ছাদ থেকে পড়ে অচেতন নকুল কুমার বিশ্বাস

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : বাড়ির ছাদ থেকে পড়ে আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী নকুল কুমার বিশ্বাস। দুর্ঘটনার পর তিনি ১০ মিনিট অচেতন ছিলেন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রাজধানীর পপুলার হাসপাতালে পাঠানো হয়।

গত বৃহস্পতিবার দুপুরে ঘটনা হলেও রোববার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে ঘটনাটি জানাজানি হয়।

যার একটি ভিডিও ও স্ট্যাটাস সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আপলোড করেছেন নকুল কুমার বিশ্বাস নিজেই।

ভিডিও ও স্ট্যাটাস থেকে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে মাদারীপুর সদর উপজেলার কেন্দুয়া ইউনিয়নের কলাগাছিয়া গ্রামের শিমুল গাছের ডাল কাটতে নিজবাড়ির দোতলা ছাদে ওঠেন নকুল। ডাল কাটতে ভবনের রেলিংয়ের পাশে দাঁড়ান। এ সময় অসাবধানবশত মাটিতে পড়ে যান ।

চিকিৎসক জানিয়েছেন,  তিনি আশংকামুক্ত। দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন।




ডান্স নয়, এবার ভিন্নভাবে নিজেকে মেলে ধরতে চান নোরা ফাতেহি




নির্বাচনের পরেই সংসার ভাঙল মাহির




গলাচিপায় উৎসব মুখর পরিবেশে ঐতিহ্যবাহী মেলা

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলায় হাজার হাজার দর্শনার্থীদের কোলাহলপূর্ণ উৎসব মুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে প্রায় ৩০০ বছরের পুরনো ঐতিহ্যবাহী দয়াময়ী মাঘী সপ্তমী মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার ভোর ৬টা থেকে কালী পূজা ও শিব পূজার মধ্য দিয়ে চিকনিকান্দী ইউনিয়নের সুতাবাড়িয়া গ্রামে বুড়াগৌরাঙ্গ নদীর পাড়ে এ মেলার কার্যক্রম শুরু হয়।

আজ সরেজমিনে দেখা গেছে, ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ঢাকঢোল, শঙ্খসহ বিভিন্ন বাদ্যবাজনা ও দর্শনার্থীদের কলরবে মেলা প্রাঙ্গন মুখরিত রয়েছে। মেলায় অনেক শিশুর বাৎসরিক মাথা মুন্ডন করা হয়। এছাড়া মেলার কালী মন্দিরে পাঁঠা বলিদান হয়। মেলায় রঙ বেরঙের আকর্ষণীয় বিভিন্ন খেলনার দোকান, পল্লীবাসীদের স্ব হস্তে তৈরিকৃত বুনন শিল্পের সামগ্রী, গৃহস্থলীর ব্যবহার্য তৈজস পত্রের পণ্য সামগ্রী, মাটির তৈরি বাসন-কোসনের হরেক রকম দোকান, মিষ্টি সামগ্রীর দোকান ও খাবারের দোকানের পসরা বসে।

মাঘী সপ্তমী মেলা কমিটির সভাপতি যুগল দেবনাথ ও সাধারণ সম্পাদক বিমল দেবনাথ জানান, ‘অর্থের অভাবে মেলার কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। তবে সবাই যদি দান করেন তাহলে আগামীতে আরো সুন্দর করে এ মেলা অনুষ্ঠিত করা সম্ভব।’

এ বিষয়ে চিকনিকান্দী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য বিবেক দেবনাথ বলেন, ‘মেলায় দেশ-বিদেশর হাজার হাজার দর্শনার্থীদের পদচারণায় ঐতিহ্যবাহী দয়াময়ী মাঘী সপ্তমী মেলা কোলাহলপূর্ণ উৎসব মুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।’

এ ব্যাপারে দয়াময়ী মন্দিরের পুরোহিত বিধান গাঙ্গুলী এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘প্রতি বছরের মতো এবারো মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে, তবে নদী ভাঙ্গনের ফলে স্থান সঙ্কুলন না হওয়ায় মেলায় আগত মানুষদের দাঁড়িয়ে থেকে বেশ দুর্ভোগ সহ্য করে মেলার আনন্দ উপভোগ করতে হচ্ছে। মেলাটি এ অঞ্চলের হিন্দু সম্প্রদায়ের একটি তথা বিশেষভাবে শিশু-কিশোর ও তরুণ-তরুণীদের কাছে বিপুল আনন্দের খোরাক।




গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে সুজাতা




সুকেশের বিরুদ্ধে মামলা করেও অভিযোগ তুলে নিলেন জ্যাকলিন?

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  জেল থেকে ক্রমাগত হুমকি দিচ্ছে কনম্যান সুকেশ! নিরাপত্তার অভাবে দু’দিন আগেই দিল্লি পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছিলেন জ্যাকলিন ফার্নান্দেজ। দিল্লির পুলিশ কমিশনার সঞ্জয় অরোরার কাছে মামলা দায়ের করেছিলেন তিনি। স্পেশাল কমিশনার অব পুলিশকেও (ক্রাইম ব্রাঞ্চ) চিঠি পাঠিয়েছিলেন জ্যাকলিন। এখন খবর মিলছে, অভিনেত্রী দিল্লির একটি আদালত থেকে তার আবেদন প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। যেটি মিডিয়ার হাত ধরে কনম্যানের তাকে লেখা চিঠির বিষয়ে ছিল।



ভালোবাসা দিবসে পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত কুয়াকাটা

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): পহেলা ফাল্গুন ও বিশ্ব ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকত।

বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে রং-বেরঙের পোশাকে অনেকেই প্রিয় মানুষের সঙে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখতে এসেছেন।

কেউ গা ভাসাচ্ছেন সমুদ্রের নোনা জলে। কেউ আবার প্রিয়জনকে নিয়ে তুলছেন সেলফি। অনেকে আবার বেঞ্চিতে বসে উপভোগ করছেন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য।

টাঙ্গাইল থেকে আসা পর্যটক দম্পতি ফরদি-নাসিমা বলেন, সকালে কুয়াকাটা এসেছি। ১৫ দিন আগে আমাদের বিয়ে হয়েছে। মূলত হানিমুন ও বিশ্ব ভালোবাসা দিবসকে কেন্দ্র করে এখানে আসা। সৈকতের সকালের পরিবেশটা দারুণ লেগেছে।

পিরোজপুর থেকে আসা সাইফুল-সায়মা দম্পতি বলেন, সমুদ্রের ঢেউ এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আমাদের বিমোহিত করেছে। তবে, পহেলা ফাল্গুন ও বিশ্ব ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে পর্যটকদের খুব ভিড়।

কুয়াকাটা ট্যুর অপারেটর এ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম বলেন, পর্যটকদের মধ্যে আজ কাপলের সংখ্যা বেশি। সাধারণত মঙ্গলবার বা বুধবার এখানে তেমন পর্যটক থাকে না। তবে আজ ভালো বুকিং রয়েছে।

কুয়াকাটা টুরিস্ট পুলিশের পরিদর্শক মনিরুল হক ডাবলু বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তায় আমাদের সঙ্গে থানা পুলিশ ও নৌ পুলিশ মাঠে কাজ করছে। আশা করছি পর্যটকরা স্বাচ্ছন্দ্যে ভ্রমণ উপভোগ করতে পারবেন।




১৩ বছর আগে ডিভোর্স হলেও কেন স্বামীর পদবি ব্যবহার করেন জয়া!

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : দুই বাংলার সমান জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। যার শোবিজ অঙ্গনে ক্যারিয়ার শুরু হয়েছিল জয়া মাসউদ নামে। মডেল ও অভিনেতা ফয়সাল আহসানের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়ে নিজের নামের শেষে মাসউদের বদলে জুড়ে নেন আহসান। সেই থেকে তিনি ‘জয়া আহসান’ নামেই দুই বাংলায় সমধিক পরিচিত।

১৯৯৮ সালে ফয়সাল আহসানকে বিয়ের পর সুন্দরভাবেই কেটে যায় এই দম্পতির এক যুগ। কিন্তু বিয়ের ১৩ বছরের মাথায় ভেঙে যায় সেই সংসার। শোনা যায়, ২০১১ সালে ফয়সাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় তাকে ডিভোর্স দেন জয়া। যদিও এই বিচ্ছেদের খবর নিয়ে তারা কেউই কখনো মুখ খুলেননি।

এদিকে ২০১১ সালে বিবাহ বিচ্ছেদের পর কেটে গেছে আরও ১৩ বছর। এই লম্বা সময়েও আর নতুন করে বিয়ের কথা ভাবেননি জয়া। শুধু কী তাই? নামের পাশ থেকে এখনও ‘আহসান’ পদবিটা ছেঁটে ফেলেননি জয়া।

নানা সময়ে এ নিয়ে প্রশ্নের মুখোমুখি হলেও ‘ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কথা বলতে চাই না’ বলে এড়িয়ে গেছেন। এছাড়া ফয়সাল আহসানের সঙ্গে কেন তার সংসার টেকেনি, তা নিয়েও কখনো মুখ খোলেননি দুই বাংলার সমান জনপ্রিয় এই লাস্যময়ী অভিনেত্রী।

তবে সম্প্রতি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আজতাক বাংলার একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফয়সাল আহসানরা ঢাকার ঐতিহ্যবাহী পরিবারের সন্তান। তার পূর্বপুরুষদের হাতেই গড়ে উঠেছিল সদরঘাটে অবস্থিত দেশের ঐতিহাসিক স্থাপনা আহসান মঞ্জিল। এমন একটি পরিবারের বউ হয়েছিলেন জয়া। আর তাই ডিভোর্সের পরও ‘আহসান’ পদবি নাম থেকে মুছে ফেলতে পারেননি।

এদিকে একসময়ের জনপ্রিয় মডেল ফয়সাল বর্তমানে রেস্টুরেন্ট, বুটিক হাউজ ও আমদানি-রপ্তানির ব্যবসা নিয়ে ব্যস্ত। এছাড়া সাবেক হকি খেলোয়াড়দের নিয়ে ‘ভ্যাটারান হকি বাংলাদেশ’ নামে একটি সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব সামলাচ্ছেন বলে শোনা যায়।




একুশে পদক পাচ্ছেন আলমগীর-ডলি জহুরসহ একাধিক তারকা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  মহান ভাষা আন্দোলনের শহিদদের স্মরণে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ দেশের ২১ জন বিশিষ্ট নাগরিককে একুশে পদক-২০২৪ প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার। এবার বিনোদন অঙ্গন থেকে ১০ জন পাচ্ছেন এই সম্মাননা।



আজ ১ লা ফাগুন

পঞ্জিকার হিসাবে শীতের শেষ দিন ছিল মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি)। অবশেষে শীতের রিক্ততাকে আনুষ্ঠানিক বিদায়। রাত পোহালেই পহেলা ফাল্গুন। ঋতুরাজ বসন্তের প্রথম দিন।

যৌবনদীপ্ত বসন্ত মানেই পূর্ণতা। বসন্ত মানে নতুন প্রাণের কলরব। আনন্দের এ রঙে নাচে কোটি বাঙালির মন। কমলা, বাসন্তী, হলুদসহ বাহারি রঙের পোশাকের সাজে প্রকৃতির সঙ্গে সেজে ওঠে উৎসবপ্রেমীরাও। সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে উৎসব।

এ তো গেলো বসন্ত বরণের কথা! রাত পোহালে তো ভালোবাসার দিনও। মন থেকে মনে ভালোবাসার রঙ ছড়িয়ে পড়ার দিন ১৪ ফেব্রুয়ারি, ভ্যালেন্টাইন ডে।

যদিও ভালোবাসা দিবস উদযাপনের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে আরও এক সপ্তাহ আগেই। ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে একে একে সাতটি দিবস পেরিয়ে আসে বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। এ দিনের উদযাপনেই যেন এক সপ্তাহের উতলা মন, হাহাকার, স্বপ্ন, প্রেম, উষ্ণতা পূর্ণতা পায় ভালোবাসা!

শুধু উচ্ছ্বল তরুণ-তরুণীই নয়, সব বয়সের মানুষের ভালোবাসার বহুমাত্রিক প্রকাশের আনুষ্ঠানিক দিনও আজ। এ ভালোবাসা যেমন মা-বাবার প্রতি সন্তানের, তেমনি মানুষে-মানুষে ভালোবাসাবাসির দিনও এটি।

বাঙালির চিরায়ত বসন্ত বরণ, সঙ্গে ভালোবাসার দিবস—জোড়া উৎসবে দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি, চারুকলার বকুলতলা, রবীন্দ্র সরোবর, রমনা পার্ক, হাতিরঝিলে যতদূর চোখ যায় দেখা মেলে তরুণ-তরুণীদের।

শুধু রাজধানী নয়, দেশে বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বিনোদনকেন্দ্র, সাংস্কৃতিক অঙ্গন, শপিংমল, রেস্তোরাঁ ও পাঁচ তারকা হোটেলে ছড়িয়ে পড়ে আনন্দের আমেজ। ভালোবাসাময় বসন্তের রঙে বাঁধ ভাঙে সব বয়সী মানুষের উচ্ছ্বাস।

বইমেলায় বসন্ত-ভালোবাসার দোলা

ভাষার মাসের প্রথম দিনে শুরু হয়েছে অমর একুশে গ্রন্থমেলা। এবার শুরু থেকেই জমজমাট মেলা। তা আরও জমবে বসন্ত বরণ ও ভালোবাসা দিবসে। টিএসসি, বাংলা একাডেমি চত্বর, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান হয়ে উঠতে পারে বাসন্তী রঙে সাজা তরুণ-তরুণীদের উৎসবের তীর্থস্থান।

বাসন্তী রঙের শাড়ি আর খোঁপায় গাঁদা ফুল গুজে মেলায় আসবেন তরুণীরা। তরুণরা পরবেন বাসন্তী রঙের পাঞ্জাবি-ফতুয়া। আঙুলে আঙুল রেখে ঘুরবেন শহরে নানা জায়গায়। সবশেষে হয়তো আসবেন বইমেলায়। মনের মানুষকে লাল গোলাপের সঙ্গে উপহার দেবেন প্রিয় লেখকের বই। ফলে বসন্ত-ভালোবাসার দিনে বইমেলায় থাকবে ভিন্ন আমেজ।

বসন্ত ও অধিকার আদায়ে আন্দোলন

বাঙালি জীবনে বসন্ত যেন হাজির হয় অধিকার আদায়ের আওয়াজ নিয়েও। বসন্ত আর অধিকারের আন্দোলনও মিলেমিশে একাকার। বসন্তের আগমন বায়ান্নের সেই ফাল্গুন মনে করিয়ে দেয়। যেদিন পিচঢালা রাজপথে শাসকের গুলিতে ভাষা শহীদরা করেছিলেন প্রাণোৎসর্গ। বসন্তেই বাঙালি নেমেছিল মহান মুক্তিযুদ্ধে।

আবার বসন্ত মনে করিয়ে আশির দশকের স্বৈরাচার হটাও আন্দোলনে ঝরেপড়া শিক্ষার্থীদের রক্তের কথা। বসন্তেই ২০১৩ সালে নতুন প্রজন্ম জেগে উঠেছিল গণজাগরণে। একাত্তরের মানবতাবিরোধীদের বিচার এ বাংলায় হতেই হবে দাবি নিয়ে আবারও এক হয়েছিল ওরা। তাই কেবল প্রকৃতি আর মনে নয়, বাঙালির জাতীয় ইতিহাসেও বসন্ত আসে বারবার।

এদিকে, বসন্ত বরণ ও ভালোবাসা দিবস উদযাপনে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক, সামাজিক সংগঠন নানা আয়োজন করে থাকে। এবারও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন জায়গায় রয়েছে নানা আয়োজন। অন্যদিকে দিবসটি উপলক্ষে প্রিয়জনকে বিভিন্ন ধরনের উপহার দেন অনেকেই। এখন অনলাইনের সুবিধা থাকায় অনেকেই অনলাইন উপহার পাঠান প্রিয়জনকে।