স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ছোট ছোট অভ্যাস

স্মৃতিশক্তি আমাদের দৈনন্দিন জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রিয়জনের জন্মদিন মনে রাখা থেকে শুরু করে কাজের প্রতি মনোযোগ ধরে রাখা পর্যন্ত—সবকিছুতেই এটি প্রয়োজনীয়। কিন্তু কিছু ছোট ছোট অভ্যাস মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়াতে এবং স্মরণশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে। নিচে এমন পাঁচটি অভ্যাস নিয়ে আলোচনা করা হলো যা স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে সহায়ক।

১. সকালে পানি পান করার অভ্যাস করুন

সকাল শুরু করুন এক গ্লাস পানি পান করে। দীর্ঘ ঘুমের পর শরীর পানিশূন্য হয়ে যায়, যা মস্তিষ্কের কার্যকারিতাকে প্রভাবিত করে। পানিশূন্যতা দূর করতে পানি পান করা স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সহায়তা করে। বিছানার পাশে এক গ্লাস পানি রাখতে পারেন যেন ভুলে না যান।

২. পর্যাপ্ত ঘুমান

মানসম্মত ঘুম স্মৃতিশক্তির জন্য অপরিহার্য। ঘুমের সময় মস্তিষ্ক স্মৃতিগুলোকে সংরক্ষণ করে এবং প্রক্রিয়া করে। স্ক্রিন ব্যবহার কমিয়ে ঘুমানোর এক ঘণ্টা আগে থেকে বিশ্রাম নিন। এটি নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত করলে মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়বে।

৩. গুরুত্বপূর্ণ বিষয় লিখে রাখুন

যা মনে রাখতে চান তা লিখে রাখুন। এটি শুধু তথ্য সংরক্ষণে সাহায্য করে না, বরং চিন্তাভাবনা গুছিয়ে আনতেও সহায়ক। কাজের তালিকা, নতুন ধারণা বা এলোমেলো চিন্তাগুলো লিখে রাখার অভ্যাস স্মরণশক্তি উন্নত করে।

৪. অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার খান

মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়াতে খাদ্যতালিকায় বেরি, পালং শাক, বাদাম, আখরোট, এবং ডার্ক চকলেট অন্তর্ভুক্ত করুন। এগুলো অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে পরিপূর্ণ, যা মস্তিষ্কের কোষ রক্ষা করে এবং জ্ঞানীয় দক্ষতা বৃদ্ধি করে। প্রতিদিন এক মুঠো বাদাম খাওয়ার অভ্যাস স্মৃতিশক্তির জন্য উপকারী।

৫. প্রতিদিন হাঁটার অভ্যাস গড়ে তুলুন

প্রতিদিন ২০ মিনিট দ্রুত হাঁটলে মস্তিষ্কে রক্ত ​​প্রবাহ বাড়ে, যা স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগ উন্নত করে। এটি মস্তিষ্ককে সক্রিয় রাখতে সহায়ক এবং শারীরিক স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী।

এই অভ্যাসগুলো গ্রহণ করলে স্মৃতিশক্তি উন্নত হবে এবং মস্তিষ্ক আরও সক্রিয় থাকবে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




পিরোজপুরে বাসচাপায় ২ জন নিহত, চালক পলাতক

পিরোজপুর জেলার শংকপাশা ইউনিয়নের মোল্লাবাড়ি এলাকায় বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টার দিকে একটি মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। রাজিব পরিবহনের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে যায়, এবং এর ফলস্বরূপ ২ জন পথচারী নিহত হন।

নিহতরা হলেন রিয়াদ কাজী (২০) ও শাহিন (৩০)। বাসের আরও ১ যাত্রী আহত হয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পিরোজপুর থেকে রাজিব পরিবহনের বাসটি মঠবাড়িয়া উপজেলার দিকে যাচ্ছিল। শংকরপাশা ইউনিয়নের মোল্লাবাড়ি এলাকায় পৌঁছালে বাসটি চালকের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। এই দুর্ঘটনায় রিয়াদ ও শাহিনসহ বাসের ১ যাত্রী গুরুতর আহত হন। আহতদের দ্রুত পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক রিয়াদকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শাহিনও মারা যান।
নিহত রিয়াদ পিরোজপুর সদর উপজেলার শংকরপাশার মো. কামাল কাজীর ছেলে এবং শাহিন ইন্দুরকানী উপজেলার পাড়েরহাট এলাকার বাসিন্দা। তারা শ্যালক দুলাভাই ছিলেন।

পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সোবাহান জানিয়েছেন, এই দুর্ঘটনায় ২ জন নিহত হয়েছে। বাসটি জব্দ করা হয়েছে, কিন্তু চালক পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান চলছে এবং আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কে বাসচাপায় পথচারী নিহত

বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কের ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলার জুরকাঠি এলাকায় গত বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। সড়ক পারাপারের সময় যাত্রীবাহী একটি বাসে চাপা পড়ে মো. রাকিব হাওলাদার (২৪) নামে এক পথচারী নিহত হয়েছেন।

নিহত রাকিব দপদপিয়া ইউনিয়নের বীরনারায়ন এলাকার সেলিম হাওলাদারের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পটুয়াখালি থেকে আগত দোয়েল পরিবহন নামের একটি বাস জুরকাঠি এলাকায় রাকিব হাওলাদারকে চাপা দিলে তিনি গুরুতর আহত হন। দ্রুত উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।

নলছিটি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুস ছালাম জানিয়েছেন, “বাসচাপা দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ আগুন, শিশু নিহত

কক্সবাজারের টেকনাফে ২৬ নম্বর মোছনী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে এক শিশু নিহত হয়েছে, নিখোঁজ রয়েছে আরও দুইজন। বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) রাত ১১টার দিকে ক্যাম্পের জি-২ ব্লক থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়।

ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট এবং রোহিঙ্গা বাসিন্দাদের একঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসলেও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শতাধিক ঘর। তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ পরিসংখ্যান জানা যায়নি।

২৬ নম্বর ক্যাম্পের মাঝি মোঃ আয়াছ জানান, “রাতে হঠাৎ বাজারের পাশে আগুনের শিখা দেখা যায়, মুহূর্তেই আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।”

ক্যাম্পের সহকারী ইনচার্জ মোস্তাক আহমেদ বলেন, “ঘুমন্ত অবস্থায় মারা যাওয়া শিশুটির বয়স আনুমানিক ৫-৬ বছর। কীভাবে আগুন লেগেছে, তা তদন্ত করা হচ্ছে।”

এর আগেও, গত ২৪ ডিসেম্বর উখিয়ার ১ ডব্লিউ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ডে ৬০০ ঘর পুড়ে যায় এবং প্রাণ হারায় দুইজন।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



শীতে চুলের যত্নে গরম পানি কি নিরাপদ?

শীতকালে চুলের যত্ন নেওয়া বেশ চ্যালেঞ্জিং। এই সময় চুল পড়া, খুশকি, চুলের ডগা ভাঙা কিংবা চুল রুক্ষ্ম হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যায় ভুগতে হয় অনেককেই। এছাড়া গরম পানি দিয়ে চুল ধোয়ার ক্ষেত্রে অনেকেই দ্বিধায় পড়েন। অনেকের ধারণা, গরম পানি চুলের ক্ষতি করতে পারে। তবে এ নিয়ে বিজ্ঞান কী বলে?

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, গরম পানি চুলের কিউটিকল খুলে দেয়, যেখানে ময়লা জমে থাকে। গরম পানি ব্যবহারে কিউটিকল খুলে সেই ময়লা পরিষ্কার হয়ে যায়, যা চুলের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। তবে অতিরিক্ত গরম পানি ব্যবহার চুলের ক্ষতি করতে পারে। শ্যাম্পু করার সময় গরম পানি ব্যবহার করলেও পরে ঠান্ডা পানি দিয়ে কন্ডিশনার ধুয়ে ফেলা উচিত।

ঠান্ডা পানি কিউটিকল বন্ধ করে দেয়, যা চুলের গোড়া মজবুত করতে সাহায্য করে। এর ফলে চুল পরিষ্কার এবং শক্তিশালী হয়।

