ডেঙ্গু কেড়ে নিল আরও ১৪ প্রাণ, নতুন ভর্তি ২৭৫১

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ১৪ জন মারা গেছেন। এরমধ্যে রাজধানীতে ১০ জন এবং ঢাকা সিটির বাইরে ৪ জন।
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে নতুন ভর্তি হয়েছেন ২ হাজার ৭৫১ জন। এর মধ্যে ঢাকা মহানগরীতে ১ হাজার ১১৯ জন এবং ঢাকা মহানগরীর বাইরে বিভিন্ন হাসপাতালে ১ হাজার ৬৩২ জন।
আজ স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়ে বলা হয়, বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ৯ হাজার ৫৭২ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে।
ঢাকার ৫৩টি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে বর্তমানে ৪ হাজার ৬৫২ এবং ঢাকার বাইরে অন্যান্য বিভাগে ভর্তি রয়েছে ৪ হাজার ৯২০ জন রোগী।
এতে আরো বলা হয়, এ বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সারা দেশে এ পর্যন্ত ৬৯ হাজার ৪৮৩ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকায় ৩৬ হাজার ৭২০ এবং ঢাকার বাইরে ৩২ হাজার ৭৬৩ জন। এদিকে এ বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সারাদেশে এ পর্যন্ত ৩২৭ জন মারা গেছেন।
অন্যদিকে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ৫৯ হাজার ৫৮৪ জন। এর মধ্যে ঢাকায় ৩১ হাজার ৮১০ এবং ঢাকার বাইরে বিভিন্ন স্থানে সুস্থ হয়েছেন ২৭ হাজার ৭৭৪ জন।
গত ২৪ ঘন্টায় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ২ হাজার ৫১২ জন। এর মধ্যে ঢাকায় ১ হাজার ৬২ জন এবং ঢাকার বাইরে বিভিন্ন স্থানে সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৪৫০ জন।




ডায়াবেটিসের ওপর জাতীয় গাইড লাইন প্রকাশ করেছে সরকার

দেশে প্রথমবারের মতো  ডায়াবেটিসের ওপর জাতীয় গাইড লাইন প্রকাশ করেছে সরকার। গতকাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নন-কমিউনিকেবল ডিজিজ কন্ট্রোল প্রোগ্রাম রাজধানীতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ন্যাশনাল গাইডলাইন অন  মেলাইটাস নামে এই নীতিমালা প্রকাশ করে।

গাইডলাইনটি তৈরীতে বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতি ও জাইকা বাংলাদেশ সার্বিক সহায়তা প্রদান করেছে।

এসময় নন-কমিউনিকেবল ডিজিজ কন্ট্রোল প্রোগ্রাম এর লাইন ডাইরেক্টর অধ্যাপক ডা. মো. রোবেদ আমিন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইন্টারন্যাশনাল ডায়াবেটিস ফেডারেশন এর প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক আকতার হোসেন, বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক এ কে আজাদ খান, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. শরফুদ্দিন আহমেদ, সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এনায়েত হোসেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব জনাব মো. সাইদুর রহমান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) ডা. রাশেদা সুলতানাসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবির, জাইকা বাংলাদেশের সিনিয়র প্রতিনিধি জনাব কোমোরি তাকাসিসহ দেশের বিভিন্ন চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের দুইশত জন চিকিৎসক।
অনুষ্ঠানের প্রথমভাগে, গাইডলাইনটির সঙ্গে যুক্ত বিশেষজ্ঞগণ গাইডলাইনটির বিভিন্ন অংশ উপস্থাপন করেন এবং দ্বিতীয় অংশে, একটি বর্ণিল অনুষ্ঠানের মাধ্যমে গাইডলাইনটির মোড়ক উম্মোচনের শেষে উপস্থিত অতিথিগণ গাইডলাইনটি নিয়ে তাদের মতামত প্রদান করেন।
বিশেষজ্ঞগণ বলেন গাইডলাইনটি বাংলাদেশের চিকিৎসকদের মান উন্নয়নে যেমন সহযোগিতা করবে তেমনি দেশে উন্নতমানের ডায়াবেটিস সেবা ও সচেতনতা কার্যক্রম বাড়াতে সমর্থ হবে। ফলে দেশের ১ কোটি ৩১ লক্ষ ডায়াবেটিক রোগী ও তাদের পরিবারের মানুষজনই শুধুউপকৃত হবেন না, কমে আসবে স্বাস্থ্য বাজেটের উপর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ আর্থিক চাপ, সমভাবে উপকৃত হবে দেশের সকল মানুষ।

অধ্যাপক রোবেদ আমিন জানান প্রিন্ট কপির পাশাপাশি অনলাইন অ্যাপেও গাইডলাইনটি পাওয়া যাবে।




বরিশালে ছাদ থেকে পড়ে তৃতীয় শ্রেনীর মাদ্রাসা ছাত্রীর মৃত্যু

বরিশাল অফিস: বরিশাল নগরীর ২৩ নং ওয়ার্ড বসুন্ধরা হাউজিং এলাকার তিন তলা বাসার ছাদ থেকে পড়ে আহত মাদ্রাসা ছাত্রী মাইশার মৃত্যু হয়েছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার কিশোরী মাইশা আব্দুল্লাহর মৃত্যু হয়। সে নগরীর রুপাতলী হাউজিং এলাকার আরিয়ান কটেজের ভাড়াটিয়া বাসিন্দা ঔষধ ব্যবসায়ী আব্দুল্লাহ আল মামুনের কন্যা।

