ফুসফুস সুস্থ রাখার ৭টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

ফুসফুস আমাদের দেহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। প্রতিদিন আমরা হাজার হাজার বার শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে অক্সিজেন গ্রহণ করি এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড নির্গত করি। ফুসফুস সুস্থ না থাকলে শ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা, দুর্বল শরীর এবং বিভিন্ন জটিলতা দেখা দেয়। কিন্তু আমাদের দৈনন্দিন অভ্যাস, পরিবেশ ও কিছু রোগ ফুসফুসকে অজান্তেই ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

১. ধূমপান:
ধূমপান ফুসফুসের সবচেয়ে বড় শত্রু। সিগারেট বা হুক্কার ধোঁয়ায় থাকা টার, রাসায়নিক ও বিষাক্ত পদার্থ ফুসফুসের টিস্যুতে জমে প্রদাহ সৃষ্টি করে। দীর্ঘমেয়াদি ধূমপান শ্বাসকষ্ট, ক্রনিক ব্রঙ্কাইটিস এবং ফুসফুস ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়। পরোক্ষ ধূমপানও সমানভাবে ক্ষতিকর।

২. দূষিত বাতাস:
শহরাঞ্চলে বায়ুদূষণ দিনে দিনে ভয়াবহ হয়ে উঠছে। ধুলা, ধোঁয়া, কার্বন মনোক্সাইড ও সূক্ষ্ম কণার কারণে ফুসফুসের টিস্যু ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দীর্ঘদিন দূষিত বাতাসে থাকা হাঁপানি, সিওপিডি (COPD) ও অন্যান্য শ্বাসকষ্টজনিত রোগ ডেকে আনতে পারে।

৩. সংক্রমণ:
নিউমোনিয়া, যক্ষ্মা, ব্রঙ্কাইটিস এবং ভাইরাসজনিত শ্বাসতন্ত্রের রোগ সরাসরি ফুসফুসকে প্রভাবিত করে। চিকিৎসা না করলে এগুলো স্থায়ী ক্ষতি ডেকে আনতে পারে। শিশু, বয়স্ক ও রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকা মানুষের ক্ষেত্রে ঝুঁকি বেশি।

৪. অ্যালার্জি ও অ্যাজমা:
ধুলা, পোলেন, পশুর লোম বা নির্দিষ্ট খাবারের কারণে অ্যালার্জি হলে শ্বাসকষ্ট ও ফুসফুসের প্রদাহ দেখা দেয়। অ্যাজমা রোগীদের ফুসফুসের নালীগুলো অতিসংবেদনশীল হয়ে পড়ে, যা দীর্ঘমেয়াদে ফুসফুস দুর্বল করে।

৫. পেশাগত ঝুঁকি:
কারখানা, নির্মাণস্থল বা খনিতে কাজ করা শ্রমিকরা নিয়মিত ধুলা, রাসায়নিক ধোঁয়া বা অ্যাসবেস্টসের সংস্পর্শে থাকেন। এতে ফুসফুসের স্থায়ী ক্ষতির আশঙ্কা থাকে।

৬. শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা:
শরীরের সব অঙ্গপ্রত্যঙ্গের মতো ফুসফুসও ব্যায়ামের মাধ্যমে সুস্থ থাকে। অলস জীবনযাপন বা শারীরিক পরিশ্রমের অভাবে ফুসফুস দুর্বল হয়ে যায়। নিয়মিত ব্যায়াম ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

৭. অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস:
ভাজা খাবার, জাঙ্ক ফুড বা প্রিজারভেটিভসমৃদ্ধ খাবার শরীরে প্রদাহ বৃদ্ধি করে, যা শ্বাসনালীতেও প্রভাব ফেলে। ভিটামিন-সি, ভিটামিন-ই এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ খাবার ফুসফুসকে সংক্রমণ ও ক্ষতি থেকে রক্ষা করে।

ফুসফুস সুস্থ রাখার পরামর্শ:

  • ধূমপান থেকে বিরত থাকুন
  • বাইরে থাকলে মাস্ক ব্যবহার করুন
  • নিয়মিত ব্যায়াম করুন
  • সুষম খাদ্য গ্রহণ করুন
  • পর্যাপ্ত পানি পান করুন
  • শ্বাসকষ্ট হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন

ফুসফুসের ক্ষতি ধীরে ধীরে হয় এবং প্রথম দিকে টের পাওয়া যায় না। সচেতনতা, সঠিক অভ্যাস এবং নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা ফুসফুসকে দীর্ঘদিন সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




পটুয়াখালীতে র‍্যাবের পিকনিকের গাড়ি দুর্ঘটনায় দুই বছরের শিশুর মৃত্যু, আহত ২২

পটুয়াখালী সদরে র‌্যাব সদস্যদের বহনকারী পিকনিকের গাড়ি ও যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই বছরের এক শিশু নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ২২ জন। নিহত ও আহত সবাই র‌্যাবের গাড়িতে ছিলেন।

শনিবার (১১ অক্টোবর) সকাল ৮টার দিকে পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কের আউলিয়াপুর ইউনিয়নের ফতুল্লার পক্ষিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, র‌্যাব-৮ এর একটি গাড়ি বরিশাল থেকে কুয়াকাটা ভ্রমণে যাচ্ছিল। বিপরীত দিক থেকে আসা ধানসিঁড়ি ক্লাসিক পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে ঘটনাস্থলেই দুই বছরের এক শিশু নিহত হয় এবং র‌্যাব সদস্যসহ ২২ জন আহত হন। তাৎক্ষণিকভাবে নিহত শিশুর নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, র‌্যাবের গাড়িটিতে প্রায় ৩০ জন সদস্য ছিলেন। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধারকাজে অংশ নেয় এবং ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় আহতদের হাসপাতালে পাঠানো হয়।

পটুয়াখালী ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক বেলাল উদ্দিন বলেন, “আমরা ঘটনাস্থল থেকে ১৩ জনকে উদ্ধার করে পটুয়াখালী সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছি। সেখানে এক শিশু নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর।”

পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের দায়িত্বে থাকা চিকিৎসক তামান্না রহমান জানান, “দুর্ঘটনার পর হাসপাতালে ২০ থেকে ২২ জন আহতকে ভর্তি করা হয়েছে। নিহত শিশুটির বয়স দুই বছর। গুরুতর আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালসহ অন্যান্য স্থানে পাঠানো হয়েছে।”

 

আল-আমিন



লোহালিয়া নদীতে নিখোঁজ পর মুরাদিয়ার বটতলা এলাকায় শিশু আলীফের মরদেহ উদ্ধার

পটুয়াখালী সদর উপজেলার বদরপুরে লোহালিয়া নদীতে গোসলে নেমে নিখোঁজ হওয়া ৮ বছর বয়সী শিশু আলীফের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনায় মৃত শিশুটি বরগুনা জেলার লাকৈর এলাকার নিজাম আকনের ছেলে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, আলীফ খালার বাড়িতে বেড়াতে এসে সোমবার স্থানীয় শিশুদের সঙ্গে নদীতে গোসল করতে নেমে তলিয়ে যায়। এরপর এলাকার মানুষ এবং ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা খোঁজাখুঁজি চালালেও তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

বুধবার বিকেলে পার্শ্ববর্তী দুমকী উপজেলার মুরাদিয়ার বটতলা এলাকায় একটি ভাসমান মরদেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পরে সন্ধ্যার দিকে দুমকী থানার সহযোগিতায় পটুয়াখালী নৌ পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। স্বজনরা এসে ঘটনাস্থলে মরদেহ শনাক্ত করেন।

দুমকী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, “নৌ পুলিশের সহায়তায় মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতের স্বজনরা উপস্থিত হয়েছেন। এ ঘটনায় দুমকী থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা প্রক্রিয়াধীন। আইনি কার্যক্রম শেষ হলে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।”

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




ব্ল্যাক কফি: সুস্থ শরীর ও সতেজ মনের জন্য প্রতিদিনের প্রিয় পানীয়

কাজের চাপে ক্লান্তি কাটাতে, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডায় প্রাণ জোগাতে বা শুধু কিছু মুহূর্তের প্রশান্তি পেতে অনেকে খোঁজেন এক কাপ ব্ল্যাক কফি। দুধ-চিনি ছাড়া খাঁটি কফির স্বাদ ও গন্ধ যেন এক ধরনের নেশার মতো। শুধু স্বাদের জন্য নয়, নিয়মিত ব্ল্যাক কফি খাওয়া আমাদের শরীর ও মনের জন্য উপকারী, বলছেন পুষ্টিবিদরা।

