ঘুমের আগে মোবাইল ব্যবহার বন্ধে সতর্কতা

আধুনিক জীবনে মোবাইল ফোনের ব্যবহার এখন অনেকের জন্য অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। তবে ঘুমানোর আগে মোবাইল ফোন ব্যবহার করা স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকারক হতে পারে। অনেকেই ঘুমানোর আগে মোবাইল হাতে নিয়ে গেম খেলে বা সোশ্যাল মিডিয়া চেক করতে করতে ঘুমিয়ে পড়েন, যা মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

মোবাইলের অতিরিক্ত ব্যবহারের ক্ষতিকর প্রভাব

ঘুমানোর আগে মোবাইল ব্যবহারের ফলে শরীরের ঘুমের হরমোন ‘মেলাটোনিন’-এর নিঃসরণে বাধা সৃষ্টি হয়। মোবাইলের স্ক্রিন থেকে নির্গত নীল আলো চোখের রেটিনায় ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে, যা ঘুমের চক্র ব্যাহত করতে পারে। ফলে গভীর ঘুমে ব্যাঘাত ঘটে এবং শরীর পর্যাপ্ত বিশ্রাম পায় না।

মোবাইল ব্যবহারের ক্ষতি কমানোর উপায়

১. ফোন দূরে রাখুন: ঘুমানোর সময় মোবাইলটি হাতের নাগালের বাইরে রাখুন। এটি একটি নির্দিষ্ট স্থানে রাখুন, যেন ঘুমের সময় এটি হাতে নেওয়ার প্রবণতা না থাকে।

২. বালিশের নিচে ফোন রাখা থেকে বিরত থাকুন: ফোনটি বালিশের নিচে রাখলে, এর কম্পন ও শব্দ ঘুমে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। তাই ঘুমানোর আগে ফোন বন্ধ করে রাখুন বা দূরে সরিয়ে রাখুন।

৩. সোশ্যাল মিডিয়া এড়িয়ে চলুন: ঘুমানোর আগে সোশ্যাল মিডিয়া এবং ইমেইল চেক করা বন্ধ করুন। এগুলো আপনার মানসিক চাপ বাড়াতে পারে এবং ঘুমের মান নষ্ট করতে পারে।

এই ছোট ছোট পরিবর্তনগুলো করলে আপনার ঘুমের গুণগত মান উন্নত হবে এবং সুস্থ জীবনযাপন নিশ্চিত হবে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



নিয়মিত রক্তচাপ মাপার পরামর্শ দিলেন চিকিৎসক

স্বাস্থ্যবিষয়ক খবরে জানা যায়, রক্তচাপ বা প্রেশার মাপা এক গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যপরীক্ষা, যা আমাদের সুস্থ থাকার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে আমরা অনেকেই জানি না, কত বছর বয়স থেকে নিয়মিত রক্তচাপ মাপা উচিত। এই বিষয়ে ভারতীয় চিকিৎসক ডা. রুদ্রজিৎ পাল পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, প্রেশার বাড়লে একাধিক শারীরিক সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে, তাই প্রাথমিকভাবে তা ধরা জরুরি।

রক্তচাপের ধরণ এবং তার গুরুত্ব

রক্তচাপ দুই ধরনের হয়— সিস্টোলিক (উপরে) এবং ডায়াস্টোলিক (নীচে)। যদি সিস্টোলিক প্রেশার ১৩০ বা ডায়াস্টোলিক প্রেশার ৮০-এর বেশি হয়, তাহলে তা উচ্চ রক্তচাপ হিসেবে গণ্য হয়। তবে একদিনের রিডিং অনুযায়ী নিশ্চিত হওয়া যায় না, তাই তিনদিন পর পর রিডিং নিয়ে তা পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন। এর মাধ্যমে রক্তচাপের সঠিক অবস্থা বোঝা সম্ভব।

কত বয়সে রক্তচাপ মাপা উচিত?

