কেরালার ভয়াবহ ভূমিধসে নিহত ৪৩, আটকা পড়েছে কয়েকশ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :ভারতের সর্বদক্ষিণের রাজ্য কেরালার ওয়ানাড়ে প্রবল বৃষ্টির পর ব্যাপক ধস নেমেছে। এতে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৪৩ জন। এ ছাড়া কয়েকশ মানুষ আটকে পড়েছেন।

মঙ্গলবার জার্মানভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, রাত ২টা থেকে ৪টার মধ্যে এই ধস নামে। ওয়ানাড়ের মেপ্পাডির কাছে পাহাড়ি এলাকায় ধস নেমেছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মুন্ডাকাই ও চোরালমালা এলাকা। দুর্গত মানুষকে হেলিকপ্টারে করে উড়িয়ে নিয়ে আসার চেষ্টা হচ্ছে। এনডিআরএফসহ একাধিক সংস্থা ঘটনাস্থলে কাজ শুরু করে দিয়েছে। বিমানবাহিনীর সাহায্য চাওয়া হয়েছে।




হেপাটাইটিস নির্ণয়ে পরীক্ষা করুন, টিকা নিন : প্রধানমন্ত্রী

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হেপাটাইটিস নির্মূলে সরকার গৃহীত পদক্ষেপের পাশাপাশি দেশের চিকিৎসক সমাজ, বেসরকারি ব্যক্তি, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী হেপাটাইটিস নির্মূলের লক্ষ্য স্থির করা হয়েছে, যা বাস্তবসম্মত এবং আমাদের সকলের প্রচেষ্টায় তা অর্জন সম্ভব। হেপাটাইটিস নির্ণয়ে পরীক্ষা করুন, টিকা নিন এবং প্রয়োজনে চিকিৎসা গ্রহণ করুন।’

আজ ‘বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবস’ উপলক্ষ্যে এক বাণীতে তিনি এ আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী  বলেন, “বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও ‘বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবস-২০২৪’ পালন করা হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। ভাইরাল হেপাটাইটিস প্রতিরোধে দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য- ‘এখনই সময় পদক্ষেপ নেয়ার’ যা সময়োপযোগী হয়েছে বলে আমি মনে করি।”

তিনি বলেন, হেপাটাইটিসজনিত কারণে বিশ্বে প্রতিবছর ১ দশমিক ৩ মিলিয়ন মানুষ মৃত্যুবরণ করেন, যা প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে। হেপাটাইটিস লিভার ক্যান্সারের অন্যতম কারণ। তাই হেপাটাইটিস নির্মূলের লক্ষ্য অর্জনে ব্যাপক গণসচেতনতা সৃষ্টি করা প্রয়োজন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার পরপরই দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়নে হাসপাতাল প্রতিষ্ঠাসহ বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করেন। জাতির পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পোঁছে দিতে এবং জনসাধারণকে সুলভে মানসম্মত স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও পরিবার কল্যাণ (এইচএনপি) সেবা প্রদানের মাধ্যমে একটি সুস্থ, সবল ও কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী গড়ে তোলার লক্ষ্যে আওয়ামী লীগ সরকার ব্যাপক উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা একটি গণমুখী স্বাস্থ্যনীতি প্রণয়ন করে যুগোপযোগী স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নতুন নতুন হাসপাতাল, নার্সিং ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠাসহ নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। সারাদেশে হাসপাতালগুলোর শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধিসহ চিকিৎসক, নার্স, সাপোর্ট স্টাফের সংখ্যাও বৃদ্ধি করেছি। গ্রাম পর্যায়ে জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে সারাদেশে প্রায় সাড়ে ১৮ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কমিউনিটি ক্লিনিক ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রের মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে ফ্রি স্বাস্থ্য, পরিবার কল্যাণ ও পুষ্টি সেবা দেয়া হচ্ছে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতাল থেকে মোবাইল ফোন ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে চিকিৎসাসেবা চালু করা হয়েছে। এসকল পদক্ষেপের ফলে চিকিৎসা সেবার মান বৃদ্ধি পেয়েছে, বেড়েছে দেশের মানুষের গড় আয়ু।
তিনি বলেন, আমাদের সরকারের সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ শিশু মৃত্যুহার হ্রাসের জন্য এমডিজি অ্যাওয়ার্ড, সাউথ-সাউথ অ্যাওয়ার্ড ফর ইমপ্রুভিং দ্য লাইভস অব উইমেন এন্ড চিলড্রেন, সাউথ-সাউথ অ্যাওয়ার্ড ফর ডিজিটাল হেলথ ফর ডিজিটাল ডেভেলপমেন্ট পুরস্কার পায়। বাংলাদেশ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে পোলিও নির্মূল সার্টিফিকেট অর্জন করেছে। তাছাড়া, সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই)-এর সফলতার জন্য গ্লোবাল এলায়েন্স ফর ভ্যাকসিন এন্ড ইমুনাইজেশন (গ্যাভি) আমাকে ‘ভ্যাকসিন হিরো’ অ্যাওয়ার্ড দিয়েছে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ও দু’বার গ্যাভি অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছে।
তিনি ‘বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবস-২০২৪’ উপলক্ষ্যে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।




