দাঁত ঝকঝকে সাদা করুন সহজ ঘরোয়া উপায়ে




পাইলস কেন হয়? জানুন লক্ষণ ও সমাধানের উপায়

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  পাইলসে ভুগছেন এমন মানুষের সংখ্যা কম নয়। বর্তমানে কমবয়সীদের মধ্যেও এ সমস্যা বাড়ছে। এর কারণ হলো অনিয়মিত জীবনযাপন ও অস্বাস্থ্যকর খাবারের অভ্যাস। চিকিৎসার ভাষায় একে হেমোরয়েড বলা হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, পাইলস হলে মলদ্বারের চারপাশ ফুলে যায়। এটি এমন একটি রোগ যাতে মলদ্বারের ভেতরে ও বাইরের শিরাগুলো ফুলে যায়। আবার মলদ্বারের ভেতরে ও বাইরের অংশে কিছু মাংস জমা হয়।

এসব মাংসপিণ্ড থেকে রক্তপাতের পাশাপাশি প্রচণ্ড ব্যথা হয়। বিশেষত খুব গরম ও মসলাদার খাবার খেলে এই সমস্যা হয়। একই সঙ্গে পরিবারের কারো যদি এ সমস্যা থাকে, তাহলে পরবর্তী প্রজন্মেও রোগটি স্থানান্তরিত হয়।

পাইলস কেন হয়?

বিশেষজ্ঞদের মতে, পায়ুদ্বারের ভেতরে অনেকগুলো শিরা থাকে। দীর্ঘদিন কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে সেই শিরা সাধারণত ফুলে যায়। তারপর ওই স্থান শক্ত হয়ে ছিঁড়ে যায় ও রক্তপাত হয়। এ সমস্যারই নাম পাইলস বা হেমোরয়েডস। রক্তপাতই এ অসুখের প্রধান ও অন্যতম লক্ষণ।

সাধারণত মলত্যাগের সঙ্গেই রক্তপাত হতে থাকে। এছাড়া ব্যথাও হয় অনেকের। তবে সবারই যে অসহ্য যন্ত্রণা হয় তা কিন্তু নয়। এ ক্ষেত্রে প্রাথমিক অবস্থায় এ রোগ ধরা পড়লে সহজেই সমস্যার সমাধান করা যায়।

পাইলসের লক্ষণ কী?

>> মলত্যাগের সময় অস্বাভাবিক ব্যথা বা জ্বালাপোড়া
>> মলের মঙ্গে রক্ত পড়া
>> মলদ্বারের চারপাশে ফোলা বা পিণ্ডভাব
>> মলদ্বারের কাছে চুলকানি ও
>> রক্তপাত।

পাইলস রোগের সমাধান কী?

এ বিষয়ে ভারতের কলকাতার ঢাকুরিয়া আমরি হাসপাতালের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. রুদ্রজিৎ পাল জানান, প্রথমেই কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে দূরে যেতে হবে।

কনস্টিপেশন কমাতে পারলেই এ সমস্যা কমবে। আর ঘরোয়া উপায়ে পাইলসের সমস্যার সমাধান করতে কয়েকটি নিয়ম মানতে হবে। সেগুলো হলো-

ফাইবারজাতীয় খাবার

পাইলসের রোগীদের অবশ্যই ফাইবার বা আঁশজাতীয় খাবার খেতে হবে। ফাইবার মল নরম করতে ও নিয়মিত মলত্যাগে সাহায্য করে।

পানি পান করুন

অনেকেই দিনে পর্যাপ্ত পানি পান করেন না। ফলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বেড়ে যেতে পারে। তাই পানি পান করতেই হবে। শরীরের আর্দ্রতা বজায় রাখতে পারলে অনেক রোগেরই ঝুঁকি কমবে।

শরীরচর্চার বিকল্প নেই

রুদ্রজিৎ পাল এ বিষয়ে জানান, সুস্থ থাকতে হলে ব্যায়াম করতেই হবে। ব্যায়াম করলে অন্ত্রের চলন ঠিক থাকে। ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে দূরে থাকতে পারবেন। দিনে অন্ততপক্ষে ৪৫ মিনিট ব্যায়াম করুন।

শিশুদের টয়লেট ট্রেনিং দিন

এই চিকিৎসকের মতে, বেশিরভাগ সময় দেখা যায় টয়লেট ট্রেনিং ঠিকমতো না হওয়ার কারণে শিশুরা অনিয়মিত মলত্যাগ করছে। এতে ছোট থেকেই শিশু কোষ্ঠকাঠিন্যে ভুগতে শুরু করে ও অল্প বয়সেই সে পাইলসের রোগী হয়ে যায়।

এসব নিয়ম মেনেও যদি পাইলসের সমস্যা না কমে তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে ওষুধ খেতে হবে। এই অবস্থায় ল্যাক্সেটিভসহ বেশ কিছু ওষুধ দারুণ কার্যকরী বলে জানান ডা. রুদ্রজিৎ পাল।

তবে এই রোগ আরও গভীরে চলে গেলে ওষুধেও একসময় কাজ হয় না। তখন করতে হয় সার্জারি। এখন উন্নত প্রযুক্তি দ্বারা এ অপারেশন করা হয়, যা খুবই নিরাপদ। সার্জারির পরে রোগী খুব সহজেই সুস্থ হয়ে যান।

সূত্র: ওয়েবএমডি/মায়োক্লিনিক




পুষ্টিগুণে ভরা লাউ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  স্বাদে ও পুষ্টিগুণে ভরপুর সবজি হলো লাউ। এটি খেলে পেট ঠান্ডা থাকে। হজমের সমস্যা হয় না। শরীরের জন্য খুবই উপকারী এই সবজি দিয়ে নানা রকম রান্না সহজেই রেঁধে ফেলা যায়।



দেশে দ্বিতীয়বারের মতো ক্যাডাভেরিক কিডনি প্রতিস্থাপন সম্পন্ন

চন্দ্রদীপ নিউজ: বাংলাদেশে দ্বিতীয়বারের মতো ক্যাডাভেরিক প্রক্রিয়ায় ‘ব্রেইন ডেড’ ঘোষিত মানুষের কিডনি অন্য দুজন কিডনি বিকল মানুষের দেহে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। বর্তমানে দুজনই সুস্থ রয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাত ৯টায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) এবং মিরপুরস্থ কিডনি ফাউন্ডেশন হাসপাতাল এন্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটে এ ধরণরে কিডনি প্রতিস্থাপন করা হয়।

বিএসএমএমইউতে ক্যাডাভেরিক ট্রান্সপ্লান্ট পদ্ধতিতে কিডনি প্রতিস্থাপন টিমের প্রধান ছিলেন বিএসএমএমইউর প্রক্টর ও দেশের বিশিষ্ট ইউরোলজিস্ট অধ্যাপক ডা. মো. হাবিবুর রহমান দুলাল।

রাতেই ট্রান্সপ্লান্ট টিমের ছবিসহ ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, Alhamdullilah, just we have completed 2nd cadaveric renal transplantation in Bangabandhu sk Mujib Medical university.

ক্যাডাভেরিক ট্রান্সপ্লান্টের শুরুতে বিএসএমএমইউ উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ কেবিন ব্লকের ওটিতে আসেন। সেখানে অঙ্গদাতা মো. মাসুমের পরিবারের সদস্য ও গ্রহীতার স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেন।

এসএমএমইউ উপাচার্য অধ্যাপক শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘৩৮ বছরের একজন পুরুষকে বৃহস্পতিবার ব্রেইন ডেড ঘোষণা করা হয়। তিনি মস্তিষ্কে আঘাতজনিত কারণে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে চিকিৎসাধীন ছিলেন।




সাফল্য : ১১ বছরে প্রথম শুনতে পেল বধির শিশু

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : ১১ বছর আগে মরক্কোতে জন্মগ্রহণ করে আইসাম ড্যাম। তখন থেকেই কানে শুনতে পেত না সে। তবে যুগান্তকারী জিন থেরাপি চিকিৎসায় প্রথমবারের মতো শুনতে পেয়েছে বধির শিশুটি। যুক্তরাষ্ট্রের ফিলাডেলফিয়ার শিশু হাসপাতালে (সিএইচওপি) চিকিৎসার পর সে কানে শুনতে পায় বলে জানিয়েছেন শিশুটির বাবা। এএফপির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

থেরাপির পর আইসাম গাড়ি ও কাঁচির শব্দ শুনতে পেয়েছে বলে জানান তার বাবা। জানা গেছে, শুনতে পেলেও হয়তো কথা বলতে পারবে না সে। হাসপাতালের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে এই প্রথম যুগান্তকারী জিন প্রতিস্থাপন করেছে ফিলাডেলফিয়ার শিশু হাসপাতাল। জন্মগত বধিরদের কানে শোনার জন্য এই চিকিৎসাপদ্ধতি আশা জাগিয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। পাশাপাশি এই পদ্ধতির প্রশংসাও করা হয়েছে।

সিএইচওপির অটোল্যারিঙ্গোলজি বিভাগের ক্লিনিক্যাল গবেষণার পরিচালক সার্জন জন জার্মিলার বলেন, শ্রবণশক্তির ক্ষেত্রে জিন থেরাপি এমন একটি বিষয় যা নিয়ে চিকিৎসক ও বিজ্ঞানীরা ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে কাজ করছেন। শিশুকালে শ্রবণশক্তি হারানো শিশুদের পুনরায় শোনার আশা ব্যক্ত করেন তিনি।

জার্মিলার আরও বলেন, এই কাজ বা গবেষণা ভবিষ্যতে ১৫০টিরও বেশি জিন নিয়ে কাজ করবে। যে জিনগুলো মূলত শ্রবণশক্তি হ্রাস করে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ নিয়ন্ত্রক ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের গবেষণা উদ্ধৃত করে নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, নতুন করে শুনতে পাওয়া আইসাম হয়তো কখনো কথা বলতে পারবে না। কারণ কথা বলা শেখার মস্তিষ্কের স্তরটি প্রায় পাঁচ বছর বয়সেই বন্ধ হয়ে যায়।

আইসাম এক বিরল কারণে বধির হয়ে জন্মগ্রহণ করেছিল বলে জানা গেছে। জন্মস্থান মরক্কোতে হলেও পরে স্পেনে চলে যায় সে।




বাসুদেবপাশা চরে বিশুদ্ধ পানির অভাব, নেই বিদ্যুৎ সুবিধা

 

মো:আল-আমিন, পটুয়াখালী: পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার ধুলিয়া ইউনিয়নের তেঁতুলিয়া নদীর মাঝে জেগে ওঠা বাসুদেবপাশা চরে বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে; ফলে জীবনযাপন দুর্বিসহ হয়ে উঠেছে । বাসুদেবপাশা গ্রামের এই ছোট্ট চরে অর্ধ শতাধিক পরিবারের বসবাস। অথচ এখানে বিশুদ্ধ পানি উত্তোলনে নেই কোনো আধুনিক সুযোগ সুবিধা। তাই খাবার পানির জন্য হাহাকার, কোন রকম বেঁচে থাকার লড়াই চালাচ্ছেন এখানকার বাসিন্দারা।

তারা জানান, বিশুদ্ধ খাবার পানি আনতে ঝুঁকি নিয়ে পাড়ি দিতে হয় ২০ কিলোমিটার নৌপথ।

শুধু তাই নয়, বিশুদ্ধ খাবার পানির অভাবে ডায়রিয়া, কলেরা’র মতো বিভিন্ন পানিবাহিত রোগে ভুগছে এ চরের শিশুরা। এদিকে হাতের কাছে ডাক্তার বা হাসপাতাল না থাকায় এখানকার বাসিন্দারা যেন রয়েছেন আরো ঝুঁকিতে। ওষুধের প্রয়োজন হলে নৌপথ পারি দিয়ে যেতে হয় ধুলিয়া ইউনিয়নে।

এমনকি ১৯৭৫ সাল থেকে এই চরে মানুষ বসবাস শুরু করলেও এখন পর্যন্ত পৌঁছায়নি বিদ্যুৎ সুবিধা। নেই কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। তবে একসময় এই চরে কয়েকটি গভীর নলকূপ ও একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ছিলো। ২০১৭ সালের দিকে তেতুলিয়া নদীর তীব্র ভাঙনে সেগুলো নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়।

বাউফলের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বশির গাজী বলেন, ‘বাসুদেবপাশা চরের সাথে আসলে আমাদের মূল ভূখণ্ডের তেমন যোগাযোগ মাধ্যম নেই। সেখানে তীব্র খাবার পানির সংকট ও স্বাস্থ্য সেবা সংক্রান্ত সমস্যা আছে। আমরা খুব দ্রুত চরের বাসিন্দাদের সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।’




অভিযানের পরও দুমকিতে চলছে নিবন্ধনহীন ডায়াগনস্টিক সেন্টার

 

মো:আল-আমিন, পটুয়াখালী : পটুয়াখালীর দুমকিতে বন্ধ হয়নি লাইসেন্সবিহীন অবৈধ প্রাইভেট হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। জেলা স্বাস্থ্যবিভাগ পরিচালিত বিশেষ অভিযানে ১০টি প্রাইভেট হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মধ্যে মাত্র ৩টির হালনাগাদ লাইসেন্স পাওয়া গেলেও বাকি ৭টির পাওয়া যায়নি।

অভিযোগ উঠেছে, তদন্ত টিমের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের দু-একজন এসব অবৈধ ডায়াগনস্টিক সেন্টার কাম প্রাইভেট হাসপাতাল ব্যবসায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত। তারা আর্থিক লেনদেনে ম্যানেজ হওয়ায় অবৈধ এসব প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা যায়নি।

নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যায়, স্বাস্থ্য সেবার নামে সারা দেশে গড়ে ওঠা অবৈধ প্রাইভেট হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অপচিকিৎসা বন্ধে বিশেষ অভিযান শুরু করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। অভিযানের অংশ হিসেবে পটুয়াখালী জেলা সিভিল সার্জন গঠিত ৩ সদস্যের তদন্ত টিমের সাম্প্রতিক (১৮ জানুয়ারি) সরেজমিন পরিদর্শনে ১০টি প্রাইভেট হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মধ্যে গ্রিন স্কয়ার হাসপাতাল, সুরক্ষা জেনারেল হাসপাতাল ও লেবুখালী ইসলামিয়া ডায়াগনস্টিক সেন্টারের হালনাগাদ লাইসেন্স পাওয়া গেছে। বাকি ৭টি প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্সসহ নানা ত্রুটি ধরা পড়লেও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

স্বাস্থ্য ক্যাডারের ৩ জন চিকিৎসকের নামে-বেনামে মালিকানাধীন লাইসেন্সবিহীন নিউ লাইফ ডিজিটাল মেডিকেল সার্ভিসেস ও সুরক্ষা মেডিকেল সার্ভিসেস পরিদর্শনকালে বন্ধ ছিল বলে প্রতিবেদনের উল্লেখ করা হয়েছে। অপরদিকে একই প্রতিবেদনে বন্ধ থাকা প্রতিষ্ঠান দুটির পরিবেশগত ছাড়পত্র, পরমাণু কমিশন ও ফায়ার সার্ভিস ছাড়পত্রের কলাম তিনটিতে ‘আছে’ ‘আছে’ আছে’ উল্লেখ করা হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে প্রতিষ্ঠান দুটোর কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে এমন দায়সারা প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে বলে ধারণা স্থানীয়দের।

এ বিষয়ে কথা বলতে অনীহা প্রকাশ করে তদন্ত টিম প্রধান ডা. আবিদ হাসান বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে। ব্যবস্থা নেওয়ার এখতিয়ার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের। অবৈধ ডায়াগনস্টিক সেন্টার ব্যবসায় জড়িত আছেন কিনা- এমন প্রশ্নের উত্তরে সরাসরি অস্বীকার করে তিনি বলেন, এগুলো আজগুবি খবর।

এ বিষয়ে জানতে মঙ্গলবার দুপুর ১২টা থকে ২টা পর্যন্ত পটুয়াখালীর সিভিল সার্জন ডা. এস এম কবির হাসানের টেলিফোন নম্বরে এবং ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে বার বার কল করা হলেও ফোন রিসিভ না করায় তার মন্তব্য জানা যায়নি।




কোভিডের থেকেও ২০ গুণ ভয়ঙ্কর  ‘ডিজিজ় এক্স’ 

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে ভবিষ্যতের অতিমারি নিয়ে সতর্ক করেন টেড্রস। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী মে মাসের মধ্যে সকল দেশ সহমত হয়ে এই ‘আসন্ন’ অতিমারি মোকাবিলার জন্য একটি চুক্তিতে সই করতে পারবে।

আবারও হানা দিতে পারে নতুন অতিমারি। যার নাম ‘ডিজিজ় এক্স’। কোভিডের থেকে ২০ গুণ ভয়ঙ্কর হতে পারে সেই রোগ। হুঁশিয়ারি দিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু। বিশ্বের সব দেশকে প্রস্তত থাকতে বলা হয়েছে। শনিবার হু-এর ডিরেক্টর জেনারেল টেড্রস অ্যাডানম গেব্রিয়েসাস এই অতিমারি পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য সকল দেশকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে একটি চুক্তি সই করার আর্জি জানিয়েছেন।
এই ‘ডিজিজ় এক্স’ কী? এটা আসলে কোনও নির্দিষ্ট রোগ নয়। বরং সম্ভাব্য এক ভাইরসারে নাম, যা কোভিড-১৯-এরই মতো। এটা একটা নতুন ভাইরাস বা নতুন ব্যাকটিরিয়া বা নতুন ফাঙ্গাসও হতে পারে। এর চিকিৎসা নিয়ে এখনও কোনও ধারণা নেই বিজ্ঞানীদের। ২০২২ সালের নভেম্বরে এই সংক্রান্ত একটি রিপোর্ট দিয়েছিল হু। সেখানেই এই নতুন অতিমারি নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছিল। জানিয়েছিল, পৃথিবী জুড়ে দাপিয়ে বেড়াতে পারে এই নতুন মহামারি।

ডাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে ভবিষ্যতের অতিমারি নিয়ে সতর্ক করেন টেড্রস। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী মে মাসের মধ্যে সকল দেশ সহমত হয়ে এই আসন্ন অতিমারি মোকাবিলার জন্য একটি চুক্তিতে সই করতে পারবে। টেডরোস বলেন, ‘‘অনেক কিছুই ঘটতে পারে, যে বিষয়ে মানুষ কিছুই জানে না। এ রকমই কিছু রোগও আসবে বলে আমাদের আগে থেকেই ভেবে রাখতে হবে।’’ এখানেই থামেননি তিনি। আরও বলেন, ‘‘কোভিড অতিমারির সময় অনেককে হারিয়েছিলাম। কারণ তাঁদের রাখার ব্যবস্থা করতে পারিনি। তাঁদের বাঁচানো যেত, কিন্তু (হাসপাতালে) জায়গা ছিল না। যথেষ্ট অক্সিজেন ছিল না। প্রয়োজন পড়লে ব্যবস্থাপনা বৃদ্ধির করতে হবে।’’

টেড্রস জানিয়েছেন, পরবর্তী কালে অতিমারি আসতে পারে ভেবে দক্ষিণ আফ্রিকায় ইতিমধ্যে ব্যবস্থা করা হয়েছে। অতিমারির জন্য তহবিলও তৈরি করা হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, অনেক ধনী দেশ প্রচুর টিকা নিজেদের কাছে রেখে দিয়েছিল। গরিব দেশের মানুষ পায়নি। সেই বৈষম্য যাতে না হয়, যাতে স্থানীয় স্তরে টিকা আরও বেশি করে তৈরি করে বিলি করা যায়, সে কারণে দক্ষিণ আফ্রিকায় এমআরএনএ হাবও তৈরি করা হয়েছে।

 




প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা টিফিনে পাবে দুধ-ডিম-রুটি-ফল

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  দেশের দারিদ্র্যপ্রবণ এলাকাগুলোকে গুরুত্ব দিয়ে প্রাথমিকের ৩৫ লাখ শিক্ষার্থীকে সপ্তাহে পাঁচদিন পুষ্টিকর খাবার দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এই ‘স্কুল ফিডিং’ কর্মসূচির আওতায় শিক্ষার্থীদের দুধ, ডিম, মৌসুমী ফল, কলা, ফর্টিফাইড বিস্কুট, কেক ও বনরুটি দেওয়া হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের ১৫০টি উপজেলার ১৮ থেকে ১৯ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

সপ্তাহে পাঁচদিন নানা ধরনের খাবার পরিবেশন করবো। এরমধ্যে থাকবে দুধ, ডিম, ফর্টিফাইড বিস্কুট, কলা ও মৌসুমী ফল। যেদিন দুধ দেওয়া হবে, দুধের সঙ্গে বনরুটি থাকবে। যেদিন ডিম দেওয়া হবে, ডিমের সঙ্গে কলা এবং ফর্টিফাইড বিস্কুট থাকবে। মৌসুমী ফল দেওয়া হলে সঙ্গে অন্য খাবার থাকবে।

সরকারি স্কুল ফিডিং কর্মসূচি (ফেইজ-১) প্রকল্পের আওতায় এ উদ্যোগ নেওয়া হবে। প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নতুন এ প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৩৫ লাখ শিক্ষার্থীকে সপ্তাহে পাঁচদিন পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ খাবার পরিবেশন করা হবে। প্রত্যেক স্কুলে দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত টিফিন টাইম চলাকালে শিক্ষার্থীদের মাঝে এসব খাবার বিতরণ করা হবে।

প্রকল্পটি চূড়ান্তভাবে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদনের পর তিন বছরের জন্য প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয়েছে চার হাজার ৭৫৯ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন চার হাজার ৬৫৯ কোটি টাকা এবং বৈদেশিক অনুদান হিসেবে আসবে ৬৪ কোটি টাকা।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, তিনটি ধাপে পর্যায়ক্রমে পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ খাবার বিতরণের জন্য একটি রোডম্যাপ প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রকল্পটি চূড়ান্তভাবে অনুমোদনের জন্য প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিকল্পনা কমিশনে প্রস্তাব পাঠিয়েছে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পের আওতায় খাদ্যসামগ্রী/স্কুল ফিডিং ক্রয়, পরিবহন ও পরিদর্শন খাতে ব্যয় হবে চার হাজার ১৮১ কোটি টাকা। যা মোট প্রকল্প ব্যয়ের ৮৭ দশমিক ৮৫ শতাংশ। প্রকল্পে মোট ২১ হাজার জন টিফিন মিল ম্যানেজার থাকবেন, এ খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪০ কোটি টাকা। ভেন্ডর পরিবহন, খাদ্য বিতরণ, গোডাউন, সার্ভিস চার্জ ও প্যাকেজিং খাতে ২৮২ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। চার লাখ ২০ হাজার অ্যাপ্রন ও রুমাল কিনতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩০ কোটি টাকা।

পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালের ১ জুন একনেক সভা থেকে বাতিল করা হয় ‘প্রাইমারি স্কুল মিল’ প্রকল্প। প্রকল্পের প্রস্তাবিত ব্যয় ছিল ১৭ হাজার ২৯০ কোটি টাকা। প্রাথমিক বিদ্যালয়গামী সব শিক্ষার্থীকে পর্যায়ক্রমে স্কুল মিল কার্যক্রমের আওতায় এনে তাদের শিক্ষা, পুষ্টি, স্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তায় অবদান রাখা, নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাবার সরবরাহের মাধ্যমে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পুষ্টি চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে প্রকল্পটি প্রস্তাব করা হয়। প্রকল্প থেকে খিচুড়ি রান্নার ফরমেট বাতিল করা হয়।

তখন একনেক সভায় সিদ্ধান্ত হয়, প্রতিষ্ঠানে প্রতিদিন খিচুড়ি রান্না করলে বাচ্চাদের পড়ালেখার ক্ষতি হবে। প্রকল্পের ফরমেট পরিবর্তন করে একদিন দুধ, একদিন ডিম ও একদিন বিস্কুটসহ খাবারে বৈচিত্র্য থাকতে হবে। বাচ্চাদের খাবার দেওয়ার জন্য একনেক সভায় ‘প্রাইমারি স্কুল মিল’ প্রকল্প উপস্থাপন করা হয়েছিল। কিন্তু প্রকল্পটি একনেকে অনুমোদন দেওয়া হয়নি। সভা থেকে খাবারের ফরমেট পরিবর্তন করতে বলা হয়েছিল।

 




শীতে হজমশক্তি ভালো রাখার ৫ উপায়

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  শীতের সময়ে উষ্ণতা ধরে রাখার জন্য শীতের পোশাক, কম্বলের পাশাপাশি আমরা খাবারের ওপরেই নির্ভরশীল হয়ে পড়ি। কারণ অনেক খাবার আছে যেগুলো আমাদের ভেতর থেকে শরীর উষ্ণ রাখতে কাজ করে। এসময় আমরা এমন অনেক মুখরোচক খাবারও খেয়ে ফেলি যা আসলে পেটের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী নয়। এ ধরনের খাবার খাওয়ার ফলে পেট ফাঁপা, বদহজম এবং অ্যাসিডিটির মতো সমস্যা দেখা দেয়। তবে চিন্তার কারণ নেই। শীতের মৌসুমে আপনার হজমক্ষমতা ভালো রাখার কিছু উপায় রয়েছে। চলুন জেনে নেওয়া যাক-