চিকিৎসকসহ জনবল সংকটে কলাপাড়া হাসপাতালের সেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত

কলাপাড়া উপজেলা সদরসহ কুয়াকাটা ও মহিপুর অঞ্চলের হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসক ও জনবল সংকট মারাত্মকভাবে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত করছে। ৫০ শয্যার কলাপাড়া হাসপাতাল, ২০ শয্যার কুয়াকাটা হাসপাতাল এবং মহিপুর উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের অবস্থাও তথৈবচ। হাসপাতালের সার্বিক পরিস্থিতি অত্যন্ত হতাশাজনক, বিশেষ করে শয্যার সংখ্যা ও চিকিৎসক সংকটের কারণে রোগীরা পর্যাপ্ত চিকিৎসা সেবা পাচ্ছেন না।

সরেজমিনে দেখা গেছে, কলাপাড়া হাসপাতালের বহির্বিভাগে প্রতিদিন গড়ে ৩০০-৩৫০ জন রোগী সেবা নিতে আসেন, কিন্তু সেখানে মাত্র ৩-৪ জন চিকিৎসক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। এই চিকিৎসকরা সময়মতো এত সংখ্যক রোগীর সেবা দিতে পারছেন না, ফলে অনেক রোগী বাধ্য হচ্ছেন বাইরে গিয়ে চেম্বারে চিকিৎসা নিতে। একইভাবে ভর্তি হওয়া রোগির চাপও অনেক বেশি, যা হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা থেকে অনেক বেশি।

কলাপাড়া উপজেলা সদরে ৫০ শয্যার হাসপাতালটি বর্তমানে মাত্র ১১ জন চিকিৎসক দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে, যদিও এখানে চিকিৎসকের পদ ৩৬টি। অধিকাংশ সময় স্বাস্থ্য প্রশাসক প্রশাসনিক কাজে ব্যস্ত থাকেন, আর একজন চিকিৎসক প্রেষণে পটুয়াখালীতে কর্মরত। ফলে, চারজন চিকিৎসক তিন-সাড়ে তিন শ’ রোগীকে সেবা দেওয়ার জন্য নিযুক্ত আছেন, যেখানে প্রতিটি রোগীর জন্য মাত্র ৫ মিনিট সময় বরাদ্দ করা সম্ভব হয়। জরুরি বিভাগও হিমশিম খাচ্ছে চিকিৎসক সংকটের কারণে।

এছাড়া, হাসপাতালের কর্মচারীদের ৭৬টি পদ খালি রয়েছে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে করানো হচ্ছে, কিন্তু তা যথাযথ নয়। কুয়াকাটা হাসপাতালেও একই ধরনের সমস্যা বিদ্যমান।

প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সরকারি ব্যবস্থা থাকলেও, রোগীরা কিছু পরীক্ষার জন্য বাধ্য হচ্ছেন চিকিৎসকদের পছন্দের ক্লিনিকে পাঠাতে। জুন মাসের পর থেকে জরুরি মেডিসিন সরবরাহ না হওয়ার কারণে রোগীরা অনেক প্রয়োজনীয় সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। হাসপাতালের বাথরুম এবং টয়লেটের পরিচ্ছন্নতা নিয়েও রোগীদের অভিযোগ রয়েছে, এবং নার্স-আয়া, ক্লিনারদের বিরুদ্ধে খারাপ আচরণের অভিযোগ উঠেছে।

রোগীদের খাবারের মান নিয়েও অভিযোগ রয়েছে। মহিলা ওয়ার্ডে ভর্তি রোগী পারভিন জানাচ্ছেন, হাসপাতাল থেকে কিছু ওষুধ পেয়ে হলেও বেশিরভাগ সময় বাইরে থেকে ওষুধ কিনতে হয়েছে। খাবারের মান সম্পর্কে রোগীদের অভিযোগের মধ্যে রয়েছে, সকালে শুধুমাত্র রুটি এবং কলা দেওয়া হচ্ছে, আর দুপুর ও রাতে সেদ্ধ ডিম ও আলুর ঝোলের সাথে রান্না করা হচ্ছে।