ডা. রুদ্রজিৎ পাল বলেছেন, “আজকাল অনেক তরুণ বয়সেও উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত হচ্ছেন। তাই ২০ বছর বয়স পেরোলেই একবার রক্তচাপ মাপা উচিত। এবং যদি ৩০ বছর বয়স অতিক্রম করে, তাহলে প্রতি ৬ মাস অন্তর নিয়মিত রক্তচাপ মাপা জরুরি।” এই নিয়ম মেনে চললে রোগটি প্রথম অবস্থায় ধরা পড়বে এবং তার চিকিৎসা করা সম্ভব হবে।

ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিরা

যারা অতিরিক্ত ওজনের শিকার এবং বিভিন্ন দীর্ঘস্থায়ী রোগ যেমন ডায়াবিটিস, থাইরয়েড ইত্যাদিতে ভুগছেন, তাদের রক্তচাপের ঝুঁকি থাকে। এছাড়া, যদি পরিবারের সদস্যদের মধ্যে এই রোগের ইতিহাস থাকে, তবে তাদেরও উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বেশি।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



ত্বকের যত্নের পাশাপাশি অন্ত্রের যত্নও জরুরি

ত্বক সুন্দর রাখতে নানা ধরনের স্কিন কেয়ার পণ্য ব্যবহার করা হয়, কিন্তু কি জানেন, ত্বকের সুস্থতা সঠিক খাদ্যাভ্যাসের উপর অনেকটা নির্ভরশীল? ত্বকের যত্ন নেওয়ার ক্ষেত্রে শুধুমাত্র বাইরের সৌন্দর্যচর্চা নয়, অভ্যন্তরীণ যত্নও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। খাদ্যাভ্যাসের মাধ্যমে অন্ত্রের সুস্থতা ত্বকের উপর প্রভাব ফেলতে পারে, যা অনেকেই জানেন না।

অন্ত্রের স্বাস্থ্যের প্রভাব ত্বকে

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক কর্ণ রাজন তার এক ভিডিওতে জানিয়েছেন, রঙিন ফল ও শাক-সবজি খাওয়ার ফলে অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো থাকে এবং ত্বকেও এর সুপ্রভাব পড়তে শুরু করে। বিশেষ করে টমেটো, বেল পেপার, গাজরের মতো খাবারগুলো অন্ত্রের জন্য উপকারী। এই খাবারগুলোতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে, যা অন্ত্রে উপকারী ব্যাকটেরিয়ার কাজ বাড়ায় এবং ত্বককে সোনালী আভা দেয়।

একটি গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব শিশুর একজিমা রয়েছে, তাদের অন্ত্রে উপকারী ব্যাকটেরিয়ার ঘাটতি থাকে, আর প্রোবায়োটিকসের মাধ্যমে এই ব্যাকটেরিয়ার পরিমাণ বাড়ানো হলে তাদের চামড়ার অবস্থার উন্নতি হয়।

প্রিবায়োটিকস ও ত্বকের যত্ন

ডা. রাজন আরও পরামর্শ দিয়েছেন যে, প্রিবায়োটিকস জাতীয় খাবার ত্বকের জন্য ভালো। এই ধরনের খাবারে কিছু নির্দিষ্ট উপকারী ব্যাকটেরিয়ার কার্যক্ষমতা বাড়ায়, যা অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি যৌগের উৎপাদন বাড়িয়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি করে।

ফল ও শাকসবজি ত্বকের জন্য কীভাবে উপকারী?

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রঙিন শাকসবজি ও ফলের মধ্যে উচ্চ প্রিবায়োটিকস এবং ভিটামিন এ, সি, ও ই থাকে, যা ত্বকের সৌন্দর্য বাড়াতে সাহায্য করে। এই খাবারের পুষ্টি ত্বকের জেল্লা বৃদ্ধি করতে সক্ষম। আদা, পেঁয়াজ, কলা ইত্যাদিও প্রিবায়োটিকস উপাদানে সমৃদ্ধ, যা ত্বককে মসৃণ রাখতে সাহায্য করে।

পেটের যত্ন নিলে ত্বকও থাকবে সুস্থ

পেটের যত্ন নেওয়া ত্বকের সুস্থতা বজায় রাখার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ত্বকের যে কোন সমস্যার ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞের সঙ্গে খাদ্যতালিকা নিয়ে আলোচনা করা প্রয়োজন। জীবনধারায় পরিবর্তন আনলে ত্বক এবং অন্ত্রের সুস্থতা নিশ্চিত করা সম্ভব।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



