যায়, যার সরাসরি প্রভাব পড়ে বোম্বে স্টক এক্সচেঞ্জ (বিএসই) ও ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে (এনএসই)।

ট্রাম্প জানিয়েছেন, প্রস্তাবিত চুক্তি কার্যকর হলে ভারতীয় পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কহার উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো হবে। বর্তমানে যেসব পণ্যে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করা হচ্ছে, তা কমে প্রায় ১৮ শতাংশে নামিয়ে আনার কথা বলা হচ্ছে। এই খবরে ভারতীয় বাজারে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়।

বাজারসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার লেনদেন চলাকালে বিএসইর প্রধান সূচক সেনসেক্স একপর্যায়ে প্রায় ৩ হাজার ৬৫৭ পয়েন্ট বেড়ে ৮৫ হাজার ৩২৩ পয়েন্টে পৌঁছায়। দিন শেষে কিছুটা সংশোধনের পর সূচকটি ৮৩ হাজার ৪৭৯ পয়েন্টে অবস্থান নেয়। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকালেও ঊর্ধ্বমুখী ধারা অব্যাহত থাকে। বেলা ১১টা পর্যন্ত সেনসেক্স আরও ৬৮ পয়েন্ট বেড়ে ৮৩ হাজার ৮১৬ পয়েন্টে দাঁড়ায়।

একইভাবে ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জের নিফটি-৫০ সূচকেও উত্থান দেখা গেছে। মঙ্গলবার লেনদেনের একপর্যায়ে সূচকটি ২৬ হাজার ৩০৮ পয়েন্টে উঠলেও দিন শেষে ২৫ হাজার ৭২৭ পয়েন্টে নেমে আসে। বুধবার বেলা ১১টা পর্যন্ত নিফটি-৫০ সূচক ৫২ পয়েন্ট বেড়ে ২৫ হাজার ৭৯৯ পয়েন্টে পৌঁছেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শুল্ক সংক্রান্ত জটিলতা কাটার সম্ভাবনাই এই উত্থানের মূল কারণ। সম্প্রতি ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ইঙ্গিত দেন, চুক্তির অংশ হিসেবে ভারত যুক্তরাষ্ট্র থেকে তেল আমদানির বিষয়েও সম্মত হতে পারে। পাশাপাশি ভেনেজুয়েলার তেল কেনার সম্ভাবনার কথাও উঠে আসে। এর আগে রাশিয়া থেকে তেল কেনাকে কেন্দ্র করে ভারতীয় পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত শাস্তিমূলক শুল্ক আরোপ করা হয়েছিল।

হোয়াইট হাউসের একটি সূত্র জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র সেই অতিরিক্ত শুল্ক প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ট্রাম্পের ঘোষণার পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও দ্রুত বাণিজ্যচুক্তির কাঠামো চূড়ান্ত করার কথা জানিয়েছেন।

এদিকে ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোরোও ভারতীয় গণমাধ্যমকে জানান, সরাসরি জরিমানা মওকুফের কথা না থাকলেও চুক্তি বাস্তবায়িত হলে ভারতের ওপর গড় শুল্কহার প্রায় ১৮ শতাংশে নেমে আসবে। এতে করে দক্ষিণ এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ভারত তুলনামূলক সুবিধাজনক অবস্থানে যাবে। কারণ একই সময়ে পাকিস্তানের ওপর শুল্কহার ১৯ শতাংশ, বাংলাদেশের ওপর ২০ শতাংশ এবং চীনের ওপর ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক কার্যকর রয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকদের ধারণা, চুক্তিটি বাস্তবায়িত হলে ভারতীয় রপ্তানি খাত আরও প্রতিযোগিতামূলক হবে। এর প্রভাব দীর্ঘমেয়াদে শেয়ারবাজারে ইতিবাচক প্রবণতা ধরে রাখতে সহায়ক হতে পারে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