হাসপাতালের আরেকটি বড় সমস্যা হল বিদ্যুৎ সংযোগের অভাব। সিঙ্গেল ফেইজ বিদ্যুৎ সংযোগের কারণে লোডশেডিংয়ের শিকার হতে হচ্ছে এবং জেনারেটর থাকলেও সবসময় পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ সম্ভব হয় না। এ কারণে ভ্যাকসিনের মান নিয়ন্ত্রণ এবং সংরক্ষণও যথাযথভাবে করা যাচ্ছে না।

এ সকল সমস্যার দ্রুত সমাধান প্রয়োজন, যাতে কলাপাড়া হাসপাতালসহ সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলো রোগীদের উন্নত সেবা দিতে সক্ষম হয়।

 




শিশুকে সকালবেলা শিখান কিছু স্বাস্থ্যকর অভ্যাস

শিশুদের জীবনের প্রথম বছরগুলোই তাদের ভবিষ্যতের পথে নির্দেশক হিসেবে কাজ করে। যদি তাদের ছোটবেলা থেকে সঠিক অভ্যাস গড়ে তোলা যায়, তবে তারা সেই অভ্যাসগুলো সহজেই পরবর্তী জীবনে অনুসরণ করতে পারবে। তাই মা-বাবা বা অভিভাবকদের উচিত শিশুকে ছোটবেলা থেকেই স্বাস্থ্যকর অভ্যাস শেখানো, যাতে তারা সুস্থ ও সুখী জীবন কাটাতে পারে। চলুন, জেনে নেওয়া যাক কিছু অভ্যাস যা শিশুকে সকালে শেখানো উচিত:

১. খুব ভোরে ঘুম থেকে ওঠা:
রাতে আগেভাগে ঘুমিয়ে, পরদিন খুব ভোরে ওঠা স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। শিশুকে এই অভ্যাস শেখাতে হবে, কিন্তু শিশুরা সবচেয়ে বেশি বড়দের আচরণ দেখে শেখে। তাই আপনাকেও এই অভ্যাসে অভ্যস্ত হতে হবে। শিশুকে যখন নিয়মিত ভোরে ঘুম থেকে ওঠা শিখানো হবে, তখন তার দৈনন্দিন রুটিন স্বাভাবিক হয়ে যাবে এবং তার শরীর ও মন অনেক বেশি সতেজ থাকবে।

২. খালি পেটে হালকা গরম পানি:
সকালে খালি পেটে হালকা গরম পানি পান করার অনেক উপকারিতা রয়েছে। এটি শিশুর অন্ত্র পরিষ্কার করতে সাহায্য করে, শরীরে সক্রিয়তা আনে এবং পুরো দেহকে সতেজ রাখে। নিয়মিত এই অভ্যাস শিশুকে শিখালে তার স্বাস্থ্য আরও ভালো থাকবে এবং খাবার হজমেও সাহায্য করবে।

৩. যোগব্যায়াম:
শিশুকে যোগব্যায়াম শেখানো শারীরিক ও মানসিক উন্নতির জন্য অত্যন্ত উপকারী। বিশেষত সকালে যোগব্যায়ামের মাধ্যমে শিশুর শরীর সুস্থ থাকে এবং তার মনও শান্ত থাকে। এটি তাকে শারীরিক শক্তি ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করতে সাহায্য করবে, পাশাপাশি জীবনের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব গড়ে উঠবে।

৪. স্বাস্থ্যকর খাবার:
সকালের খাবারের দিকে বিশেষভাবে মনোযোগী হওয়া উচিত। কারণ সারারাতের অনাহারের পর শিশুর শরীরে শক্তির অভাব থাকে। শিশুকে বিভিন্ন পুষ্টিকর খাবার দিন, যেমন ফল, শাক-সবজি, ডিম, রুটি ইত্যাদি, যাতে সে সারাদিন সুস্থ এবং শক্তিশালী থাকতে পারে। একঘেয়েমি এড়াতে প্রতিদিন নতুনভাবে খাবার পরিবেশন করুন।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