এ ঘটনায় মাইশার খালা বাদী হয়ে তিন জনকে আসামী করে বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানায় অভিযোগ করেছেন । মাইশা রুপাতলী উকিল বাড়ী সড়কের জান্নাতুল বকুল মহিলা আলিয়া মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেনীর ছাত্রী ছিলো।

তার পরিবার সুত্রে জানা গেছে, গত তিনদিন ধরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর মৃত্যু হয় মাইশার। তার লাশের সোমবার ময়না তদন্ত করা হবে। পরে বাকেরগঞ্জের চরামদ্দি ইউনিয়নের সঠিখোলায় জানাজা ও দাফন করা হবে।

অভিযোগে বলা হয়, আরিয়ান কটেজের দ্বিতীয় তলার ভাড়াটিয়া ছিলো মাইশা ও তার পরিবার। আরিয়ান কটেজের মালিক শাহনাজ পারভীন ও সেতারা বেগম গত ৩ আগষ্ট মাইশাকে ডেকে তিন তলার সানসেটের উপর পড়ে থাকা জুতা এনে দিতে বলে। পাশের ভবন হানিম নিবাসের তাহারাতের ওই জুতা আনতে মাইশাকে কার্নিশে নামতে বলে। কিন্তু কার্নিশে পানি থাকায় মাইশা প্রথমে নামতে চায়নি। তাকে জোর করে কার্নিশে নামিয়ে দেয়। সেখানে পা পিছলে মাইশা নিচে পড়ে। এতে তার দুইটি পা ভেঙ্গে যায়। এছাড়াও লিভার ফেটে গিয়েছে।

বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার ওসি আনোয়ার হোসেন বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে পরবর্তি ব্যবস্থা নেয়া হবে।




ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরো ১০ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ২ হাজার ৭৬৪ জন

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরো ১০ জন মারা গেছেন। এরমধ্যে ৭ জন ঢাকার এবং ৩ জন ঢাকার বাইরের। এ নিয়ে জানুয়ারি থেকে আজ পর্যন্ত  সর্বমোট ৩১৩ জন ডেঙ্গু রোগী মারা গেছেন। এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২ হাজার ৭৬৪ জন।
আজ স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। খবর বাসস।
এতে বলা হয়, বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ৯ হাজার ৩শ’ ৪৭ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এরমধ্যে ঢাকায় ৪ হাজার ৬০৫জন এবং ঢাকার বাইরে ৪ হাজার ৭৪২ জন। এ বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সারাদেশে ৬৬ হাজার ৭৩২ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকায় ৩৫ হাজার ৬০১ এবং ঢাকার বাইরে ৩১ হাজার ১৩১ জন। এদিকে এ বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ঢাকায় ২৪৮ জন এবং ঢাকার বাইরে ৬৫ জন মারা গেছেন।
অন্যদিকে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৭২ জন। এর মধ্যে ঢাকায় ৩০ হাজার ৭৪৮ এবং ঢাকার বাইরে বিভিন্ন স্থানে সুস্থ হয়েছেন ২৬ হাজার ৩২৪জন। গত ২৪ ঘন্টায় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ২ হাজার ৭৪১ জন।  এর মধ্যে ঢাকায় ১১৪৬ জন এবং ঢাকার বাইরে বিভিন্ন স্থানে সুস্থ হয়েছেন ১৫৯৫ জন।




পিরাজপুরের হাসপাতালগুলোতে প্রতিদিনই বাড়ছে ডেঙ্গু রোগী: ভর্তি আছে ৬০ জন

এস এম পারভেজ (পিরোজপুর): জেলার ৭ উপজেলায় আবার ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে।

সিভিল সার্জন অফিস জানায়, রবিবার পর্যন্ত জেলা হাসপাতাল ও বিভিন্ন উপজলা স্বাস্থ্য কমপ্লক্সে ডেঙ্গু রোগী ভর্তি আছে ৬০ জন। এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে ১৪৫ জন। নেছারাবাদ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সবচেয়ে বেশী ভর্তি আছে ৩১ জন।

পিরোজপুর জেলা হাসপাতালের হাসপাতালর আবাসিক চিকিৎসক (আরএমও) ডা. নিজাম উদ্দিন জানান, প্রতিদিনই রোগী বাড়ছ, তবে আমরা নিজেরা সচেতন না হলে শুধুমাত্র চিকিৎসকের কাছে নিয়ে আসলেই হবেনা।




ডেঙ্গু কেড়ে নিল আরও ১০ প্রাণ, মৃত্যুর সংখ্যা ৩০০ ছাড়ালো

ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৪৯৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১০৬৯ জন আর ঢাকার বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৪২৬ জন। একইসঙ্গে এসময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। ফলে মোট মৃত্যু তিনশ ছাড়িয়ে গেছে।