নিয়মিত ব্ল্যাক কফি পান করার কিছু উল্লেখযোগ্য উপকারিতা হলো:

১. শারীরিক কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি:
ব্ল্যাক কফিতে থাকা ক্যাফেইন স্নায়ুতন্ত্রকে উদ্দীপিত করে এবং অ্যাড্রেনালিনের মাত্রা বৃদ্ধি করে। এর ফলে শরীর আরও কার্যকরভাবে কাজ করে। যারা নিয়মিত ব্যায়াম করেন, তাদের জন্য এটি প্রাকৃতিক এনার্জি বুস্টার হিসেবে কাজ করতে পারে।

২. মস্তিষ্কের কার্যকারিতা উন্নয়ন:
ক্যাফেইন নিউরোট্রান্সমিটার যেমন ডোপামিন ও নোরেপাইনফ্রিনের মাত্রা বাড়ায়। ফলে মনোযোগ, স্মৃতিশক্তি এবং সৃজনশীলতা বাড়ে। পরীক্ষার প্রস্তুতি বা অফিসের গুরুত্বপূর্ণ কাজের সময় এটি এক ধরনের গোপন শক্তি হিসেবে কাজ করে।

৩. ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক:
প্রায় ক্যালোরিমুক্ত ব্ল্যাক কফি বিপাকীয় হার বাড়ায় এবং ক্ষুধা কমাতে সাহায্য করে। তাই ওজন কমানোর ডায়েটে এটি কার্যকরভাবে অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। তবে এটি অবশ্যই সুষম খাদ্যের সাথে খাওয়া উচিত।

৪. অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের উৎস:
ক্লোরোজেনিক অ্যাসিড ও পলিফেনলে ভরপুর ব্ল্যাক কফি ফ্রি র‍্যাডিকেলের ক্ষতি রোধ করে। এটি শরীরের কোষ সুরক্ষার পাশাপাশি ত্বকের বার্ধক্য রোধেও সাহায্য করে।

৫. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়:
নিয়মিত কফি পান করলে টাইপ-২ ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, পার্কিনসন এবং কিছু ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে। এছাড়া লিভারের কার্যক্ষমতা উন্নত করে ফ্যাটি লিভার ও সিরোসিস প্রতিরোধে সহায়ক।

৬. মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি:
ব্ল্যাক কফি হতাশা কমাতে এবং মানসিক চাপ হ্রাস করতে সাহায্য করে। যারা নিয়মিত মন-মেজাজ খারাপ অনুভব করেন, তারা সীমিত পরিমাণে কফি খেলে মানসিক সতেজতা বজায় রাখতে পারেন।

৭. আলঝাইমার ও ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি হ্রাস:
নিয়মিত ক্যাফেইন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট গ্রহণ স্নায়ু সুরক্ষায় সাহায্য করে। ফলে বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে আলঝাইমার ও ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি কমে যায়।

তবে সব ভালো জিনিসের সীমা আছে। দিনে ২-৩ কাপের বেশি ব্ল্যাক কফি খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। অতিরিক্ত ক্যাফেইন ঘুমে সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপ এবং গ্যাস্ট্রিকের মতো সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। তাই সুস্থতা ও সতেজতার জন্য পরিমিত পরিমাণে ব্ল্যাক কফি ডায়েটের অংশ হওয়া উচিত।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




পটুয়াখালী র‍্যাব ক্যাম্পে ঘুমন্ত অবস্থায় সদস্যের মৃত্যু

পটুয়াখালী র‍্যাব-৮ ক্যাম্পে ঘুমন্ত অবস্থায় মনিরুজ্জামান (৩০) নামের এক র‍্যাব সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার দুপুরে ব্যারাক থেকে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মৃত মনিরুজ্জামান খুলনার পাইকগাছা উপজেলার মৌখালী গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে। তিনি পরিবার থেকে দূরে থেকে চাকরির কারণে ক্যাম্পে অবস্থান করছিলেন। গ্রামের বাড়িতে তার স্ত্রী ও তিন সন্তান রয়েছে।

