ফ্রিজে কাঁচা ও সেদ্ধ ডিম কতদিন রেখে খাওয়া যাবে?

প্রতিটি খাবারই একটি নির্দিষ্ট সময়কাল পর্যন্ত ভালো থাকে। তাই খাবার সংরক্ষণের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা জরুরি, না হলে স্বাস্থ্যে এর গুরুতর প্রভাব পড়তে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিম এক মাস পর্যন্ত কাঁচা অবস্থায় ফ্রিজের নরমালে রাখা যায়। তবে সেদ্ধ করা ডিম এক সপ্তাহের বেশি ফ্রিজে রাখলে তা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হয়ে ওঠে।

পুষ্টিবিষয়ক ওয়েবসাইট আমেরিকান এগ বোর্ডের মতে, সঠিক পদ্ধতিতে রাখলে এক সপ্তাহ সেদ্ধ ডিম সংরক্ষণ করতে পারবেন। এক্ষেত্রে খোসা ছাড়ানো যাবে না।

খোসাসহ রাখতে হবে ফ্রিজে। সব ধরনের ডিম ৪০ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা ৪ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলিসিয়াসের নিচের তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করতে হবে।

আমেরিকার ‘সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন’র তথ্যানুসারে, দ্রুত নষ্ট হয়ে যেতে পারে এমন খাবারের মধ্যে ডিম সেদ্ধ করার পর সাধারণত ২ ঘণ্টার মধ্যে খেয়ে ফেলা উচিত। কারণ ডিম খুব তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়ে যায়।

ডিম সংরক্ষেণের আরও এক পদ্ধতি আছে। এক্ষেত্রে প্রথমে ডিমগুলো বাছাই করে আলাদা করে নিন। এবার একটি পাত্র নিয়ে তার মধ্যে সবগুলো ডিমগুলো ভেঙে নিতে হবে। এবার ডিমে সামান্য লবণ মিশিয়ে দিন।

এরপরে সব একসঙ্গে ফেটান। তবে খুব বেশি ফেটাবেন না। তাতে ডিমের স্বাদ নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তারপরর ফ্রিজের বরফ জমানোর ট্রের মধ্যে এই তরল ডিম ঢেলে ঢেলে ভর্তি করে দিন। তারপরে সেই ট্রে ডিপ ফ্রিজে রাখুন।

এভাবে সংরক্ষণে ডিমগুলো দীর্ঘদিন ভালো থাকবে আবার পুষ্টিগুণও কমবে না। তবে ডিম ঢালার আগে বরফ জমানোর ট্রে ভালো করে পরিষ্কার করে নেবেন। না হলে ডিম নষ্ট হয়ে যেতে পারে। ঠিকভাবে রাখলে এই পদ্ধতিতে দীর্ঘ এক বছর পর্যন্ত ভালো থাকবে ডিম।

সূত্র: হেলথলাইন/টাইমস অব ইন্ডিয়া




দাঁত ভালো আছে কি না বুঝে নিন ৬ লক্ষণে

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : দাঁতের স্বাস্থ্য ভালো রাখা খুবই জরুরি, না হলে বিভিন্ন রাগ বাসা বাঁধতে পারে শরীরে। মুখের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে হলে আগে দাঁতের যত্ন নিতে হবে। অনেকেই আছেন যারা দাঁত ভালো রাখতে শুধু নিয়ম করে এক বা দু’বেলা ব্রাশ করেন।

তবে জানলে অবাক হবেন, দাঁত ভালো রাখার অন্যতম উপায় হলো নিয়মিত দাঁত পরীক্ষা করা ও বছরে বা ছয় মাস অন্তর ডেন্টিস্টের পরামর্শ নেওয়া।

হয়তো ভাবছেন, আপনার দাঁত ভালো আছে তবে আদতে তা নাও হতে পারে। সুস্থ দাঁতের কয়টি লক্ষণ থাকে, চলুন তা জেনে নেওয়া যাক-

স্বাস্থ্যকর মাড়ি
২. দুর্গন্ধমুক্ত শ্বাস-প্রশ্বাস
৩. ক্যাভিটিসমুক্ত দাঁত
৪. মজবুত দাঁত
৫. একই রঙের দাঁত
৬. স্বাস্থ্যকর জিহ্বা।