দীর্ঘ কর্মঘণ্টা স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়: গবেষণা বলছে সতর্ক থাকার আহ্বান

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বেশ কিছু গবেষণা প্রমাণ করেছে যে, দীর্ঘ কর্মঘণ্টা আমাদের কার্ডিওভাসকুলার স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। বিশেষত, যারা সপ্তাহে ৫৫ ঘণ্টার বেশি কাজ করেন, তাদের মধ্যে স্ট্রোকের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। ২০১৫ সালে দ্য ল্যানসেট জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণা অনুযায়ী, সপ্তাহে ৫৫ ঘণ্টার বেশি কাজ করা কর্মীদের স্ট্রোকের ঝুঁকি ৩৩% বেশি ছিল, যারা সপ্তাহে ৩৫-৪০ ঘণ্টা কাজ করেন তাদের তুলনায়।

WHO’র সতর্কবার্তা

২০২১ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এক সমীক্ষায় জানিয়েছে, দীর্ঘ কর্মঘণ্টা শুধু শারীরিক নয়, মানসিক স্বাস্থ্যকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে। WHO’র তথ্য অনুযায়ী, যারা সপ্তাহে ৫৫ ঘণ্টার বেশি কাজ করেন তাদের স্ট্রোকের ঝুঁকি ৩৫% বেড়ে যায়। তাই দীর্ঘ সময় কাজ করার আগে আমাদের সতর্ক থাকা উচিত।

দীর্ঘ কর্মঘণ্টার প্রভাব

দীর্ঘ সময় কাজ করার ফলে শারীরিক ও মানসিক চাপ তৈরি হয়, যা রক্তচাপ, প্রদাহ এবং সামগ্রিক কার্ডিওভাসকুলার স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটায়। নিচে উল্লেখ করা হলো দীর্ঘ কর্মঘণ্টার প্রভাবগুলো যা স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়।

১. রক্তচাপ বৃদ্ধি

চাপযুক্ত পরিবেশে একটানা বসে কাজ করলে রক্তচাপ বেড়ে যায়। দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ রক্তচাপ থাকলে তা রক্তনালীর ক্ষতি করতে পারে, যা স্ট্রোকের মূল ঝুঁকিগুলোর একটি।

২. স্ট্রেস হরমোনের মাত্রা বৃদ্ধি

দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করা মানসিক চাপ সৃষ্টি করে, যা কর্টিসল ও অ্যাড্রেনালিন হরমোনের মাত্রা বৃদ্ধি করে। এই হরমোনগুলো রক্তনালীগুলোকে দুর্বল করে দেয় এবং ধমনীতে প্লাক তৈরি করে, যা রক্ত চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়।

৩. অলস জীবনযাপন

ডেস্ক জবের ফলে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকার কারণে নড়াচড়ার অভাব হয়। এটি অলস জীবনযাপনের দিকে ঠেলে দেয়, যা রক্তসঞ্চালন হ্রাস, ওজন বৃদ্ধি এবং বিপাকীয় স্বাস্থ্যের অবনতির কারণ হতে পারে। এসব সমস্যার ফলে রক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকি বাড়ে।

৪. ঘুমের ঘাটতি

দীর্ঘ কর্মঘণ্টার ফলে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ঘুমের অভাব দেখা যায়। অপর্যাপ্ত ঘুম উচ্চ রক্তচাপ এবং প্রদাহের কারণ হতে পারে, যা স্ট্রোকের ঝুঁকি আরও বাড়ায়। তাই সুস্থ থাকতে হলে পর্যাপ্ত ও সঠিক ঘুম নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



