কেন খাবেন আমেরিকার ফল ড্রাগন?

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: আমেরিকার প্রসিদ্ধ একটি ফল, ড্রাগন, নানা উপকারী গুণের কারণে আমাদের দেশে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। শরীরের জন্য এর উপকারিতা ক্রমেই বাড়াচ্ছে ড্রাগন ফলের জনপ্রিয়তা। এই ফলের চাহিদা বাড়ার সাথে সাথে দেশে বাড়ছে এর উৎপাদনও। তবে আপনি কি জানেন, নিয়মিত ড্রাগন ফল কেন ডায়েট লিস্টে রাখবেন?

ড্রাগন ফল পিটায়া নামেও পরিচিত। ধারণা করা হয়, গ্রীষ্মমন্ডলীয় এ গাছের উৎপত্তি মধ্য ও দক্ষিণ আমেরিকায়। যদিও সেখান থেকে এ গাছ এখন সারা বিশ্বে গ্রীষ্মমন্ডলীয় এবং উপক্রান্তীয় অঞ্চলে ব্যাপকভাবে চাষ করা হয়।

ড্রাগন ফলের পুষ্টিগুণ

ড্রাগন ফলের নরম শাঁস ও মিষ্টি গন্ধ বেগুনি বা গোলাপি এবং সাদা দুই রঙের হয়ে থাকে। ভিটামিন এবং খনিজ সমৃদ্ধ এ ফলের ক্যালরির মাত্রা তুলনামূলক কম, তবে এতে যথেষ্ট পরিমাণে ডায়েটরি ফাইবার রয়েছে।

ক্যালোরি: ১৩৬

প্রোটিন: ৩ গ্রাম

ফ্যাট: ০ গ্রাম

ফাইবার: ৭ গ্রাম

আয়রন: ৮%

ম্যাগনেসিয়াম: ১৮%

ভিটামিন-সি: ৯%

ভিটামিন-ই: ৪%

ড্রাগন ফলের উপকারিতা

১. অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ: ফ্ল্যাভোনয়েড, ফেনোলিক অ্যাসিড এবং বিটাসায়ানিনের মতো অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে পরিপূর্ণ, যা কোষগুলোকে ফ্রি র‌্যাডিক্যালের হাত থেকে রক্ষা করে।

২. ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়: এটি ফাইবার সমৃদ্ধ, যা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।

৩. ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়: ক্যানসারবিরোধী বৈশিষ্ট্য থাকায় এটি কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক।

৪. হজমের জন্য ভালো: শরীরে ভালো ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি করে, যা হজম ক্ষমতাকে বাড়ায়।

৫. হার্টের জন্য উপকারী: এতে থাকা ওমেগা-৩ এবং ওমেগা-৯ ফ্যাটি অ্যাসিড হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।

৬. ত্বকের জন্য উপকারী: ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ হওয়ায়, এটি ত্বককে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল করে এবং চুলের জন্যও উপকারী।

৭. হাড়কে শক্তিশালী করে: এতে থাকা ম্যাগনেসিয়াম হাড়ের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে সহায়তা করে।

৮. চোখের জন্য উপকারী: বিটা-ক্যারোটিন চোখের সমস্যা প্রতিরোধে সহায়তা করে।

৯. গর্ভবতী নারীর জন্য উপকারী: ভিটামিন বি, ফোলেট এবং আয়রন থাকায় এটি গর্ভবতীদের জন্য আদর্শ ফল।

ড্রাগন ফলের এসব গুণাবলী এবং উপকারিতা দেখে, এটি নিশ্চিতভাবেই আপনার ডায়েট লিস্টে থাকা উচিত। এর সুস্বাদু স্বাদ এবং পুষ্টিগুণ আপনাকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করবে।




‘রঙিলা কিতাব’-এর ট্রেইলার দেখে দর্শক বলছে পরীর সেরা কাজ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: ঢালিউডের প্রিয় অভিনেত্রী পরীমণির নতুন ওয়েব সিরিজ ‘রঙিলা কিতাব’-এর ট্রেইলার সম্প্রতি প্রকাশ পেয়েছে এবং তা দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। পরীমণি নিজেও এই কাজ নিয়ে যথেষ্ট উচ্ছ্বসিত, এবং তার প্রচার প্রচারণায় কোনো কমতি রাখছেন না।

ট্রেইলার দেখে বোঝা যাচ্ছে কেন পরীমণি এই সিরিজ নিয়ে এত উচ্ছ্বসিত! দর্শকরা প্রশংসা করতে ছাড়ছে না। হইচই বাংলাদেশের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত ট্রেইলারটির মন্তব্যের ঘরে শুধু ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া। দর্শকরা বলছেন, এটি পরীর এ পর্যন্ত করা সেরা কাজ।

‘রঙিলা কিতাব’-এ পরী অভিনয় করছেন একজন অন্তঃসত্ত্বা নারীর চরিত্রে, যিনি একজন পাতি গুণ্ডার স্ত্রী। চরিত্রটি গ্ল্যামারহীন হলেও, পরী তার অভিনয়ের মাধ্যমে তা প্রাণবন্ত করে তুলতে সক্ষম হয়েছেন। ব্যক্তিজীবনে দুই সন্তানের মা হিসেবে, তিনি গর্ভবতী নারীর অনুভূতি ফুটিয়ে তুলতে বিশেষভাবে সক্ষম হয়েছেন।

নির্মাতা অনম বিশ্বাসের নির্দেশনায় পরী তার সেরাটা তুলে ধরতে পেরেছেন। দর্শকরা দাবি করছেন, অনমের দক্ষতায় এই কাজ পরীর সেরা হতে চলেছে।

‘রঙিলা কিতাব’ ওয়েব সিরিজটি কিঙ্কর আহসানের বেস্টসেলার উপন্যাস থেকে নির্মিত। অনম বিশ্বাসের পরিচালনায় সিরিজটিতে সাসপেন্সের পাশাপাশি নানাবিধ গল্প উপস্থাপন করা হয়েছে।

সিরিজে দেখা যাবে, একজন পাতি গুণ্ডা তার গর্ভবতী স্ত্রীর জীবন বিপন্ন করে দেয়। তার পরিবারকে বাঁচাতে স্ত্রী কি সংগ্রাম করে, তা তুলে ধরা হবে। পরীর স্বামীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন মোস্তাফিজুর নূর ইমরান, যিনি দর্শকদের কাছে প্রশংসিত হয়েছেন। খল চরিত্রে অভিনয় করেছেন ফজলুর রহমান বাবু, এবং সিরিজটিতে আরও দেখা যাবে ইরেশ যাকের, মনোজ প্রমাণিক-এর মতো প্রতিভাবান শিল্পীদের।

সিরিজটিতে সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী ও কম্পোজার ইমরানের একটি গানও রয়েছে, যা দর্শকদের মধ্যে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।




ফারুকীর সমালোচনা ও শেখ হাসিনাকে ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক বিষয়ে বরাবরই কঠোর অবস্থান নিয়ে আলোচনায় আসেন খ্যাতিমান নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। সাম্প্রতিক সময়ে ফারুকী ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন, যেখানে আওয়ামী লীগ সরকার ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি খোলামেলা সমালোচনা উঠে আসে। স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, “যেমনটি জামায়াতকে ’৭১-এর প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছে, তেমনি আওয়ামী লীগকেও ২০২৪ সালের ঘটনাবলি নিয়ে প্রশ্ন ডিল করতে হবে।”

তিনি সরকারকে গুম, বিচারহীনতা, এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের মতো ইস্যুগুলোর জন্যও কড়া ভাষায় সমালোচনা করেন। স্ট্যাটাসে শেখ হাসিনার ফোনে হুমকির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “ফোনে হুমকি-ধামকি যে তার খুনি ইমেজটাই বড় করে তুলছে, তা বলার মতো মানুষও পাশে নেই।” ফারুকী আরও উল্লেখ করেন, দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি নিয়ে সাধারণ মানুষ গভীর উদ্বেগের মধ্যে রয়েছে এবং সরকারের উচিৎ এসব প্রশ্নের সঠিক জবাব দেওয়া।

তিনি আরও বলেন, দেশের সকল গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র, যেমন: ব্যাংকিং, বিচার বিভাগ, পুলিশ প্রশাসন, এবং সেনাবাহিনীর কার্যক্রমেও ব্যাপক বিশৃঙ্খলা দেখা যাচ্ছে। ফারুকীর ভাষ্য মতে, সরকারের বিভিন্ন অনিয়ম, অবিচার, এবং ক্ষমতার অপব্যবহার সাধারণ মানুষের মধ্যে ভয় ও অসন্তোষ সৃষ্টি করছে। এই প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন যে, বর্তমান সরকার নানা ধরনের হুমকি ও চাপে বিরোধীদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে চায়, যা দেশের স্থিতিশীলতার পথে বড় প্রতিবন্ধকতা।

এই মন্তব্যগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পাশাপাশি দেশের রাজনৈতিক মহলেও ব্যাপক আলোচনা তৈরি করেছে। ফারুকীর স্ট্যাটাসটি ইতোমধ্যেই ভাইরাল হয়ে গিয়েছে এবং দেশের সাধারণ মানুষ, সমাজকর্মী ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে এটি নিয়ে ব্যাপক মতামত প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।