চুল ধোয়ার সঠিক নিয়ম
১. শ্যাম্পু করার আগে চুলে হালকা গরম পানি ব্যবহার করুন।
২. চুল ধোয়ার পর কন্ডিশনার ব্যবহার করুন এবং তা ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
৩. পুরোপুরি গরম পানি দিয়ে গোসল না করে শীতল ও গরম পানির মধ্যে ভারসাম্য রাখুন।

শীত হোক বা গ্রীষ্ম, চুল ধোয়ার সঠিক নিয়ম মেনে চললে চুল হবে আরও স্বাস্থ্যকর, মজবুত এবং সুন্দর।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




দাঁতের সঠিক যত্নে বিশেষজ্ঞ পরামর্শ

অনেকেই দাঁত থাকতে দাঁতের গুরুত্ব বুঝতে পারেন না। নিয়মিত এক বা দু’বার দাঁত ব্রাশ করলেও অনেকেই জানেন না, এটি যথেষ্ট নয়। দাঁতের পাশাপাশি মাড়ির যত্ন নেওয়াও সমান জরুরি। মাড়ি বা দাঁতের সমস্যার সঠিক চিকিৎসা না হলে তা তীব্র যন্ত্রণা ডেকে আনতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দাঁতের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে কিছু নিয়ম মেনে চলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

প্রথমত, দিনে দুইবার ব্রাশ করা আবশ্যক। সকালে ঘুম থেকে উঠে ও রাতে শোয়ার আগে ব্রাশ করা উচিত। তবে ব্রাশ করার নিয়ম ঠিকঠাক জানা প্রয়োজন। একটানা অনেকদিন একই ব্রাশ ব্যবহার করলে দাঁত পরিষ্কার হওয়ার পরিবর্তে ক্ষতি হতে পারে।

দ্বিতীয়ত, দাঁত ব্রাশ করার সময় খুব জোরে চেপে ব্রাশ করবেন না। বেশি জোরে ব্রাশ করলে দাঁতের এনামেল ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যা দাঁতে শিরশির ভাব সৃষ্টি করে।

সারাদিন খাবার খাওয়ার পর কিংবা চা-কফি পান করার পর মুখ কুলকুচি করা অভ্যাস করুন। এতে দাঁতে খাবারের অংশ আটকে থাকার ঝুঁকি কমে।

মাড়ি খোঁচানো বা অযথা দাঁতের গোড়া নিয়ে নাড়াচাড়া করা থেকে বিরত থাকুন। মাড়ি থেকে রক্ত পড়লে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

মাড়ি পরিষ্কার করতে হাতের আঙুল ও পরিষ্কার পানি ব্যবহার করুন। দেশলাই কাঠি দিয়ে দাঁত খোঁচানোর বদভ্যাস ত্যাগ করুন। প্রয়োজনে টুথপিক ব্যবহার করুন।

দাঁতের যেকোনো কেমিক্যাল ব্যবহারের আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

দাঁতে ব্যথা বা অস্বস্তি হলে নিজে থেকে ওষুধ না খেয়ে ডাক্তারের কাছে যান।

দাঁতের যত্নে সতর্কতা এখনই শুরু করুন। কারণ দাঁতের সঠিক যত্ন শুধু দাঁতের নয়, পুরো শরীরের সুস্থতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




বাংলাদেশে এইচএমপিভিতে আক্রান্ত নারীর মৃত্যু

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: দেশে হিউম্যান মেটানিউমোভাইরাস (এইচএমপিভি) আক্রান্ত নারীর মৃত্যু হয়েছে। তার নাম সানজিদা আক্তার, বয়স ৩০। মহাখালী সংক্রামক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে।

সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আরিফুল বাশার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ওই নারী গতকাল সন্ধ্যা ৭টায় মারা গেছেন। দেশে এইচএমপিভি শনাক্ত হওয়া কোনো ব্যক্তির মৃত্যুর তথ্য এটিই প্রথম। তবে তিনি যে এইচএমপিভি ভাইরাসের জন্যই মারা গেছেন, এমনটি বলা যাবে না। ওনার অন্য আরও শারীরিক জটিলতা ছিল, যার জন্য হঠাৎ করেই শারীরিক অবস্থা খারাপ হয়ে যায়।