অতিরিক্ত প্রত্যাশা কমিয়ে হতাশা এড়ানোর পরামর্শ

প্রত্যাশা রাখা স্বাভাবিক, তবে অতিরিক্ত প্রত্যাশা প্রায়ই হতাশার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। প্রত্যাশা কি এবং কিভাবে এটি মানুষের জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে, এ বিষয়ে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের রেসিডেন্ট ডা. তানজিরা বিনতে আজাদ তাঁর পরামর্শ দিয়েছেন।

ডা. আজাদ বলেন, প্রত্যাশার ধারণা মূলত অন্যের কাছ থেকে কিছু পাওয়ার আশা প্রকাশ করে। তবে অতিরিক্ত প্রত্যাশা অনেকসময় হতাশার সৃষ্টি করতে পারে, যা মানসিক সুস্থতার পথে বাধা সৃষ্টি করে। এটি অনেকক্ষেত্রে অলীক কল্পনা বা অবাস্তব আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে জড়িত থাকে। এই ধরণের প্রত্যাশা পূরণ না হলে হতাশার অনুভূতি জন্ম নিতে পারে। তাই প্রত্যাশা নিয়ন্ত্রণে রাখার মাধ্যমে মানসিক প্রশান্তি অর্জন সম্ভব।

তিনি জানান, প্রত্যাশা কমিয়ে আনার মাধ্যমে সম্পর্ক উন্নয়নের পাশাপাশি নিজেকে আরও দৃঢ়ভাবে দাঁড় করানো যায়। অন্যের প্রতি অভিযোগ না করে নিজেকে আগে যাচাই করা, সামান্য ভালোবাসাকে গুরুত্ব দেওয়া এবং অল্পতে সন্তুষ্ট থাকার অভ্যাস গড়ে তোলার মধ্য দিয়ে প্রত্যাশা কমানো সম্ভব। এর সঙ্গে ধৈর্য ধরার মতো গুণাবলী চর্চা করা এবং ক্ষমাশীলতার মনোভাব গ্রহণ করা প্রয়োজন।

ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ভিক্টর ভ্রুমের ‘প্রত্যাশা তত্ত্ব’ অনুযায়ী, প্রত্যাশার তীব্রতা এবং অর্জনের বাস্তবতা এই প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করে। তিনি বলেছেন, প্রত্যাশা ও অর্জনের বাস্তবতাকে মিলিয়ে চলার অভ্যাস ব্যক্তিকে মানসিকভাবে সুরক্ষিত রাখতে পারে।

অতিরিক্ত প্রত্যাশা কমানোর কিছু কার্যকরী পরামর্শ:

১. নিজের প্রতি মনোযোগ বাড়ান ২. জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণ করুন ৩. সবসময় সৎ থাকুন ৪. আত্ম-মূল্য ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করুন ৫. সবসময় অন্যের প্রত্যাশা পূরণ করতে না যাওয়া ৬. চাওয়ার সীমা নির্ধারণ করুন ৭. আবেগ নিয়ন্ত্রণ করুন এবং আবেগ সম্পর্কে সচেতন থাকুন ৮. নেতিবাচক চিন্তা থেকে দূরে থাকুন ৯. কৃতজ্ঞতার মনোভাব গড়ে তুলুন ১০. অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি সহজভাবে নিন ১১. স্বার্থপর না হওয়া ১২. ক্ষমার অভ্যাস গড়ে তুলুন ১৩. নিয়ম মেনে জীবনযাপন করুন

ডা. তানজিরার মন্তব্য:
তিনি বলেন, “জীবনে কারো কাছ থেকে সবসময় বেশি কিছু আশা করা অবাস্তব হতে পারে। তাই নিজের কাজ নিজে করা এবং নিজের যোগ্যতার মূল্যায়ন করা উচিত।”

 