সহকর্মীদের বরাতে জানা যায়, সকালে তিনি ৬টা থেকে ১০টা পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। এরপর ব্যারাকে ফিরে বিশ্রাম নিতে যান। জোহরের নামাজের সময়েও তিনি না ওঠায় সহকর্মীরা তাকে ডাকতে থাকেন। কিন্তু কোনো সাড়া না পেয়ে তারা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেন। সেখানে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মশিউর রহমান তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

র‍্যাব-৮ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নিস্তার আহম্মেদ বলেন, “প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে এটি স্বাভাবিক মৃত্যু হতে পারে। তবে প্রকৃত কারণ জানার জন্য লাশের ময়নাতদন্ত করা হবে।”

সহকর্মীরা জানান, মনিরুজ্জামান কর্মঠ, শান্তস্বভাব ও দায়িত্বশীল সদস্য ছিলেন। তার আকস্মিক মৃত্যুতে ক্যাম্পের সহকর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




ডেঙ্গুতে প্লাটিলেট কমে গেলে যেসব ফল রাখবেন খাদ্যতালিকায়

দেশে দিন দিন বাড়ছে ডেঙ্গু সংক্রমণ, আর তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যাও। এই ভাইরাসজনিত রোগে আক্রান্ত অনেকেরই রক্তে প্লাটিলেটের সংখ্যা হঠাৎ করেই কমে যায়, যা শরীরের জন্য মারাত্মক বিপদের কারণ হতে পারে। তবে শুধুমাত্র ডেঙ্গু নয়, অন্যান্য সংক্রমণ, ভাইরাসজনিত জ্বর কিংবা শারীরিক জটিলতার কারণেও প্লাটিলেট হ্রাস পেতে পারে।

সাধারণভাবে, একজন সুস্থ মানুষের প্রতি মাইক্রোলিটার রক্তে ১ লাখ ৫০ হাজার থেকে ৪ লাখ ৫০ হাজার প্লাটিলেট থাকা স্বাভাবিক। কিন্তু যখন এই সংখ্যা দ্রুত কমে যায়, তখন শরীরে অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ, দুর্বলতা, মাথা ঘোরা বা চামড়ার নিচে দাগ পড়ার মতো লক্ষণ দেখা দিতে পারে। তাই রক্তে প্লাটিলেটের মাত্রা স্বাভাবিক রাখা অত্যন্ত জরুরি।

চিকিৎসকের পরামর্শের পাশাপাশি প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় কিছু নির্দিষ্ট ফল যুক্ত করলে স্বাভাবিকভাবেই প্লাটিলেট বৃদ্ধিতে সহায়তা পাওয়া যায়। নিচে এমন কয়েকটি ফলের উপকারিতা তুলে ধরা হলো—

আমলকি বা ভারতীয় Gooseberry প্রাকৃতিকভাবে ভিটামিন ‘সি’-এর অন্যতম সেরা উৎস। এটি শরীরে প্লাটিলেট কোষকে সক্রিয় রাখে, সংক্রমণ ও অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকে রক্ষা করে এবং রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। নিয়মিত আমলকি খেলে শরীরে প্লাটিলেটের ক্ষয় কমে এবং দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে।

পেঁপে প্লাটিলেট উৎপাদনে সরাসরি ভূমিকা রাখে। গবেষণায় দেখা গেছে, পেঁপে পাতার নির্যাস অস্থিমজ্জাকে সক্রিয় করে তোলে, ফলে শরীরে নতুন প্লাটিলেট তৈরির হার বৃদ্ধি পায়। পেঁপেতে থাকা ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রক্ত পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে এবং রোগ প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

ডালিমে প্রচুর আয়রন ও ফলিক এসিড রয়েছে, যা নতুন রক্তকণিকা ও প্লাটিলেট তৈরিতে সাহায্য করে। এতে থাকা ভিটামিন ‘সি’ ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান প্লাটিলেটকে ক্ষতির হাত থেকে সুরক্ষা দেয়। নিয়মিত ডালিম খেলে রক্তস্বল্পতা কমে এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

