সোলজারে’ রণবীর লুকে শাকিব খান, ভক্তদের উত্তেজনা তুঙ্গে

মেগাস্টার শাকিব খান ঢাকাই সিনেমার প্রাণ, যার নিষ্ঠা, পরিশ্রম ও আন্তরিকতা তাকে দিয়েছে দেশের সিনেমাপ্রেমীদের কাছে বিশেষ মর্যাদা। এবার তার নতুন সিনেমা ‘সোলজার’-এ দেখা যাচ্ছে এক নতুন, সাহসী ও রণবীর কাপুরের মতো লুকে।

সিনেমাটির নতুন পোস্টার শাকিবের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত হলে ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পোস্টারে শাকিবকে দেখা গেছে আয়নার দিকে তাকিয়ে, মোটা গোঁফ এবং তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে, যা তার চিরচেনা লুকের থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন।

ভক্তরা টিজার এবং পোস্টার উভয়কেই রণবীর কাপুরের সাথে তুলনা করেছেন। অভিনেত্রী শাহনাজ খুশি লিখেছেন, ‘দৃঢ় সৌন্দর্য ভাই!’ আর সাবিলা নূর মন্তব্য করেছেন, ‘আপনার এবং ‘সোলজার’ টিমের জন্য শুভকামনা।’

সিনেমার প্রথম ঝলক ৭ অক্টোবর প্রকাশিত হয়। নির্মাতা সাকিব ফাহাদ বলেন, “সিনেমা কেবল যুদ্ধ বা দেশপ্রেমের গল্প নয়, এটি নতুন প্রজন্মের তরুণদের গল্প যারা দেশের জন্য কিছু করার স্বপ্ন দেখে।”

শাকিব খান বলেন, “এমন গল্পে আমি আগে কখনও কাজ করিনি। এটি মানুষকে অনুপ্রেরণা দেবে এবং নিজের ভেতরের সোলজারকে চিনতে সাহায্য করবে।”

ছবিতে আরও রয়েছেন তানজিন তিশা, তারিক আনাম খান, তৌকির আহমেদ, এবিএম সুমন, জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশীসহ এক ঝাঁক জনপ্রিয় শিল্পী।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম / ২০২৫




ছোট প্যান্ট পরায় ট্রলের শিকার শবনম ফারিয়া

শবনম ফারিয়া, ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী, যিনি বিজ্ঞাপন দিয়ে মিডিয়া জগতে প্রবেশ করেছিলেন, ২০১৩ সালে ‘অল টাইম দৌড়ের উপর’ নাটকের মাধ্যমে অভিনয় জীবন শুরু করেন। এর পর থেকে নাটক ও টেলিফিল্মে তিনি দর্শকদের হৃদয় জয় করেছেন।

অভিনয়ের পাশাপাশি শবনম সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয়। সম্প্রতি শ্রীলংকা ভ্রমণে গিয়ে তিনি ভক্ত-অনুরাগীদের সঙ্গে ছবি শেয়ার করেন। ছবিতে দেখা যায় অভিনেত্রীর পরনে কালো টি-শার্ট ও ছোট প্যান্ট, এবং মিষ্টি হাসি নিয়ে তিনি ক্যামেরার সামনে পোজ দিয়েছেন।

ছবিটি পোস্ট হওয়ার পর নেটিজেনদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। অনেকেই ছবির কমেন্ট বক্সে নিজেদের মতামত জানান। বিশেষ করে কিছু নেটিজেন ছবির পোশাক নিয়ে কটাক্ষ করেন।

একজন লিখেছেন, “এটাই আসল রূপ, দেশে থাকলে শুধু ভণ্ডামি।” আরেকজন মন্তব্য করেছেন, “এই হাইফ প্যান্টেই আসল পরিচয়।” তবে অন্যদিকে, অনেক ভক্ত ছবির মিষ্টি হাসি ও ফ্যাশন চয়েসকে প্রশংসা করেছেন।