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




গ্যাস্ট্রিক দূর করুন ঘরোয়া পদ্ধতিতে

প্রায় সবাই কম-বেশি গ্যাস্ট্রিক বা বদহজমের সমস্যায় ভোগেন। খাবারের অনিয়মের কারণে এ সমস্যা দেখা দেয়, এবং অনেকে প্রাথমিক অবস্থায় ওষুধের ওপর নির্ভর করেন। তবে গ্যাস্ট্রিক নিয়ন্ত্রণে ঘরোয়া উপায়ে কিছু পদ্ধতি মানলে দ্রুত আরাম পাওয়া সম্ভব। চলুন জেনে নিই কীভাবে ঘরোয়া পদ্ধতিতে গ্যাস্ট্রিক সমস্যার সমাধান সম্ভব:

১. দারুচিনি: গ্যাস্ট্রিক সমস্যা সমাধানে দারুচিনি অত্যন্ত কার্যকর। এটি অ্যাসিডিটি, পেটে ব্যথা এবং গ্যাসের সমস্যা সমাধান করতে সহায়তা করে। কফি, ওটমিল বা গরম দুধে দারুচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে পান করলে দ্রুত ফল পাওয়া যায়। তবে দুধে সমস্যা হলে দারুচিনি গুঁড়া পানিতে ফুটিয়ে মধু মিশিয়ে পান করতে পারেন।

২. বেকিং সোডা: বেকিং সোডা পাকস্থলীর অতিরিক্ত অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে বিশেষভাবে কার্যকর। এটি গ্যাস দূর করে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা উপশম করতে সহায়তা করে।

৩. আদা: গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা উপশমে আদা বেশ উপকারী। আদার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টিইনফ্লেমেটরি উপাদান প্রদাহ কমিয়ে দেয়। দুই কাপ পানিতে ১ টেবিল চামচ আদা কুচি দিয়ে ফুটিয়ে ১-২ চা চামচ মধু মিশিয়ে পান করলে উপকার পাওয়া যায়।

ঘরোয়া এই পদ্ধতিগুলো গ্যাস্ট্রিক সমস্যা দূর করতে বেশ কার্যকর। তবে নিয়মিত সঠিক খাবার গ্রহণ এবং পরিমাণে খাওয়ার বিষয়টি মেনে চললে দীর্ঘমেয়াদে গ্যাস্ট্রিকের ঝুঁকি কমানো সম্ভব।

 

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




বাউফলে পুকুরে ডুবে দুই ভাইয়ের মৃত্যু, এলাকায় শোক

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালী জেলার বাউফল উপজেলায় বৃহস্পতিবার দুপুরে পুকুরে ডুবে দুই ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হলেন, মো. ইমাম হোসেন (৬) ও আবুবকর (৪)। তারা উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের তাঁতেরকাঠী গ্রামের কবির হোসেন সিকদারের সন্তান।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ওই দিন দুপুরে শিশুরা তাদের বাবা-মায়ের সঙ্গে পুকুরে গোসল করতে যায়। শিশুদের বাবা পুকুরঘাটে বসিয়ে রেখে পানি নিতে ঘরে গিয়ে ফিরে এসে দেখতে পান, দুই ছেলে সেখানে নেই। তাকে খুঁজতে গিয়ে বড় ছেলে ইমামকে পুকুরে ভাসতে দেখে তাকে উদ্ধার করা হয়। এরপর ছোট ছেলে আবুবকরকেও একই পুকুর থেকে টেনে তুলে উদ্ধার করা হয়। তাদের দ্রুত বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, প্রথমে বড় ছেলে ইমাম পুকুরে পড়ে যায় এবং তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে ছোট ছেলে আবুবকরও পানিতে পড়ে। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহত ইমাম হোসেন স্থানীয় তাঁতেরকাঠি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র ছিল।

বাউফল থানার পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।




পেটের চর্বি কমাতে ৫টি কার্যকরী উপায়

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: পেটের চর্বি জমা শরীরের জন্য বিভিন্ন রোগের কারণ হতে পারে। পেটে অতিরিক্ত চর্বি জমে গেলে লিভার ও অন্ত্রের কার্যক্রম বাধাপ্রাপ্ত হয় এবং পেশি ও জয়েন্টে প্রদাহ সৃষ্টি হয়। সম্প্রতি রিজিওনাল অ্যানেস্থেসিয়া এবং পেইন মেডিসিনে পেটের চর্বির ক্ষতিকর দিক নিয়ে গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে নারী এবং পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি শারীরিক সমস্যার ঝুঁকি উঠে এসেছে। তবে, পেটের চর্বি কমাতে কিছু কার্যকরী পদ্ধতি রয়েছে:

