ক্যান্সারের কাছে হার মানলেন ‘এডাল্ট স্টার’ পুনম পান্ডে

চন্দ্রদীপ নিউজ: মুম্বাইয়ের আলোচিত ও বিতর্কিত অভিনেত্রী পুনম পাণ্ডে আর নেই! ক্যান্সারের কাছে হার মানলেন এই অভিনেত্রী। তার অফিসিয়াল ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টের এক পোস্টের বরাত দিয়ে মৃত্যুর খবরটি প্রকাশ করেছে ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে।

ওই খবরে বলা হয়, সার্ভিকাল ক্যান্সারের কারণে পুনম আর নেই। ইনস্টাগ্রাম পোস্টটি প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে তা হতবাক করে ভক্ত অনুরাগীদের।

পুনম পান্ডের ম্যানেজার পারুল চাওলা ইন্ডিয়া টুডেকে জানিয়েছেন, ‘‘কিছুদিন আগে পুনমের ক্যান্সারে ধরা পড়েছিল এবং এটি শেষ পর্যায়ে ছিল। তিনি উত্তর প্রদেশে তার নিজ শহরে ছিলেন এবং শেষকৃত্য সেখানেই হবে।’’

এদিকে পুনমের মৃত্যুর খবরে দুঃখ প্রকাশ করছেন অসংখ্য অনুরাগী।

মাত্র ৩২ বছর বয়সে এভাবে চলে যাওয়া মেনে নিতে পারছেন না তার ভক্তরা। সামাজিক মাধ্যমে এখন শুধুই পুনমের বিষয়ে আলোচনা চলছে। শোক প্রকাশ করছেন বলিউড তারকারাও।

২০১৩ সালে নাশা দিয়ে বলিউডে পা রেখেছিলেন পুনম পাণ্ডে। সাহসী, খোলামেলা অভিনয়ের কারণে সবসময়ই আলোচিত ছিলেন তিনি।




মাসুদ রানা চরিত্রে অনন্ত জলিল সঙ্গে বর্ষা




বরিশালে স্বাস্থ্য সচেতনতায় গানের কনটেন্ট তৈরি করবে সিরাক

বরিশাল অফিস :: কিশোর-কিশোরীদের পরিবার পরিকল্পনা ও প্রজনন স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতন করার লক্ষ্যে বরিশালের আঞ্চলিক ভাষায় জারিগানে কনটেন্ট নির্মাণ করবে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সিরাক বাংলাদেশ।

এ লক্ষ্যে বরিশাল নগরীর বটতলা এরিয়ার হোটেল ‘রোজ ইন’ এর মিলনায়তন কক্ষে বৃহস্পতিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সাড়ে দশটায় ‘কনটেন্ট ভ্যালিডেশন’ শীর্ষক একটি ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হয়।

ইউএসআইডির অর্থায়নে জনস হপকিনস বিশ্ববিদ্যালয়ের কারিগরি সহায়তায় ‘নলেজ সাকসেস’ শীর্ষক প্রকল্পের কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য ও পরিচিতি পর্ব পরিচালনা করেন, সিরাক বাংলাদেশের উপ-পরিচালক মো.সেলিম মিয়া। বিষয়ভিত্তিক প্রকল্প উপস্থাপন করেন সিরাক বাংলাদেশ এর সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার নুসরাত শারমিন রেশমা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিবার পরিকল্পনার বরিশাল বিভাগীয় পরিচালক মো. নিয়াজুর রহমান বলেন, সরকার সরকারি-বেসরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের মাধ্যমে কিশোর-কিশোরীদের পরিবার পরিকল্পনা ও প্রজনন স্বাস্থ্য সচেতনতা তৈরিতে কাজ করে যাচ্ছে। এটি খুবই জরুরি একটি বিষয়। আর সচেতনতা তৈরির মাধ্যম হিসেবে বক্তব্য ও সাধারণ কথার চেয়ে আঞ্চলিক ভাষায় নির্মিত জারিগান, পথ নাটক বা পুঁথিপাঠ প্রভাবশালী মাধ্যম।

তিনি আরও বলেন, এসব কনটেন্টের মাধ্যমে সহজেই সহজ ভাষায় কৈশোর ও প্রজনন স্বাস্থ্য বিষয়গুলোকে মানুষের সামনে উপস্থাপন করা যাবে। সিরাক-বাংলাদেশ আঞ্চলিক ভাষাকে প্রাধান্য দিয়ে যে প্রকল্পের উদ্যোগ নিয়েছে তা সকল অঞ্চলের কিশোর-কিশোরীদের তথ্য প্রাপ্তির মাধ্যমে সচেতনতা সৃষ্টিকে আরো ত্বরান্বিত করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন পরিবার পরিকল্পনার বরিশাল জেলা এর সহকারী পরিচালক মো. নকিবুল হাসান ও মো. সাইদুর রহমান, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সুপ্রভাত হালদার, বরিশাল জেলা প্রশাসকের সহকারী কমিশনার দেবজামিকর, সভাপতির বক্তব্য রাখেন পরিবার পরিকল্পনা উপপরিচালক মো: মিজানুর রহমান। সমাপনী বক্তব্য রাখেন সিরাক বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক এসএম সৈকত।

সিরাক-বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক এসএম সৈকত সমাপনী বক্তব্যে বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে সব মানুষের দোরগোড়ায় পরিবার পরিকল্পনা ও প্রজনন স্বাস্থ্য বিষয়ক পরিষেবা পৌঁছে দিতে সরকার কাজ করছে।

তিনি আরও বলেন, সরকারের পাশাপাশি এই উন্নয়ন পরিকল্পনা আরো ত্বরান্বিত করতে দেশের ৫ জেলায় (বরিশাল, চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ ও রাজশাহী) কিশোর-কিশোরীদের পরিবার পরিকল্পনা ও স্বাস্থ্য সচেতনতা বিষয়ক অডিও এবং ভিডিও কনটেন্ট তৈরিতে কাজ করছে। তবে এবার আঞ্চলিক ভাষায় (জারি, গম্ভীরা, পালা, ধামাইল, গীতিনাট্য) গানে কনটেন্ট তৈরিতে কাজ করছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সিরাক বাংলাদেশ।

উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সিরাক-বাংলাদেশের বিভাগীয় সমন্বয়কারী মো. নাঈম হোসেন খান, এবং বরিশালের বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

উল্লেখ্য, সিরাক-বাংলাদেশ ১৯৯১ সালে এর প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই মানবাধিকার, বাল্যবিবাহ ও যৌন সহিংসতা রোধ, নারী, শিশু ও তরুণদের দক্ষতা বৃদ্ধি, গণতান্ত্রিক সচেতনতা, কর্মমুখী শিক্ষা, পরিবার পরিকল্পনা, স্বাস্থ্য অধিকার, নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে সরকারের সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে সারাদেশে সুনামের সাথে বিভিন্ন প্রকার উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।

এছাড়াও জাতিসংঘের ইসিওএসওসির সাথে বিশেষ পরামর্শক প্রতিষ্ঠান হিসেবে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তরুণদের নীতি ও উন্নয়নমূলক বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সিরাক বাংলাদেশ সরকারের সমাজসেবা অধিদপ্তর, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন এনজিও বিষয়ক ব্যুরোতে নিবন্ধিত একটি সংস্থা।




অভিনেত্রী মাহির খবর কি?

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  সদ্য অনুষ্ঠিত নির্বাচনে দাঁড়ান বাংলাদেশি অভিনেত্রী মাহিয়া মাহি। নির্দল প্রার্থী হয়ে রাজশাহী-১ আসন থেকে ট্রাক চিহ্নে নির্বাচন লড়েন। কিন্তু নায়িকার নেত্রী হওয়ার স্বপ্ন পূরণ হল না। তবে নির্বাচনী প্রচারে নেমে ভোটারদের কাছে একের পর এক অঙ্গীকার করেছিলেন মাহিয়া মাহি। ভোটে জিতলে আর অভিনয় করবেন না বলেও ঘোষণা করে দেন। তবে শেষ পর্যন্ত ভোটে জিততে পারেননি মাহি। ফের অভিনয় জীবনেই ফিরতে চাইছেন বাংলাদেশের এই নায়িকা।

নির্বাচনের জন্য বেশ ক’দিন রাজশাহীতে ছিলেন তিনি। তবে হারতেই ঢাকায় ফেরেন। সম্প্রতি মাহি বলেন, ‘‘আমি সংসদ অধিবেশন নির্বাচিত হলে, এলাকার মানুষের পাশে থাকা, রাজনৈতিক কর্মসূচি— নানা বিষয়ে ব্যস্ত থাকতে হত। তাই নির্বাচনী প্রচারের সময় বলেছিলাম, নির্বাচনের পর অভিনয় ছেড়ে দেব। আসলে অভিনয় করার সময়ই তো পেতাম না নির্বাচিত হলে। এখন এলাকার মানুষের খোঁজ-খবর নেওয়া ছাড়া তেমন কাজ নেই। আমি আগের মতো সুখে-দুঃখে তাঁদের পাশে থাকতে চাই। তার জন্য সপ্তাহে এক-দু’দিনই যথেষ্ট। বাকি দিন আর কী করব? ঠিক করেছি, বাকি দিনগুলোতে শুটিং-ডাবিং-অভিনয় নিয়েই ব্যস্ত থাকব।’’

অভিনয়ে ফিরতে চান মাহি খবর ছড়িয়ে পড়তেই নাকি চারটি ছবির প্রস্তাবও পেয়ে গিয়েছেন তিনি। তবে এখনও কোনও চিত্রনাট্যই চূড়ান্ত করতে পারেননি নায়িকা। মাহি বলেন, ‘‘আমি ছবিটিতে অভিনয় করব এটা নিশ্চিত। তবে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার পরই সব কিছু জানাতে চাই।’’ তাঁর ‘আনন্দ অশ্রু’ ছবিটি এখন মুক্তির অপেক্ষায়।




বাসায় ফিরেছেন জাহিদ হাসান

জানা গেছে, মঙ্গলবার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হলে বাসায় নেওয়া হয়েছে এই অভিনেতাকে।

বিষয়টি জানিয়েছেন অভিনয়শিল্পী সংঘের সভাপতি আহসান হাবীব নাসিম। তিনি  বলেন, শীতকালে জাহিদ ভাইয়ের এই সমস্যা হয়। এটা বড় কোনো ব্যাপার নয়। এখন তিনি সুস্থ। বাসায় চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চলছেন।

গত ১০ জানুয়ারি নাটকের শুটিংয়ে নেপাল গিয়েছিলেন জাহিদ হাসান। সেখানে গিয়েই ঠান্ডার কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। এরপর ১৭ তারিখ শুটিং শেষে নেপাল থেকে ফিরে সাধারণ চেকআপের জন্য হাসপাতালে যান অভিনেতা। তখন তার শারীরিক অবস্থা বেগতিক দেখে চিকিৎসক হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দেন।




প্রথমবার সংসদ অধিবেশনে ফেরদৌস

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  নতুন সরকারের প্রথম সংসদ অধিবেশনে যোগ দিয়েছেন চিত্রনায়ক ও নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ফেরদৌস আহমেদ। গতকাল (৩০ জানুয়ারি) বিকেল ৩টায় সংসদ অধিবশেন শুরু হয়েছে।

অন্যান্য সংসদ সদস্যদেরর সঙ্গে ফেরদৌস আহমেদও প্রথম অধিবেশনে অংশগ্রহণ করেছেন। তিনি সংসদের অধিবেশ কক্ষে গিয়ে সেলফি তুলে তা তার সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করেছেন। ফেরদৌস ছবি পোস্ট করে একটি স্ট্যাটাসও দিয়েছেন। এতে তিনি লেখেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ সকল ভালোবাসার মানুষের দোয়া চাই।’

নায়ক ফেরদৌস আহমেদ সম্প্রতি অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১০ আসনে আওয়ামী লীগের হয়ে প্রথমবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয়ী হয়েছেন তিনি।

ফেরদৌস ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকতা বিভাগে পড়াশোনা শেষ করে নাম লেখান ঢাকাই চলচ্চিত্রে। প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘হঠাৎ বৃষ্টির’ কল্যাণে দারুণ জনপ্রিয়তা পেয়ে যান তিনি। এরপর অভিনয় করেছেন দুই বাংলার অনেক জনপ্রিয় চলচ্চিত্রে।




জাহিদ হাসানের অসুস্থতা নিয়ে যা জানালেন স্ত্রী মৌ




চলচ্চিত্র উৎসবে পুরস্কার পেয়েছে যেসব সিনেমা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  ৯ দিনব্যাপী দ্বাবিংশ ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব ২০২৪ এর পর্দা নেমেছে গতকাল (২৮ জানুয়ারি)। ২০ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া উৎসবটির সমাপনী দিন শেষ হয়েছে সেরা সিনেমা নির্বাচন ও পুরস্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে। এবারের উৎসবের স্লোগান ছিল ‘নান্দনিক চলচ্চিত্র, মননশীল দর্শক, আলোকিত সমাজ’।

রেইনবো চলচ্চিত্র সংসদের উদোগে আয়োজিত এ উৎসবে এশিয়ান প্রতিযোগিতা বিভাগ, রেট্রোস্পেকটিভ বিভাগ, ট্রিবিউট, বাংলাদেশ প্যানারোমা, ওয়াইড অ্যাঙ্গেল, সিনেমা অফ দ্য ওয়ার্ল্ড, চিলড্রেন্স ফিল্ম, স্পিরিচুয়াল ফিল্মস, শর্ট অ্যান্ড ইন্ডিপেনডেন্ট ফিল্ম এবং উইমেন্স ফিল্ম সেশনে বাংলাদেশসহ ৭৪টি দেশের মোট ২৫২টি সিনেমা প্রদর্শিত হয়েছে।

উৎসব চলাকালে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চলচ্চিত্রকার, সমালোচক, সাংবাদিক, বিভিন্ন দেশের দূতাবাসগুলোর কর্মকর্তাসহ দেশের বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব উৎসবে অংশ নিয়েছেন। কোন কোন বিভাগে কারা পেয়েছেন ২২তম ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের পুরস্কার-

শিশুতোষ সিনেমা বিভাগ- সেরা শিশুতোষ সিনেমা (বাদল রহমান পুরস্কার): বিপুল শর্মা পরিচালিত ‘প্রভাস’, ভারত। অডিয়েন্স অ্যাওয়ার্ড: শ্যাম বেনেগাল পরিচালিত ‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার (মুজিব: দ্য মেকিং অফ আ নেশন)’, বাংলাদেশ, ভারত। বিশেষ অডিয়েন্স অ্যাওয়ার্ড: অভিজিৎ শ্রীদাস পরিচালিত ‘বিজয়ের পরে’, ভারত।

স্পিরিচুয়াল ফিল্ম বিভাগ-
সেরা ফিচার ফিল্ম: ওলেগআসাদুলিন পরিচালিত ‘দেয়ার অ্যান্ড ব্যাক’, রাশিয়া।
সেরা তথ্যচিত্র: হ্যানসেল লেভা ফানেগো পরিচালিত ‘কুনানফিন্ডা: দ্য ল্যান্ড অব ডেথ’ কিউবা।
স্পেশাল মেনশন অ্যাওয়ার্ড: গোলাম রাব্বানী পরিচালিত ‘সুরত’, বাংলাদেশ।
নারী চলচ্চিত্র নির্মাতা বিভাগ- সেরা ফিচার ফিল্ম: মানিজেহ হেকমত পরিচালিত ‘জাঙ্কস অ্যান্ড ডলস’, ইরান।
সেরা তথ্যচিত্র: ন্যান্সি সভেনডসেন পরিচালিত ‘পাসাং: ইন দ্য শ্যাডো অব এভারেস্ট’, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

সেরা পরিচালক: ‘হাউ টু গেট ইওর ম্যান প্রেগন্যান্ট’ সিনেমার জন্য জিওংমু এনওএইচ, দক্ষিণ কোরিয়া। স্পেশাল মেনশন: চৈতালী সমদ্দার পরিচালিত ‘মুক্তি’, বাংলাদেশ। বাংলাদেশ প্যানোরামা: পূর্ণদৈর্ঘ্য বিভাগ ফিপরেস্কি পুরস্কারের বিজয়ী (পূর্ণদৈর্ঘ্য ফিচার ফিল্ম): পান্থ প্রসাদ পরিচালিত ‘সাবিত্রী’।

বাংলাদেশ প্যানোরামা: ট্যালেন্ট বিভাগ
ফিপরেস্কি পুরস্কারের বিজয়ী (স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র): বৈশাখী সমদ্দার পরিচালিত ‘লায়লা’। প্রথম রানারআপ শর্ট ফিল্ম: শুভাশিস সিনহা পরিচালিত ‘ইনাফি’।
দ্বিতীয় রানারআপ শর্ট ফিল্ম: জিয়াউল হক রাজু পরিচালিত ‘অন্তহীন পথে’।

এশিয়ান চলচ্চিত্র প্রতিযোগিতা বিভাগে সেরা চিত্রনাট্য: মুহিদ্দীন মুজাফফর পরিচালিত ‘ফরচুন’, তাজিকিস্তান। সেরা সিনেমাটোগ্রাফি: অ্যাঞ্জেলোস র‌্যালিস পরিচালিত ‘ইন দ্য টাইম অফ ফ্লাডস’, বাংলাদেশ, ফ্রান্স, গ্রিস।

সেরা অভিনেত্রী: বাদেমা। কিয়াও সিক্সু পরিচালিত ‘দ্য কর্ড অফ লাইফ’ সিনেমা, চীন। সেরা অভিনেতা: অঞ্জন দত্ত। অঞ্জন দত্ত পরিচালিত ‘চলচ্চিত্র এখন’ সিনেমা, ভারত। সেরা পরিচালক: জগৎ মনুওয়ার্না। সিনেমা ‘রাহাস কিয়ানা কান্দু, শ্রীলঙ্কা।

সেরা সিনেমা: কিয়াও সিক্সু পরিচালিত ‘দ্য কর্ড অফ লাইফ’, চীন।
স্পেশাল জুরি মেনশন ফিল্ম: আসকার উজাবায়েভ পরিচালিত ‘বাকিত’, কাজাখস্তান। স্পেশাল জুরি মেনশন অভিনেত্রী: আফরিন খানম। অ্যাঞ্জেলোস র‌্যালিস পরিচালিত ‘মাইটিআফ্রিন’ সিনেমা, বাংলাদেশ, ফ্রান্স, গ্রিস।

২২ ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে এবার সবার কাছে আগ্রহের বিষয় ছিলেন উপমহাদেশের খ্যাতিমান অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুর। এবারই প্রথম তিনি এ উৎসবে যোগ দিয়েছেন। তিনি এশিয়ান চলচ্চিত্র প্রতিযোগিতা বিভাগের জুরির দায়িত্ব পালন করেছেন।

 




শহরের মাঝখানে যে কারণে তৈরি হয় ‘ঢাকা গেট’




মর্যাদাপূর্ণ পদ্মশ্রী পুরস্কার পাচ্ছেন রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা