অল্প বয়সে হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধে যা করবেন

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  হার্টের প্রতি যত্নশীল হওয়ার সময় হয়েছে। কারণ বর্তমান বিশ্বে হার্টের অসুখ কেবল বয়স্কদের সমস্যা নয়, বরং অনেক অল্প বয়সীর ভেতরেও এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। হার্ট অ্যাটাকের কারণে অনেকে কম বয়সেই মৃত্যুর মুখে ঢলে পড়ছেন। তাই মানসিক চাপ, পরিশ্রমহীনতা এবং অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন থেকে দূরে থাকতে হবে। একটি কর্মঠ দিন ও সুস্থ জীবনযাপন আপনাকে শুধু হার্টের অসুখই নয়, আরও অনেক অসুখ থেকে দূরে রাখবে। কম বয়সীরা হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধে কী করবেন, চলুন জেনে নেওয়া যাক-



মহিপুরে ২৪ কেজির দাতিনা মাছ ১ লাখ ২৫ হাজারে বিক্রি

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): বঙ্গোপসাগরে জেলের জালে ধরা পড়েছে ২৪ কেজি ওজনের দুটি দাতিনা মাছ। এফবি মায়ের দোয়া নামে একটি ট্রলারে মাঝি লক্ষি মিয়ার জালে মাছ দুটি ধরা পড়ে। পরে মাছ দুটি ডাকের মাধ্যমে ১ লাখ ২৫ হাজার টাকায় কেনেন মৎস্য ব্যবসায়ী সজীব হোসেন।

এফবি মায়ের দোয়া ট্রলারে এ মাছ দুটি গত তিন দিন আগে গভীর সাগরে ধরা পড়ে। এরপর শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টার দিকে মৎস্য বন্দর মহিপুরের কুতুবদিয়া ফিস এ মাছ দুটি বিক্রির জন্য উঠানো হয়।

এ বিষয় মাঝি লক্ষি মিয়া বলেন, সচরাচর দাতিনা মাছ তেমন একটা পাওয়া যায় না। আমরা সাগরে ইলিশ ধরার জন্য জাল ফেলি। তখন হঠাৎ দেখি বড় কোনো মাছ, প্রথমে ভেবেছিলাম কোরাল মাছ পরে কাছাকাছি গিয়ে দেখি দুটি দাতিনা মাছ।

মহিপুর কুতুবদিয়া ফিসের মালিক বলেন, দাতিনা মাছ দুটি ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা মণ হিসেবে কেজি প্রতি ৬ হাজার টাকা দরে ১ লাখ ২৫ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে। মাছ দুটির ওজন ছিল ২৪ কেজি ৬৫০ গ্রাম।

এ বিষয় মৎস্য পাইকার সজিব হোসেন বলেন, দাতিনা মাছ মূলত সচরাচর ঘাটে তেমন একটা আসে না। আজ হঠাৎ দেখে ডাকের মাধ্যমে কিনে নিলাম। মাছ দুটি ৬ হাজার টাকা কেজি দরে কিনেছি, এখন বিক্রির জন্য ঢাকায় পাঠাব। আশা করছি ভালো দামে বিক্রি করতে পারব।

এ বিষয় কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা জানান, নদ-নদী এবং সাগরের কাছাকাছি এলাকায় এই প্রজা‌তির মাছ পাওয়া যায় না। এরা মূলত গভীর সাগরের মাছ। এ মা‌ছের ফুলকা বিদেশে রপ্তানি করা হয়, যা দি‌য়ে ওষুধ তৈ‌রি করা হয়। মহিপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে দাতিনা ভোল মাছ তেমন একটা দেখা যায় না। তবে এই প্রজাতির মাছগুলো খুবই সুস্বাদু।




অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি প্রিয়াঙ্কা গান্ধী

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  হাসপাতালে ভর্তি ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। শরীরে পানিশূন্যতার কারণে শুক্রবার হাসপাতালে ভর্তি করতে হয় তাকে। যে কারণে উত্তরপ্রদেশে ভাই রাহুল গান্ধীর ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রায় অংশ নিতে পারেননি তিনি। যা নিয়ে খোঁচা দিতে ছাড়ল না বিজেপি।



