বার্ধক্যে বধিরতার ঝুঁকি এড়াতে

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :একটু বয়স বাড়লেই অনেকেই কানে কম শুনতে শুরু করেন। তবে সবসময় বয়সজনিত কারণেই যে কানের এমন সমস্যা হতে পারে, তা কিন্তু নয়। কানে কম শোনার পেছনে কারণ হতে পারে অপুষ্টি। তাই প্রয়োজন সঠিক পুষ্টিকর খাবারের জোগান। চলুন জেনে নেই কোন খাবারগুলো বধিরতার ঝুঁকি এড়াতে আপনাকে সাহায্য করবে:

পটাশিয়াম সমৃদ্ধ খাবার
হিয়ারিং হেলথ ফাউন্ডেশনের মতে, শ্রবণশক্তি হ্রাস প্রতিরোধ করতে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান পটাশিয়াম। এটি দেহে বিভিন্ন তরলের ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করে। অন্তঃকর্ণে তরল পদার্থ থাকে। তাই অন্তঃকর্ণ ভাল রাখতে এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। খেতে পারেন কালো ডাল, আলু, কলার মতো পটাশিয়াম সমৃদ্ধ খাবার।

ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড
শ্রবণশক্তি ভাল রাখতে সহায়তা করে ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিডও। তাই পাতে রাখুন সামুদ্রিক মাছ, আখরোট, চিয়া বীজ, তিসি বীজ, ডিম ও মাছের তেল।

জিঙ্ক
শরীরে জিঙ্কের ঘাটতি হলে শ্রবণশক্তি হ্রাসের ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই খেতে হবে জিঙ্ক সমৃদ্ধ খাবার। পাতে রাখুন রাজমা, কাঁচা মুগ, ছোলা, কাবলি ছোলা, দুধ, ডিম ও দই।

দুগ্ধজাত খাবার
দুধ এবং দুগ্ধজাত খাবারে রয়েছে ভিটামিন এ, বি, ডি, ই, কে-র মতো উপাদান। এছাড়া অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট, খনিজ পদার্থে সমৃদ্ধ পনির, টোফু খেতে পারেন।




ফরিদপুরে বাস-পিকআপ সংঘর্ষ : নিহত বেড়ে ১৩

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : ফরিদপুরের সদরের কানাইপুরে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে বাস ও পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলে ১১ জন নিহত হয়েছেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তিনজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে, সেখানে মৃত্যু হয়েছে আরো দুজনের।

মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) সকাল ৮টার দিকে সদর উপজেলার কানাইপুর ইউনিয়নের তেঁতুলতলা এ্যাবলুম হাইওয়ে রেষ্টুরেন্টের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতদের মধ্যে সাতজন নারী, দুইজন শিশু ও চারজন পুরুষ রয়েছেন বলে জানা গেছে। তাদের মধ্যে একই পরিবারের চারজন।

নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের চারজন হলেন বোয়ালমারী উপজেলার শেখর ইউনিয়নের ছত্রকান্দা গ্রামের রাকিবুল ইসলাম মিলন (৪০), তার স্ত্রী সুমি (৩০) ও দুই ছেলে আবু রায়হান (৬), আবু সিনান রুহান (৫)।

অপর নিহতদের মধ্যে ছত্রকান্দা গ্রামের ওহাব মোল্যার স্ত্রী মর্জিনা বেগম (৭০), আলফাডাঙ্গার মিল্টন শেখের স্ত্রী সোনিয়া (২৫), হিদাডাঙ্গা গ্রামের সূর্য (৬০), কুসুমদি গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে নজরুল ইসলাম (৩৫), চরবাইল গ্রামের রশিদ খানের ছেলে তবিবুর রহমান (৬০) ও হিদাডাঙ্গা গ্রামের আমীর আলীর স্ত্রী কোহিনুরের (৫৫) পরিচয় পাওয়া গেছে।

 




শ্বশুর বাড়ি যাওয়ার পথে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মৃত্যু

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালী – কলাপাড়া মহাসড়কের কলঙ্ক এলাকায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নজরুল ইসলাম নাহিদ(৪৩) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার রাত আটটার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। মৃত নজরুল পটুয়াখালী সদর সাবরেজিস্টার অফিসের নকল শাখার তল্লাশীকারক পদে কর্মরত ছিলেন। সে পটুয়াখালী পৌর শহরের কলাতলা এলাকার বাসিন্দা।