শবনম ফারিয়া প্রমাণ করেছেন যে, তার জনপ্রিয়তা কেবল অভিনয়ে সীমাবদ্ধ নয়, সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয়তা ও ফ্যান ইন্টারঅ্যাকশনেও তিনি সুপরিচিত। এই ঘটনা তার ব্যক্তিগত ফ্যাশন চয়েস নিয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হলেও, অনেকেই তার দক্ষতা ও ব্যক্তিত্বকে উচ্চ প্রশংসা করছেন।

নেটিজেনদের এই ধরনের সমালোচনা ও প্রশংসা সামাজিক মাধ্যমে আলোচনার সৃষ্টি করে, যা এখনকার যুগে যেকোনো অভিনেতা বা অভিনেত্রীর জন্য অতি পরিচিত বিষয়। শবনমের ফ্যানরা তাকে সমর্থন জানাচ্ছেন, এবং তার জনপ্রিয়তা এখনও অব্যাহত।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




অভিনেত্রী অর্চিতা স্পর্শিয়া গুরুতর অসুস্থ

জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও মডেল অর্চিতা স্পর্শিয়া বর্তমানে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় রয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে অভিনয় জগতে সক্রিয় না থাকার কারণে গণমাধ্যমে তার কোনো খবর পাওয়া যেত না।

সম্প্রতি জানা গেছে, তিনি অ্যামেলোব্লাস্টোমা নামক একটি বিরল রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। এ রোগের কারণে চোয়ালের নিচে অস্বাভাবিক কোষের বৃদ্ধি দেখা দিয়েছে। মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্টে তিনি নিজেই জানান, “আমার অ্যামেলোব্লাস্টোমা রোগ ধরা পড়েছে। গত কয়েক দিন ধরে আমি অস্ত্রোপচারের পূর্বের চিকিৎসা নিচ্ছি। আজই আমার অস্ত্রোপচার হওয়ার কথা।”

অর্চিতা স্পর্শিয়া আরও জানান, বর্তমানে তিনি শারীরিকভাবে কারও সঙ্গে ফোনে কথা বলতে বা যোগাযোগ রাখতে সক্ষম নন। তিনি অনুরোধ করেছেন, কাজসংক্রান্ত বিষয়ে হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা দেওয়ার জন্য। পোস্টের শেষ অংশে তিনি সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন, “সফল অস্ত্রোপচার ও দ্রুত সুস্থতার জন্য সবার কাছে দোয়া চাই।”

স্পর্শিয়ার অসুস্থতার খবর পাওয়ার পর তার দীর্ঘদিনের অনুসারী ও সহকর্মীরা উদ্বিগ্ন হয়েছেন। অভিনেতা রওনক হাসান তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন, “দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠো।” পরিচালক আরিক আনাম খান লিখেছেন, “শুভ কামনা রইল। আল্লাহ যেন তোমাকে দ্রুত ও ভালোভাবে সুস্থতা দান করেন।” অন্য একজন অনুরাগী লিখেছেন, “আল্লাহ যেন আপনার অস্ত্রোপচার সহজ ও সফল করে তোলেন। তিনি যেন আপনাকে দ্রুত সুস্থ হয়ে সেরার শক্তি দান করেন। আমিন।”

এর আগে, ২০২২ সালে অ্যাপেনডিসাইটিসের কারণে স্পর্শিয়া অস্ত্রোপচারের মুখোমুখি হন। সে সময়ও তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে কাজে ফিরেছিলেন। বর্তমানে তিনি চিকিৎসকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে রয়েছেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, অস্ত্রোপচার সফলভাবে শেষ হলে এবং কিছুটা সুস্থ হলে তিনি পুনরায় যোগাযোগ করবেন।

অর্চিতা স্পর্শিয়া তার অভিনয় জীবন শুরু করেন ‘প্যারাসুট’ তেলের বিজ্ঞাপন দিয়ে, যার “বন্ধু তিন দিন” শিরোনামের অংশটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। এরপর তিনি নাটক “রোদ”, “ওয়ারিশনামা”, “অরুনুদয়ের তরুন দল”-এ অভিনয় করেন। পরবর্তীতে তিনি নানাধর্মী নাটক, ওয়েব ধারাবাহিক ও চলচ্চিত্রে অভিনয় করে দর্শকের মন জয় করেছেন।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




ব্যক্তিগত জীবনও সাহসের গল্প : পরীমণি

ঢাকাই সিনেমার আলোচিত নায়িকা পরীমণি তার কাজের চেয়ে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে অধিক আলোচনায় থাকেন। নিজের ইচ্ছামতো জীবন যাপন করায় তাকে নিয়ে নানা গুঞ্জন থাকলেও সে তা গায়ে মাখেন না।

মাছরাঙা টেলিভিশনের ‘বিহাইন্ড দ্য ফেইম উইথ আরআরকে’ অনুষ্ঠানে খোলামেলা কিছু কথা শেয়ার করেছেন এই অভিনেত্রী। সঞ্চালক রুম্মান রশীদ খান জানতে চাইলে, শেখ সাদি কি তার প্রেমিক? পরীমণি হেসে বলেন, “ও আমার ছোট ভাইয়ের মতো।”

তারপর তাকে প্রশ্ন করা হয়, বর্তমানে কি সিঙ্গেল? পরীমণি বলেন, “না। কারো সঙ্গে সম্পর্কে আছি কি না জানি না। যদি নিজেকে সিঙ্গেল বলি, কেউ বিশ্বাস করবে না।” সে আরও যোগ করেন, “আমি নিজেই বিশ্বাস করি না। সারাক্ষণ প্রেম প্রেম ফিল হয় এবং এটা থাকা ভালো।”

মোট কতবার বিয়ে করেছেন—এ প্রশ্নের উত্তরে পরীমণি বলেন, “একবার।” যদিও সঞ্চালক শরীফুল রাজের কথা উল্লেখ করে বাকি বিয়ের গুঞ্জন নিয়ে প্রশ্ন রাখেন। পরীমণি বলেন, “জানি না, ওরা মনে হয় সৎস্বামী; যাদের সঙ্গে ডিভোর্সটা দেখা যায়নি।”

পরীমণি শরীফুল রাজের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের বিষয়ে বলেন, “না, আমার জীবনে কিছুই ভুল নয়। সবকিছুই অভিজ্ঞতা।” তাদের সংসারে একটি পুত্রসন্তান রয়েছে।

প্রসঙ্গক্রমে তিনি স্বীকার করেন, অভিনয় পাড়ার আগে খালাতো ভাই ইসমাইলকে বিয়ে করেছিলেন। গত বছরের নভেম্বরে এক সড়ক দুর্ঘটনায় ইসমাইল মারা যান। এ বিষয়ে পরীমণি বলেন, “হ্যাঁ, আমার সৎস্বামী ছিল।”

পরবর্তীতে তাকে প্রশ্ন করা হয়, ভবিষ্যতে কতবার বিয়ে করতে চান? পরীমণি বলেন, “ছোটবেলা থেকে মজা করে বলতাম, আমি এক ডজন বিয়ে করব। এটা কোনো গুঞ্জন থেকে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে—আমি কখনো সত্যিই বলিনি।”

পরীমণির এই খোলামেলা সাক্ষাৎকার তার সাহসী ও স্বতন্ত্র ব্যক্তিত্বের পরিচয় বহন করে। নিজের জীবন ও সিদ্ধান্তে তিনি অন্যদের দৃষ্টিকোণকে প্রভাবিত না করে, নিজস্ব পথে এগিয়ে যাচ্ছেন।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




দুর্গাপুরে জয়া আহসানকে নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক

পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের আয়োজিত দুর্গাপূজার কার্নিভ্যালে দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসানকে অতিথি করায় বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। রবিবার (৫ অক্টোবর) পশ্চিম বর্ধমান জেলার দুর্গাপুরে এই ঘটনা ঘটেছে। তবে জয়াকে সরাসরি বিক্ষোভের মুখোমুখি হতে হয়নি। অভিনেত্রী দুর্গাপুর ত্যাগ করার পরই বিজেপি বিক্ষোভ ও মানববন্ধন শুরু করে।

