বাংলাদেশ সফর বাতিল করল নিউজিল্যান্ড দল

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : ক্ষমতার পালাবদলের পর সৃষ্ট অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাংলাদেশ থেকে সরিয়ে নিয়েছে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি। এবার বাংলাদেশে নিজেদের নির্ধারিত সফর বাতিল করেছে নিউজিল্যান্ড এ দল।

আগামী সেপ্টেম্বরে দুটি চারদিনের ম্যাচ ও তিন ওয়ানডে খেলতে বাংলাদেশ সফর করার কথা ছিল কিউই এ দলের। ম্যাচগুলো হবার কথা ছিল চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম ও কক্সবাজারের শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে।

তবে বাংলাদেশে ভ্রমণের ক্ষেত্রে নাগরিকদের ভ্রমণে সতর্কতা দিয়েছে নিউজিল্যান্ড সরকার। তাই সফরটি বাতিল করেছে নিউজিল্যান্ড এ দল।

বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্স ইনচার্জ শাহরিয়ার নাফিস সিরিজে বাতিলের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ভ্রমণে সতর্কতা থাকায় বোর্ডের কিছু করার থাকে না। এটি রাষ্ট্রীয় বিষয়। ওদের সঙ্গে আলাপ করছি। আশা করছি, অন্য কোনো সুবিধাজনক সময়ে সিরিজ আয়োজন করতে পারব।




অবশেষে বাংলাদেশের পাসপোর্ট পেলেন লেস্টার সিটির ফুটবলার হামজা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : বাংলাদেশের জার্সিতে খেলার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব লেস্টার সিটির ফুটবলার হামজা চৌধুরী। বাংলাদেশও তাকে খেলানোর ব্যাপারে সদিচ্ছা জানিয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক হামজা চৌধুরী পাসপোর্টের আবেদন করে বিড়ম্বনায় পড়েছেন বলে তাঁর বাবা জানিয়েছিলো।

অবশেষ বাংলাদেশের হয়ে খেলতে আর বাধা থাকছে না হামজা চৌধুরীর। বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এই ইংলিশ ফুটবলারের বাংলাদেশের পাসপোর্ট পেয়েছেন। শুক্রবার গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হামজা চৌধুরীর বাবা মোরশেদ দেওয়ান।

এর আগে হামজা বাংলাদেশি পাসপোর্টের আবেদন করেছিলেন গত জুন মাসে। লন্ডনের বাংলাদেশ হাইকমিশনে তাঁর পাসপোর্ট এসে গিয়েছিল মাসখানেক আগেই। কিন্তু লেস্টার সিটির হয়ে প্রাক্‌–মৌসুম প্রস্তুতিতে ব্যস্ত থাকার কারণে বাংলাদেশি পাসপোর্টটা গ্রহণ করতে পারছিলেন না হামজা। অবশেষে শুক্রবার হামজার পক্ষে পাসপোর্টটি গ্রহণ করেছেন তাঁর মা রাফিয়া চৌধুরী।

হামজা চৌধুরী বাংলাদেশের হয়ে খেলবেন—এ কথা আগেই জানিয়েছিলেন। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনও (বাফুফে) হামজাকে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলে খেলানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এ প্রক্রিয়ার প্রথম ধাপ হামজার বাংলাদেশি পাসপোর্ট করানো। এখন ইংলিশ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এফএ) অনুমতির প্রক্রিয়া শুরু হবে। এরপর লাগবে তাঁর ক্লাব লেস্টার সিটির অনুমতি।




বন্যার্তদের পাশে দাঁড়াতে চেয়ে কটাক্ষের মুখে চঞ্চল চৌধুরী

চন্দ্রদ্বীপ বিনোদন :: বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের সময় নীরব ছিলেন চঞ্চল চৌধুরী। ফলস্বরুপ দেশের অধিকাংশের কাছে খলনায়কে পরিণত হন তিনি। সে সময় চঞ্চল জানান মায়ের অসুস্থতার কারণে সবকিছু থেকে বিচ্ছিন্ন ছিলেন। যদিও তার এ ব্যাখ্যা সন্তুষ্ট করতে পারেনি নেটিজেনদের। অন্যদিকে চঞ্চলও নীরব হয়ে যান।

