জল্পনা উসকে কী জানালেন শাকিবের স্ত্রী শিশির

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: সম্প্রতি জোর জল্পনা চলছে শাকিব আল হাসান এবং তাঁর স্ত্রী উম্মি আহমেদ শিশিরকে নিয়ে। এই ভাঙনের মরশুমে যেখানে একের পর এক ভাঙনের খবর আসছে, নাতাশা হার্দিক, অভিষেক ঐশ্বর্য, যিশু নীলাঞ্জনদের বিয়ে ভাঙার খবর বা চর্চা যখন তুঙ্গে তখনই কানাঘুষোয় শোনা যেতে লাগল এবার নাকি ভাঙতে চলেছে শাকিব আল হাসানের সংসার। তাঁর এবং তাঁর স্ত্রীর মধ্যে কিছুই নাকি ঠিক নেই। এবার সেই বিষয়ে মুখ খুললেন উম্মি আহমেদ শিশির।

কেন এই চর্চা?

শাকিবের স্ত্রী সম্প্রতি তাঁদের বেশ কিছু সোশ্যাল মিডিয়া থেকে সরিয়ে নেন বলেই জানা যায়। তারপরই শুরু হয় চর্চা। তবে কি তাঁদেরও ঘর ভাঙল? আসলে না তেমন কিছুই হয়নি। কী ঘটেছে জানালেন খোদ উম্মি।

কী লিখেছেন উম্মি?

শাকিবের স্ত্রী এদিন তাঁর পোস্টে লেখেন, ‘আপনাদের হয়তো তার ক্যারিয়ার এবং পছন্দ সম্পর্কে মতামত থাকতে পারে আমি অস্বীকার করব না, প্রত্যেকের কথা বলার স্বাধীনতা আছে! আপনারা যা চান তার সমালোচনা করুন, তবে দয়া করে এটিকে আমাদের সম্পর্কের সাথে মিশ্রিত করবেন না, সে একজন অসাধারণ স্বামী এবং একজন বাবা। সে সর্বদা সৎ এবং বিশ্বস্ত রয়েছে আমার প্রতি, আর সে আমাকে আঘাত করার জন্য কখনও কিছু করবে না। সে এমন একজন ব্যক্তি যে আমার পক্ষে দাঁড়ানোর জন্য নিজে একবার নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়েছিল। আমি সর্বদা তার বাইরের ঘোরাঘুরি ভ্রমণ সম্পর্কে অবগত এবং বেশিরভাগ সময়ই তার সাথে আমি থাকি। সে এখনও সেই একই ব্যক্তি যাকে আমি ১৩ বছর আগে জীবনসঙ্গী হিসাবে দেখেছিলাম, সে ১০০ তে ১০০ এবং আমাদের একটি সুন্দর পরিবার আছে আলহামদুলিল্লাহ! প্লিজ এসব অনলাইন গুজব বন্ধ করুন, সোশ্যাল মিডিয়ায় যা আছে তা সব সময় বিশ্বাস করবেন না, ওগুলো কিছু ছবি কেটে কপি-পেস্ট করে বানানো, কোনও পুরো কাহিনী নেই ওখানে। যারা এটা করছে সেই গ্রুপকে আমি একটা জিনিস বলি আপনারা এসব থেকে কিছু অর্জন করতে পারবেন না! আমি আমার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কথা বলতে পছন্দ করি না, আমি চুপ থাকতে চেয়েছিলাম কারণ সত্য আমার মধ্যে রয়েছে, কিন্তু অপ্রয়োজনীয় কল এবং টেক্সট গুলোর কারণে আমি বিষয়টি পরিষ্কার করতে চেয়েছি।’

তিনি আরও লেখেন, ‘তার এখন ফোকাস করার জন্য পাকিস্তান সিরিজ আছে এবং আমি আমাদের পরিবারের উপর ফোকাস করি, আমরা সবসময় একটি দল ছিলাম এবং একটি দল হিসেবে থাকবো ইনশাআল্লাহ! আমি আমার কোনও পোস্ট বা ছবি মুছে দিইনি, আমি শুধু সেগুলিকে ব্যক্তিগত করেছি, আর ছবি পোস্ট কোনো সম্পর্কের সত্যতা বিচার করে না! ধন্যবাদ।’




শ্রীলেখার তোপের মুখে ঋতুপর্ণা-রচনা

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: আরজি কর ধর্ষণ কাণ্ডে চলমান আন্দোলনে অংশ নেওয়ার ব্যাপারে টলিউড অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্রের তোপের মুখে পড়লেন অন্য দুই অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত ও রচনা ব্যানার্জি। এ দুজনের নাম নিয়ে মূলত আন্দোলনে তাদের কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন তুললেন শ্রীলেখা।

গতকাল শনিবার ফেসবুক লাইভে এসে শ্রীলেখা মিত্র বলেন, ‘আমি লজ্জিত ইন্ডাস্ট্রির লোকজনের নাটক দেখে। যারা এই ঘটনাকে অরাজনৈতিক বলছেন নিজেদের পিঠ বাঁচিয়ে চলার তাগিদে, ওপরতলার মানুষকে না চটিয়ে। আর যারা শঙ্খ বাজিয়ে বা কেঁদে ভিডিও করছেন, তারা খুব অন্যায় করছেন। এগুলো নির্যাতিত ও তার বাবা-মায়ের প্রতি অশ্রদ্ধা এবং পুরো আন্দোলনের প্রতি অশ্রদ্ধা। এর কড়া নিন্দা হওয়া উচিত।’

১৪ অগস্ট মধ্যরাতের ‘মেয়েরা, রাত দখল করো’ কর্মসূচিতে সংহতি জানাতে সিঙ্গাপুর থেকে শাঁখ বাজিয়ে একটি ভিডিও শেয়ার করেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। তারপর থেকেই তিনি ট্রোলের শিকার হন। পরে সেই ভিডিও সরিয়ে দিয়েছেন তিনি।

অন্যদিকে, ভিডিওবার্তা দেন তৃণমূল কংগ্রেস থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও অভিনেত্রী রচনা ব্যানার্জি। ভিডিওতে তাকে কাঁদতে দেখা যায়।

শ্রীলেখা বলেন, ‘এটা (আন্দোলন) নিয়ে দয়া করে নাটক করবেন না। ঘরের এক কোণে বসে ভাবুন। ক্ষমতা ও অর্থই সব কিছু নয়। নিজের কাছে সৎ থাকুন। নিজের আত্মাকে বিকিয়ে দেবেন না।’




শুরুর আগেই পাকিস্তান সিরিজ শেষ জয়ের

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার দুই ম্যাচের সিরিজ শেষ হতে এখনো বাকি ৩দিন। এরইমধ্যে বাংলাদেেশে শিবিরে বড় দুঃসংবাদ। কুঁচকির চোটে পড়ে সিরিজ শুরুর আগেই ছিটকে গেছেন মাহমুদুল হাসান জয়।

গতকাল শুক্রবার শেষ হওয়া পাকিস্তান ‘এ’ ও বাংলাদেশ ‘এ’ দলের মধ্যকার প্রথম চার দিনের ম্যাচ খেলার সময় কুঁচকির চোটে পড়েন জয়। এই চোট থেকে সেরে উঠতে তিন সপ্তাহ সময় লাগবে তার। এই তথ্য জানিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) চিকিৎসক দেবাশিষ চৌধুরী।

দেবাশিষ জানিয়েছেন, ফিল্ডিং করতে গিয়ে ডান কুঁচকিতে ব্যথা পেয়েছেন জয়। তার সুস্থ হতে কমপক্ষে তিন সপ্তাহ সময় লাগবে।

জয়ের পরিবর্তে কাকে স্কোয়াডে নেওয়া হবে, সেটি এখনো জানাননি নির্বাচকরা। আগামীকাল রোববার নিশ্চিত হওয়া যাবে এই ওপেনারের পরিবর্তে পাকিস্তান সিরিজে কে থাকবেন।

জয়কে না পেয়ে এই সিরিজে বড় ক্ষতির মুখোমুখিই হলো বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। কারণ, সম্প্রতি দারুণ ফর্মে ছিলেন এই বাংলাদেশ টেস্ট ওপেনার।

ইসলামাবাদে পাকিস্তান ‘এ’ দলের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ৬৫ রানের ইনিংস খেলেন জয়। কিন্তু চোটে পড়ার কারণে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটই ধরতে পারেননি এই ডানহাতি ব্যাটার।

দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচ শুরু হবে ২১ আগস্ট রাওয়ালপিন্ডিতে।

 

 




ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে রোকেয়া প্রাচীর ওপর হামলা




মেরে ফেলার হুমকি পেয়েছেন র্বাঁধন

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শুরু থেকেই সমর্থন দিয়েছিলেন অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। আবু সাঈদের মৃত্যু পাল্টে দেয় তাঁর মনোজগৎ। সেদিনই সিদ্ধান্ত নেন, ছাত্রদের সঙ্গে রাস্তায় নামতে হবে। এই আন্দোলনে পরিচালক, শিল্পী, কলাকুশলীদের সঙ্গে রাস্তায় ছিলেন বাঁধন। কখনো ফার্মগেট, কখনো শাহবাগ, কখনো শহীদ মিনারে ছাত্র-জনতার সঙ্গে মিছিলে মিছিলে দেখা গেছে তাঁকে। অবশ্য এ কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিদ্রূপের শিকার হয়েছেন, এমনকি হত্যার হুমকি পর্যন্ত পেয়েছেন অভিনেত্রী।

গত শুক্রবার দুপুরে দেশের সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে   কথা বলেন বাঁধন। আলাপের শুরুতেই জানালেন ছাত্রদের সঙ্গে আন্দোলনে শরিক হওয়ায় কীভাবে হুমকি পেয়েছেন তিনি।

 

 




আমাকে সাত বছর বোবা করে রাখা হয়েছে: কনকচাঁপা

চন্দ্রদ্বীপ বিনোদন ডেস্ক :: বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হন শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনার শাসন আমলে কণ্ঠ দমিয়ে রাখা মানুষগুলো এখন মুখ খুলছেন। সেই দলের একজন নন্দিত গায়িকা কনকচাঁপা।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন এই শিল্পী। আর এ কারণে বিগত সরকারের আমলে অনেক ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে তাকে। প্রায় অর্ধযুগেরও বেশি সময় ধরে গান গাওয়া থেকে বিরত রাখা হয়েছিল জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত এই শিল্পীকে।

এদিকে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শুরুতেই ছাত্রদের পক্ষে ছিলেন কনকচাঁপা। ছাত্রহত্যার প্রতিবাদে গেল ১৭ জুলাই এক ফেসবুক পোস্টও করেন তিনি। লিখেছিলেন, ‘আমি সবসময়ই ন্যায়ের পক্ষে। ছাত্রদের যৌক্তিক আন্দোলনে হামলা, নিপীড়ন, রক্তপাত বন্ধ হোক। স্বাধীন বাংলাদেশে সম-অধিকার নিশ্চিত হোক।’

বিগত সরকারের সমালোচনা করে কনকচাঁপা বলেন, ‘আমি বিগত সাতটি বছর বিভিন্নভাবে নিগৃহীত হয়েছি, তাতে মোটেই ভেঙে পরিনি। আমি সবসময় হাসিখুশি থেকেছি। কখনো কাঁদিনি। কখনো হতাশ হইনি। যত সমস্যা এসেছে, কারো কাছে অভিযোগও করিনি। আমাকে সাত বছর বোবা করে রাখা হয়েছে, যা বর্ণনাতীত। আমি কোনো কিছু লিখতে পারতাম না। শুধু তাই নয়, আমি গান গাইতেও পারিনি। একজন শিল্পী যদি গান গাইতে না পারে, তার বোবা হয়ে যাওয়াই ভালো। কিন্তু আমি এতকিছুর পরও আশা হারাইনি।’

উল্লেখ্য, তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে গান করছেন কনকচাঁপা। সিনেমায় তার গাওয়া গানের সংখ্যা তিন হাজারেরও বেশি। ৩৫টিরও বেশি একক অ্যালবাম প্রকাশ হয়েছে তার।