ভারত–আমেরিকা বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত, শুল্ক কমলো ২৫ থেকে ১৮ শতাংশ

যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে ফোনালাপের পর সোমবার রাতে ট্রাম্প বিষয়টি নিশ্চিত করেন। চুক্তি কার্যকর হলে ভারতীয় পণ্যের ওপর আরোপিত শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৮ শতাংশ করা হবে। তবে রাশিয়া থেকে তেল আমদানির কারণে পূর্বে বলা অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ জরিমানামূলক শুল্ক নিয়ে এখনও স্পষ্ট সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।

ট্রাম্পের বরাতে জানা গেছে, এই চুক্তির আওতায় ভারত যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৫০ হাজার কোটি ডলারেরও বেশি মূল্যের জ্বালানি, প্রযুক্তি, কৃষিপণ্য, কয়লা ও অন্যান্য পণ্য আমদানি করবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী মোদী রাশিয়া থেকে তেল আমদানি কমিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলা থেকে তেল কেনার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও ট্রাম্পের ঘোষণার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি লেখেন, ভারতের তৈরি পণ্যের শুল্ক কমিয়ে ১৮ শতাংশ করার সিদ্ধান্তে তিনি সন্তুষ্ট এবং ১৪০ কোটি ভারতবাসীর পক্ষ থেকে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। মোদী আরও বলেন, বিশ্বের দুই বৃহৎ অর্থনীতি ও গণতন্ত্র একসঙ্গে কাজ করলে সাধারণ মানুষ উপকৃত হয় এবং এই সহযোগিতা দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।

দুই নেতা ভবিষ্যতে পারস্পরিক অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী করতে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তবে রাশিয়া থেকে তেল আমদানি সংক্রান্ত অতিরিক্ত শুল্ক বিষয়ে স্পষ্ট ঘোষণা না থাকায় বিষয়টি নিয়ে কিছু অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, পরবর্তী আলোচনার ফলাফলের ওপর এই সিদ্ধান্তের চূড়ান্ত রূপ নির্ভর করবে এবং তা ভারত–আমেরিকার অর্থনৈতিক সম্পর্কের ভবিষ্যৎকে প্রভাবিত করতে পারে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




মিয়ানমার সীমান্তের সাইবার স্ক্যাম সাম্রাজ্য ভাঙল, চীনে চার মাফিয়ার ফাঁসি

চীন সাইবার প্রতারণা ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থান আরও এক ধাপ এগিয়ে নিল। মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে সাইবার স্ক্যাম সেন্টার পরিচালনার অভিযোগে কুখ্যাত বাই পরিবারের মাফিয়া চক্রের চার সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে দেশটি। রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষের তথ্যে জানা গেছে, প্রতারণার পাশাপাশি হত্যা, শারীরিক নির্যাতনসহ একাধিক গুরুতর অপরাধে দোষী প্রমাণিত হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে এই রায় কার্যকর করা হয়।

চীনা রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, গুয়াংডং প্রদেশের একটি আদালতে দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে বাই পরিবারের মোট ২১ জন সদস্য ও সহযোগীকে বিভিন্ন মেয়াদের সাজা দেওয়া হয়। তাদের মধ্যে চারজনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শাস্তি কার্যকর করা হয়েছে। এর আগেও একই মামলায় গত বছরের নভেম্বর মাসে পরিবারের পাঁচ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। তবে গোষ্ঠীর প্রধান হিসেবে পরিচিত বাই সুওচেং দণ্ড ঘোষণার পর গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং পরে তার মৃত্যু হয় বলে জানানো হয়।