আরো পড়ুন : ছেলেকে বাঁচাতে ভিটে-বাড়ি বিক্রি করছেন মা ফরিদা

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নজরুল সন্ধ্যায় পটুয়াখালীর বাসা থেকে শশুরবাড়ি ঈদের দাওয়াত খেতে নিজে মোটরসাইকেল চালিয়ে কলাপাড়া উপজেলার বানাতিবাজার এলাকায় রওনা দেয়। পরে কলঙ্ক এলাকায় সড়কে উপরে তার মোটরসাইকেলটির পাশে তাকে পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা। এসময় তার মাথা সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম ছিলো। স্থানীয়রা তাৎক্ষণিক তাকে উদ্ধার করে কলাপাড়া হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। রাত হওয়ায় দুর্ঘনার কোন প্রত্যক্ষদর্শী পাওয়া যায়নি।

তবে স্থানীয়দের ধারনা, কোন বড় যানবাহনের ধাক্কা অথবা নিজেই নিয়ন্ত্রন হারিয়ে সড়কের উপরে পরে যান তিনি। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

মৃত নজরুলের শ্বশুর সালাউদ্দিন খান জানান, ঈদ উপলক্ষে আমার জামাতার আজ আমার বাড়িতে আসার কথা ছিলো। খাওয়া দাওয়ার ভালো আয়োজনও করা হয়েছিলো। কিন্তু কে খাবে এসব খাবার? আমার দুই নাতী রয়েছে ওরা আজ এতিম হয়ে গেলো।

আরো পড়ুন :পটুয়াখালী মেডিকেলের শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে কেমন চিকিৎসক হবেন?

কলাপাড়া থানার ওসি আলী আহম্মদ জানান, এটি পার্শ্ববর্তী আমতলী এলাকার ঘটনা। আমতলী থানা পুলিশ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। তারপরও হাসপাতালে কলাপাড়া থানা পুলিশ সদস্যদের পাঠানো হয়েছে।




৫৪ জেলায় বইছে দাবদাহ হাঁসফাঁস জনজীবন

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : পয়লা বৈশাখ থেকে প্রচণ্ড দাবদাহে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে সারা দেশের জনজীবন। গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা সাধারণ মানুষের। রাজধানীসহ দেশের ৫৪ জেলায় বইছে মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ। গরমের দাপটে নাভিশ্বাস অবস্থা। বয়ে যাওয়া তীব্র তাপদগ্ধের কারণে চরম বিপাকে পড়েছে নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষ। প্রচণ্ড দাবদাহের কারণে তাদের রাস্তায় বের হয়ে কাজ করতে চরম কষ্ট হচ্ছে। এই বৈশাখ জুড়ে টানা গরম ও শুষ্ক আবহাওয়ার শঙ্কার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।

আবহাওয়াবিদেরা বলছেন, চড়তে থাকবে তাপমাত্রা, বাড়বে আরও গরম। ২০২৩ সাল ছিল পৃথিবীর ইতিহাসের উষ্ণতম বছর। গত বছরের সেই উষ্ণতা এবার ছাড়িয়ে যাবে। এবার পুরো মৌসুমে তাপমাত্রা বেশি থাকবে। এর মধ্যে এই এপ্রিলে গরমের তীব্রতা পৌঁছাতে পারে সর্বোচ্চ পর্যায়ে।

আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক বলেন, দেশের অধিকাংশ জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া তাপপ্রবাহের তীব্রতা গতকাল সোমবার আরো বেড়েছে। থার্মোমিটারের পারদ বলছে, তাপমাত্রা ছাড়িয়েছে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে পটুয়াখালীর খেপুপাড়ায় ৪০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগের দিন রোববার (১৪ এপ্রিল) দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল রাঙামাটিতে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল ঢাকার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৭.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা আগের দিন ছিল ৩৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে জলীয় বাস্পের পরিমাণ বেশি হওয়ায় গরমে অস্বস্তি আরও বাড়ছে। ২০২৩ সালের তুলনায় এ বছর তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে। বাংলাদেশে সাধারণত মার্চ থেকে মে মাসকে বছরের উষ্ণতম সময় ধরা হয়। এর মধ্যে এপ্রিল মাসেই সাধারণত তাপমাত্রা সবচেয়ে বেশি থাকে। নির্বিচারে গাছ কাটা, জলাশয় ভরাট করা, এসির অত্যধিক ব্যবহারের কারণে রাজধানীর তাপমাত্রা বেড়েই চলেছে। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের গত কয়েক দিনের পূর্বাভাসের দিকে লক্ষ করলে দেখা যায়, বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতে এখন বেশি তাপমাত্রা বিরাজ করছে। এর কারণ বাংলাদেশের ওই অঞ্চলের দিকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, উত্তর প্রদেশ ইত্যাদি রাজ্যের অবস্থান। কিন্তু এসব প্রদেশের তাপমাত্রা অনেক বেশি। এসব জায়গায় বছরের এই সময়ে তাপমাত্রা ৪২ থেকে ৪৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করে। ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক বলেন, গত বছর ভারতের ঐ সব অঞ্চলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৫২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যেহেতু ওগুলো উত্তপ্ত অঞ্চল, তাই ওখানকার গরম বাতাস চুয়াডাঙ্গা, যশোর, কুষ্টিয়া, রাজশাহী হয়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে এবং তা আমাদের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয়। বিগত বছরের বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করে এটা প্রতীয়মান হচ্ছে, ২০২৪ সাল উত্তপ্ত বছর হিসেবে যাবে। আমরা এ বছর তাপপ্রবাহের দিন ও হার বেশি পেতে যাচ্ছি।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, তাপমাত্রা যদি ৩৬ থেকে ৩৭.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়, তাকে মৃদু তাপপ্রবাহ বলে। ৩৮ থেকে ৩৯.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রাকে মাঝারি তাপপ্রবাহ বলা হয়। তাপমাত্রা ৪০ থেকে ৪১.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলে প্রচণ্ড তাপপ্রবাহ বলা হয়। আর অতি প্রচণ্ড হয় ৪২ ডিগ্রি বা এর বেশি হলে। বর্তমানে তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৪০ ডিগ্রির মধ্যে ওঠানামা করছে।




ভিটামিন ডির ঘাটতি হয় কেন, ৭ লক্ষণ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : ভিটামিন ডি শরীরের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এর ঘাটতি শরীরের নানা রকম ঝুঁকির কারণ হয়।

খাদ্যে ভিটামিন ডির অপ্রতুলতা এবং সূর্যরস্মির অভাবে অনেকের শরীরেই ভিটামিন ডি-র ঘাটতি হয়। ভিটামিন ডি শরীরের বিভিন্ন কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এর অভাবে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে পারে যেকোনো বয়সী মানুষ।

যেসব কারণে ভিটামিন ডি-র ঘাটতি হতে পারে, তাদের মধ্যে নিম্নলিখিত কারণগুলো উল্লেখযোগ্য। যেমন :

• শরীরের রং বেশি কালো হওয়া
• বয়স্ক হলে
• অতিরিক্ত ওজন
• পর্যাপ্ত মাছ বা দুধ না খাওয়া
• অতিরিক্ত সানস্ক্রিন ব্যবহার করা
• সবসময় ঘরে বসে থাকা ইত্যাদি

ভিটামিন ডি কমে যাওয়ার লক্ষণ

১. ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়া থেকে বাঁচাতে সাহায্য করে ভিটামিন ডি। প্রায়ই সর্দি-কাশি বা ফ্লুতে ভোগার জন্য দায়ী হতে পারে ভিটামিন ডি-এর কম মাত্রা।

২. ভিটামিন ডি-এর অভাবে হাড়, জয়েন্ট, পিঠ ও স্নায়ুতে ব্যথা হতে পারে।

৩. ভিটামিন ডি-এর অভাবের সঙ্গে বিষণ্নতার সম্পর্ক রয়েছে। কোনো কারণ ছাড়াই বিষণ্ন লাগলে ভিটামিন ডি-এর মাত্রা পরীক্ষা করে নিন।

৪. অত্যধিক চুল পড়া হতে পারে ভিটামিন ডি কমে যাওয়ার লক্ষণ।

৫. অস্ত্রোপচার বা আঘাতের পরে ধীরে ধীরে ক্ষত নিরাময় হওয়া ভিটামিন ডি অভাবের লক্ষণ হতে পারে।

৬. বাড়তি ওজনের কারণ হতে পারে অপর্যাপ্ত ভিটামিন ডি।

৭. ক্লান্তবোধ করা ভিটামিন ডি কমে যাওয়ার লক্ষণ। শরীরের এনার্জি লেভেল কমতে শুরু করে এই ভিটামিনের অভাবে, ফলে অল্প কাজ করেও লাগতে পারে ক্লান্ত।

ভিটামিন-ডি পাওয়া যায় যেসব খাবারে

ভিটামিন-ডি একটি ফ্যাট সলিউবল সিকুস্টারয়েড। এর কাজ হচ্ছে দেহের অন্ত্র (ইনটেসটাইন) থেকে ক্যালসিয়ামকে শোষণ করা; এটি আয়রন, ম্যাগনেশিয়াম এবং ফসফরাসকেও দ্রবীভূত করে। ভিটামিন-ডি নিয়ে আগে এত কথা না হলে বর্তমানে এ বিষয় নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে। পুষ্টিবিদরা প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ভিটামিন-ডি জাতীয় খাবার রাখার পক্ষে জোর দিচ্ছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভিটামিন-ডি’র অভাবে শিশুদের দেহের হাড় ঠিকমতো বৃদ্ধি পায় না এবং হাড় বাঁকা হয়ে যায়। এর অভাবে বয়স্ক লোকদের হাড় নরম হয়ে যায়; আলঝেইমার রোগ হতে পারে। যাঁদের দেহে ভিটামিন-ডি’র অভাব রয়েছে, তাঁদের অ্যাজমার সমস্যা হতে পারে।

মাছ

বিভিন্ন মাছে রয়েছে ভিটামিন-ডি। বিশেষ করে চর্বিযুক্ত মাছ, যেমন : স্যালমন, সারদিনস, টুনা, ম্যাককেরেল ইত্যাদি। দৈনিক ভিটামিন-ডি’র চাহিদার ৫০ শতাংশ পূরণ হতে পারে একটি টুনা মাছের স্যান্ডউইচ বা তিন আউন্স ওজনের একটি স্যালমান মাছের টুকরো থেকে।

মাশরুম

মাশরুমে রয়েছে ভিটামিন-ডি। পরটোবেললো মাশরুম সূর্যের আলোয় বড় হয়, এর মধ্যে রয়েছে ভিটামিন-ডি। তাই চাহিদা পূরণে নিয়মিত মাশরুম খেতে পারেন।

কমলার জুস

বাজারে কিছু ভালো ব্র্যান্ড রয়েছে, যারা কমলার জুস তৈরিতে ভিটামিন-ডি যোগ করে। অন্যান্য জুসের মধ্যে এটি দেওয়া হলেও কমলার জুস ভিটামিনের উপাদান ধরে রাখতে পারে। তাই ভিটামিন-ডি’র জন্য ভালো ব্র্যান্ডের জুসও খাওয়া যেতে পারে। তবে খাওয়ার আগে প্যাকেটের গায়ে দেখে নিন, কী কী উপাদান দিয়ে তৈরি হয়েছে এটি।

ডিম

ডিমে হালকা পরিমাণ ভিটামিন-ডি রয়েছে। তবে যাঁদের উচ্চ রক্তচাপ এবং উচ্চ কোলেস্টেরল রয়েছে, তাঁদের ডিমের কুসুম খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে।

অঙ্গপ্রত্যঙ্গ জাতীয় খাবার

অঙ্গপ্রত্যঙ্গ জাতীয় খাবারে ভিটামিন-ডি রয়েছে, যেমন : গরুর মাংসের লিভারে ভিটামিন-ডি আছে। তবে এটা রান্না করে খাওয়ার চেয়ে অনেকেই হয়তো দুধ থেকে ভিটামিন-ডি খেতে বেশি পছন্দ করবেন।

 




দোকান ঘর ধুয়ে ঘরে ফেরা হলো না জামালের

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জামাল খাঁন নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার (১৫ এপ্রিল) দুপুর দুইটার দিকে উপজেলার লালুয়া ইউপির লাল-সবুজ বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

জামাল খাঁন ওই ইউপির চান্দুপাড়া গ্রামের মৃত রশিদ খাঁনের ছেলে। জামাল দিন মজুরের কাজ করতেন। এছাড়া তিনি চান্দুপাড়া দক্ষিণ আবাসনের বাসিন্দা।

আরো পড়ুন : পটুয়াখালী মেডিকেলের শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে কেমন চিকিৎসক হবেন?

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান তপন বিশ্বাস জানান, দুপুরে লাল-সবুজ বাজারে বাহাদুর মোল্লার দোকান ঘর পরিষ্কার করার জন্য টিয়াখালী দোন নদী থেকে পাম্প মেশিন দিয়ে পানি তুলছিলেন জামালসহ আরও এক শ্রমিক। এসময় তিনি অসাবধানতায় বিদ্যুতায়িত হন। তাকে উদ্ধার করে কলাপাড়া হাসপাতালে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

কলাপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলী আহম্মেদ জানান, মৃত্যুর বিষয়ে কেউ কোনো অভিযোগ করেনি। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




পটুয়াখালী মেডিকেলের শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে কেমন চিকিৎসক হবেন?

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজে শিক্ষার্থীরা হাতে-কলমে শিক্ষা অর্জন থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। চিকিৎসক তৈরির নামে জোড়াতালির পাঠদানে স্বাস্থ্যখাত ধ্বংসের মুখে পড়েছে বলে দাবি শিক্ষার্থীদের।

এ ছাড়াও ল্যাব-আবাসন সংকটের পাশাপাশি শিক্ষক সংকটেও নেই মাথাব্যথা। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বারবার জানানো হলেও কার্যত কোনো ফল মিলছে না।

সংশ্লিষ্টরা জানান, পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজটি ২০১৪ সালে যাত্রা শুরুর পর ২০১৬ সালে নতুন অবকাঠামো নির্মাণের কাজ শুরু হয়। ২০২০ সালে হস্তান্তর হওয়ার কথা থাকলেও কয়েক দফায় সময় বাড়িয়েও এখনও কাজ সম্পূর্ণ হয়নি।

আরো পড়ুন : পর্যটকের পদচারণায় মুখরিত কুয়াকাটা

খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে কলেজের একাডেমিক ভবনের কাজ। ফলে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের চরম ভোগান্তি নিয়েই পাঠদান কার্যক্রম চলছে। কোনো ল্যাব এখনও না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা হাতে-কলমে শিক্ষা অর্জন থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। নিশ্চিত হচ্ছে না গুণগত মান; রয়েছে আবাসন সংকটও।

শুধু তাই নয়, বছরের পর বছর শিক্ষক সংকটেও ভুগছে প্রতিষ্ঠানটি। ৭৫ জন শিক্ষার্থীর বিপরীতে শিক্ষক রয়েছেন মাত্র ৩০ জন। সংকটের বিষয়ে বারবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও কোনো ফল আসেনি।

শিক্ষার্থীরা বলেন, প্র্যাকটিক্যাল রিলেটেড ক্লাসগুলো থেকে আমরা বঞ্চিত হচ্ছি। পাঠদানে পর্যাপ্ত শিক্ষক নেই, সরঞ্জামেরও অভাব রয়েছে। তাহলে বলেন, এখানে পড়ে শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে কেমন চিকিৎসক হবেন?

আরো পড়ুন : বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছেন টাইগারদের নতুন কোচ

পটুয়াখালী মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মো. মনরিুজ্জামান বলেন, প্রতিমাসই মাসিক প্রতিবেদন আমরা অধিদফতরের পাঠাই। আমাদের কতোটা পদ খালি আছে সেটার বিষয়েও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।

পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজের প্রকল্প পরিচালক ডা. দিলরুবা ইয়াসমিন বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে আমাদের একাডেমিক ভবনটা আসলে কীভাবে রেডি করা যায় সে বিষয়ে কাজ করছি। সে বিষয়ে তাগেদাও দেয়া হচ্ছে।

পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজে বর্তমানে ১০ ব্যাচসহ ৩২৫ জন শিক্ষার্থী রয়েছেন।




ঝালকাঠিতে দাদি ব্যস্ত গোসলে, স্রোতে ভেসে গেল নাতি

বরিশাল অফিস:: ঝালকাঠির নলছিটিতে দাদির সঙ্গে গোসল করতে গিয়ে স্রোতে ভেসে গেছে ৮ বছরের নাতি আদর চক্রবর্তী।  শনিবার (১৩ এপ্রিল) বেলা ১১টায় পৌর এলাকার কলবাড়ী সংলগ্ন সুগন্ধা নদীর তীরে এ ঘটনা ঘটে।

নলছিটি পৌর এলাকার স্টুডিও ব্যবসায়ী শিমুল চক্রবর্তীর একমাত্র ছেলে আদর চক্রবর্তী তার দাদির সঙ্গে গোসলের জন্য নদীর তীরে আসে। এ সময় তার দাদি গোসলে ব্যস্ত থাকায় পা পিছলে আদর নদীতে পড়ে যায়। দাদি তাকে ধরার চেষ্টা করলেও রাখতে পারেননি নদীর স্রোত তাকে ভাসিয়ে নিয়ে যায়। নিখোঁজ আদর চক্রবর্তী স্থানীয় বন্দর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র।

স্থানীয়রা জানান, নদীর এ অংশের গভীরতা অনেক। তবে তীর থেকে সেটা বোঝার উপায় নেই দেখলে মনে হবে ঢালু চর। তাই এখানে স্রোতের তীব্রতা অনেক বেশি যার কারণেই ছেলেটি স্রোতের টানে পানির নিচে চলে গেছে।

খবর পেয়ে বরিশাল সদরের একটি ডুবুরি দল বেলা সাড়ে ১১টায় নলছিটি এসে উদ্ধার কাজ শুরু করেছে।

নলছিটি থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুরাদ আলী বলেন, আমাদের পুলিশ সেখানে অবস্থান করছে। এছাড়া নলছিটি ফায়ার সার্ভিস ও বরিশাল সদর থেকে আগত ডুবুরিদল উদ্ধার কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।




নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সিএনজি খাদে, নিহত ২

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় সিএনজি উল্টে রাস্তার খাদে পড়ে দুই যাত্রী নিহত হয়েছেন।

আজ শনিবার (১৩ এপ্রিল) সকালে পটুয়াখালী-কলাপাড়া মহাসড়কের বিশকানি নামক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আরো পড়ুন : ট্রাক-মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে যুবক নিহত

নিহতরা হলেন আফজাল হোসেন (৬০) ও জাকারিয়া (২৩)। এ ঘটনায় চারজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সিএনজিচালক পার্শ্ববর্তী আমতলী চৌরাস্তা থেকে ৫ জন যাত্রী নিয়ে কলাপাড়ার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন। এ সময় বিশকানি এলাকায় পৌঁছলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের পাশে খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই দুজনের মৃত্যু হয়। আহতদের মধ্যে সিএনজিচালক জামাল ও মতিনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল সেবাচিম হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

আরো পড়ুন : দীর্ঘ ৮ বছর পর পটুয়াখালী-কুয়াকাটার ১১ কিলোমিটার সড়ক সংস্কারের উদ্যোগ

কলাপাড়া থানার ওসি আলী আহমদ জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলছে। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে।




ট্রাক-মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে যুবক নিহত

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীতে ট্রাক মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে জাহিদুল ফকির (১৮) নামের এক মোটরসাইকেল চালক নিহত হয়েছে। শুক্রবার রাত ৮ টায় বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কের কৃষি বিমান অবতরণ কেন্দ্র ( এয়ারপোর্ট) এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এঘটনায় গুরত্বর আহত যুবককে উদ্ধার করে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে ।

নিহত জাহিদ সদর উপজেলার ইটবাড়িয়া কালিচন্না এলাকার বাসিন্দা শাহ আলম ফকিরের ছেলে।

আরো পড়ুন : পটুয়খালীতে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার

স্থানীয়রা জানান, রাতে নিহত জাহিদুল ও আহত মুজাহিদ দুই বন্ধু মোটরসাইকেল যোগে ঈদে ঘোরাঘুরি করার সময় পটুয়াখালী মহাসড়কের কৃষি বিমান অবতরণ কেন্দ্র (এয়ারপোর্ট) এলাকা অতিক্রম কালে বরিশাল থেকে আসা দ্রুত গতির ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। পরে গুরুত্বর আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।

পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা.সঞ্জীব বলেন, সড়ক দূর্ঘটনায় আহত দুই যুবককে হাসপাতালে নিয়ে আসলেও এক যুবককে চিকিৎসা শুরুর আগেই মৃত্যু হয়েছে। অপর আহত যুবককে চিকিৎসা দিয়ে ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে।

পটুয়াখালী সদর থানার এসআই মনিন্দ্র বলেন, ট্রাক মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত জাহিদুল ফকিরের লাশ উদ্ধার করে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। ট্রাক ও মোটরসাইকেল উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তবে ট্রাকের চালক ও হেলপারকে আটক করা যায়নি।