আরিফিন শুভর ১০ কাঠার প্লট বাতিল হচ্ছে

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: গেল বছর ‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’ সিনেমায় অভিনয় করে আলোচনায় আসেন চিত্রনায়ক আরিফিন শুভ। যৌথ প্রযোজনার এই সিনেমায় তিনি অভিনয় করেছিলেন বঙ্গবন্ধুর চরিত্রে আর পারিশ্রমিক হিসেবে নিয়েছিলেন মাত্র ১ টাকা। জানা যায়, রাজউকের ১০ কাঠার একটি প্লট বরাদ্দ পেয়েছেন তিনি। গত বছরের ২৭ নভেম্বর রাজউকের বোর্ড সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। এবার বাতিল হতে যাচ্ছে শুভর সেই প্লটটি।

হাসিনা সরকারের বিভিন্ন সময়ে সংরক্ষিত কোটায় বরাদ্দ দেওয়া প্লট বাতিলের উদ্যোগ নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। এরই অংশ হিসেবে আরিফিন শুভকে সংরক্ষিত কোটায় বরাদ্দ দেওয়া প্লটটি বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি সিনেমাটির প্রযোজক লিটন হায়দারের প্লটও বাতিল হচ্ছে বলে জানা গেছে।

আরিফিন শুভর প্লট বাতিলের বিষয়টি নিশ্চিত করে রাজউকের চেয়ারম্যান মে. জেনারেল (অব.) মো. ছিদ্দিকুর রহমান সরকার গণমাধ্যমকে বলেন, ‘মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে আমরা তালিকা প্রণয়নের কাজ শুরু করেছি। তবে কী পরিমাণ প্লট বাতিল হবে, তা এখনই বলা যাচ্ছে না। মূলত যেগুলো রেজিস্ট্রেশন হয়নি, এমন শতাধিক প্লটের তালিকা তৈরি করা হয়েছে; যা বোর্ড সভায় উপস্থাপন করে বরাদ্দ বাতিল করা হবে।’

রাজউকের পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্প থেকে শুভকে ১০ কাঠা আর প্রযোজক লিটন হায়দারকে ৩ কাঠা আয়তনের একটি প্লট গত বছরের ২৭ নভেম্বরে রাজউকের বোর্ড সভায় অনুমোদন দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

এরপর এই প্লটের বিপরীতে শুভ সরকার নির্ধারিত টাকা জমা দিয়ে একটি চুক্তিপত্রও গ্রহণ করেন। কিন্তু সময় স্বল্পতায় তিনি এ প্লটের রেজিস্ট্রেশন বা নিবন্ধন করে নিতে পারেননি। এরই মধ্যে গেল ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর শুভর প্লটসহ রাজনৈতিক বিবেচনায় বরাদ্দ দেওয়া প্লটগুলো নিয়ে নানা হিসাব-নিকাশ শুরু হয়। এরই ধারাবাহিকতায় আরিফিন শুভ ও লিটন হায়দারের প্লট বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজউক।




অরুণাকে ‘থুথু ধিক্কার’ জানালেন পরীমণি




গোপনে দেশ ছেড়েছেন অরুণা বিশ্বাস




ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমাতে গ্রুপ খুলেছিলেন শিল্পীরা

চন্দ্রদ্বীপ বিনোদন :: কোটা সংস্কার আন্দোলন গেল জুলাইয়ে রূপ নেয় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে। উত্তাল হয়ে উঠে পুরো বাংলাদেশ। প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে শেখ হাসিনার পদত্যাগের একদফা দাবিতে রাস্তায় নেমে আসেন শিক্ষার্থীরা। তাদের সঙ্গে ছিলেন সব শ্রেণি-পেশার মানুষও। ঠিক সেই সময়ই শেখ হাসিনার সরকার নিরীহ ছাত্র-জনতার ওপর অস্ত্র ও পেশিশক্তি প্রয়োগ শুরু করে। এতে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি আহত-নিহত হন আন্দোলনরত সাধারণ মানুষও।

রাজপথে যখন রাজনৈতিক (আওয়ামী লীগ) ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দখলে তখন বসে ছিলেন না বিনোদন অঙ্গনের তারকারাও। একদল শিল্পী ছাত্র-জনতার হয়ে সরব ছিলেন রাজপথে। কথা বলেছেন, অন্যায় ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে। অন্যদিকে, আরেক দলের শিল্পীরা ছিলেন হাসিনা সরকারের পক্ষে। শিক্ষার্থীদের ওপর চলা হামলা, দমন-নিপীড়নও তাদের মনকে ন্যায়ের পথে ফেরাতে পারেনি। বরং ছাত্র-জনতার আন্দোলন কীভাবে দমানো যায়, সে বিষয়ে তারা ছিলেন তৎপর। খুলেছিলেন হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপও।

শিল্পীরা তাদের এই গ্রুপের নাম দিয়েছিল ‘আলো আসবেই’। আর সেখানে তারা আলোচনা করত কোথায়, কী করবেন! খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শিল্পীদের এই গ্রুপে ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য ও চিত্রনায়ক ফেরদৌস আহমেদ, অভিনেত্রী অরুণা বিশ্বাস, তারিন জাহান, তানভীন সুইটি, সোহানা সাবা, জ্যোতিকা জ্যোতি, অভিনেতা আজিজুল হাকিম, রিয়াজসহ অনেকে।

সেই গ্রুপের কিছু স্ক্রিনশট এখন দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ফেসবুকে। যা নিয়ে চলছে তুমুল সমালোচনা। ‘আলো আসবেই’ গ্রুপে গেল ৪ আগস্ট রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) আগুনের তথ্য দিয়ে জ্যোতিকা জ্যোতি লিখেছিলেন, সেখানে ফায়ার সার্ভিস ও গণমাধ্যমকর্মীদের ঢুকতে দিচ্ছে না ‘টোকাই জামাত-শিবিরের মেধাবী আন্দোলনকারীরা’। উত্তরে অরুণা বিশ্বাস লিখেছেন, ‘গরম জল দিলেই হবে’। তানভীন সুইটি লিখেছিলেন, ‘কোনো ভাবেই পিছু হাঁটা চলবে না। আমরা কখন, কোথায়, কীভাবে একত্রিত হবো, সেটা আমরা সবাই মিলে ঠিক করে নেব।

 

 

Image not found

শিল্পীদের ‘আলো আসবেই’ গ্রুপে নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী একটি পোস্টের স্ক্রিনশট শেয়ার করা হলে অভিনেত্রী সোহানা সাবা লিখেন, ‘অসভ্য!’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক তারকা দৈনিক আমাদের সময় অনলাইনকে জানিয়েছেন, গ্রুপটি জুলাইয়ের মাঝামাঝিতে খোলা হয়। আর গেল ৪ আগস্ট রাতে সেটি ডিলিট করা হয়। গ্রুপের অ্যাডমিন কে? সেটি না বললেও জানা যায়, গ্রুপটিতে সরব ছিলেন শোবিজের অনেক শিল্পী।

তিনি আরও বলেন, বিটিভিতে আগুন দেওয়ার পর যারা সেখানে গিয়ে আন্দোলনের বিপক্ষে কথা বলেন, তারা সবাই গ্রুপটিতে সক্রিয় ছিলেন।




যে কারণে প্রকাশ পায়নি আন্দোলন নিয়ে করা হায়দার হোসেনের গান

চন্দ্রদ্বীপ বিনোদন :: জুলাইয়ে শুরু হওয়া কোটা সংস্কার আন্দোলন পরিণত হয়েছিল সরকার পদত্যাগের এক দফা দাবিতে। এমন পরিস্থিতিতে আন্দোলন দমাতে নানা অত্যাচার ও কৌশলের আশ্রয় নেয় সরকার। বন্ধ করে দেয় ইন্টারনেট, জারি করে কারফিউ। বাড়তে থাকে ছাত্র-জনতার নিহতের সংখ্যা, যাদের মৃত্যু হয় রাষ্ট্রীয় বাহিনী ও আওয়ামী লীগ সদস্যদের গুলিতে। আন্দোলনের শুরুর দিকে সরকারের এমন উগ্র আচরণ নিয়ে একটি গান লিখেছিলেন সংগীতশিল্পী হায়দার হোসেন। শিরোনাম ‘আমি লিখতে চাইনি’।

তবে সেসময় গানটি প্রকাশ করতে পারেননি হায়দার হোসেন। কারণ যেদিন তিনি তা প্রকাশ করবেন ভেবেছিলেন, সেদিনই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল সারাদেশের ইন্টারনেট। এবার শেখ হাসিনার পতনের পর প্রকাশ্যে এল হায়দার হোসেনের গাওয়া সেই গানটি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি গানটি প্রকাশ করে ‘ফাইসা গেছি’খ্যাত গায়ক বলেন, ‘এই গানটি আমি লিখেছিলাম কোটা সংস্কার আন্দোলনের জন্য এবং ১৮ জুলাই আপলোড করার উদ্দেশ্যে; কিন্তু পোস্ট করার আগ মুহূর্তে ইন্টারনেট বন্ধ হয়ে যায়। অনেকের অনুরোধে গানটি আবার আপলোড করলাম।’

গানটির কথাগুলো এমন, ‘আমি বলতে চাইনি/ তবু বলতে হয়/ আমি লিখতে চাইনি/ তবু লিখতে হয়/ এতগুলো প্রাণ ঝরে গেল/ বিবেক কেমনে নির্বাক রয়?’

পাশাপাশি ছাত্র-জনতার বিজয়ের পর আরও একটি নতুন গান প্রকাশ করেছেন হায়দার হোসেন। এটির শিরোনাম ‘বিজয় উল্লাস’।

প্রসঙ্গত, বর্তমানে হৃদযন্ত্রের অসুস্থতায় ভুগছেন হায়দার হোসেন। গত জুনে বেশ ক’দিন হাসপাতালেও ভর্তি হতে হয়েছিল তাকে। সেসময় তার হৃদযন্ত্রে একটি করোনারি স্টেন্ট (রিং) বসানো হয়। তবে অসুস্থ থাকা সত্ত্বেও নতুন গান লেখা চালিয়ে যাচ্ছেন এ শিল্পী।




আমাকে এতটাই কুখ্যাত করা হয়েছে যে বিয়ে করতে পারছি না




শেষের পথে মৌয়ের প্রথম সিনেমা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: নাটকের অভিনেত্রী তাহমিনা সুলতানা মৌ। ক্যারিয়ারে প্রথমবার একটি সিনেমায় অভিনয় করেছেন। নাম ‘সংবাদ’।  নির্মাণ করছেন সোহেল আরমান। এরইমধ্যে সিনেমাটির কাজ প্রায় শেষ করেছেন বলে জানিয়েছেন মৌ।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সব মিলিয়ে সিনেমার কাজ বেশ ভালো হয়েছে। আমি আমার চরিত্র, আমার অংশের কাজ নিয়ে ভীষণ সন্তুষ্ট। তবে এখনো সিনেমার অন্যান্য কাজ বাকি আছে, তাই সার্বিকভাবে বলতে পারছি না। তবে গল্পটা যেহেতু আমার কাছে ভালো লেগেছে, আশা করছি সবকিছু ঠিকঠাকভাবে শেষ হলে সিনেমাটি বেশ ভালো হবে। বাকিটা দর্শকের উপর নির্ভর করছে।’

এদিকে তার অভিনীত এ মুহূর্তে দু’টি ধারাবাহিক নিয়মিতভাবে প্রচার হচ্ছে। একটি কায়সার আহমেদের ‘গোলমাল’, অন্যটি সঞ্জিত সরকারের ‘চিটার অ্যান্ড জেন্টলম্যান’।

 




ধারাবাহিক নাটকের ট্যাগলাইন- তুমি কে? আমি কে?

চন্দ্রদ্বীপ বিনোদন ::

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করে দেশ ছেড়েছেন শেখ হাসিনা। ছাত্র-জনতার তোপের মুখে হাসিনা সরকারের পতন ঘটে। আর এই আন্দোলনে অংশ নেন সকল শ্রেণি-পেশার মানুষজন। এদের মধ্যে বড় একটি অংশ ছিল তরুণ প্রজন্ম। যাদেরকে অনেকেই জেন-জি বা জেনারেশন জেড নামে চেনে। এবার তাদের ভাবনা-চিন্তা ও সমসাময়িক ঘটে যাওয়া ঘটনা নিয়ে নির্মিত হচ্ছে নাটক। নাম ‘জেন-জি’। আর এর ট্যাগলাইন দেওয়া হয়েছে ‘তুমি কে? আমি কে?’।

মেজবাহ উদ্দিন সুমনের রচনায় ধারাবাহিকটি নির্মাণ করবেন আবু হায়াত মাহমুদ। আগামী ১০ সেপ্টেম্বর থেকে এর দৃশ্যধারণ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন নির্মাতা। এটি মূলত, পলিটিক্যাল স্যাটায়ারধর্মী ধারাবাহিক। একটি পরিবার যদি একটা দেশ হয়। আর এ পরিবারকে কেন্দ্র করে হাসি-আনন্দ, ভালেবাসা টানাপোড়েন সঙ্গে পলিটিক্যাল স্যাটায়ারের মিশ্রন তুলে ধরা হবে গল্পে। এতে পরিবারের বাবার স্বৈরাচারী মনোভাবের দেয়াল ভাঙবে জেনারেশন জেডরা। বলা যায়, হাস্যরসের মাধ্যমে সমাজে গুরত্বপূর্ণ বার্তা দেবেন নির্মাতা।

নির্মাতা আবু হায়াত মাহমুদ বলেন, ‘মজার মজার স্যাটায়ারের মাধ্যমে আমাদের রাজনৈতিক অবস্থার চিত্র দেখানো হবে এই নাটকে। উঠে আসবে জেনারেশন এর সঙ্গে জেনারেশন এর ভাবনা ও মতের পার্থক্য। পরিবারের বাবার স্বৈরাচারী মনোভাবের দেয়াল ভাঙ্গবে আমাদের জেন জেডরা। সব মিলিয়ে এটি একটি ভিন্নধর্মী ধারাবাহিক হবে বলেই আশা করছি।’

জানা যায়, ধারাবাহিকটি প্রযোজনা করছে ক্রিয়েটিভ ল্যাব প্রোডাকশন হাউজ। শিগগিরই কোনো একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে প্রচার হবে ‘জেন-জি’।




রাওয়ালপিন্ডি টেস্ট : বাংলাদেশের লিড, ডাবল সেঞ্চুরির ঘ্রাণ নিয়ে চা বিরতিতে মুশফিক

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: পাকিস্তানের বিপক্ষে নিজের ইচ্ছেমত ইনিংস সাজাচ্ছেন মুশফিকুর রহিম। সেঞ্চুরি হাঁকানোর পর দেড়শ রানের ঘর পেরিয়ে মুশফিক পা বাড়িয়েছেন ডাবল সেঞ্চুরির পথে। এ পথে তাকে সাহায্য করছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। এই ব্যাটারও এরইমধ্যে ফিফটি তুলে নিয়েছেন। এক ইনিংসে যা বাংলাদেশের পঞ্চম ফিফটি।

চতুর্থ দিনের চা বিরতি পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ৪৯৫ রান। ১৭৩ রানে উইকেটে আছেন মুশফিক। অন্যদিকে ৫০ রানে ব্যাট করছেন মিরাজ। দু’জনেই দলকে বড় লিডের পথে নিয়ে যাচ্ছেন বাংলাদেশকে। কোথায় গিয়ে বাংলাদেশ ইনিংস ঘোষণা করে সেটায় এখন দেখার বিষয়।

এর আগে, ১৩২ রানে পিছিয়ে থেকে চতুর্থ দিনে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই হোঁচট খায় বাংলাদেশ। আগের দিনের সঙ্গে মাত্র ৪ রান যোগ করে ৫৬ রানে সাজঘরের পথ ধরেন লিটন দাস। ফিরতে পারতেন মুশফিকও। তবে আম্পায়ারের লেগ বিফোরের সিদ্ধান্তে রিভিউ নিয়ে বেঁচে যান তিনি।

এরপর মিরাজকে সঙ্গে নিয়ে সেঞ্চুরি আদায় করে বাংলাদেশকে পথ দেখান মুশফিক। সেঞ্চুরি আদায় করে মুশফিক টপকে যান তামিম ইকবালকে। তামিমের ১০ টেস্ট সেঞ্চুরির বিপরীতে মুশফিকের সেঞ্চুরির সংখ্যা এখন ১১টি। এছাড়াও বিদেশের মাটিতে তামিমের ৪ সেঞ্চুরি ছাড়িয়ে মুশফিকের সেঞ্চুরির সংখ্যা এখন ৫টি।

এদিন মুশফিককে দারুণ সঙ্গ দিয়েছেন মিরাজ। মুশফিকের সঙ্গে জুটি গড়ে তুলে দলকে বড় সংগ্রহের পথে টানছেন তিনি। তার সঙ্গ পেয়ে তৃতীয় চতুর্থ ডাবল সেঞ্চুরির পথে রয়েছেন মুশফিক।




মুশফিক-লিটনে স্বস্তির তৃতীয় দিন

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : সকালে নতুন বলের ফাঁড়া কাটাতে পারেননি ওপেনার জাকির আলী। অধিনায়ক নাজমুল শান্ত বল পুরনো বানালেও রান পাননি। আবার মুমিনুল হক সাবলীল খেললেও ফিফটি করেই সাজঘরে ফেরেন। হতাশা আরও বেড়ে যায় সাদমান ইসলাম সেঞ্চুরি মিস করলে। তবে শেষ বিকেলে মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাস ফিফটি করে এবং দলের রান তিনশ’র উপরে নিয়ে স্বস্তি এনে দিয়েছেন।

রাওয়ালপিন্ডিতে সিরিজের প্রথম টেস্টে বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ৯২ ওভার ব্যাটিং করে ৫ উইকেট হারিয়ে ৩১৬ রান করেছে। দলের সেরা টেস্ট ব্যাটার মুশফিকুর রহিম ৫৫ রান নিয়ে চতুর্থ দিন শুরু করবেন। তিনি ১২২ বল খেলে ৭ চারের শটে ওই রান করেছেন। লিটন দাস কর্তৃত্ব করে ৫৮ বলে ৫২ রান করে অপরাজিত আছেন। তার ব্যাট থেকে আটটি চার ও একটি ছক্কা এসেছে। পাকিস্তানের চেয়ে বাংলাদেশ ১৩২ রানে পিছিয়ে আছে।

বাংলাদেশ ১২ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে ২৭ রান তুলে দিন শেষ করে। সকালে জাকির ৫৮ বলে ১২ রান করে ফিরে যান। শান্ত ৪২ বলে ১৬ রান যোগ করেন বোল্ড হন। এরপর ওপেনার সাদমান ও চারে নামা মুমিনুল হক ৯৪ রানের জুটি গড়েন। মুমিনুল ৭৬ বলে ৫ চারের শটে ৫০ রান করে বোল্ড হন। মুশফিকের সঙ্গে ৫২ রান যোগ করে সাজঘরে ফেরেন সাদমান। তিনি ১৪ টেস্টের ক্যারিয়ারে দ্বিতীয় সেরা ৯৩ রানের ইনিংস খেলেন। বাংলাদেশ ১৯৯ রানে হারায় চতুর্থ উইকেট।

পরেই ক্রিজে এসে আউট হন বাঁ-হাতি অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। তিনি ১৬ বলে ১৫ রান যোগ করেন। দলের রান তখন ২১৮। ওই জায়গা থেকে ধসে যাওয়ার সুযোগ ছিল বৈকি। কিন্তু মুশফিক ও লিটন ৯৮ রান যোগ করে শুধু দিন শেষ করেননি দলে স্বস্তি এনে দিয়েছেন। চতুর্থ দিন ওই জুটি জমলে সহজে লিডের আশা করতে পারে বাংলাদেশ।

এর আগে পিন্ডি টেস্টে টস হেরে ব্যাট করে প্রথম ইনিংসে ৬ উইকেট হারিয়ে ৪৪৮ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে পাকিস্তান। ১৬ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর সূদ শাকিল ও মোহাম্মদ রিজওয়ান দুর্দান্ত জুটি গড়ে ওই রান করেন। শাকিল খেলেন ২৬১ বলে ১৪১ রানের ইনিংস। রিজওয়ান ২৩৯ বল খেলে ১৭১ রান করেন। এছাড়া সাইম আইয়ূব ৫৬ রান যোগ করেন। বাংলাদেশের হাসান মাহমুদ ও শরিফুল দুটি করে উইকেট নেন। পাকিস্তানের খুররম শাহজাদ দুই উইকেট নিয়েছেন। মোহাম্মদ আলী, নাসিম শাহ ও সাইম একটি করে উইকেট নিয়েছেন।