চীনের তদন্ত সংস্থাগুলোর ভাষ্য অনুযায়ী, বাই পরিবার মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী লাউক্কাইং এলাকায় দীর্ঘ সময় ধরে একটি অপরাধমূলক সাম্রাজ্য গড়ে তোলে। সেখানে তারা ক্যাসিনো, অবৈধ বিনোদন কেন্দ্র এবং সুসংগঠিত সাইবার স্ক্যাম নেটওয়ার্ক পরিচালনা করত। এসব কার্যক্রমে তাদের নিয়ন্ত্রণ ছিল প্রায় প্রশ্নাতীত। স্থানীয় মিলিশিয়া ও সশস্ত্র সহযোগীদের ব্যবহার করে তারা এলাকায় ভয় ও সহিংসতার সংস্কৃতি তৈরি করেছিল।

তদন্তে উঠে আসে, বাই পরিবার অন্তত ৪১টি আলাদা কম্পাউন্ড গড়ে তোলে, যেখানে জোরপূর্বক আটকে রেখে মানুষকে অনলাইন প্রতারণার কাজে লাগানো হতো। এসব স্থানে নিয়মিত শারীরিক নির্যাতন, মারধর এবং মানসিক চাপের ঘটনা ঘটত। আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, এই অপরাধচক্রের কার্যক্রমে অন্তত ছয়জন চীনা নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে, একজন আত্মহত্যা করেছেন এবং বহু মানুষ স্থায়ীভাবে আহত ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

এই অভিযানের আগে চীন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় পরিচালিত অনলাইন স্ক্যাম চক্রের বিরুদ্ধে সমন্বিত অভিযান চালায়। এর অংশ হিসেবে মিং পরিবার নামের আরেকটি কুখ্যাত মাফিয়া গোষ্ঠীর ১১ সদস্যের মৃত্যুদণ্ডও কার্যকর করা হয়। চীনা কর্তৃপক্ষের দাবি, এসব স্ক্যাম নেটওয়ার্কের কারণে হাজার হাজার চীনা নাগরিক প্রতারণার শিকার হয়ে বিদেশে আটকা পড়েছিলেন।

বিশ্লেষকদের মতে, ২০০০ সালের শুরুর দিকে লাউক্কাইং অঞ্চলের ক্ষমতার ভারসাম্য বদলে যায়। সে সময় স্থানীয় এক প্রভাবশালীকে সরিয়ে দেওয়ার পর বাই পরিবার দ্রুত শক্তিশালী হয়ে ওঠে। ওই সামরিক অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন মিন অং হ্লাইং, যিনি বর্তমানে মিয়ানমারের সামরিক সরকারের প্রধান। সেই সময়কার রাজনৈতিক ও সামরিক সমীকরণের সুযোগ নিয়েই বাই পরিবার তাদের প্রভাব বিস্তার করে।

তবে ২০২৩ সাল থেকে পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করে। অনলাইন স্ক্যাম কার্যক্রমে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নিষ্ক্রিয়তায় বেইজিং অসন্তোষ প্রকাশ করে। এরপর নীরবে ওই অঞ্চলের জাতিগত বিদ্রোহীদের অভিযানে সমর্থন দেয় চীন। এর ফলেই একের পর এক স্ক্যাম কম্পাউন্ড ভেঙে পড়ে এবং অপরাধচক্রের সদস্যরা গ্রেপ্তার হন। পরে তাদের চীনের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

চীনে আনার পর এসব অপরাধচক্র নিয়ে একাধিক রাষ্ট্রীয় প্রামাণ্যচিত্র প্রচার করা হয়। সেখানে অনলাইন প্রতারণার ভয়াবহতা এবং সরকারের ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতির বার্তা স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়। বিশ্লেষকদের ধারণা, সাম্প্রতিক ফাঁসির মাধ্যমে চীন সম্ভাব্য স্ক্যামার ও সংঘবদ্ধ অপরাধীদের জন্য শক্ত সতর্কবার্তা দিতে চায়।

জাতিসংঘের বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিয়ানমার ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে অনলাইন স্ক্যাম পরিচালনার জন্য কয়েক লক্ষ মানুষকে পাচার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক চীনা নাগরিক। এসব স্ক্যামের মাধ্যমে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে, যা এখন আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও মানবাধিকার ইস্যুতে পরিণত হয়েছে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




