বাউফলে বিদ্যুতস্পৃষ্টে দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থীর মৃত্যু

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর বাউফলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক স্কুলছাত্রের মৃত্যু হয়েছে।

উপজেলার কালাইয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় ভবনের ছাদে রোববার বেলা ১১ টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত বিল্লাল হোসেন ওই স্কুলের দশম শ্রেণীর ছাত্র এবং দাসপাড়া গ্রামের তাজউদ্দিন মৃধার ছেলে। তার মৃত্যুতে সহপাঠী ও পরিবারের শোকের ছায়া নেমে আসে।

স্কুল কর্তৃপক্ষ জানায়, স্কুলে আসার পর বিল্লাল বেলা ১১টায় ছাদে ওঠে। এ সময় বৃষ্টি থাকায় ছাদের উপর দিয়ে টানা বৈদ্যুতিক তারে অসাবধানতায় স্পর্শ করলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হইয়ে পড়ে বিল্লাল। তাৎক্ষণিকভাবে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

আরো পড়ুন : দুমকী উপজেলা পরিষদ নির্বাচন আচরণ বিধি ভঙ্গের অভিযোগে মাল্টা কাওসারকে শোকজ

বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডাক্তার নুরজাহান বেগম জানান, বিল্লালকে সহপাঠীরা হাসপাতালে নিয়ে আসে। তাকে পরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করা হয়। বিল্লালের মুখে বার্নের দাগ ছিল বলেও জানান তিনি।

বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শোনিত কুমার গায়েন জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। খোঁজখবর নিয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।




মুখের ক্যান্সারের লক্ষণ জেনে নিন




পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় আকষ্মিক বজ্রপাতে গরুর মৃত্যু

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় অকষ্মিক বজ্রপাতে একটি বলদ গরুর মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (১১ মে) বেলা ১১ টার দিকে উপজেলার চম্পাপুর ইউপির মাসুয়াখালী গ্রামে এই বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক জাহাঙ্গীর জানান, সকালে বাড়ির পাশে খোলা মাঠে গরুটি বেঁধে রেখেছিলেন। তখন আবহাওয়া ভালো ছিল। কিন্তু বেলা বাড়লে গুড়ি বৃষ্টি শুরু হয়। এরমধ্যে হঠাৎ-ই বিকট শব্দে বজ্রপাত ঘটে। পরে মাঠে গিয়ে বলদ গরুটি মৃত অবস্থায় দেখতে পান।

আরো পড়ুন : নিষেধাজ্ঞার পর পটুয়াখালীর নদী থেকে ইলিশ উধাও

গরুটির আনুমানিক দাম প্রায় ৮৫ হাজার টাকা ছিল বলে জানান তিনি।

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.রবিউল ইসলাম জানান, সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানকে বলা হয়েছে আবদেন করতে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে সহায়তা প্রদান করা হবে।




করোনার সব টিকা প্রত্যাহার করল অ্যাস্ট্রাজেনেকা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : বৈশ্বিকভাবে নিজেদের সব করোনা টিকা প্রত্যাহার করে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ওষুধ ও টিকা প্রস্তুতকারী কোম্পানি অ্যাস্ট্রাজেনেকা। মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক এই কোম্পানির কর্তৃপক্ষ।

বিবৃতিতে কোম্পানিটি বলেছে, করোনা মহামারির সময়ে যে বৈশ্বিক পরিস্থিতি ছিল এখন আর তা নেই। ‘করোনা ভাইরাস’ নামের যে ভাইরাসটির বিস্তার প্রতিরোধে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সম্মিলিতভাবে ২০২০ সালের শেষ দিকে যে টিকা বাজারে এনেছিল অ্যাস্ট্রাজেনেকা, সেই ভাইরাসটি এখন প্রায় নিষ্ক্রিয়, এমনকি মূল ভাইরাসটি থেকে যেসব ভ্যারিয়েন্ট ভাইরাসের উদ্ভব হয়েছে সেগুলোও এখন আর প্রাণঘাতী নয়।

সম্প্রতি ব্রিটেনের আদালতে ১০ কোটি পাউন্ড ক্ষতিপূরণের মামলা হয়েছে অ্যাস্ট্রাজেনেকার বিরুদ্ধে। মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিড টিকা গ্রহণের কারণে গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় ভুগে বিশ্বজুড়ে অনেক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। মামলার কার্যক্রম চলার মধ্যেই এই ঘোষণা দিলো কোম্পানির কর্তৃপক্ষ।

গত ফেব্রুয়ারিতে এক নথিতে অবশ্য অ্যাস্ট্রাজেনেকার কর্তৃপক্ষ স্বীকার করেছিল যে টিকা গ্রহণের পর টিটিএস বা থ্রম্বসিস উইথ থ্রম্বোসিটোপেনিয়া সিনড্রোম নামের এক প্রকার শারীরিক জটিলতা দেখা দিতে পারে, তবে তা খুবই বিরল।

টিটিএস হলো এমন একটি শারীরিক জটিলতা, যার কারণে শরীরের বিভিন্ন অংশে রক্ত জমাট বেঁধে যায় এবং প্ল্যাটিলেট কমে যায়। যুক্তরাজ্যে এই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার শিকার হয়ে ২০২০ সালের টিকাদান কর্মসূচির শুরু থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ৮১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, বাজারে বর্তমানে করোনার মুখে খাওয়ার ওষুধও পাওয়া যাচ্ছে। ফলে বৈশ্বিকভাবে টিকার আর সেই চাহিদাও নেই। তাই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। কোম্পানির সব অংশীদারদের ইতোমধ্যে এ বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে।

