বয়স অনুযায়ী রক্তে সুগার লেভেল কত হলে আপনি ফিট

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিস ফেডারেশনের পরিসংখ্যান বলছে, বর্তমানে গোটা বিশ্বে ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা প্রায় ৫৪ কোটি। ডায়াবেটিস এমন একটি রোগ, যা অধিকাংশ সময় শরীরে বাসা বাধে রোগীর অজান্তেই। যখন ধরা পড়ে, তখন ক্ষতি হয়ে যায় অনেকখানি। পাশাপাশি ডায়াবেটিস একা আসে না, ডেকে আনে আরও হাজার রকমের সমস্যা। দৈনন্দিন জীবনযাত্রা ও খাদ্যাভ্যাস এই রোগ নিয়ন্ত্রণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই যত তাড়াতাড়ি রোগ নির্ণয় করা যায়, তত সুবিধা হয় চিকিৎসায়।

অনেক মানুষের ধারণা, ৪৫ বছর বয়স হয়ে গেলেই উপসর্গ থাক বা না থাক, প্রতি বছর অন্তত এক বার ডায়াবেটিস পরীক্ষা করা প্রয়োজন। তবে এখন আর ৪০ পর্যন্ত অপেক্ষা করা উচিত হবে না বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

আমেরিকান ডায়াবেটিস অ্যাসোসিয়েশন বলছে, তিন দশক আগেও শিশু ও তরুণ-তরুণীদের দেহে এই রোগ ছিল অত্যন্ত বিরল। তবে গত তিন দশকে এই চিত্র বদলে গেছে। তাই ছোট থেকেই রক্তে শর্করা বা সুগারের মাত্রা পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।

কোন বয়সে রক্তে শর্করা/সুগারের মাত্রা কত হওয়া স্বাভাবিক?

 ৬ বছরের নীচে শিশুদের ফাস্টিং সুগার হওয়া উচিত ৮০ থেকে ১৮০ মিলিগ্রাম/ডিএল-এর মধ্যে।

 ৬ থেকে ১২ বছরের শিশুদের ফাস্টিং সুগার হওয়া উচিত ৮০ থেকে ১৮০ মিলিগ্রাম/ডিএল-এর মধ্যে।

 ১৩ থেকে ১৯ বছর বয়সিদের ফাস্টিং সুগার হওয়া উচিত ৭০ থেকে ১৫০ মিলিগ্রাম/ডিএল-এর মধ্যে।

 ২০ বছরের ওপরে যাদের বয়স, তাদের ফাস্টিং সুগার ১০০ মিলিগ্রাম/ডিএল-এর নীচে থাকাই শ্রেয়।

কীভাবে রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা যায়

আপনার যদি ডায়াবেটিস থাকে তবে আপনাকে যে কোনও মূল্যে রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। তার জন্য শুধু ওষুধ খেলেই যথেষ্ট নয়। আপনাকে খাওয়া দাওয়া ভীষণভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

পাশাপাশি শারীরিক শ্রম বাড়াতে পারেন। প্রতিদিন হাঁটার অভ্যাস তৈরি করলে তা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ভাল হবে। ডায়েটের ক্ষেত্রে যতটা সম্ভব তৈলাক্ত খাবার, মিষ্টি জিনিস, প্রসেসড ফুড ইত্যাদি খাবার এড়িয়ে চলুন।




অন্তর্বতী সরকারের প্রথম একনেকের বৈঠক আজ: সাড়া জাগানো তথ্যআপাসহ পাঁচ প্রকল্প

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : শেখ হাসিনা সরকারের পতনের ৪৩ দিন পর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (একনেক) নির্বাহী কমিটির সভা (একনেক) করতে যাচ্ছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। প্রথম একনেক সভায় পাঁচটি প্রকল্প অনুমোদনের জন্য উত্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছে পরিকল্পনা কমিশন।

আজ বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রথম একনেক বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রথম একনেকে অনুমোদনের জন্য যেসব প্রকল্প উত্থাপন করা হবে:

ভৌত অবকাঠামো বিভাগের ‘ফরিদপুর-ভাঙ্গা-বরিশাল-পটুয়াখালী-কুয়াকাটা জাতীয় মহাসড়ক উন্নীতকরণের জন্য ভূমি অধিগ্রহণ (১ম সংশোধিত)’, শিল্প ও শক্তি বিভাগের ‘বাখরাবাদ-মেঘনাঘাট-হরিপুর গ্যাস সঞ্চালন পাইপলাইন নির্মাণ শীর্ষক প্রকল্প (১ম সংশোধিত ‘, ‘২টি মূল্যায়ন কাম উন্নয়ন কূপ (সুন্দলপুর-৪ ও শ্রীকাইল-৫) এবং ২টি অনুসন্ধান কূপ (সুন্দরপুর সাউথ-১ ও জামালপুর-১) খনন প্রকল্প’, আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো বিভাগের ‘মহিলাদের ক্ষমতায়ন প্রকল্প (২য় পর্যায়) (২য় সংশোধিত তথ্য আপা নামক প্রকল্প এবং কৃষি, পানি সম্পদ ও পল্লী প্রতিষ্ঠান বিভাগের ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকায় টেকসই সামাজিক সেবা প্রদান (২য় পর্যায়)’ প্রকল্প।

এছাড়া কৃষি, পানি সম্পদ ও পল্লী প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে ‘লাঙ্গলবন্ধ মহাষ্টমী পূণ্যস্নান উৎসবের অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প (১ম সংশোধিত)’ শীর্ষক প্রকল্পটির মেয়াদ বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়।
পরিকল্পনা কমিশন সূত্র জানিয়েছে, নতুন সরকারের প্রথম একনেক বৈঠকে মোট পাঁচটি প্রকল্প অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে। নতুন ও পুরাতন এ সব প্রকল্পে নতুন করে ৫৫৬৩.৬৮ কোটি টাকা বিনিযোগ করা হবে। এর মেধ্য ৫২০৩.২১ কোটি টাকা সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ব্যয় করা হবে। অবিশিষ্ট ৩৬০.৪৭ কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে বিদেশি উৎস থেকে।

এর বাইরে ব্যয় বৃদ্ধি ব্যতিরেখে আরও একটি প্রকল্পের মেয়াাদ বাড়াতে বিশেষ সংশোধনী প্রস্তাব উঠছে নতুন সরকারের প্রথম একনেক সভায়।

পর্যালোচনায় দেখা গেছে, একনেকে উপস্থাপনের অপেক্ষায় থাকা পাঁচটি প্রকল্পের মধ্যে তিনটিউ পুরাতন প্রকল্পের সংশোধনী প্রস্তাব।

এই তিন প্রকল্পের ব্যয় প্রাথমিক প্রাক্বলন ৩৬২৮.৩৯ কোটি টাকা থেকে বেড়ে দাড়াচ্ছে ৮২১৯.৩১ কোটি টাকায়। এই হিসাবে এই তিনটি প্রকল্পে সরকারের ব্যয় বাড়ছে ৪৫০৯.৯২ কোটি টাকা, যা প্রাথমিক প্রাক্বলনের চেয়ে ১২৬.৫৩ শতাংশ বেশি।

১৫৭০.৭৭ কোটি টাকা ব্যয় ধরে বাখরাবাদ-মেঘনাঘাট-হরিপুর গ্যাস সঞ্চালন পাইপলাইন নির্মাণ প্রকল্পের প্রথম সংশোধনী প্রস্তাব উপস্থাপন হচ্ছে একনেকে।

চলতি বছরের জুনের মধ্যে কাজ শেষ করতে ১৩০৪.৬২ কোটি টাকা ব্যয় ধরে ২০২১ সালের জুলাইয়ে প্রকল্পটি অনুমোদন করেছিল একনেক। নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না হওয়ায় প্রকল্পটির ব্যয় ২৬৬.১৫ কোটি টাকা বা ২০.৪০% বাড়ছে। ব্যয় বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মেয়াদকালও বাড়ছে দুই বছর।

২০১৭ সালে অনুমোদন করা “তথ্য আপা: ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে মহিলাদের ক্ষমতায়ন” শীর্ষক প্রকল্পটির দ্বিতীয় সংশোধনী প্রস্তাব উঠছে একনেকে। এই প্রস্তাব অনুমোদন পেলে পাঁচ বছরের জন্য অনুমোদন করা প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে ৯ বছর তিন মাস সময় লাগবে।

আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করা বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে পরিচিত এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ৬৪.২৬% অর্থ বেশি ব্যয় করবে সরকার।

শুরুতে ৪৫৫.৯১ কোটি টাকা ব্যয় ধরে নেয়া প্রকল্পটির দ্বিতীয় সংশোধনীতে ব্যয় প্রস্তাব করা হয়েছে ৭৪৮.৮৭ কোটি টাকা। এর বাইরে নোয়াখালী, কুমিল্লা ও জামালপুরে প্রাকৃতিক গ্যাসের দুইটি মূল্যায়ন কাম উন্নয়ন কূপ ও দুইটি অনুসন্ধান কূপ খনননের একটি প্রকল্প উঠছে একনেকে।

৫৮৮.৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করবে পেট্রোবাংলার কোম্পানি বাপেক্স।

অন্য দিকে ৪০০ কোটি টাকা ব্যয় ধরে পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকায় টেকসই সামাজিক সেবা প্রদান শীর্ষক একটি প্রকল্প উঠছে একনেকে। এই প্রকল্পে প্রায় ১০০ কোটি টাকা অনুদান দেবে ইউনিসেফ।




দুমকিতে পায়রা নদীর ভাঙন অব্যাহত – বসতবাড়ি সব শেষ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর পায়রা নদীর অব্যাহত ভাঙনে বিলীন হয়েছে কয়েক হাজার ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ও গাছপালা। রক্ষা পায়নি মসজিদ, মন্দির ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ঘরবাড়ি হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছে শত শত পরিবার। এ অবস্থায় স্থায়ী বেড়িবাঁধের দাবি এলাকাবাসীর।

সরেজমিনে কথা হয় পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার বাহেরচর এলাকার শান্তনা দাসের সঙ্গে; তিনি বলেন, ‘নদী ভাঙনের কবলে পড়ে ঘরবাড়ি হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছেন তিনি। স্বামী, সন্তান নিয়ে কোথায়, কীভাবে থাকবেন তার কোনো কূল-কিনারা পাচ্ছেন না।’

শান্তনা দাস আরও বলেন, ‘নদীতে চার-পাঁচটা বাড়ি আমাগো শেষ হয়ে গেছে। এখন আছি শুধু আমরা মানুষ। আর কিছু নাই আমাগো। আমরা এখন মানুষের জায়গায় থাকি।’

তার মতো উপজেলার আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের কয়েক হাজার মানুষ নদী ভাঙনের শিকার হয়েছেন। পায়রা নদীর অব্যাহত ভাঙনে ইতোমধ্যে বিলীন হয়েছে কয়েক হাজার ঘরবাড়ি, ফসলের ক্ষেত, গাছপালা। এ অবস্থায় অস্থায়ী নয়, স্থায়ী বেড়িবাঁধের দাবি এলাকাবাসীর।

এলাকাবাসী বলেন, ‘ভাঙনের কবলে পড়ে অন্যের জায়গায় আশ্রয় নিয়েছি। তারাও আমাদের চলে যেতে বলছেন। আমাদের বাড়িঘর সব গিলেছে নদী। আর যা আছে, সেটাও শেষ হয়ে যাচ্ছে। রাতে ঘুমাতে পারি না। এই রাক্ষসী পায়রা নদী আমাদের সবকিছু বিলীন করে দিয়েছে।’

তবে, স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের প্রকল্পগ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে বলে জানান পটুয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আরিফ হোসেন।
তিনি বলেন, প্রতিবছর ঘূর্ণিঝড়ের সময় বা বর্ষাকালে নদীপাড়ের কিছু কিছু এলাকা ভাঙে। সেগুলো আমরা মেরামত করে থাকি। পরে আবারও সেখানে ভাঙন দেখা দেয়।

তিনি আরও বলেন, স্থায়ী বেড়িবাঁধ করতে প্রকল্প হাতে নেয়া দরকার। বিষয়টি আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। তবে আমরা এখনো তেমন কোনো বরাদ্দ পাইনি।

পটুয়াখালীতে মোট এক হাজার ৩০০ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ রয়েছে। এরমধ্যে আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ২২ কিলোমিটার এবং ৬ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।