গ্র্যামির রেড কার্পেটে সংক্ষিপ্ত পোষাকে গায়িকা সমালোচনার ঝড়

চন্দ্রদ্বীপ ডেক্স : সংগীত দুনিয়ার সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ আসর  গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড । যার ৬৮তম আসর অনুষ্ঠিত হয়ে গেল  লস অ্যাঞ্জেলেসে । বাংলাদেশ সময় সোমবার ৬টায় ক্রিপ্টো ডট কম অ্যারেনা পরিণত হয়েছিল বিশ্ব তারকাদের মিলনমেলাতে। রেড কার্পেটে হেঁটেছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পীরা। তবে নগ্ন পোশাকে নজর কেড়েছেন পপ সংগীতশিল্পী চ্যাপেল রোয়ান।

নগ্ন পোশাক পরে সমালোচিত হওয়াই যেন চ্যাপেলের একমাত্র কাজ। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।। তিনি পরেছিলেন মুগলারের পরিচালক মিগুয়েল কাস্ত্রো ফ্রেইটাসের ডিজাইন করা পোশাক।

তার কাস্টম নেগ্লিজি পোশাক এবং ম্যাচিং কেপটি গাঢ় লাল গার্নেটের সিল্ক জর্জেট দিয়ে তৈরি। কিন্তু রোয়ান কেপটি খুলে ফেলার পর তাঁর স্তন স্পষ্টতোই দেখা যায়। সিল্ক জর্জেটটি স্তনবৃন্তের রিং দ্বারা ঝুলন্ত অবস্থায় ছিল।তিনি পায়ে পরেছিলেন স্ট্র্যাপি হিল, গলায় সোনালি চোকার এবং চোখে ছিল স্মোকি মেকআপ।তার পিঠের খোলা অংশ জুড়ে ছিল ট্যাটু।

গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডের ৬৭তম আসরে চ্যাপেল ‘বেস্ট নিউ আর্টিস্ট’ পুরস্কার জিতেছিলেন। এ বছর তাঁর জনপ্রিয় গান ‘The Subway’-এর জন্য ‘সেরা পপ সোলো পারফরম্যান্স’ এবং ‘রেকর্ড অফ দ্য ইয়ার’ বিভাগে মনোনীত হয়েছেন।

 




ইরান আক্রমনে জর্দান তার আকাশ সীমা ব্যবহার করতে দেবেনা

চন্দ্রদ্বীপ ডেক্স :  ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের  বিরুদ্ধে হামলা চালাতে জর্দান  তার ভূখণ্ড বা আকাশসীমা ব্যবহার করতে দেবে না বলে আশ্বস্ত করেছে জর্দানের শীর্ষ কূটনীতিবিদ

জর্দানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতি অনুযায়ী,টেলিফোনে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে আলাপকালে জর্দানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আয়মান সাফাদি বলেন, ‘কোনো আঞ্চলিক সংঘাতে জর্দান যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হবে না, কিংবা ইরানের বিরুদ্ধে কোনো সামরিক অভিযানের সূচনাস্থল হবে না।’

সাফাদি আরো বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হামলার হুমকির প্রেক্ষাপটে জর্দান কোনো পক্ষকেই তার আকাশসীমা লঙ্ঘন করতে বা দেশের নিরাপত্তা ও নাগরিকদের সুরক্ষাকে হুমকির মুখে ফেলতে দেবে না।’




বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ খেলবে না পাকিস্তান

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ:২০২৬ টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপে  পাকিস্তান ক্রিকেট দলের অংশগ্রহন নিশ্চিত , তবে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ তারা বয়কট করবে।

আজ রাতে পাকিস্তান সরকারের অফিশিয়াল ‘এক্স’ হ্যান্ডল ও ফেসবুকে একই সঙ্গে দেওয়া পোস্টে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।