শনিবার (৫ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে মোট ৯৩৩৪ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন আছেন। ঢাকার সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে বর্তমানে ৪৬৮০ জন। অন্যান্য বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ৪৬৫৪ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন।

চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সারা দেশে এখন পর্যন্ত ৬৩ হাজার ৯৬৮ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকায় ৩৪ হাজার ৫২৩ জন এবং ঢাকার বাইরে চিকিৎসা নিয়েছেন ২৯ হাজার ৪৪৫ জন।

আক্রান্তদের মধ্যে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫৪ হাজার ৩৩১ জন। ঢাকায় ২৯ হাজার ৬০২ এবং ঢাকার বাইরে ২৪ হাজার ৭২৯ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।




ডেঙ্গুতে আরও ১০ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৭৫৭

ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯৩ জনে। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক হাজার ৭৫৭ জন। এর আগে গত ৩০ জুলাই একদিনে দুই হাজার ৭৩১ জন হাসপাতালে ভর্তি হন, যা একদিনে এ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।

শুক্রবার (৪ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের ইনচার্জ মো. জাহিদুল ইসলামের সই করা ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, বৃহস্পতিবার (৩ আগস্ট) সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক হাজার ৭৫৭ জন। তাদের মধ্যে ঢাকার বাসিন্দা ৮৯২ জন ও ঢাকার বাইরের ৮৬৫ জন। এছাড়া ২৪ ঘণ্টায় মৃত ১০ জনের মধ্যে আটজন ঢাকার বাসিন্দা।
দুইজন ঢাকার বাইরের বাসিন্দা বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৪ আগস্ট পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ৬১ হাজার ৪৭৩ জন। তাদের মধ্যে ঢাকার বাসিন্দা ৩৩ হাজার ৪৫৪ জন। ঢাকার বাইরের হাসপাতালগুলোতে ভর্তি হয়েছেন ২৮ হাজার ১৯ জন। একই সময়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৫২ হাজার ১৫৪ জন। তাদের মধ্যে ঢাকার বাসিন্দা ২৮ হাজার ৬৫২ জন এবং ঢাকার বাইরের ২৩ হাজার ৫০২ জন।

এর আগে ২০২২ সালে ডেঙ্গুতে দেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ ২৮১ জন মারা যান।

 




বরিশাল বিভাগে ভর্তি ২১০ ডেঙ্গুরোগী, শেবাচিমে বৃদ্ধার মৃত্যু

বরিশাল বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এ বিভাগে মোট ১২ জনের মৃত্যু হলো।

এছাড়া বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে একই সময়ে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত আরও ২১০ জন রোগী চিকিৎসাসেবা নিতে ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে ৬ জেলার সরকারি বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা দাঁড়ালো ৮৬১ জন।

বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের তথ্যানুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে বকুল রাণী নামে ৭০ বছরের এক বৃদ্ধা বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে। তিনি বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার ঘোড়ারপাড় এলাকার বাসিন্দা বলে জানিয়েছেন বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মণ্ডল।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় সব থেকে বেশি ৭০ জন বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

এছাড়া ৩৫ জন পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে এ দুই হাসপাতালে বর্তমানে ২৭০ জন ডেঙ্গুরোগী চিকিৎসাধীন।

বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের তথ্যানুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত বরিশাল বিভাগের হাসপাতালগুলোতে ছয় হাজার ৩৭৬ ডেঙ্গুরোগী ভর্তি হয়েছেন। আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন পাঁচ হাজার ৫০৩ জন।

এদিকে চলতি বছর গোটা বিভাগে বারোজন ডেঙ্গুরোগীর মৃত্যু হয়েছে। যারমধ্যে বরিশাল শের ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৯ জন, বরগুনা হাসপাতালে ১ জন এবং ভোলা সদরের ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে।




ডেঙ্গুতে প্রাণহানি আরও ১০, ২৫৮৯ জন হাসপাতালে ভর্তি

ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২৫৮৯ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১১০১ জন, আর ঢাকার বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৪৮৮ জন। একইসঙ্গে এই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে মোট ৯২১০ হাজার জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন আছেন। ঢাকার সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে বর্তমানে ৪৬৫০ জন। অন্যান্য বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ৪৫৬০ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন।




ঢাকায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি ‘স্থিতিশীল’ থাকলেও বাড়ছে বাইরে

রাজধানীতে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ‘স্থিতিশীল’ থাকলেও ঢাকার বাইরে আক্রান্তের হার বাড়ছে।
হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু রোগীর চাপ থাকলেও প্রতিটি হাসপাতালে পর্যাপ্ত সংখ্যক বেড এখনো ফাঁকা রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২ আগস্ট পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৫৭ হাজার ১২৭ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছিলেন। এদের মধ্যে সুস্থ্য হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন ৪৭ হাজার ৫২৯ জন।

ঢাকার ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা স্থিতিশীল থাকলেও ঢাকার বাইরে আক্রান্তের হার বাড়ছে। ডেঙ্গু থেকে বাঁচতে সচেতনতার ওপর জোর দেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মূখপাত্র।