এদিকে ভারতের উজান থেকে নেমে আসা ঢল ও ভারি বর্ষণে প্লাবিত বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল। ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, কুমিল্লাসহ বেশ কয়েকটি জেলায় প্রবল বন্যায় বিপর্যস্ত। খড়কুটোর মতো ভেসে গেছে বসতভিটা। মাথার ওপর আকাশ ছাড়া কোনো ছাদ নেই সেখানে। সেই ছাদও অনিরাপদ করে দিয়েছে টানা বৃষ্টি। একটু আশ্রয়ের খোঁজা দিশেহারা বন্যা কবলিতরা।

তবে এবার দেশের চলমান আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতিতে নীরবতা ভাঙলেন চঞ্চল চৌধুরী। নীরবতা ভেঙে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন তিনি। ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘আসুন, আমরা সবাই বানভাসি মানুষের পাশে দাঁড়াই।’ বানভাসিদের নিয়ে অন্য তারকাদের উদ্যোগ প্রশংসায় ভাসলেও চঞ্চলের ক্ষেত্রে এমনটা দেখা যায়নি। তার পোস্টের মন্তব্যের ঘরে অসংখ্য মানুষের ক্ষোভ লক্ষ্য করা গেছে।

আরেকজন লেখেন, ‘এই সুযোগ মানুষের কাছে ভালো হওয়ার, কাজে লাগাতে পারেন, জীবনে তো অনেক কিছুই দেখাইছেন আশা করি এই সুযোগটা হাতছাড়া করবেন না।




বন্যার্তদের পাশে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে বিপাকে শুভ

চন্দ্রদ্বীপ বিনোদন :: ভয়াবহ বন্যার কবলে দেশ। ভারী বর্ষণ ও উজানের পানিতে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যার কবলে দেশের ফেনী, নোয়াখালী, কুমিল্লা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ বিভিন্ন জেলা। এর মধ্যে ফেনী ও নোয়াখালীতেই বন্যাকবলিত ২২ লাখের বেশি মানুষ। এই সময় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছেন শোবিজের তারকা শিল্পীরা। বানভাসিদের নিয়ে তারকাদের এমন সক্রিয়তা সবার নজর কেড়েছে।

বন্যার্তদের পাশে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে বিপাকে পড়েছেন চিত্রনায়ক আরিফিন শুভ। আজ বৃহস্পতিবার এই অভিনেতা ফেসবুকে লিখেছেন, ‘ভয়াবহ বন্যার কবলে দেশের বেশ কয়েকটি জেলা। দেশের এই সংকটকালীন পরিস্থিতিতে আমাদের জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এগিয়ে আসতে হবে। আসুন সবাই নিজ জায়গা থেকে সাহায্যের হাত বাড়াই। সবার আগে বন্যাকবলিত এলাকার মানুষ, পশুপাখিসহ সব জীবের নিরাপত্তা নিশ্চিত করি। আল্লাহ সহায় হন আমাদের।’

তার এমন বার্তায় নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন অনুসারীরা। কেউ করেছেন কটাক্ষ আবার কেউ রীতিমতো আক্রমণাত্মক মন্তব্য করেছেন শুভর ওই পোস্টে। সানজিদা আক্তার নামে একজন লিখেছেন, ‘আসছে বঙ্গবন্ধু! আপনি এতদিন কোথায় ছিলেন হাসিনার আব্বা!’

রাসেল রায়হান লিখেছেন, ‘অবশেষে আপনিও আসলেন।’

আরোসা মনি নামে একজন লিখেছেন, ‘জুলাই মাসে চুপ ছিলেন, আজ আসছেন মানবতা দেখাইতে ভাই।’

মেহেদী হাসান নামে অন্য একজন লিখেছেন, ‘তুমি না বলেছিলে, ভারত-বাংলাদেশ ভাই-ভাই! এই নমুনা ভাইদের?’

বলা দরকার, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নীরব ছিলেন আরিফিন শুভ। এ কারণে অধিকাংশ মানুষের কাছেই খলনায়কে পরিণত হয়েছেন তিনি।




পাপনের পদত্যাগ, বিসিবির নতুন সভাপতি ফারুক আহমেদ




পাকিস্তানের সংসদে ইঁদুর নিধনে বিড়াল মোতায়েন

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : পাকিস্তানের পার্লামেন্ট ভবনে বেড়েছে ইঁদুরের উপদ্রব। ইঁদুরের কারণে নষ্ট হচ্ছে রাষ্ট্রীয় সম্পদ। আর তাই সংসদে ইঁদুর নিধনে শিকারি বিড়াল মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তানের রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)।