পাকিস্তান সরকারের দেওয়া পোস্টে বলা হয়েছে, ‘ইসলামি প্রজাতন্ত্র পাকিস্তান সরকার পাকিস্তান ক্রিকেট দলকে ২০২৬ আইসিসি টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের অনুমোদন দিচ্ছে।

তবে ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ভারতের বিপক্ষে নির্ধারিত ম্যাচে পাকিস্তান ক্রিকেট দল মাঠে নামবে না।’ কেন এই সিদ্ধান্ত, তার সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ অবশ্য বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়নি।

আইসিসির যেকোনো টুর্নামেন্টে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ মানেই টানটান উত্তেজনা আর প্রচুর দর্শকের সমাগম । এই সুযোগ কাজে লাগাতে ২০১২ সাল থেকে আইসিসি প্রতিটি ইভেন্টেই দুই দলকে এক গ্রুপে রেখে আসছে। টুর্নামেন্টের সূচিও এমনভাবে সাজানো হয়, যাতে দুই দলের একাধিকবার মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ থাকে।

তবে এবার পাকিস্তানের এমন সিদ্ধান্তে  ২০১০ সালের পর প্রথম কোনো আইসিসি টুর্নামেন্ট ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ ছাড়াই শেষ হবে।

এবারের টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের অংশগ্রহন নিয়ে  অবশ্য একটা সময়ে বড় শঙ্কা দেখা দিয়েছিল।ঘটনার সুত্রপাত  ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) নির্দেশে বাংলাদেশ দলের পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএলের দল কলকাতা নাইট রাইডার্স থেকে বাদ দেওয়া কে কেন্দ্র করে ।

বাংলাদেশের বাঁহাতি পেসারকে বাদ দেওয়ার পর  বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আনুষ্ঠানিকভাবে আইসিসিকে জানিয়ে দেয়, নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে যাবে না তারা। আইসিসিকে ভেন্যু বদলের অনুরোধ করে বিসিবি।

কিন্তু ২১ জানুয়ারি এক ভার্চুয়াল বোর্ড সভার পর আইসিসি জানায়, বাংলাদেশকে পূর্বসূচি অনুযায়ী ভারতেই খেলতে হবে। বিসিবি নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড় থাকার পর গত ২৪ জানুয়ারি বাংলাদেশ দলকে টুর্নামেন্ট থেকে বাদ দেয় আইসিসি।

পাকিস্তানই একমাত্র দেশ যারা বাংলাদেশের ম্যাচগুলো অন্য দেশে সরিয়ে নেওয়ার দাবির পক্ষে জোরালো সমর্থন দিয়েছিল শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশকে বাদ দিয়েই    টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ শুরু হতে যাচেছ। বাংলাদেশের পরিবর্তে  স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা।




৭০ হাজার ফিলিস্তিনিকে হত্যার কথা স্বীকার করল ইসরায়েল

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ : ২০২৩ সালে থেকে গাজায় নির্বিচারে আগ্রাসন চালিয়ে এ পর্যন্ত প্রায় ৭০ হাজারের মতো ফিলিস্তিনিকে হত্যার কথা মেনে নিয়েছে ইহুদিবাদী ইসরায়েল।

জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে দেশটির বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যম এ তথ্য প্রকাশ করেছে।

এর আগে গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত নিহতের সংখ্যার বিষয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছিল ইসরায়েল।

যদিও জাতিসংঘ দীর্ঘদিন ধরেই গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের নথিভুক্ত নিহতের সংখ্যা নির্ভরযোগ্য বলে স্বীকৃতি দিয়ে আসছে। তবে ইসরায়েল দাবি করে আসছিল, গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় হামাসের নিয়ন্ত্রণে থাকায় তাদের দেওয়া তথ্য বিশ্বাসযোগ্য নয়।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিহতদের নাম ও বয়স প্রকাশ করে থাকে। সর্বশেষ হিসেবে তারা জানিয়েছে, মোট নিহতের সংখ্যা ৭১ হাজার ছাড়িয়েছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় অক্টোবরে শুরু হওয়া যুদ্ধবিরতির পর ইসরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছেন ৪৮০ জনের বেশি।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ভাষ্যানুযায়ী, আরও বহু মানুষ গাজায় ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে রয়েছেন। নিহতদের মধ্যে বেসামরিক নাগরিক ও যোদ্ধাদের আলাদা করে চিহ্নিত করা না হলেও অধিকাংশ নিহত নারী ও শিশু বলে উল্লেখ করেছে কর্তৃপক্ষ।