আপনার মুখ ও দাঁতের সুস্থতা ধরে রাখতে নিয়মিত ভিটামিন সি, ভিটামিন ডি ও ক্যালসিয়াম জাতীয় খাবার খেতে হবে। কোমলপানীয় যতটা সম্ভব বর্জন করতে হবে।

বেশি বেশি দুধ-ডিম খেতে হবে। দাঁত সুন্দর রাখতে খাওয়া যেতে পারে পনিরও। পাশাপাশি নিয়মিত রাতে খাবার পর ও সকালে নাস্তার পর দুইবার ব্রাশ করতে হবে।




বরিশাল বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চার নারীসহ পাঁচজনের মৃত্যু : শনাক্ত ৩০৭

বরিশাল অফিস : বরিশাল বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চার নারীসহ পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে ৩০৭ জনের। বুধবার (১১ অক্টোবর) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বরিশালের উপ-পরিচালক ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মণ্ডল এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

মৃতরা হলেন- বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার উজ্জলা বেগম (৭৫), বরগুনা সদর উপজেলার এমদাদুল হক (৬২), পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার আলো বেগম (৩৫), ভোলা জেলার দৌলতখান উপজেলার কুলসুম (৬০) ও পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার লাবনী আক্তার (২৮)। এর মধ্যে তিনজন বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও একজন পিরোজপুর সদর হাসপাতালে ভোলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মণ্ডল বলেন, চলতি বছর এখন পর্যন্ত বরিশালের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে ২৭ হাজার ৯৭৫ জন ডেঙ্গুরোগী ভর্তি হয়েছেন। এরমধ্যে সুস্থ হয়েছেন ২৬ হাজার ৮৬১ জন। মারা গেছেন ১২৩ জন। এর মধ্যে বরিশালের দুই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন ৮৯ জন, ভোলা সদর হাসপাতালে নয় জন, বরগুনা সদর হাসপাতালে পাঁচজন, পিরোজপুর সদর হাসপাতালে ১২ জন ও পটুয়াখালীর দুই হাসপাতালে সাতজন ও ঝালকাঠি হাসপাতালে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশালে সর্বোচ্চ ১০৩, পটুয়াখালীতে ৫৯ জন, পিরোজপুরে ৬৪ জন, ভোলায় ১৮ জন, বরগুনায় ৫৩ জন ও ঝালকাঠিতে ১০ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে। বুধবার সকাল পর্যন্ত ছয় জেলার বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে ৯৯১ ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী ভর্তি রয়েছেন।




হানিফ ফ্লাইওভারে ১০ বছরে নিহত ১ হাজার ১৪৬ : আলাদা লেন না থাকায় বেশি দুর্ঘটনা মোটরসাইকেলে

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : গত ১০ বছরে মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় ১ হাজার ১৪৬ জন নিহত হয়েছেন। আর আহত হয়েছেন ৬ হাজার ৩১২ জন। সবচেয়ে বেশি নিহত মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায়। এ তথ্য জানিয়েছে স্বেচ্ছাসেবী গবেষণাধর্মী সংগঠন সেভ দ্য রোড। দেশের ২১টি জাতীয় পত্রিকা, ২২টি নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল, বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স গণমাধ্যম থেকে এ তথ্য সংগ্রহ করে সংগঠনটি। ২০১৩ সালে হানিফ ফ্লাইওভার উদ্বোধনের পর থেকে ২০২৩-এর ১০ অক্টোবর পর্যন্ত এই পরিসংখ্যান দেওয়া হয়।

সেভ দ্য রোড জানায়, ২০১৩ সালের ১১ অক্টোবর থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ছোট-বড় ১৮৮টি দুর্ঘটনা হয় হানিফ ফ্লাইওভারে। এরমধ্যে ১৫৮ জন আহত এবং নিহত হন ৩০ জন। পরের বছর ২০১৪ সালে ৭৩২টি দুর্ঘটনা হয়। যাতে ৫৫৩ জন আহত এবং ১৫৫ জন নিহত হন।

