দুর্ঘটনার কবলে রাশমিকা মান্দানা




আমার বয়স ত্রিশের ওপরে, ব্যক্তিত্ব পরিবর্তন করতে পারবো না’




মা হয়েছেন, এবার অভিনয় ছেড়ে দেবেন দীপিকা?




কেমন আছেন সাবিনা ইয়াসমীন

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: সোমবার দুপুরে  সাবিনা ইয়াসমীনের সঙ্গে কথা হয় । জানালেন, তিনি আগের চেয়ে অনেকে ভালো আছেন। চলছে সংগীতচর্চাও।

বছরের শুরুতে মাস তিনেকের বেশি সময় সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন ছিলেন বাংলা গানের পাখি সাবিনা ইয়াসমীন। এরপর ঢাকায় ফিরে আবার নিয়মিত চেকআপের জন্য সিঙ্গাপুরে যেতে হয়। এদিকে লম্বা সময় ধরে সাবিনার দেশের বাইরে চিকিৎসাধীন থাকার কারণে দেশ ও দেশের বাইরে ছড়িয়ে থাকা গানের ভক্ত–শুভাকাঙ্ক্ষীরা চিন্তায় পড়েন। জানতে চান, কেমন আছেন তাঁদের প্রিয় শিল্পী।

সাবিনা ইয়াসমীনের পেশাদার গানের জীবন ছয় দশকের বেশি সময়। এই দীর্ঘ সময়ে আজ পর্যন্ত কোনো দিন রেওয়াজ থেকে নিজেকে দূরে রাখেননি খুব বেশি অসুস্থ না হলে। আজ সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টায় আলাপ প্রসঙ্গে জানালেন, ‘সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর অনেক সময় ধরে রেওয়াজ করেছি। এটা আমার দীর্ঘদিনের অভ্যাস।  দুপুর ১২টা পর্যন্ত করলাম। তবে সকাল কিংবা বিকেল নয়, যখনই মন চায় তখনই রেওয়াজ করি।’




শিল্পী সংঘের নেতাদের দায়িত্ব ছাড়তে বললেন বাঁধন




আমি নাকি পর্নোগ্রাফির সঙ্গে জড়িত’




তুমি ভুল পেশায় রয়েছ’, মেয়ে এষাকে কেন বলেছিলেন হেমা মালিনী?




‘দেহব্যবসার চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস’র খবরে হুমকি দিলেন সোহানা সাবা

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমাতে গোপন হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ খুলেছিলেন শোবিজের একদল শিল্পী। তারা অবস্থান নিয়েছিলেন বিগত সরকারের পক্ষে। ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনে রাজপথে ছিলেন বিপক্ষে। সেই শিল্পীদের একজন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সোহানা সাবা। গোপন হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ‘আলো আসবেই’র সক্রিয় সদস্য ছিলেন এই অভিনেত্রী।

দেশজুড়ে যখন শিল্পীদের গোপন গ্রুপের স্ক্রিনশট নিয়ে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা, ঠিক সেসময় নতুন এক খবরের শিরোনাম হলেন সোহানা সাবা। সম্প্রতি এক গণমাধ্যমে ‘সোহানা সাবার দেহব্যবসার চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস’ শিরোনামে এক ভিডিও প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে। যা দেখে খেপেছেন এই অভিনেত্রী। দিয়েছেন হুমকিও।

সোহানা সাবার দাবি- নিউজটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে করা হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করে লিখেছেন, ‘দেশের একটি গণমাধ্যমের অনলাইন আমার বিরুদ্ধে ৬ সেপ্টেম্বর একটি (ইউটিউব এবং অনলাইন নিউজ) নিউজ করেছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে করা হয়েছে, যাতে আমার সুনাম নষ্ট হয়। গত ২০ বছর ধরে আমি মিডিয়ায় কাজ করছি এবং সচেতনভাবে আমি আমার কাজের বাইরে কোনো বিতর্ক বা আলোচনায় থাকতে চাই না। এ বছরের শুরুতে একটি প্রতারণামূলক দল আমার নামে মানুষের কাছ থেকে টাকা নিচ্ছিল।’

অভিনেত্রী আরও লিখেছেন, ‘আমি তখনই একটি জিডি করি, যেন ভবিষ্যতে এ ধরনের কাজ কেউ আর করার সাহস না পায়। সেখান থেকে এক অপরিচিত সাংবাদিক এই ঘটনা সম্পর্কে জানতে পারে এবং আমাকে ফোন করে কথা বলে। এখন দেখছি, সে আমার বিনা অনুমতিতে সেই কথোপকথনটি রেকর্ড করেছে, যা সম্পূর্ণ আইনের বাইরে।’

অভিনেত্রীর সম্মানহানির চেষ্টা করা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘একজন নারী হিসেবে আমি সে সময়ে আমার সম্মান বাঁচাতে যে কাজটি করেছি, সেটি এই অসময়ে এসে আমার বিরুদ্ধেই বানোয়াট নিউজ করে আমার রেপুটেশন নষ্ট করার চেষ্টা করেছে একটি বিকৃত হেডলাইনের মাধ্যমে। আমি তাদের শক্তভাবে বলতে চাই, আগামী দুই ঘণ্টার মধ্যে আপনারা আপনাদের জায়গা থেকে প্রত্যেকটি নিউজ ডিলিট করবেন। না হলে আমি এই প্রমাণ নিয়ে আইনানুগ সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হব।’

 




মিতুর গডফাদার ছিলেন ওবায়দুল কাদের!

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: ঢাকাই চলচ্চিত্রের উঠতি নায়িকা জাহারা মিতু।  চলচ্চিত্র অভিনেত্রী জাহারা মিতু ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ-২০১৭’ সুন্দরী প্রতিযোগিতার মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন।

শাকিব খানের সঙ্গে তার সিনেমা আগুনের মুক্তি না পেলেও রাতারাতি পালটে যায় জাহারা মিতুর জীবন। সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে হলেও খুব দ্রুতই বিত্তশালি হয়ে উঠেন তিনি।

গুঞ্জন রয়েছে, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের হাত ধরেই রাতারাতি ভাগ্য বদলে গেছে জাহারা মিতুর। এমন শোনা যায়, রাতে কাদেরকে ঘুম পাড়িয়ে দিয়েই বাসায় ফিরতেন এই নায়িকা। এক সাক্ষাৎকারে মিতু নিজেই বলেছেন,ওবায়দুল কাদের আমার আইডল। এদিকে কাদেরও শত ব্যস্ততার মাঝেও নায়িকাকে সময় দিতেন। মিতুর একটি বইয়ের প্রিমিয়ার অনুষ্ঠানে সাবেক এই সেতুমন্ত্রীকে দেখা গেছে।

তারও আগে মিতুর প্রথম সিনেমার মহরতেও উপস্থিত ছিলেন কাদের। ‘আগুন’ নামের সেই ছবির মাধ্যমেই নায়িকা বনে যান তিনি। তবে শেষ পর্যন্ত অফসাইডের নায়িকা হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় তাকে। যদিও তার বিলাসবহুল জীবনযাপন নিয়েও চলছে আলোচনা। ঘন ঘন বিদেশ সফর, পাঁচ তারকা হোটেলে রাতযাপনসহ নানা বিষয় সামনে এসেছে। অনেকের মতে, মিতুর গডফাদার ছিলেন কাদের। এমনকি কাদেরকে নিজের অভিভাবক হিসেবেও একাধিকবার স্বীকার করে নিয়েছেন এই উঠতি নায়িকা।

শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর অনেকেই মিতুর সঙ্গে কাদেরের ঘনিষ্ঠতা নিয়ে মুখ খুলতে শুরু করেন। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমগুলোতে চলছে আলোচনা। সম্প্রতি একটি সংবাদ মাধ্যমেও বলা হয়েছে, ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল মিতুর। এমনকি প্রায় রাতেই তাদের দেখা হতো। শুধু তাই নয়, ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে নিজের ছবি-ভিডিও এবং ঘনিষ্ঠতা দেখিয়ে অনেক কাজও বাগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করতেন তিনি। এই নেতার ছত্রছায়ায় থেকে বিভিন্ন প্রযোজকদের সঙ্গেও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলেন মিতু। সিনেমায় নিজের প্রভাব খাটাতে থাকেন। এমনকি প্রযোজকদের ব্ল্যাকমেইলিংয়ের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

এদিকে ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে নিজের এই সম্পর্কের বিষয়টি অস্বীকার করে ফেসবুকে এক দীর্ঘ পোস্ট দিয়েছেন মিতু। পোস্টে তিনি লিখেছেন, ডিজিটাল যুগে সবকিছুর রেকর্ড থাকে। আমার বাসা থেকে বের হওয়ার সিসিটিভি ফুটেজ যেমন থাকবে, আমি কোথাও গেলে সেটারও রেকর্ড থাকবে। কললিস্টেরও রেকর্ড থাকে। এসব বুঝেশুনে নিউজ করতে হয়। দেশের সর্বোচ্চ একজন মন্ত্রীকে, মন্ত্রীপাড়ায় প্রতিদিন ঘুম পাড়ানোর নিউজ কোনো মেয়াদোত্তীর্ণ সবজি সেবনের ফলেই লেখা যায়। এর থেকে হাস্যকর নিউজ আমি আমার বাপের জন্মে দেখিনি। এদিকে সাবেক মন্ত্রীর সঙ্গে নাম জড়িয়ে পড়ায় ক্ষুব্ধ মিতু জানিয়েছেন, কোনো পুরুষকেই তার ভালো লাগে না। বিশ্বাস করতে পারেন না তিনি। এক ধোঁকাবাজের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর প্রেম-ভালোবাসা থেকেও মন উঠে গেছে তার।




আলো আসবেই গ্রুপ কাণ্ড, যা বললেন মৌসুমী