বৃহস্পতিবার জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক ব্রিফিংয়ের বরাত দিয়ে ইসরায়েলের ওয়াইনেট নিউজ ওয়েবসাইটসহ দেশটির শীর্ষস্থানীয় কয়েকটি সংবাদমাধ্যম জানায়, সামরিক বাহিনীও প্রায় একই ধরনের একটি হিসাব মেনে নিয়েছে।

ওয়াইনেটকে এক সামরিক কর্মকর্তা বলেন, “আমাদের হিসাব অনুযায়ী, যুদ্ধে প্রায় ৭০ হাজার গাজাবাসী নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে নিখোঁজ ব্যক্তিরা অন্তর্ভুক্ত নন।”

এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে চাইলে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী (আইডিএফ) বলেছে, “এই বিষয়ে যেকোনও তথ্য বা প্রতিবেদন আনুষ্ঠানিক ও নির্ধারিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রকাশ করা হবে।

 

 




ভারত-ইইউ স্বাক্ষরিত ‘মহাচুক্তি’, ২০০ কোটি মানুষের বাজার যুক্ত

  1. ভারত এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ইতিহাস সৃষ্টি করেছে নতুন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির মাধ্যমে। ২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ তারিখে নয়াদিল্লিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লিয়েন এবং ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও কস্তার মধ্যে আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর সম্পন্ন হয়। এই চুক্তি প্রায় ২০০ কোটি মানুষের বাজারকে একত্রিত করেছে এবং যার সম্মিলিত বাজার মূল্য প্রায় ২৭ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার।

প্রায় দুই দশক ধরে চলা আলোচনা ও কয়েকটি বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে এই চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য যুদ্ধ এবং রাশিয়ার কাছ থেকে ভারতের তেলের ক্রয় নিয়ে চাপের মধ্যে এই সমঝোতা অর্জিত হলো।

নতুন চুক্তির ফলে ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে বিদ্যমান শুল্ক উল্লেখযোগ্য হারে কমানো হবে। এটি কেবল ভারতীয় রপ্তানিকারকদের জন্য সুবিধাজনক হবে না, বরং উভয় পক্ষের ব্যবসায়িক ও বিনিয়োগ পরিবেশকেও উন্নত করবে।

চুক্তির আওতায় ভারতের এ যাবৎকালের সবচেয়ে বিস্তৃত বাণিজ্যিক সুযোগ তৈরি হয়েছে। বস্ত্র, ওষুধ, যন্ত্রপাতি, ইস্পাত, পেট্রোলিয়াম পণ্য এবং বৈদ্যুতিক সরঞ্জামসহ প্রায় ১৪৪টি উপ-খাতে ভারত বিশেষ সুবিধা পাবে। বিপরীতে, ভারত ইইউ-এর জন্য তাদের আর্থিক সেবা, সমুদ্রবন্দর ও টেলিযোগাযোগ খাতসহ ১০২টি উপ-খাত উন্মুক্ত করেছে।

প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, “এই চুক্তি ভারতের উৎপাদন এবং সেবা খাত উভয়কেই চাঙ্গা করবে। এটি ভারতের ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে এবং বৈশ্বিক অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করবে।”

ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লিয়েনও সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, “ভারত এবং ইইউ ইতিহাস তৈরি করছে। আমরা একটি মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল সৃষ্টি করেছি যা ২০০ কোটি মানুষের জন্য সুযোগ বয়ে আনবে।”

