ডেঙ্গু প্রতিরোধে যেসব সচেতনতা প্রয়োজন 




ডিলিট করা ছবি এক মিনিটে ফিরে পাবেন এই ৩ উপায়ে




মহাকাশের যে গ্রহে পচা ডিমের দুর্গন্ধ, বৃষ্টির মতো ঝরে পড়ে কাচ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: কয়েক বছর আগে সৌরজগতের বাইরে একটি নতুন গ্রহের সন্ধান পান মহাকাশ বিজ্ঞানীরা। সেই এক্সোপ্ল্যানেট অর্থাৎ বহির্গ্রহের গঠন বৃহস্পতি গ্রহের মতো হলেও তার আলাদা কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এই গ্রহ থেকে অনবরত পচা ডিমের মতো দুর্গন্ধ বের হয়। শুধু তা-ই নয়, গ্রহে বৃষ্টির মতো ঝরে পড়ে কাচ।



গ্রামে ডুপ্লেক্স বাড়ি বানাচ্ছেন পিএসসির উপ-পরিচালক আবু জাফর : প্রশ্নফাঁস

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: বিসিএসের প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) উপ-পরিচালক মো. আবু জাফর নিজ গ্রামে নির্মাণ শুরু করেছিলেন ডুপ্লেক্স বাগান বাড়ি। আর সে কারণেই নিজ এলাকায় কিনেছিলেন ৬০ শতাংশ জমি। এমনটাই জানিয়েছেন আবু জাফরের নিজ এলাকা পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার কলাগাছিয়া ইউনিয়নের মিয়া বাড়ির আশেপাশের লোকজন।

বাংলাদেশ রেলওয়ের উপসহকারী প্রকৌশলীসহ বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসে জড়িত অভিযোগে গত রোববার ও সোমবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে পিএসসির দুজন উপ-পরিচালক, দুজন সহকারী পরিচালকসহ ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

আটককৃতদের মধ্যে একজন পিএসসির উপ-পরিচালক মো. আবু জাফর মিয়া। যার গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার কলাগাছিয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের মিয়া বাড়ি।

গলাচিপার কলাগাছিয়া ইউপির ২নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা আবু জাফর এলাকায় তেমন একটা আসা যাওয়া ছিল না। এ কারণে নিজ গ্রামের অনেকেই তাকে ভালোভাবে চেনেন না। বিশেষ ক্ষেত্রে মাঝেমধ্যে বাড়িতে গেলেও থাকতেন ৬নং ওয়ার্ডের কল্যাণকলস গ্রামের শ্বশুরবাড়িতে। বয়স্ক অনেকেই চিনলেও যুবসমাজ তাকে তেমন একটা চিনেন না। কথাবার্তায় তাকে খুব ভালো মানুষ হিসেবেই জানতেন গ্রামের পরিচিত ব্যক্তিরা। তবে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়ার বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকার সকলেই বিস্মিত ও লজ্জিত।

আরো পড়ুন : মহিপুরে উচ্ছেদ অভিযানে ভেঙে দিলো অবৈধ স্থাপনা

কলাগাছিয়া গ্রামের কুমারখালী বাজারে আবু জাফরের বিষয়ে জানতে চাইলে বাজারের কাছেই সীমানাপ্রাচীর দেয়া বাগান বাড়ির আদলে ছাদ ঢালাই দেয়া বাড়িটি দেখিয়ে দেন। এর বাইরে এ গ্রামে কিছু আছে বলে জানেন না তবে ঢাকায় তার কি পরিমান সম্পদ আছে তা গ্রামবাসী জানেন না এমনটাই বলছিলেন বাজারে আসা ষাটোর্ধ আবুল মিয়া।

কলাগাছিয়া কুমারখালী বাজার এলাকায় আবু জাফরের ৬০ শতাংশ জমির ওপর নির্মাণাধীন বাড়ির সামনে গেলে দেখা যায়, সীমানাপ্রাচীর দেয়া নির্মাণাধীন বাগান বাড়ির চারিদিকে ঝোপঝাড়ে ভরা। বাড়ির প্রবেশমুখে গেট ও ভেতরে বাগানবাড়ির আদলে নির্মাণের কাজ শুরু করে ছাদ ঢালাই পর্যন্ত দেয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে কলাগাছিয়া ইউপির চেয়ারম্যান মো. মাইনুল ইসলাম বলেন, আবু জাফরের বাড়ি আর আমার বাড়ি কাছাকাছি। তাদের পুরোনো বাড়ি নদীভাঙনে বিলীন হওয়ার পর চার-পাঁচ বছর আগে কলাগাছিয়া কুমারখালী বাজার এলাকায় ৬০ শতাংশ জমি কিনে নতুন বাড়ির নির্মাণ কাজ শুরু করেন। বাড়ি নির্মাণে ধীরগতি হওয়ায়র কারণ জানতে চাইলে বাড়িটি বড় করে নির্মাণ করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন আবু জাফর। এমটাই বলছেন এই ইউপি চেয়ারম্যান।

ইউপি চেয়ারম্যান আরও জানান, আবু জাফরের নিজ এলাকায় এর বাইরে তেমন সম্পদ নেই। যদি থাকে তা অন্যত্র থাকতে পারে। আবু জাফর তেমন একটা এলকায় আসেন না। এমন একটা জঘন্য ঘটনার সঙ্গে তিনি যুক্ত থাকবে এমনটা আমরা আশা করিনি। এতে আমরা লজ্জিত।

কলাগাছিয়া গ্রামের মিয়া বাড়ির ছোট্ট একটি ঘরে অভিযুক্ত আবু জাফরের ভাই মো. জালাল মিয়ার কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে এ বিষয়ে তিনি কোন কথা বলতে রাজী হননি।

অন্যদিকে প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে গ্রেপ্তারের ঘটনার বিষয়ে আবু জাফরের শ্যালক আমিন উদ্দিনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আবু জাফর তেমন লোক নয়। সে প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে না। হয়তো তাকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে জড়ানো হয়েছে।

কলাগাছিয়া মিয়া বাড়ি মসজিদের সভাপতি ও অভিযুক্ত আবু জাফরের দূর সম্পর্কের চাচা মো. আউয়াল মিয়া জানান, আবু জাফর ছোট বেলা হইতে এলাকায় আল্লেনা। ওর বোনেইর লগে খুলনায় থাইক্কা লেখাপড়া করছে। ওইখানে বড় হইছে। তবে বাড়িতে না আইলেও এই মসজিদে থাকা এতিমের জন্য মাঝেমধ্যে টাকা পাঠাইতো।




শিশুর খাবারে অ্যালার্জি আছে বুঝবেন যেভাবে




খালের বাঁধ কাটলো প্রশাসন – চাষযোগ্য হলো ৭০০ একর জমি

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নে সরকারি খালে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ করছে প্রভাবশালী একটি মহল। এতে কৃষি কাজ নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছে ওই ইউনিয়নের প্রায় তিন শতাধিক কৃষকপরিবার। মুষলধারা বৃষ্টিতে তিন গ্রামের ৭শ একর আবাদি কৃষিজমিতে ৩ ফুট পানি জমে রয়েছে। খালে বাঁধ দেওয়ার কারণে জমানো পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় কৃষিকাজ নিয়ে দুর্বিষহ অবস্থায় কৃষক পরিবারগুলো। স্থানীয়দের মাধ্যমে পানি নিষ্কাশনে প্রতিকার না পেয়ে উপজেলা পরিষদ চত্বরে প্রশাসনের সহায়তা চেয়ে মানববন্ধন করেছে দুই শতাধিক কৃষক।

এ নিয়ে রোববার (৭ জুলাই) Chandradip News24 .com অনলাইনে ‘ পটুয়াখালী সরকারি খালে অবৈধ বাঁধ, ৩ গ্রামের ৭শ একর জমি পানিবন্দি ’ শিরোনামে সংবাদ প্রচারিত হয়। সংবাদ প্রচারের পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজানুর রহমানের নির্দেশনায় চরমোন্তাজ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপ-পরিদর্শক নাজমুল হাসানের নেতৃত্বে সরকারি খালে প্রভাবশালীদের অবৈধ বাঁধগুলো গত রোব ও সোমবার কেটে অবমুক্ত করা হয়।

আরো পড়ুন : পটুয়াখালীতে রথযাত্রা থেকে মোবাইল চোর চক্রের ৪ সদস্য আটক

জানা গেছে, চরমোন্তাজ ইউনিয়নের উত্তর চরমোন্তাজসহ ৩টি গ্রামের মাঝ দিয়ে বয়ে যাওয়া খালটি মণ্ডল স্লুইচ খালের সাথে সংযুক্ত। দীর্ঘদিন ধরে ওই খালে প্রভাবশালী একটি মহল ১০-১২ টি বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ করছে। যার ফলে ওই গ্রামের প্রায় ৭শ একর আবাদি জমি পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে। এ কারণে বন্ধ রয়েছে চাষাবাদ।

চরমোন্তাজ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক নাজমুল হাসান জানান, উত্তর চরমোন্তাজ গ্রামের মধ্য যে খালটি রয়েছে সেখানে কয়টি অবৈধ বাঁধ ছিল। বাঁধের কারণে পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় কৃষি জমি তলানো ছিল। ইউএনওর নির্দেশ ও গনমাধ্যমে সংবাদ দেখে স্থানীয় জনসাধারণকে নিয়ে খালের বাঁধ কেটে অবমুক্ত করা হয়েছে।

কৃষকরা বলছেন, দীর্ঘদিন এই খালে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ করে আসছে একটি প্রভাবশালী মহল। এবছরও একই চিত্র ছিল। কিন্তু ইউএনও এবং সাংবাদিকরা তাৎক্ষণিক উদ্যোগের ফলে ৭শ একর জমিতেই এখন চাষাবাদ করা যাবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, অবৈধ বাঁধ কেটে খাল অবমুক্ত করা হয়েছে। এখন পানি নিষ্কাশন চলছে।




ত্বক উজ্বল করতে কোন ফলগুলো খাবেন




পটুয়াখালী সরকারি খালে অবৈধ বাঁধ, ৩ গ্রামের ৭শ একর জমি পানিবন্দি

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নে সরকারি খালে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ করছে প্রভাবশালী একটি মহল। এতে কৃষিকাজ নিয়ে বিপাকে পড়েছে ওই ইউনিয়নের প্রায় তিন শতাধিক কৃষক পরিবার। গত দুই দিনে মুষলধারে পড়া বৃষ্টিতে ৩ গ্রামের ৭শ একর ফসলি জমিতে ৩ ফুট পানি জমে রয়েছে। খালে বাঁধ দেওয়ার কারণে জমানো পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় কৃষিকাজ নিয়ে বিপাকে পড়েছে কয়েকশ কৃষক পরিবার।

শনিবার বিকেলে রাঙ্গাবালী উপজেলা পরিষদের চত্বরে প্রায় দুই শতাধিক ভুক্তভোগী কৃষক প্রশাসনের সহায়তা চেয়ে মানববন্ধন করেছে। মানববন্ধন শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেন তারা।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, চরমোন্তাজ ইউনিয়নের উত্তর চরমোন্তাজসহ ৩টি গ্রামের মাঝ দিয়ে বয়ে যাওয়া এই খালটি মন্ডল স্লুইস খালের সাথে সংযুক্ত হয়েছে। প্রভাবশালী একটি মহল তাদের স্বার্থের জন্য উত্তর চরমোন্তাজ গ্রামের প্রধান খালে ১২টির মতো বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ করছেন। এতে দুর্বিপাকে পড়েছে কয়েকশ কৃষি পরিবার। গত কয়েকদিনের টানা বর্ষণের কারণে ফসলি জমিতে এখন ৩-৪ ফুট পানি জমে আছে। এতে ইউনিয়নের অন্তত ৭০০ একর জমির চাষাবাদ বন্ধ। এসময় খাল থেকে অবৈধ দখলদারদের বাঁধ অপসারণ করে কৃষকদের মুক্তি দেওয়ার জোর দাবি জানায় তারা।

তারা আরও বলেন, আমাদের এই এলাকার অধিকাংশ মানুষ কৃষিকাজের সাথে জড়িত। আমরা প্রশাসনের কাছে দ্রুত সমাধান চাই। তা না হলে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এই এলাকার প্রায় ৫ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আসাদুজ্জামান বলেন, কৃষকদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে খোঁজ নিয়ে জানতে পেরেছি খালটিতে বেশ কয়েকটি বাঁধ রয়েছে। ফলে পানি নিষ্কাশন বাধাগ্রস্ত হওয়ায় প্রায় ৬৫০-৭০০ একর জমিতে পানি জমে রয়েছে। এতে আমনসহ পরবর্তী মৌসুমি ফসল চাষ ব্যাহত হতে পারে। ইতোমধ্যে উপজেলা প্রশাসনের সহায়তায় আমরা ৫০টির বেশি অবৈধ বাঁধ অপসারণ করেছি।

এ বিষয়ে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক নূর কুতুবুল আলম বলেন, আমার কাছে এখন পর্যন্ত লিখিত অথবা মৌখিকভাবে কেউ অভিযোগ করেনি। এ ধরনের অভিযোগ পেলে আমাদের সংশ্লিষ্ট উপজেলার ইউএনও এবং এসিল্যান্ড সাহেবরা সেখানে গিয়ে অবৈধ বাঁধ অপসারণ করেন। আমি ইউএনও সাহেবকে বলছি দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য।




২৫ বছরে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: আগামীকাল পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) ২৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। ২০০০ সালের ৮ জুলাই কৃষি কলেজের অবকাঠামোয় বিশ্ববিদ্যালয়টির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. স্বদেশ চন্দ্র সামন্তের নেতৃত্বে অবকাঠামোগত ধারাবাহিক উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয়টি আধুনিকতার ছোঁয়া পেতে চলেছে। এর সেশনজট দূর হয়েছে। শিক্ষক-কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা প্রাপ্য পদোন্নতি পাচ্ছেন যথাসময়ে।

পটুয়াখালী শহর থেকে ১৫ কিলোমিটার উত্তরে দুমকি উপজেলায় ৯৭ একর জায়গা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাস। বরিশালের খানপুরা, বাবুগঞ্জে এর আরও দুটি ক্যাম্পাস আছে।

গবেষণা কার্যক্রম
বিশ্ববিদ্যালয়টির রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টারের মাধ্যমে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এই সেন্টারের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে এ পর্যন্ত ৮০১টি গবেষণা প্রকল্পে অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে। বর্তমানে নিজস্ব ও সরকারি অর্থায়নে ২০২২-২৩ সালে পরিচালিত গবেষণা প্রকল্প ১৫৩টি।

পবিপ্রবির গবেষণায় বেশ কয়েকটি উন্নত ও উচ্চফলনশীল ফলের জাত উদ্ভাবিত হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম পিএসটিইউ বিলাতি গাব-১, পিএসটিইউ বিলাতি গাব-২, পিএসটিইউ ডেউয়া-১, পিএসটিইউ ডেউয়া-২, পিএসটিইউ বাতাবিলেবু-১, পিএসটিইউ কামরাঙা-১, পিএসটিইউ কামরাঙা-২, পিএসটিইউ তেঁতুল-১, পিএসটিইউ বৈচি-১।

২৫ বছরে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
শিক্ষা, সংস্কৃতি, স্বাধীনতাসংগ্রাম, মননশীলতা, আধুনিকতায় দক্ষিণাঞ্চলের রয়েছে সমৃদ্ধ ইতিহাস। এই অঞ্চলের অতীত গৌরবকে এ বিশ্ববিদ্যালয় আরও দৃঢ় ও সমৃদ্ধ করবে বলে আমার বিশ্বাস। পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় দক্ষিণাঞ্চলের সত্যিকারের ‘বাতিঘর’ হয়ে উঠুক—এটা আমার প্রত্যাশা।
অধ্যাপক ড. স্বদেশ চন্দ্র সামন্ত উপাচার্য, পবিপ্রবি

উপকূলীয় এলাকার জন্য উন্নত ক্রপিং সিস্টেম ও বায়োচার প্রযুক্তি উদ্ভাবন, ১০০ দেশি জাতের পাঁচ শর বেশি ধানের গবেষণা ও সংগ্রহশালা তৈরি, ভুট্টা ও সূর্যমুখী চাষে স্ট্রিপ পদ্ধতিতে ২২ থেকে ২৫ শতাংশ বেশি উৎপাদনে সক্ষমতা তৈরি এবং লবণাক্ততা ও পানিসহিষ্ণু ধান উৎপাদনের প্রয়াস অব্যাহত রয়েছে দক্ষিণাঞ্চলের এই উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে।

২৫ বছরে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের মানুষের শিক্ষা ও কৃষির উন্নয়ন এবং তাদের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় যাঁরা নেতৃত্ব দেন এবং সহযোগিতা ও সমর্থন দিয়েছেন, তাঁদেরও ধন্যবাদ জানাই।
অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী ট্রেজারার, পবিপ্রবি

মাছের দ্রুত বৃদ্ধিকরণ প্রযুক্তি, শুঁটকি তৈরি ও সংরক্ষণের নিরাপদ প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং দেশের প্রথম ও একমাত্র জলহস্তীর কঙ্কাল প্রস্তুতকরণ ছাড়া উদ্ভিদ ও প্রাণী নিয়ে দেড় শর বেশি গবেষণা চলমান রয়েছে। কৃষি সমৃদ্ধ করতে প্রতিনিয়ত চলছে নানা ধরনের গবেষণা কার্যক্রম। এ ছাড়া প্রোগ্রাম বেইজড গবেষণা কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।

শিক্ষার মান
আমেরিকান কোর্স ক্রেডিট সিস্টেম পদ্ধতি চালু রয়েছে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে। হাতে-কলমে শিক্ষাদানের জন্য এখানে রয়েছে ৩২টি আধুনিক গবেষণাগার। রয়েছে অত্যাধুনিক সরঞ্জামসংবলিত একটি কেন্দ্রীয় গবেষণাগার।

২৫ বছরে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
বর্তমানে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বিভিন্ন ধরনের গবেষণা করে দেশের ও দক্ষিণাঞ্চলে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে। আমরা চাই বিশ্ববিদ্যালয়টি আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হোক। আমাদের নানান চ্যালেঞ্জ রয়েছে। আশা করি সরকারের সহযোগিতায় আরও নতুন নতুন উদ্যোগ নিয়ে আমরা চ্যালেঞ্জগুলো অতিক্রম করতে পারব।
অধ্যাপক ড. সন্তোষ কুমার বসু রেজিস্ট্রার, পবিপ্রবি

চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ বাস্তবায়ন করতে কোর্স কারিকুলামে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয়েছে। চালু হয়েছে আউটকাম বেইজড কারিকুলাম। একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে শতভাগ ডিজিটালের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে।

সহশিক্ষা কার্যক্রম
পবিপ্রবিতে নিয়মিতভাবে বার্ষিক ক্রীড়া ও আন্তঅনুষদীয় টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়। সংস্কৃতিচর্চার জন্য রয়েছে কয়েকটি সংগঠন ও গানের দল। এ ছাড়া টিএসসিকেন্দ্রিক অর্ধশতাধিক সামাজিক সংগঠন স্বেচ্ছাসেবী শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে এ বিশ্ববিদ্যালয়ে।

ডিজিটাল ক্যাম্পাস
বিশ্ববিদ্যালয়টির ক্যাম্পাস ডিজিটাল ক্যাম্পাসে পরিণত করার কাজ চলছে। এর লাইব্রেরিকে শতভাগ ডিজিটাল করার কাজ চলছে। রয়েছে শিক্ষার্থী, শিক্ষক-কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য ডিজিটাল পরিচয়পত্র। হলসহ সবখানে রয়েছে হাইস্পিড ওয়াই-ফাই ইন্টারনেট। পুরো বিশ্ববিদ্যালয়কে অটোমেশন করার কাজ চলমান।

অবকাঠামো উন্নয়ন
অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৪৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণের কাজ চলছে। ভূমি উন্নয়ন, খামার, হলসহ বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণের কাজ চলছে সমানতালে।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
বর্তমান উপাচার্য একাডেমিক মাস্টারপ্ল্যান তৈরিসহ দীর্ঘমেয়াদি বিভিন্ন পরিকল্পনার কাজে হাত দিয়েছেন। সমুদ্রসম্পদের যথাযথ ব্যবহার ও গবেষণার জন্য কুয়াকাটায় মেরিন ফিশারিজ রিসার্চ ইনস্টিটিউট স্থাপনের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ৬০০ কোটি টাকার ডিপিপি জমা দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও উন্নয়নের জন্য ফিজিক্যাল মাস্টারপ্ল্যান তৈরি শেষ পর্যায়ে। অবকাঠামো উন্নয়ন এবং একটি কেন্দ্রীয় গবেষণাগারসহ অ্যানিমেল রিসার্চ ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা এই মাস্টারপ্ল্যানের অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এ ছাড়া ইইই বিভাগ, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং, কৃষি প্রকৌশল এবং বায়োমেডিকেল বিভাগসহ অন্যান্য যুগোপযোগী বিভাগ খোলার পরিকল্পনা রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টির।




গুগল ড্রাইভ থেকে ডিলিট হওয়া ফাইল উদ্ধার করবেন যেভাবে