অ্যাস্ট্রাজেনেকা বলেছে, ‘নিরপেক্ষ পরিসংখ্যান বলছে, ২০২০ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ছাড়পত্র পাওয়ার পর এক বছরে অ্যাস্ট্রাজেনেকার ৩০০ কোটি করোনা টিকার ডোজ ব্যবহার করা হয়েছে পৃথিবীজুড়ে। এসব টিকার ডোজ প্রাণ বাঁচিয়েছে বিশ্বের ৬৫ লাখেরও বেশি মানুষের। বিভিন্ন দেশের সরকার আমাদের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেছে এবং করোনা মহামারি দূর করতে যে অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে— তা বৈশ্বিকভাবে স্বীকৃত। কিন্তু বর্তমানে মূল করোনা ভাইরাসটি প্রায় নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ায় এবং এটি থেকে উদ্ভূত অন্যান্য ভ্যারিয়েন্টগুলোও দুর্বল হয়ে যাওয়ায় এসব টিকা এখন অতিরিক্ত। তাই সব টিকা বাজার থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কোম্পানি।




চিকিৎসার অর্থ নেই, আইসিইউ রুমে ঢুকে স্ত্রীকে হত্যা করলেন স্বামী

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : চিকিৎসা করানোর সামর্থ্য এবং হাসপাতালের বিল দেওয়ার অর্থ না থাকায় নিজের স্ত্রীকে হত্যা করেছেন এক স্বামী। গত শুক্রবার (৩ মে) যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরির সেন্টারপয়েন্ট হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।

তিনি তার অসুস্থ স্ত্রীকে— হাসপাতালের বেডে শুয়ে থাকা অবস্থায় শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন।

এরপর হাসপাতালটির কর্মীরা পুলিশকে এ ব্যাপারে অবহিত করে। তারা জানায়, ওই নারী আইসিইউতে ছিলেন এবং তার ডায়ালাইসিস চলছিল।

আইন-শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, ওই নারীর স্বামীর নাম রনি উইগস। তিনি হাসপাতালের বেডে তাকে শ্বাসরোধ করেন। এছাড়া তার নাক ও মুখও চেপে ধরেন যেন তিনি চিৎকার করতে না পারেন।

যখন পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় তখন ওই নারী আর নড়াচড়া করছিলেন না। তা সত্ত্বেও তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। কিন্তু পরবর্তীতে সেটি খুলে দেওয়া হয়।

হাসপাতালের কর্মীরা জানিয়েছেন, স্ত্রীকে হত্যার পর ওই পাষণ্ড স্বামী চিৎকার করে বলতে থাকেন, “আমি তাকে হত্যা করেছি। আমি তার শ্বাসরোধ করেছি।”

ওই স্বামী পুলিশের কাছে স্বীকার করেছেন তিনি আর্থিক ও মানসিক দুরাবস্থার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলেন। আর এ কারণে স্ত্রীকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেন।

তিনি পুলিশকে আরও জানিয়েছেন, এর আগে যখন তার স্ত্রী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল তখনও তিনি তাকে দুইবার হত্যার চেষ্টা চালিয়েছেন।

সূত্র: ফক্স নিউজ




স্ট্যামিনা বাড়াতে কী খাবেন?




গরমের ‘জাতীয় গাইডলাইন’ উন্মোচন করল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর




বরিশালে নবজাতককে হাসপাতালে রেখে উধাও মা

বরিশাল অফিস :: বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক নবজাতককে রেখে তার মা ও স্বজনরা চলে গেছেন। শিশুটিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ চিকিৎসা দিচ্ছে।

হাসপাতালের শেখ রাসেল স্ক্যানু নবজাতক সেবা কেন্দ্রে শনিবার ভোরে ওই মেয়ে শিশুটিকে ভর্তি করা হয়।এরপর থেকে রোববার পর্যন্ত তার স্বজনদের কোনো সন্ধান মিলছে না কেন্দ্রের সেবিকা ইনচার্জ জয়নব বিবি জানিয়েছেন।

জয়নব বলেন, “শনিবার রাতে কোনো একটি ক্লিনিকে শিশুটির জন্ম হয়। মাত্র ৬শ’ গ্রাম ওজনের শিশু কন্যাকে রোববার রাতের দিকে আমাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

“শনিবার সকালের পর থেকে শিশুটির সঙ্গে কাউকে না পেয়ে ভর্তির সময় দেওয়া একটি ফোন নম্বরে যোগাযোগ করা হয়।তারা আসবে বলে জানালেও দুপুর পর্যন্ত কেউ আসেনি।রোববার সকাল থেকে ওই নম্বরে একাধিকবার কল করা হলেও কেউ রিসিভ করেনি।”

শিশুটিকে ভর্তির সময় ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার বাসিন্দা চম্পার সন্তান হিসেবে উল্লেখ ছিল জানিয়ে ওই সেবিকা বলছেন, “বর্তমানে শিশুটি সেবা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন রয়েছে।তার শারীরিক অবস্থাও বেশি ভালো না। শিশুর চিকিৎসা ব্যয় হাসপাতাল থেকে করা হচ্ছে।”

বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. এইচএম সাইফুল ইসলাম বলেন, “খবরটি শুনেছি। আমি যাচ্ছি, শিশুটির শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”




রক্তস্বল্পতা দূর করতে যে ৫ ফল খাবেন




গরমে লাউ খেলে কী কী উপকারিতা মিলবে, জেনে নিন