সেভ দ্য রোডের মহাসচিব শান্তা ফারজানা জানান, পৃথক  মোটরসাইকেল লেন না থাকা, যথাযথ তদারকি না করা, নিয়ম না মেনে দ্রুত গতিতে যানবাহন চালানো ও স্লিপারগুলো দুর্ঘটনামুক্ত করার জন্য উপযোগী না হওয়ায় প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা ঘটে চলছে।




শিশুর স্মৃতিশক্তি বাড়াতে উপকারী ৭ খাবার

চন্দ্রদীপ ডেস্ক: শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশের জন্য সুষম খাবার খুবই জরুরি। এমন কিছু খাবার আছে যেগুলো নিয়মিত খেলে শিশুদের মস্তিষ্কের দ্রুত বিকাশ হয়, তাদের স্মৃতিশক্তি বাড়ায়। যেমন-

ডিম: ডিমে পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রোটিন রয়েছে। শিশুদের পুষ্টির জন্য ডিম অত্যন্ত উপকারী।

ঘি এবং দই: ঘি এবং দই- দুই খাবারেই প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন পাওয়া যায়। দুটি খাবারই মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়ায়।

ওটমিল: প্রোটিন ও ফাইবারে ভরপুর ওটমিল মস্তিষ্কের ধমনী পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে।

আপেল: শিশুকে নিয়মিত আপেল খাওয়াতে পারেন। এই ফলটি মস্তিষ্কের গঠনে সহায়তা করে।

বাদাম এবং বীজ: বাদাম এবং বীজ স্নায়ুতন্ত্রকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে। দুধের সঙ্গে বাদাম মিশিয়ে খেতে পারেন।

মাছ : মাছ ভিটামিন ডি এবং ওমেগা থ্রি’র দুর্দান্ত উৎস। এই দুই উপাদান মস্তিষ্কের গঠনের জন্য উপকারী।

শাক ও সবজি: শাক ও সবজিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন থাকে যা শিশুর মস্তিষ্ক গঠনে সহায়তা করে।




ফ্যাটি লিভার সারাতে কাজ করে রান্নাঘরের যে উপাদান

অতিরিক্ত চর্বি জমলে লিভারের কার্যকারিতা কমে যায়, ফলে সামগ্রিক স্বাস্থ্যে এর ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। তবে বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন, ওজন বশে আনা ও স্বাস্থ্যকর জীবনধারা বজায় রাখার মাধ্যমে খুব সহজেই নন অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভারের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে আনা যায়।

নন অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজের কারণে (এনএএফএলডি) লিভারে প্রদাহ ও চর্বি জমে, যা বছরের পর বছর ধরে কার্ডিওভাসকুলার রোগ, ডায়াবেটিস এমনকি লিভার সিরোসিসের ঝুঁকি বাড়ায়।

তবে নন অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার প্রাথমিক অবস্থায় শনাক্ত হলে ঘরোয়া উপাদানের মাধ্যমেই তা নিয়ন্ত্রণে আনা যায়, এমনটিই দাবি গবেষণার।

প্রতিদিনের খাবারে হলুদ অন্তর্ভুক্ত করলেই নাকি লিভারে জমা অতিরিক্ত চর্বি দূর হবে। মেডিকেল নিউজ টুডে উল্লেখ করেছে ও বেশ কয়েকটি গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, হলুদের কারকিউমিন নামক একটি যৌগ প্রদাহ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

জার্নালটি ২০২১ সালের এনএএফএলডিতে আক্রান্ত ৬৪ জনের উপর পরিচালিত একটি গবেষণার উদ্ধৃতি দিয়েছে ও কীভাবে ২ গ্রাম হলুদ গ্রহণ লিভারের এনজাইম, সিরাম ও ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে তা জানিয়েছে।

এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা জানান, নন অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভারে আক্রান্তরা সকালের চায়ের মতো করে হলুদ মেশানো পানি পানেই লিভারের চর্বি কাটাতে পারবেন। এই পানীয় চর্বি কমাতে ও লিভারের কার্যকারিতা উন্নত করতে সাহায্য করে।