ফ্যাটি লিভারের সমস্যা দূর করার ঘরোয়া উপায়




শরীর সুস্থ আছে কি না পরীক্ষা করুন হার্টবিট গুণে

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  মানুষের স্বাভাবিক রেস্টিং হার্ট রেট হলো প্রতি মিনিটে ৬০-১০০। শরীরের অন্যতম এক অঙ্গ হলো হার্ট বা হৃদযন্ত্র। অনিয়মিত জীবন যাপন থেকে শুরু করে বিভিন্ন সমস্যা হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্যে ব্যাপক প্রভাব ফেলে। এ কারণে ভুগতে হয় হৃদরোগে।

শরীরের গুরুত্বপূর্ণ এই অঙ্গ রক্তকে পাম্প করে। হৃৎপিণ্ড রক্তকে পাম্প করে বলেই শরীরের প্রতিটি অংশে পৌঁছে যায় রক্ত। শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের বিশ্রাম থাকলেও হার্টের কোনো অবসর নেই। জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত ক্রমাগত এই অঙ্গ কাজ করে চলে।

তাই বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিটি মানুষেরই উচিত হার্টের যত্ন নেওয়া। আমরা যখন বেশি পরিশ্রম করি তখন হার্ট দ্রুত পাম্প করে। কারণ এ সময় শরীরে বেশি অক্সিজেনের প্রয়োজন হয়।

অন্যদিকে কম পরিশ্রম হলে বা বিশ্রামে থাকলে হার্ট কম অক্সিজেন পাম্প করে। কারণ শরীরে তখন অতিরিক্ত অক্সিজেন প্রয়োজন হয় না।

তবে হার্টের এই পাম্প করার বিষয়টিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। যদি কখনো টের পান বিশ্রামে থাকা স্বত্ত্বেও আপনার হার্ট দ্রুত পাম্প করছে বা হৃদস্পন্দন বেড়ে গেছে তাহলে সাবধান থাকুন। এ সমস্যা অনিয়মিত হৃদস্পন্দনের দিকে ইঙ্গিত করে।

এ কারণেই বিশেষজ্ঞরা প্রথমে রোগীর বুকে বা পিঠে যন্ত্র রেখে হৃদস্পন্দন পরীক্ষা করেন। কারণ হার্ট রেটের বিভিন্ন ধরন শরীর সম্পর্কে নানা বিষয় জানান দেয়। বিশ্রাম নেওয়ার সময় হৃদস্পন্দন কম হয়। এ কারণে একে রেস্টিং হার্ট রেট বা বিশ্রামকৃত হৃদস্পন্দন বলে।

চিকিৎসকদের মতে, এই রেস্টিং হার্ট রেট থেকেই শরীর ও হার্ট সম্পর্কে অনেক তথ্য জানা যায়। মানুষের স্বাভাবিক রেস্টিং হার্ট রেট হলো প্রতি মিনিটে ৬০-১০০।

রেস্টিং হার্ট রেট ৬০ এর নীচে থাকলে ওই ব্যক্তিকে সুস্থ বলে ধরা হয়। ৫০ এর দিকে হার্ট রেট হলেও আপনাকে সচেতন হতে হবে।

তবে ১০০ এর বেশি রেস্টিং হার্ট রেট হলে ধরে নিতে হবে ওই ব্য়ক্তি অসুস্থ। এর পাশাপাশি দুশ্চিন্তা থেকে শুরু করে অত্যধিক কফি খেলেও হতে পারে এই সমস্যা।

চিকিৎসকরা বলছেন, ৫০ এর নীচে হার্ট রেট চলে যাওয়া ও মাথা ব্যথা থাকলে বুঝতে হবে হার্টের ইলেকট্রিক প্যাথওয়েতে সমস্য়া দেখা দিচ্ছে। এই অবস্থায় দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, রেস্টিং হার্ট রেট ১০০ বা তার বেশি হলে শরীরে কোনো ইনফেকশন বা অ্যারিদমিয়ার মতো হার্টের রোগের ঝুঁকি থাকে অনেক বেশি। পুরুষের শরীরে এই রেস্টিং হার্ট রেট বেশি থাকলে মৃত্যুঝুঁকি থাকে বেশি। তাই এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।

হার্ট যখন নিজের সর্বোচ্চ ক্ষমতায় স্পন্দিত হয়, তখন তাকে অ্যারোবিক ক্যাপাসিটি বলা হয়। সাধারণত যারা খেলাধুলা করেন বা ভারী কাজকর্ম ও শরীরচর্চা করেন তাদের এমন অ্যারোবিক ক্যাপাসিট থাকে।

হার্টের অ্যারোবিক ক্যাপাসিটি থাকা ভালো। এমন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে হার্ট অ্যাটাক বা অন্য কোনো হৃদরোগের ঝুঁকি অন্যান্যদের চেয়ে অনেক কম থাকে।

সূত্র: মেডিকেল নিউজ টুডে/ওয়াশিংটন পোস্ট/হেনরিফোর্ড




৪৪ জনের করোনা শনাক্ত




জেনে নিন শিশুর ক্যান্সারের প্রাথমিক লক্ষণ

চন্দ্রদীপ নিউজ: প্রতিবছর বিশ্বে অন্তত চার লাখ শিশু ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়। উন্নত দেশগুলোতে ক্যান্সার থেকে রোগীর সুস্থ হওয়ার হার প্রায় ৮০ শতাংশ। বর্তমানে বাংলাদেশে এ হার প্রায় ৩০ শতাংশ। তবে যথাসময়ে ক্যান্সার শনাক্ত করা গেলে এবং উন্নত চিকিৎসা পেলে ৭০ শতাংশ রোগী ভালো হয়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সচেতনতার অভাব, মাত্রাতিরিক্ত চিকিৎসার ব্যয়, স্বাস্থ্যসেবার সুযোগের অভাবসহ নানা কারণে বেশির ভাগ ক্যান্সার আক্রান্ত শিশু মারা যায়।

এমন পরিস্থিতিতে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশে আজ বৃহস্পতিবার পালন করা হচ্ছে ‘বিশ্ব শিশু ক্যান্সার দিবস’। এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় ‘যথাসময়ে সঠিক চিকিৎসায় শিশু ক্যান্সার নিরাময় সম্ভব’।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, শিশুদের ক্যান্সার বা চাইল্ডহুড ক্যান্সার বলতে ১৮ বছরের কম বয়সীদের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়াকে বোঝায়। প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় শিশুদের ক্যান্সার কিছুটা ভিন্ন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, শিশুদের মধ্যে সাধারণত লিউকেমিয়া বা রক্তের ক্যান্সার বেশি হয়। ক্যান্সার আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে এক-তৃতীয়াংশ লিউকেমিয়ায় আক্রান্ত। বাংলাদেশের পরিস্থিতিও প্রায় একই।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত শিশু হেমাটোলজি ও অনকোলজির বহির্বিভাগে চার হাজার ৭৮০ ক্যান্সার আক্রান্ত শিশু চিকিৎসা নিতে আসে। এর মধ্যে এক হাজার শিশুকে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দিতে হয়। এসব রোগীর ৭৮ শতাংশের রক্তের ক্যান্সার, ৮.৬ শতাংশের বিভিন্ন ধরনের টিউমার, ১৩ শতাংশের রক্তের বিভিন্ন রোগ। প্রতিষ্ঠানটির দেওয়া তথ্য মতে, রক্তের ক্যান্সারের মধ্যে সবচেয়ে বেশি লিম্ফোব্লাস্টিক লিউকেমিয়া।

শিশুদের ক্যান্সার কেন হয়

বিএসএমএমইউয়ের শিশু হেমাটোলজি ও অনকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এ টি এম আতিকুর রহমান বলেন, ক্যান্সারের মূল কারণ অনেক ক্ষেত্রে অজানা। তবে জিনগত কারণে অনেক শিশু ক্যান্সারে আক্রান্ত হতে পারে। পারিপার্শ্বিক পরিবেশ, শব্দদূষণ, খাদ্যে ভেজাল, অতিরিক্ত ইলেকট্রনিক ডিভাইসের ব্যবহার ও ক্ষতিকর রশ্মি বা বিকিরণের সংস্পর্শে আসাটা অন্যতম। এ ছাড়া অধিক মাত্রায় অপরিকল্পিত শিল্পায়ন ও উন্নয়ন শিশুদের শরীরে ক্যান্সারের জন্ম দিচ্ছে। তাই সুস্থ ও ক্যান্সারমুক্ত প্রজন্ম গড়ার লক্ষ্যে পরিবেশবান্ধব নগরায়ণকে প্রাধান্য দিতে হবে।