বঙ্গোপসাগরে পাঁচ ট্রলার ডুবি – ৪৭ জেলে উদ্ধার – নিখোঁজ ২

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: লঘুচাপের প্রভাবে উত্তাল সাগরের ঢেউয়ের তোড়ে কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের ১নং বয়া হাইরের চর এলাকায় ৪৯ জেলে নিয়ে পাঁচটি মাছ ধরা ট্রলার ডুবে গেছে। এরমধ্যে একটি ট্রলারসহ ৪৭ জেলে উদ্ধার হলেও চারটি ট্রলারসহ নিখোঁজ দুই জেলের তিন দিনেও সন্ধান পাওয়া যায়নি।

নিখোঁজ জেলেরা হলেন কলাপাড়ার লালুয়া ইউনিয়নের জাকির প্যাদার ট্রলারের জেলে ফিরোজ তালুকদার ও মৌডুবির আবদুল করিমের ট্রলারের জেলে নাঈম চৌকিদার।

গত বৃহস্পতিবার রাতের পৃথক সময়ে এ ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটেছে।

কলাপাড়ার লালুয়া ইউপি চেয়ারম্যান শওকত হোসেন বিশ্বাস তপন জানান, ২৩ জুলাই সাগরে মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞা শেষে ১৪ জেলে নিয়ে সাগরে মাছ শিকারে যায় লালুয়ার জাকির প্যাদার ট্রলার। বৃহস্পতিবার রাতে ট্রলারের পিছনে বসা অবস্থায় প্রচণ্ড ঢেউয়ের তোড়ে ফিরোজ তালুকদার সাগরে পড়ে যায়।

শনিবার দুপুর পর্যন্ত তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় মহিপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছে ট্রলার মালিক জাকির প্যাদা।

মৎস্য বন্দর আলীপুর আড়তদার মালিক সমিতির সভাপতি আবদুল জলিল জানান, তার আড়তে মাছ বিক্রি করে আবদুল করিম, শাহীন মাতুব্বর, সোহরাব গাজী, রাজ্জাক মাতুব্বর ও মো. উজ্জলের পাঁচটি ট্রলার সাগরের উত্তাল ঢেউয়ের তোড়ে ডুবে যায়। এরমধ্যে একটি ট্রলারসহ ৪৭ জেলে উদ্ধার হলেও বেল্লাল চৌকিদারের ট্রলারের জেলে নাঈম চৌকিদার নিখোঁজ রয়েছে।

এদিকে লঘুচাপের প্রভাবে সাগর উত্তাল থাকায় বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার কয়েকশ ট্রলার মাছ শিকার বন্ধ করে আলীপুর ও মহিপুর মৎস্য বন্দর ও বিভিন্ন মোহনায় আশ্রয় নিয়েছে। তবে এখনও ঝুঁকি নিয়ে সাগরে মাছ শিকার করছে কলাপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় হাজারেরও বেশি ট্রলার এমনটাই জানিয়েছেন সাগর থেকে ফিরে আসা ট্রলারের জেলেরা।




নিখোঁজের ৩৬ ঘণ্টা পর পায়রা নদী থেকে জেলের লাশ উদ্ধার

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে পায়রা নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ জেলের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ শুক্রবার সকাল আটটার দিকে কুদবারচর এলাকা থেকে ভাসমান অবস্থায় তাঁর লাশ উদ্ধার করেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

নিহত জেলের নাম হারুন আকন (৬০)। তিনি উপজেলার কাঁকড়াবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার বিকেলে ছেলে নান্নু আকন ও মাঝি নিখিল গোলদারের সঙ্গে নিয়ে পায়রা নদীতে ছোট নৌকা ভাসিয়ে মাছ ধরতে যান হারুন। রাত আটটার দিকে মাছ ধরা শেষে তীরে ফেরার সময় নৌকাটি তীব্র স্রোতে উল্টে যায়। এ সময় ছেলে নান্নু ও নিখিল সাঁতার কেটে তীরে ফিরলেও নিখোঁজ হন আকন।

স্থানীয় লোকজন ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাঁকে উদ্ধারে ব্যর্থ হন। ৩৬ ঘণ্টা পর পাশের মজিদবাড়িয়া ইউনিয়নের কুদবারচর এলাকা থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়।

মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান বলেন, পরিবারের লোকজন হারুন আকনের লাশ শনাক্ত করেছেন।




মির্জাগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যু

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে পুকুরে হাত-পা ধূতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে স্বপন হাওলাদার (২০) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার মির্জাগঞ্জ ইউনিয়নের গাবতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত স্বপন হাওলাদার ওই গ্রামের গোলাম মোস্তফা হাওলাদারের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মির্জাগঞ্জ ইউনিয়নের গাপতলা গ্রামের স্বপন হাওলাদারের গোয়াল ঘরের পাশের পুকুর থেকে পানি তোলার জন্য বৈদ্যুতিক মটারের সংযোগ দেয়া ছিল। স্বপন গরুর জন্য ঘাস কেটে এনে গোয়াল রেখে হাত-পা পরিষ্কার করার জন্য পুকুরের পানিতে নামলে মটেরের তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয় সে। পরে তার বাবা স্বপনকে পানিতে ভাসতে দেখে চিৎকার দেয়। এ সময় স্থানীয় লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মির্জাগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: হাফিজুর রহমান বলেন, এখন পর্যন্ত পরিবারের থেকে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়েছে।




কলাপাড়ায় পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুুয়াখালীর কলাপাড়ায় পানিতে ডুবে ফাহিমা আক্তার (২) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের নাওভাংগা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। সে ওই গ্রামের মো. মোস্তাফিজুর রহমানের মেয়ে। বাড়ীর সবার অগোচরে নিজেদের পুকুর পাড়ে খেলতে গিয়ে ফাহিমা আক্তার পানিতে পড়ে ডুবে যায়। অনেক খোঁজাখুজির পর পুকুর থেকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্যককমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।




বাংলাদেশ সোসাইটি নিউরোসার্জনসের ফের সভাপতি হলেন অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ হোসেন

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :  বাংলাদেশ সোসাইটি অব নিউরোসার্জনস এর কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন-২০২৪ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউরো সার্জারি বিভাগের লেকচার হলে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউরো সার্জারি বিভাগের অধ্যাপক এবং সার্জারি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ হোসেন সভাপতি পদে বিপুল ভোটে পুনঃনির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রাপ্ত ভোট ১২৬ এবং নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়ার প্রাপ্ত ভোট ৯৯। গত ১৩ জুলাই শনিবার দুপুরে বাংলাদেশ সোসাইটি অব নিউরোসার্জনসের এ নির্বাচন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউরোসার্জারী বিভাগের লেকচারার হলে অনুষ্ঠিত হয়।রোববার দুপুরে ( ১৪ জুলাই ২০২৪) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংগঠনের নব নির্বাচিত সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ হোসেন।

সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন অধ্যাপক ডা. শফিকুল ইসলাম। কোষাধ্যক্ষ পদে নির্বাচিত হয়েছেন অধ্যাপক ডা আতিকুর রহমান এবং অন্যপদসহ মোট ১৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
সারাদেশের ২২৮ জন নিউরো সার্জন এই নির্বাচনে প্রত্যক্ষ ভোট প্রদান করেন।নবনির্বাচিত সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ হোসেন বলেন, বাংলাদেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর নিউরোসার্জিক্যাল চিকিৎসাসেবা প্রদানের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল এবং বিভিন্ন মেডিকেল কলেজে নিউরোসার্জিক্যাল সার্ভিস চালু করা, ব্রেন ও মেরুদণ্ডে আঘাতপ্রাপ্ত এবং স্ট্রোক আক্রান্ত রোগীদের জরুরি অপারেশনের জন্য পদ সৃষ্টির জন্য কাজ করব।মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ২০৪১সালের উন্নত সমৃদ্ধ ও স্মার্ট বাংলাদেশের নিউরো সার্জারিকে বিশ্বমানের পরিণত করার লক্ষ্যে সোসাইটি অব নিউরো সার্জন কাজ অব্যাহত রাখবে।




রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের গবেষণার তথ্য : সাড়ে পাঁচ বছরে সড়কে প্রাণ ঝরেছে ৫ হাজার ৯১৬ শিক্ষার্থীর

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : সড়ক দুর্ঘটনায় গত সাড়ে পাঁচ বছরে নিহত হয়েছেন ৫ হাজার ৯১৬ শিক্ষার্থী। এই সময়ে প্রতিদিন গড়ে তিন জন শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন সড়কে। সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠান রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের সাম্প্রতিক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। গতকাল শনিবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের কার্যালয়ে আয়োজিত ‘সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থী নিহত: পরিসংখ্যান ও পর্যালোচনা’—শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। মিরসরাই ট্র্যাজেডি দিবসের ১৩তম বার্ষিকী উপলক্ষে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এ আই মাহবুব উদ্দিন আহমেদ। সংবাদপত্রের প্রতিবেদন ও নিজস্ব অনুসন্ধানের ওপর ভিত্তি করে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন গবেষণাটি করেছে।

প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০১৯ সাল থেকে এ বছরের জুন মাস পর্যন্ত দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় মোট ৩৪ হাজার ৪৭৮ জন নিহত হন। এর মধ্যে ১৬ শতাংশের বেশি শিক্ষার্থী। শিক্ষার্থীদের প্রায় ৫০ শতাংশই মারা গেছেন মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায়। আর আঞ্চলিক সড়কগুলোতেই দুর্ঘটনা ঘটেছে সবচেয়ে বেশি। প্রতিবেদনে বলা হয়, ৫ থেকে ১৭ বছর বয়সী স্কুল ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে ২ হাজার ৬৪১ জন। আর ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সী কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন ২ হাজার ৯৭৮ জন।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের গবেষণা অনুযায়ী, মোটরসাইকেলের চালক ও আরোহী হিসেবে নিহত হয়েছেন ২ হাজার ৭৮৩ শিক্ষার্থী। দুর্ঘটনায় নিহত মোট শিক্ষার্থীর এটি প্রায় অর্ধেক। আর শিক্ষার্থীরা পথচারী হিসেবে যানবাহনের চাপা বা ধাক্কায় নিহত হয়েছেন ১ হাজার ৫৩৪ জন। যানবাহনের যাত্রী হিসেবে নিহত হয়েছেন ৭২১ জন। আবার বাইসাইকেল আরোহী হিসেবে নিহত হয়েছেন ৪৯৭ জন। অটোরিকশার চাকায় ওড়না বা পোশাক পেঁচিয়ে মৃত্যু হয়েছে ৮৪ জনের।

গবেষণায় সড়কে শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার কয়েকটি কারণ উল্লেখ করা হয়েছে। সেগুলোর মধ্যে আছে ত্রুটিপূর্ণ সড়ক, অনিরাপদ যানবাহন, নিরাপদে সড়ক ব্যবহার বিষয়ে জ্ঞানের অভাব, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা না থাকা, শিক্ষার্থীদের মধ্যে বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানোর মানসিকতা, ট্রাফিক আইন না জানা ও না মানার প্রবণতা এবং অসুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতি।

প্রতিবেদনে রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের মতে, সাম্প্রতিক সময় পর্যন্ত অসংখ্য বড় বড় দুর্ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু সড়ক পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার জন্য দীর্ঘমেয়াদি কোনো টেকসই পরিকল্পনার বাস্তবায়ন হচ্ছে না। যেসব উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে, তা অনেকটা অবৈজ্ঞানিক ও সমন্বয়হীন। দেশের নৈরাজ্যকর সড়ক পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করতে হলে দীর্ঘমেয়াদি সমন্বিত টেকসই পরিবহন কৌশল বাস্তবায়ন করতে হবে। সড়ক পরিবহন আইনের বাধাহীন প্রয়োগ নিশ্চিত করা জরুরি। রোড সেফটি ফাউন্ডেশন বলছে, সড়ক পরিবহন খাতের স্বার্থবাদী গোষ্ঠী সড়কে শৃঙ্খলা ফেরানোর উদ্যোগগুলো বাস্তবায়নের পথে প্রধান বাধা। এই গোষ্ঠী নিজেদের দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির স্বার্থে সড়কে বিশৃঙ্খলা বজায় রাখে। মাঝেমধ্যে গণপরিবহনে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার জন্য কমিটি গঠন ও সুপারিশ তৈরি করা হয়। কিন্তু কোনো সুপারিশই আলোর মুখ দেখে না। মূলত কমিটি গঠন ও সুপারিশ তৈরির মধ্যেই দেশের সড়ক পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ ঘুরপাক খাচ্ছে। বাস্তবে পরিস্থিতির কোনো উন্নতি নেই।

সংবাদ সম্মেলনে সড়কে শিক্ষার্থীদের মৃত্যু প্রতিরোধে বেশ কিছু সুপারিশ তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে রয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে বছরে একবার ক্যাম্পেইনের আয়োজন করা, সরকারি উদ্যোগে শিক্ষকদের সড়ক নিরাপত্তামূলক প্রশিক্ষণ দেওয়া, ক্লাস পরীক্ষায় সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক প্রশ্ন থাকা, গণমাধ্যমে প্রচারণার মাধ্যমে সচেতনতা সৃষ্টি, অনিরাপদ যানবাহন বন্ধ করা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আশপাশের সড়কে নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা এবং অপ্রাপ্ত বয়স্কদের মোটরসাইকেল চালানো ঠেকাতে আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করা অন্যতম।




ডেঙ্গু প্রতিরোধে যেসব সচেতনতা প্রয়োজন 




বোয়ালখালীতে লবণ বোঝাই ট্রাকচাপায় অটোরিকশার ৪ যাত্রী নিহত

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার মিলিটারি পুল সংলগ্ন এলাকায় লবণ বোঝাই ট্রাকের চাপায় মা-ছেলেসহ সিএনজি চালিত অটোরিকশার চার যাত্রী নিহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) গভীর রাতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতের নাম পরিচয় জানা যায়নি।

জানা যায়, ট্রাকটি বোয়ালখালী থেকে পটিয়ার দিকে যাচ্ছিল।

অটোরিকশাটি পটিয়া বাদামতল থেকে যাত্রী নিয়ে বোয়ালখালীর ফুলতলের দিকে যাচ্ছিল।

এসময় নিহত হন অটোরিকশায় থাকা মা-ছেলে ও অটোরিকশার চালকসহ চারজন।

পটিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল বাতেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।