প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যেও দুর্গাপুরের চতুর্থ বর্ষের কার্নিভ্যাল জাঁকজমকপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হচ্ছিল। কার্নিভ্যালের মূল আকর্ষণ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জয়া আহসান। তিনি মঞ্চে রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশন করেন এবং দর্শকদের সঙ্গে খোলামেলা আলাপচারিতা করেন। কিন্তু জয়া মঞ্চ ত্যাগ করেই বিতর্কের আগুন জ্বলে ওঠে।

বিজেপির অভিযোগ, “এক বাংলাদেশি নাগরিককে রাজ্য সরকারের পূজা কার্নিভ্যালের মঞ্চে আমন্ত্রণ জানানো অত্যন্ত দায়িত্বহীন সিদ্ধান্ত। রাজ্যের নিজস্ব শিল্পী-সংস্কৃতিকে উপেক্ষা করে বাইরে থেকে তারকা আনা বাংলার শিল্পীদের অপমান।” বিজেপি কর্মীরা প্ল্যাকার্ডে জয়া আহসানের ছবিতে কালি মাখিয়ে বিক্ষোভ দেখান এবং মহকুমা শাসকের পদত্যাগের দাবিও তুলেন।

দুর্গাপুরের মহকুমা শাসক দপ্তর এবং এসডিও বাংলোর সামনে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন বিজেপির জেলা সহ-সভাপতি চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়।

অন্যদিকে, তৃণমূল বিজেপির এই প্রতিবাদের সমালোচনা করেছে। জেলা তৃণমূলের সভাপতি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী বলেন, “শিল্পীর নিজস্ব কোনো জাত, ধর্ম বা সীমাবদ্ধতা নেই। দুর্গাপুরে জয়া আহসানের আগমন সাংস্কৃতিক বিনিময়ের প্রতীক। এটাকে রাজনীতির রঙে রাঙানো উচিত নয়। বাংলার সংস্কৃতিকে বারবার কালিমালিপ্ত করতে চাইছে বিজেপি। বাংলার মানুষ এর বিচার করবেন।”

বিভিন্ন রাজনৈতিক অবস্থান ও সাংস্কৃতিক সংবেদনশীলতা নিয়ে সৃষ্টি হওয়া এই বিতর্কে দর্শকরা ও স্থানীয় মানুষদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গেছে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




বাঁধনের ব্যর্থতা, আত্মবিশ্বাসের জয়

কখনো পরিবার, কখনো সমাজ—সবাই চেয়েছে তাকে নির্দিষ্ট ছাঁচে ঢালতে। কিন্তু বাঁধন সেই ছাঁচ ভেঙে দিয়েছেন। নিজের জীবনকে ‘প্রত্যাশিত নারী’ হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা ব্যর্থ হলেও, আজ তিনি সেই ব্যর্থতাকেই জীবনের বড় সাফল্য হিসেবে দেখছেন।

রবিবার (৫ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে বাঁধন নিজেকে আখ্যায়িত করেছেন ‘সমাজের জন্য একজন অস্বস্তিকর নারী’ হিসেবে। সেখানে তিনি খোলামেলা স্বীকার করেছেন নিজের ব্যর্থতা, কিন্তু সেই ব্যর্থতাকে শক্তিতে পরিণত করেছেন।

বাঁধন লিখেছেন, “আমি এমন একজন মেয়ে হতে চেয়েছিলাম, যে সবাইকে খুশি রাখবে। অনুগত, বাধ্য, শান্তভাবে মানিয়ে নেওয়া মেয়ে। কিন্তু আমি পারিনি। আমি ব্যর্থ হয়েছি। চেষ্টা করেছিলাম পরিবারের প্রত্যাশিত মেয়ে হতে, সমাজের বানানো ‘নারী’ হয়ে বাঁচতে। কিন্তু পারিনি। আর আজ, সেই ব্যর্থতার জন্যই আমি নিজেকে ধন্যবাদ জানাই।”

তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, “আমি অন্য কারো স্ক্রিপ্টে বাঁচার জন্য জন্মাইনি। আমার কথা অনেকের কাছে অস্বস্তিকর হতে পারে, আমার কাজ অনেকের স্বস্তি ভেঙে দিতে পারে। আমি সহজ নই, কিন্তু নির্মমও নই। আমি কাউকে আঘাত করি না, অসম্মানও করি না—যদিও অনেকেই আমার প্রতি তা করে।”

কয়েকদিন পরই ৪২ বছরে পা দেবেন এই অভিনেত্রী। এই বয়সে তিনি ভেতরের শান্তি খুঁজে পেয়েছেন। তার ভাষায়, “চল্লিশের পর আমি নিজের সঙ্গে শান্তিতে আছি। এখন আমি বাঁচি আমার মতো করে—স্বাধীনভাবে, সৎভাবে, বিনা ক্ষমাপ্রার্থনায়। কেউ কষ্ট পেলে উপেক্ষা করুক, ব্লক করুক, ঘৃণা করুক—আমার কিছু যায় আসে না। কারণ, যত মানুষ আমাকে অস্বস্তিতে ফেলে, তার চেয়েও অনেক বেশি মানুষ আমাকে ভালোবাসে, বোঝে, আমার সত্যে শক্তি খুঁজে পায়। আর সবচেয়ে বড় কথা—আমি নিজেকে ভালোবাসি।”

বাঁধনের পোস্টের শেষ লাইনগুলোতে উঠে এসেছে আত্মসম্মান ও আত্মবিশ্বাসের দৃঢ় উচ্চারণ, “আমি ভাঙা নই। আমি শুধু এমন এক পৃথিবীর কাছে অস্বস্তিকর, যে পৃথিবী এখনো আসল নারীকে ভয় পায়। ভালোবাসি তোমায়, আজমেরী হক বাঁধন। তুমি যে নারী হতে চেয়েছিলে, শেষ পর্যন্ত তুমি সেই নারীই হয়েছো।”

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



গুঞ্জনের ভিড়ে মিথিলার স্পষ্ট জবাব: সৃজিত এখনো আমার স্বামী

বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাফিয়াত রশীদ মিথিলা ও কলকাতার খ্যাতিমান নির্মাতা সৃজিত মুখার্জিকে দীর্ঘদিন একসঙ্গে দেখা যাচ্ছে না। প্রায় দুই বছর ধরে তারা প্রকাশ্যে এক ফ্রেমে আসেননি। এ কারণে দুই বাংলার গণমাধ্যম থেকে শুরু করে সোশ্যাল মিডিয়া পর্যন্ত জোর গুঞ্জন— তাদের দাম্পত্য সম্পর্ক নাকি শেষের পথে।

বিশেষ করে সৃজিতের সঙ্গে কলকাতার উঠতি নায়িকা সুস্মিতা সাহার ঘোরাঘুরি সেই আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে। দুর্গাপূজার সপ্তমীতে নীল রঙের শাড়ি-পাঞ্জাবি পরে সৃজিত-সুস্মিতার ছবি প্রকাশ্যে আসার পর অনেকে নতুন সম্পর্কের ইঙ্গিত খুঁজেছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই লিখেছেন, “বাতাসে প্রেমের গন্ধ।” যদিও এ বিষয়ে সৃজিত বা সুস্মিতা কেউই কোনো মন্তব্য করেননি।

অন্যদিকে, মিথিলা সম্প্রতি এক পডকাস্টে অংশ নিয়ে সরাসরি জবাব দিয়েছেন এসব প্রশ্নের। উপস্থাপক জানতে চান, কেন ২০২৪ সালের জুলাইয়ের পর থেকে তাদের একসঙ্গে দেখা যাচ্ছে না? মিথিলা সোজাসাপটা বলেন, “আমার ভিসা নেই তাই কলকাতায় যেতে পারছি না। তারও নেই।”

সম্প্রতি পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন মিথিলা। সেই সাফল্যে সৃজিত তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। এ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে মিথিলা বলেন, “আমি ধন্যবাদ জানিয়েছি। এমনকি তাকে বলেছি কত কষ্ট করে পিএইচডিটা শেষ করলাম।”

যারা দাবি করছেন মিথিলা ও সৃজিতের সম্পর্ক শেষ, তাদের উদ্দেশ্যে তিনি উত্তর দেন, “যারা বলছে বলুক, আমি তাদের কিছুই বলব না।” তবে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন, “হ্যাঁ, তিনি এখনো আমার স্বামী। পাসপোর্টে এখনো তার নামটিই আছে।”

মিথিলার এমন মন্তব্যে অনেকটা পরিষ্কার যে, গুঞ্জন যাই হোক না কেন, তাদের সম্পর্ক এখনো টিকে আছে। আর বিচ্ছেদের সব খবরই কেবল কানাঘুষা মাত্র।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




কাফির পুড়ানো বাড়ি পরিদর্শনে প্রশাসন, ক্ষতিপূরণের আশ্বাস

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার আলোচিত ও জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর নুরুজ্জামান কাফির অগ্নিদগ্ধ বাড়ি পরিদর্শন করেছে জেলা প্রশাসন। দীর্ঘ আট মাস পেরিয়ে গেলেও এখনও ক্ষতিপূরণ না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কাফি। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত ক্ষতিপূরণ প্রদানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কলাপাড়া উপজেলার রজপাড়া গ্রামে কাফির বাড়িটি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন পটুয়াখালীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মহসিন উদ্দীন। এ সময় কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাউছার হামিদ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসিন সাদীক, উপজেলা বিএনপির সভাপতি হাজী হুমায়ুন সিকদারসহ প্রশাসন ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি রাতে দুর্বৃত্তরা পরিকল্পিতভাবে কাফির বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। সে সময় বাড়িতে থাকা তার পিতা-মাতা ও স্বজনরা অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেও বসতঘর সম্পূর্ণভাবে পুড়ে যায়। এ ঘটনায় পরবর্তীতে শাহাদাৎ হাওলাদার (২২) ও মাহফুজ মোল্লা (২১) নামে দুই যুবককে পুলিশ গ্রেপ্তার করে কারাগারে প্রেরণ করে।

ঘটনার প্রসঙ্গে কনটেন্ট ক্রিয়েটর কাফি অভিযোগ করে বলেন, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে তিনি সক্রিয় ভূমিকা রেখেছিলেন। সেই কারণেই তার ওপর রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে হামলা চালানো হয়েছে। পুলিশ অপরাধীদের গ্রেপ্তার করলেও দীর্ঘ আট মাসে ক্ষতিপূরণ না মেলায় তিনি হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

পরিদর্শন শেষে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মহসিন উদ্দীন সাংবাদিকদের বলেন, “ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষে দ্রুত ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য সরকারের কাছে প্রতিবেদন পাঠানো হবে। একই সঙ্গে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।”

এদিকে, স্থানীয়রা মনে করছেন প্রশাসনের এই আশ্বাস বাস্তবে রূপ নিলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার নতুন করে ঘুরে দাঁড়াতে পারবে।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




পূর্ণিমার দিনে মমতার স্বপ্নময় স্মৃতি: পূজা কাটছে না অপু বিশ্বাসের

ঢালিউডের আলোচিত নায়িকা অপু বিশ্বাস মা-বাবাকে হারানোর বেদনা নিয়ে এবার শারদীয় দুর্গাপূজা উপভোগ করতে পারছেন না। শারদীয় দুর্গাপূজার মহাসপ্তমী (২৯ সেপ্টেম্বর) উপলক্ষ্যে রাজধানীর মন্দিরগুলোতে সকাল থেকে পূজার আনুষ্ঠানিকতা চললেও, নিজের পরিবারের স্মৃতিচারণে কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন অভিনেত্রী।

অপু জানান, “কোথাও যাবো না, বাসায় সময় কাটাব। এখন কোথাও যেতে মন চায় না। পূজার সময় মা-বাবাকে সবচেয়ে বেশি মনে পড়ে। তাদের অভাব কখনও পূরণ হবে না। প্রতিদিনই তাদের মিস করি, তবে পূজার সময়টা আরও বেশি কষ্টের।”

শৈশবের স্মৃতিচারণে তিনি বলেন, “বগুড়াতেই আমার বেড়ে ওঠা। সেখানেই পূজার দিনগুলো কাটত আনন্দে। বাবা, কাকা, মা এবং আরও অনেক আত্মীয়-স্বজন থাকতেন। তখন আমাদের বাড়ি উৎসবে মুখর হয়ে উঠত।”

উদ্যোক্তা হিসেবেও কাজ শুরু করা অপু বিশ্বাস ‘লাল শাড়ি’ সিনেমার মাধ্যমে প্রযোজক হিসেবে সিনেমা নির্মাণ করছেন। সিনেমাটি তাঁতপল্লির প্রেক্ষাপটে প্রেম-ভালোবাসা ও স্থানীয় রাজনীতির গল্প নিয়ে নির্মিত হয়েছে। ২০২১-২২ অর্থবছরে তিনি এই সিনেমার জন্য সরকারি ৬৫ লাখ টাকার অনুদান পেয়েছেন।

অপু বিশ্বাসের জন্য এই পূজা যেন পরিবার ও শৈশবের স্মৃতিতে আবদ্ধ এক নীরব উদযাপন, যেখানে ভক্তদের দোয়া তাঁর শক্তি যোগাবে।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




রাফির ক্যামেরা বন্দী শবনম ফারিয়ার দ্বিতীয় বিয়ের অনুষ্ঠান

চন্দ্রদ্বীপ ‍নিউজ: শোবিজ তারকাদের বিয়ে মানে এলাহি  কান্ড । এবার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া গেল শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় বার  বিয়ের পিড়িতে  বসছেন। মাদানী অ্যাভিনিউয়ের মসজিদ আল মুস্তাফায় কাবিন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বেছে নিয়েছেন জীবনসঙ্গীকে। অনুষ্ঠানটি ছিল একান্ত, রুচিশীল এবং আবেগঘন—যেখানে প্রাধান্য পেয়েছে ঘনিষ্ঠতা, আন্তরিকতা ও সরল সৌন্দর্য। এই বিশেষ দিনের প্রতিটি মুহূর্ত ধারণ করেছেন ড্রিম উইভার ফটোগ্রাফি অ্যান্ড সিনেমাটোগ্রাফি টিম। যেখানে মূল ফটোগ্রাফার হিসেবে আছেন মাযহারুল ইসলাম রাফি। তিনি ড্রিম ওয়েভার এর প্রতিষ্ঠাতাদের একজন।

ফটোগ্রাফার রাফি বলেন, “ফারিয়া আপু আমাকে ছোট ভাইয়ের স্থান দিয়ে পুরো প্রোগ্রামটার জন্য ট্রাস্ট করেছিলেন।আমার জন্য ছিল এটি এক বিশেষ অভিজ্ঞতা। ফারিয়া আপুকে বিয়ের সাজে সুন্দর করে ফুটিয়ে তোলা এবং তাদের কাপলের কেমিস্ট্রি আমার লেন্সে তুলে ধরাই আমার মুল লক্ষ্য ছিল। আমি চাই আমার প্রতিটি ফটোগ্রাফ সেই দিনের আবেগ ও ভালোবাসাকে ভবিষ্যতের জন্য অমলিন স্মৃতিতে রূপান্তরিত করুক। কারন প্রতিটি বিয়ে আমার কাছে শুধু একটি ইভেন্ট নয়, বরং একটি স্বপ্নের গল্প।“

উল্লেখ্য, এর আগে Dream Weaver জাতীয় ক্রিকেট দলের তারকা শাকিব আল হাসান, জনপ্রিয় অভিনেতা সিয়াম আহমেদসহ অসংখ্য সেলিব্রিটি ও বিশিষ্ট ব্যক্তির বিবাহ অনুষ্ঠান কভার করেছেন। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তারা শুধুমাত্র তারকাদেরই নয়, দেশে এবং বিদেশে অসংখ্য সাধারণ দম্পতির জীবনেও সুখের মুহূর্তগুলোকে শিল্পের ছোঁয়ায় ধরে রেখেছেন।