মিস বাংলাদেশ’ মুকুট জিতলেন বরিশালের মেয়ে ইচ্ছা

চন্দ্রদ্বীপ বিনোদন :: মিস বাংলাদেশ বিউটি পেজেন্ট ২০২৪’ এর শিরোপা জিতেছেন বরিশালের মেয়ে ফেরদৌসী তানভীর ইচ্ছা। ফিলিপিন্সে অনুষ্ঠেয় ২৪তম মিস আর্থ প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন তিনি।

শুক্রবার (৪ অক্টোবর) রাতে রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে আয়োজন করা হয় প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনালে। এই প্রতিযোগিতায় বিজয়ের মুকুট জয় করেন ইচ্ছা। প্রতিযোগিতায় ১ম রানার আপ হয়েছেন কাজী তারানা এবং দ্বিতীয় রানারআপ হ‌য়ে‌ছেন মাহবুবা রহমান লাবণ্য।

আগামী ৯ নভেম্বর ফিলিপিন্সে অনুষ্ঠেয় ২৪তম মিস আর্থ প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন ‘মিস বাংলাদেশ’ খেতাবজয়ী ফেরদৌসী তানভীর ইচ্ছা।
 
এছাড়া ১ম রানার আপ কাজী তারানা ক‍্যাম্বোডিয়ায় ‘মিস গ্লোবাল’ এবং ২য় রানার-আপ মাহবুবা রহমান লাবণ্য যুক্তরাষ্ট্রে ‘রয়েল ইন্টারন্যাশনাল মিস’ আয়োজনে অংশ নেবেন।
প্রতিভা, বুদ্ধিমত্তা ও সৌন্দর্যের এই মহা উৎসবে শুধুমাত্র তিনজন নয়, মোট ১০ জন প্রতিযোগিকে মুকুট পরিয়ে সম্মানিত করা হয়েছে, যারা বিশ্বের ছয়টি মহাদেশের ১০টি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করবেন।
 
এই আয়োজনের শীর্ষ ১০-এর বাকি ৭ জন থাইল্যান্ডের ‘মিস হেরিটেজ ইন্টারন্যাশনাল’, ভারতের ‘মিস এশিয়া’, ‘মিস এশিয়া গ্লোবাল’, ‘মিস গ্ল্যাম ওয়ার্ল্ড’, ফিলিপিন্সের ‘মিস ইন্টারগ্লোবাল’, দক্ষিণ আফ্রিকার ‘মিস কালচার গ্লোবাল’ এবং কসোভো ও আলবেনিয়ায় ‘মিস ফ্রিডম অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন।
বাংলাদেশকে পুনর্গঠন ও পুনরায় ব্র্যান্ডিং করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এই নারীরা পরিবর্তনের দূত হিসেবে পরিবেশ রক্ষা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার গুরুত্বকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরবেন বলে প্রত্যাশা মিস বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মেঘনা আলমের।
 
‘মিস বাংলাদেশ’ কেবল বাহ্যিক সৌন্দর্যের প্রতিযোগিতা নয়। ব্যক্তিত্ব, শিল্পমূল্য, নারীত্ব এবং মার্জিত অনুভবের প্রতিফলনের সমন্বয়ে বিশ্ব সৌন্দর্য প্রতিযোগিতায় বাছাই করা হয়েছে সেরা নারীদের; যারা আন্তর্জাতিকভাবে প্রমাণ করবেন বাংলাদেশী নারীরাও বিশ্বের অন্য নারীদের মতোই যোগ্য।



১৫ বছর যে কারণে নিষিদ্ধ ছিলেন কণ্ঠশিল্পী ফেরদৌস আরা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: দেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ফেরদৌস আরা। ক্যারিয়ারে অসংখ্য গান উপহার দিয়েছেন তিনি। তবে হঠাৎ করেই ১৫ বছর আগে বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ও বাংলাদেশ বেতারে পারফর্ম করতে নিষিদ্ধ হন তিনি। এমনকি কোনো অনুষ্ঠানেও অংশ নিতে পারেননি এই গায়িকা।

জানা গেছে, ভিন্নমতের হওয়ায় বিগত সরকারের আমলে অনেক শিল্পীই সেই কালো তালিকাভুক্ত ছিলেন। রাষ্ট্রীয় বেতার ও টিভি চ্যানেলে কোন কোন শিল্পী পরিবেশন করতে পারবেন, আর কে কে পারবেন না— তা ছিল একটি অঘোষিত তালিকা। এমনকি একটি ‘কালো তালিকা’-ও ছিল। সেই কালো তালিকায় নাম ছিল ফেরদৌস আরার।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে তোপের মুখে পড়ে গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। এরপর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর আবারও বিটিভি ও বেতারের অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন এই গায়িকা।

