দীর্ঘদিন ধরে কাশি? জেনে নিন সারানোর উপায়

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  দীর্ঘদিন ধরে কাশিতে ভুগলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। তবে কাশির সমস্যা দূর করার জন্য কিছু খাবারও আপনার সহায়ক হতে পারে। এর মধ্যে ভিটামিন বি১২ সমৃদ্ধ খাবার অন্যতম। ভিটামিন বি১২ প্রাকৃতিকভাবে আমাদের দৈনন্দিন খাদ্য উপাদানে পাওয়া যায়। হার্ভার্ড স্কুল অফ মেডিসিনের একটি নিবন্ধ অনুসারে, ভিটামিন বি১২ মস্তিষ্ক এবং স্নায়ু কোষের কার্যকারিতা এবং বিকাশে মূল ভূমিকা রাখে



খালি পেটে যে ৪ খাবার খেলে অ্যাসিডিটি হয়

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : অ্যাসিডিটির জন্য আমাদের অনেকগুলো অভ্যাস দায়ী। তার মধ্যে অন্যতম হলো ভুলভাল খাওয়ার অভ্যাস। সকালে খালি পেটে খাবার খেতে হবে বুঝেশুনে। কারণ রাতে আমরা ঘুমিয়ে যাওয়ার পর পাকস্থলীতে হজমের প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায়। যে কারণে সকালে খালি পেটে হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড থাকে বেশি। কিছু খাবার আছে যেগুলো এই অ্যাসিডকে আরও বাড়িয়ে দেয়। কারণ সেসব খাবার বেশি অ্যাসিড তৈরি করে। এর ফলে খাবারটি পাকস্থলীতে হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড বৃদ্ধি করে। ফলস্বরূপ পেটে অতিরিক্ত গ্যাস, অ্যাসিডিটি, পেট ফাঁপা ইত্যাদি সমস্যার সৃষ্টি হয়। জেনে নিন খালি পেটে কোন ৪টি খাবার খেলে অ্যাসিডিটি হয়-

কোমল পানীয়: অনেকে পেটের সমস্যা হলে তা সারানোর জন্য কোমল পানীয় খান। তাদের ধারণা, ঠান্ডা এই পানীয় গ্যাস বা অ্যাসিডিটি কমিয়ে দিতে কাজ করে। কিন্তু সত্যিটা হলো, এ ধরনের পানীয় পান করলে অ্যাসিডিটির সমস্যা কমার বদলে আরও বেড়ে যায়। যে কারণে বাড়ে পেটের সমস্যাও। ঘুম থেকে ওঠার পর খালি পেটে কোমল পানীয় কখনো পান করবেন না।

কফি: এটি খুবই পরিচিত চিত্র। অনেকেরই দিনের শুরুটা হয় এককাপ কফি দিয়ে। কিন্তু কফিতে থাকে প্রচুর ক্যাফেইন যা খালি পেটে খেলে ক্ষতির কারণ হতে পারে। কফি পান করলে পেটে হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড প্রচুর তৈরি হতে শুরু করে। সকালবেলা খালি পেটে এমনিতেই হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড বেশি থাকে। এমন অবস্থায় কফি খেলে গ্যাস এবং অ্যাসিডিটি বাড়তে পারে, সেইসঙ্গে বাড়ে গ্যাস্ট্রিকও।

কমলার জুস: কমলার জুস স্বাস্থ্যকর। অনেকে আছেন যারা এই জুস দিয়ে দিনের শুরু করেন। কিন্তু এই সাইট্রিক জাতীয় ফল সকালে খালি পেটে খেলে আপনাকে সারাদিন ভুগতে হতে পারে। এর কারণ হলো, কমলা পেটে গ্যাস ও অ্যাসিড অনেকটা বাড়িয়ে দেয়, এর ফলে সমস্যা আরও বেড়ে যায়। সকালে খালি পেটে কমলা খেলে পেটে অতিরিক্ত অ্যাসিড তৈরি হয়। যে কারণে পেট ফুলে যায় এবং সারাদিন অস্বস্তি হয়।




অ্যান্টিবায়োটিকের সঙ্গে কোন খাবার খেলে সমস্যা হতে পারে?