আসছে ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ সিজন ফাইভ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: বাংলাদেশের জনপ্রিয় ধারাবাহিক নাটক ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ আবারও দর্শকদের সামনে আসতে চলেছে। নির্মাতা কাজল আরেফিন অমি সম্প্রতি নিজের ফেসবুক পেজে জানিয়েছেন, নতুন সিজনের জন্য প্রস্তুতি চলছে।

অমি বলেন, “ব্যাচেলর পয়েন্ট’ সিজন ফাইভ আসছে। তবে এখনও পরিকল্পনার পর্যায়ে রয়েছে এবং কাজ শুরু হয়নি।” নাটকের ভক্তরা নতুন সিজনের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন, কিন্তু কবে তা আসবে সে বিষয়ে এখনই নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারছেন না তিনি।

কবে থেকে দর্শকরা নতুন সিজন দেখতে পাবেন, এমন প্রশ্নের উত্তরে নির্মাতা জানান, “২০২৫ সালেই আবার পর্দায় একসঙ্গে দেখা যেতে পারে পাশা, হাবু, শুভ, কাবিলা এবং অন্তরাদের গল্প।”

‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ সিরিজটি ২০১৭ সালে প্রথম প্রকাশিত হয় এবং দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করে। এর চারটি সিজন সম্প্রচারিত হয়েছে, সর্বশেষ ২০২২ সালে ১১৬তম পর্বের মাধ্যমে সিজন ৪ শেষ হয়।

নির্মাতা অমি সিজন ফোর থেকে সিজন ফাইভকে আরও উন্নত করতে চান, তাই নানা বিষয় নিয়ে ভাবনা চিন্তা করছেন। দর্শকদের আরও ভালো মানের কনটেন্ট উপহার দিতে সবকিছু একত্রিত করে ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ সিজন ফাইভ প্রকাশ করা হবে। এই অবস্থায় ভক্তদের অপেক্ষা করতে হবে।




অভিনয় ছাড়ার ইঙ্গিত দিলেন অভিনেত্রী অহনা রহমান

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী অহনা রহমান সম্প্রতি তার অভিনয় ক্যারিয়ার নিয়ে বড় সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত দিয়েছেন। মডেলিং দিয়ে শোবিজে প্রবেশ করে বিভিন্ন নাটকে অভিনয় করে তিনি দর্শকদের মন জয় করেছেন। ছোট পর্দার পাশাপাশি ওটিটি এবং বড় পর্দায়ও তার অভিনয়ের ছাপ রেখেছেন। তবে এবার তিনি অভিনয় থেকে সরে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।

পটুয়াখালী জেলার মেয়ে অহনা, যিনি শৈশব থেকে অভিনয়ের প্রতি গভীর আগ্রহী ছিলেন। তার অভিনীত চরিত্রগুলোতে পটুয়াখালীর সরলতা ও আন্তরিকতার ছাপ স্পষ্ট। সম্প্রতি তার অভিনীত ‘প্রবাসীর স্ত্রী’ নাটকটি দর্শকদের মাঝে বেশ সাড়া ফেলেছে। নাটকটিতে তিনি প্রবাসী স্বামীর স্ত্রীর জীবন সংগ্রামের গল্প তুলে ধরেছেন। অহনার মতে, নতুন প্রজন্মের অভিনেতাদের জায়গা দেওয়ার সময় এসেছে এবং দর্শকদের ক্লান্তি এড়াতে তিনি নিজেই সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।

অভিনেতা মোশারফ করিমকে নিজের শিক্ষক উল্লেখ করে অহনা বলেন, “মোশারফ করিম বাংলাদেশের সম্পদ এবং তিনি আমাকে হাতে ধরে অনেক কিছু শিখিয়েছেন। তার কৃতিত্ব আমার ক্যারিয়ারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।” এছাড়া তিনি নাট্যজগতের কিছু অনিয়ম ও সিন্ডিকেটের প্রসঙ্গেও কথা বলেন, তবে তার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ইতিবাচকই ছিল।




মেহজাবীনকে রোমান্টিক নাটকে দেখতে আন্দোলনের হুমকি ভক্তদের

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: টিভি নাটকের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী, যাকে ভক্তরা ভালোবাসার চাদরে মুড়িয়ে রাখেন। সম্প্রতি ভক্তদের অনুরোধে সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচিত হয়ে উঠেছেন তিনি। মেহজাবীনের ভক্তদের দাবি, তারা তাকে আবারও রোমান্টিক নাটক বা সিনেমায় দেখতে চান। এই দাবিতে ভক্তরা মেহজাবীনের অফিসিয়াল ফ্যান ক্লাবে দিনভর আলোচনায় মগ্ন। তারা এমনকি শাহবাগে আন্দোলনেরও হুমকি দিয়েছেন, যদি তাদের দাবি পূরণ না করা হয়।