আন্দোলনে ৮৭৫ জন নিহত, ৭৭ শতাংশই গুলিতে

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে গড়ে ওঠা আন্দোলন পরবর্তী সময়ে রূপ নেয় সরকার পতনের আন্দোলনে। দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় এই গণঅভ্যুত্থানে কতজন নিহত হয়েছেন সে ব্যাপারে একটি পরিসংখ্যান দিয়েছে মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআরএসএস)। সংস্থাটি জানিয়েছে, ছাত্র-জনতার এই আন্দোলনে ১৬ জুলাই থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৮৭৫ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ৭৭ শতাংশই গুলিতে মারা গেছেন। এছাড়া এই আন্দোলনে আহতের সংখ্যা ৩০ হাজারের বেশি।

শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সর্বশেষ তথ্য বিশ্লেষণ করে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এইচআরএসএস এই তথ্য জানিয়েছে।

১২টি জাতীয় দৈনিক, এইচআরএসএসের তথ্য অনুসন্ধানী ইউনিট ও সারা দেশ থেকে স্বেচ্ছাসেবকদের পাঠানো তথ্য বিশ্লেষণ করে এই প্রতিবেদন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। তাদের মতে, গণমাধ্যম, হাসপাতাল ও বিভিন্ন মাধ্যম থেকে যেসব বিশ্বাসযোগ্য তথ্য পাচ্ছে তারা, তাতে তাদের মনে হচ্ছে, নিহতের সংখ্যা কমপক্ষে এক হাজার হবে।

এইচআরএসএসের প্রতিবেদনে বলা হয়, মোট ৭৭২ জনের মৃত্যুর ধরন সম্পর্কে তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৫৯৯ জন বা ৭৭ শতাংশ গুলিতে নিহত হয়েছেন। ৬১ জন (৮ শতাংশ) অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা গেছে। ৮৫ জনকে (১১ শতাংশ) পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। অন্যান্য কারণে মারা গেছেন ২৭ জন (৪ শতাংশ)।

কোন বিভাগে কত নিহত হয়েছেন, সেই পরিসংখ্যানে দেখা যায়, নিহত ৮৭৫ জনের মধ্যে সর্বোচ্চসংখ্যক ঢাকা বিভাগে ৫৪০ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া চট্টগ্রামে ৯১ জন, খুলনায় ৮১ জন, রাজশাহীতে ৬৪ জন, ময়মনসিংহে ৩৮ জন, রংপুরে ২৯ জন, সিলেটে ২০ জন এবং বরিশালে ১৩ জন নিহত হয়েছেন।

এইচআরএসএসের প্রতিবেদনে নিহত ব্যক্তিদের একাংশের বয়স, পেশা, মৃত্যুর কারণ বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ১৬ জুলাই থেকে ৩ আগস্ট পর্যন্ত ৩২৭ জন এবং ৪ আগস্ট থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত (অনেকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরে মারা যান) ৫৪৮ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে সবচেয়ে বেশিসংখ্যক ৭৭ শতাংশ গুলিতে মারা গেছেন। ১৯ থেকে ৩০ বছর বয়সীরা বেশি মারা গেছেন। এ হার ৫৩ শতাংশ। আর ৩০ বছরের মধ্যে বয়স ধরলে, নিহতের হার দাঁড়ায় ৭০ শতাংশে। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে সবচেয়ে বেশিসংখ্যক শিক্ষার্থী, এ হার ৫২ শতাংশ। সবচেয়ে বেশি নিহত হয়েছেন গুলিতে এবং পুলিশের হামলায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ছাত্রলীগকে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার জন্য আদেশ দেওয়া হয়। পুলিশের পাশাপাশি র‌্যাব, আনসার, সোয়াট, বিজিবি ও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীদের ওপর হেলিকপ্টার থেকে গুলির বেআইনি ব্যবহার, কাঁদানে গ্যাসের শেল, এ কে ঘরানার অ্যাসল্ট রাইফেলের মতো প্রাণঘাতী আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, শেখ হাসিনার দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়ার পর সারা দেশে থানা (পাঁচ শতাধিক), সরকারি স্থাপনা এবং সংখ্যালঘুদের স্থাপনায় হামলা–ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে।