১. জীবনধারা পরিবর্তন:
দৈনন্দিন জীবনের কাজ যেমন হাঁটা, সাঁতার, সাইকেল চালানোর মাধ্যমে শরীর সক্রিয় রাখতে পারেন, যা অতিরিক্ত ক্যালরি পোড়াতে সাহায্য করে।

২. সুষম খাবার:
চর্বিযুক্ত ও চিনিযুক্ত খাবার পরিহার করে আস্ত ফল, শাকসবজি এবং শস্যজাত খাবার খেতে চেষ্টা করুন।

৩. মানসিক স্থিতি:
মানসিক চাপ কমাতে যোগব্যায়াম ও ধ্যানের মাধ্যমে মনকে শান্ত রাখুন, যা কর্টিসল হরমোনের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।

৪. পর্যাপ্ত ঘুম:
প্রতিদিন ৭-৯ ঘণ্টা ঘুম শরীরের মেটাবলিজম ঠিক রাখতে সাহায্য করে এবং অতিরিক্ত চর্বি জমার ঝুঁকি কমায়।

৫. পর্যাপ্ত পানি পান:
শরীরের হজম ও মেটাবলিজম ভালো রাখতে এবং চর্বি কমাতে পর্যাপ্ত পানি পান খুবই কার্যকর।

এই ছোটখাট পরিবর্তনগুলি আপনাকে পেটের চর্বি কমাতে এবং স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়তা করতে পারে।

তথ্যসূত্র: নিউজ১৮




কৈশোরে চুল পড়া রোধে করণীয়

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: প্রতি দিন কিছু চুল পড়া স্বাভাবিক, তবে কৈশোরে অতিরিক্ত চুল ঝরে যাওয়া আশঙ্কাজনক হতে পারে। কৈশোরে চুল পড়া কিশোর-কিশোরীদের ব্যক্তিত্বে প্রভাব ফেলে এবং আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দেয়। ভারতীয় চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ রিংকি কাপুর জানিয়েছেন, পরিবেশগত কারণ ও হরমোনের পরিবর্তন কিশোর বয়সে চুল ঝরে যাওয়ার প্রধান কারণ। এছাড়াও কৈশোরে চুল পড়ার কয়েকটি মূল কারণ রয়েছে:

১. বংশগতি:
জিনগত প্রভাবে পরিবারের সদস্যদের মতোই কিশোরদের মধ্যেও চুল পড়ার প্রবণতা দেখা দিতে পারে।

২. থাইরয়েডের সমস্যা:
থাইরয়েড হরমোনের তারতম্যের কারণে চুলের বৃদ্ধি বাধাপ্রাপ্ত হয়, যার ফলে চুল পড়া বেড়ে যেতে পারে।

৩. পুষ্টির অভাব:
খাদ্যাভাসে প্রোটিন, ভিটামিন, আয়রন এবং জিঙ্কের ঘাটতি থাকলে চুল দুর্বল হয়ে যায় এবং ঝরে পড়ে।

৪. মানসিক চাপ:
চাপে থাকলে টেলোজেন এফ্লুভিয়াম নামক সমস্যায় আক্রান্ত হতে পারে কিশোররা, যা চুল ঝরার কারণ হতে পারে।

৫. চুলের অত্যধিক স্টাইলিং:
কেমিক্যাল ব্যবহার, স্ট্রেটনার ও ড্রায়ার বেশি ব্যবহারের ফলে চুলের গোড়া দুর্বল হয়ে পড়ে এবং চুল পড়তে থাকে।

কৈশোরে চুল পড়া রোধে পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ এবং চুলের যত্নে সচেতন হওয়া উচিত। নিয়মিত তেল ব্যবহার এবং কম রাসায়নিক ব্যবহারে চুল ঝরা অনেকটাই কমানো সম্ভব।

তথ্যসূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস




বরিশাল সিটি মার্কেট এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার

বরিশাল অফিস::বরিশাল সিটি সুপার মার্কেটের তৃতীয় তলা থেকে পড়ে ইয়ামিন খান (১০) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আজ বুধবার দুপুরে নগরীর সদর রোডের নির্মাণাধীন মার্কেটে এ ঘটনা ঘটে।

কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নিহত শিশু ইয়ামিন নগরীর সদর রোড সংলগ্ন হাওলাদার লেনের বাসিন্দা আইনজীবীর সহকারী বেল্লাল হাওলাদারের ছেলে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, চায়ের দোকানদার বিউটি বেগম প্রথম ওই শিশুকে রক্তাক্ত অবস্থায় ভবনের নিচে পরে থাকতে দেখেন। তাঁকে উদ্ধার করে বরিশাল শের ই বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের বাবা বেল্লাল বলেন, ‘ওই মার্কেটের পাশে আমার বাসা। তাই নিত্যদিনের মতো ইয়ামিন ওই ভবনের তৃতীয় তলায় খেলতে যায়। সেখান থেকে কীভাবে নিচে পড়ে ওই মারা গেছে তা আমি জানি না।’
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, ঘটনাটি দুর্ঘটনা না অন্য কোনো বিষয় জড়িত আছে তা তদন্ত করছে পুলিশ। লাশ শেবাচিম হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। এ ঘটনায় আইনানুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




জাপানিজ ডায়েট ক্যানসার কোষের বৃদ্ধি রোধে সহায়ক

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: জাপানিদের দীর্ঘ আয়ু ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন সম্পর্কে অনেকেরই ধারণা রয়েছে। সম্প্রতি, ওসাকা মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির গবেষকরা জানিয়েছেন, জাপানের ঐতিহ্যবাহী খাদ্যাভ্যাস ক্যানসার কোষের বৃদ্ধি বন্ধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। গবেষণা অনুযায়ী, এই খাদ্যাভ্যাসে প্রচুর পরিমাণে নিউক্লিক অ্যাসিড থাকে, যা ক্যানসারের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা গ্রহণে সাহায্য করে।

নিউক্লিক অ্যাসিড হলো প্রাকৃতিক একটি যৌগ, যা সব ধরনের জীবন্ত জীবনে উপস্থিত। যখন আমরা এই যৌগগুলো গ্রহণ করি, তখন তা শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় নিউক্লিওটাইড এবং নিউক্লিওসাইডে ভেঙে যায়। অধ্যাপক কোজিমা-ইউয়াসার পরিচালিত গবেষণায় দেখা গেছে, নিউক্লিক অ্যাসিডের এই ভাঙন ক্যানসার কোষের বৃদ্ধির প্রক্রিয়া বন্ধ করতে সক্ষম। বিশেষ করে স্যামন এবং উদ্ভিজ্জ উৎসের মধ্যে এই নিউক্লিক অ্যাসিডের পরিমাণ বেশি।

গবেষণায় বিশেষভাবে দুটি উৎসের নিউক্লিক অ্যাসিড যৌগের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে: সালমন মিল্ট এবং টরুলা ইস্ট। বিজ্ঞানীরা এই দুটি উৎসের আরএনএ ও ডিএনএ ক্যানসার কোষের সঙ্গে যুক্ত করে ল্যাব পরীক্ষায় প্রমাণ পেয়েছেন যে, এই যৌগগুলো ক্যানসার কোষের বৃদ্ধি বন্ধ করে দেয়। গুণগতভাবে এদের মধ্যে গুয়ানোসিন নামক যৌগের উপস্থিতি ক্যানসার কোষের প্রতিলিপি প্রক্রিয়াকে বাধা দেয়, ফলে কোষের বৃদ্ধি থমকে যায়।

গবেষণার ফলাফল প্রমাণ করেছে যে, গুয়ানোসিনের খাদ্য উৎস ও সম্পর্কিত রাসায়নিকগুলো ক্যানসার প্রতিরোধের একটি সম্ভাব্য উপায় হিসেবে কাজ করতে পারে। যদিও গবেষণা এখনও প্রাথমিক স্তরে রয়েছে, তবে এটি জাপানিজ ডায়েটের স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে নতুন একটি দৃষ্টিভঙ্গি প্রদান করেছে।