যুক্তরাষ্ট্রে ফের বাড়তে শুরু করেছে করোনা সংক্রমণ

চন্দ্রদীপ ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রে ফের বাড়তে শুরু করেছে করোনা সংক্রমণ। গত আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত দেশটির ৫০টি অঙ্গরাজ্যের অন্তত ৯টিতে কোভিড সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি পরিলক্ষিত হচ্ছে।

এই অঙ্গরাজ্যগুলোর মধ্যে ৫টি’র সংক্রমণ বৃদ্ধির হার দেশটির বর্তমান গড় সংক্রমণ বৃদ্ধির হারের তুলনায় অন্তত ৫ শতাংশ বেশি। এই ৫ অঙ্গরাজ্য হলো হলো টেক্সাস, ওকলাহোমা, নিউ মেক্সিকো, লুইসিয়ানা এবং আরকানসাস। এর মধ্যে সম্প্রতি টেক্সাসের রাজ্য প্রশাসন সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি ঠেকাতে পুনরায় মাস্কবিধি জারি করেছে বলে জানা গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ সংস্থা শুক্রবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, গত আগস্ট মাসের মাঝামাঝি দেশটিতে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির শতকরা হার ছিল ১দশমিক ৪ শতাংশ। কিন্তু মাসের শেষে টেক্সাস, ওকলাহোমা, নিউ মেক্সিকো, লুইজিয়ানা এবং আরকানসাস ব্যতীত দেশটির অন্যান্য অঙ্গরাজ্যগুলোতে এই হার বেড়ে পৌঁছায় ১৫ শতাংশে। আর একই সময়ে এই পাঁচ রাজ্যে সংক্রমণ বৃদ্ধির হার ছিল ২০ দশমিক ৮ শতাংশ।

এছাড়া নেভাদা, হাওয়াই, ক্যালিফোর্নিয়া এবং অ্যারিজোনাতেও সংক্রমণবৃদ্ধির হার ১৬ দশমিক ১ শতাংশ।

সিডিসির তথ্য অনুসারে, যুক্তরাষ্ট্রে করোনা সংক্রমণের এই ঊর্ধ্বগতির জন্য দায়ী প্রধানত ভাইরাসের দু’টি ভ্যারিয়েন্ট ইজি পয়েন্ট ৫ এবং বিএ পয়েন্ট ২ পয়েন্ট ৮৬। শুক্রবার এক বিবৃতিতে মার্কিন রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ সংস্থা জানিয়েছে, গত ১৯ থেকে ২৬ আগস্ট ৭ দিনে করোনায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৭ হাজারেরও বেশি রোগী।

যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ সংস্থা শুক্রবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, গত আগস্ট মাসের মাঝামাঝি দেশটিতে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির শতকরা হার ছিল ১দশমিক ৪ শতাংশ। কিন্তু মাসের শেষে টেক্সাস, ওকলাহোমা, নিউ মেক্সিকো, লুইজিয়ানা এবং আরকানসাস ব্যতীত দেশটির অন্যান্য অঙ্গরাজ্যগুলোতে এই হার বেড়ে পৌঁছায় ১৫ শতাংশে। আর একই সময়ে এই পাঁচ রাজ্যে সংক্রমণ বৃদ্ধির হার ছিল ২০ দশমিক ৮ শতাংশ।

এছাড়া নেভাদা, হাওয়াই, ক্যালিফোর্নিয়া এবং অ্যারিজোনাতেও সংক্রমণবৃদ্ধির হার ১৬ দশমিক ১ শতাংশ।

সিডিসির তথ্য অনুসারে, যুক্তরাষ্ট্রে করোনা সংক্রমণের এই ঊর্ধ্বগতির জন্য দায়ী প্রধানত ভাইরাসের দু’টি ভ্যারিয়েন্ট ইজি পয়েন্ট ৫ এবং বিএ পয়েন্ট ২ পয়েন্ট ৮৬। শুক্রবার এক বিবৃতিতে মার্কিন রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ সংস্থা জানিয়েছে, গত ১৯ থেকে ২৬ আগস্ট ৭ দিনে করোনায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৭ হাজারেরও বেশি রোগী।