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : অনিয়ম আর অযত্নে শরীরে বাসা বাঁধে নানা রোগবালাই। এর মধ্যে মানুষের প্রায়ই জ্বর, সর্দি-কাশি হয়ে থাকে। এজন্য অনেক সময় অ্যান্টিবায়োটিক খেতে হয়। আর এটি গ্রহণকালে বেশ কিছু খাবার রয়েছে, যেগুলো খেলে সমস্যা হতে পারে। তাই অ্যান্টিবায়োটিক খেলে এই সব খাবার এড়িয়ে চলাই ভালো

দুগ্ধজাত খাবার: দুধ শরীরের জন্য উপকারী এবং স্বাস্থ্যকর। কিন্তু অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ খেলে তার সঙ্গে দুধ এড়িয়ে চলাই ভালো। এতে ওষুধের কার্যক্ষমতা কমে যায়। একই সঙ্গে দুধের কোনও উপকারিতাও পাওয়া যায় না। দুধে থাকা ম্যাগনেসিয়াম, প্রোটিনের মতো উপাদান পর্যাপ্ত পরিমাণে পায় না শরীর। তাই অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার সময়ে দুধ না খাওয়াই ভালো।

কিছু সবজি: যেকোনো শারীরিক অসুস্থতায় শাকসবজি খাওয়ার কথা বলে থাকেন চিকিৎসকরা। কিন্তু কিছু সবজি রয়েছে, যেগুলো অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার আগে পাতে না রাখাই ভালো। যেমন— ব্রকলি কিংবা ভিটামিন কে সমৃদ্ধ সবজি অ্যান্টিবায়োটিকের প্রভাব কমিয়ে দেয়। তাই অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার সময়ে খাওয়াদাওয়ার বিষয়টি চিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনা করে নেওয়া জরুরি।

অ্যালকোহলজাতীয় পানীয়: কোনো ওষুধ চললে সেই সময়ে অ্যালকোহল খেতে বারণ করে দেন চিকিৎসকরা। এটা শরীরের উপর খুবই ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। ওষুধ এবং অ্যালকোহল একসঙ্গে খেলে তার প্রভাব পড়ে লিভারের উপর। লিভারের বিভিন্ন সমস্যা জন্ম নেয় এর ফলে।




এক মাসেই ত্বক সুন্দর করার উপায়

চন্দ্রদীপ ডেস্ক: সুন্দর ত্বক পাওয়ার জন্য নানাজনের থাকে নানা প্রচেষ্টা। কেউ এই পার্লার, সেই পার্লার ঘুরে হাজার হাজার টাকা খরচ করে স্কিন ট্রিটমেন্ট নেন। কেউ আবার বিভিন্ন দামী প্রোডাক্ট কিনে এনে বাড়িতেই যত্ন নেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু আপনার ত্বক সুন্দর করার জন্য এসবের দরকার নেই। এর বদলে বাড়িতে বসে মাত্র তিনটি কাজ নিয়মিত করতে পারলেই ত্বক সুন্দর হবে। সেজন্য আপনাকে মেনে চলতে এই উপায়গুলো-

ক্লিনজিং: উজ্জ্বল ত্বক পাওয়ার জন্য বিভিন্ন চেষ্টা করে যাচ্ছেন? এর জন্য আপনাকে করতে হবে সঠিক ক্লিনজিং। দিনে দুইবার মুখ পরিষ্কার করার প্রয়োজন হবে। আপনি যদি মাত্র একমাস এই নিয়মটি মেনে চলতে পারেন তবে হাতেনাতে ফল পাবেন। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর একবার রেগুলার ক্লিনজার দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে নিতে হবে। এরপর আবার দিনশেষে বাড়ি ফিরেও এই নিয়মটি মেনে চলুন। ক্লিনজিং করার জন্য পরিমাণমতো ক্লিনজার মুখে লাগিয়ে নিন এবং ভালো করে মাসাজ করুন। এরপর পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

