দুমকিতে খালের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর দুমকিতে খালের পানিতে পড়ে জারামনি নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (৩০ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, ১৬ মাস বয়সী ওই শিশু উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ঘরামী বাড়ীর সুলতান ঘরামীর নাতি কাশেম ঘরামীর মেয়ে।

আরো পড়ুন : পটুয়াখালীতে ধর্ষণের শিকার চতুর্থ শ্রেনী‌তে পড়ুয়া শিশু

শিশুটির মা জানান, শনিবার সকাল ১০টার দিকে বাড়ির উঠানে অন্যান্য শিশুর সঙ্গে খেলাধুলার ফাঁকে পাশের ডাকাতিয়া খালে পড়ে যায়। তিনি খালের ঘাটে পানি আনতে গিয়ে তাকে ভাসমান দেখে তুলে এনে দুমকি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

আরো পড়ুন : ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে জঙ্গলে নিয়ে গলা কেটে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ

শনিবার (৩০ মার্চ) দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারেক মো. আবদুল হান্নান এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, এ ব্যাপারে দুমকি থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।




ঝালকাঠি হাসপাতালে বেতন বোনাস পাওয়ায় দাবীতে বিক্ষোভ

বরিশাল অফিস:: ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. শামীম আহম্মেদের খামখেয়ালীপনার কারণে ঈদ ঘনিয়ে আসলেও বেতন ভাতা না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন কর্মচারীরা। বেতন বোনাসের দাবিতে শনিবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত দুই ঘণ্টা তত্ত্বাবধায়কের কক্ষের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ ও কর্মবিরতী পালন করেন তাঁরা। এসময় হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ঝালকাঠিতে ছিলেন না। ছুটি না থাকা সত্ত্বেও তিনি ঢাকায় অবস্থান করছেন বলে কর্মচারীরা জানিয়েছেন। এদিকে দুই ঘণ্টা কর্ম বিরতীর ফলে হাসপাতালের সকল সেবা বন্ধ হয়ে যায়। এতে দুর্ভোগে পড়েন হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা।

কর্মচারীরা জানায়, ১০ রমজানের পর সকল সরকারি অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারীদের বেতন বোনাস প্রদান করা হয়েছে। এমনকি ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের কর্মকর্তা, চিকিৎসক ও নার্সদের বেতন বোনাস প্রদান করা হয়। কিন্তু হাসপাতালের তত্ত্বাবধায় ডা. শামীম আহম্মেদ ইচ্ছে করে ৪৯ জন কর্মচারীর বেতন বোনাস এখনো অনলাইনে দাখিল করেনি। তিনি বেশিরভাগ সময়ই ঢাকাতে থাকেন। ঠিকমত অফিস না করায় তিনি সময়মতো কর্মচারীদের বেতন বোনাস দেননি। এতে এখনো ঈদের কেনাকাটা করতে না পেরে হতাশ হয়ে পড়েছেন কর্মচারীরা। দ্রুততম সময়ের মধ্যে বেতন বোনাস প্রদানের দাবি জানিছেন তাঁরা। অন্যথায় লাগাতার কর্মসূচি দেওয়ার হুশিয়ারি দিয়েছেন তাঁরা। খবর পেয়ে ঝালকাঠির সিভিল সার্জন ডা. এইচএম জহিরুল ইসলাম এসে কর্মচারীদের শান্ত করলে কর্মবিরতী শেষ করেন কর্মচারীরা।

এ ব্যাপারে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. শামীম আহম্মেদ বলেন, কর্মচারীদের বেতন বোনাস দেওয়ার এখনো সময় আছে। আমি ঢাকায় ছিলাম, এখন রওয়ানা হয়েছি। দ্রুততম সময়ের মধ্যেই কর্মচারীদের বেতন বোনাস প্রদান করা হবে।




কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে এসেছে মৃত জোড়া কচ্ছপ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে এবার পাওয়া গেল দু’টি মৃত কচ্ছপ। যার একটির ওজন প্রায় ৪০ কেজি অন্যটির ওজন ৩৫ কেজি।

বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) রাত ১১টার দিকে কুয়াকাটা সৈকতের পশ্চিম দিকে কচ্ছপ দু’টিকে দেখতে পান কুয়াকাটা ডলফিন রক্ষা কমিটির সদস্য কেএম বাচ্চু। কচ্ছপ উদ্ধারের পরে কুয়াকাটা ডলফিন রক্ষা কমিটি, বনবিভাগ ও ইকোফিশের সমন্বয়ে মাটিচাপা দেয়া হয় কচ্ছপ দুটিকে।

উপকূলের পরিবেশ-প্রতিবেশ এবং জীববৈচিত্র্য নিয়ে কাজ করা গবেষণা প্রতিষ্ঠান ওয়ার্ল্ডফিশের ইকোফিশ-২ বাংলাদেশ প্রকল্পের সহযোগী গবেষক সাগরিকা স্মৃতি বলেন, মূলত কদিন আগে জেলিফিশের আদিক্যটা বেড়ে যাওয়া কারনে ওরা তীরে আসতে পারে কারন এই কাছিমগুলোতে জেলিফিশ খেতে পছন্দ করে। আজকে যে কাছিম দুটি আসছে তার বৈজ্ঞানিক নাম লেপিডোসেলিম ওলিভাসিয়া (Lepidochelys olivacea) এরা সাধারণত ৫০ বছরের অধিক সময় বেঁচে থাকে। আমাদের কর্মীদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, কচ্ছপগুলোর পিঠে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে, তাতে মনে হচ্ছে কেউ আঘাত করেছে তাতে ওদের মৃত্যু হচ্ছে।

আরো পড়ুন : ছুটিতে হল বন্ধ করায় শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি

কুয়াকাটা ডলফিন রক্ষা কমিটির সদস্য আবুল হোসেন রাজু জানান, একটি কচ্ছপের লেজে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে এবং রক্তক্ষরণ হচ্ছে, মনে হচ্ছে কোনকিছুর সাথে আটকে মারা গেছে। সামুদ্রিক প্রাণীর এই মৃত্যুগুলো আমাদের সমুদ্র পরিবেশের জন্য বেশ হুমকি।

বনবিভাগ মহিপুর রেঞ্জ কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ জানান, ডলফিন রক্ষা কমিটির সদস্যদের কাছে তথ্য পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে আমার ফোর্সসহ দ্রুত চলে আসি। একটি কচ্ছপ একটু দূর্ঘন্ধ ছড়াচ্ছে তাই তাঁদের সহযোগীতায় মাটি চাপা দেয়ার ব্যবস্থা করেছি।




তিন শিশুর মৃত্যু : অ্যানেসথেসিয়ার ওষুধ পরিবর্তন করার নির্দেশ মন্ত্রণালয়ের

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : ভেজাল অ্যানেসথেসিয়া ওষুধে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে এই তিন শিশুর কানে ককলিয়ার ইমপ্লান্ট বসানোর সময় তাদের অ্যানেসথেসিয়া দেওয়া হয়েছিল। সায়েন্স ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষায় প্রমাণিত হয়েছে যে, তাদের যে অ্যানেসথেসিয়া ওষুধ হিসেবে ‘হ্যালোথেন’ ব্যবহার করা হয়েছিল। কিন্তু ওই ওষুধে হ্যালোথেনের উপাদানই ছিল না। অর্থাৎ এটা ভেজাল। এই রিপোর্ট স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে এসেছে গতকাল। এ কারণে গতকাল জরুরি মিটিংয়ে বসে স্বাস্থ্য প্রশাসন। সেখানকার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে অস্ত্রোপচারে ব্যবহূত ওষুধ পরিবর্তনের নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। সরকারি ও বেসরকারি সব হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারে ‘ইনহেলেশনাল অ্যানেস্থেটিক’ হিসেবে ‘হ্যালোথেন’ এর পরিবর্তে ‘আইসোফ্লুরেন বা সেভোফ্লুরেন’ ব্যবহার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বুধবার স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ এ বিষয়ক প্রজ্ঞাপনে অ্যানেসথেসিয়জনিত মৃত্যু ও এর অপপ্রয়োগ রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে।

তবে এর আগে সারাদেশে বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিকগুলোতে অপারেশন করার সময় অনেক রোগী মারা যায়। ধারণা করা হচ্ছে, এই ভেজাল হ্যালোথেনের কারণে। এটা গত বছরের ২৩ এপ্রিল থেকে হ্যালোফেন উৎপাদন ও বাজারজাত বন্ধ রয়েছে। বাংলাদেশে এসিআই ওষুধ কোম্পানি এই ওষুধটি তৈরি করতো, যার নাম ছিল হ্যালোসিন। তারাও এটার উৎপাদন বন্ধ করেছে এক বছর ধরে। তবে পাশ্ববর্তী দেশ থেকে চোরাই পথে আসে এই হ্যালোথেন। যেটা ভেজাল ও নকল। এ কারণে খৎনা করাতে গিয়েও শিশুর মৃত্যু হয়েছে। হ্যালোথেন ওষুধটি রোগীকে অজ্ঞান করতে ব্যবহার করা হয়। আইসোফ্লুরেন ও সেভোফ্লুরেনও রোগীকে অজ্ঞান করতে ব্যবহার হয়। এগুলো আলাদা ওষুধ হলেও মূল কাজ রোগীকে অজ্ঞান করা। একটি বিশেষ যন্ত্রের সাহায্যে শ্বাস-প্রশ্বাসের সঙ্গে ওষুধগুলো শরীরে প্রবেশ করালে রোগী অজ্ঞান হয়। সম্প্রতি ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে শিশু আয়ান আহমদ এবং মালিবাগের জেএস ডায়াগনস্টিক সেন্টার অ্যান্ড মেডিকেল চেকআপ সেন্টারে আহনাফ তাহমীদ আলম আয়হাম নামে দুই শিশুকে খৎনা করানোর জন্য অজ্ঞান করার পর ওই দুই শিশুর মৃত্যু হয়। ওই দুই শিশুর মৃত্যুর পর দেশে সঠিক পদ্ধতিতে অ্যানেসথেসিয়া দেওয়া হচ্ছে কি না সে প্রশ্ন সামনে আসে। এ নিয়ে গণমাধ্যমে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। অবশেষে স্বাস্থ্য বিভাগের টনক নড়েছে। যারা ব্যবহার করছেন তারা এই বিপুল সংখ্যক মানুষের মৃত্যুর জন্য দায়ী। স্বজনহারা পরিবারগুলোর একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি হারিয়ে অর্ধহারা, অনাহারে জীবন পার করছেন। এসব দেখভাল করার দায়িত্ব ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরে। এছাড়া দেখভাল করার অনেকে আছেন। তারপরও ভেজাল হ্যালোথেন ব্যবহারে এতোগুলো মানুষ মারা গেল। খৎনা করাতে গিয়ে মারা গেছে। এর কারণ এই ভেজাল হ্যালোথেন। যেটা গতকাল প্রমাণিত হলো। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সারাদেশে টিম পাঠিয়ে তদন্ত করে দেখেছে যে, সার্জন ঠিক আছে, অজ্ঞানকারী ডাক্তার ঠিক আছে ও অপারেশন থিয়েটার ঠিক আছে। তাহলে রোগী মারা গেল কেন? কিছুই খুঁজে পাচ্ছিলেন না তারা।

না। বিশ্বব্যাপী হ্যালোথেন ৮০ থেকে ৯০ বছর ধরে ব্যবহার হয়েছে। গত এক বছর ধরে বিশ্বব্যাপী এটি আর ব্যবহার হয় না। এখন নতুন ওষুধ হলো আইসোফ্লুরেন। আমাদের দেশে যে হেলোসিন তৈরি হয়, সেটার কাঁচামাল ভারত থেকে আসতো। গত এক বছর ধরে আর আসে না। এদিকে নতুন ওষুধ আইসোফ্লুরেন ব্যবহার করার মেশিন আলাদা। নতুন ওষুধ ব্যবহার করতে হলে মেশিনের কিছু পার্টস পরিবর্তন করতে হয়। অনেকে তা করে না। আইসোফ্লুরেন ব্যবহার করার মেশিনের নাম হলো ভ্যাপোরাইজার। এটার মূল্য দুই লাখ টাকার বেশি। এ কারণে অনেক বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিক এটি কেনে না। বরং ভেজাল হ্যালোথেন ব্যবহার করছে। এ কারণে রোগীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে প্রতিদিন। প্রতিটি আসল হ্যালোথেন এর দাম ২০০ থেকে ৩০০ টাকা। আর আইসোফ্লুরেন এর দাম ৬০০ টাকা।

সোসাইটি অব অ্যানেসথেসিওলজিস্ট সম্প্রতি লিখিতভাবে জানিয়েছে, অ্যানেসথেসিয়া ওষুধ ব্যবহার নিয়ে অসঙ্গতি দেখা দিয়েছে। এ জন্য তারা সরকারের কাছে এর ব্যবহারের জন্য সুনির্দিষ্ট আদেশ দেওয়ার জন্য সুপারিশ করেন। যদি হ্যালোথেন ব্যবহার করেন, তাহলে অরিজিনাল হ্যালোথেন ব্যবহার করতে হবে। তবে হ্যালোথেন কিংবা আইসোফ্লুরেন যেটিই ব্যবহার হবে, অবশ্যই তাকে ওষুধ প্রশাসনের অনুমোদন থাকতে হবে। গতকাল স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেনের নেতৃত্বে বিএসএমএমইউয়ে জরুরি মিটিং হয়। এতে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. রোকেয়া সুলতানা, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সেখানে সিদ্ধান্ত হয়েছে, অ্যানেসথেসিয়ার ওষুধ হিসেবে আইসোফ্লুরেন ব্যবহার করতে হবে। ডিগ্রীধারী কোনো ডাক্তার ছাড়া কেউ অ্যানেসথেসিয়া দিতে পারবে না।




দক্ষিণ আফ্রিকায় ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনা, এক শিশু বাদে সব যাত্রী নিহত

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : দক্ষিণ আফ্রিকার লিমপোপো প্রদেশে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে ৪৫ জন নিহত হয়েছেন। খবর স্কাই নিউজের।

খবরে বলা হয়েছে, বাসটিতে চালকসহ ৪৬ জন যাত্রী ছিল। দুর্ঘটনার পর শুধু ৮ বছরের এক শিশুকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। আহত ওই শিশুটিকে বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

এক বিবৃতিতে দেশটির যোগাযোগ মন্ত্রণালয় বলেছে, যাত্রীবাহী বাসটি বোস্টওয়ানা থেকে আসছিল। লিমপোপোর মোরিয়াতে খ্রিস্টানদের এক ধর্মীয় অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে যাত্রা করছিল। পথে লিমপোপো প্রদেশের মামাতলাকালার কাছে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে এবং বাসটি ব্রিজ থেকে ৫০ মিটার নিচে খাদে পড়ে যায়। নিচে পড়ে যাওয়ার পর বাসটিতে আগুন ধরে যায়।

দেশটির স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান চলে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। আগুনে অনেক মৃতদেহ এতোটাই পুড়ে গেছে যে তাদের শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না।

এ দুর্ঘটনার তদন্ত চলছে বলে দেশটির যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।




বিশ্বজুড়ে প্রতিদিন নষ্ট হয় ১০০ কোটি টনের বেশি খাবার : জাতিসংঘের প্রতিবেদন

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : বিশ্বের ৮০ কোটি মানুষ যখন না খেয়ে আছে, তখন বিশ্বজুড়ে প্রতিদিন ১ বিলিয়নেরও (১০০ কোটি টন) বেশি খাবার নষ্ট হচ্ছে। জাতিসংঘের প্রকাশিত নতুন এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। খবর সিএনএন।

জাতিসংঘের ফুড ওয়েস্ট ইনডেক্স শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বজুড়ে ২০২২ সালে ১০০ কোটি টনের বেশি খাবার নষ্ট হয়েছে। বেশির ভাগ খাবার অপচয় হয়েছে বাসাবাড়িতে। খাবার অপচয়ের এ ঘটনাকে উল্লেখ করা হয়েছে ‘বৈশ্বিক ট্র্যাজেডি’ হিসেবে। অপচয় হওয়া খাবার বিশ্ববাজারে আসা উৎপাদিত খাদ্যদ্রব্যের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ।

ডব্লিউআরএপির কর্মকর্তা রিচার্ড সোয়ানেল বলেন, এটা আমাকে হতভম্ব করে দিয়েছে। আসলে প্রতিবছর দিনে একবেলায় যত খাবার নষ্ট হয়, শুধু তা দিয়েই বর্তমানে অনাহারে থাকা প্রায় ৮০ কোটি মানুষের সবাইকে খাওয়ানো সম্ভব। অথচ লাখ কোটি ডলার মূল্যের খাবার প্রতিদিন ময়লার ঝুড়িতে ফেলা হচ্ছে।

এক বিবৃতিতে জাতিসংঘের পরিবেশবিষয়ক কর্মসূচির নির্বাহী পরিচালক ইনগার অ্যান্ডারসন বলেন, খাবার অপচয় বৈশ্বিক ট্র্যাজেডি। এ ধরনের অপচয় হওয়ার বড় কারণ, মানুষ তাদের প্রয়োজনের চেয়ে বেশি খাবার কিনছে। এ ছাড়া তারা কতটুকু খেতে পারবে, তার আন্দাজ করতে পারছে না। এতে খাবার উচ্ছিষ্ট থেকে যাচ্ছে।




খালের পানিতে ডুবে প্রতিবন্ধি যুবকের মৃত্যু

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে গোসল করতে গিয়ে খালের পানিতে ডুবে জহিরুল ইসলাম(২১) নামের এক প্রতিবন্ধি যুবকের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বজনরা।

বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নের ময়দা গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

মৃত জহিরুল ওই গ্রামের ইউনুস হাওলাদারের ছেলে ও সুবিদখালী সরকারি রহমান ইসহাক পাইলট বিদ্যালয়ের ছাত্র এবং এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রত্যাশী ছিলেন।

আরো পড়ুন : পটুয়াখালী জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতির ইন্তেকাল

পুলিশ ও স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, জন্ম থেকেই জহিরুল দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ও বায়ুরোগ আক্রান্ত ছিলেন। ঘটনার সময় সে ঘরের দক্ষিণ পাশে খালে গোসল করতে যায়। কিছুক্ষণ পর চাচাতো নানা শাহজাহান মৃধা গোসল করতে গিয়ে জহিরুলের জুতা লুঙ্গি ঘাটের উপরে দেখে তাকে ডাকাডাকি করে কোন সাড়াশব্দ না পেয়ে তার মাকে জানায়। জহিরুলের মা, মামাতো ভাই নান্টুকে নিয়া খালে খোঁজাখুজি করে ডুবন্ত অবস্থায় তার মৃত দেহ উদ্ধার করে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছে।




বরিশালে সড়ক দুর্ঘটনায় সিএনজি চালক নিহত, আহত ৫

বরিশাল অফিস ::বরিশাল জেলার বানারীপাড়া উপজেলার সড়কের গুয়াচিত্রা বাজারের অদূরে সিএনজি দূর্ঘটনায় চালক নিহত এ সময় আহত হয়েছে আরও ৫ যাত্রী।

বুধবার (২৭ মার্চ) সন্ধ্যায় এ দূর্ঘটনা ঘটে।
নিহত চালক হায়দার (২৫) বরিশাল নগরীর জিয়া সড়ক এলাকার বাসিন্দা।

জানা গেছে, বরিশাল শহর থেকে ৫ জন যাত্রী নিয়ে বানারীপাড়ার উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা সিএনজি সড়কের গুয়াচিত্রা বাজারের অদূরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাশের রেইন্ট্রি গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে ধুমরে মুজরে যায়। এতে চালকসহ যাত্রীরা গুরুতর আহত হয়। স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়ার পরে চালক হায়দার সেখানে মারা যায়।

আহত ৫ যাত্রী হলেন হাসান মাহমুদ, আরাফাত,নাহিয়ান,গোলাম সরোয়ার ও রেজোয়ান। তারা ঢাকার ধানমন্ডির ল্যাবএইড হাসপাতালে আইটি সেক্টরে কর্মরত । বরিশালে একটি প্রজেক্ট দেখতে এসে বানারীপাড়ায় ঘুরতে যাওয়ার পথে তারা দূর্ঘটনার শিকার হন।

বরিশাল বানারীপাড়া থানার ওসি মাইনুল ইসলাম তিনি জানান. দূর্ঘটনাস্থল ঝালকাঠি থানা এলাকায় হওয়ায় এ ব্যপারে সেখানকার থানা পুলিশ প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। ইতোমধ্যে ঝালকাঠি থানা পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে।

 




দুমকিতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় এনজিও কর্মকর্তা নিহত

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :

পটুয়াখালীর দুমকি- বাউফল সড়কের চরগরবদি ভাঙ্গাব্রিজ এলাকায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় বিকাশ চন্দ্র রায় (৪০) নামের এনজিও কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। নিহত বিকাশ চন্দ্র রায় ব্যুরো বাংলাদেশ দশমিনা ব্রাঞ্চ ব্যবস্থাপক পদে সদ্য যোগদানকারী কর্মকর্তা।

মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) বিকেলে নিজ মোটরসাইকেলে কর্মস্থলে যাওয়ার পথে উপজেলার চরগরবদি ভাঙ্গাব্রিজ এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে গাছের সাথে ধাক্কা খেয়ে ঘটনাস্থলে নিহত হন।

আরো পড়ুন : পটুয়াখালীতে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সাত ইউপি সদস্যদের লিখিত অভিযোগ

খবর পেয়ে থানা পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে তার পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে রাত ১০ টায় দিকে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। নিহতের গ্রামের বাড়ি পিরোজপুরের কালিকাবাড়ী এলাকায়। তার পিতার নাম বিমল চন্দ্র রায়।

দুমকি থানার অফিসার ইনচার্জ তারেক মো. আবদুল হান্নান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ব্যাপারে একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের হয়েছে।




যে কারণে ফ্রান্সিস স্কট ব্রিজে ধাক্কা দেয় জাহাজ ‘ডালি’

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : জাহাজ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফ্রান্সিস স্কট কী ব্রিজে ধাক্কা দেয় বলে জাহাজ ‘ডালি’র ক্রুরা কর্তৃপক্ষকে জানায় বলে জানিয়েছেন মেরিল্যান্ডের গভর্নর। ঘটনার আগে বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জাহাজের ক্রুরা অবহত করেছেন বলেও জানিয়েছেন মেরিল্যান্ডের গভর্নর।

মঙ্গলবার তিনি এ কথা জানান। খবর সিএনএন।

ঘটনার আগে কন্টেইনার জাহাজ থেকে কর্মকর্তাদের একটি জরুরি কল দিয়ে ফ্রান্সিস স্কট ব্রিজে যানবাহন চলাচল বন্ধ করার জন্য বলা হয় বলে জানিয়েছেন মেরিল্যান্ডের গভর্নর ওয়েস মুর। তিনি বলেন, ‘আমরা কৃতজ্ঞ যে ঘটনার আমাদের কর্মকর্তারা ট্র্যাফিক প্রবাহ বন্ধ করতে সক্ষম হয়েছিলেন, ফলে ব্রিজে বেশি গাড়ি উঠতে পারেনি।’

তিনি বলেন, ‘আমি লোকদের জন্য কৃতজ্ঞ, একবার সতর্কতা এসেছিল এবং একবার ঝুঁকির বিজ্ঞপ্তি এসেছিল। যার ফলে ব্রিজের উপরে গাড়ির চলাচল বন্ধ করা সম্ভব হয় —এই লোকেরা হিরো। তারা গত রাতে জীবন বাঁচিয়েছেন।’