ভক্তদের এই প্রচেষ্টা মেহজাবীনের নজর এড়ায়নি। পোস্টগুলো দেখে অভিনেত্রী নিজেও বেশ অবাক হয়েছেন এবং এক মন্তব্যে লিখেছেন, “ওহ গড, কি হচ্ছে!” মেহজাবীনের ভক্তদের এ ধরনের আবদার তিনি সাধারণত উপেক্ষা করেন না। ভক্তরা তার কাছ থেকে ইতিবাচক উত্তর পেয়ে এখন অপেক্ষায় আছেন, তাদের দাবি কীভাবে পূরণ করেন এই জনপ্রিয় তারকা।

প্রসঙ্গত, মেহজাবীনের দুটি সিনেমা ‘সাবা’ ও ‘প্রিয় মালতী’ মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে, এবং তার অভিনীত নাটক ‘কাজল’ সম্প্রতি অ্যামাজন প্রাইমে মুক্তি পেয়েছে।




আন্তর্জাতিক মঞ্চে ‘মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ’ হিসেবে আনিকা আলম

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: তিন বছরের বিরতির পর, বাংলাদেশ আবারও অংশ নিতে যাচ্ছে ‘মিস ইউনিভার্স’-এ। দেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন আনিকা আলম, যিনি সরাসরি নির্বাচনের মাধ্যমে এই সম্মান অর্জন করেছেন। রবিবার, ২৭ আগস্ট ঢাকায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন ফ্লোরা এন্টারটেইনমেন্টের কর্মকর্তারা।

আনিকা আলম শুধু একজন আন্তর্জাতিক মেকআপ আর্টিস্টই নন, তিনি নারীর ক্ষমতায়নের প্রতীক ও একজন নিবেদিত মা। লস অ্যাঞ্জেলেসে মেয়রের অফিসে কাজ করার পাশাপাশি জাতিসংঘের ‘জিরো হাঙ্গার’ লক্ষ্য অর্জনে কাজ করছেন। আনিকা মেক্সিকোর মঞ্চে দেশের সুনাম বৃদ্ধি করতে চান এবং তিনি তার পথচলায় সবার সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেন।

মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতায় বিবাহিতদের অংশগ্রহণের বিষয়ে কান্ট্রি ডিরেক্টর শফিকুল ইসলাম জানান, নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ২০২৩ সাল থেকে বিবাহিতদের অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে, ফলে আনিকাও এই সুযোগ পেয়ে যাচ্ছেন।

আগামী ৩০ অক্টোবর আনিকা মেক্সিকো যাত্রা করবেন, এবং গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত হবে নভেম্বরের ১৫ অথবা ১৮ তারিখে। সাম্প্রতিক বন্যা ও জুলাই আন্দোলনের শহিদদের স্মরণে মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশের ইভেন্ট বাতিল করা হয়েছে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় ৫ লাখ টাকা প্রদানের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।




হাসনাত-সারজিসকে ‘সফল অধিনায়ক’ বললেন আসিফ আকবর

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: বাংলা গানের ‘যুবরাজ’খ্যাত সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম দুই সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলমের সঙ্গে দেখা করেছেন। সোমবার, ২৮ অক্টোবর, তিনি ফেসবুকে তাদের সঙ্গে তোলা একটি ছবি পোস্ট করেন এবং তাদের সফলতার প্রশংসা করেন।

ফেসবুক স্ট্যাটাসে আসিফ জানান, হাসনাত ও সারজিস তার সঙ্গে দেশ, সমাজ, রাজনীতি, সংগীত এবং মিডিয়া নিয়ে আলোচনা করেছেন। তিনি হাসনাতকে ‘সোজাসাপটা’ এবং সারজিসকে ‘মৃদুভাষী’ বলে অভিহিত করেছেন এবং তাদের নেতৃত্বে জুলাই বিপ্লবের সফলতা প্রশংসা করেছেন।

আসিফ আরও বলেন, ‘৭ নভেম্বর সিপাহী জনতার বিপ্লবে যেমন স্বাধীনতা এসেছিল, তেমনই জুলাই বিপ্লবে আওয়ামী-বাকশালীদের খুনীতন্ত্র থেকে মুক্তির বার্তা এসেছে। Z-Force এর নভেম্বর বিপ্লব এবং Gen-Z এর জুলাই বিপ্লব আমাদের স্বাধীনতার ইতিহাসে অনন্য অধ্যায় হয়ে থাকবে।’