শীতের সকালের জন্য আরামদায়ক ও পুষ্টিকর ৪ পানীয়

শীতের আগমনে প্রকৃতি শীতল হতে শুরু করেছে। সেইসঙ্গে আমাদের শরীরেও আলস্যের প্রভাব পড়ছে। শীতের সকালে আরামদায়ক বিছানা ছেড়ে ওঠা যেন পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন কাজগুলোর একটি হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু কাজের তাগিদে আরামদায়ক বিছানাকে বিদায় জানানো ছাড়া উপায় নেই। তবে শীতের সকালে নিজেকে সতেজ রাখতে ও শরীরকে উষ্ণ রাখতে চুমুক দিতে পারেন কিছু উষ্ণ পানীয়তে। আসুন জেনে নিই, শীতের সকালের জন্য কোন কোন পানীয় হতে পারে স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর।

১. আদা-লেবু চা

শীতের সকালে আদা-লেবু চা হতে পারে দারুণ উপকারী। আদার অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য শরীরকে উষ্ণ রাখতে সাহায্য করে এবং পেশীকে প্রশমিত করে। লেবুতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং সর্দি-কাশির মতো মৌসুমী সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করে। এই চা তৈরি করতে, গরম পানিতে কয়েক টুকরা আদা ফেলে দিন এবং অর্ধেক লেবুর রস মিশিয়ে নিন। উষ্ণ এই পানীয় আপনাকে শীতের সকালে আরাম দেবে।

২. হলুদ দুধ (গোল্ডেন মিল্ক)

হলুদ দুধ, যা গোল্ডেন মিল্ক নামে পরিচিত, এটি প্রদাহ বিরোধী এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্যের জন্য পরিচিত। হলুদে থাকা কারকিউমিন হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতিসহ বিভিন্ন উপকার দেয়। এটি তৈরি করতে গরম দুধে এক চা চামচ হলুদের গুঁড়া মেশান, তার সঙ্গে যোগ করুন এক চিমটি কালো মরিচ, যা শরীরে কারকিউমিন শোষণ করতে সাহায্য করে। ইচ্ছা হলে মধু দিয়ে মিষ্টি করতে পারেন।

৩. দারুচিনি-মধুর পানি

দারুচিনি এবং মধুর মিশ্রণ শরীরের বিপাক ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। দারুচিনিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল করতে সহায়ক। শীতের সকালের জন্য এটি একটি চমৎকার পানীয়। এক কাপ গরম পানিতে একটি দারুচিনির টুকরা বা আধা চা চামচ দারুচিনি গুঁড়া মিশিয়ে দিন, এরপর এক চা চামচ মধু দিয়ে ভালোভাবে নাড়ুন। শীতের সকালে এটি আপনাকে উষ্ণ রাখবে এবং সতেজ অনুভূতি দেবে।

৪. ক্যামোমাইল-ল্যাভেন্ডার চা

ক্যামোমাইল ও ল্যাভেন্ডার চা তার শান্তিপূর্ণ প্রভাবের জন্য সুপরিচিত। এটি মানসিক চাপ কমাতে সহায়তা করে এবং বিশেষ করে শীতের সকালে মানসিক প্রশান্তি দেয়। ক্যামোমাইল হালকা হওয়ায় এটি হজমে সহায়ক এবং ল্যাভেন্ডার প্রশান্তিদায়ক সুবাস যোগ করে। চা তৈরি করতে গরম পানিতে ক্যামোমাইল ও ল্যাভেন্ডার মিশিয়ে কয়েক মিনিট জ্বাল দিন। চা তৈরি হয়ে গেলে সামান্য মধু মিশিয়ে পান করতে পারেন।

এই পানীয়গুলো শুধু শীতের সকালে আপনাকে উষ্ণ রাখবে না, বরং আপনার শরীরের জন্যও হবে উপকারী। তাই এই শীতে শুরু করুন আপনার দিনটি স্বাস্থ্যকর কোনো পানীয় দিয়ে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