তবে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, শুধুমাত্র এসব ফলের ওপর নির্ভর না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। কারণ, প্রত্যেকের শারীরিক অবস্থা ও রোগের ধরন ভিন্ন। তাই ডেঙ্গু বা ভাইরাসজনিত জ্বরের সময় সঠিক চিকিৎসা গ্রহণের পাশাপাশি এসব পুষ্টিকর ফল নিয়মিত খেলে দ্রুত আরোগ্য লাভ সম্ভব।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




গভীর সমুদ্রে নিখোঁজ পটুয়াখালীর পাঁচ জেলে, ৭ দিনেও সন্ধান মেলেনি

পটুয়াখালীর মহিপুর থানার ধূলাসার ইউনিয়নের নতুনপাড়া গ্রামের পাঁচ জেলে গভীর সমুদ্রে মাছ শিকারে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছেন। নিখোঁজের সাত দিন পার হলেও এখনো তাদের কোনো সন্ধান মেলেনি।

নিখোঁজরা হলেন — মিলন বিশ্বাস, মিরাজ বিশ্বাস, রায়হান হাওলাদার, কাইউমইউনুস

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ সেপ্টেম্বর ভোরে নতুনপাড়া জেলেঘাট থেকে লাল রঙের একটি ফাইবার নৌকা নিয়ে তারা বঙ্গোপসাগরের উদ্দেশে রওনা দেন। সর্বশেষ ১ অক্টোবর তাদের সঙ্গে পরিবারের যোগাযোগ হয়। এরপর থেকে তাদের কারও সঙ্গে কোনো যোগাযোগ সম্ভব হয়নি।

নিখোঁজ জেলে মিলন বিশ্বাসের ভাই মুস্তাকিন বিশ্বাস বলেন, “আমার ভাইসহ আরও চারজন জেলে মাছ ধরতে সমুদ্রে যায়। সাধারণত দুই দিন পরপর ফিরে আসে তারা। কিন্তু এবার ৭ দিন কেটে গেলেও কোনো খবর নেই তাদের। হয়তো নিম্নচাপের প্রভাবে নৌকাটি ডুবে গেছে অথবা ইঞ্জিন বিকল হয়ে ভেসে আছে কোথাও।”

স্থানীয় মহাজন সগীর বুড়া জানান, “নৌকাটিতে আমার কিছু দাদনের টাকা বিনিয়োগ ছিল। তাদের কোনো খোঁজ না মেলায় আমিও চিন্তায় আছি। পরিবারগুলোর অবস্থা এখন খুবই করুণ।”

অন্যদিকে স্থানীয় জেলে জাকির বলেন, “নিখোঁজদের খোঁজে আশপাশের নৌকাগুলোকে সমুদ্রে পাঠানো হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। বিষয়টি কোস্টগার্ড ও প্রশাসনকে জানানো হয়েছে।”

কুয়াকাটা নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ বিকাশ মণ্ডল জানান, “গত ২৮ সেপ্টেম্বর পাঁচ জেলে সমুদ্রে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছেন। তাদের পরিবার মহিপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি এবং কোস্টগার্ডের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি।”

এদিকে, সমুদ্রে নিম্নচাপ ও মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞার সময় জেলেদের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় নতুনপাড়া ও আশপাশের জেলে গ্রামগুলোতে শোক ও উদ্বেগ নেমে এসেছে। পরিবারগুলো প্রিয়জনদের ফিরে পাওয়ার আশায় প্রতিদিন ঘাটে অপেক্ষা করছে।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




ফেনীতে বাসে উল্টে যাওয়ায় নিহত ৩ আহত ১০

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ : আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ফেনী-নোয়াখালী মহাসড়কের দাগনভূঞার সিলোনিয়া বাজার এলাকায় যাত্রীবাহী বাস উল্টে ৩ জন নিহত ও অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।নিহত তিনজনের মধ্যে দুজনের পরিচয় পাওয়া গেছে।

নিহত ব্যক্তিরা হলেন দাগনভূঞা উপজেলার খুঁশিপুর গ্রামের শহীদুল্লাহর স্ত্রী শামীম আরা বেগম (৫০), একই উপজেলার দক্ষিণ জায়লস্কর গ্রামের আবদুল মতিনের ছেলে মো. শ্রাবণ (২০) এবং আরেকজন অজ্ঞাত তরুণ (২০)। পুলিশ জানায়, তিনি নোয়াখালীর সোনাপুর গ্রামের বাসিন্দা।

পুলিশ, প্রত্যক্ষদর্শী ও আহত ব্যক্তিদের বরাতে জানা যায়, ফেনী থেকে নোয়াখালীগামী সুগন্ধা পরিবহনের একটি বাস সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সিলোনিয়া ব্রিজ এলাকায় অতিরিক্ত গতির কারণে নিয়ন্ত্রণ হারায়। বাসটি একাধিক ছোট পরিবহনকে ধাক্কা দিয়ে ব্রিজের রেলিংয়ের পাশে উল্টে যায়। এ সময় একই গন্তব্যে যাওয়া একটি পিকআপ পেছন থেকে বাসটিকে ধাক্কা দেয়। এতে বাসের যাত্রী ও পথচারীসহ অন্তত ১৩ জন আহত হন। খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান চালায়। স্থানীয় লোকজন আহত ব্যক্তিদের ফেনী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তিনজনকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত সাহাব উদ্দিনকে (৫৫) চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

মহিপাল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হারুন উর রশিদ বলেন, ‘সিলোনিয়া ব্রিজের ইউটার্ন এলাকায় চালকের বেপরোয়া গতির কারণেই দুর্ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ ক্ষতিগ্রস্ত বাসটি উদ্ধার করেছে। নিহত ব্যক্তিদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’




সিপিআর হতে পারে হার্ট অ্যাটাকের বিরুদ্বে মোক্ষম হাতিয়ার বাচতে পারে লাখো প্রাণ

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ: দেশে কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে (হৃদ্‌যন্ত্র হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়া) মৃত্যুর হার ভয়াবহভাবে বাড়ছে। আক্রান্ত রোগীর জীবন বাঁচাতে প্রথম পাঁচ মিনিট সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়টায় আশপাশের সাধারণ মানুষ যদি সিপিআর (কার্ডিওপালমোনারি রিসাসিটেশন) দিতে পারেন, তাহলে মৃত্যুর ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যায়। তাই সবাই যেন জরুরি মুহূর্তে ‘প্রথম পাঁচ মিনিটের ডাক্তার’ হয়ে উঠতে পারে। সামান্য একটি পদ্ধতি সিপিআর জানা থাকলে কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের লাখো প্রাণ রক্ষা করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। এজন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কর্মস্থল সবখানে সিপিআর পদ্ধতির প্রশিক্ষণ ছড়িয়ে দেওয়া দরকার বলেও মত তাদের।

মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে বিশ্ব হার্ট দিবস উপলক্ষে সিপিআর প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

সামরিক চিকিৎসা সার্ভিস মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএমএস) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল কাজী মো. রশিদ-উন-নবী বলেন, উন্নত দেশগুলোতে স্কুল লেভেলেই সিপিআর শেখানো হয়। কখন কার দরকার হবে, কেউ জানে না। সবাই সিপিআর জানলে অন্তত একজনকে বাঁচিয়ে ডাক্তারখানায় পাঠানোর সুযোগ পাওয়া যায়। তিনি বলেন, ডাক্তাররা ভুল করলে তা বলা অবশ্যই দরকার। কিন্তু তাদের কঠোর পরিশ্রম ও ভালো কাজগুলোও সংবাদে আসা উচিত। এতে স্বাস্থ্যকর্মীরা অনুপ্রাণিত হবেন, আর সমাজও সঠিক বার্তা পাবে। অনেক সময় আমরা ১০ মিনিটের সাক্ষাৎকার দিই, কিন্তু ৩০ সেকেন্ড কভার হয়, সেটাতেও শুধু নেতিবাচক অংশটাই তুলে ধরা হয়। সমাজে যখন ইতিবাচক সংবাদ থাকে, তখন মানুষ তেমন মনোযোগ দেয় না। অথচ ভালো খবর দিলে ডাক্তাররা স্বীকৃতি পাবেন, কাজে আরও উৎসাহী হবেন।

কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের হৃদরোগ বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মহসীন আহমেদ বলেন, হার্ট অ্যাটাক হয় রক্তনালীতে ব্লক হলে। এতে ব্যথা হয়, কিন্তু রোগী হাসপাতালে যাওয়ার সময় পান। অন্যদিকে কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হলো হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার মতো। তখন হার্ট থেমে যায়, পালস থাকে না, শ্বাস থাকে না। ৯–১০ মিনিটের মধ্যে মস্তিষ্কে স্থায়ী ক্ষতি হয়। পৃথিবীতে এমন কোনো রোগ নেই যা পাঁচ মিনিটের মধ্যে জীবন কেড়ে নেয়। তাই সঙ্গে সঙ্গে সিপিআর শুরু করা ছাড়া বিকল্প নেই। হার্ট অ্যাটাক ধীরে ধীরে সময় দেয়, কিন্তু কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট বিদ্যুতের মতো—এক মুহূর্তেই সব বন্ধ হয়ে যায়। তখন পাশে থাকা স্বামী, স্ত্রী, সন্তান বা সহকর্মীকেই ডাক্তার হয়ে উঠতে হয়। এই প্রেক্ষাপটে তিনি চেইন অব সারভাইভাল’এর চারটি ধাপ বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। প্রথম ধাপ, রোগী শনাক্ত করে সাহায্য চাওয়া। দ্বিতীয় ধাপ, কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট নিশ্চিত হলে সিপিআর শুরু করা। তৃতীয় ধাপ, অন্তত ৩০ মিনিট ধরে সিপিআর চালিয়ে যাওয়া বা অ্যাম্বুলেন্সে রোগীকে হাসপাতালে নেওয়া। চতুর্থ ধাপ, হাসপাতালে পৌঁছে উন্নত চিকিৎসা শুরু করা। তার ভাষায়, সিপিআর মানে আসলে হার্টের পাম্পিং কাজটা হাতে করা—চাপ দেওয়া ও ছাড়ার মাধ্যমে ব্লাড সার্কুলেশন চালিয়ে যাওয়া।

তার মতে, স্কুল পাঠ্যক্রমে বিষয়টি যুক্ত করা জরুরি। এজন্য তিনি নবম শ্রেণির বইয়ে দুই পৃষ্ঠা সংযোজনের চেষ্টা করেছিলেন। তার বিশ্বাস, এর ফলে বাংলাদেশে বিশাল পরিবর্তন আসবে। বিদেশে স্কুলে স্কুলে সিপিআর শেখানো হয়। আমাদের ছেলে-মেয়েরা ইউটিউব দেখে অনেক কিছু শিখছে। পাঠ্যবইয়ে সিপিআর ঢুকিয়ে দিলে পুরো প্রজন্মই স্মার্ট হয়ে উঠবে, আশা প্রকাশ করেন তিনি।

হেলদি হার্ট হ্যাপি লাইফ অর্গানাইজেশনের সহযোগিতায় আয়োজিত কর্মশালায় আরও বক্তব্য রাখেন সিএমএইচ হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগের চিফ ফিজিশিয়ান জেনারেল ব্রিগেডিয়ার জেনারেল অধ্যাপক ডা. সায়েদা আলেয়া সুলতানা, হেলদি হার্ট হ্যাপি লাইফ অর্গানাইজেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট আবু রেজা মো. কাইয়ুম খান ও বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি রাশেদ রাব্বি। সিপিআর প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করেন কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মহসীন আহমেদ।

 




ডেঙ্গুতে আক্রান্ত আরও ২১৯

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ: হেলথ ইমার্জেন্সি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে  জানানো হয় যে , গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরো ২১৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এই সময়ে ডেঙ্গুতে কেউ মারা যায়নি।।

গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মধ্যে বরিশাল বিভাগে ( সিটি কর্পোরেশন বর্হিভুত ) ৪৩ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি কর্পোরেশন বর্হিভুত) ৭৪ জন, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ৪০ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ৩৯ জন ও ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি কর্পোরেশন বর্হিভুত) ২৩ জন রয়েছেন।

এদিকে গত একদিনে সারা দেশে ২৫৫ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর ছাড়পত্র পেয়েছেন ৪২ হাজার ৪৭৮ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত  ৪৪ হাজার ৬৯২ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ বছরে এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে ১৮৮ জনের।

২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে মোট ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন এবং মোট ৫৭৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।