প্রসঙ্গত, আসিফ আকবর জুলাইয়ে ছাত্র আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। তিনি নিজের সন্তানকে নিয়ে রাজপথে নেমে আসেন, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলে।




‘আবার এলো যে সন্ধ্যা’ গানের পেছনের গল্প

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: সত্তরের দশকের জনপ্রিয় গান ‘আবার এলো যে সন্ধ্যা, শুধু দুজনায়’ আজও স্মরণীয়। প্রকৃতির নিয়মে যেমন সন্ধ্যা আসে, তেমনি গানটি এখনও শ্রোতাদের হৃদয়ে বিশেষ স্থান দখল করে আছে। প্রায় ৫০ বছর পার হয়ে গেলেও গানটি নতুন প্রজন্মের কাছেও জনপ্রিয়।

এই কালজয়ী গানের স্রষ্টা ছিলেন গীতিকার এস এম হেদায়েত এবং সুরকার লাকী আখন্দ। নওগাঁর জমিদার বাড়ি ভ্রমণকালে হেদায়েত লাকীকে গানের কয়েকটি লাইন শোনান, যা শুনে সুরের ভিত্তি তৈরি হয়। ঢাকায় ফিরে লাকী আখন্দ গানটির সুর ও সংগীত তৈরি করেন এবং তার ভাই হ্যাপী আখন্দ গানটি গেয়েছিলেন।

১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রথমবার গানটি প্রচারিত হয়। পরে সৈয়দ সালাউদ্দিন জাকিরের চলচ্চিত্র ‘ঘুড্ডি’-তে এ গানটি ব্যবহার করা হয়, যেখানে সমুদ্রের পাড়ে রইসুল ইসলাম আসাদ ও সুবর্ণা মোস্তফার উপস্থিতিতে দৃশ্যায়নটি হয়ে ওঠে আরও মনোমুগ্ধকর। আজও এই গানটি বাংলা সঙ্গীতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গানগুলোর মধ্যে রয়েছে।




ঢাকায় শুরু হচ্ছে ৭ দিনব্যাপী যাত্রা উৎসব

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: বাংলাদেশের লোকসংস্কৃতির জনপ্রিয় অংশ যাত্রাপালা নিয়ে ৭ দিনব্যাপী এক উৎসবের আয়োজন করছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ‘মুক্ত মঞ্চ’ প্রাঙ্গণে আগামী ১-৭ নভেম্বর প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত এই যাত্রা উৎসব অনুষ্ঠিত হবে।

এবারের যাত্রা উৎসবের প্রতিপাদ্য “যদি তুমি ভয় পাও, তবে তুমি শেষ, যদি তুমি রুখে দাঁড়াও তবে তুমি বাংলাদেশ”। প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা সাতটি নিবন্ধিত যাত্রা দল ঐতিহাসিক ও সামাজিক ঘটনা অবলম্বনে যাত্রাপালা পরিবেশন করবে।

উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানের অংশগ্রহণকারী ইসরাফিল মজুমদার। বিশেষ অতিথি হিসেবে বিশিষ্ট যাত্রা শিল্পী অনিমা দে এবং নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগের পরিচালক ফয়েজ জাহির স্বাগত বক্তব্য প্রদান করবেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক ড. সৈয়দ জামিল আহমেদ।

উৎসবের মূল আকর্ষণ প্রতিদিনের যাত্রাপালা পরিবেশন:

১ নভেম্বর: সুরুভী অপেরা – “নিহত গোলাপ”

২ নভেম্বর: নিউ শামীম নাট্য সংস্থা – “আনার কলি”

৩ নভেম্বর: বঙ্গবাণী অপেরা – “মেঘে ঢাকা তারা”

৪ নভেম্বর: নর-নারায়ণ অপেরা – “লালন ফকির”

৫ নভেম্বর: বন্ধু অপেরা – “আপন দুলাল”

৬ নভেম্বর: শারমিন অপেরা – “ফুলন দেবী”

৭ নভেম্বর: যাত্রাবন্ধু অপেরা – “নবাব সিরাজউদ্দৌলা”

সকল দর্শকের জন্য উন্মুক্ত এই যাত্রা উৎসবটি দেশের লোকসংস্কৃতিকে জীবিত রাখার এক মহৎ উদ্যোগ, যা বিনোদনের পাশাপাশি সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধাবোধ ও সংযোগ জাগিয়ে তুলবে।