মানসিক শক্তির মাধ্যমে সুস্থ জীবনযাপন

মানসিক শক্তি শুধুমাত্র মনই ভালো রাখে না, বরং শরীরকেও সুস্থ রাখে। পৃথিবীজুড়ে এমন অনেক উদাহরণ রয়েছে যেখানে মানসিক শক্তির প্রভাবে মানুষ কঠিন রোগ থেকেও সুস্থ হয়ে উঠেছে। এক এমন উদাহরণ ইন্দোনেশিয়ার বাসিন্দা হারিয়াতি লওইজায়া। তিনি বলেন, ‘ক্যান্সার হওয়ার পর আমার জীবনযাপন ও উদ্দেশ্য পুরোপুরি বদলে গেছে। আগে ক্যারিয়ার ছিল আমার জীবনের একমাত্র লক্ষ্য, কিন্তু এখন আমি জানি জীবনটাই আসলে ক্যারিয়ার।’

২০১৬ সালের অক্টোবরে হারিয়াতির শরীরে চতুর্থ পর্যায়ের ক্যান্সার ধরা পড়ে, যা মূত্রাশয়, যকৃত এবং অন্ত্রে ছড়িয়ে পড়েছিল। চিকিৎসকরা তার বেঁচে থাকার সম্ভাবনা মাত্র ১৫ থেকে ১৮ শতাংশ বলে জানিয়েছিলেন। প্রথমদিকে তিনি হতাশ হলেও, দ্রুত নিজেকে সামলে নিয়ে মানসিক শক্তি ও পজিটিভ মনোভাব নিয়ে লড়াই শুরু করেন। কেমোথেরাপি চলাকালীনও তিনি হাঁটা এবং শারীরিক ব্যায়াম চালিয়ে গিয়েছিলেন। এবং এক অলৌকিকভাবে ২০১৭ সালে ডাক্তাররা জানান, তার শরীর থেকে ক্যান্সার সম্পূর্ণভাবে দূর হয়ে গেছে।

হারিয়াতি শুধু নিজেকে সুস্থই করেননি, তিনি পরবর্তীতে ম্যারাথনের জন্য ট্রেনিং শুরু করেন। ২০১৮ সালে তিনি ভুটান থেকে হিমালয়ে ম্যারাথন সম্পন্ন করেন, যা তার জীবনযাত্রার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। তার মতে, ‘মাংস না খেলে ম্যারাথন শেষ করা সম্ভব নয়, এমন ধারণাকে ভুল প্রমাণিত করেছি।’

একইভাবে, ভারতের কণিকা শর্মা যোগব্যায়াম এবং ধ্যানের মাধ্যমে নিজের জীবনের অস্থিরতা কাটিয়ে শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা অর্জন করেছেন। কণিকা বিশ্বাস করেন যে, যোগব্যায়াম শুধু শারীরিক ব্যায়াম নয়, বরং এটি মন, শরীর এবং আত্মার মিলন। তিনি বলেন, ‘যোগব্যায়াম জীবনকে নতুনভাবে সাজানোর একটি শক্তিশালী মাধ্যম। এটি শুধু শরীরের বিষয় নয়, এটি একটি আধ্যাত্মিক অভ্যস্ততা।’

তিনি আরও বলেন, ‘পরিবারের প্রতি যত্ন নেওয়ার পাশাপাশি নারীদের নিজের শরীর ও স্বাস্থ্যকেও গুরুত্ব দেওয়া উচিত। আমি মনে করি, নারীদের জন্য একটি যোগাশ্রম প্রতিষ্ঠা করতে পারলে, যেখানে তারা নিজেদের জীবনকে নতুন করে সাজাতে শিখবে, তা হবে আমার জীবনের সার্থকতা।’

হারিয়াতি এবং কণিকার মতো অসংখ্য মানুষ মানসিক শক্তি, যোগব্যায়াম এবং শারীরিক সচেতনতার মাধ্যমে নিজেদের জীবনে বড় ধরনের পরিবর্তন এনে নিজেদের জীবনের মূল উদ্দেশ্য খুঁজে পেয়েছেন। সবার জন্য একটি বার্তা— শারীরিক এবং মানসিক সুস্থতার জন্য নিজেকে ভালোবাসা ও যত্ন নেওয়া প্রয়োজন।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




