ডেঙ্গু কেড়ে নিল আরও ১০ প্রাণ, নতুন ভর্তি ১৯৮৪

চন্দ্রদীপ নিউজ ডেস্ক : সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় (সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে আরও ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৪২৬ জনের মৃত্যু হলো।

এ ছাড়া ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ১ হাজার ৯৮৪ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৭৩১ জন, আর ঢাকার বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১২৫৩ জন।

মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে মোট ৯ হাজার ১১৭ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন আছেন। ঢাকার সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে বর্তমানে ৪ হাজার ১০ জন এবং অন্যান্য বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ৫ হাজার ১০৭ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন।

চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সারা দেশে এখন পর্যন্ত ৮৯ হাজার ৮৭৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকায় ৪৪ হাজার ৩৯৬ জন এবং ঢাকার বাইরে চিকিৎসা নিয়েছেন ৪৫ হাজার ৪৭৯ জন।

আক্রান্তদের মধ্যে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৮০ হাজার ৩৩২ জন। ঢাকায় ৪০ হাজার ৬৩ এবং ঢাকার বাইরে ৪০ হাজার ২৬৯ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।




দিনে ৪ হাজার ধাপ হাটঁলেই কমবে মৃত্যু ঝুকিঁ

চন্দ্রদীপ নিউজ ডেস্ক:  শরীর সুস্থ রাখতে হাঁটার বিকল্প নেই। এতোদিন বলা হতো যদি আপনি দৈনিক ১০ হাজার পদক্ষেপ ফেলতে পারেন তবে এর চেয়ে ভালো আর কিছু হতে পারে না। কিন্তু নতুন একটি গবেষণা বলছে, ফিট এবং সুস্থ থাকতে প্রতিদিন চার হাজার কদম হাঁটাই যথেষ্ট।

ইউরোপীয় জার্নাল অব প্রিভেন্টিভ কার্ডিওলজিতে প্রকাশিত ওই গবেষণায় দেখা গেছে, দিনে দুই হাজার ৩৩৭ ধাপ হাঁটলে কার্ডিওভাসকুলার রোগে মৃত্যুর ঝুঁকি অর্ধেকে নেমে আসে। এছাড়া দিনে কমপক্ষে তিন হাজার ৯৬৭ কদম হাঁটলে যে কোনো কারণে মৃত্যুর ঝুঁকি কমতে শুরু করে।

সারাবিশ্বে পরিচালিত ১৭টি গবেষণা থেকে দুই লাখ ২৬ হাজার ৮৮৯ জন অংশগ্রহণকারীর কাছ থেকে নতুন তথ্য পাওয়া গেছে। এসব গবেষণা বলছে, হাঁটার পরিমাণ বাড়ার সাথে সাথে স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে। আপনি প্রতি ৫০০ থেকে এক হাজার কদম হাঁটলে যে কোনো রোগ বা কার্ডিওভাসকুলার রোগ থেকে আপনার মৃত্যুর সম্ভাবনা নাটকীয়ভাবে হ্রাস পায়।

পোল্যান্ডের মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটি অব লজের গবেষক এবং ম্যাকিয়েজ বানাচের নেতৃত্বে পরিচালিত জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটি স্কুল অব মেডিসিনের কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ প্রতিরোধের জন্য সিকারোন সেন্টারের গবেষকরা এ তথ্য জানিয়েছেন। তা দেখেছেন যে মানুষ প্রতিদিন ২০ হাজার কদম হাঁটলে স্বাস্থ্যের ঝুঁকি অনেকটাই হ্রাস পায়। অধ্যাপক বানাচ বলেন, গবেষণা থেকে জানতে পেরেছি যে, যত হাঁটবেন তত আপনি ভালো থাকতে পারবেন।

তিনি বলেন, এটি পুরুষ এবং মহিলা উভয়ের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। এমনকি বয়স বা আপনি বিশ্বের যে কোনো প্রান্তে, যে কোনো অঞ্চলে বা জলবায়ুতেই বসবাস করেন না কেনো এটা সবার জন্য একি। এছাড়া আমাদের বিশ্লেষণ থেকে আমরা এমনটা ইঙ্গিত পেয়েছি যে কোনো কারণে হওয়া মৃত্যু উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে এবং কার্ডিওভাসকুলার রোগ থেকে মৃত্যু কমাতে দিনে চার হাজার কদমের মতো হাঁটা প্রয়োজন।