তার আর কী কী জটিলতা ছিল জানতে চাইলে হাসপাতাল তত্বাবধায়ক বলেন, তিনি ক্লেবসিয়েলা নিউমোনিয়াতেও আক্রান্ত ছিলেন। এছাড়া তার কিডনি সমস্যা ছিল, সেইসাথে তিনি অনেক মোটা ছিলেন, যে কারণে তাকে ভেন্টিলেটরে ওঠানো যাচ্ছিল না। ভাইরাল নিউমোনিয়ার জন্যও সম্ভবত মারা যাননি, অনেকটা সুস্থও হয়ে গেছিলেন। কিন্তু পরবর্তী জটিলতার জন্য হয়তো সমস্যা হয়েছে।




শীতে সাইনাসের সমস্যা: কারণ ও সমাধান

শীতকালে সাইনাসের সমস্যা অনেক বৃদ্ধি পায়। ঠান্ডার কারণে সাইনাসে প্রদাহ সৃষ্টি হয়, যার ফলে নাক, চোখ, এবং মাথাব্যথা বেড়ে যায়। সাইনাসের সমস্যা তীব্র বা দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে, যা বিশেষ চিকিৎসার প্রয়োজন। দীর্ঘস্থায়ী সাইনোসাইটিসের জন্য সাধারণত অ্যান্টি বায়োটিকের ব্যবহার প্রয়োজন হয়।

সাইনাস সংক্রমণ সাধারণত ডাস্ট অ্যালার্জি, কেমিক্যাল বা ধোঁয়ার কারণে হয়ে থাকে। এর ফলে মাথাব্যথা, মুখে কোমলতা, সাইনাসে ব্যথা, কান, দাঁত ও গলা ব্যথা সহ আরও নানা উপসর্গ দেখা দেয়।

বিশেষ কিছু খাবার সাইনাসের সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে, যেমন ঠান্ডা পানীয়, ঠান্ডা খাবার, তৈলাক্ত বা ভাজাপোড়া খাবার। এসব খাবার এড়িয়ে চলা উচিত। তবে ভিটামিন এ সমৃদ্ধ খাবার সাইনাস সংক্রমণ প্রতিরোধে সহায়ক হতে পারে।

সাইনাস সমস্যা থেকে মুক্তির উপায়:

1. পানির ভাপ নিন:
সাইনাসজনিত যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে গরম পানির ভাপ নিন। পানির ভাপে পুদিনা পাতা যোগ করলে আরও কার্যকরী হবে, যা নাক পরিষ্কার করতে সহায়তা করবে।

2. পর্যাপ্ত পানি পান করুন:
শরীরের সঠিক হাইড্রেশন রক্ষা করতে বেশি পরিমাণে পানি পান করুন। পানি শ্লেষ্মাকে পাতলা করে সাইনাসের ব্যথা কমাতে সহায়তা করে।

3. আপেল সিডার ভিনেগারের পানি পান করুন:
আপেল সিডার ভিনেগারের পানি সাইনাস ব্যথা কমাতে সহায়ক। কিছুটা গরম পানিতে এটি মিশিয়ে পান করুন।

4. গরম স্যুপ পান করুন:
গরম স্যুপ খাওয়ার মাধ্যমে সাইনাসের ব্যথা কমানো যেতে পারে। এটি শরীরকে আরাম দেয় এবং সাইনাসকে পরিষ্কার করতে সহায়তা করে।

 

এই ঘরোয়া উপায়গুলো সাইনাসের ব্যথা এবং যন্ত্রণা থেকে দ্রুত মুক্তি দেয়। তবে যদি সমস্যা গুরুতর হয়, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




শীতে মাথাব্যথার কারণ ও প্রতিকার

শীতের ঠান্ডা আবহাওয়ায় অনেকেই মাথাব্যথায় ভোগেন, যা অনেক সময় অসহনীয় হয়ে ওঠে। তবে শীতে মাথাব্যথার পিছনে রয়েছে বেশ কিছু শারীরিক ও পরিবেশগত কারণ।

শীতে মাথাব্যথার কারণ:
শীতকালে মাথাব্যথার অন্যতম কারণ হলো সাইনাসের সমস্যা। ঠান্ডা বাতাসে সাইনাসে প্রদাহ দেখা দেয় এবং সাইনোসাইটিসের সৃষ্টি হতে পারে, যা চোখ ও মাথার চারপাশে চাপ সৃষ্টি করে ব্যথা বাড়ায়। এছাড়া শীতকালে পানি কম পান করার ফলে ডিহাইড্রেশন দেখা দেয়, যা মাথাব্যথার প্রধান কারণ হতে পারে।