টোনার: কোনো কারণে আমাদের ত্বকের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে গেলে ত্বকে অনেক ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। হয়তো ত্বক রুক্ষ হয়ে যায় বা হঠাৎ তৈলাক্ত হয়ে ওঠে। আমাদের ত্বকের এই পিএইচ ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে টোনার। বিশেষজ্ঞরা বলেন, রূপচর্চার রুটিনে টোনারের নাম থাকে না অনেকের ক্ষেত্রেই। অনেকে আবার এর ব্যবহার জানেন না। ক্লিনজিং করার পরে একটি কটন প্যাডে টোনার নিয়ে পুরো মুখে লাগিয়ে নিন। কটন প্যাড ত্বকের উপরে ঘষবেন না। সকালে এবং রাতে দুইবার এভাবে টোনার ব্যবহার করলে ত্বকের বিভিন্ন ধরনের সমস্যা থেকে মুক্ত থাকবেন।

ময়েশ্চারাইজিং: ত্বকের যত্নে ময়েশ্চারাইজিং-এর গুরুত্ব অনেক। টোনার ব্যবহারের পরবর্তী ধাপ হলো ময়েশ্চারাইজিং। সকালে বাইরে বের হওয়ার আগে এবং রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে অবশ্য়ই ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করবেন। আপনার ত্বক শুষ্ক ধরনের হলে জেল বেসড ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে পারেন। তবে আপনার ত্বক যদি সংবেদনশীল হয় তাহলে ত্বকের যেকোনো যত্ন নেওয়ার আগে একজন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে নেবেন।




বিশ্বজুড়ে বাড়ছে কলেরার প্রকোপ

চন্দ্রদীপ ডেস্ক: চলতি ২০২৩ সালে বিশ্বজুড়ে কলেরা সংক্রমণে উল্লম্ফন দেখা দিয়েছে। বছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ২৬টি দেশে কলেরায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় প্রতিদিনই বৃদ্ধি পাচ্ছে।

সোমবার সুইজারল্যান্ডের রাজধানী জেনেভায় ডব্লিউএইচওর সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানিয়ে সংস্থার কলেরা প্রতিরোধ বিষয়ক দলের প্রধান ফিলিপ বারবোজা বলেন, ‘২০১৯ সাল পর্যন্ত ২০টিরও কম দেশে পানি ও খাদ্যদূষণজনিত কারণে কলেরার প্রাদুর্ভাব দেখা যেত। ২০২০ সাল থেকে এটি বাড়তে শুরু করেছে এবং বর্তমানে তা আশঙ্কাজনক পর্যায়ে পৌঁছে যাচ্ছে।’

‘গত ৫ বছরের মধ্যে চলতি ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর— ৯ মাসে বিশ্বজুড়ে কলেরায় মৃত্যুর হার বেড়েছে তিনগুণ। সবচেয়ে বাজে অবস্থায় রয়েছে আফ্রিকার দেশগুলো।’

এই মুহূর্তে সিরিয়া, আফগানিস্তান, ক্যামেরুন, কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র, মালাউই, নাইজেরিয়া, সোমালিয়া ও পাকিস্তানে কলেরার প্রাদুর্ভাব সবচেয়ে বেশি পরিলক্ষিত হচ্ছে উল্লেখ করে বারবোজা বলেন, ‘এই দেশগুলো ভয়াবহ সংকট পার করছে। প্রতিদিন কলেরায় আক্রান্ত হয়ে গড়ে ১০ হাজার মানুষের মৃত্যু হচ্ছে এসব দেশে।’

বৈশ্বিক কলেরা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে টিকা সংকট। সোমবারের সংবাদ সম্মেলনে বারবোজা জানান, তহবিলে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় ওষুধ কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে কলেরার টিকা কিনতে পারছে না বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। ফলে দরিদ্র দেশগুলোতে টিকার ডোজ সরবরাহ করাও অনিশ্চিত হয়ে উঠছে দিন দিন।

‘এই মুহুর্তে আমাদের হাতে মাত্র কয়েক লাখ ডোজ কলেরা টিকা রয়েছে। তহবিলে যথেষ্ট অর্থ না থাকায় আমরা টিকা কিনতে পারছি না, কলেরা সচেতনা বিষয়ক প্রচার-প্রচারণাও চালাতে পারছি না,’ সংবাদ সম্মেলনে বলেন ডব্লিউএইচও’র কর্মকর্তা।




বরিশালে একদিনে ৩২৪ জনের ডেঙ্গু শনাক্ত, মৃত্যু ১

বৃহস্পতিবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বরিশালের উপ-পরিচালক ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মণ্ডল জাগো নিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

মৃত আব্দুর রাজ্জাক পটুয়াখালী জেলার দশমিনা উপজেলার বাসিন্দা ছিলেন। তিনি গত ১৮ সেপ্টেম্বর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে পটুয়াখালী থেকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২১ সেপ্টেম্বর সকালে তার মৃত্যু হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের ছয় জেলার বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছেন ৩২৪ রোগী। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি বরিশালে ১১৬ জন, পটুয়াখালীতে ৯১ জন, পিরোজপুরে ৪৫ জন, ভোলায় ৪০ জন, বরগুনায় ২৮ জন আছেন ও ঝালকাঠিতে চারজন।

এছাড়া বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত ছয় জেলার বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে এক হাজার ১৯৭ ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী ভর্তি আছেন। এরমধ্যে বরিশালে ৪৯০ জন, পটুয়াখালীতে ২৬৫ জন, ভোলায় ১১০ জন, পিরোজপুরে ১৫৭ জন, বরগুনায় ১৫৭ জন ও ঝালকাঠিতে ১৮ জন।




কলকাতায় নিপাহ ভাইরাস

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ডেস্ক:  ভারতের পশ্চিমবঙ্গে মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রনে আসেনি। এসব রোগ ক্রমশ বাড়ছেই। মশাবাহিত রোগের হাত থেকে বাঁচতে কলকাতাসহ পশ্চিমবঙ্গের সব পৌরসভা বিভিন্ন ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে। একদিকে ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া যখন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে তার মধ্যেই নিপাহ ভাইরাসকে কেন্দ্র করে পশ্চিমবঙ্গের স্বাস্থ্য দপ্তরের উদ্বেগ বাড়ছে।

কলকাতার বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক ব্যক্তি নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত বলে ধারণা করা হচ্ছে। ওই ব্যক্তি পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটের বাসিন্দা।

জানা গেছে, ২৬ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি কেরালা রাজ্যের এর্নাকুলামে পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। কয়েকদিন ধরেই তার তীব্র জ্বর। এছাড়া হাত-পা-গলা এবং গায়ে ব্যথা, বমি বমি ভাব রয়েছে। এসব সমস্যা দেখা দেওয়ায় কলকাতার ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি।

তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে সেখান থেকে কলকাতার বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে তাকে আইসোলেশনে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্র জানিয়েছে, ওই তরুণের দুই সঙ্গী সম্প্রতি কেরালায় জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। তাই ওই তরুণের ক্ষেত্রে আর কোনো ঝুঁকি নেওয়া হয়নি। তাকে সঙ্গে সঙ্গেই আইসোলেশনে রেখে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

মঙ্গলকোটের ওই তরুণ কেরালার এর্নাকুলামে পরিযায়ী শ্রমিকের কাজ করেন। তিনি সেখানে যে ঘরে থাকতেন সেই ঘরে সন্দেহজনক জ্বরে আক্রান্ত হয়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। সে কারণেই তিনি নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত বলে সন্দেহ দেখা দিয়েছে।




