গরম বাড়ছে, সুস্থ থাকার উপায়?




পটুয়াখালী থেকে অপহৃত কিশোরী যাত্রাবাড়ীতে উদ্ধার

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: বহুল আলোচিত পটুয়াখালী জেলার বাউফল এলাকা হতে অপহৃত কিশোরীকে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত অপহরণকারী মো. মাসুম বিল্লাহ আকনকে (২১) গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৩।

ঢাকা মহানগরীর যাত্রাবাড়ী থানাধীন এলাকায় বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় অভিযান চালিয়ে অপহৃতকে উদ্ধার ও অপহরণকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ও অনুসন্ধানে জানা যায়, অপহৃত ভিকটিম কিশোরী পটুয়াখালী জেলার বাউফল থানাধীন বাউফল সরকারি কলেজের একাদশ শ্রেশির ছাত্রী। গত ১ এপ্রিল সন্ধ্যা ৬টায় ভিকটিম প্রাইভেট পড়ার উদ্দেশ্যে তার প্রাইভেট টিউটরের বাড়ির দিকে রওনা করে। পথিমধ্যে বিলবিলাস বাজারের কাছাকাছি পৌঁছালে গ্রেপ্তারকৃত অপহরণকারী মাসুম অজ্ঞাতনামা ৩/৪ জনের সহায়তায় ভিকটিমকে পথরোধ করে এবং জোরপূর্বক ভিকটিমকে একটি মাহিন্দ্রো গাড়ীতে তুলে নিয়ে যায়।
পরবর্তীতে নির্দিষ্ট সময় পার হয়ে গেলেও ভিকটিম নিজ বাড়িতে না ফেরায় তার পরিবার বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত হয়ে প্রাইভেট টিউটরের সঙ্গে মোবাইলফোনে যোগাযোগ করে। প্রাইভেট টিউটর জানায় ভিকটিম তার কাছে প্রাইভেট পড়তে যায়নি। এমতাবস্থায়  ভিকটিমের পরিবার ভিকটিমকে খোঁজাখুঁজির জন্য বের হলে প্রত্যক্ষদর্শী একজন পথচারীর নিকট হতে অপহরণের বিষয়টি জানতে পেরে তারা নিশ্চিত হয় যে, ভিকটিমকে গ্রেপ্তারকৃত মাসুম অপহরণ করেছে।

আরো পড়ুন :দুমকিতে হটাৎ ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ৪৫ রোগী

পরবর্তীতে ভিকটিমের মা বাদী হয়ে পটুয়াখালী জেলার বাউফল থানায় গ্রেপ্তারকৃত মাসুম এবং অজ্ঞাত আরও ৩/৪ জনের বিরুদ্ধে একটি অপহরণ মামলা দায়ের করে। এপ্রেক্ষিতে ভিকটিমকে উদ্ধার ও আসামিদের গ্রেপ্তার করার জন্য র‌্যাব-৩ গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করলে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় অবস্থান শনাক্ত করে আজ ভিকটিমকে উদ্ধারসহ অপহরণকারী মাসুমকে গ্রেপ্তার করা হয়। পলাতক অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে র‌্যাব-৩ এর গোয়েন্দা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

উদ্ধারকৃত ভিকটিমকে তার পরিবারের নিকট হস্তান্তর এবং গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।




মাহে রমজান ও নাজাত

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : রমজান হলো পাপমুক্তির মাস; কল্যাণের মাস। এ মাসে মহান আল্লাহতায়ালার অনুগ্রহ লাভ করাই মুমিনের আরাধ্য। এ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে রহমত ও মাগফেরাত শেষে এখন নাজাতের সময়। বান্দা জাহান্নামের পথ থেকে বেরিয়ে আসবে; জান্নাতের পথে ধাবিত হবে; নেক আমল করবে। পাপের প্রতি তার কোনো আকর্ষণ থাকবে না। নাজাতের এই সময়ে অর্জিত শিক্ষাকে ধারণ করেই বছরের বাকিটা সময় কাটিয়ে দেবে একজন মুমিন মুসলমান। নেক আমল ও দ্বীনের হেকমত দিয়ে সে শয়তানকে পরাভূত করবে। এভাবে রমজানের অর্জিত শিক্ষাগুলো কাজে লাগিয়ে জীবনকে করে তুলবে ছন্দময়।