আর এই প্রকল্পের জন্য ১২ লাখ রুপি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সিডিএ। গতকাল সোমবার সিডিএ এর বরাতে এ খবর জানিয়েছে পাকিস্তানি গণমাধ্যম জিও নিউজ।

প্রতিবেদনে বলা হয়, পার্লামেন্ট ভবনে ইঁদুরের উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় দক্ষ শিকারি বিড়াল মোতায়েনের উদ্দেশ্যে বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পার্লামেন্টের বিভিন্ন স্থানে বিশেষ ইঁদুরের ফাঁদও পেতে রাখা হবে।

পাকিস্তান পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি এবং উচ্চকক্ষ সিনেট ভবনে অনেক দিন ধরে ইঁদুরের উপদ্রপের কারণে নানা ধরণের ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছিল। এছাড়া দেশটির অনেক গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ইঁদুরের কারণে নষ্ট হয়েছে বলে জানা গেছে।

তাই এ পরিস্থিতিতে ইঁদুর নিধনে ব্যতিক্রমী প্রকল্প হাতে নিল দেশটি।




এবার খালেদা জিয়াকে নিয়ে সিনেমা, নাম ‘মাদার অব ডেমোক্রেসি’




‘কলকাতা টু করাচি, সবার মুখে বাংলাদেশ’

চন্দ্রদ্বীপ বিনোদন :: দেশে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের রেশ কাটতে না কাটতেই, কলকাতাতেও শুরু হয় গণ-আন্দোলন। কোটা নিয়ে বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের ‘দফা এক, দাবি এক, হাসিনার পদত্যাগ’র আদলে ওপার বাংলায় নারী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় ‘দফা এক, দাবি এক, মমতার পদত্যাগ’ দাবি তোলা হয়েছে। এর আগে, পাকিস্তানের সংবিধান পুনরুদ্ধার ও উজ্জীবিত কারার লক্ষ্যে বিক্ষোভ করছে দেশটির শিক্ষার্থীরা।

এক কথায় বলা যায়, বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের ঢেউ ছড়িয়ে পড়েছে ভারত ও পাকিস্তানেও। আর সেখানকার বিপ্লবীদের কণ্ঠে ঘুরে ফিরে উঠে আসছে বাংলাদেশের নাম ও স্লোগান।

খবর মিলছে, পকিস্তানের করাচিতে বিপ্লবীদের কণ্ঠে স্লোগান উঠেছে ঢাকার সুরে, ‘তুমি কে? আমি কে? বাংলাদেশ! বাংলাদেশ!’ একইভাবে কলকাতার আরজি কর কাণ্ডে ফুঁসে ওঠা নাগরিকরাও যেন ঢাকার ছাত্র আন্দোলনকে অনুসরণ করছে। আর এই বিষয়টি নজরে এনে তরুণ অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমক বাংলাদেশ নামটার একটি বিশেষণ বা ট্যাগ লাইন ঘোষণা করেছেন। সেটি হলো ‘বীরের দেশ’ কিংবা ‘দ্য ল্যান্ড অব ব্রেইভ’।

চমকের কথায়, ‘কলকাতা টু করাচি, সবার মুখে বাংলাদেশের স্লোগান। বাংলাদেশীদের বীরত্বে যুগে যুগে বিস্মিত হয়েছে পুরো বিশ্ব। আর কিছু থাকুক আর না থাকুক, আমাদের পা থেকে মাথা পর্যন্ত দেশপ্রেম আছে। আরও আছে বাঘের মতো একটা কলিজা।’

অভিনেত্রী আরও বলেন, ‘১৯৫২, ১৯৭১, ১৯৯০ ও ২০২৪- ইতিহাস বারবার ফিরে ফিরে আসে। বীরেরাও আসে নতুন রূপে নতুন পরিচয়ে, কিন্তু কলিজা সেই একই! বীরের কলিজা। আর তাই আমি আমার দেশকে একটা বিশেষণ দিতে চাই। সেটি হলো “বীরের দেশ”। ইংরেজিতে “দ্য ল্যান্ড অব ব্রেইভ”।’

বলা দরকার, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে মাঠে ও সোশ্যাল হ্যান্ডেলে বেশ সরব ছিলেন চমক।




আহতদের পাশে দাঁড়াতে কনসার্টের আহ্বান জানালেন আসিফ

চন্দ্রদ্বীপ বিনোদন :: বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে প্রাণ হারিয়েছেন অনেক শিক্ষার্থী। আহত হয়ে হাসপাতালের বিছানায় এখনও কাতরাচ্ছেন অনেকেই। সামর্থ্যের অভাবে অনেকেই আবার সুচিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। আহত ব্যক্তিদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য ইতিমধ্যেই আহ্বান জানিয়েছেন বরেণ্য নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। আর গায়ক আসিফ আকবর আহ্বান জানালেন শিল্পীদের।

আসিফের মতে, এই সময় শিল্পীরা কনসার্টের মাধ্যমে তাদের পাশে দাঁড়াতে পারে। আর সেই উদ্যোগ খুব দ্রুত নেওয়ার দরকার।

গায়কের কথায়, ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শহীদের সঠিক তালিকা এখনো পাওয়া যায়নি। বুলেটবিদ্ধ আহত ছাত্র-জনতা কাতরাচ্ছেন দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে। অন্তর্বর্তী সরকার নিশ্চয়ই এ বিষয়ে কাজ করছে। অনেকেই আছেন যাদের চিকিৎসার সামর্থ্য নেই, অথচ সুচিকিৎসা প্রয়োজন। বাংলাদেশের সমৃদ্ধ ব্যান্ডগুলো এরই মধ্যে একটা পেশাদারত্বের ছকে আছে। তারা জানে কনসার্ট থেকে কীভাবে উপার্জন করতে হয়। আমরা সলো আর্টিস্টরাও পারব, কনসার্টের মাধ্যমে ফান্ড রাইজ করতে।’

আসিফ আরও বলেন, ‘প্রয়োজন প্রোপার ম্যানেজমেন্ট। দেশের মানুষকে কনসার্টের মাধ্যমে আহত ছাত্র-জনতার চিকিৎসায় সম্পৃক্ত করা যায়, তারা স্বতঃস্ফূর্তভাবেই অংশ নেবে। জালিমের বিদায়ের পর দেশ আবারও মুখরিত হবে তারুণ্যের উচ্ছ্বাসে।’

প্রয়াত ব্যান্ড লিজেন্ড আইয়ুব বাচ্চুর কথা স্মরণ করে তিনি জানান, আইয়ুব বাচ্চু বেঁচে থাকলে অবশ্যই এই উদ্যোগ নিতেন। সারা দেশের কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে তার মতো কনসার্ট কেউ করেননি।




মেয়েকে নয়, ছেলেকে বলুন তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরতে: মিমি

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : আরজি কর-কাণ্ডের পর কর্মস্থলে নারীদের নিরাপত্তায় জোর দিতে একাধিক পদক্ষেপ ঘোষণা করেছে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ্য উপদেষ্টা আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় রাতের কর্মস্থলে নারীদের নিরাপত্তা বিষয়ে ১৭টি পদক্ষেপের কথা জানিয়েছেন।

ভারতের গণমাধ্যমকে আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, যত দূর সম্ভব নারীদের রাতের শিফ্‌ট থেকে অব্যাহতি দেওয়ার চেষ্টা করতে হবে। তার এমন বক্তব্যের কারণে জনপ্রিয় অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী বেশ নাখোশ হয়েছেন।

পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন সাংসদ অভিনেত্রী মিমি ইংরেজি ভাষায় লিখেছেন, তা বাংলা অনুবাদ করলে যে অর্থ দাঁড়ায়- মেয়েটিকে ধর্ষিতা বলার আগে ছেলেটি যে ধর্ষণ করেছে সেটা বলা হোক। মেয়েকে সামলে রাখুন বলার বদলে ছেলেকে সঠিক শিক্ষা দিন।

মেয়েকে নয়, বরং ছেলেকে বলুন তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরতে. তা হলেই নিরাপত্তা বজায় থাকবে।’ কারণ, দোষী তো পুরুষ, নারী নয়। তাই বারবার মেয়েদেরই কেন সমঝোতা করতে হবে? সেই প্রশ্নই তুলেছেন মিমি চক্রবর্তী।

এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডলে তিনি আরও লেখেন, আরজি কর হাসপাতালে একটি মেয়েকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হল। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত অপরাধীর এমন শাস্তি হওয়া উচিত, যাতে কেউ এই ধরনের জঘন্য অপরাধের কথা ভাবলেই ভয়ে মেরুদণ্ড কেঁপে ওঠে।

এই নারকীয় ঘটনার জন্য ক্ষতিগ্রস্ত এই পরিবারের দায়িত্ব সরকারকেই নিতে হবে বলেও দাবি জানান মিমি চক্রবর্তী।