এইচআরএসএস জানায়, নিহত ৮৭৫ জনের মধ্যে ৭৪৩ জনের নাম জানা গেছে। তাদের মধ্যে শিক্ষার্থী, শ্রমজীবী, সাংবাদিক, পেশাজীবী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, শিশু ও নারীসহ অধিকাংশ রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী ও সমর্থক আছেন। আন্দোলনে কমপক্ষে ১০৭টি শিশু, ৬ জন সাংবাদিক, ৫১ জন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য এবং ১৩ জন নারী ও মেয়েশিশু নিহত হয়েছেন।

নিহত ৮৭৫ জনের মধ্যে ৬১৯ জনের বয়স সম্পর্কে তথ্য পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ করেছে এইচআরএসএস। নিহতদের মধ্যে ৪ বছরের আহাদ ও ৬ বছরের রিয়া গোপসহ প্রায় সব বয়সী মানুষ রয়েছেন। ৬১৯ জনের মধ্যে ১০৭ শিশু (১৮ বছরের কম বয়সী) রয়েছে। এ ছাড়া ১৯ থেকে ৩০ বছর বয়সী বা তরুণ ৩২৭ (৫৩ শতাংশ) জন, ৩১ থেকে ৫০ বছর বয়সী বা মধ্যবয়সী ১৫৮ (২৬ শতাংশ) জন, ৫০ বছরের বেশি বয়সী ২৭ জন (৪ শতাংশ) বলে উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থাৎ ৬১৯ জনের মধ্যে ৭০ শতাংশেরই বয়স ৩০ বছরের মধ্যে।

পেশাভিত্তিক তথ্য বিশ্লেষণ করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিহতদের মধ্যে ৩৫২ জনের পেশা সম্পর্কে তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে শিক্ষার্থী ১৮৪ জন (৫২ শতাংশ), শ্রমজীবী ৭০ জন (২০ শতাংশ), আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ৫১ জন (৫ শতাংশ)।




গলাচিপায় বজ্রপাতে ৩ গরু নিহত

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর গলাচিপায় বজ্রপাতে এক দরিদ্র কৃষকের ৩টি গরু মারা গেছে।

বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) আনুমানিক ভোর ৫ টার দিকে উপজেলার গোলখালী ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের নলুয়াবাগীর বাদুরা গ্রামের কৃষক মজিবার খানের তিনটি গরু মারা যায়।

এ বিষয়ে দরিদ্র কৃষক মজিবার খান বলেন, গরুগুলো আমার নিজ গোয়াল ঘরে বাঁধা ছিল।আনুমানিক ভোর ৫ টার দিকে বজ্রপাতের কারণে গরুগুলো মারা গেছে।

তিনি আরও বলেন, এতে আমার প্রায় তিন লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

এ দিকে গোলখালী ইউপি চেয়ারম্যান মো.নাসির উদ্দিন জানান, খোঁজ নিয়েছি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাকে জানিয়েছি। দেখি পরবর্তীতে উনার জন্য কিছু করা যায় কিনা।

উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডা.সজল দাস বলেন, আমি আপনার মাধ্যমে খবরটি জানলাম। আমার অফিস থেকে লোক পাঠিয়ে খবর নিচ্ছি। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




গণআন্দোলনে নিহত ও আহতের সংখ্য জানাল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে দেশের বিভিন্ন স্থানে আহত ব্যক্তিদের চিকিৎসা ও শহীদ পরিবারকে সহায়তা প্রদানের উদ্দেশ্যে একটি নীতিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে। শহীদ ও আহত ব্যক্তিদের পরিচিতিসহ একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রণয়নের কাজ চলছে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এমএ আকমল হোসেন আজাদ এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, এ লক্ষ্যে একজন সাবেক স্বাস্থ্য সচিবের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি একটি খসড়া নীতিমালা এবং আহত-নিহতদের প্রাথমিক একটি তালিকা মন্ত্রণালয়ে দাখিল করেছে। ইতোমধ্যে আমরা ৭০০ জনেরও বেশি নিহত এবং ১৯ হাজার জন আহতের তালিকা পেয়েছি। তবে এ তালিকা সম্পন্ন হয়েছে, এটা বলা যাবে না। তথ্য সংগ্রহ ও যাচাইয়ের কাজ চলমান রয়েছে।