বিভিন্ন তথ্য থেকে এটা দেখা গেছে যে, অলস জীবনযাপন কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁকি বাড়ায় এবং আয়ু কমাতে পারে। সমীক্ষা অনুসারে, বিশ্বের সমীক্ষা অনুসারে, বিশ্বের জনসংখ্যার এক চতুর্থাংশেরও বেশি মানুষ পর্যাপ্ত শারীরিক ব্যায়ামের সঙ্গে যুক্ত নয়।

বিশ্বব্যাপী মৃত্যুর যেসব সাধারণ কারণ রয়েছে সে ক্ষেত্রে অপর্যাপ্ত শারীরিক কার্যকলাপের কারণে মৃত্যুকে চতুর্থ স্থানে তালিকাভুক্ত করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। করোনা মহামারির কারণে শারীরিক কার্যকলাপের মাত্রা হ্রাস পেয়েছে এবং এই অবস্থার এখনও কোনো উন্নতি হয়নি।




ভোলায় আরও ২৪ জন ডেঙ্গু রোগী ভ‌র্তি

মোঃ তৈয়বুর রহমান (ভোলা): জেলায় দিন দিন বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ‌্যা। গত ২৪ ঘন্টা ডেঙ্গু‌তে আক্রান্ত হ‌য়ে সদর হাসপাতা‌লে ২৪ জন রোগী ভ‌র্তি হ‌য়ে‌ছেন। এছাড়াও হাসপাতা‌লে আগে থেকে ভ‌র্তি হ‌য়ে চি‌কিৎসা নি‌চ্ছেন ৫৯ জন রোগী।

এ‌দিকে, ডেঙ্গু রোগী‌দের চি‌কিৎসার জন‌্য সকল সামগ্রী পর্যপ্ত পরিমানে র‌য়ে‌ছে ব‌লে জা‌নি‌য়েন ভোলা সদর হাসপাতা‌লের তত্ত্বাবধায়ক ডা: ম‌নিরুল ইসলাম।

[contact-form][contact-field label=”Name” type=”name” required=”true” /][contact-field label=”Email” type=”email” required=”true” /][contact-field label=”Website” type=”url” /][contact-field label=”Message” type=”textarea” /][/contact-form]

ভোলা জেলা প্রতিনিধি




ডেঙ্গুতে প্লাটিলেট কমে যাওয়ার আতংক

চন্দ্রদীপ নিউজ ডেস্ক:  ডেঙ্গু জ্বর হলে প্লাটিলেট নিয়ে দুশ্চিন্তার শেষ থাকে না। শুধু যে ডেঙ্গুর কারণেই প্লাটিলেট কমে, তা কিন্তু নয়। নানা কারণেই এটি কমতে পারে। অনেক সময় দেখা যায়, প্লাটিলেট কাউন্ট ৫০ হাজারের নিচে নামলে রোগীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।

প্লাটিলেট কমলেই যে প্লাটিলেট দিতে হবে, সেটাও ঠিক নয়। প্লাটিলেট দিলেই রোগী সুস্থ হয়ে উঠবে, এমনটিও নয়। আবার ডেঙ্গুতে প্লাটিলেট ঠিক থাকলেই রোগী ভালো, দুশ্চিন্তামুক্ত তা-ও নয়। কেবল রক্তক্ষরণের চিহ্ন দেখা দিলে এবং প্লাটিলেট কাউন্ট ২০ হাজারের নিচে নামলে অথবা রক্তক্ষরণ নেই, কিন্তু প্লাটিলেট ১০ হাজারের নিচে নামলে রোগীকে ক্ষেত্রবিশেষে প্লাটিলেট দেওয়া হয়।

প্লাটিলেট পাঁচ হাজারের নিচে নেমে গেলে ব্রেন, কিডনি, হার্টে রক্তক্ষরণের আশঙ্কা থাকে। তবে ডেঙ্গুতে প্লাটিলেট কমে নয়, বরং রোগী মারা যায় ডেঙ্গু শক সিনড্রোমে। অর্থাৎ ডেঙ্গু ভাইরাসের সৃষ্ট প্রদাহের কারণে রক্তনালিগুলো আক্রান্ত হয়। রক্তনালির গায়ে যে ছোট ছোট ছিদ্র থাকে, সেগুলো বড় হয়ে যায়। তা দিয়ে রক্তের জলীয় উপাদান বা রক্তরস বের হয়ে আসে। এতে রক্তচাপ কমে যায়।

এই পরিস্থিতিতে রোগীকে পর্যাপ্ত ফ্লুইড বা তরল দিতে হবে। এই তরল মুখে খাওয়ানো বা শিরায় দেওয়া যেতে পারে। তবে খুবই সতর্কতার সঙ্গে ও মেপে শিরায় স্যালাইন দিতে হবে। এ জন্য নির্দিষ্ট নির্দেশিকা আছে।

মনে রাখতে হবে, প্লাটিলেট কমে যাওয়া কোনো মেডিকেল ইমারজেন্সি নয়। অর্থাৎ প্লাটিলেট কমে যাওয়া মাত্রই রোগী রক্তক্ষরণ হয়ে হঠাৎ মারা যাবে না। প্লাটিলেট কমলে শরীরে একধরনের মাইনর ক্যাপিলারি ব্লিডিং বা ত্বকের নিচে রক্তক্ষরণ হয়ে থাকে।

পরামর্শ দিয়েছেন ডা. মোহাম্মদ আজিজুর রহমান।

 

 




ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশে আরও ১২ জনের মৃত্যু। আক্রান্ত ২৯৫৯

বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত (একদিনে) ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশে আরও ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। একইসঙ্গে এই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ২৯৫৯ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১০৯৭ জন আর ঢাকার বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৮৬২ জন।

বৃহস্পতিবার (১০ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে মোট ৯ হাজার ৭৯০ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন আছেন। ঢাকার সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে বর্তমানে ৪ হাজার ৪৬০ জন এবং অন্যান্য বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ৫ হাজার ৩৩০ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন।

চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সারা দেশে এখন পর্যন্ত ৭৮ হাজার ২৮ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকায় ৩৯ হাজার ৯১১ জন এবং ঢাকার বাইরে চিকিৎসা নিয়েছেন ৩৮ হাজার ১১৭ জন।




গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ১২ জনের মৃত্যু

২৪ ঘণ্টায় দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ১২ জন মারা গেছেন। এরমধ্যে রাজধানীতে ৭ জন এবং ঢাকা মহানগরীর বাইরে ৫ জন রয়েছে।

আর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে নতুন রোগী  ভর্তি হয়েছেন ২ হাজার ৮৪৪ জন। এর মধ্যে ঢাকা মহানগরীতে ১ হাজার ৯২ জন এবং ঢাকা মহানগরীর  বাইরে বিভিন্ন হাসপাতালে ১ হাজার ৭৫২ জন রয়েছে।

আজ স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে একথা জানানো হয়।

এতে আরও বলা হয়, বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ৯ হাজার ৪২৭ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে।

ঢাকার ৫৩টি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে বর্তমানে ৪ হাজার ৪২১ এবং ঢাকার বাইরে অন্যান্য বিভাগে ভর্তি রয়েছে ৫ হাজার ৬ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী।
এতে বলা হয়, এ বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সারা দেশে এ পর্যন্ত ৭৫ হাজার ৬৯ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকায় ৩৮ হাজার ৮১৪ জন এবং ঢাকার বাইরে ৩৬ হাজার ২৫৫ জন। এদিকে এ বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সারাদেশে এ পর্যন্ত  ৩৫২ জন মারা গেছেন।
অন্যদিকে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ৬৫ হাজার ২৯০ জন। এর মধ্যে ঢাকায় ৩৪ হাজার ১১৭ জন এবং ঢাকার বাইরে বিভিন্ন স্থানে সুস্থ হয়েছেন ৩১ হাজার ১৭৩ জন।
গত ২৪ ঘন্টায় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ২ হাজার ৮৬৮ জন। এর মধ্যে ঢাকায় ১ হাজার ৯২ জন এবং ঢাকার বাইরে বিভিন্ন স্থানে সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৭৫২ জন।




ওজন কমানোর ওষুধ হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায় : নভো নরডিস্ক

ফার্মা গ্রুপ নভো নরসডিস্কের স্থুলতার ওষুধ ‘ওয়েগোভি’ হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি এক পঞ্চমাংশ কমাতে সক্ষম হয়েছে। কোম্পানিটি মঙ্গলবার এক ঘোষণায় বলেছে, এরফলে তাদের শেয়ারের দামও অনেক বেড়ে গেছে।

প্রাথমিকভাবে গবেষণায় দেখা যায়, এই ওষুধ ওজন কমানোর ক্ষেত্রে ইতিবাচক কাজ করে। পরবর্তীতে ওষুধটি ব্যাপক জনগোষ্ঠীর মনোযোগ আকর্ষণ করে।

এই ওষুধের কার্যকারিতা পরীক্ষা করে দেখার জন্য ৪৫ বছর বয়সের ১৭,৬০৪ জনকে বেছে নেওয়া হয় এবং তাদেরকে এলোমেলোভাবে ইনজেকশনের মাধ্যমে না হয় মুখে খাওয়ার একটি ওষুধ দেওয়া হয়। পাঁচ বছরের মধ্যে এই ওষুধ ব্যবহার করা হয়।

নভো নরডিস্কের এক বিবৃতিতে বলা হয়, এই ওষুধ ব্যবহার করার পর দেখা যায়, তাদের স্ট্রোক, এবং হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যু ২০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।

ট্রায়ালের বিস্তারিত ফলাফল এই বছরের শেষের দিকে বিজ্ঞান বিষয়ক একটি সম্মেলনে তুলে ধরা হবে। এতে আরো বলা হয়, তারা ২০২৩ সালের মধ্যে ওষুধটির বাজারজাত করনের জন্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদনের আবেদন করবেন।

কোম্পানিটির এমন ঘোষণায় কোপেনহেগেন স্টক এক্সচেঞ্জে নভো নরডিস্কের শেয়ারের দাম ১৭ শতাংশ বেড়ে যায়।

কোম্পানির উন্নয়ন বিষয়ক নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট মার্টিন হোলস্ট র‌্যাঞ্জ বলেন, ‘আমারা এই ওষুধের ফলাফলের ব্যাপারে খুব উৎফুল্ল।’

এদিকে চিকিৎসকরা নভো নরডিস্কের ওষুধের এমন ফলাফলকে স্বাগত জানিয়েছেন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, স্থুলতার চিকিৎসা নিয়ে বিশ্বের ওষুধ কোম্পানিগুলোর মধ্যে ব্যাপক প্রতিযোগিতা রয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী বিশ্বের একশ’ কোটিরও বেশি মানুষ স্থুলতায় ভুগছে।




চুল উঠে যাচ্ছে? ৫ ঘরোয়া টোটকায় ভরসা রাখলে চুল গজাবে দ্রুত

টাক পড়ে যাওয়া আটকাতে অনেকেই নানা রকম চেষ্টা করে থাকেন। বাজারচলতি নানা প্রসাধনী ব্যবহার করেন। তবে ঘরোয়া কিছু টোটকায় ভরসা রাখলে উপকার পেতে পারেন।

মানসিক উদ্বেগ, দৈনন্দিন জীবনের অনিয়ম, পর্যাপ্ত খাওয়াদাওয়া না করা, সঠিক যত্নের অভাব— এমন বেশ কিছু কারণ চুল ঝরার নেপথ্যে থাকে। অনেকেই টাক পড়ে যাওয়া নিয়ে অস্বস্তিতে ভোগেন। তবে টাক পড়ে যাওয়ার কারণ যা-ই হোক, তা নিয়ে বেশি ভাবলে চলবে না। বরং কোন টোটকায় চুল গজাবে, তা ভাবা জরুরি। টাক পড়ে যাওয়া আটকাতে অনেকেই নানা রকম চেষ্টা করে থাকেন। বাজারে চলতি নানা প্রসাধনী ব্যবহার করেন। তবে ঘরোয়া কিছু টোটকায় ভরসা রাখলে উপকার পেতে পারেন।

তেল মালিশ: চুলহীন মাথায় তেল মালিশ করা নিয়ে অনেকেরই অস্বস্তি হতে পারে। তবে অস্বস্তি কাটিয়ে যদি নিয়মিত মাথায় তেল মালিশ করা যায়, তা হলে কিন্তু টাক মাথায় চুল গজাতে বেশি দিন লাগবে না।

অ‍্যালোভেরা: ত্বকের যত্নে অ্যালো ভেরার উপকারিতা কমবেশি সকলেরই জানা। কিন্তু টাক পড়ে যাওয়ার সমস্যা রুখতেও যে অ্যালো ভেরার ভূমিকা রয়েছে, তা হয়তো অনেকেই জানেন না। পাতা থেকে জেল বার করে মাথার ত্বকে লাগাতে পারেন। ঘণ্টাখানেক পরে ধুয়ে নিন। উপকার পাবেন।

ওমেগা ফ্যাটি অ্যাসি়ড:  সব চুলে উঠে গিয়ে একেবারে টাক পড়ে যাক, তা না চাইলে ব্যবহার করতে পারেন ওমেগা ফ্যাটি অ্যাসিড। ক্যাপসুল বাজারে কিনতে পাওয়া যায়। সপ্তাহে ৩-৪ দিন ব্যবহার করলে চুল ধীরে ধীরে গজাতে শুরু করবে।

পেঁয়াজের রস:  চুল ঝরা বন্ধ করতে পেঁয়াজের রস ফলদায়ক। অনেকেই ব্যবহার করে সুফল পেয়েছেন। তাই টাক পড়ে যাওয়ার আগের পরিস্থিতিতে ভরসা রাখতে পারেন পেঁয়াজের রসের উপর।

পাতিলেবু:  নারকেল তেলের সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে একটি মিশ্রণ বানিয়ে নিন। শ্যাম্পু করার আগে এই মিশ্রণটি মাথায় মেখে কিছু ক্ষণ অপেক্ষা করুন। অল্প কয়েক বার ব্যবহার করে ছেড়ে দিলে চলবে না। ধৈর্য ধরে ব্যবহার করুন। উপকার পাবেন।




ডেঙ্গুতে ১৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২৭৪২

সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত  অর্থাৎ গত ২৪ ঘন্টায়  ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে নতুন করে ২৭৪২ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১০০২ জন আর ঢাকার বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৭৪০ জন।

আজ মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে মোট ৯ হাজার ৪৬৩ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন আছেন। ঢাকার সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে বর্তমানে ৪ হাজার ৪৮২ জন এবং অন্যান্য বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ৪ হাজার ৯৮১ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন।

চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সারা দেশে এখন পর্যন্ত ৭২ হাজার ২২৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকায় ৩৭ হাজার ৭২২ জন এবং ঢাকার বাইরে চিকিৎসা নিয়েছেন ৩৪ হাজার ৫০৩ জন।

আক্রান্তদের মধ্যে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৬২ হাজার ৪২২ জন। ঢাকায় ৩২ হাজার ৯৭১ এবং ঢাকার বাইরে ২৯ হাজার ৪৫১ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত ৩৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে।




পিরোজপুরে ডেঙ্গুতে প্রথম মৃত্যু, হাসপাতালে বাড়ছে রোগী, ২৪ ঘটায় ভর্তি ৪৫ জন

এস এম পারভেজ (পিরোজপুর):  জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলায় ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।এটাই হচ্ছে পিরোজপুরে ডেঙ্গুতে প্রথম মৃত্যু। সিভিল সার্জন সুত্র জানায়,  গত ২৪ ঘটায় জেলায় ৪৫ রোগী ভর্তি হয়েছে। জেলা হাসপাতাল ও বিভিন্ন উপজলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি আছে ১৪০ জন  রোগী। নেছারাবাদ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সবচেয়ে বেশী ভর্তি আছে ৩৫ জন।  এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন ১ হাজার ২ জন।

জেলা হাসপাতালের চিকিৎসক (আরএমও) ডা. নিজাম উদ্দিন জানান, প্রতিদিনই রোগী বাড়ছে, তবে নিজেরা সচেতন না হল শুধুমাত্র চিকিৎসকের কাছে নিয়ে আসলেই হবে না। এদিকে, শহরের বিভিন্ন ফামের্সীতে আইভি স্যালাইনের কৃত্রিম সঙ্কট তৈরি করে মূল্য বদ্ধি করছে ব্যবসায়ীরা।