এই পানীয় তৈরি করতে ১ গ্লাস গরম পানি নিন, এতে এক চিমটি হলুদ গুঁড়া ও ১ চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে খালি পেটে পান করুন। এর প্রভাব বাড়াতে এক চিমটি দারুচিনি গুঁড়াও মেশাতে পারেন।

পাশাপাশি অতিরিক্ত চিনি, লবণ, পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট ও স্যাচুরেটেড ফ্যাট আছে এমন খাবার একেবারেই খাওয়া যাবে না। আর যারা অ্যালকোহলে আসক্ত তারা অবশ্যই এটি এড়িয়ে চলবেন।

অন্যান্য প্রতিকার

আরও একটি গবেষণা অনুসারে, কফি লিভারের জন্য বেশ কয়েকটি সুরক্ষামূলক সুবিধা দেয়। এটি প্রমাণিত হয়েছে যে, লিভারের এনজাইম তৈরিতে (যা প্রদাহের বিরুদ্ধে লড়াই করে) সাহায্য করে কফি।

এটাও প্রমাণিত যে, এনএএফএলডি আক্রান্ত ব্যক্তিদের লিভারের সামগ্রিক ক্ষতি কমাতে নিয়মিত কফি খাওয়া উচিত। বিশেষজ্ঞদের মতে, কালো কফি হলো সর্বোত্তম বিকল্প। কারণ এতে কোনো অতিরিক্ত চর্বি বা চিনি থাকে না।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া




ভারতে ওষুধ তৈরির কারখানায় আগুন, নিহত ৪

চন্দ্রদীপ ডেস্ক: ভারতের অমৃতসরে একটি ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতের এ ঘটনায় চারজন মারা গেছেন।

অমৃতসরের মাঝিঠা সড়কে এ ঘটনা ঘটে। কী কারণে সেখানে আগুন লাগল, তা এখনো স্পষ্ট নয়। কারখানায় অতিরিক্ত পরিমাণে রাসায়নিক দ্রব্য মজুত থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

অগ্নিকাণ্ডের সময় কারখানায় কাজ চলছিল। এর ফলে আগুন লাগার কারণে কয়েকজন শ্রমিক কারখানার মধ্যেই আটকে পড়েন। কয়েকজন শ্রমিককে উদ্ধার করা হলেও চারজনের মৃত্যু হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছেন।

সেখানে এখনো উদ্ধার তৎপরতা চলছে। এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতের আরও এক শহরে অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার ভোরে মুম্বাইয়ের গোরেগাঁও এলাকায় একটি বহুতল ভবনে আগুন লাগে। এ ঘটনায় কমপক্ষে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডে আহত হয়েছেন ৪০ জনেরও বেশি মানুষ। স্থানীয় সময় ভোর ৩টা ৫ মিনিটে ওই বহুতল ভবনে আগুন লাগে। সকাল ৬টায় দমকল বাহিনীর চেষ্টায় সেখানকার আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। ইন্ডিয়া টুডে।

 




হঠাৎ প্রেশার কমে গেলে যা করবেন

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : যেকোনো সুস্থ মানুষের ক্ষেত্রে রক্তচাপের স্বাভাবিক মাত্রা হলো ১২০/৮০। হঠাৎ প্রেশার কমে গেলে অর্থাৎ রক্তচাপ ৯০/৬০ বা এর কাছাকাছি থাকলে তাকে লো ব্লাড প্রেশার বলা হয়। প্রেশার খুব বেশি কমে গেলে তা কিডনি, হৃৎপিণ্ড ও মস্তিষ্কে মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে। কারণ এর ফলে সেসব জায়গায় রক্ত চলাচল ঠিকভাবে হয় না। অধিকাংশ ক্ষেত্রে অতিরিক্ত পরিশ্রম, ভয়, দুশ্চিন্তা ও স্নায়ুর দুর্বলতার কারণে এমনটা হতে পারে।

প্রেশার কমে যাওয়ার লক্ষণ

প্রেশার কমে যাওয়ার লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে ক্লান্তি, অবসাদ, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, বমি বমি ভাব, বুক ধড়ফড় করা, অবসাদ, দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে আসা, স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে কষ্ট, অতিরিক্ত ঘাম, ডায়রিয়া, অনেক বেশি বমি হওয়া ইত্যাদি। গর্ভবতী মায়েদের ক্ষেত্রে প্রথম ৬ মাস হরমোনের প্রভাবে প্রেশার কমে যেতে পারে।

যা যা করতে হবে

লবণ-পানি: হঠাৎ প্রেশার কমে গেলে এক গ্লাস পানিতে ২ চা-চামচ চিনি ও ১-২ চা-চামচ লবণ মিশিয়ে খেয়ে নিতে হবে। কারণ লবণে সোডিয়াম থাকে, তাই এটি রক্তচাপ বাড়াতে কাজ করে। আপনার যদি ডায়াবেটিস থাকে তাহলে চিনি এড়িয়ে যাবেন।

কফি: কফি প্রেশার বাড়াতে দারুণভাবে কাজ করে। স্ট্রং কফি, হট চকোলেট ও ক্যাফেইন রয়েছে এমন যেকোনো পানীয় দ্রুত ব্লাড প্রেশার বাড়াতে কাজ করে। আপনার যদি অনেক দিন ধরে এই সমস্যায় ভুগে থাকেন তাহলে সকালে ভারী নাস্তা করার পর ১ কাপ কফি খেয়ে নেবেন। এতে উপকার পাবেন।

পুদিনা পাতা: উপকারি পাতা পুদিনা। এর সুগন্ধ ও স্বাদ অনন্য। তবে এসব ছাড়াও পুদিনার রয়েছে দুর্দান্ত উপকারিতা। এই পাতায় থাকে ভিটামিন ‘সি’, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম ও প্যান্টোথেনিক উপাদান। এগুলো দ্রুত ব্লাড প্রেশার বাড়ানোর পাশাপাশি দূর করে মানসিক অবসাদও। পুদিনা পাতা বেটে নিয়ে তার সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে উপকার পাবেন।

বিটের রস: হাই ও লো প্রেশার দুই ক্ষেত্রেই সমান উপকারী হলো বিটের রস। এটি রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতেও সাহায্য করে। রক্তচাপজনিত সমস্যা থাকলে এক সপ্তাহ বিটের রস খেলেই উপকার পাবেন। পেশ্রার কমে গেলেও ৫টি কাঠবাদাম ও ১৫-২০টি চিনাবাদাম খেতে পারেন।

যষ্টিমধু: যষ্টিমধু বিভিন্ন রোগের মহৌষধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে প্রাচীনকাল থেকেই। হঠাৎ প্রেশার কমে গেলেও এটি কাজে লাগাতে পারেন। এককাপ পানিতে ১০০ গ্রাম যষ্টিমধু মিশিয়ে রেখে দিন। ২-৩ ঘণ্টা পর পানিটুকু খেয়ে নিন। এতে প্রেশার বেড়ে যাবে।




ক্যানসারের সঙ্গে লড়েই মা হলেন সিঁথি

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : কন্যা সন্তানের মা হয়েছেন সংগীতশিল্পী সিঁথি সাহা। বেশ কিছুদিন ধরে ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করেই সুদূর নিউজিল্যান্ডে প্রথমবারের মতো সন্তানের জন্ম দিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (৫ অক্টোবর) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে সদ্য নবজাতকের সঙ্গে তোলা একটি ছবি প্রকাশ করে ভক্তদের সঙ্গে সুখবরটি ভাগ করে নেন সিঁথি। এসময় নিজের কন্যা সন্তানের নামও জানিয়েছেন এই গায়িকা। মেয়ের নাম রেখেছেন সামারা জয়ী।

এ বিষয়ে সিঁথি জানান, গত ১৯ সেপ্টেম্বর সন্তানের মা হয়েছেন তিনি। বর্তমানে মেয়েকে নিয়ে নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ড সিটিতে অবস্থান করছেন।

এই গায়িকা বলেন, ‘গত বছর একটা খবর আমার জীবনকে ওলটপালট করে দেয়। আমি জানতে পারি, আমার শরীরে ক্যানসার বাসা বেঁধেছে। ব্রেস্ট ক্যানসারে আক্রান্ত হই। আমি তো প্রায় মারাই যাচ্ছিলাম। বারবার মনে হলো, ক্যানসারের কাছে হেরে যাওয়ার আগে আমার অস্তিত্ব রেখে যেতে চাই এই সুন্দরী পৃথিবীতে। আমি এখন অনেক খুশি।’

সন্তানকে নিয়ে আগামী নভেম্বরেই দেশে ফিরতে পারেন বলে জানিয়েছেন এই সংগীতশিল্পী। দেশে ফিরলে আবারও গানে নিয়মিত হওয়ার ইচ্ছেও প্রকাশ করেছেন তিনি।




কনিকা ডায়াগনস্টিক থেকে ভূয়া ডাক্তার ও টেকনিশিয়ান আটক

 

বরিশাল অফিস: বরিশাল শেরই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিপরীতে একটি ডায়গনষ্টিক ল্যাব থেকে ভুয়া চিকিৎসককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ল্যাবের এক চিকিৎসক ভুয়া চিকিৎসককে ধরে পুলিশে সোপর্দ করেন। এ সময় পুলিশ ল্যাবের এক্সরে টেকনেশিয়ান সোহরাব ও তার সহকারী আব্দুর রাজ্জাককে নিয়ে গেছে।

আটককৃত ভুয়া চিকিৎসক হলো-ইমরান হোসাইন রানা (৩৩) সে নিজেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইমারজেন্সী মেডিকেল অফিসার পরিচয় দিয়েছেন। রানা নারায়নগঞ্জের পাগলা পূব পাড়া এলাকার হাবিবুর রহমানের ছেলে।
তার প্রেসক্রিপসনে প্যাডে এমবিবিএস (বিসিএস স্বাস্থ্য) ইএফএইচ (ইন্ডিয়া), এফসিপিএস (মেডিসিন) সিসিডি (বারডেম) ঢাকা, মেডিকেল অফিসার (মেডিসিন বিভাগ) ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল বলে উল্লেখ করেছেন।

পেশার ও জাতীয় পরিচয় পত্রে সঠিক নাম উল্লেখ করলেও প্রেসক্রিপসন প্যাডে নিজের নাম লিখেছে ডা. ইমরাম হোসনে রানা। ভুয়া চিকিৎসক রানা শেরই বাংলা মেডিকেল হাসপাতালের বিপরীতে বান্দ রোডে কনিকা ডিজিটাল ডায়াগনষ্টিক ল্যাবে চেম্বারে রোগী দেখছিলেন।
ওই ল্যাবের চিকিৎসক ঝালকাঠি সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স’র জেনারেল ফিজিশিয়ান ডা. রিফাত আহমেদ জানান, তিনি রোগী দেখে নিচে নামেন। পরে ল্যাবের পরীক্ষার রিপোর্ট দেখতে গিয়ে ভুয়া চিকিৎসক রানার প্রেসক্রিপসন দেখতে পায়। তখন তার সন্দেহ হলে রানার পরিচয় জানতে চান। তাকে দেখানো কার্ড ও রেজিস্ট্রেশন নাম্বার ভুয়া মনে হলে রানাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।

রোগীর স্বজন মো. হানিফ জানান, তার মা জয়ফুল বেগমকে ডাক্তার দেখাতে কলাপাড়া থেকে বরিশাল নগরীতে আসেন। এসে রানার বাসায় উঠেন। রানা তাকে নিয়ে কনিকা ডিজিটাল ডায়াগনষ্টিক ল্যাবে নিয়ে যায়। সেখানে নেয়ার পর রানা নিজের প্যাডে পরীক্ষা লিখে দেয়। পরীক্ষা করতে গিয়ে ধরা পড়েছে।

এ বিষয়ে কোতয়ালী মডেল থানার ওসি আনোয়ার হোসেন জানান, একজন ভুয়া চিকিৎসক ও ডায়াগনষ্টিক ল্যাবের এক্সরে টেকনেশিয়ান এবং তার সহকারীকে জনতা সোপর্দ করেছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।