নফসে আম্মারার কারণে মানুষ ধোঁকায় পড়ে। পাপ কাজ করে। এই অবাধ্য মানবসত্তার কাজই হলো মানুষকে খারাপের দিকে নিয়ে যাওয়া। এই মন্দ আত্মাকে সক্রিয় হতে দেওয়া যাবে না। আর একে দমন করার উপায় হলো বেশি বেশি নেক আমল করা। যখন মানুষ বেশি বেশি নেক আমল করবে, এই আত্মা মানুষের ওপর আর কোনো প্রভাব খাটাতে পারবে না। সে ক্রমে দুর্বল হয়ে পড়বে। সুতরাং, নফসে আম্মারাকে পরাজিত করতে হলে মন্দের ডাকে সাড়া না দিয়ে কল্যাণের পথে চলতে হবে। ইসলামের অনুশাসন মানতে হবে। মানুষ অনেক সময় মন্দ কাজ করার পর অনুতপ্ত হয়। নিজের ভুল বুঝতে পারে। এর কারণ হলো মানুষের ভেতরকার নফসে লাউওয়ামা তথা অনুতপ্ত সত্তা তখন জেগে ওঠে। নফসে আম্মারা, শয়তানের ধোঁকা বা পরিবেশ পরিস্থিতির কারণে সাময়িকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে এবং কারও দ্বারা প্রভাবিত হয়ে মানুষ মন্দ কাজ করে বসতে পারে। কিন্তু এর রেশ কেটে গেলে সে অনুতপ্ত হয়। নফসে লাউওয়ামা তাকে বলে, হে মানব! তোর ওই কাজটি করা উচিত হয়নি। তুই অনুতপ্ত হয়ে তওবা-এস্তেগফার কর। আল্লাহর কাছে ক্ষমা চেয়ে নে।

নফস জগতে প্রশান্ত আত্মা হলো নফসে মুতমাইন্নাহ, যার আকর্ষণ থাকে নেক কাজের দিকে। সে সব সময় বান্দাকে ভালো কাজের দিকে ডাকে। মানুষের অন্তরে সার্বক্ষণিক এ নফসের প্রভাব ধরে রাখতে হলে তাকে আমলে সালেহের দিকে সব সময় রুজু থাকতে হবে। চিন্তা ও কর্মে ভালো হতে হবে। একবার নিজেকে এই আদলে গড়ে তুলতে পারলে এর বাইরে গিয়ে মন্দ কাজ করতে তার মোটেই ভালো লাগবে না।

ভালো-মন্দ নিয়েই মানুষ। তবে মন্দকে ঘৃণা করা একজন প্রকৃত মুমিনের বৈশিষ্ট্য। মহান আল্লাহ পাকের সান্নিধ্যই তার পরম চাওয়া। আর যে আল্লাহতায়ালার সান্নিধ্য লাভ করতে পারবে, আল্লাহ নিজেই তাকে সম্মানিত করবেন। তার সব ধরনের সুখের ব্যবস্থা তিনি করবেন। তাই নাজাতের এই ১০ দিনে মানুষের উচিত ইবাদত-বন্দেগির মাধ্যমে যাবতীয় অন্যায়, অপরাধ ও জাহান্নামের শাস্তি থেকে নিজেকে মুক্ত করে নেওয়া।




ঝালকাঠিতে রাতের আতঙ্ক যানবাহনের এলইডি লাইট

বরিশাল অফিস রাতের সড়কে চালকদের কাছে আরেক আতঙ্কের নাম অটোভ্যান ও অটোরিকশায় লাগানো এলইডি লাইট। উজ্জল সাদা আলোর এই লাইটগুলো চোখের ওপর প্রভাব ফেলায় চালক ও পথচারী তার সম্মুখে বিপরীত দিক থেকে আসা যানবাহনকে ভালোমতো দেখতে পান না। যার কারণে অহরহই ঘটে দুর্ঘটনা।

ঝালকাঠির বিভিন্ন সড়কে ইদানিং এ এলইডি লাইটের ব্যবহার অধিক হারে দেখা যাচ্ছে। বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে এখনই এগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

মোটরসাইকেল চালক সোহাগ হাওলাদার জানান, আমরা নিয়মিত মোটরসাইকেলে যাত্রী বহন করি। রাতে সড়কে মোটর চালিত ভ্যান ও অটোরিকশায় এক ধরনের উজ্জল এলইডি লাইট লাগানো থাকে, যে গুলোর আলো চোখে পড়লে কয়েক সেকেন্ডের জন্য চোখে ঝাপসা দেখা লাগে। যার কারণে অনেক সময় যাত্রীরাও আতঙ্কিত হন। আমরাও মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ করতে হিমশিম খাই।

পথচারী মিল্লাত হোসেন জানান, এসব লাইটের আলো সাদা হওয়ায় আমাদের চোখের ক্ষতিও করে। সড়কের পাশ দিয়ে হাঁটার সময় আলো চোখে পড়লে কিছুই দেখতে পাওয়া যায় না। প্রশাসনের উচিত এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া। আর যেসব যানবাহনে এগুলো লাগানো থাকে সেগুলোর বেশিরভাগই অনুমোদনহীন। এছাড়া কিছু মোটরসাইকেলেও এই ধরনের লাইট লাগানো থাকে যার আলোর তীব্রতা আরো অনেক বেশি। যা চোখের সমস্যা তৈরি করতে পারে।

সহিদ হোসেন নামের একজন জানান, আমি নিয়মিত কাজের তাগিদে নলছিটি-দপদপিয়া সড়কে চলাচল করি। নিজের বাইকেই বেশিরভাগ চলাচল করা হয়। রাতে অনেক সময় দেখা যায় বিভিন্ন যানবাহনে এলইডি লাইট লাগানো থাকে। যেগুলো চোখে পড়ার কারণে বাইকের গতি কমিয়ে দিতে হয় নতুবা সড়কের পাশে বাইক নিয়ে দাঁড়াতে হয়। এছাড়া চোখে সমস্যার কারণে চশমা ব্যবহার করি। চশমার উপরে উজ্জল সাদা আলো সরাসরি পড়ার কারণে সামনে সবকিছু ঝাপসা মনে হয়। যা আমাদের জন্য একটা বড় ধরনের সমস্যা । এর কারণে বড় ধরনের দুর্ঘটনায় আমাদের জানমালের ক্ষতি হতে পারে। তাই যথাযথ কর্তৃপক্ষ বিষয়টি দেখবেন বলে মনে করি।

অটোভ্যানচালক মনির হোসেন বলেন, আমরা যে লাইটগুলো ব্যবহার করি সেগুলো এলইডি হওয়ায় আমাদের ব্যাটারির বিদ্যুৎ খরচ কম হয়। এছাড়া এগুলো অন্যান্য লাইটগুলোর থেকে দামেও অনেক সস্তা। তবে এর আলোটা চোখের জন্য সমস্যা সৃষ্টি করে সেটা আমরাও সড়কে চলার সময় বুঝতে পারি।

সদর থানার ওসি মো. শহিদুল ইসলাম জানান, বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। এছাড়া বেশকয়েকজন সচেতন নাগরিক আমাদের এ ব্যাপারে অবহিত করেছেন। চালকদের এই লাইটগুলো পরিবর্তন করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বরিশাল-পিরোজপুর আঞ্চলিক সড়কে একটি অটোভ্যানকে উজ্জল সাদা আলোর এলইডি লাইট জ্বালিয়ে চলতে দেখা যায়।




কাবায় অভূতপূর্ব দৃশ্যের অবতারণা




মানসিক চাপ? জেনে নিন দূর করার জাদুকরী ৫ উপায়




ঈদ বাজারে ক্রেতাদের চাপ সামলাতে বরিশালে হিমশিম বিক্রেতারা

বরিশাল অফিস :: আসন্ন ঈদ-উল ফিতরকে সামনে রেখে বরিশাল নগরীর ঈদ বাজার জমজমাট হয়ে উঠেছে। এতে করে বিক্রেতারাও বেশ খুশি। একইসাথে নগরীর পোশাক তৈরীর টেইলার্সগুলো বন্ধ করে দিয়েছে পোশাক তৈরীর অর্ডার নেওয়া। সবমিলিয়ে ক্রেতাদের চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন বিক্রেতারা।

বিগত ১৫ রমজানের পর থেকেই ক্রেতা আকর্ষণে নানা সাজসজ্জা আর বিভিন্ন প্রকার প্রস্তুতি শুরু করেছে জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও নগরীর খুচরা ও পাইকারী পোশাক বিক্রেতারা। ছোট-বড় মার্কেট, স্বনামধন্য বিদেশী শোরুম ও শপিংমলগুলোর ভেতরে পোশাকের সমাহার আর বাহিরে রং-বেরংয়ের বাতিতে ঝলমল করছে সর্বত্র। উৎফুল্ল ক্রেতাদের জমজমাট কেনাকাটায় জমে উঠেছে মার্কেটগুলো। ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আনা নিত্য নতুন কালেকশন নিয়ে পসরা সাজিয়েছে ফ্যাশন হাউজ ও মার্কেটগুলো।

গৃহকর্তারা পরিবার পরিজন নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পরেছে কেনাকাটায়। যা চলছে মধ্যরাত পর্যন্ত। এছাড়াও সু-ষ্টোস্গুলোতে চলছে বিকিকিনি। পোশাক তৈরী করা টেইলার্সগুলোতে প্রচুর ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। বড় বড় টেইলার্সগুলো কাপড় তৈরীর অর্ডার নেওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন।

ঈদের পোশাক ক্রয় করতে নগরীর চকবাজারে আসা বিএম কলেজের ছাত্রী জেসিকা আহম্মেদ জুঁই, গৃহীনি মমতাজ বেগম, ফেরদৌস জাহান আখি বলেন, এ বছর রোজা শুরুর দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে বেশ কয়েকবার নগরীর একাধিক মার্কেটঘুরে ঈদের শপিং করেছি। কিন্তু চলতি বছর ঈদের সব জিনিসপত্র ও পোশাকের দাম গতবারের চেয়ে তিন থেকে চারগুন বেশি। নগরীর চকবাজার এলাকার স্বদেশী বস্ত্রালয়ের স্বত্ত্বাধীকারি মৃনাল কান্তি সাহা বলেন, ক্রেতারা নিত্য-নতুন ডিজাইনের পোশাক ও শাড়ি কিনছেন।

নগরীর চকবাজার, ভেনাস মার্কেট, সদর রোড, হেমায়েত উদ্দিন রোড, সোবাহান কমপ্লেক্স, ফকির কমপ্লেক্স, শপিংমলগুলোতে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। এছাড়াও সিটি মার্কেট ও মহসিন মার্কেটে নিন্ম ও মধ্যবিত্ত্ব পরিবারের ক্রেতাদের ভিড় ছিলো লক্ষণীয়। এ বছর ঈদকে ঘিরে নগরীর মার্কেটগুলোতে বিদেশী পোশাকের সাথে সাথে দেশী পোশাকের সমারহ রয়েছে বেশ। ঈদ মার্কেটে পুরুষের কাছে পাঞ্জাবীর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার জিহাদুল কবির বলেন, ঈদ বাজারে ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের নিছিদ্র নিরাপত্তা দিতে ও যানজটমুক্ত রাখতে মেট্রোপলিটন পুলিশ সদস্যরা সার্বক্ষণিক কাজ করে যাচ্ছে। পাশাপাশি নগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখতে ইতোমধ্যে পুরো নগরীজুড়ে ২৬০টি সিসি ক্যামেরা স্থাপনের মাধ্যমে ২৪ ঘন্টা নগরীকে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখা, উন্নত পুলিশি সেবার লক্ষে ক্রাইম কন্ট্রোল, ট্রাফিক ও থানা কন্ট্রোল এবং সোশ্যাল মিডিয়া মনিটরিংয়ের জন্য ইন্টিগ্রেটেড কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টারের মাধ্যমে বিভাগীয় শহর বরিশালের পুরো নগরী এখন পুলিশি নজরদারির মধ্যে রয়েছে। যেকারণে মধ্যরাতেও নিরাপত্তায় নগরীর বিভিন্ন মার্কেট ও শপিংমলগুলোকে নিবিঘ্নে ঈদের বিকিনিকি চলছে। পাশাপাশি ক্রেতাদের চাপ সামলাতে ইতোমধ্যে নগরীর চকবাজার ও গীর্জা মহল্লা এলাকার সড়কে সবধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

বাহারি পোশাক :: দক্ষিণাঞ্চলের বিভাগীয় শহর বরিশাল। এই শহরে পেশাজীবী মানুষের বসবাস বেশি। পাশাপাশি বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে শৌখিন ক্রেতারা ঈদের কেনাকাটা করার জন্য ছুটে আসেন বরিশাল শহরে। যেকারণে প্রতিনিয়ত ঈদের কেনাকাটা করার জন্য উৎসাহী মানুষের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে নগরীর শপিংমলগুলোতে। এবার ঈদ মার্কেটে মেয়েদের বাহারি পোশাক, শাড়ি, থ্রি-পিস ও পুরুষের শার্ট-প্যান্ট, পাঞ্জাবি, বাচ্চাদের পোশাক কিনতেই স্বাচ্ছ্যন্দবোধ করছেন সবাই। দেশি পণ্যের পাশাপাশি বিদেশি পণ্যও কিনতে ঝুকছেন ক্রেতারা। দোকানীরা জানিয়েছেন, এবারের ঈদে নারীদের সবচেয়ে বেশি পছন্দ সুতি শাড়ি। পাশাপাশি রয়েছে তাঁত-জামদানি, মুসলিম জামদানি ও দোপাট্টা। যা বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৫শ’ টাকা থেকে শুরু করে আট হাজার টাকা পর্যন্ত। মিরপুরী কাতান, সিল্ক ও জুট কাতানেরও চাহিদা রয়েছে। যা বিক্রি হচ্ছে ১০ থেকে ২৫ হাজার টাকার মধ্যে। মেয়েদের থ্রি-পিসে এবার কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে। পি-কে, কাল্পনিক, লাভ স্টোরি নামের নতুন ডিজাইনের থ্রি-পিসের যথেষ্ট চাহিদা বরিশালের ঈদ বাজারে। এসব থ্রি-পিস বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ২শ’ টাকা থেকে শুরু করে ২২ হাজার টাকা পর্যন্ত। ছেলেদের জন্য সুতি পাঞ্জাবি ও শেরওয়ানি বেশি বিক্রি হচ্ছে। যার দাম ৩ হাজার ২শ’ টাকা থেকে ১৬ হাজার টাকা পর্যন্ত। ঈদের কেনাকাটার জন্য প্রচুর ভিড় লক্ষ্য করা গেছে, রীচম্যান-লুবনান, স্মার্টটেক্স, স্বপ্ন, স্টার প্লাস, ব্যাঙ, চন্দ্রবিন্দু, বিশ্ব রঙ, আড়ংসহ বিভিন্ন ব্রান্ডের পোশাকের দোকানগুলোতে।

বরিশাল নগরীর চক বাজার বিপণীন বিতানগুলোতে দেশীয় শাড়ি ক্রয় করতে আসা গৃহিনী সিমা আহম্মেদ বলেন, বাঙালীর যেকোন উৎসবে নারীর প্রথম পছন্দ শাড়ি ও থ্রি-পিস। আর ঈদ উপলক্ষেতো শাড়ি বা থ্রি-পিস চাই-ই চাই। ঈদে নারীদের জন্য শাড়ি আর পুুরুষের জন্য পাঞ্জাবীর আবেদন কোনদিনও শেষ হবেনা। এবারের ঈদেও এ দুইটি পোশাকই প্রাধান্য পেয়েছে।

বরিশাল গরীর বিভিন্ন শপিংমলের শাড়ি বিক্রেতারা জানিয়েছেন, পাইকারী ও খুচরা শাড়ি বিক্রেতারা এবছর ভারত থেকে গুজরাটী শিল্ক, বাহা শিল্ক, মনিপুরি কাতান, মনিপুরি সুতি, পিউর শীল্ক, জর্জেট ও নেটের উপর কাজ করা শাড়ি আমদানী করেছেন। তবে এবার বেশীর-ভাগ ক্রেতারে পছন্দে রয়েছে ঢাকাই জামদানী, টাঙ্গাইল জামদানী, তাঁতের শাড়ি, সফট শিল্ক আর জুট জামদানী। এগুলোর দামও ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে। এবছর ঈদে ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা মূল্যের শাড়ি বিক্রি হচ্ছে বেশী। তারা আরও জানিয়েছেন, ভ্যাপসা গরমকে মাথায় রেখেই এবার আরামদায়ক শাড়ি খুঁজছেন ক্রেতারা।

ফুটপাতে উপস্থিতি বেশি:: ঈদ-উল ফিতরকে ঘিরে নগরীর নামিদামী শপিংমলের চেয়ে ফুটপাতে ক্রেতাদের উপস্থিতি বেশি লক্ষ্য করা গেছে। ক্রেতাদের দাবি, তুলনামূলকভাবে বরিশালে পোশাকের দাম গতবারের চেয়ে ৩/৪ গুন বেশি। তাই তারা পরিবারের সদস্যদের চাহিদা মেটাতে অনেকটা কমদামে ফুটপাতের দোকানগুলো থেকে ক্রয় করতে বাধ্য হয়েছেন।

নগর ভবনের সামনে ও তার পাশ্ববর্তী এলাকার ফুটপাতের অস্থায়ী দোকান থেকে ঈদের কেনাকাটা করতে আসা একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা আব্দুর রহমান বলেন, এবার পোশাকের এতো দাম যে বলার মতো না, আমাদের মতো সাধারণ মানুষের জন্য যা খুবই কষ্টসাধ্য। হাসান সিদ্দিক নামের এক সরকারি কর্মকর্তা বলেন, ব্রান্ডের পোশাকগুলো ভালো কিন্তু সেগুলোর দাম কয়েকগুণ বেশি রাখা হচ্ছে। বিপনিন বিতানগুলোতে যে পোশাকের দাম চার হাজার টাকা চাওয়া হয়েছে, সেই একইরকম পোশাক আমরা ফুটপাত থেকে এক হাজার টাকার মধ্যেই ক্রয় করতে পারছি। তাই বাধ্য হয়েই ফুটপাতের দোকান থেকে ক্রয় করেছি। নাবিলা আক্তার জিতু নামের এক গৃহীনি বলেন, নগরীর ব্রান্ডের প্রায় সব শোরুমেই ঘুরলাম, প্রতিটি শোরুম ও মার্কেটগুলোতে পোশাকের অতিরিক্ত দাম। তাই অনেকটা কমদামে ফুটপাত থেকে ঈদের কেনাকেটা করেছি। তবে ক্রেতাদের এসব অভিযোগ অস্বীকার করে টপ-টেন বরিশাল শাখার ব্যবস্থাপক ইমরান শেখ বলেন, আমরা সব সময় পোশাকের গুণগত মান ধরে রাখার চেষ্টা করছি। মানের সাথে আমাদের প্রতিটি পণ্যের দামটাও সামঞ্জস্য করে নির্ধারণ করা হয়েছে।

অপরদিকে বরিশালে কসমেটিকস ও কাপড়ের নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে কয়েকগুণ অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগ করেছেন ক্রেতারা। সেক্ষেত্রে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের তেমন কোন অভিযান নেই বললেই চলে। তবে ভোক্তার জেলা কার্যালয়ের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, প্রতিটি পণ্যে যেখানে যৌক্তিক একটা লাভ করা যায়, সেখানে বরিশালে ৯০ থেকে ১০০ শতাংশ লাভ করার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে ব্যবসায়ীদের মধ্যে। এছাড়া অনেকে অনৈতিকভাবে আলাদা করে সংযুক্ত করেছে ভ্যাট। এগুলোর বিরুদ্ধে অভিযানে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

কেনাকাটা বিকাশ পেমেন্টে :: বড় শপিংমল থেকে শুরু করে ফুটপাতের দোকানগুলোতে স্বাচ্ছন্দে ঈদের কেনাকাটার পর এখন নিরাপদে মূল্য পরিশোধ করা হচ্ছে বিকাশ পেমেন্টের মাধ্যম। পছন্দের ফ্যাশন হাউস, নামিদামী শোরুম, শপিংমল, মার্কেট, জামা-জুতার আউটলেট ও ফুটপাতের দোকানগুলো থেকে ঈদের কেনাকাটার পর বিকাশ পেমেন্টের মাধ্যমে সহজ, নিরাপদ, ঝামেলাহীন ও দ্রুত ডিজিটাল লেনদেন এখন ক্রেতা-বিক্রেতাদের লাইফস্টাইলের একটি অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বরিশাল নগরীর সবচেয়ে বড় মার্কেট চক বাজারে পরিবার নিয়ে ঈদের কেনাকাটা করতে আসা ডাঃ শাহনাজ রুবি বলেন, সারাবছর সব কেনাকাটাতেই আমি কম-বেশি বিকাশ পেমেন্টের চেষ্টা করি। তাছাড়া ছোট-বড় সব দোকানেই বিকাশ পেমেন্টের সুবিধা আছে। তিনি আরও বলেন, বিকাশের ডিজিটাল পেমেন্টের সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে, আমাকে শপিংমলে ক্যাশ বহন করতে হচ্ছেনা। ফলে টাকা চুরি যাওয়া অথবা ছেঁড়া-ফাটা-ভাংতি টাকার ঝামেলা পোহাতে হচ্ছেনা।

ক্রেতাদের পাশাপাশি বিক্রেতারাও ডিজিটাল পেমেন্ট গ্রহণ করে ফেলছেন স্বস্তির নিঃশ্বাস। চকবাজারের ব্যবসায়ী আব্দুল খালেক বলেন, পবিত্র ঈদ-উল ফিতরকে সামনে রেখে প্রতিদিন সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত কাস্টমারের ভিড় কম-বেশি লেগেই রয়েছে। বিকাশ পেমেন্ট সেবার কারণে টাকার হিসেব রাখা অনেক সহজ হয়ে গেছে। তার সাথে ভাংতি বা নকল টাকার ঝামেলা নেই। পাশাপাশি দিন শেষে অনেক ক্যাশ টাকা রাখার ঝুঁকি নিয়েও ভাবতে হয়না।

 




কেনাকাটায় জমে উঠেছে পটুয়াখালীর ঈদ বাজার

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: নতুন পোশাকে ঈদ উদযাপনে কেনাকাটায় জমে উঠেছে পটুয়াখালীর ঈদ বাজার। সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত তরুণ-তরুণীসহ নানান বয়সী মানুষের পদচারণায় মুখরীত বিপণী বিতানগুলো। পছন্দের পোশাক কিনতে ঘুরছেন এক মার্কেট থেকে অন্য মাকের্টে। বিশেষ করে শহরের শপিং মল ও বিভিন্ন মার্কেটের থ্রি-পিস কর্ণারগুলো রোজার শুরু থেকেই ক্রেতা আকর্ষণে এগিয়ে রয়েছে।

ফ্যাশন সচেতন তরুন – তরুণীদের পোশাকের মধ্যে বরাবরের মতো এবারও পছন্দের শীর্ষে রয়েছে বিদেশী বিভিন্ন ব্র্যান্ডের পোশাক। ক্রেতা-বিক্রেতাদের সমাগমে দিনরাত যেন একাকার হয়ে গেছে। তবে প্রতিটি স্থানেই পুরুষের তুলনায় নারীদের উপস্থিতি বেশি লক্ষ্য করা গেছে।

জেলার সদর রোডের অভিজাত মমতাজ শপিং মল, বন্ড, সাতসওদা, বিসমিল্লাহ সুপার মার্কেট, রুপ মহল, প্লাস পয়েন্ট, গৌরাঙ্গ বস্রালয়, আনিষা বুটিক হাউজ, প্রজপিতি কসমেটিকস, এপেক্স, লোটো, বাটা, অমনি সু, লাকী সু স্টোর, ফারিবা সু স্টোর, নাজ সুজ ও নিউ মার্কেটের বিভিন্ন ব্র্যান্ডের শোরুমগুলোতে হরদমে চলছে কেনাকাটা।

আরো পড়ুন : পটুয়াখালীতে ১টি সেতুর অভাবে ৮ লাখ মানুষের ভোগান্তি

ক্রেতারা জানায়, গতবারের তুলনায় এবার একটু দাম বেশি। কিন্তু মোটামোটি সাধ্যের মধ্যে সবকিছু কেনাকাটা করার চেষ্টা করছি। তবে ভালো মানের পোডাক্ট ও কেয়ালিটির দিক থেকে দাম একটু বেশি মনে হচ্ছে।

বিক্রেতারা জানায়, এবার ঈদে নতুন নতুন ডিজাইনের জিনিস আসছে। মার্কেটে ভিড় আছে কিন্তু ক্রেতা মোটামুটি। তবে  দ্রব্যমূল্যের কারণে সব কিছুর দাম অনেকটা বেড়ে গেছে।

পটুয়াখালী সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মো: জসিম জানায়, ঈদ উপলক্ষে জেলায় ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। এছাড়াও সাদা পোষাকে পুলিশের নজরদারি রয়েছে।




পটুয়াখালীতে ১টি সেতুর অভাবে ৮ লাখ মানুষের ভোগান্তি

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: একটি সেতুর অভাবে ভোগান্তিতে ৮ লাখ মানুষ। পটুয়াখালীর লোহালিয়া নদীর বগা পয়েন্টে একটি সেতুর অভাবে বাউফল, দশমিনা ও গলাচিপা উপজেলার প্রায় ৮ লাখ মানুষ দেশের সার্বিক উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। ফেরি ও ট্রলারে পারাপারে সময় নষ্টের পাশাপাশি নানামুখী ভোগান্তি পোহাচ্ছে বিভাগীয় শহর ও রাজধানী গামী যাত্রীরা। তিন উপজেলার প্রায় ৮ লাখ মানুষের বহু বছরের লালিত স্বপ্ন লোহালিয়া নদীর ওপরে বগা সেতু নির্মাণ হবে। রাজধানী ঢাকা যেতে বগা ছাড়া অন্যকোথাও ফেরি পারাপার হতে হয় না।

এ অঞ্চলের ভুক্তভোগী জনগণ ও সংশ্লিষ্টরা জানায়, পটুয়াখালী জেলা শহরের সাথে বাউফল, দশমিনা ও গলাচিপা উপজেলাকে বিভক্ত করেছে লোহালিয়া নদী। প্রতিদিন এই নদীর বাউফল উপজেলার বগা পয়েন্টের ফেরি পারাপার হয়ে জেলা, বিভাগ ও রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে চলাচল করে হাজার হাজার যানবাহন। প্রতিনিয়ত ঘণ্টার পর ঘণ্টা ফেরি ঘাটে আটকে থেকে ব্যাহত হচ্ছে যোগাযোগ ব্যবস্থা।

অন্যদিকে ট্রলারে করে এই নদী পাড় হতে নানা ধরনের ভোগান্তিতে পড়ছে মানুষ।

আরো পড়ুন : পটুয়াখালীতে বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার চোর চক্রের দুই সদস্য গ্রেফতার

জেলার ভিতর সবচেয়ে বৃহৎ এবং গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা বাউফল। এই উপজেলাতেই রয়েছে দেশের প্রাচীণতম বাণিজ্যিক এলাকা কালাইয়া ও কালিশুরি বন্দর। এই বাণিজ্যিক এলাকা থেকে প্রতিদিন বিভিন্ন পণ্য সামগ্রী নিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে ছেড়ে যায় শতশত ভাড়ি ও মাঝাড়ি আকৃতির ট্রাক। এছাড়াও বাউফল-ঢাকা মহাসড়ক দিয়ে বগা ফেরি হয়ে রাজধানীতে চলাচল করে দশমিনা ও গলাচিপা উপজেলার বহু যাত্রী ও পণ্যবাহী যানবাহন।

ঢাকা থেকে বাউফল আসা যাত্রী আরিফুর জানান, ঢাকা থেকে বাউফল আসতে সময লেগেছে ৪ঘন্টা অথচ ফেরি ঘাটে এসে ১ঘণ্টা বসে আছি এটা খুবই দুঃখজনক।

অপর যাত্রী বলেন, সেতু না থাকায় ভোগান্তির শিকার হচ্ছি আমরা সাধারণ মানুষ।

পরিবহন চালক আব্দুর রহমান বলেন, পদ্মা সেতুর সুফল পাচ্ছি না আমরা। বগা ফেরিতে এসে ১/দেড় ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয় এই দূর্ভোগ থেকে রক্ষা পেতে চাই।

এই অঞ্চলের স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, ফেরি কারণে সব থেকে বেশি বিপাকে পড়ে ইমার্জেন্সি রোগী ও তাদের স্বজনরা। অনেক সময় ফেরিতে দেড়ির কারণে রোগীদের মৃত্যু ঝুঁকি থাকে বলেও জানান তারা।

বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা প্রশান্ত কুমার সাহা বলেন, সেতু না থাকায় রোগীদের বেশি সমস্যা হচ্ছে। ফেরিতে দেড়ি হওয়ায় রোগীদের চিকিৎসা পেতে দেড়ি হয় এতে মৃত্যু ঝুকি বেড়ে যায়।

বাউফলের ৮ বারের এমপি দীর্ঘ ৪০ বছর বিভিন্ন সময়ে জনগণকে সেতু নির্মাণের আশ্বাস দিয়ে তা আজও বাস্তবায়ন না করায় ক্ষুব্ধ স্থানীয় জনগণ।

আরো পড়ুন : বাউফলে সম্ভাব্য প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ

বাউফল পৌরসভার মেয়র জিয়াউল হক জুয়েল বলেন, বগা সেতু নির্মাণ হলে এই অঞ্চল হবে শিল্পাঞ্চল এবং এই অঞ্চলের কৃষির অপার সম্ভাবনার দুয়ার খুলে যাবে। দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এই অঞ্চলের মানুষ। বদলাবে নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনমান, কমবে বেকারত্ব। প্রধানমন্ত্রী বগা সেতু নির্মাণে দ্রুত ব্যবস্থা নেবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) আ স ম ফিরোজ বলেন, সেতু নির্মানে বিলম্ব হওয়ার বিষয় সরকারের কোনো হাত নেই। চীনা সরকার বিষয়টি নিয়ে স্টাডি করতেছে। তারা ইতিমধ্যে সেতুর সম্ভব্যতা নিশ্চিত হয়েছে। তাদের তাগিদ দেওয়া হচ্ছে। দ্রুত সেতুটি বাস্তবায়ন করা হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।

পটুয়াখালী সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন, বগা ফেরি ঘাটে ৯ম চীন-মৈত্রী সেতু নির্মিত হবে। চীনের প্রতিনিধি দল গত বছর সেতু সম্ভব্য স্থান পরিদর্শন করেছে। বাংলাদেশ ও চীন সরকারের মধ্যে একটি ঋণ চুক্তি সাক্ষরের পড়ে নির্মাণ কাজ শুরু হবে। এবিষয়ে দুই দেশের সরকারের মধ্যে আলোচনা চলছে। তবে কতদিনের মধ্যে সেতু নির্মাণের সম্ভাবনা রয়েছে তা এই মুহুর্তে বলা যাচ্ছে না বলে জানান তিনি।

প্রসঙ্গত, পটুয়াখালীর লোহালিয়া নদীর বগা পয়েন্টে সেতু নির্মাণ হলে বাউফল, দশমিনা ও গলাচিপা উপজেলার সাথে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের সকল বিভাগীয় শহরের যোগাযোগ ব্যবস্থার আমুল পরিবর্তন আসবে। সারাদেশের সাথে চালু হবে ফেরি বিহীন সড়ক যোগাযোগ। এই অঞ্চলের ৮ লাখ মানুষের কমবে পথ, বাঁচবে সময়। দেশের অর্থনৈতিতে অপার সম্ভাবনায় রূপান্তরিত হবে এই অঞ্চল।




চুলের সঠিক বৃদ্ধিতে কোন কোন খনিজ উপকরণ জরুরি?

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  চুলের স্বাস্থ্যের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে আমাদের খাদ্যাভ্যাস। চুলের সঠিক মাত্রায় বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সাহায্য করে বিভিন্ন ধরনের খনিজ উপকরণ। জেনে নেওয়া যাক কোন খনিজ উপাদানের কি কাজ আর এটি কতটুকু জরুরি।