বরিশালে ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু

বরিশাল অফিস:  বরিশালে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে বিভাগে ৮২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে আরও ৪৪২ জন রোগী ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

মৃতরা হলেন- বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার শাহানুর (৬৫), জেলার উজিরপুর উপজেলার আনিস সরদার (৪০) ও ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলার ফারুক মোল্লা (৫০)।

বুধবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বরিশালের উপ-পরিচালক ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মণ্ডল এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, মৃত তিনজনই শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এখন পর্যন্ত বরিশালে ৫৭ জন, ভোলায় আটজন, বরগুনায় পাঁচজন ও পিরোজপুরে সাতজন ও পটুয়াখালীত পাঁচজন মারা গেছেন।

তিনি আরও বলেন, ডেঙ্গু রোধে সচেতনতাই জরুরি। মানুষ সচেতন না হলে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কমানো যাবে না। বিভাগের সব সরকারি হাসপাতালগুলোতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে ডেঙ্গু রোগীদের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিতে।

স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য মতে, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের ছয় জেলার বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে নতুন ভর্তি হয়েছেন ৪৪২ রোগী। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি বরিশালে ১৪৬ জন, পটুয়াখালীতে ৯৯ জন, পিরোজপুরে ৭২ জন, ভোলায় ৪৯ জন, বরগুনা ৬৭ জন ও ঝালকাঠিতে ৯ জন।

এছাড়া চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে ২০ হাজার ৭৯৯ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। এরমধ্যে সুস্থ হয়েছেন ১৯ হাজার ৪৯৩ জন। এখনো বিভাগের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এক হাজার ২২৪ জন।




বরিশালে ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৩৪২

মঙ্গলবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের ছয় জেলার বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে নতুন ভর্তি হয়েছেন ৩৪২ রোগী। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বরিশালে ১১০ জন, পটুয়াখালীতে ৯৯ জন, পিরোজপুরে ৫৪ জন, ভোলায় ৪৯ জন, বরগুনা ২৭ জন ও ঝালকাঠিতে ১২ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মণ্ডল বলেন, মৃত দুজনই শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এছাড়া বিভাগে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন মোট ৭৯ জন। এর মধ্যে বরিশালে ৫৪ জন, ভোলায় আটজন, বরগুনায় পাঁচজন ও পিরোজপুরে সাতজন ও পটুয়াখালীতে পাঁচজন।




মহিপুরে ভোক্তা অধিকারের অভিযান, ৫ ব্যবসায়ীকে জরিমানা

 

মো:আল-আমিন, পটুয়াখালী: পটুয়াখালীর মহিপুরে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে পাঁচ ব্যবসায়ীকে ৪৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

সোমবার (১৮ সেপ্টেম্বর ) দুপুরে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর পটুয়াখালীর সহকারী পরিচালক শাহ মো. সোয়াইব মিয়া ও উপজেলা স্যানিটারী ইন্সপেক্টর মৃনাল চন্দ্র দেবনাথ মহিপুর ও আলিপুরে এ অভিযান পরিচালনা করেন।

এ সময় মহিপুরের আল্লাহর দান বেকারীতে নিষিদ্ধ পণ্য মিশ্রণ ও অবৈধ পণ্য উৎপাদনের দায়ে ২০ হাজার টাকা, মূল্য তালিকা না থাকার দায়ে তিনটি মুদি দোকানে ৩ হাজার করে মোট ৯ হাজার, একটি ফার্মেসীতে মেয়াদ উত্তীর্ণ ঔষধ রাখার দায়ে ৩ হাজার ও আলিপুরের একটি মুদি দোকানে মেয়ার উত্তীর্ণ পণ্য রাখার অপরাধে ১৫ হাজার টাকা সহ মোট ৪৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর পটুয়াখালী জেলার সহকারী পরিচালক শাহ মো. সোয়াইব মিয়া বলেন, অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযান অব্যাহত থাকবে।