স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন চূড়ান্ত পর্যায়ে, শিগগিরই অনুমোদন
গত বছরের তুলনায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভালো আছে : সচিব
সিনিয়র সচিব বলেন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে আহত ছাত্র-জনতার জন্য ঢাকায় ১৩টি হাসপাতালসহ দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরি চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। পরবর্তী সময়ে সারা দেশের আহত ছাত্র-জনতার জন্য সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবার ব্যবস্থা করা হয়েছে। জেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাধীন যাদের ঢাকায় রেফার করা হয়েছে, তাদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য বিনামূল্যে অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আকমল হোসেন আজাদ বলেন, আহতদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে হাসপাতালগুলোর ডেডিকেটেড অংশে স্থানান্তর করা হয়েছে, যেখানে তাদের চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে। আহতদের যথাযথ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে চিকিৎসা সম্পর্কিত অভিযোগ, পরামর্শ, তথ্য জানার জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে হটলাইন খোলা হয়েছে। আন্দোলনে আহতদের বিনামূল্যে চিকিৎসা দিতে বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। অনেক হাসপাতাল বিনামূল্যে আহতদের চিকিৎসাসেবা দিয়েছে।

তিনি বলেন, তারা আহত হয়েছেন বিশেষত যারা চোখে গুরুতর আঘাত পেয়েছেন, দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন, পায়ে আঘাত পেয়েছেন, অঙ্গহানি হয়েছে, তাদের চিকিৎসা দেওয়ার জন্য বিদেশ থেকে ডাক্তারদের টিম আনার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এজন্য বিভিন্ন দেশ এবং বহুজাতিক উন্নয়ন সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত যাদের দেশে চিকিৎসা করতে হাসপাতাল অপারগতা প্রকাশ করেছে, তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে নিয়ে যাওয়া হবে।




গলাচিপায় অজানা রোগে আবারো ৩ জন অসুস্থ – এলাকায় আতঙ্ক

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর গলাচিপায় এক মাদরাসায় ক্লাশ চলাকালিন সময় আবারো তিনজন শিক্ষার্থী অসুস্থ্য হয়ে পড়েছে। এতে স্থানীয়দের মাঝে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।

বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে গলাচিপা সদর ইউনিয়নের বোয়ালীয়া ছালেহিয়া দাখিল মাদরাসায় এ ঘটনা ঘটে।

অসুস্থরা হলেন নবম শ্রেণির ছাত্র মো: মুশফিকুর রহমান, অস্টম শ্রেণির ছাত্র বায়জিদ ও সাব্বির হোসেন। এ নিয়ে অসুস্থ্যর সংখ্যা ১১জন।

জানা গেছে, ওই মাদরাসায় বুধবার ১০টার দিকে অস্টম শ্রেণির ক্লাসে শিক্ষক মো: সামসুদ্দিন কোরআন মাজিদ পড়ানোর জন্য ক্লাসে প্রবেশ করেন। এ সময় প্রথমে সাব্বিরের মাথা ঘুরে ও চোখ ঝাপসা দেখে শ্রেণি কক্ষে পড়ে যায়। পরে ওই ক্লাসে বায়জিদও মাটিতে পড়ে যায়। অনুরূপ নবম শ্রেণির ছাত্র মো: মুশফিকুর রহমানের একই অবস্থা হয়। তিনজন বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছে।

এতে মঙ্গলবারে মাদরাসার শিক্ষকসহ আটজন শিক্ষার্থী অসুস্থ্য হয়ে পড়লে বুধবার মাদরাসার শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি অনেকাংশে কমে যায়। এ ঘটনায় বর্তমানে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে বলে বায়জিদের মা উম্মে হানি জানান।

বোয়ালীয়া ছালেহিয়া দাখিল মাদরাসার সুপার মু: জয়নুল আবেদীন জানান, ‘সম্ভাব্য জ্বীন আতঙ্ক বিরাজ করছে মাদরাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের মধ্যে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে জরুরিভাবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

এ ব্যাপারে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের উপজেলা শিক্ষা অফিসার রেজাউল কবির জানান, বিষয়টি অবগতি আছি। শিঘ্রই মাদরাসাটি পরিদর্শন করা হবে।