অল্প বয়সে টাক পড়ার কারণ এবং প্রতিকার

চুল পড়ার সমস্যা এখন শুধু বয়স্কদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, তরুণদের মধ্যেও এই সমস্যা ক্রমেই বাড়ছে। অনেক পুরুষেরই এখন অল্প বয়সে টাক পড়া শুরু হয়ে যায়, যা তাদের জন্য চিন্তার বিষয়। যখন চুল পড়ার পরিমাণ বাড়ে এবং নতুন চুল গজায় না, তখনই টাক দেখা দেয়। সাধারণত বয়স পঞ্চাশ পার হলে পুরুষদের মধ্যে টাক পড়া শুরু হয়, তবে এর আগেও অনেকের মধ্যে এই সমস্যা দেখা দিতে পারে।

এই সমস্যার পিছনে কী কী কারণ থাকতে পারে? চলুন, বিস্তারিত জেনে নিই।

জেনেটিক কারণ:

টাক পড়ার সবচেয়ে বড় কারণ হল জেনেটিক বা উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া। যদি দাদা বা বাবা-চাচাদের মধ্যে টাক পড়ার সমস্যা থাকে, তাহলে তাদের সন্তানদেরও একই সমস্যা হতে পারে। এ ধরনের সমস্যা মূলত পরিবার থেকে আসে এবং এর প্রতিকার সহজ নয়। তবে কিছু চিকিৎসা ব্যবস্থা নিতে পারেন, কিন্তু পুরোপুরি প্রতিকার পেতে অনেক সময়ই কঠিন হয়ে দাঁড়ায়।

পুষ্টির অভাব:

চুলের স্বাস্থ্য সঠিক পুষ্টির উপর অনেকটা নির্ভরশীল। যদি শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টির অভাব থাকে, তবে চুল দুর্বল হয়ে পড়তে পারে এবং পড়তে শুরু করে। প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, এবং ফ্যাটের মতো পুষ্টিকর খাবার চুলের স্বাস্থ্যকে ভালো রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া আয়রন, জিংক, ভিটামিন সি ও ভিটামিন এ-এর সমৃদ্ধ খাবার চুলের গঠন মজবুত করে এবং টাক পড়া রোধ করতে সাহায্য করে।

স্ট্রেস:

মানসিক চাপ বা স্ট্রেস চুলের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, যখন মানুষের মধ্যে মানসিক চাপ বেড়ে যায়, তখন চুল পড়ার পরিমাণও বৃদ্ধি পায়। যারা একটানা চাপের মধ্যে থাকেন, তাদের চুলের স্বাস্থ্য খারাপ হয়ে যায় এবং চুল পড়তে থাকে। স্ট্রেস কমানোর জন্য নিয়মিত ধ্যান বা শিথিলকরণ প্রক্রিয়া ব্যবহার করা যেতে পারে।

দূষণ:

পরিবেশ দূষণের কারণে চুলের স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব পড়তে পারে। অতিরিক্ত তাপ, ঠান্ডা, তীব্র রোদ, ধুলোবালি বা আর্দ্রতা চুলের ক্ষতি করতে পারে। যারা দূষিত অঞ্চলে বসবাস করেন, তাদের চুল পড়ার সমস্যা আরও বৃদ্ধি পায়। চুলের জন্য নিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টি করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যাতে দূষণ থেকে সুরক্ষা পাওয়া যায়।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



পেটের জন্য উপকারী ৪ খাবার

বর্তমান সময়ে আমাদের খাদ্যাভ্যাসে অতিরিক্ত চিনি ও চর্বিযুক্ত খাবারের প্রভাব পরিপাকতন্ত্রে নানা ধরনের সমস্যা তৈরি করতে পারে। অনেকেই খাবারের পর পেট ফাঁপা, বুকে জ্বালাপোড়া কিংবা অস্বস্তিতে ভোগেন। তবে কিছু খাবার রয়েছে যা এই সমস্যাগুলোর সমাধান করতে সহায়তা করতে পারে। চলুন, জেনে নেওয়া যাক পেটের জন্য উপকারী ৪টি খাবারের কথা।

১. হলুদ:

হলুদ একটি জনপ্রিয় মসলা, যা ঔষধি গুণের জন্য পরিচিত। এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ, যা হজম প্রক্রিয়াকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। নিয়মিত হলুদ খেলে এটি হজম প্রক্রিয়াকে সহজ এবং পরিপাকতন্ত্রকে স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করে। আপনার প্রতিদিনের খাবারে হলুদ যোগ করা এক দারুণ উপায় হতে পারে।

২. বাটারমিল্ক:

বাটারমিল্ক হল এক প্রকারের পানীয় যা শরীরকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে। এতে উপস্থিত প্রোবায়োটিক অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী। খাবারের পর এক গ্লাস বাটারমিল্ক পান করলে এটি পরিপাকতন্ত্রকে প্রশমিত করতে সাহায্য করে এবং পেট ফাঁপা ও কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা কমায়। এর সঙ্গে গোলমরিচ, জিরা বা পুদিনা যোগ করা যেতে পারে।

৩. আমলকি:

আমলকি ভিটামিন সি-এর চমৎকার উৎস এবং এটি পেটের জন্যও উপকারী। এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হজমের স্বাস্থ্যকে উন্নত করে এবং প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। আমলকি নিয়মিত খেলে ডায়রিয়া এবং পেশীর ক্র্যাম্পের মতো সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া সম্ভব।

৪. ঘি:

ঘি একটি স্বাস্থ্যকর সুপারফুড যা আমাদের পরিপাকতন্ত্রের জন্য বেশ উপকারী। এতে বিউটরিক অ্যাসিড থাকে, যা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি রোধ করে এবং পেটের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। তবে মনে রাখতে হবে, এটি পরিমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



গরম পানি পান করার উপকারিতা: সুস্থ থাকার সহজ পদ্ধতি

গরম পানি পান করা একটি সহজ অথচ অত্যন্ত কার্যকরী অভ্যাস, যা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে হালকা গরম পানি পান করা আপনার দিনটিকে শুরু করতে সাহায্য করবে। তবে, এটি হতে হবে টগবগে গরম নয়, বরং হালকা গরম পানি, কারণ অত্যধিক গরম পানি পান করলে তা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। চলুন জেনে নেওয়া যাক, গরম পানি পান করার নানা উপকারিতা।

১. হজম শক্তি বৃদ্ধি

হালকা গরম পানি হজম শক্তি উন্নত করতে সহায়তা করে। এটি আমাদের পাকস্থলীতে হজমকারী এনজাইমগুলোকে সক্রিয় করে, ফলে খাবার দ্রুত ভেঙে এবং শোষিত হয়। এছাড়া, গরম পানি মলকে নরম করে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে।

২. শরীরের ডিটক্সিফিকেশন

গরম পানি পান করলে শরীরের ভেতরের বিষাক্ত পদার্থ বের হতে সহায়তা করে, যা আমাদের স্বাস্থ্যকে ভালো রাখতে সহায়ক। এটি পাচনতন্ত্রের কার্যক্রমকে শক্তিশালী করে এবং রক্ত সঞ্চালন উন্নত করতে সাহায্য করে। ডিটক্সিফিকেশন প্রক্রিয়া সঠিকভাবে কার্যকর করার জন্য এটি একটি প্রাকৃতিক এবং সহজ উপায়।

৩. উন্নত রক্ত সঞ্চালন

গরম পানি পান রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে এবং শরীরের সমস্ত অঙ্গকে কার্যকর রাখতে সাহায্য করে। এটি রক্তনালীর প্রসারণ ঘটায়, পেশী শিথিল করতে সাহায্য করে এবং শরীরে উত্তেজনা কমিয়ে দেয়।

৪. ওজন হ্রাসে সহায়ক

গরম পানি পান করলে শরীরের বিপাক বৃদ্ধি পায়, ফলে ওজন কমানো সহজ হয়। এটি ক্ষুধা কমায়, ক্যালোরি-মুক্ত হাইড্রেশন প্রদান করে, এবং শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। ব্যায়ামের সময় শক্তির স্তর বজায় রাখতে এবং শারীরিক কার্যকলাপের দক্ষতা বাড়াতে এটি কার্যকর।