অটোমোবাইল খাতেও গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ভারতের অভ্যন্তরীণ গাড়ি বাজার ইইউ দেশগুলোর জন্য উন্মুক্ত হবে এবং বেশিরভাগ ইউরোপীয় গাড়ির শুল্ক ধাপে ধাপে কমে ৩০–৩৫ শতাংশ হবে। বৈদ্যুতিক গাড়ির ক্ষেত্রে প্রথম পাঁচ বছর সুরক্ষা নিশ্চিত থাকলেও পরবর্তীতে সীমিত পরিমাণে শুল্কমুক্ত আমদানি অনুমোদিত হবে।

ইইউ পক্ষও উপকৃত হবে। ভারত প্রায় ৯৬ শতাংশ ইউরোপীয় পণ্যের ওপর থেকে শুল্ক প্রত্যাহার বা কমিয়ে দেবে, যার ফলে বছরে প্রায় ৪০০ কোটি ইউরো শুল্ক সাশ্রয় হবে। যন্ত্রপাতি, রাসায়নিক, ওষুধ, অপটিক্যাল এবং বিমান যন্ত্রপাতি খাতসহ প্রায় সব খাতে সুবিধা মিলবে।

ভারতও লাভবান হবে। দেশের প্রায় ৯০ শতাংশ পণ্যের ওপর থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন শুল্ক তুলে নেবে। সমুদ্রিক ও মৎস্যজাত পণ্য, রাসায়নিক, প্লাস্টিক, রাবার, চামড়া, বস্ত্র, তৈরি পোশাক, সাধারণ ধাতু, রত্ন ও অলঙ্কার সহ গুরুত্বপূর্ণ খাতে শুল্ক কমানো হবে।

এই চুক্তি ভারত-ইউ বাণিজ্যের নতুন অধ্যায় শুরু করছে। দুই পক্ষই আশা করছে ২০৩০ সালের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ ২০০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাণিজ্য বৃদ্ধির ধারা ইতিবাচক, বিশেষ করে সেবা খাতে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই চুক্তিকে নীরিক্ষা করছে। হোয়াইট হাউস ইতোমধ্যেই সমালোচনা করেছে এবং রাশিয়ার তেল কেনার কারণে ভারতের ওপর শুল্ক আরোপের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেছে। তবে ভারত কৌশলগত ধৈর্য বজায় রেখে বাণিজ্যের নতুন অংশীদারিত্ব গড়ে তুলেছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই চুক্তি শুধু অর্থনৈতিক নয়, ভূ-রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ। এটি ইউরোপের সঙ্গে ভারতের কৌশলগত সম্পর্ককে শক্তিশালী করবে এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যের স্থিতিশীলতা আনবে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




ইরান আক্রমন থেকে সরে এলেন ট্রাম্প

চন্দ্রদ্বীপ ডেক্স : ইরানে সামরিক হস্তক্ষেপের যে হুমকি দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, সেখান থেকে সরে এসেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ।

স্থানীয় সময় বুধবার (১৪ জানুয়ারি) রাতে হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, আমাদের জানানো হয়েছে, ইরানে বিক্ষোভকারীদের আর হত্যা করা হচ্ছে না। হত্যাকাণ্ড বন্ধ হয়েছে। একই সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি দেয়ার কোনো পরিকল্পনাও নেই। তিনি বলেন, বিশ্বাসযোগ্য সূত্রে এ তথ্য জেনেছি।

গত কয়েকদিন ধরে ট্রাম্প প্রকাশ্যে ইরানের বিক্ষোভকারীদের প্রতি সমর্থন জানিয়ে আসছেন। এর আগে তিনি সতর্ক করে বলেছিলেন, ইরান যদি বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি চালায়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র হামলার জন্য ‘সম্পূর্ণ প্রস্তুত’ থাকবে।