শিশুর ক্যান্সারের প্রাথমিক লক্ষণগুলো

শিশুদের ক্যান্সার আক্রান্তের প্রাথমিক উপর্সগের মধ্যে রয়েছে ঘন ঘন জ্বর হওয়া, শরীরের কোনো অঙ্গ থেকে রক্তপাত হওয়া; যেমন—দাঁতের গোড়া থেকে রক্ত পড়া, চামড়ার নিচে রক্তপাত, কান দিয়ে রক্ত আসা, চোখের নিচে রক্ত আসা, গায়ে কালো কালো দাগ। এগুলো হলো সাধারণ রক্তের ক্যান্সারের উপসর্গ। এ ছাড়া শিশুকে ফ্যাকাসে মনে হলে, যদি কোনো কারণ ছাড়াই বারবার সর্দি-কাশি-জ্বর হয়, শরীরে কোনো অঙ্গ হঠাৎ ফুলে যায়, পেটে চাকা হওয়া বা খিঁচুনি হওয়া বা হাঁটতে না পারা।

শিশুদের মধ্যে এসব উপসর্গ থাকলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।




আদা বেশি খাওয়ার অপকারিতা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  আদার অনেক উপকারিতার কথা জেনেছেন নিশ্চয়ই। সর্দি-কাশি সারানো থেকে বমি বমিভাব দূর, নানা উপকারে লাগে এই ভেষজ। আবার আমাদের প্রতিদিনের রান্নায়ও ব্যবহার করা হয় আদা। সবার বাড়িতেই এটি পাওয়া যায়। এত উপকারিতার কথা জানার পরে আপনি কি বেশি বেশি আদা খেয়ে ফেলছেন? ভুলেও এই কাজ করতে যাবেন না। কারণ আদা বেশি খেলেই যে বেশি উপকার মিলবে এমন নয়। বরং বেশি খাওয়ার ফলে মিলতে পারে অপকারিতা। চলুন, জেনে নেওয়া যাক আদা বেশি খেলে কী হয়?



গলাচিপায় ৪টি ইটভাটাকে জরিমানা

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার গোলখালী, আমখোলা ও গজালিয়া ইউনিয়নে ইটভাটায় উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক অভিযান চালিয়ে তিন লক্ষাধিক টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

জানা যায়, গলাচিপা উপজেলার আমখোলা ইউনিয়নে ১টি ইটভাটা, মামা ব্রিকস ৫০ হাজার টাকা। গোলখালী ইউনিয়নে ২ টি সততা ব্রিকস ১লাখ ৫০ হাজার টাকা, বিবিসি ব্রিকস ১ লাখ টাকা এবং গজালিয়া ইউনিয়নের ১টি ইটভাটা খান ব্রিকসকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এসময় ইটভাটা গুলোতে যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মহিউদ্দিন আল হেলাল এবং উপজেলা সহকারী কমিশন (ভূমি) মোঃ নাসিম রেজা। এদেরকে অবৈধ ভাবে কাঠ দিয়ে ইট পোড়ানোর জন্য এই অভিযান চালায় প্রশাসন।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহিউদ্দিন আল হেলাল বলেন, ইটভাটা গুলোতে অবৈধ ভাবে কাঠ দিয়ে ইট পোড়া দায়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়। ভবিষ্যতে এমন কোন অপরাধ করবেনা বলে তারা মুচলেকা দেয়। এসময় তাদেরকে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।




লিভারের চর্বি কাটাতে কি করতে হবে?

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  অনিয়মিত জীবনযাপনের কারণে অনেকেই ফ্যাটি লিভারের সমস্যায় ভোগেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, লিভারের উপর এমনিতেই স্বাস্থ্যকর চর্বির একটি আস্তরণ থাকে, তবে এর উপরে যদি আবারও অতিরিক্ত চর্বি জমতে শুরু করে তাহলে তা ফ্যাটি লিভার হিসেবে বিবেচিত হয়।

অতিরিক্ত চর্বি জমলে লিভারের কার্যকারিতা কমে যায়, ফলে সামগ্রিক স্বাস্থ্যে এর ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। তবে বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন, ওজন বশে আনা ও স্বাস্থ্যকর জীবনধারা বজায় রাখার মাধ্যমে খুব সহজেই নন অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভারের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে আনা যায়।

নন অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার কী?

নন অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজের কারণে (এনএএফএলডি) লিভারে প্রদাহ ও চর্বি জমে, যা বছরের পর বছর ধরে কার্ডিওভাসকুলার রোগ, ডায়াবেটিস এমনকি লিভার সিরোসিসের ঝুঁকি বাড়ায়।

তবে নন অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার প্রাথমিক অবস্থায় শনাক্ত হলে ঘরোয়া উপাদানের মাধ্যমেই তা নিয়ন্ত্রণে আনা যায়, এমনটিই দাবি গবেষণার।

প্রতিদিনের খাবারে হলুদ অন্তর্ভুক্ত করলেই নাকি লিভারে জমা অতিরিক্ত চর্বি দূর হবে। মেডিকেল নিউজ টুডে উল্লেখ করেছে ও বেশ কয়েকটি গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, হলুদের কারকিউমিন নামক একটি যৌগ প্রদাহ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

জার্নালটি ২০২১ সালের এনএএফএলডিতে আক্রান্ত ৬৪ জনের উপর পরিচালিত একটি গবেষণার উদ্ধৃতি দিয়েছে ও কীভাবে ২ গ্রাম হলুদ গ্রহণ লিভারের এনজাইম, সিরাম ও ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে তা জানিয়েছে।

এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা জানান, নন অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভারে আক্রান্তরা সকালের চায়ের মতো করে হলুদ মেশানো পানি পানেই লিভারের চর্বি কাটাতে পারবেন। এই পানীয় চর্বি কমাতে ও লিভারের কার্যকারিতা উন্নত করতে সাহায্য করে।

এই পানীয় তৈরি করতে ১ গ্লাস গরম পানি নিন, এতে এক চিমটি হলুদ গুঁড়া ও ১ চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে খালি পেটে পান করুন। এর প্রভাব বাড়াতে এক চিমটি দারুচিনি গুঁড়াও মেশাতে পারেন।

এছাড়াও বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিয়েছেন, যারা ফ্যাটি লিভারে ভুগছেন তাদের উচিত নিয়মিত তাজা ফল ও শাকসবজি খাওয়া। এছাড়া উচ্চ আঁশযুক্ত উদ্ভিদ যেমন- লেবু ও গোটা শস্য খাওয়া উচিত।

পাশাপাশি অতিরিক্ত চিনি, লবণ, পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট ও স্যাচুরেটেড ফ্যাট আছে এমন খাবার একেবারেই খাওয়া যাবে না। আর যারা অ্যালকোহলে আসক্ত তারা অবশ্যই এটি এড়িয়ে চলবেন।

অন্যান্য প্রতিকার

আরও একটি গবেষণা অনুসারে, কফি লিভারের জন্য বেশ কয়েকটি সুরক্ষামূলক সুবিধা দেয়। এটি প্রমাণিত হয়েছে যে, লিভারের এনজাইম তৈরিতে (যা প্রদাহের বিরুদ্ধে লড়াই করে) সাহায্য করে কফি।

এটাও প্রমাণিত যে, এনএএফএলডি আক্রান্ত ব্যক্তিদের লিভারের সামগ্রিক ক্ষতি কমাতে নিয়মিত কফি খাওয়া উচিত। বিশেষজ্ঞদের মতে, কালো কফি হলো সর্বোত্তম বিকল্প। কারণ এতে কোনো অতিরিক্ত চর্বি বা চিনি থাকে না।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া