৫. ব্যথা কমানো

গরম পানি পান করা বিভিন্ন ধরনের শারীরিক ব্যথা, যেমন জয়েন্টের ব্যথা, পেশী শিথিলকরণ এবং মাথাব্যথা কমাতে সহায়তা করে। এটি প্রদাহ কমাতে এবং রক্ত সঞ্চালন উন্নত করতে সাহায্য করে, যা শরীরের শান্তি বজায় রাখতে কার্যকর।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



বরিশালে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ২ বন্ধু নিহত, আহত ২

বরিশালের মুলাদীতে এক মর্মান্তিক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় দুই বন্ধুর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় চরকালেখান ইউনিয়নের নোমরহাট বাজারসংলগ্ন একটি ব্রিজের কাছে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে কবরস্থানের দেয়ালে ধাক্কা খেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে আরও দুজন গুরুতর আহত হন।

নিহতদের মধ্যে রয়েছেন চরকালেখান ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. স্বপন ভূঁইয়া (৩৫) এবং মো. কাওসার হোসেন (২৫)। তারা উভয়েই পেশায় অটোরিকশাচালক ছিলেন। আহতরা হলেন একই গ্রামের মো. নাইম (২৫) এবং পথচারী মো. লোকমান চৌকিদার (৬২)।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পরিবারের সদস্যরা জানান, শুক্রবার সন্ধ্যায় স্বপন তার দুই বন্ধু কাওসার ও নাইমকে নিয়ে মোটরসাইকেলে নোমরহাট বাজারে যাচ্ছিলেন। বাজারের কাছে পৌঁছালে হঠাৎ করে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে কবরস্থানের দেয়ালে ধাক্কা খায়। এতে তিনজনই মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়েন, এবং ঘটনাস্থলেই স্বপনের মৃত্যু হয়।

দুর্ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে নিকটবর্তী পল্লি চিকিৎসকের কাছে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। নাইম ও লোকমানের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় রাতেই তাদের ঢাকায় পাঠানো হয়। রাত ১১টার দিকে ঢাকায় নেওয়ার পথে কাওসারের মৃত্যু হয়। নাইম ও লোকমান চৌকিদারকে আজ শনিবার ভোরে ঢাকার জাতীয় অর্থোপেডিক ও পুনর্বাসন (পঙ্গু) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

নিহত স্বপনের ভাই ইকবাল হোসেন ভূঁইয়া বলেন, স্বপন সন্ধ্যায় মোটরসাইকেলে বের হয়। দুর্ঘটনায় আমরা তাকে হারিয়েছি, যা আমাদের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।

চরকালেখান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মিরাজুল ইসলাম সরদার জানান,এ দুর্ঘটনায় দুইজন মারা গেছেন এবং দুইজন গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকায় চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

“মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম”




সড়ক দুর্ঘটনায় দশমিনা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার মৃত্যু

পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. নুরুল ইসলাম (৫৯) সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

তিনি চলতি বছরের ১৮ এপ্রিল দশমিনা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা হিসেবে (চলতি দায়িত্ব) যোগদান করেন। তার বাড়ি বাউফল উপজেলার বগা ইউনিয়নের রাজনগর গ্রামে।

গত ২২ অক্টোবর নদীতে অভিযান শেষে অফিসিয়াল কাজে দশমিনা থেকে পটুয়াখালী যাচ্ছিলেন। ওই দিন দুপুরে পটুয়াখালী যাওয়ার সময় দশমিনা উপজেলার বেতাগী-সানকিপুর ইউনিয়নের বড় গোপালদীতে সড়ক দুর্ঘটনায় মারাত্মকভাবে আহত হন। তাকে প্রথমে পটুয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অনেক দিন কোমায় থাকার পর তিনি মারা যান।

শুক্রবার সকালে জানাজার নামাজ শেষে তাকে তার নিজ গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। তার মৃত্যুতে স্থানীয় প্রশাসন ও সহকর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

মো: আল-আমিন স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম