আবরার ফাহাদের মৃত্যুবার্ষিকীতে আসছে ‘রুম নম্বর ২০১১’




দুর্ঘটনার কবলে মধুমিতা সরকার

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: দিনে দুপুরে দুর্ঘটনার কবলে অভিনেত্রী মধুমিতা সরকার। রেড রোড ধরে নিমতলা শ্মশানের দিকে ভূতনাথ মন্দিরে যাচ্ছিলেন। রাস্তায় যাওয়ার পথেই ঘটে গেল যায় বড় দুর্ঘটনা। সকালে প্রিন্সেপ নদীর ধারে শুটিং করছিলেন নায়িকা। 

মাঝে কিছুক্ষণের ছুটি ছিল, আবার রাতে শুটিং ছিল। তাই ফাঁকা পেয়ে ভেবেছিলেন ভূতনাথ মন্দিরে ঘুরে আসবেন কিন্তু যাওয়ার পথে যে এমন ঘটে যাবে বুঝতে পারেননি। কালো গাড়ির ড্রাইভারের দিকের দরজাটা পুরো ভেঙে গিয়েছে। এই দুর্ঘটনার মধ্যেও ভগবানের উপর আস্থা রেখেছেন নায়িকা।

ভারতীয় গণমাধ্যমের সাক্ষাৎকারে মধুমিতা বলেন, ‘আমার মাথার উপর বাবার হাত আছে। জানি আমার কিছু হত না। তবে আমি সব ক্ষতিপূরণ আদায় করেই ছাড়ব। আমি ঠিক আছি। চিন্তার কোনও কারণ নেই, সুস্থ আছি।’

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মধুমিতা একটি ভিডিও শেয়ার করেছে। যেখানে দেখা যায়, মধুমিতা গাড়ি থেকে নেমে ড্রাইভারের ভিডিও করছেন। সেই মুহূর্তে নায়িকার সঙ্গে ছিলেন তার সহকারী। তিনি ছুটে গিয়ে গাড়ির চাবি খুলেন ।

নায়িকার দাবি, মদ্যপ অবস্থায় বিদ্যুত্‍ সংস্থার বড় গাড়িটি চালাচ্ছিলেন চালক। যে কারণে, এই দুর্ঘটনা ঘটেছে তবে বারবার ভিডিওর মাধ্যমেও নায়িকা সকলকে আশ্বস্ত করেছেন। অভিনেত্রী সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন, তবে তিনি এই ঘটনার শেষ দেখেই ছাড়বেন।

উল্লেখ্য, ভারতীয় সিরিয়াল ‘সবিনয় নিবেদন’ অভিনয় করে যাত্রা শুরু করেছিলেন অভিনেত্রী মধুমিতা সরকার। সেই শুরু তারপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। একে একে ‘বোঝে না সে বোঝে না’, ‘কেয়ার করি না’, ‘কুসুম দোলা’র মতো ধারাবাহিকে অভিনয় করেছেন।

‘বোঝে না সে বোঝে না’ নাটকে তার অভিনীত ‘পাখি’ চরিত্রটি আজও সমানভাবে জনপ্রিয়। সিরিয়াল থেকে সরে এসে মধুমিতা বাংলা ওয়েব সিরিজ এবং ছবিতেও কাজ করেছেন।




শাহরুখ-সালমান নন, সবচেয়ে বেশি পারিশ্রমিক নিচ্ছেন থালাপতি বিজয়




ভারতে পালানোর সময় সাংবাদিক মোজাম্মেল বাবু, শ্যামল দত্তসহ আটক ৪

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: অবৈধভাবে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলা থেকে একাত্তর টেলিভিশনের সিইও মোজাম্মেল হক বাবু, দৈনিক ভোরের কাগজ পত্রিকার সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সিনিয়র রিপোর্টার মাহবুবুর রহমান ও প্রাইভেটকার চালক সেলিমসহ চারজনকে আটক করা হয়েছে।

সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) উপজেলার দক্ষিণ মাইজপাড়া ও পোড়াকান্দুলিয়া সীমান্তের মাঝামাঝি এলাকা থেকে স্থানীয় জনতা তাদের আটক করে পুলিশের হাতে সোপর্দ করে। এ সময় তাদের বহনকারী একটি প্রাইভেটকার জব্দ করে স্থানীয়রা।

একাত্তর টিভির সিনিয়র রিপোর্টার মাহাবুবুর রহমান সমকালকে বলেন, ‘আমার বাড়ি ময়মনসিংহ সদরে। মোজাম্মেল হোসেন বাবু ভাই আমাকে বলার পর আমি তার সঙ্গে যোগ দেই। পথে ১০টি মোটরসাইকেল পথরোধ করে আটকিয়ে আমাদেরকে কিলঘুসি দিয়ে টাকা চায়। এক পর্যায়ে আমার মানিব্যাগ চেক করে ৩০০ টাকা পায়। টাকা নিয়ে মানিব্যাগটি ফকিন্নি বলে আমার মুখের উপর ফেলে দেয়। পরে আমাদের সবার কাছে চেক করে যা ছিল সব নিয়ে যায়। এরপর কি হইছে আমি বলতে পারবো না।’

ধোবাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চান মিয়া সমকালকে বলেন, আজ সোমবার ভোর ৬টার দিকে দক্ষিণ মাইজপাড়া ও পোড়াকান্দুলিয়া সীমান্তের মাঝামাঝি এলাকা থেকে স্থানীয় জনতা তাদের আটক করে পুলিশের হাতে সোপর্দ করে। এ সময় তাদের বহনকারী একটি প্রাইভেটকার জব্দ করে স্থানীয়রা। আটক চারজন বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন।

ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আজিজুল ইসলাম বলেন, আটকৃতদের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট মামলায় তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব‍্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।




নবাগত নায়িকা মেঘলার রহস্যজনক মৃত্যু




নতুন সম্পর্কের ঘোষণা নুসরাত ফারিয়ার!




পারফিউম ব্যবসায় দুবাইয়ের রাজকুমারী, নাম ডিভোর্স




কেন সরে যান শখ,শশী, শ্রাবন্তীরা?

 

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: সিনেমার নায়িকা হওয়ার স্বপ্ন ছিল ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই। নাটকের পরিচিত মুখগুলো নাম লিখিয়েছিলেন সিনেমায়। ব্যবসাসফল সেসব সিনেমায় পরিচিতি এনে দিলেও পরে আর সিনেমায় সেভাবে দেখা যায়নি এই অভিনেত্রীদের। কী কারণ?

জানা গেল, কেউ স্বেচ্ছায় সিনেমা থেকে দূরে সরে যান। কেউ আবার অভিমান করে নায়িকা হওয়ার পথে হাঁটেননি। কেউ চলচ্চিত্র নায়িকা হওয়ার পথে একের পর এক চেষ্টা চালিয়েও ব্যর্থ হয়েছেন। হেঁটেছেন ভিন্ন পথে। ফিরে গেছেন ছোট পর্দার দুনিয়ায়।

‘প্রেমে পড়েছে মন প্রেমে পড়েছে’ গানটি তখন দর্শকদের মুখে মুখে ছিল। এটি ছিল মতিন রহমানের ‘রং নাম্বার’ সিনেমার গান। এই সিনেমায় অভিনয় করে প্রশংসিত হন অভিনেত্রী ঈপ্সিতা শবনম শ্রাবন্তী; কিন্তু পরে আর তাঁকে সিনেমায় দেখা যায়নি। সেই সময়ে তিনি অনেক সিনেমায় অভিনয়ের প্রস্তাব পেয়েছেন; কিন্তু নাম লেখাননি। এ নিয়ে জানতে চাইলে সোমবার তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘সেই সময়ে একের পর এক প্রস্তাব পেয়েছিলাম সিনেমার; কিন্তু করিনি।’

এ প্রসঙ্গে তিনি আগে জানিয়েছিলেন, সেই সময়ে নাটকে বেশি অভিনয় করে স্বাচ্ছন্দ৵ বোধ করতেন। ফিল্মে অভিনয় করা তাঁর কাছে অনেক কষ্টের মনে হতো। তবে ‘রং নাম্বার’ সিনেমায় অনেক শর্ত সাপেক্ষে কাজ করেছিলেন। তিনি নিজের মতো করেই কাজ করতে পছন্দ করতেন। যে কারণে সিনেমার জনপ্রিয়তার পরেও তিনি নাটকেই নিয়মিত ছিলেন।

তখন দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী, কোহিনুর আক্তার সুচন্দার পরিচালনায় ‘হাজার বছর ধরে’ সিনেমায় নাম লেখান। কলেজে পড়াশোনার সময়ে ২০০৫ সালে সিনেমাটি মুক্তি পায়। প্রথম সিনেমা দিয়ে রীতিমতো তারকা বনে যান অভিনেত্রী শারমিন জোহা শশী। পরে টুনি চরিত্রে জনপ্রিয়তায় একের পর এক সিনেমার প্রস্তাব পেয়েছেন; কিন্তু বেশির ভাগ সিনেমার গল্পই ‘হাজার বছর ধরে’ সিনেমার সমপর্যায়ের না হওয়ায় সিনেমাগুলো ছেড়ে দেন। এ ছাড়া সেই সময়ে কাটপিস সিনেমার সংখ্যা বেশি হওয়ায় সিনেমার পরিবেশ ভালো ছিল না। তাঁর পরিবারও চাইত না তিনি সিনেমায় নিয়মিত থাকুন।

শশী বলেন, ‘সিনেমায় আমার ভাগ্য সহায় হয়নি। আর যখন দেখলাম না করতে করতে পাঁচ বছর পেরিয়ে গেছে, তখন আর সিনেমা নিয়ে ভাবিনি। পরে নাটকেই নিয়মিত হই। আর সেই সময়ে বাংলা সিনেমায় মানসম্মত গল্পের সিনেমা তৈরি কম ছিল। তখন শুনতাম, কাটপিস সিনেমার যুগ চলছে। পরিবেশের কারণে পরিবার সিনেমায় আর যেতে দেয়নি।’ সিনেমায় শশীর নায়ক ছিলেন রিয়াজ।
প্রথম সিনেমাতেই নায়িকা হিসেবে অভিনয়ের সুযোগ পেয়েছিলেন জিনাত সানু স্বাগতা। তাঁর নায়ক ছিলেন চিত্রনায়ক মান্না। সিনেমার নাম ‘শত্রু শত্রু খেলা’। জয়নাল আবেদীন পরিচালিত সিনেমাটি ব্যবসায়িকভাবে লাভজনকও হয়। স্বাগতা এই সিনেমার পরে ভেবেছিলেন, হয়তো চিত্রনায়িকা হিসেবে অভিনয় করবেন। সেই চেষ্টাও করেন; কিন্তু পরে তাঁকে ব্যর্থ হতে হয়।
অভিমান নিয়ে স্বাগতা বলেন, ‘মান্না ভাইয়ের সঙ্গে সিনেমায় অভিনয় করে আমার জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে। সিনেমাটি থেকে আমি অনেক প্রশংসা পাই। পরে সিন্ডিকেটের আন্ডারে চলে সব চলে যায়। আমি অনেক চেষ্টা করেছি সিনেমা করে যেতে পারিনি। পরে আবার মান্না ভাইয়ের সঙ্গে সিনেমা করার কথা ছিল। তার পরেই মান্না ভাই মারা যান।’




আট মাস পর নতুন ছবিতে বুবলী

 




কুপ্রস্তাবে ‘না’ বলায় অভিনেত্রীকে ফাঁকা রাস্তায় ফেলে যান পরিচালক