কনকচাঁপার গাওয়া জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে আছে- ‘অনেক সাধনার পরে আমি পেলাম তোমার মন’, ‘তোমাকে চাই শুধু তোমাকে চাই’, ‘ভালো আছি ভালো থেকো’, ‘যে প্রেম স্বর্গ থেকে এসে জীবনে অমর হয়ে রয়’, ‘তোমায় দেখলে মনে হয়’, ‘অনন্ত প্রেম তুমি দাও আমাকে’, ‘তুমি আমার এমনই একজন’ ইত্যাদি।

 




ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে রাস্তায় নামলেন ইলিয়াস কাঞ্চন

চন্দ্রদ্বীপ বিনোদন :: গেল সোমবার সরকার পতনের পর অনেকটাই দূর্বল হয়ে পরেছে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি। সড়কে নেই ট্রাফিক। দেশের চলমান পরস্থিতি সামাল দিতে রাস্তায় নেমেছে শিক্ষার্থীরা। গেল ক’দিন ধরেই ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন তারা। এবার তাদের সঙ্গে যোগ হলেন বরেণ্য অভিনেতা ও নিরাপদ সড়ক চাই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ইলিয়াস কাঞ্চন।

তিনি বলেন, ‘জানমালের নিরাপত্তায় সড়কে ট্রাফিক পুলিশের কাজ সঠিকভাবে করতে হয়। কিন্তু কেউ যদি সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন না করে; সে ক্ষেত্রে কিন্তু দেশে শাস্তি বা জবাবদিহি নেই। বর্তমানে সড়ক সামলাতে শিক্ষার্থীদের দেখলাম কেউই এক মুহূর্তের জন্য বসে নেই। কারণ দেশের মানুষের নিরাপত্তার জন্য তারা মাঠে নেমেছে। তারা তাদের কাজটাকে ভালোবেসেছে। প্রত্যেক মানুষেরই নিজের করা কাজকে ভালোবাসতে হবে, শ্রদ্ধা করতে হবে। তবেই আউটপুট ভালো আসবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এখানে আরেকটা বিষয় খেয়াল করলাম, গাড়ির চালকরা শিক্ষার্থীদের সব নিয়ম মেনে চলছে। আর এটা তারা শ্রদ্ধা থেকেই মেনে চলছে। আসলে যে মানাবেন, তাকে শ্রদ্ধাশীলের জায়গায় থাকতে হয়। তাহলেই ন্যায় ও নিষ্ঠাবানের কথা হৃদয় থেকে মেনে চলার তাগিদ আসে। কিন্তু ঘুষ, দুর্নীতিপ্রবণ হলে সেটা আর আসে না।’

সর্বশেষে ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, ‘সড়কে শৃঙ্খলতা এনে নিরাপদ করে তুলতে হলে শিক্ষার্থীদের এ প্রয়াসটা অন্তত ২ থেকে ৫ বছর চালু রাখতে হবে। তবেই সড়কের সঠিক নিয়মগুলো মানুষের মস্তিষ্কে গেঁথে যাবে এবং রাস্তায় বের হলেই তারা নিয়ম মেনে চলবে।

 




একটা পোস্ট করার পরই বাঘা বাঘা মানুষের ফোন চলে আসতো: সিয়াম

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: শেখ হাসিনার সরকার পতনের পর তরুণদের উপর আস্থা রেখে নতুন স্বপ্ন দেখছে দেশবাসী। শোবিজ তারকারাও তার বাইরে নন। কিছু তারকা কোটা সংস্কার আন্দোলনের শুরু থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ছাত্রদের পাশে দাঁড়িয়েছেন।

কেউ আবার অবস্থা বেগতিক দেখে সরকারের নির্দেশের তোয়াক্কা না করে ছাত্রদের সঙ্গে রাজপথে নেমে প্রতিবাদ করেছেন। তাদেরই একজন জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সিয়াম আহমেদ।

আজ যমুনা টিভিতে এক সাক্ষাৎকারে সিয়াম কথা বলেছেন চলমান বাংলাদেশ নিয়ে। সেখানে তিনি এমন একটি ইস্যু তুলে ধরেন যা নিয়ে কথা বলা খুব জরুরি। সিয়াম বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশকে সংস্কারের জন্য আন্দোলনের পক্ষে থেকেছি। আমরা বাক স্বাধীনতা চাই। তাই আজ এই কথাগুলো বলতে পারছি।’

এরপরই তিনি বলেন, ‘আমরা যারা আন্দোলনের পক্ষে দাঁড়িয়েছি তাদের হয়তো সবাই বাহবা দিচ্ছেন। কিন্তু আমার এমন কিছু সহশিল্পী আছেন যারা হয়ত সরাসরি কোন পক্ষে ছিলেন না বা কেউ কেউ সরকারি পক্ষেও ছিলেন। এখন তাদের নিয়ে যদি আপনারা বিরূপ মন্তব্য করেন কিংবা তাদের হেয় করার চেষ্টা করেন তাহলে আপনাদের সঙ্গে পূর্বের অবস্থার কি পার্থক্য থাকলো?’

কেন সকল শিল্পীরা ছাত্রদের পক্ষে কথা বলতে পারেননি সে বিষয়টিও খোলাশা করেছেন সিয়াম। তিনি বলেন, ‘আমরা শিল্পীরা মানুষের জন্যই কাজ করি। তাদের ভালো মন্দে পাশে দাঁড়ানো আমার কর্তব্য। কিন্তু এটা কেউ ভেবে দেখে না যে, একজন সাধারন মানুষের প্রতিবন্ধকতা আর একজন তারকা প্রতিবন্ধকতা এক নয়। আমরা শিল্পীরা একটা কিছু (সংবেদনশীল) পোস্ট করলেই ৫-৬টা কল চলে আসে। এমন সব মানুষের কল যা একজন সাধারন মানুষের কাছে গেলে আত্মা কেঁপে উঠবে। তারা আমাদের সম্মানের সঙ্গেই জিজ্ঞাসা করেন কেন এই পোস্টটি দেওয়া হলো? কারণ আমাদের প্রতিটি পোস্ট সমাজে কিছু না কিছু ইমপ্যাক্ট ফেলে।

এজন্যই আমরা চাইলেই সব কথা এতোদিন মন খুলে বলতে পারিনি। কিন্তু এখন থেকে যেনো সেই অধিকার পাই সেই প্রত্যাশাই করি। এজন্যই দেশ সংস্কারের এই আন্দোলনে সঙ্গে ছিলাম।




নতুন বাংলাদেশে মা হলেন ফারিয়া ও নাবিলা

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: গণ অভ্যুত্থানের পর নতুন বাংলাদেশে জন্ম নিলো দুটি স্টার কিড। একই দিনে (গত ৫ আগস্ট) প্রথম সন্তানের মা হলেন জনপ্রিয় দুই অভিনেত্রী। ফারিয়া শাহরিন এবং নাবিলা ইসলাম দুজনই কন্যা সন্তানের মা হয়েছেন।

জনপ্রিয় লাক্স তারকা ফারিয়া শাহরিন এই সুখবর ভক্তদের সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করেছেন।

নবজাতিকার ছবি (মুখ দেখাননি) ফেসবুকে দিয়ে ফারিয়া জানান, প্রথমবারের মতো কন্যা সন্তানের মা হয়েছেন তিনি। মেয়ের নাম রাখা হয়েছে ফারহানা শাহরিন।

অন্যদিকে, নাবিলা ইসলামও ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে মেয়ের মা হওয়ার খবর জানিয়েছেন। মেয়ের নামও রেখেছেন চলমান পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে। এই অভিনেত্রী লিখেন, ‘‘স্বাধীন বাংলাদেশে জন্ম নিল আমার মেয়ে ‘আন্দোলন’।

বিয়ের খবর চার বছর গোপন রেখেছিলেন নাবিলা। কাছের মানুষজন ছাড়া তেমন কেউ জানতেন না। ২০২০ সালে তিনি বিয়ের খবর জানান। এবার জানালেন মা হওয়ার খবর।

নাবিলা ছোটপর্দায় বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছেন। সম্প্রতি কাজ শুরু করেছেন বড় পর্দায়ও। তার প্রথম সিনেমা ‘যুদ্ধ জীবন’। এতে তিনি অভিনয় করছেন চিত্রনায়ক ফেরদৌসের সঙ্গে। চট্টগ্রামে সিনেমাটির প্রথম লটের কাজ শেষ হয়েছে। এটি পরিচালনা করছেন রিফাত মোস্তফা টিনা।

অণ্যদিকে, দীর্ঘদিনের প্রেমিক মুনিম মাহফুজ রিয়ানের সঙ্গে ২০২১ সালে আংটিবদল করেন ফারিয়া। গেল বছর পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় এই জুটির। এরপর চলতি বছরের ১২ মে বিশ্ব মা দিবসে গর্ভবতী হওয়ার সুখবরটি ভক্তদের জানান এই অভিনেত্রী। এরপরই গত সোমবার এক ফেসবুক পোস্টে এই অভিনেত্রী লিখেছেন, ‘রাজকন্যার মা হয়েছি, আলহামদুলিল্লাহ। সবাই দোয়া করবেন।’

২০০৭ সালে ‘লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার’ প্রতিযোগিতায় প্রথম রানারআপ হন ফারিয়া শাহরিন। ‘কথা দিলাম’ বিজ্ঞাপনচিত্র করে আলোচিত হয়েছিলেন সে সময়। পরবর্তীতে ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ নাটকে অন্তরা চরিত্রে অভিনয় করে সর্বমহলে নতুন করে সাড়া জাগান এ অভিনেত্রী।




দীর্ঘদিন ধরে গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছেন পরীমণি

চন্দ্রদ্বীপ বিনোদন ডেস্ক :: অসুস্থ হয়ে পড়লেন জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পরীমণি। চিকিৎসার জন্য আজ (বুধবার) রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে হাজির হয়েছেন তিনি। ফেসবুকে হাসপাতালের সামনে নিজের একটি ছবি পোস্ট করে এই খবর জানিয়েছেন নায়িকা নিজেই। জানা গেছে, ভার্টিগোর সমস্যায় ভুগছেন পরী।

ভার্টিগো হল মাথা ঘোরা বা আক্রান্ত ব্যক্তির চারপাশের পরিবেশ ঘুরছে এমন অনুভূতি। এটি আক্রান্ত ব্যক্তির ভারসাম্য ব্যাহত করতে পারে এবং এটি একটি গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যার লক্ষণ হতে পারে বা নাও হতে পারে। ভার্টিগো সাধারণত কিছু অন্তর্নিহিত অবস্থার নির্দেশ করে যেমন স্ট্রোক বা ব্রেন টিউমার।

ছবিতে দেখা যাচ্ছে, চোখে রোদচশমা, মাস্কে মুখ ঢেকে হাসপাতালের সামনে সেলফি তুলছেন পরীমণি। ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘পৃথিবীর কতো কিছু আমাকে ছেড়ে চলে যায়। শুধু রয়ে গেলো আমার এই ভার্টিগো আর এই হাসপাতাল!’

পরীমণির ক্যাপশন থেকেই স্পষ্ট যে তিনি বহুদিন ধরেই ভার্টিগো সমস্যায় ভুগছেন। পাশাপাশি, ‘পৃথিবীর কত কিছু ছেড়ে যায়…’ বলার মধ্যে কি তার প্রাক্তনদের ইঙ্গিত করলেন এই নায়িকা?

মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে পরীমণির কলকাতার ছবি ‘ফেলুবকশি’। ছবিতে তার বিপরীতে দেখা যাবে তৃণমূলের বিধায়ক-অভিনেতা সোহম চক্রবর্তীকে।

এদিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে শুরু থেকেই ছিলেন পরীমণি। বিভিন্ন সময়ে শিক্ষার্থীদের সাপোর্ট করে পোস্ট দিতে দেখা গেছে তাকে।