বরিশালে প্রস্তুত করোনা ওয়ার্ড, পরীক্ষা শুরু হয়নি কিট না থাকায়

দক্ষিণাঞ্চলের প্রধান চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে করোনা চিকিৎসার জন্য ৩০ শয্যার ওয়ার্ড প্রস্তুত থাকলেও এখনো চালু হয়নি নমুনা পরীক্ষা। বিভাগীয় স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, কিট না থাকায় পরীক্ষা শুরু করা যায়নি। কিট পৌঁছালে দ্রুতই কার্যক্রম শুরু হবে।

সোমবার (১৬ জুন) সকালে শেবাচিম হাসপাতাল ঘুরে দেখা যায়, করোনার জন্য প্রস্তুত আধুনিক ওয়ার্ডে চিকিৎসা নেওয়ার মতো পরিকাঠামো থাকলেও পরীক্ষার কোনো উপকরণ নেই। ফলে উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে যাওয়া রোগীরা ফিরে যাচ্ছেন পরীক্ষা ছাড়াই।

চাঁদমারি এলাকার বাসিন্দা তানিম বলেন, “জ্বর, গলা ব্যথা, কাশি দেখা দেওয়ায় হাসপাতালে যাই, কিন্তু পরীক্ষা না করে দু-একদিন পরে আসতে বলেছে। এখন উপসর্গ নিয়ে কী করব বুঝতে পারছি না।”

মুলাদীর মোশারেফ হোসেন বলেন, “উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গেলে তারা বলে করোনা পরীক্ষা হচ্ছে না। বরিশাল শেবাচিমেও একই কথা শুনেছি। এটা খুবই হতাশাজনক।”

শেবাচিম হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. এস এম মনিরুজ্জামান জানান, “করোনা সংক্রমণ মোকাবিলায় আমাদের ওয়ার্ড প্রস্তুত রয়েছে। মেডিকেল কলেজের আরটি-পিসিআর ল্যাবও প্রস্তুত। কেবল কিট এলেই পরীক্ষা শুরু হবে।”

বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক শ্যামল কৃষ্ণ মণ্ডল বলেন, “বিভাগের সব সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে করোনা ওয়ার্ড প্রস্তুত রাখা হয়েছে। কিট আসার বিষয়টি সময়সাপেক্ষ। আশা করছি এক-দুই দিনের মধ্যেই কিট সরবরাহ সম্পন্ন হবে।

 

 




অল্প বয়সেই হার্ট অ্যাটাক! এই ৫টি অভ্যাস আপনাকে বাঁচাতে পারে

হার্ট অ্যাটাক

বর্তমানে অল্প বয়সেই হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে গেছে। আগের মতো শুধুমাত্র ৫০ বা ৬০ বছরের মানুষ নয়, এখন ৩০ বা ৪০ বছর বয়সীরাও হৃদরোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। চিকিৎসক ও হৃদরোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জীবনযাত্রার ধরন ও খাদ্যাভ্যাসের কারণে এই ঝুঁকি বাড়ছে। তবে কিছু অভ্যাস গড়ে তুললে অকালে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব।

নিচে এমন ৫টি জরুরি অভ্যাস তুলে ধরা হলো, যা প্রতিদিনের জীবনে পালন করলে হৃদরোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব হতে পারে:

১. নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম
বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটা, জগিং, সাইক্লিং বা হালকা ব্যায়াম করলে হৃদপিণ্ড সুস্থ থাকে। ব্যায়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং খারাপ কোলেস্টেরল (LDL) কমায়।

২. সুষম ও হৃদয়বান্ধব খাদ্যাভ্যাস
ফাস্টফুড, ট্রান্স ফ্যাট, বেশি লবণ ও চিনি এড়িয়ে চলা জরুরি। এর পরিবর্তে বেশি করে সবজি, ফল, বাদাম, ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ মাছ এবং পূর্ণ শস্য (whole grains) খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা।

৩. ধূমপান ও অ্যালকোহল বর্জন
ধূমপান হৃদপিণ্ডের রক্তনালীগুলো সরু করে তোলে, ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি অনেক গুণ বেড়ে যায়। একইভাবে অতিরিক্ত অ্যালকোহল সেবনও রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল বৃদ্ধির জন্য দায়ী।

৪. মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ
অতিরিক্ত মানসিক চাপ শরীরে কর্টিসল ও অ্যাড্রেনালিন হরমোনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়, যা হৃদপিণ্ডের উপর চাপ সৃষ্টি করে। নিয়মিত মেডিটেশন, পর্যাপ্ত ঘুম ও মানসিক স্বস্তি বজায় রাখা হৃদরোগ প্রতিরোধে কার্যকর।

৫. নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা
বয়স ৩০ পেরোলেই বছরে অন্তত একবার রক্তচাপ, রক্তে কোলেস্টেরল ও ব্লাড সুগার পরীক্ষা করা উচিত। প্রয়োজন হলে ইসিজি বা ইকোকার্ডিওগ্রাম করানোও জরুরি। এতে প্রাথমিক অবস্থাতেই হৃদরোগ শনাক্ত করে প্রতিকার সম্ভব।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, উপরের অভ্যাসগুলো রক্ষা করলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি ৮০% পর্যন্ত কমানো সম্ভব। এজন্য প্রয়োজন সচেতনতা ও নিয়মিত জীবনযাপন। হৃদপিণ্ড সুস্থ থাকলে সারাজীবন কর্মক্ষম ও উজ্জ্বল জীবন উপভোগ করা সম্ভব।

 




রাজাপুরের হাজিবাড়ি মসজিদ: নান্দনিক স্থাপত্যে মুগ্ধ দর্শনার্থীরা

ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলায় কানুদাসকাঠি গ্রামে অবস্থিত মনিরা হারুন জামে মসজিদ, স্থানীয়ভাবে হাজিবাড়ি মসজিদ নামে পরিচিত, বর্তমানে দর্শনার্থীদের প্রধান আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। অপূর্ব স্থাপত্যশৈলী এবং চোখ ধাঁধানো সৌন্দর্যের কারণে মসজিদটি শুধু স্থানীয় মুসল্লিদেরই নয়, দূরদূরান্তের মানুষদেরও মুগ্ধ করছে।

১৯৮১ সালে সাবেক সংসদ সদস্য বজলুল হক হারুনের বাবা মসজিদটি প্রতিষ্ঠা করেন, এবং ২০২১ সালে নিজের অর্থায়নে এটি পুনর্নির্মাণ করেন। আধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্যশৈলীর ছোঁয়ায় মসজিদটির গম্বুজ, মিনার এবং খোদাই করা নকশা সকলকে মুগ্ধ করে। মসজিদের ছাঁদে একই সাইজের চারটি মিনার এবং এক বড় গম্বুজ রয়েছে।

এটি অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিকভাবে অত্যন্ত মনোরম এবং আকর্ষণীয়। গম্বুজের সৌন্দর্য, সুদৃশ্য মিনার এবং কারুকার্যপূর্ণ কাজ দর্শকদের মুগ্ধ করে। মসজিদের নকশায় আধুনিকতার সাথে ঐতিহ্যকে সম্মিলিতভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা এটিকে অন্য যেকোনো মসজিদের থেকে আলাদা এবং অনন্য করে তুলেছে। নির্মাণের পর থেকেই মসজিদটি ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে, এবং এখানে প্রতিদিন বহু মানুষ নামাজ পড়তে আসছেন।

স্থানীয় মুসল্লি মো. সিদ্দিক মুনশি বলেন, “আগের মসজিদটি ছোট ছিল, জায়গা সংকুলান হতো না। এখন আল্লাহর রহমতে একটি সুন্দর ও প্রশস্ত মসজিদ পেয়েছি, যেখানে অনেক দূর-দূরান্ত থেকেও মানুষ এসে নামাজ আদায় করছেন।”

দর্শনার্থী মাহিন খান রোমান জানান, “ফেসবুকে দেখে এখানে এসেছি। সত্যিই মসজিদটি অসাধারণ! এত সুন্দর মসজিদ আগে কখনো দেখিনি। এখানে এলে এক ধরনের মানসিক প্রশান্তি পাওয়া যায়।”

মসজিদের সভাপতি মাওলানা মোস্তাকিম বিল্লাহ জানান, “মরহুম মাওলানা আবদুর রব প্রথম মসজিদটি নির্মাণ করেছিলেন। তার ছেলে ২০২১ সালে এটি পুনর্নির্মাণ করেছেন, যাতে আধুনিক স্থাপত্যের ছোঁয়া দেওয়া হয়েছে।”

এই মসজিদটি দক্ষিণ অঞ্চলের ইসলামি স্থাপত্যের একটি বিশেষ দৃষ্টান্ত হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এটি শুধু একটি উপাসনালয় নয়, বরং এক অনন্য স্থাপত্য নিদর্শনও। যারা সৌন্দর্য ও প্রশান্তির সন্ধানে আছেন, তাদের জন্য এটি একটি দর্শনীয় স্থান।


মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




বরিশালে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা

ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বরিশাল শহরের বিভিন্ন মার্কেটগুলোতে জমে উঠেছে কেনাকাটা। শহরের বিভিন্ন স্থান থেকে ক্রেতf ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিতে এসে মার্কেটগুলোতে ভিড় করছেন। তবে, এই আনন্দের মাঝে কিছু অসন্তোষও দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে দাম নিয়ে কিছু ক্রেতা ক্ষোভ প্রকাশ করছেন।

বুধবার (১৯ মার্চ) বরিশালসহ আশপাশের জেলা শহরের মার্কেটগুলোতে ঘুরে দেখা যায়, ক্রেতাদের উপস্থিতি তুলনামূলকভাবে বেশি। বিশেষভাবে বরিশালের বিখ্যাত পার্ক মার্ট, টপটেন, চিপস বাজারসহ অন্যান্য মার্কেটগুলোতে মানুষ ঈদের কেনাকাটা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে অনেকেই এসব মার্কেটগুলোতে কেনাকাটা করছেন এবং শিশু, প্রবীণসহ সব বয়সী মানুষ উপস্থিত হচ্ছেন।

কর্মব্যস্ত শহর বরিশালের এসব মার্কেটে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড় দেখা যাচ্ছে। সকাল থেকেই মানুষ কেনাকাটায় বের হচ্ছে এবং বেলা বাড়ার সাথে সাথে ভিড় আরও বেড়ে যাচ্ছে। তবে, কিছু ক্রেতা অভিযোগ করছেন যে, এবারের ঈদের পণ্যের দাম অন্যান্য বছরের তুলনায় অনেকটা বেড়ে গেছে, যা তাদের জন্য সমস্যা সৃষ্টি করেছে।

বিক্রেতারা জানিয়েছেন, ঈদ মৌসুমে তাদের ব্যবসা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বাজারে ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী পোশাক, জুতা, প্রসাধনী এবং অন্যান্য পণ্য বিক্রি হচ্ছে। তবে, কিছু ক্রেতা বিশেষত ভারতীয় অরগেনজা, মেঘা, পাকিস্তানি সারারা, গারারা এবং শাড়ির দাম বেড়ে যাওয়ায় হতাশ। এছাড়া, বাচ্চাদের পোশাক ও কসমেটিক্সের চাহিদাও বেড়েছে।

সিনিয়র সাংবাদিক কামরুজ্জামান বাচ্চু (৫২) বলেন, “ঈদ আসলেই পরিবার নিয়ে কেনাকাটা করতে এখানে আসি। পছন্দের দোকানে গিয়ে কেনাকাটা করা বেশ ভালো লাগে, তবে দামগুলো একটু বেশি হয়ে যাচ্ছে।” অপরদিকে, ক্রেতা নাজমিন জামান মুক্তি জানান, “বাচ্চাদের জন্য এখানে কেনাকাটা করতে আসি, প্রতিবছর টপটেন ও পার্ক মার্টে কেনাকাটা করি, এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।”

ক্রেতা আসাদুজ্জামান সোহাগ জানান, “আমি শুধু প্রয়োজনের তাগিদেই কেনাকাটা করতে আসি। তবে এখন দাম বেশিই হয়ে গেছে, আমাদের মতো নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর জন্য দামটা সহনীয় নয়।”

মার্কেটের মালিকরা জানান, ঈদ মৌসুমে পণ্যের বিক্রি বেড়েছে, তবে তাদের কাছে কেনা পণ্যের দামও বেড়েছে, যা বিক্রির ওপর প্রভাব ফেলছে। তাদের দাবি, পোশাকের কোয়ালিটি অনুযায়ী দাম নির্ধারণ করা হয়।

বরিশালের কোহিনূর জুতা দোকানের মালিক আজিম হোসেন বলেন, “আমরা নিজেরাই জুতা তৈরি করি, তাই আমাদের জুতার দাম সাশ্রয়ী। তবে, বাটা, লোটো বা সাম্পান থেকে কিছুটা বেশি দাম লাগছে, কারণ পরিবহন খরচ বেড়েছে।”

এছাড়া, আল আমিন হোসেন নামে এক কর্মী জানান, “আমরা যখন দাম বাড়িয়ে পণ্য কিনি, তখন বিক্রিও সেই অনুযায়ী করতে হয়, তবে আমরা সব কিছু ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে রাখার চেষ্টা করি।”

বরিশালের চকবাজার, হেমায়েতউদ্দিন সড়ক, সিটি মার্কেট, ফাতেমা কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন ছোট-বড় মার্কেটগুলোতে বাচ্চাদের পোশাক, শাড়ি, থ্রি-পিস, গহনাসহ অন্যান্য প্রসাধনীর চাহিদা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে, মূল্য বৃদ্ধির কারণে অনেক ক্রেতা হতাশ। শহরের বড় মার্কেটগুলোর মধ্যে নারীদের তুলনায় পুরুষদের ভিড় কম দেখা যাচ্ছে, তবে তরুণ-তরুণীরা শার্ট, প্যান্ট, পাঞ্জাবির দোকানে ভিড় করছেন।

এখনও পর্যন্ত ঈদের কেনাকাটা জমে উঠেছে, তবে কিছু জায়গায় ব্যবসায়ীরা দাম বাড়িয়েও লাভের মুখ দেখছেন। এবারের ঈদে পোশাকের দাম বেশি হওয়ায় অনেক পরিবারের বাজেট ছাড়িয়ে গেছে। পরিবহন খরচ ও পণ্যের দাম বাড়ানোর কারণে ক্রেতারা বিকল্প পন্থা গ্রহণ করতে পারছেন না।

মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




চালতা কাটার কাজেই সংসার চলে ৬ মাস, হতদরিদ্র পরিবারদের জীবনের গল্প

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার হালদারপাড়ার আবদুল মমিন ও তার পরিবারের সদস্যদের জীবনের সংগ্রাম অনন্য এক উদাহরণ। বাড়ি নেই, ঘরও নেই—৫০০ টাকা মাসিক ভাড়ায় থাকেন একটি টিনের ছাপরায়। দরজাহীন এই ঘরেই স্ত্রী লাভলী বেগম ও তিন সন্তানকে নিয়ে বসবাস করেন আবদুল মমিন (৪৪)। নির্দিষ্ট কোনো পেশা না থাকলেও, তাদের সংসার চলে মূলত আচারের জন্য চালতা কাটার আয়ে।

আবদুল মমিন বলেন, “চালতা কাটার টাকায় ৬ মাস সংসার চলে।” তিনি আরো জানান, ১০০টি চালতা কুচি করার পর ৮০ টাকা আয় হয়, এবং রাত ১১টা পর্যন্ত কাজ করলে ৪০০টি চালতা কাটতে পারে। চালতার মৌসুম শেষে, গ্যাসের চুলা সারাইয়ের কাজ করতে হয় মমিনকে। তবে তার জীবনের বড় চ্যালেঞ্জ এখনও চালতা কাটার কাজ, যেটি মজুরির দিক দিয়ে কম হলেও জীবিকার একমাত্র অবলম্বন।

অন্যদিকে, উপজেলার অন্যান্য হতদরিদ্র পরিবারগুলির মতো, সেখানে ২০০ থেকে ২৫০ পরিবার একই কাজ করে সংসার চালায়। লাভলী বেগম ও মেয়ে মুক্তি খাতুন একত্রে দিনরাত চালতা কাটেন। শিরিষ থেকে আসা চালতার আড়তের ব্যবসায়ীরা তা কেটে বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেন, আর এই সিস্টেমে মমিনের পরিবারে কাজ চলে।

চালতার এই ব্যবসা নিয়ে পাঁচ ধরনের উদ্যোগ চলে—মহাজনরা চালতা ট্রাকে নিয়ে আসেন, শ্রমিকরা কাটার জন্য পৌঁছে দেন, কারখানায় আচার তৈরি হয় এবং খুচরা ব্যবসায়ীরা আচার বিক্রি করেন। একসময় চালতার আচার তৈরি হয়ে সারা দেশে চলে যায়।

এই প্রক্রিয়াটি এলাকার বিভিন্ন মানুষের জীবনধারার সাথে সংযুক্ত। যেমন, আচার বিক্রেতা আলিমুদ্দিন, যিনি একসময় তার পুঁজি না থাকলেও, চালতা বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেন। তিনি বলেন, “মাসে ৫ হাজার টাকা আয় হয়, আবার কখনো তা বেশিও হতে পারে।”

প্রথম আলোতে প্রকাশিত এই সংবাদে, বিশেষ করে হতদরিদ্র পরিবারগুলির জীবনযাত্রা ও শ্রমের অমূল্য দিক উঠে এসেছে।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




কেমন কাটবে ‘প্রমিস ডে’; পারবেন কি মনের মানুষের প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে?

মেষ (মার্চ ২১ – এপ্রিল ২০): আজ আপনি প্রেমের ক্ষেত্রে মনের মানুষের সাথে ভালো সম্পর্ক তৈরি করবেন এবং মনোযোগ দিয়ে সম্পর্কের বিষয়গুলো সামাল দেবেন। তবে কিছু পারিবারিক সমস্যার মুখোমুখি হতে হতে পারেন, তাই সেগুলোর দিকে নজর রাখুন। প্রেম এবং দাম্পত্যে কিছু আকর্ষণীয় পরিবর্তন ঘটতে পারে।

বৃষ (এপ্রিল ২১ – মে ২১): প্রেমের ক্ষেত্রে আপনি মনের মানুষের প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে সক্ষম হবেন। তবে কিছু অতিরিক্ত ব্যয়ের শঙ্কা রয়েছে এবং শারীরিকভাবে একটু অস্বস্তি অনুভব করতে পারেন। ধৈর্য ধরে চলুন, সময় এলেই আপনার প্রেমিকা বা প্রেমিক আপনার জন্য সাড়া দেবে।

মিথুন (মে ২২ – জুন ২১): প্রেমের ক্ষেত্রে আজ আপনি দুর্দান্ত পারফর্ম করবেন এবং আপনার মনের মানুষও প্রতিশ্রুতি রাখতে সক্ষম হবে। একে অপরের প্রতি বিশ্বাস বেড়ে যাবে এবং সম্পর্কের গভীরতা বাড়বে। দিনের শেষে কর্মক্ষেত্রে মানসিক চাপ কমবে।

কর্কট (জুন ২২ – জুলাই ২৩): আজ কর্মক্ষেত্রে মনোযোগ রাখতে একটু সমস্যা হতে পারে, তবে প্রেমের ক্ষেত্রে চেষ্টা চালিয়ে যান। মনের মানুষের প্রতি আপনার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করার চেষ্টা সফল হবে, তবে কিছু অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটতে পারে যা আপনার মনোভাবকে চঞ্চল করে তুলবে।

সিংহ (জুলাই ২৪ – আগস্ট ২৩): প্রেমে আপনাকে সতর্ক থাকতে হবে কারণ কিছু গোপন শত্রু আপনার সম্পর্কে নাক গলাতে পারে। মনের মানুষকে সন্তুষ্ট করতে গিয়ে কিছু সমস্যা হতে পারে, তাই সাবধানে চলুন।

কন্যা (আগস্ট ২৪ – সেপ্টেম্বর ২৩): আজ আপনি মনের মানুষের সাথে প্রমিস রাখতে পারবেন, তবে একে অপরের প্রতি প্রত্যাশা পূর্ণ হবে না। আপনার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখুন, কিন্তু আপাতত সব কিছু গোপন রাখুন এবং নিজেকে সময় দিন।

তুলা (সেপ্টেম্বর ২৪ – অক্টোবর ২৩): প্রেমের ক্ষেত্রটিতে শুভ যোগ রয়েছে। আপনি ও আপনার সঙ্গী একে অপরের প্রতি প্রতিশ্রুতি রাখতে সক্ষম হবেন, এবং ভবিষ্যতের সম্পর্কও মজবুত হবে। পরিবারের সহায়তা পেতে পারেন।

বৃশ্চিক (অক্টোবর ২৪ – নভেম্বর ২২): প্রেমের ক্ষেত্রে আজ আপনাকে পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতে হবে। মনের মানুষের মন জয় করার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যান, তবে বন্ধুদের সহায়তা নিয়ে এগিয়ে চলুন।

ধনু (নভেম্বর ২৩ – ডিসেম্বর ২১): মানসিক অস্থিরতা আপনার সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে, তবে প্রেমের বিষয়ে কোনো তাড়াহুড়া না করে বুঝেশুঝে সিদ্ধান্ত নিন। খরচের ব্যাপারে সতর্ক থাকুন।

মকর (ডিসেম্বর ২২ – জানুয়ারি ২০): প্রেমে আপনি আজ অধিকার বজায় রাখতে চাইবেন এবং আপনার মূল্যবান কিছু উপহার কিনে মনের মানুষের প্রতি প্রতিশ্রুতি রাখবেন। তবে নেতিবাচক চিন্তা থেকে দূরে থাকুন।

কুম্ভ (জানুয়ারি ২১ – ফেব্রুয়ারি ১৯): প্রেমের সিদ্ধান্তে আপনি কিছুটা দ্বিধায় পড়তে পারেন, তবে আপনি নিজেই জানেন যে আপনার মনের মানুষ প্রতি দুর্বল হয়ে পড়েছেন। পরিস্থিতি ঠিকঠাক করতে সহকর্মী বা বন্ধুর সঙ্গে কথা বলতে পারেন।

মীন (ফেব্রুয়ারি ২০ – মার্চ ২০): প্রেমের প্রতিশ্রুতি নিয়ে তাড়াহুড়া করবেন না। সম্পর্কটি কোন প্রতিযোগিতা নয়, তাই নিজের সত্যিকারের অনুভূতি প্রকাশ করুন এবং শান্তভাবে সম্পর্কটিকে এগিয়ে নিয়ে যান। ভ্রমণের সম্ভাবনা রয়েছে।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




বিদেশি পর্যটকরা ঢাকার যে মসজিদ দেখতে আসেন

ঢাকার পুরান ঢাকার আরমানিটোলা এলাকায় অবস্থিত তারা মসজিদ এখন একটি প্রধান পর্যটন স্থান হয়ে উঠেছে, যেখানে বিদেশি পর্যটকরা ধর্মীয় স্থাপত্য এবং বাংলাদেশের ঐতিহ্য উপভোগ করতে আসেন। মসজিদের ভেতরে বিচিত্র নকশা এবং অলংকরণ যেমন, প্রাচীন টাইলস, রঙিন কাচের টুকরা, চিনামাটির ফলকসহ নানা উপকরণ ব্যবহৃত রয়েছে, যা পর্যটকদের মুগ্ধ করে। বিশেষ করে ‘চিনি টিকরি’ নকশা, যেখানে কাচের টুকরা দিয়ে মসজিদের দেয়াল এবং গম্বুজ সাজানো হয়েছে, একে অনন্য করে তোলে।

প্রথম দর্শনেই এই মসজিদটির ভেতরের গম্বুজ ও দেয়ালের ডিজাইন পর্যটকদের চোখ ধাঁধিয়ে দেয়। বিকেলে বাতি জ্বালালে দেয়ালে কাচের টুকরোগুলোর রঙিন আলো এমনভাবে প্রতিফলিত হয় যে, মসজিদটি আরও রহস্যময় হয়ে ওঠে।

তারা মসজিদটির নির্মাণকাল নিয়ে কিছু মতপার্থক্য থাকলেও ইতিহাসবিদ মুনতাসীর মামুন তার বই ‘ঢাকা: স্মৃতি বিস্মৃতির নগরী’-তে এই মসজিদের নির্মাণকাল ১৮শ শতকের শেষ ভাগ বলে উল্লেখ করেছেন। বাংলাপিডিয়া অনুযায়ী, মসজিদটির নির্মাণকাল ১৯শ শতকের প্রথম দিকের। মসজিদটি নির্মাণ করেছিলেন ধনাঢ্য জমিদার মীর্জা গোলাম পীর, যিনি মসজিদটি ওয়াকফ করে গিয়েছিলেন।

বর্তমানে, মসজিদটির আকর্ষণ শুধু স্থানীয় মুসল্লিদের জন্য নয়, বরং বহু বিদেশি পর্যটক এবং বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতরা এখানে দর্শনীয় স্থান হিসেবে আসেন। ঢাকার প্রধান দর্শনীয় স্থান হিসেবে **তারা মসজিদ** বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের ওয়েবসাইটেও উল্লেখ রয়েছে।

মসজিদটির সংস্কার কাজ শুরু হয়েছিল ১৯২৬ সালে, যখন আরমানিটোলার ব্যবসায়ী আলী জান ব্যাপারী বিপুল পরিমাণ অর্থ খরচ করে এটি সংস্কার করেন। ১৯৮৭ সালে মসজিদটি আবারো সংস্কার করা হয় এবং এর পর থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হচ্ছে।

তারা মসজিদটি একটি আকর্ষণীয় স্থাপত্য নিদর্শন হিসেবে দাঁড়িয়ে রয়েছে, যেখানে পর্যটকরা ঢাকার ঐতিহ্য এবং স্থাপত্যশৈলীর এক অনন্য সম্মিলন দেখতে পান। পুরোনো ঢাকার ঘিঞ্জি পরিবেশের মধ্যে মসজিদটি এক নিঃসঙ্গ শান্তির স্থান, যা সত্যিই দর্শনীয়।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




ফেসবুক থেকে শুরু, এখন ১৬ লাখ টাকার কেক বিক্রি!

পটুয়াখালীর দুই বন্ধু ইমাম হোসেন ও রুম্পা আক্তারের উদ্যোগ ‘সফট বাইট’ এখন কেকের জনপ্রিয় ব্র্যান্ড। মাত্র ৫ হাজার টাকা পুঁজি নিয়ে ফেসবুক পেজের মাধ্যমে শুরু হওয়া এই ব্যবসা এখন চারটি শাখা, ৩৫ জন কর্মী ও মাসিক ১৬-২০ লাখ টাকা বিক্রির প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।

২০১৯ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন ইমাম ও রুম্পা। রুম্পার জন্মদিনে ভালো কেক না পেয়ে তারা ভাবলেন, পটুয়াখালীতে ভালো কেকের ব্যবস্থা করা দরকার। ঢাকায় ফিরে শুরু করেন কেক প্রস্তুতির গবেষণা। ফেসবুকে ‘সফট বাইট’ নামে পেজ খুলে শুরু হয় তাদের ব্যবসার যাত্রা।

শুরুর দিকে ঢাকা থেকে লঞ্চে কেক পাঠিয়ে পটুয়াখালীতে বিক্রি করতেন তারা। ক্রেতাদের চাহিদা বাড়তে থাকলে ধীরে ধীরে প্রসারিত হয় ব্যবসা। বর্তমানে সফট বাইটের দুটি শাখা পটুয়াখালী ও দুটি বরগুনায়।

কোভিড-১৯ মহামারির সময় ব্যবসা চালিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। তবে ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনোভেশন অ্যান্ড এন্ট্রাপ্রেনিউরশিপ বিভাগ থেকে পাওয়া জ্ঞান, মেন্টরশিপ ও ভেঞ্চার ক্যাপিটাল অফার তাদের এগিয়ে যেতে সাহায্য করে।

ইমাম বলেন, “চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে শিখেছি। আমাদের টার্গেট, ২০২৬ সালের মধ্যে সব বিভাগীয় শহরে সফট বাইটের শাখা খোলা। ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড হিসেবে সফট বাইটকে দেখতে চাই।” নতুনদের উদ্দেশে ইমাম বলেন, **”উদ্যোগ নিন, পথ চলতে চলতেই শিখবেন। নেটওয়ার্কিং বাড়ান, বই পড়ুন এবং স্বপ্ন দেখুন। নিজেদের এমনভাবে তৈরি করুন যাতে ভবিষ্যতে বিশ্ব আপনাদের চিনতে বাধ্য হয়!”

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




পটুয়াখালীর মুসা হাওলাদার ১৬ বছর পর কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে বাড়ি ফিরেছেন

১৬ বছর পর জামিনে মুক্তি পেয়ে পটুয়াখালীর বাউফলের সাবেক বিডিয়ার জওয়ান মুসা হাওলাদার বাড়ি ফিরেছেন। পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দীর্ঘ সময় কারাবন্দি থাকার পর ২৩ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) তিনি মা-বাবার কাছে ফিরে আসেন। মুক্তির পর পরিবারের কাছে ফিরে আসায় মুসার বাড়িতে আনন্দের বন্যা বইছে। তাঁর অসুস্থ ৯৮ বছর বয়সী বাবা ও ৮৫ বছর বয়সী মা, যাদের শারীরিক অবস্থা ছিল গুরুতর, তাঁকে দেখে মানসিকভাবে সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

মুসা হাওলাদার কনকদিয়া ইউনিয়নের উত্তর কনকদিয়া গ্রামের মফিজ উদ্দিন হাওলাদারের ছেলে। ৫ ভাই ও ৩ বোনের মধ্যে তিনি দ্বিতীয়। খুব সাধারণ ও দরিদ্র পরিবারে জন্মগ্রহণ করা মুসা ১৯৮৮ সালে বিডিআরে যোগ দেন। তার পরিবারের একমাত্র সরকারি চাকরিজীবী হিসেবে তিনি ভাই-বোনদের লেখাপড়া করিয়ে ও পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন। কিন্তু ২১ বছর চাকরি করার পর পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িয়ে তিনি ১৬ বছর কারাবন্দি হন। মুসার স্ত্রী ও দুই সন্তান রয়েছে। বর্তমানে বড় ছেলে মহিউদ্দিন (২০) ঢাকায় একটি বেসরকারি কোম্পানীতে সিভিল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করছেন এবং ছোট ছেলে মারুফ (১৭) কামিল মাদরাসায় লেখাপড়া করছেন।

মুসা হাওলাদার বলেন, “মিথ্যা মামলায় দীর্ঘ ১৬ বছর কারাগারে থাকার পর পরিবারের কাছে ফিরে আসার অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। বাবা-ছেলের সঙ্গে নামাজ পড়তে পারছি, এই মুহূর্তে আমি পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী মানুষ।” তিনি আরো জানান, কারাগারে যাওয়ার সময় তাঁর বড় ছেলের বয়স ছিল ৩ বছর এবং ছোট ছেলের বয়স ১ বছর ছিল। এই সময় তাঁর কাছে দুঃখের মুহূর্ত ছিল। তবে ভাইয়ের সহযোগিতায় তাঁর সন্তানরা বড় হয়েছে। তিনি বলেন, “আমার ভাইদের প্রতি আমি চিরকাল কৃতজ্ঞ, কারণ তারা আমার সন্তানদের বড় করেছে।”

মুসা আরো বলেন, “আমার ওপর অন্যায়ভাবে দোষ চাপানো হয়েছিল। ঘটনার দিন আমার ডিউটি ছিল না। আমি আশা করি আমার হক আমি ফিরে পাব।” ছাত্রসমাজের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, “ছাত্রসমাজ যদি এগিয়ে না আসতো, তাহলে আমরা কারামুক্ত হতে পারতাম না।” মুসা আরো বলেন, “জীবন থেকে ১৬টি বছর অন্যায়ভাবে কেড়ে নেওয়া হয়েছে। আমি জেলখানায় এখনো নির্দোষ বিডিআরের সদস্যদের মুক্তির দাবি জানাচ্ছি।”

মুসার ছোট ছেলে মারুফ বলেন, “বাবাকে জন্মের পর কখনো কাছে পাইনি, কিন্তু আজ বাবা ফিরে এসেছে। আল্লাহর কাছে শুকরিয়া, বাবার সঙ্গে নামাজ পড়ছি।”

মুসার ছোট ভাই বশির উদ্দিন হাওলাদার বলেন, “আমার ভাইয়ের ওপর জুলুম করা হয়েছে। তিনি ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের ষড়যন্ত্রের শিকার। আমরা এখনো মানসিক বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতে পারিনি। তবে ভাই ফিরে আসায় আমরা অনেক খুশি।”

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




একবার চার্জে ২৫০ কিলোমিটার চলবে এই গাড়ি

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : বর্তমানে ইলেকট্রিক গাড়ির ব্যবহার ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এটি পরিবহণ ব্যবস্থা এবং পরিবেশের জন্য একটি বড় পরিবর্তন নিয়ে আসছে। বিশেষত, গ্রিন হাউস গ্যাস নির্গমন কমানো এবং পরিবেশ রক্ষায় বিশেষ ভূমিকা পালন করছে।

ভারতীয় গণমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইলেকট্রিক গাড়ি প্রস্তুতকারক সংস্থা ভেইভে মোবিলিটি এমন এক ইলেকট্রিক গাড়ি নিয়ে আসছে যা একবার চার্জ দিলে চলবে ২৫০ কিলোমিটার।

এই ইলেকট্রিক গাড়ি পাওয়া যাবে তিনটি ভ্যারিয়েন্টে- নোভা, স্টেলা ও ভেগা। ৩ লাখ ২৫ হাজার থেকে দাম শুরু। সবচেয়ে বেশি দামের গাড়িটির মূল্য ৫ লাখ ৯৯ হাজার টাকা। গাড়ির গতি থাকবে সর্বোচ্চ ৭০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায়। আবার গতি বাড়ানোর ক্ষেত্রে মাত্র পাঁচ সেকেন্ডের মধ্যেই ০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিতে পৌঁছনো যাবে।