ডেঙ্গুতে আরও ১৪ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ২১১৫

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ:  ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে প্রতিদিনই বাড়ছে মৃত্যুর মিছিল। মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত (একদিনে) ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নতুন করে আরও ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। একইসঙ্গে এই সময়ে ডেঙ্গু শনাক্ত হয়ে ২১১৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। নতুন শনাক্তদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৮৩৩ জন, আর ঢাকার বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১২৮২ জন।

বুধবার (৬ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সারা দেশে এখন পর্যন্ত ১ লাখ ৩৮ হাজার ২২ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছে। এর মধ্যে ঢাকায় ৬৩ হাজার ২৭৩ জন এবং ঢাকার বাইরে চিকিৎসা নিয়েছে ৭৪ হাজার ৭৪৯ জন।

আক্রান্তদের মধ্যে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ১ লাখ ২৮ হাজার ২২৪ জন। ঢাকায় ৫৮ হাজার ৮৪১ এবং ঢাকার বাইরে ৬৯ হাজার ৩৮৩ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে।

চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত ৬৭১ জনের মৃত্যু হয়েছে।




পিরোজপুরের কাউখালী হাসপাতালে এক বেডে একাধিক রোগী

বরিশাল অফিস:  পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের চাপ খুব বেশি। ফলে এক বেডে দুইজন করে রোগী থাকছে। বর্তমানে অস্থায়ী ভবনে স্বাস্থ্য সেবার কাজ চলছে। পুরাতন ভবনটি ভেঙ্গে নতুন ভবনের কাজ চলছে। মঙ্গলবার সকালে কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, হাসপাতালে রোগীদের চাপ খুব বেশি। বর্তমানে জ্বর ও ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বেশি।

অস্থায়ী ভবনে মাত্র ভর্তিকৃত ২০ জন রোগী থাকার ব্যবস্থা আছে। এর বিপরীতে ৪৩ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি আছে। ফলে এক একটি বেডে দুই থেকে তিনজন রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন। এক্ষেত্রে রোগীদের চিকিৎসা নিতে খুবই সমস্যা হচ্ছে। হাসপাতালের বেডে কোনমতে একজন রোগী থাকা যায়। চিকিৎসা নিতে আশা রোগী রানু বেগম (৩৫) ও ইয়াসিন হোসেন (৫০) বলেন, আমরা এক বেডে দুইজন করে রোগী থাকি। ফলে আমাদের সেবা নিতে খুবই সমস্যা হচ্ছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার দীপ্ত কু- জানান, আমরা সাধ্যমত রোগীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছি। অস্থায়ী ভবনে রোগীদের বেডের সমস্যার কারণে মাঝে মাঝে একটি বেডে দুইজন রোগী থাকার ব্যবস্থা করতে হচ্ছে। আশা করি নতুন ভবন হলে আমাদের সকল সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।




ডেঙ্গু: ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল বিভাগে ভর্তি ৩৭৪, মৃত্যু-১

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ:  গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল বিভাগে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে গোটা বিভাগে মোট ৪৯ জনের মৃত্যু হলো। এছাড়া বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে একই সময়ে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত আরো ৩৭৪ জন রোগী চিকিৎসাসেবা নিতে ভর্তি হয়েছেন। আর এ নিয়ে গোটা বিভাগের ৬ জেলার সরকারি বিভিন্ন হাসপাতালে বর্তমানে ১ হাজার ৪৯ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের তথ্যানুযায়ী, গত ২৪ ঘন্টায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার কাঠালতলি এলাকার লালবড়ু (৬০) নামে এক নারী স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন বলে জানিয়েছেন বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ডা. শ্যামল কৃষ্ণ ম-ল।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ৩৭৪ জন ডেঙ্গুরোগীর মধ্যে ৭৭ জন বরিশাল শের ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এছাড়া ৩০ জন পটুয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে এ দুই হাসপাতালে বর্তমানে ৩১৬ জন ডেঙ্গুরোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এছাড়া বরিশাল জেলার অন্যান্য হাসপাতালে ৮৩ জন, পটুয়াখালীতে ৫৭ জন, ভোলায় ৪১ জন, পিরোজপুরে ৫৮, বরগুনায় ২৬ ও ঝালকাঠিতে ২ জন ডেঙ্গুরোগী ভর্তি হয়েছেন। বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের তথ্যানুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত বরিশাল বিভাগের হাসপাতালগুলোতে পনের হাজার ৩৩২ ডেঙ্গুরোগী ভর্তি হয়েছেন। আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন চৌদ্দ হাজার ২৩৪ জন।

এদিকে চলতি বছর গোটা বিভাগে উনপঞ্চাশ জন ডেঙ্গুরোগীর মৃত্যু হয়েছে। যারমধ্যে বরিশাল শের ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩০ জন, পটুয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১ জন, বরিশাল জেলার অন্যান্য হাসপাতালে ২ জন, বরগুনায় হাসপাতালে ৪ জন, পটুয়াখালীতে ১ জন, পিরোজপুরের হাসপাতালে ৪ জন এবং ভোলায় হাসপাতালে ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।




এক রাত ঠিকমতো না ঘুমালে যে ক্ষতি হয়

কাউকে কম ঘুমাতে দিয়ে এবং কাউকে পর্যাপ্ত ঘুমাতে দিয়ে বিজ্ঞানীরা পরীক্ষা করেছেন। পেয়েছেন দারুণ শিহরণ জাগানিয়া তথ্য। নিউরোসাইন্টিস্ট ম্যাথু ওয়াকারের ভিডিও অবলম্বনে এই তথ্য নিয়ে লিখেছেন মো: লতিফুর রহমান।

১. যারা কম ঘুমায় তাদের স্মৃতি তৈরি হয় না। বিশেষ করে বাচ্চারা রাতে কম ঘুমালে পড়া ভুলে যায়। অনেকটা কম্পিউটারে কাজ করার পর ফাইল সেভ না করার মতো।

২. আমরা দৈনন্দিন অনেক কিছু ভুলে যায় কিন্তু পুরানো স্মৃতি মনে রাখতে পারি। এজন্য দরকার শর্ট টার্ম স্মৃতিকে লং টার্মে কনভার্ট করা। কিন্তু ঘুম কম হলে এখানেও সমস্যা হয়। ব্রেইনের হিপোকমপাস নামক মেমরি ইনবক্সে নতুন স্মৃতি প্রবেশ করে না।

৩. এক রাত কম ঘুমালে পর দিন ব্রেইনের কর্মক্ষমতা কমে যায় ৪০%।

৪. শরীরে রয়েছে ন্যাচারাল কিলার সেল। এরা ভাইরাস ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে গোয়েন্দা সংস্থার মতো ভুমিকা পালন করে। এক রাত ঠিক মতো না ঘুমালে এটার উৎপাদন কমে যায় ৭০%। ফলে ওই সময় রোগ-ব্যাধীতে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

৫. কোষের ডিএনএ-র মধ্যে থাকে জিন। এরা বিভিন্ন শারিরীক প্রতিক্রিয়া ঘটানোর জন্য দায়ী। ঘুম এলোমেলো হলে এদের কেউ সক্রিয় হয় এবং কেউ হয় নিস্ক্রিয়। যেমন- ঘুম কম হলে ন্যাচারাল কিলার সেলের জিন নিস্ক্রিয় হয়ে পড়ে। আর টিউমার ও ক্যানসারের জিন সক্রিয় হয়।

তাই বলা যায়, বংশগত রোগ বলে কিছু নেই। মূলত আছে বংশের অভ্যাস। বাবার অভ্যাস অনুসরণ করে ছেলেরও একই রোগ হয়েছে।

৬. কম ঘুমালে পুরুষের টেস্টকল ছোট হয়ে যায় এবং টেস্টটেরন কমে যায়। যৌন ক্ষমতা কমে যায় দশ গুন। অর্থাৎ অকালে পুরুষের বয়স বেড়ে যায় ১০ বছর।

৭. মেয়েদের বাচ্চা উৎপাদন ক্ষমতা মারাত্নক কমে যায়। হরমোন এলোমেলো হওয়ার প্রভাবে তাদের স্বভাব চরিত্র হয়ে পড়ে পুরুষের মতো মাসিকে সমস্যা দেখা দেয়।

৮. নারী পুরুষ উভয়ের হার্টঅ্যাটাকের ঝুঁকি বেড়ে যায়। বলা নাই কওয়া নাই হুট করে কেউ কেউ মরে যায়।

৯. স্বপ্ন দেখা ভালো। তার মানে আপনি গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন ছিলেন। যেদিন কেউ স্বপ্ন দেখেছে তার ওপর পরীক্ষা চালিয়ে দেখা গেছে তার জ্ঞান বুদ্ধি আগের তুলনায় বেড়েছে।

১০. ঘুমের বড়ি খেয়ে ঘুমালে উপকার পাওয়া যায় না। এছাড়া কারো সহযোগিতা ছাড়া নিজ থেকে ঘুম থেকে ওঠা ভালো।

১১. ঘুমের উপকারী সময় হচ্ছে রাত ৯টা থেকে সুবহে সাদিক পর্যন্ত। অর্থাৎ ভোর ৫টা। দেরি করে ঘুমিয়ে দেরি করে উঠে ৮ ঘণ্টা ঘুমালে একই ফায়দা পাওয়া যায় না। কারণ কোয়ালিটি ঘুম হওয়া উচিত। অর্থাৎ যেই ঘুমের সময় শরীরে উপকারী হরমোন ও এনজাইম নিসৃত হয় সেটা লাগবে।

১২. প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমানো এবং একই সময়ে ঘুম থেকে উঠার অভ্যাস করা খুবই উপকারী।

১৩. কৃত্রিম আলো ও কৃত্রিম শব্দ নেই এমন স্থানে ঘুমাতে হবে। এমনকি চার্জারের মিটিমিটি আলো নিভায়ে ফেলতে হবে। ঘুমানোর আগে হালকা গরম পানিতে গোসল করা উত্তম। রাতের খাবার খেতে হবে সন্ধ্যার সময়। আর বিকালের পরে চা, কফি বা এজাতীয় উত্তেজক কিছু খাওয়া যাবে না।

১৪. ঘুমের কাজা আদায় হয় না। পরে বেশি ঘুমিয়ে কখনই আয়ু বাড়ানো যায় না। এজন্য বর্তমানে অকালে মৃত্যু বেড়ে গিয়েছে।




ডেঙ্গুতে আরও ১২ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২৮২৩

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ:  সারাদেশে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এসময় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন দুই হাজার ৮২৩ জন ডেঙ্গুরোগী। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৪৬ জনে। অন্যদিকে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে বর্তমানে চিকিৎসাধীন আছেন আট হাজার ৬৯ জন ডেঙ্গুরোগী।

সোমবার (৪ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের ইনচার্জ মো. জাহিদুল ইসলাম সই করা ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, রোববার (৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা থেকে সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া দুই হাজার ৮২৩ জনের মধ্যে ঢাকার বাসিন্দা এক হাজার পাঁচজন এবং ঢাকার বাইরের এক হাজার ৮১৮ জন।

অন্যদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ১২ জনের মধ্যে ঢাকার বাসিন্দা চারজন, ঢাকার বাইরের আটজন।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন মোট এক লাখ ৩৩ হাজার ১৩৪ জন। তাদের মধ্যে ঢাকার বাসিন্দা ৬১ হাজার ৪৮৯ জন আর ঢাকার বাইরের ৭১ হাজার ৬৪৫ জন।

গত ১ জানুয়ারি থেকে ৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্তদের মধ্যে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন এক লাখ ২৩ হাজার ৪১৯ জন। তাদের মধ্যে ঢাকার বাসিন্দা ৫৬ হাজার ৯৬৯ জন এবং ঢাকার বাইরের ৬৬ হাজার ৪৫০ জন।

২০২২ সালে ডেঙ্গুতে ২৮১ জন মারা যান। ওই বছরের শেষ মাস ডিসেম্বরে ডেঙ্গুতে ২৭ জনের মৃত্যু হয়। একই সঙ্গে আলোচ্য বছরে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন ৬২ হাজার ৩৮২ জন।

২০২০ সালে করোনা মহামারিকালে ডেঙ্গু সংক্রমণ তেমন একটা দেখা না গেলেও ২০২১ সালে সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হন ২৮ হাজার ৪২৯ জন। একই বছর দেশব্যাপী ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ১০৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ২০২২ সালে ২৮১ জন, ২০২১ সালে ১০৫ জন, ২০২০ সালে সাতজন ও ২০১৯ সালে ১৭৯ জনের মৃত্যু হয়।




ডেঙ্গুতে ১৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ২৬০৮

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : শনিবার সকাল ৮টা থেকে রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত (একদিনে) ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। একইসঙ্গে এই সময়ে ডেঙ্গু শনাক্ত হয়ে ২৬০৮ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। নতুন শনাক্ত রোগীদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৮৯২ জন, আর ঢাকার বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৭১৬ জন।

রোববার (৩ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে মোট ৮ হাজার ৮৪৫ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন আছেন। এর মধ্যে ঢাকার সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে বর্তমানে ৩ হাজার ৯২৮ জন এবং অন্যান্য বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ৪ হাজার ৯১৭ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন।

চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সারা দেশে এখন পর্যন্ত ১ লাখ ৩০ হাজার ৩০২ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকায় ৬০ হাজার ৪৮৪ জন এবং ঢাকার বাইরে চিকিৎসা নিয়েছেন ৬৯ হাজার ৮১৮ জন।

আক্রান্তদের মধ্যে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ লাখ ২০ হাজার ৮২৩ জন। ঢাকায় ৫৬ হাজার ৯২ এবং ঢাকার বাইরে ৬৪ হাজার ৭৩১ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।




পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল খাবার জোটে না অর্ধেক রোগীর ভাগ্যে

মো. আল-আমিন (পটুয়াখালী): গত শনিবার ভর্তি হইছি। এখন পর্যন্ত সকালের নাস্তা অথবা ভাত কিছুই পাই নাই। একদিন ভাতের জন্য গেছিলাম কিন্তু ওই বুড়া ব্যাডায় যে খারাপ ব্যবহার করছে, সরমে আইয়া পড়ছি। পরে কয়ডা মুড়ি ভিজাইয়া খাইয়া ওষুধ খাইছি। হেইপর হইতে হোটেল দিয়া ভাত কিন্যা খাই।’

পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা ৬৫ বছর বয়সী রেণু বেগম এভাবেই হাসপাতালের খাবার সরবরাহ নিয়ে তার অনুভূতি ব্যক্ত করেন।

পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ঘুরে দেখা যায়, হাসপাতালে ভর্তি হওয়াদের মধ্যে আংশিক রোগীরা খাবার পাচ্ছেন। আর বাকি রোগীদের বাইরে থেকে খাবার কিনে খেতে হচ্ছে। অনেক রোগী দরিদ্র পরিবারের হওয়ায় বাইরে থেকে ওষুধ কেনার পাশাপাশি বাড়তি টাকা খরচ করে খাবার কিনতে হিমশিম খাচ্ছেন।

মির্জাগঞ্জ উপজেলা থেকে চিকিৎসা নিতে আশা আশরাফ গাজী নামে এক রোগী জানান, হাসপাতালে ভর্তি থাকলেও অনেক ওষুধ বাইরের ফার্মেসি থেকে কিনতে হয়। ওষুধ কেনার পাশাপাশি তিনবেলা বাইরে থেকে খাবার কিনে খাওয়াটা তাদের জন্য অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তাই দুপুরে বনরুটি আর সকালে মুড়ি খেয়ে ওষুধ খাচ্ছেন। গত চারদিন হাসপাতালে ভর্তি থাকলেও তারা খাবার পাননি।

পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, মূলত ২৫০ শয্যা পটুয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের অবকাঠামো এবং বরাদ্দ দিয়েই চলছে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্বিক কার্যক্রম। প্রতিদিন হাসপাতালে গড়ে সাড়ে ৫০০ থেকে ৬০০ রোগী ভর্তি থাকছেন। এসব ভর্তি থাকা রোগীদের মধ্যে ২৫০ জন রোগী খাবার পাচ্ছেন আর বাকি রোগীরা খাবার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

এদিকে রোগীদের অভিযোগ, হাসপাতাল থেকে সরবরাহ করা খাবারের মানও ভালো না। খাবার সরবরাহের দায়িত্বে খাকা ব্যক্তিরা বিভিন্ন সময় রোগীদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহারও করেন।

এসব বিষয়ে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. দিলরুবা ইয়াসমীন লিজা বলেন, আমরা মূলত ২৫০ জন রোগীর বিপরীতে যে বরাদ্দ থাকছে তা দিয়েই হাসপাতালের সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনা করছি। এর ফলে অনেক রোগীকে খাবার দেওয়া সম্ভব হয় না। বিষয়টি আমাদের জন্যও বিব্রতকর। তবে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৫০০ শয্যার প্রশাসনিক অনুমোদন এবং বরাদ্দ পেলে সকল রোগীকেই খাবার সরবরাহ করা সম্ভব হবে।




চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃত্যু ৬০০ ছুঁই ছুঁই

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : দেশে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে ৪ জন মারা গেছেন। একই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও ১ হাজার ৫৩৪ জন।

এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মোট ৫৯৭ জন মারা গেলেন। আর ডেঙ্গুতে এ বছর এ পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ লাখ ২৫ হাজার ৩৪২ জন।

শুক্রবার গণমাধ্যমে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এসব তথ্য জানিয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে মোট ৮ হাজার ৩৪৮ জন ডেঙ্গুরোগী চিকিৎসাধীন আছেন। ঢাকার সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে বর্তমানে ৩ হাজার ৮১৮ জন এবং অন্যান্য বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ৪ হাজার ৫৩০ জন ডেঙ্গুরোগী ভর্তি রয়েছেন।

চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সারা দেশে এখন পর্যন্ত ১ লাখ ২৫ হাজার ৩৪২ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকায় ৫৮ হাজার ৬১০ জন এবং ঢাকার বাইরে চিকিৎসা নিয়েছেন ৬৬ হাজার ৭৩২ জন।

আক্রান্তদের মধ্যে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ লাখ ১৬ হাজার ৫৯৩ জন। ঢাকায় ৫৪ হাজার ৩৫৩ এবং ঢাকার বাইরে ৬২ হাজার ৪৪ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।




বরিশালে ঘরে ঘরে জ্বর, ভোগান্তিতে শিশু ও বৃদ্ধরা

এস এল টি তুহিন (বরিশাল): ঘরে ঘরে বাড়ছে জ্বর-সর্দি ও কাশির রোগী আক্রান্ত হয়ে প্রথমে এলাকার ফার্মেসি থেকে ওষুধ কিনে সেবন করলেও অনেকেই তাতে সুস্থ না হয়ে শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল ও জেনারেল সদর হাসপাতালের বহির্বিভাগে রোগীরা দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এতে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন শিশু ও বৃদ্ধরা।

চিকিৎসকরা বলেন, ঠান্ডা লাগা, পেটে সংক্রমণ, ফুসফুসে সংক্রমণ, রক্ত স্বল্পতা হলেও জ্বর হয়। ঋতু পরিবর্তন, ভাইরাল ইনফেকশন বা অন্য বড় রোগের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় কারো কারো জ্বর হয়।

জানা যায়, বরিশালের প্রতিটি ঘরে গত এক সপ্তাহ থেকে ঠান্ডা জ্বর ও সর্দির প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। আক্রান্তরা জ্বরের পাশাপাশি সর্দি, কাশি, মাথাব্যাথা, গলাব্যাথায় ভুগছেন। বাড়িতে প্রাথমিক চিকিৎসা নিলেও এই জ্বর কমপক্ষে ১ সপ্তাহ ভোগাচ্ছে। কেউ কেউ আবার একাধিকবার জ্বরে আক্রান্ত হয়েছে।

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা আলম হোসেন বলেন, আমার পার্শ্ববর্তী ফার্মেসি থেকে ওষুধও খেয়েছি কিন্তু জ্বর কমে নায় ঠান্ডা জ্বরে অনেক ভুগছি তাই ডাক্তার দেখাত এখানে আসছি ।

বরিশাল জেনারেল সদর হাসপাতালের আবাসিক সার্জন মলয় কৃষ্ণ বড়াল বলেন, জ্বরে আক্রান্ত হলে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। প্রতিদিন ঠান্ডা, উপসর্গগুলো নিয়ে অনেকেই আসে ডেঙ্গু হলেও সব জ্বর ডেঙ্গু নয়।

বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যালের পরিচালক ডা. সাইফুল ইসলাম বলেন, মেডিক্যালের বহির্বিভাগে প্রতিদিনই বাড়ছে জ্বরসহ বিভিন্ন উপসর্গ নিয়ে আসা রোগীদের ভিড়। জ্বরসহ যে কোনো উপসর্গে প্রথমেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ সেবন করা উচিত ।