গলাচিপায় ক্লাস চলাকালীন মাদ্রাসা শিক্ষকসহ ৮ ছাত্রী হটাৎ অসুস্থ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর গলাচিপায় এক মাদ্রাসায় মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর ২০২৪) ক্লাশ চলাকালীন শিক্ষকসহ ৮জন শিক্ষার্থী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে। এতে তাৎক্ষণিক ভাবে ছাত্রী সাবরিনা ও লামিয়া বেশি অসুস্থ হওয়ায় দ্রুত গলাচিপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এখন হাসপাতালে তাদের চিকিৎসা চলছে।

জানা গেছে, গলাচিপা সদর ইউনিয়নের বোয়ালীয়া ছালেহিয়া দাখিল মাদ্রাসায় মঙ্গলবার ১২টার দিকে গণিত এর শিক্ষক মো. হামিদুল ইসলাম অষ্টম শ্রেণির পাটিগণিত ক্লাশ করার জন্য ক্লাসে প্রবেশ করে। এ সময় ক্লাসে ছাত্র ছাত্রী সংখ্যা ছিল প্রায় ৪৫জন। ক্লাশ করার কিছুক্ষণ পর একটি মেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে। এর কিছুক্ষণের মধ্যে সাবিনা (১৪), বর্না(১৪) সাবরিনা(১৪), সাকিলা, মারিয়া, লামিয়া সুমাইয়া ও শিক্ষক মো. হামিদুল ইসলাম হঠাৎ ক্লাসে অসুস্থ হয়ে পড়ে যায়। এতে ওই প্রতিষ্ঠানে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ওই মাদ্রাসার সুপার মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন।

এ ব্যাপারে গলাচিপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক নোমান পারভেজ জানান, ভর্তি হওয়া সাবরিনার রক্তের পরিমাণ অনেক কম আজকের মধ্যে রক্ত দেয়া প্রয়োজন। তবে মাদ্রাসার শ্রেণি কক্ষে দুর্গন্ধ জাতীয় কোন বস্তুর কারণে এ ঘটনা ঘটতে পারে বলে চিকিৎসক আশঙ্কা করেন।

এদিকে কি কারণে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়েছে তার সুনির্দিষ্ট কোন কারণ জানা যায় নি এখনো। মাদ্রাসাটি অরক্ষিত সীমানা প্রাচীর না থাকার ফলে যত্রতত্র বহিরাগতদের যাতায়াত রয়েছে সেখানে।




পিরোজপুরে পানিতে ডুবে ২ ভাই-বোনের মৃত্যু

বরিশাল অফিস ::পিরোজপুরের নাজিরপুরে পানিতে ডুবে হাফসা খানম (৫) ও আমিনুল ইসলাম (৩) নামের দুই ভাই-বোনের মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার সদর ইউনিয়নের কলাতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা ওই গ্রামের মোস্তাকিন শেখের সন্তান। নিহত হাফসা খানম স্থানীয় আমতলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই দিন দুপুরে ওই দুই ভাই-বোন বাড়ির পেছনের পুকুরে গোসল করতে যায়। এ সময় অসাবধানতা বশত: প্রথমে ছোট ভাই পুকুরের মাঝে চলে যায়। তাই দেখে বড় বোন তাকে আনতে যায়। এ ঘটনার ১০-১২ হাত দূরেই নিহতদের বাবা ও বড় ভাই গাছ কাটার কাজ করছিলেন। এ সময় তারা ওই দৃশ্য দেখে এগিয়ে এসে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাক্তার জিনাত তাসনিম বলেন, তাদের মৃত্যু অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল।




কলাপাড়ায় পানি ডুবে শিশুর মৃত্যু

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় পৌর শহরের নজরুল ইসলাম সড়কে পানিতে ডুবে কাজী শোয়েব আহমেদ নামে ২ বছরে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে নজরুল ইসলাম সড়কে। তার পিতার নাম নজরুল হাসান।

পারিবারিক সুত্রে জানা গেছে, সোমবার দুপুর দুই টার দিকে নিজ বাড়ীর পুকুর পাড়ে অন্য শিশুদের সাথে খেলতে যায়। খেলার ছলে সকলের অগোচরে পুকুরে পড়ে ডুবে যায়। পরে পার্শ্ববর্তী লোকজন লাশ ভাসতে দেখে তাকে উদ্ধার করে। তাকে চিকিৎসার জন্য কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত্যু ঘোষণা করে।