ঠান্ডা আবহাওয়ায় রক্তনালিগুলো সংকুচিত হয়ে রক্ত প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়, ফলে মস্তিষ্কে রক্তের প্রবাহ কমে গিয়ে মাথাব্যথা হয়। এর পাশাপাশি শীতকালে সূর্যের আলো কম পাওয়ার কারণে ভিটামিন ডি ঘাটতিজনিত টেনশন হেডেক দেখা দেয়। নাসাল কনজেশনের জন্য শ্বাসপ্রশ্বাসে সমস্যা হলে অক্সিজেনের অভাবে মাথাব্যথা হতে পারে।

শীতে মাথাব্যথার প্রতিকার:

1. পর্যাপ্ত পানি পান করে শরীরকে ডিহাইড্রেশনমুক্ত রাখুন।

2. সাইনাস সমস্যায় গরম পানির ভাপ নিন।

3. শীতের তীব্রতা থেকে বাঁচতে গরম কাপড় ব্যবহার করুন।

4. ভিটামিন ডি’র ঘাটতি পূরণে সূর্যের আলো গ্রহণ করুন।

5. গুরুতর মাথাব্যথা হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

 

শীতকালে সঠিক যত্ন নিলে এই ধরনের মাথাব্যথা থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




হিউম্যান মেটাপনিউমোভাইরাস: সতর্ক থাকুন, সুস্থ থাকুন

২০০১ সালে প্রথম শনাক্ত হওয়া হিউম্যান মেটাপনিউমোভাইরাস (এইচএমপিভি) আবারও জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। শ্বাসযন্ত্রের এই ভাইরাসটি সব বয়সের মানুষের জন্য বিপজ্জনক। এটি শ্বাসতন্ত্রের ফোঁটার মাধ্যমে ছড়ায়, তাই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। এই ভাইরাসের বিস্তার রোধে নিচের বিষয়গুলো মেনে চলুন—

প্রথমত, হাত পরিষ্কার রাখা অপরিহার্য। সাবান ও পানি দিয়ে কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড ধরে হাত ধুতে হবে। হাত ধোয়ার সুযোগ না থাকলে অ্যালকোহল-বেইজড স্যানিটাইজার ব্যবহার করুন। অপরিষ্কার হাত দিয়ে মুখ, নাক বা চোখ স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন।

দ্বিতীয়ত, মাস্ক পরার অভ্যাস গড়ে তুলুন। মাস্ক ভাইরাস ছড়ানোর ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমায়। নাক ও মুখ সম্পূর্ণ ঢেকে রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করুন এবং হাঁচি-কাশির সময় মাস্ক ব্যবহার করুন।

তৃতীয়ত, রেসপিরেটরি ম্যানার্স অনুসরণ করুন। হাঁচি বা কাশির সময় টিস্যু বা কনুই দিয়ে মুখ ঢাকুন। ব্যবহৃত টিস্যু দ্রুত নির্দিষ্ট বিনে ফেলুন এবং পরে হাত স্যানিটাইজ করুন।

চতুর্থত, বারবার স্পর্শ করা জিনিসপত্র পরিষ্কার করুন। দরজার হাতল, স্মার্টফোন, কীবোর্ডের মতো জিনিসগুলো জীবাণুনাশক দিয়ে নিয়মিত পরিষ্কার করুন।

পঞ্চমত, অসুস্থ ব্যক্তিদের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন। শ্বাসকষ্টের কোনো লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন এবং অন্যদের সুরক্ষার জন্য নিজেকে আলাদা রাখুন।

ষষ্ঠত, অসুস্থ হলে বাড়িতে থাকুন। জ্বর, কাশি বা শ্বাসকষ্ট হলে কাজ, স্কুল বা জনবহুল স্থান থেকে দূরে থাকুন এবং দ্রুত চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

সবশেষে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখুন। সুষম খাদ্যাভ্যাস, পর্যাপ্ত তরল গ্রহণ এবং নিয়মিত ব্যায়ামের মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ান।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম