সুখী হতে কী লাগে?




আমদানি ব্যয় কমাতে দক্ষিণাঞ্চলের সূর্যমুখী তেলের আবাদ

বরিশাল অফিস:: জাতিসঙ্ঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই খাদ্য উৎপাদন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা এবং ভূমি ও মৃত্তিকার গুণগত মানের উত্তরোত্তর বৃদ্ধি সাধন করার লক্ষ্য অর্জনে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে তেলজাতীয় ফসলের ক্রমবর্ধমান আবাদ বৃদ্ধি অর্থনীতিতে আশার আলো দেখছেন।

এ লক্ষ্যে পায়রা ও শ্রীমন্ত বিধৌত পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলায় রবি মৌসুমে ৩৫ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখীর চাষ হয়েছে। ক্ষেত দেখে মনে হয়, যেন হলুদের সাজানো বাগান। বিস্তীর্ণ মাঠে সূর্যমুখী ফুলের সমারোহ। ফুলগুলো বাতাসে দোল খেয়ে যেন ভালোবেসে সকলকে কাছে টানছে তাদের সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য। সূর্যমুখীর চাষ করে অধিক ফলনের সম্ভাবনা দেখতে পেয়ে খুশি উপজেলার চাষীরা।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় রবি মৌসুমে ২ হাজার হেক্টর জমি মৌসুমি পতিত থাকে। এসব মৌসুমি পতিত জমিতে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে রবি মৌসুমে ৩৫ হেক্টর জমিতে হাইসান-৩৩, হাইসান-৩৬, বারি সূর্যমুখী-২, বারি সূর্যমুখী-৩ ও ইউনিসান জাতের সূর্যমুখীর আবাদ হয়েছে। মাটি ও আবহাওয়ায় অনুকূলে থাকায় এ মৌসুমে সূর্যমুখীর বাম্পার ফলন ও বাজারে দাম বেশি হওয়ায় এবারে খুশি সূর্যমুখী চাষীরা। এছাড়াও এ বছর এ উপজেলায় ১৫ হেক্টর জমিতে সরিষা ও ৪০ হেক্টর জমিতে ভূট্টা চাষ করা হয়।

এসএসিপি ও বরিশাল-পটুয়াখালী-ভোলা-মাদারীপুর কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে এ সকল ফসলসহ ব্যক্তি উদ্যোগে আবাদ করা হয়েছে। সূর্যমুখী ফুলের চাষ করলে ফুল থেকে তেল, খৈল ও জ্বালানি পাওয় যায়। প্রতি কেজি বীজ থেকে কমপক্ষে আধা লিটার তৈল উৎপাদন সম্ভব। প্রতি বিঘা জমিতে ৭ মণ থেকে ১০ মণ বীজ উৎপাদন হয়। সে হিসেবে তেল উৎপাদন হবে প্রতি বিঘায় ১৪০ লিটার থেকে ২০০ লিটার পর্যন্ত।

উপজেলার চরখালীর গ্রামের আদর্শ কৃষক রেজা আকন বলেন, এবারে ৫০ শতক জমিতে ইউনিসান জাতের সূর্যমুখী চাষ করেছি এবং পরিবারের সাত সদস্যের এ বছরের তেলের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি ১৫ হাজার টাকার সূর্যমুখীর বীজ বিক্রির আশা করছি।

উপজেলা কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাগণ সার্বক্ষণিক তেল ফসলের আবাদ বৃদ্ধিতে কৃষকগণকে পরামর্শ ও সেবা দিয়েছেন। ফলে সূর্যমুখীসহ রবি মৌসুমে ফলন দ্বীগুন হয়েছে। প্রতি একর জমিতে সূর্যমুখীর ফলন হয় ২০ থেকে ২৪ মণ। এর থেকে তেল পাওয়া যায় প্রায় ১২ মণ। প্রতিকেজি তেল বাজারে ২৬০-২৮০ টাকা দামে বিক্রি করা যায়।

দক্ষিন মজিদবাড়িয়া গ্রামের কৃষক মোতালেব গাজী ও মামুন হাওলাদার বলেন, গত বছর সূর্যমুখীর চাষ করে সফল হয়েছি। তাই এ বছরও চার একর জমিতে সূর্যমুখীর চাষ করেছি। ফলন অনেক ভালো। আশা করছি, গত বছরের মতো এ বছরও লাভবান হতে পারব।

উপজেলার পূর্ব সুবিদখালির কৃষক পলাশ সূত্রধর বলেন, এ বছর ৩৩ শতক জমিতে বারি সরিষা ১৪ চাষ করে উৎপাদন খরচ বাদে ২৪ হাজার টাকা লাভ করেন। উপজেলায় পূর্বের বছরের তুলনায় এ বছর সূর্যমুখী ও সরিষার আবাদ বেড়েছে ১৫ হেক্টর। যা সরকারের আগামী ৩ বছরের মধ্যে তেল ফসলের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ১০ শতাংশ থেকে ৪০ শতাংশের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ভূমিকা রাখছে।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মো: নাহিদ হাসান জানান, চলতি অর্থবছরে এ উপজেলায় সূর্যমুখির আবাদ বেড়েছে ৯ হেক্টর ও সরিষার আবাদ বেড়েছে ৬ হেক্টর। যা সরকারের তেল ফসলের আবাদ বৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন ও আমদানি ব্যয় কমাতে ভূমিকা রাখছে। সূর্যমুখীর বীজ ভাঙ্গানোর তৈল দুই মাসের বেশি রাখলে গন্ধ হতে পারে। তাই অল্প অল্প করে বীজ ভেঙ্গে তৈল বের করে খেলে খাবারের স্বাদও ভালো পাওয়া যায়া।

উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো: আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এ চাষাবাদে এবার বাম্পার ফলন হয়েছে এবং কৃষকেরা দামও ভালো পাচ্ছে। সূর্যমুখীর তেল অন্যান্য ভোজ্যতেলের তুলনায় অধিক স্বাস্থ্যকর হওয়ায় উপজেলায় এর চাহিদা ব্যাপক বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর এক একর জমির উৎপাদিত বীজ থেকে ৫০-৬০ হাজার টাকা লাভ করা সম্ভব। সূর্যমুখী গাছ জ্বালানি হিসেবেও ব্যবহার করা যায়। তাই দেশীয় উৎপাদনের মাধ্যমে সূর্যমুখীসহ রবি ফসল আবাদে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে।




খানাখন্দে ভরা কলাপাড়া-কুয়াকাটা সড়ক

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার পাখিমারা থেকে মৎস্যবন্দর মহিপুর পর্যন্ত সাড়ে ১১ কিলোমিটার সড়কের অংশের পিচ উঠে গিয়ে অসংখ্য ও খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে এই সড়ক পথে চলাচলকারী গাড়িগুলো একবার রাস্তার এপাশ আবার ওপাশ দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।

বিআরটিসির বাসচালক ইউনুস মুন্সী বলেন, ‘গাড়ি যে চালামু, রাস্তায় হেই রহম অবস্থা নাই। রাস্তায় গর্ত আর গর্ত। একটা ট্রিপ দেলেই গাড়ি মেরামত করাইতে হয়। এই রাস্তাডা যে মানুষজন ব্যবহার করে, এই রাস্তা দিয়া যে গাড়ি চলে, হেইডা মনে হয় উপরের মহলের খেয়ালে নাই।’

স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, কলাপাড়া-কুয়াকাটা মহাসড়কের উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের পাখিমারা বাজার থেকে মহিপুর ইউনিয়নের শেখ রাসেল সেতু পর্যন্ত সাড়ে ১১ কিলোমিটার সড়কের অবস্থা একেবারেই নাজেহাল। বছরের পর বছর ধরে এই সড়ক এভাবে পড়ে আছে। এর সংস্কার আদৌ হবে কি না, তা কেউ জানে না।

আরো পড়ুন : কুয়াকাটার বঙ্গোপসাগরে ধরা পড়ল বিশাল আকৃতির কোরাল মাছ

সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কের সাড়ে ১১ কিলোমিটার অংশে পিচঢালাই উঠে গিয়ে ইট-সুরকি বেরিয়ে গেছে। সড়কটিতে ছোট বড় অসংখ্য গর্ত রয়েছে। কোথাও কোথাও সড়কের একপাশ দেবে গেছে। অথচ সড়কে যাত্রীবাহী বাস, মালবাহী ট্রাক, পিকআপ ভ্যানসহ অসংখ্য যানবাহনের ভিড়। গাড়িগুলো হেলে দুলে চলছে।

পাখিমারা এলাকার কলেজ শিক্ষক সোহরাব হোসেন বলেন, প্রতিদিন আমাকে এ সড়ক দিয়ে কলেজে যেতে হয়। মোটরসাইকেল চালিয়ে ঠিকই কলেজে যাই, কিন্তু ধুলাবালুতে হাত-পা-মুখ আর কাপড়চোপড় নষ্ট হয়ে যায়। গত কয়েক বছর ধরে এ সড়কটি মেরামত করার দাবি জানিয়ে আসছি। কিন্তু কোনো পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে না।

জানা যায়, ২০০৯-১০ অর্থবছরে কলাপাড়া উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের পাখিমারা বাজার থেকে মহিপুর মৎস্য বন্দরের শেখ রাসেল সেতু পর্যন্ত সাড়ে ১১ কিলোমিটার অংশের উন্নয়ন কাজ করে খুলনার দ্য রূপসা ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। তখন এর নির্মাণ ব্যয় ছিল ২০ কোটি টাকা। কাজটি মানসম্মত না হওয়ায় তখন ঠিকাদারের আট কোটি টাকার বিল আটকে দেয় পটুয়াখালী সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ কর্তৃপক্ষ।

সূত্রটি আরো জানায়, বিল আটকে দেয়ার ঘটনায় দ্য রূপসা ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেডের প্রতিনিধি রাশেদুল ইসলাম চূড়ান্ত বিল দাবি করে ২০১৪ সালে আদালতে মামলা করেন। আদালত মামলার কারণে সংস্কারকাজে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেন। এরপর আর বড় কোনো কাজ হয়নি এ সড়কে।

পটুয়াখালী সওজ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী এ এম আতিকুল্লাহ বলেন, পটুয়াখালী-কুয়াকাটা সড়কের সাড়ে ১১ কিলোমিটার সড়কটি নিয়ে আদালতে মামলা থাকায় এত দিন এর সংস্কার কাজ করা যায়নি। তবে উচ্চ আদালত মামলার শুনানি শেষে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছেন। এখন আর এ সড়কের নির্মাণ বা মেরামতের জন্য কোনো বাধা নেই। আশা করছি, আগামী মাসের মধ্যে ঠিকাদারকে কার্যাদেশ দেয়া যাবে।




হিট স্ট্রোকের লক্ষণ জেনে নিন

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  তীব্র গরম কেবল অস্বস্তিদায়ক অনুভূতিই দেয় না, এটি বাড়িয়ে দেয় হিট স্ট্রোকের ঝুঁকিও। গত কয়েক বছর ধরে এপ্রিল মাস থেকেই শুরু হচ্ছে তাপপ্রবাহ। এটি আমাদের স্বাস্থ্যের নানাভাবে ক্ষতি করতে পারে। তাই এই সময়ে আরও বেশি সচেতন হতে হবে। গবেষকরা বলছেন, বিগত পঞ্চাশ বছরে সতের হাজারেরও বেশি মানুষ মারা গেছেন হিট স্ট্রোকের কারণে। এ ধরনের আবহাওয়ায় বেলা এগারোটা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত খুব বেশি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হতে নিষেধ করছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ এসময় বাইরে বের হলে শরীরে পানির অভাব দেখা দিতে পারে। সেখান থেকেই বাড়তে পারে হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি।



ফ্রিতে এআই ব্যবহার করে ছবি-ভিডিও এডিট করবেন যেভাবে

 

 

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) প্রযুক্তি বেশ দাপটের সাথে রাজত্ব করেছে প্রযুক্তিবিশ্বে। যেকোনো জায়গায় যেকোনো কাজে মানুষের প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠছে এই প্রযুক্তি। এই পরিস্থিতিতে খ্যাতনামা সফটওয়্যার কোম্পানি অ্যাডোবি তাদের এআই বেসড্ ছবি এডিটিং অ্যাপ অ্যাডোবি এক্সপ্রেস মোবাইল চালু করল।

এই নতুন অ্যাপ্লিকেশনটি ইউজারদের ফায়ারফ্লাই জেনারেটিভ ফিল, টেক্সট-টু-ইমেজ এবং টেক্সট এফেক্টস্-এর মতো অপশনের পাশাপাশি মোবাইল ওয়ার্কফ্লোর জন্য দারুণ সব ছবি-ভিডিও এডিটিং ফিচার যুক্ত করা হয়েছে।

নতুন অ্যাপ উন্মুক্তের কথা জানিয়ে অ্যাডোবি এক্সপ্রেস এবং ডিজিটাল মিডিয়া সার্ভিসেসের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট গোবিন্দ বালাকৃষ্ণান বলেন, এখন বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের ইউজাররা নিজেদের আইডিয়া ও কন্টেন্টের প্রচারের জন্য এই ধরনের টুলের সাহায্য নিচ্ছেন।

এক্ষেত্রে অ্যাডোবি এক্সপ্রেস মোবাইল এখন থেকে ব্র্যান্ডের অ্যাডোবি এক্সপ্রেস ও ফায়ারফ্লাই জেনারেটিভ এআই –দুটি সার্ভিসকে মিলিয়ে মিশিয়ে ম্যাজিকাল ওয়েব বা মোবাইল কন্টেন্ট তৈরি করবে। এই বিষয়ে আগ্রহ বাড়াতে সংস্থাটি নতুন অ্যাপে উপলক্ষ্যে কিছু ফিচারের তালিকা সামনে নিয়ে এনেছে।

নতুন অ্যাপে যে-সব সুবিধা পাবেন

টেক্সট-টু-ইমেজ

এআই টুলে দীর্ঘদিন ধরেই এই ফিচার পাওয়া যাচ্ছে। এতে ইচ্ছেমতো শব্দ-বাক্য টাইপ করলেই ফায়ারফ্লাই স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেই অনুযায়ী ছবি তৈরি করে। ব্যবহারকারীরা নির্দিষ্ট প্রম্পট দিয়ে যেকোনো আর্টিফিশিয়াল ছবি তৈরি করতে পারেন।

জেনারেটিভ ফিল

এটি ছবি থেকে কোনো অবজেক্ট মুছে ফেলা বা তাতে নতুন কিছু যুক্ত করার কাজে আসবে। এছাড়া যদি কোনো ছবির ফ্রেম বড় করতে হয় তাহলে সেটির বাকি অংশ ফিল করা যাবে এই ফিচারের সাহায্যেই।

টেক্সট ইফেক্ট

এই ফিচার এআইয়ের সাহায্যে টেক্সট স্টাইল প্রস্তুত এবং ইফেক্ট অ্যাপ্লাই বিকল্প দেবে।

ভিডিও

অ্যাডোবি এক্সপ্রেস, বেশ কিছু টেম্পলেট অফার করবে যা ভিডিও তৈরির সময় ছবি এবং মিউজিক একত্রিত করতে কাজে আসবে। এছাড়া এতে অ্যানিমেশন তৈরি এবং রিয়েল-টাইম ক্যাপশনে ভিডিও ক্লিপ যুক্ত করা যাবে।

কুইক অ্যাকশন

দ্রুত ছবি-ভিডিও এডিটের জন্য এই সহজ অপশন ব্যবহার করা যাবে। এমনকি এর মাধ্যমে ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ থেকে শুরু করে ছবি রিসাইজও করা যাবে।

 




অস্বাভাবিক তাপপ্রবাহে পর্যটকশূন্য কুয়াকাটা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: অস্বাভাবিক তাপমাত্রার কারণে এবং অসহ্য গরমে পর্যটকশূন্য হয়ে পড়েছে পর্যটনকেন্দ্র সাগরকন্যা কুয়াকাটা। কোথাও নেই পর্যটকদের কোলাহল। সৈকতজুড়ে শুধু ধু ধু বালুচর। দীর্ঘ ১৮ কিলোমিটার সৈকতজুড়ে বিরাজ করছে সুনসান নীরবতা। দীর্ঘ সরকারি ছুটিতেও মিলছে না পর্যটক।

স্থানীয় ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তারা বলেছেন, অস্বাভাবিক তাপপ্রবাহের কারণে এবার পর্যটক কমেছে।
প্রতিদিন এখানে অনেক দর্শনার্থীর আগমন ঘটত। সকাল, দুপুর, বিকাল কিংবা গভীর রাত পর্যন্ত পর্যটকদের পদচারণায় সাগরতট থাকত মুখরিত। পর্যটন স্পট গুলোতেও ছিল পর্যটকের উপচেপড়া ভিড়। সাগরের ঢেউ গর্জন করে তীরে আছড়ে পড়ছে। দেখলে মনে হয় যেন এসব মনোরম দৃশ্য দেখার কেউ নেই। কিছু পর্যটক থাকলেও তারা দিনের বেলা হোটেল থেকে বের হচ্ছে না প্রচণ্ড গরমের কারণে। পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো হয়ে পড়েছে একেবারে গ্রাহকহীন। 

এ দিকে কলাপাড়াসহ উপকূলজুড়ে অসহ্য তাপপ্রবাহে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বৈদ্যুতিক পাখার বাতাসেও মিলছে না স্বস্তি।

কুয়াকাটা সৈকতে চটপটি বিক্রেতা আলামিন বলেন, ঈদুল ফিতর ও বৈশাখ উপলক্ষে অনেক পর্যটকের ভিড় ছিল। এখন অস্বাভাকি তাপপ্রবাহের কারণে পর্যটকশূন্য হয়ে পড়েছে।

আরো পড়ুন : পটুয়াখালীতে ১ মাসে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত ৩ হাজার

হোটেল গ্র্যান্ড সাফা ইনে ম্যানেজার মো: সাইদুর রহমান জানান, প্রচণ্ড গরমের কারণে কুয়াকাটা পর্যটক নেই। বর্তমানে হোটেলের বিদ্যুৎ বিল ও কর্মচারীদের বেতন পরিশোধ করা দুষ্কর হয়ে পড়েছে।

কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোতালেব শরীফ বলেন, গরমে পর্যটক এসে অতিষ্ঠ হয়ে পড়ছেন। যে কারণে মানুষ এসে টিকতে পারছেন না। ঈদুল ফিতর উপলক্ষে কিছু ট্যুরিস্ট আসছিল এরপর থেকে প্রচণ্ড গরমের কারণে বর্তমানে হোটেল-মোটেলের সিট ফাঁকা রয়েছে। সাগরের পাড়ে এসে মানুষ উত্তাপে টিকতে পারছে না। লবণাক্ত পানিতে শরীর শুষ্ক হয়ে যাচ্ছে।




প্রচণ্ড দাবদাহে ১৫০ কিমি হেঁটে কুয়াকাটায় তারা ৩ জন

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: প্রেসিডেন্ট রোভার স্কাউট অ্যাওয়ার্ড অর্জনের লক্ষ্যে প্রচণ্ড দাবদাহে ১৫০ কিলোমিটার পথ হেঁটে পটুয়াখালীর কুয়াকাটা গেল রোভার স্কাউটের তিন সদস্য।

সোমবার দিবাগত রাত ১০টায় রোভার স্কাউটের তিন সদস্য- অনিক কুমার সাহা, মো. অমিত হাসান ও মাসরাফি কুয়াকাটার খানাবাদ ডিগ্রি কলেজে গিয়ে পৌঁছায়।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৬টায় ‘প্লাস্টিক দূষণ সমাধানে, শামিল হই একসঙ্গে’, ‘মাদক পরিহার করি, সুস্থ জীবন গড়ি’, ‘ট্রাফিক আইন মানব, নিরাপদ জীবন গড়ব’- এসব স্লোগানকে সামনে রেখে রোভার স্কাউটের এই তিন সদস্য গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক থেকে তারা যাত্রা শুরু করেন।

আরো পড়ুন : পর্যটক ও ব্যবসায়ীদের বর্জ্যে নষ্ট হচ্ছে সৈকতের পরিবেশ

ওই তিন রোভার স্কাউট সদস্যদের মধ্যে অনিক কুমার সাহা গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থী। এছাড়া অমিত হাসান ও মাসরাফি কোটালীপাড়ার শেখ লুৎফর রহমান আদর্শ সরকারি কলেজের অর্থনীতি বিভাগের লেখাপড়া করছেন।

যাত্রাপথে তারা বিভিন্ন শিক্ষা ও শিল্পপ্রতিষ্ঠান, প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও গুরুত্বপূর্ণ স্থান পরিদর্শন ও পর্যবেক্ষণ করেন। একই সঙ্গে স্থানীয়দের বিদ্যুৎ অপচয় কমাতে সচেতনতা, দুর্নীতি রোধ, প্লাস্টিক বর্জন, জলবায়ু রক্ষা, পলিথিনের বিকল্প ব্যবহার বিষয়ে সচেতনতামূলক প্রচারণায় অংশ নেন।

রোভার টিমের সদস্য অমিত হাসান জানান, ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে দরকার স্মার্ট নাগরিক; কিন্তু বর্তমান যুবসমাজ নেশাসহ নানা অপরাধে জড়িয়ে গেছে। নিজেদের স্মার্ট নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে ও দক্ষ জনবল তৈরিতে স্কাউট তথা রোভারিংয়ের বিকল্প নেই।




বরগুনার ২৬৬ সেতু মরণফাঁদ!

বরিশাল অফিস:: বরগুনায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) হালকা যান চলাচল প্রকল্পের আওতায় নির্মিত প্রায় ৩শ’ লোহার সেতু সংস্কারের অভাবে এখন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর (এলজিইডি) বরগুনা কার্যালয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছরে এলজিইডির আওতায় ‘হালকা যান চলাচল প্রকল্পের’ অধীনে এসব সেতু নির্মাণ করা হয়। এর মধ্যে বরগুনা সদরে ৩৫টি, বেতাগীতে ৪৬, বামনায় ৩৬, পাথরঘাটায় ৬২ ও আমতলী উপজেলায় ৮৭টি সেতুসহ প্রায় ৩০০ সেতু নির্মাণ করা হয়। প্রকল্পটি ২০০৫ সাল পর্যন্ত কার্যকর ছিল। এর পর প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধি না করায় এসব সেতুর রক্ষণাবেক্ষণ এবং মেরামতে আর কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি, যা এখন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে।

সেতু পারাপারে প্রায়ই ঘটছে নানা দুর্ঘটনা। বর্তমানে অধিকাংশ সেতু মানুষ পারাপারে অনুপযোগী হয়ে আছে। কোথাও কোথাও স্থানীয়রা বাঁশ, কাঠ দিয়ে কোনোমতে চলাচল করলেও এসব সেতু দিয়ে চলাচলে প্রায়ই ঘটছে নানা দুর্ঘটনা।

প্রায় ২০ বছর আগে তালতলীর কড়ইবাড়িয়া ইউনিয়নের সানুর বাজারে বেহালা খালের ওপর একটি সেতু নির্মাণ করা হয়। ৮ বছর আগে সেতুটি ভেঙে চলাচল অনুপযোগী হয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা কাঠ, বাঁশ দিয়ে সাঁকো তৈরি করে পারাপার হচ্ছে।

স্থানীয়দের দাবি, ভাঙা সেতু দিয়ে অ্যাম্বুলেন্স পার না হতে পারায় সেতু সংলগ্ন সাঁকোতেই প্রকাশ্যে সন্তান প্রসব করেছেন এক প্রসূতি। সাঁকো দিয়ে এরই মধ্যেই খালে পড়ে আহত হয়েছে শিশুসহ অনেকে। সেতুটি ভেঙে যাওয়ার কারণে প্রতিনিয়ত ভোগান্তির শিকার ওই এলাকার অন্তত ২০ হাজার মানুষ।

বেহেলা গ্রামের মলয় হাওলাদার বলেন, ব্রিজ ভাঙা থাকার কারণে অ্যাম্বুলেন্স গ্রামে ঢুকতে পারে না। আমাদের বেহেলা গ্রামে ৪-৫ জন প্রসূতি নারীর বাচ্চা প্রসব হয়েছে ট্রলারে বসে। এরকম ব্রিজ আমাদের গলার কাটা। ব্রিজ না থাকলে ভালো হতো নতুন ব্রিজ হতো হয়তো।

এ বিষয়ে এলজিইডি কর্তৃপক্ষ কথা না বললেও ভাঙা সেতুগুলো দ্রুত মেরামতের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় এমপি। এ অবস্থা শুধু বেহালা ও শারিকখালী খালে নয়, জেলার ৬ উপজেলায় প্রায় ৩শ’টি লোহার সেতুর একই অবস্থা।

ভোগান্তির শিকার বরগুনা সদরের নলী সাজীপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মো.রাসেল বলেন, বিগত ৫ বছেরেরও বেশি সময় ধরে পড়ে আছে আমাদের এখানের ব্রিজটি। আর সেই সমস্যা ভোগ করছি আমরা। ব্রিজের ওপারে চর মাইঠা প্রাইমারী স্কুল শিক্ষার্থী এখন দিয়ে সব সময় পাড়াপার করে । ব্রিজের ভোগান্তির কারণে শিক্ষার্থীরা ঠিকমত যেতে পারে না। দ্রুত এ সেতুটি নির্মাণ করার দাবি এলাকাবাসীর।

বরগুনার জেলা প্রশাসক মুহা. রফিকুল ইসলাম বলেন, যেখানে মানুষের বেশি দুর্ভোগ হচ্ছে আমরা চেষ্টা করছি সেগুলো সমাধান করার। যদি জেলা পরিষদের পক্ষে কাজগুলো করা সম্ভব হয় তাদের মাধ্যমে ব্রিজগুলো মেরামত করানোর চেষ্টা করবো। তাদের আওতায় না থাকলে এলজিইডি মাধ্যমে এই ব্রিজগুলো মেরামত করার চেষ্টা করা হবে।

বরগুনা-১ আসনের এমপি গোলাম সরোয়ার টুকু বলেন, স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী প্রধানের সঙ্গে কথা হয়েছে এবং আমার ধারণা, খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে যতগুলো ব্রিজ সম্পূর্ণ করা যায়, তারা সেটা দ্রুত সময়ের মধ্যে শেষ করবেন।




দুমকী উপজেলা পরিষদ নির্বাচন – প্রচার প্রচারণায় ব্যস্ত সম্ভব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীরা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর দুমকীতে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সরগরম রাজনৈতিক, সামাজিক ও সুশীল মহল। উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদ-প্রত্যাশীরা ইতিমধ্যে নানা কৌশল অবলম্বন করে নিজের প্রার্থীতার জানান দিচ্ছেন। বিভিন্ন সভা সমাবেশ, কর্মী সভা, তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে উপস্হিত, মাহফিল ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগদান, কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে হাটবাজার গুরুত্বপূর্ণ জনবহুল এলাকায় জনসংযোগ, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুভেচ্ছা, অভিনন্দন, উঠান বৈঠক ও দোয়া চাওয়ায় সরগরম হয়ে উঠেছে সর্বমহল। 

এছাড়াও রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক লবিং গ্রুপিং চলছে পুরোদমে। উপজেলার আনাচে কানাচে হোটেল কিংবা চায়ের দোকানে হরহামেশা নির্বাচনী সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে চলছে রসাত্মক সমীকরন।

উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, ৫টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত দুমকি উপজেলার মোট ভোটার ৭১হাজার ৭৫৫ এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৩৬ হাজার ১৭০ এবং নারী ভোটার সংখ্যা ৩৫ হাজার ৫৮ জন।

সরেজমিনে দেখা যায়, ৩য় ধাপে অনুষ্ঠিতব্য আগামী ২৯মে আসন্ন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে দুমকী উপজেলায় ইতিমধ্যে সমগ্র নির্বাচনী এলাকায় জনসমর্থন আদায় করতে শোডাউন, শুভেচ্ছা বিনিময় ও কর্মী সংগ্রহে তোড়জোড় চালাচ্ছেন সম্ভব্য প্রার্থীরা।

আরো পড়ুন :  নির্বাচনে অংশ নেয়ায় দল থেকে বহিস্কার বিএনপি নেতা

তারা হলেন –
১/ সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রনেতা, পায়রা সিরামিক ইন্ডাজট্রিজ লিঃ এর চেয়ারম্যান ও পায়রা শপিং পয়েন্ট কমপ্লেক্সের ম্যানেজিং পার্টনার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এবং গত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে আলোড়ন সৃষ্টিকারী এ্যাডভোকেট মেহেদী হাসান মিজান। তিনি বিভিন্ন হাটবাজার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, পাড়ায় মহল্লায় উঠান বৈঠক, কর্মীসমর্থকদের নিয়ে শোডাউন এবং সর্বমহলে যোগাযোগের মাধ্যমে প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছেন।

২/ দুমকী উপজেলা পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান ড. হারুন-অর-রশীদ হাওলাদার। তিনি ইতিমধ্যে উপজেলার বিভিন্ন পেশাজীবীদের সাথে মতবিনিময় সভা, রাজনৈতিক ও সামাজিক সভা-সমাবেশ, হাটবাজার, পাড়ায় মহল্লায় ভোটারদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় চালিয়ে যাচ্ছেন।

/ দুমকী উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ শাহজাহান সিকদার। তিনি এলাকায় ইতিমধ্যে নিজের প্রার্থীতা ও সমর্থন চেয়ে দোয়া প্রার্থনা করছেন এবং হাট- বাজার, সামাজিক -সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক‌, ধর্মীয় অঙ্গনে সমর্থনের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন। উপজেলার সর্বত্র জনসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন।

/ বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী এ্যাডভোকেট মাওলানা মোহাম্মদ রুহুল আমিন। তিনি বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও শুশীল মহলে ব্যাপক প্রস্তুতি চালাচ্ছেন।

আরো পড়ুন : মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর লাঠির আঘাতে শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু

৫/ আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নতুন মুখ হিসেবে মাল্টা আওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ কাওসার আমিন হাওলাদার। তিনি বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, মিডিয়া, ধর্মীয় অনুষ্ঠান, সেবামূলক কাজ, উঠান বৈঠক,গ্রাম ও হাটবাজারে নিজের প্রার্থীতার ব্যাপারে বাপক প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।

/ দুমকী উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট মোঃ হুমায়ূন কবির বাদশা। তিনি ইতিমধ্যে উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে, পাড়ায় মহল্লায় জনসাধারণের সাথে কুশল বিনিময় ও দোয়া প্রার্থনা করছেন।

তবে আসন্ন দুমকী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে শেষ পর্যায়ে কত জন প্রার্থী চূড়ান্ত লড়াইয়ে অবতীর্ণ হবেন তা নিয়ে রাজনৈতিক ও শুশীল মহলে চলছে নানা হিসাব নিকাশ এবং আগামী ২মে মনোনয়ন পত্র দাখিলের পর নিশ্চিত করে বলা যাবে।




 শাকিব খানের পছন্দের খাবার কি  জানালেন বুবলী

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  তাঁদের সম্পর্ক নাকি টালমাটাল! শোনা যাচ্ছে, প্রথম পক্ষের স্ত্রী অপু বিশ্বাসের দিকেই সম্প্রতি ঝুঁকেছেন অভিনেতা শাকিব খান। নিন্দকেরা বলছেন, সেই কারণে এ বার ময়দানে নেমেছেন অভিনেতার দ্বিতীয়া স্ত্রী বুবলী। অন্তত তিনি নিজেকেই অভিনেতার স্ত্রী বলেই দাবি করেন।অবশ্য শাকিব এই মুহূর্তে অপু না কি বুবলী, কার সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্কে রয়েছেন, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। যদিও অভিনেতার দুই স্ত্রী এবং দুই সন্তানের যাতায়াত রয়েছে তাঁর বাড়িতে। দুই ছেলের কারণেই নাকি স্ত্রীদের শাকিবের সঙ্গে যোগাযোগ বর্তমান। কোন স্ত্রী শাকিবের বেশি কাছের, তা নিয়ে দু’পক্ষের নিজস্ব বক্তব্য রয়েছে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে শাকিবের সঙ্গে তাঁর সমীকরণ ও তাঁদের দাম্পত্য জীবনের অনেক খুঁটিনাটি ফাঁস করেছেন বুবলী। এ বার শাকিব খান তাঁর হাতে কী খেতে ভালবাসেন, সেটাই জানালেন অভিনেত্রী।

সম্প্রতি অপু বিশ্বাস জানান, শাকিব খান তাঁর হাতের মোরগ পোলাও খেতে পছন্দ করেন। এ বার বুবলীও জানিয়েছেন, তাঁর হাতের কোন খাবারটি শাকিবের পছন্দের। বাংলাদেশের এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী বলেন, ‘‘ আমার রান্না করা হাঁসের মাংস খেতে শাকিব পছন্দ করেন। এ ছাড়া একটা ছোট চিংড়ির ফ্রাই করি, ওটাও খুব পছন্দ করেন। তিনি যখন খান, প্রচুর কিছু খেতে পছন্দ করেন।’’ তবে নায়ক বলে কথা! এমন রসেবসে থাকলে স্বাস্থ্যের কি হবে? ক্যামেরার সামনে ফিট দেখাতে কিংবা ওজন কমাতে কী করেন? বুবলীর কথায়,‘‘যখন ওজন কমাতে হয়, তখন ডায়েট করেন। একদমই ক্র্যাশ ডায়েটে চলে যান। দেখা যায়, এক সপ্তাহের মধ্যেই ওজন কমিয়ে ফেলতে পারছেন।’’