সম্প্রতি দেশের একটি গণমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন ফেরদৌস আরা। তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৫ বছর পর আবারও আমাদের প্রাণের প্রতিষ্ঠান বিটিভিতে গাইতে পেরে ভীষণ ভালো লাগছে। শিল্পী তৈরিতে এ প্রতিষ্ঠানটির ভূমিকা বর্ণনাতীত। কিন্তু কী কারণে আমাকে দীর্ঘদিন কোনো অনুষ্ঠানে ডাকা হয়নি জানি না। শুনেছি অনেক শিল্পী রাজনীতি করার কারণে বিটিভি-বেতারে নিষিদ্ধ ছিলেন। কিন্তু আমি তো রাজনীতি করি না। আমাকে কেন এত বছর বঞ্চিত করা হয়েছে?

বিএনপি সরকারের আমলে সচিব হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন ফেরদৌস আরার স্বামী ড. রফিকুল মুহাম্মদ। বিগত সরকারের ধারণা ছিল— রাজনৈতিকভাবে বিএনপিপন্থি ও দলটির অনুগতর তারা। মূলত এ কারণে ফেরদৌস আরাকে রাষ্ট্রীয় মাধ্যমে গান করতে দেওয়া হতো না বলে ধারণা অনেকের।

বিষয়টি নিয়ে আক্ষেপ করে গায়িকা বলেন, আমার স্বামীর চাকরির কারণে যদি এমনটি হয়ে থাকে, সেটি কি কোনো যুক্তির কথা? আমার স্বামী কোনো রাজনীতি করতেন না। এ কোন দেশে বাস করি আমরা? শিল্পী তো নির্দিষ্ট কোনো দলের হতে পারে না। শিল্পী সবার— সব মানুষের জন্য গান করে। উৎস: আরটিভি অনলাইন।




একসঙ্গে মঞ্চ মাতাবে নব্বই দশকের ৪ ব্যান্ড

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: বাংলা ব্যান্ড সংগীতের সোনালি সময় ছিল সেই নব্বই দশক। তখন শ্রোতাদের ঝুলিতে থাকত বিভিন্ন ব্যান্ডের, বিভিন্ন অ্যালবামের ক্যাসেট। ফিতা টেনে গান শোনার সেসব মুহূর্তগুলো এই সময়ে স্মৃতি হয়ে থাকলেও এখনও শ্রোতাদের কাছে পুরোনো হয়নি সেই গানের শিল্পীরা।

নব্বই দশক ও তার পরবর্তী সময়ে দেশের প্রতিটি অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে ব্যান্ডের গান। কনসার্টেও নিয়মিত হতে থাকে সেসব ব্যান্ডের শিল্পীরা। এখনও তাদের দাপট কম নয়; সংগীতে জনপ্রিয়তার শীর্ষে তারাই। বলা হচ্ছে জেমস, হাসান, মাইলসের মত কিছু ব্যান্ড-শিল্পীদের কথা। তাদের নিয়ে শ্রোতাদের জন্য আসছে সুসংবাদ।

ব্লু ব্রিক কমিউনিকেশন নামে একটি প্রতিষ্ঠান নব্বই দশকের জনপ্রিয় চার ব্যান্ড নিয়ে কনসার্টের ঘোষণা দিয়েছে। ‘ঢাকা রেট্রো’ শিরোনামের এ কনসার্টে মঞ্চ মাতাবে নগরবাউল, আর্ক, মাইলস ও দলছুট। প্রতিষ্ঠানটির অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে জানানো হয় এ তথ্য।

জানা গেছে, আগামী ১৮ অক্টোবর রাজধানীর পূর্বাচলের ঢাকা অ্যারেনায় আয়োজিত হবে ঢাকা রেট্রো কনসার্টটি। ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে টিকিট বিক্রি। গেট সেট রকে দুই ক্যাটাগরিতে পাওয়া যাচ্ছে টিকিট—ভিআইপি ২,৪০০ টাকা ও সাধারণ ১,৪০০ টাকা। আয়োজন শুরু হবে বিকেল ৫টায়। দর্শকের জন্য গেট খুলে দেওয়া হবে বেলা ৩টায়।




নবরাত্রির স্মৃতি বললে ঐশ্বরিয়ার কথাই মনে পড়ে : সালমান খান




সত্যজিতের পর আইএমডিবি’র তালিকায় সৃজিত

আইএমডিবি’র সবচেয়ে বেশি রেটিং পাওয়া ২৫০টি ভারতীয় সিনেমার তালিকায় জায়গা পেল কলকাতার পরিচালক সৃজিত মুখার্জির সিনেমা। এ নির্মাতার ‘বাইশে শ্রাবণ’ সিনেমাটি তালিকার ১৭৪তম স্থানে জায়গা করে নিয়েছে। সিনেমাটির রেটিং ৮.১।

আইএমডিবি’র ওয়েব সাইট ঘুরে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি রেটিং পাওয়া ২৫০টি ভারতীয় সিনেমার মধ্যে ৬টি বাংলা সিনেমা জায়গা পেয়েছে। বাকি ৫টি সিনেমা হলো— ‘পথের পাঁচালি’, ‘অপরাজিত’, ‘অপুর সংসার’, ‘জলসাঘর’ ও ‘চারুলতা’। এই ৫টি সিনেমাই নির্মাণ করেছেন অস্কারজয়ী বাঙালি পরিচালক সত্যজিৎ রায়। এই প্রজন্মের পরিচালকদের মধ্যে কেবল সৃজিত এ তালিকায় জায়গা পেয়েছেন ‘বাইশে শ্রাবণ’ সিনেমার বদৌলতে।

মাইকোব্লগিং সাইট এক্সে (টুইটার) একটি পোস্ট দিয়েছেন সৃজিত মুখার্জি। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে এই নির্মাতা লেখেন, ‘এত ভালোবাসা দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।’

সাইকোলজিক্যাল-থ্রিলার ঘরানার গল্প নিয়ে নির্মিত হয়েছে ‘বাইশে শ্রাবণ’। এর প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন— প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জি, পরমব্রত চ্যাটার্জি, রাইমা সেন, গৌতম ঘোষ, আবীর চ্যাটার্জি। এ সিনেমার মাধ্যমে গৌতম ঘোষ ২৯ বছর পর অভিনয়ে ফিরেন। ২০১১ সালে মুক্তি পায় এটি।




‘ছাত্র আন্দোলনের আসল সফলতা আসবে ছাত্র-ছাত্রীদের সময়মতো বিয়ে করার মাধ্যমে’

শ্রোতাপ্রিয় সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর। ১৯৯২ সালের ১০ জুলাই ভালোবেসে সালমা আসিফ মিতুর সঙ্গে সংসার বাঁধেন তিনি। অল্প বয়সে বিয়ে ও সন্তানের বাবা-মা হয়েছেন এই দম্পতি। এরই মধ্যে বড় ছেলেকেও বিয়ে দিয়েছেন আসিফ। ছেলে-মেয়েদের ২৪-২৫ বছর বয়সে বিয়ে দেওয়ার পক্ষে গায়ক আসিফ।

এবার জানালেন— বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আসল সফলতা আসবে ছাত্র-ছাত্রীদের সময়মতো বিয়ে করার মাধ্যমে।

বৃহস্পতিবার রাতে আসিফ তার ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। তাতে এ গায়ক বলেন, ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আসল সফলতা আসবে ছাত্র-ছাত্রীদের সময়মতো বিয়ে করার মাধ্যমেই। আমি ২৪/২৫ বছর বয়সে বিয়ের পক্ষে। এতে সংসার শুরু করা যায় দ্রুত। তারাও বাবা-মা হতে পারে, আমরাও দাদা/নানা হতে পারি সুন্দর সময়ে।’

সন্তানের বিয়ের জন্য বাবা-মা এগিয়ে আসার কথা উল্লেখ করে আসিফ আকবর বলেন, ‘কবে স্টাডি শেষ হবে, তারপর প্রতিষ্ঠা পাবে, তারপর টাকা জমিয়ে বিয়ে করতে হবে! এরমধ্যে চলে যাবে যৌবনের সুন্দর সময়। স্বর্নের ভরি এখন এক লাখ পয়ত্রিশ হাজার টাকা। অন্যান্য সামাজিকতার খরচ ধরলে কেউ ২৪/২৫ বছর বয়সে বিয়ে করতে পারবে না। সন্তানদের বিয়ের জন্য এগিয়ে আসতে হবে বাবা-মাকে।’

আন্দোলনে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে পরামর্শ দিয়ে আসিফ আকবর বলেন, ‘দুঃখজনক হলেও সত্য, ছাত্র আন্দেলেনের বাঘা বাঘা নেতা এবং তাদের সহকর্মীরা এখনো ব্যাচেলর অথচ আমি ওই বয়সে দুই ছেলের বাবা হয়েছি। তাদের উচিত রাষ্ট্র ব্যবস্থায় তরুণদের বিয়ের জন্য একটা পদ্ধতি তৈরি করা, ব্যাংক ঋণ দিবে এবং সেটা দূরবর্তী সময়ের কিস্তিতে আস্তে আস্তে পরিশোধ করা হবে কোনো প্রেসার ছাড়া। সেই সাথে কাবিননামার ফাঁদ থেকেও বাঁচতে হবে। আন্দোলনে বিজয়ী ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য একটা ফ্রি টিপস দিলাম, এখনই সময়।’

দাদা হতে চান আসিফ আকবর। তা নিয়ে বড় ছেলের সঙ্গে কথাও বলেছেন।
এ তথ্য উল্লেখ করে আসিফ আকবর বলেন, ‘এদিকে, দেখতে দেখতে আমার বড় ছেলে শাফকাত আসিফ এবং শেহরীন ঈশিতার দ্বিতীয় বিয়ে বার্ষিকী পূরণ হয়েছে আজ। দুজনেই কানাডার টরন্টোয় স্টাডিতে আছে। তবে আপাতত দাদা হওয়ার মতো কোনো সুখবর নেই। ছেলেকে জিজ্ঞেস করলাম, সে বললো প্ল্যান নাকি আছে। বললাম, তোমার জন্মের সময় কোনো প্ল্যান আমাদের ছিল না অথচ দুর্ভাগ্য তোমার কাছ থেকে প্ল্যানের গল্প শুনতে হলো।’

ছোট ছেলে রুদ্রর বিয়ের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে আসিফ বলেন, ‘পরিস্থিতি যাই ঘটুক ২০২৬ সালের শুরুতেই আমার ছোট ছেলে শাফায়াত রুদ্রর বিয়ে দিব ইনশাআল্লাহ, সেই অপেক্ষায় অস্থির হয়ে আছি।
রণ-ঈশিতা তোমাদের বিয়ে বার্ষিকীর শুভেচ্ছা। আনন্দে বাঁচো বাবা। ভালবাসা অবিরাম।




সুগার ড্যাডি থাকলেও প্লাস্টিক সার্জারি সম্ভব নয় : তমা মির্জা

এরপর প্লাস্টিক সার্জারি প্রসঙ্গে তমা মির্জা বলেন, প্লাস্টিক সার্জারি আমাদের বাংলাদেশে হয় না। বাইরে যেসব দেশে হয় সেটা খুবই ব্যয়বহুল। একটা সার্জারিতে ৪০-৫০ লাখ টাকা খরচ হয়। তারপর সেটা মেইনটেইন করতে হয় বছরের পর বছর। আমাদের নামের সাথে তো একটা ট্যাগ লাগায় দেয় ‘সুগার মামি’, ‘সুগার ড্যাডি’ এসব থাকলেও প্লাস্টিক সার্জারি করা সম্ভব হয় না।

এর আগে এক টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রাফী জানান, তমার সঙ্গে তাকে নিয়ে যে গুঞ্জন শোনা যায়, সেটি আর নেই। তবে তাঁদের বন্ধুত্বটা আগের মতোই আছে। রাফীর ভাঙনের সেই ইঙ্গিতকে এবার পূর্ণতা দিলেন তমা। ভারতীয় এক গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, শুধু প্রেমের সম্পর্ক নয়, ফাটল ধরেছে বন্ধুত্বেও। এ ছাড়া রাফীর সঙ্গে আর কাজ না করারও ইঙ্গিত দিয়েছেন অভিনেত্রী।

তমা মির্জা বলেন, ‘ভালোবাসা সরে গেলে বন্ধুত্ব থাকে? নাকি নতুন করে বন্ধুত্ব হতে পারে? সত্যিই আমার জানা নেই। বন্ধুত্ব শব্দটির পরিধি অনেক। বন্ধুত্ব থেকে ভালোবাসা হতে পারে। কিন্তু সেই ভালোবাসায় টান পড়লে সঙ্গে সঙ্গে বন্ধুত্বে ফেরত আসা যায় না। তার জন্য দুই পক্ষকেই মানসিকভাবে যথেষ্ট পরিণত হতে হয়। নিজেদেরও সময় দিতে হয়। আমি নিজেকে সময় দিচ্ছি। কে, কী বলল—পাত্তা দিচ্ছি না।’




আমার মেয়ে জামাইয়ের দিকে চোখ দিবি না, সোহানা সাবাকে শাওন




গুলিবিদ্ধ অভিনেতা গোবিন্দ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলিউডের বরেণ্য অভিনেতা গোবিন্দ। বর্তমানে মুম্বাইয়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এই অভিনেতা। ইন্ডিয়া টুডে এ খবর প্রকাশ করেছে।

এ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) ভোর ৪টা ৪৫ মিনিটে নিজ বাড়িতে পায়ে গুলিবিদ্ধ হন অভিনেতা-শিবসেনা নেতা গোবিন্দ।

মূলত, ভোরবেলায় বাইরে বের হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন গোবিন্দ। তার আগে নিজের লাইসেন্সকৃত রিভলবার চেক করার সময়ে মিস ফায়ার হয়। আর গুলি গিয়ে গোবিন্দর হাঁটুতে লাগে।

পরে দ্রুত গোবিন্দকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। বর্তমানে মুম্বাইয়ের ক্রিটিকেয়ার হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে তাকে। এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে সংবাদমাধ্যমটি। কিন্তু মন্তব্য করতে অপারাগতা প্রকাশ করেন।

তারা জানান, খুব দ্রুত বিষয়টি নিয়ে কথা বলবেন গোবিন্দর পরিবার।

গোবিন্দর স্ত্রী সুনিতা আহুজার সঙ্গে যোগাযোগ করে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস। সংবাদমাধ্যমটিকে তিনি জানান, গোবিন্দর শারীরিক অবস্থা এখন স্থিতিশীল। তবে সুনিতা এখন মুম্বাইয়ের বাইরে রয়েছেন; মুম্বাইয়ের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। মুম্বাই ফিরেই সোজা হাসপাতালে যাবেন বলেও জানান তিনি।

গোবিন্দর ম্যানেজার শশী সিনহা ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে বলেন, ‘কলকাতায় আমাদের একটি শো রয়েছে। আজ সকাল ৬টায় কলকাতার ফ্লাইট ধরার কথা ছিল। গোবিন্দজি নিজের বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে।’

গোবিন্দর শারীরিক অবস্থা জানিয়ে শশী সিনহা বলেন, ‘ডাক্তাররা গোবিন্দজির শরীর থেকে বুলেট বের করেছেন। তার শারীরিক অবস্থা এখন ভালো। তিনি এখনো হাসপাতালে রয়েছেন।’




ঐশ্বর্যা সর্বত্র মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে যান কেন?

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:বেশ কিছু দিন ধরে জল্পনা চলছে, ঐশ্বর্যা রাই বচ্চন ও অভিষেক বচ্চনের দাম্পত্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে। অম্বানীদের বিয়ের আসরে একসঙ্গে উপস্থিত না হওয়ায় এই জল্পনা আরও ঘনীভূত হয়। গোটা পরিবার  নিয়ে অনন্ত অম্বানী ও রাধিকা মার্চেন্টের বিয়েতে প্রবেশ করেছিলেন অভিষেক। অন্য দিকে, ঐশ্বর্যার সঙ্গী ছিল শুধু তাঁর মেয়ে আরাধ্যা বচ্চন। মেয়ের হাতে হাত রেখেই বিয়ের আসরে ঘুরে বেড়িয়েছিলেন প্রাক্তন বিশ্বসুন্দরী।

তবে, শুধু অম্বানীদের বিয়ে নয়। ঐশ্বর্যার সব সময়ের সফরসঙ্গী আরাধ্যা। সম্প্রতি প্যারিস ফ্যাশন উইকেও মেয়েকে নিয়ে গিয়েছিলেন ঐশ্বর্যা। এই দেখেই নেটাগরিকের একাংশের প্রশ্ন, কেন সব জায়গায় মেয়েকে নিয়ে যান অভিনেত্রী? এই একই প্রশ্ন সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানের লাল গালিচায় ঐশ্বর্যার দিকে ছুড়ে দেন ছবিশিকারিরা। উত্তরে ঐশ্বর্যা তাঁর মেয়ের হাত ধরে বলেন, “ও আমার মেয়ে। ও সব জায়গায় আমার সঙ্গে যাবে।”