‘আমার জীবনের কোনো কিছুই ভুল নয়’ — প্রাক্তন ও সন্তানের প্রসঙ্গে খোলামেলা পরীমণি

ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত নায়িকা পরীমণি। কাজের চেয়ে ব্যক্তিগত জীবন নিয়েই বেশি আলোচনায় থাকেন তিনি। নিজের ইচ্ছেমতো বাঁচার দর্শনেই জীবন কাটান এই নায়িকা, তাই তাকে ঘিরে যত গুঞ্জনই উঠুক, তাতে বিন্দুমাত্র ভ্রূক্ষেপ করেন না।

একাধিকবার বিয়ে করেছেন পরীমণি। সর্বশেষ অভিনেতা শরীফুল রাজের সঙ্গে সংসার গড়েছিলেন, আর এই সংসারে জন্ম নেয় পুত্রসন্তান পূণ্য। তবে সেই সম্পর্কও টেকেনি। সম্প্রতি মাছরাঙা টেলিভিশনের অনুষ্ঠান ‘বিহাইন্ড দ্য ফেইম উইথ আরআরকে’-তে প্রেম, বিয়ে, বিচ্ছেদ ও মাতৃত্ব নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন এই অভিনেত্রী।

অনুষ্ঠানে সঞ্চালক জানতে চান, “তোমার কি মনে হয় বিয়েটা ভুল ছিল?”
জবাবে পরীমণি বলেন,

“না, আমার জীবনের কোনো কিছুই ভুল না। সবই অভিজ্ঞতা। ভুল বলার কিছুই নেই।”

এরপর সঞ্চালক বলেন, “আমার মনে হয়, পূণ্য থাকার কারণে হয়তো এমন বলছো।”
জবাবে পরীমণি বলেন,

“না, ও না থাকলেও একই কথা বলতাম। আমার কোনো প্রাক্তনের সঙ্গে এমন পর্যায় আসেনি, যেখানে গালাগালির মধ্যে যেতে হয়েছে।”

বিয়ের সম্পর্ক ভাঙার প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন,

“আমরা দুই পক্ষ বসে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম—এটা আর এগোবে না। খুব সম্মানজনক জায়গায় থেকেই আলাদা হয়েছি। ভবিষ্যতে কোথাও দেখা হলে যেন অস্বস্তি না হয়, সেই জায়গাটা বজায় রাখতে চেয়েছি।”

তবে বিচ্ছেদের পরও কিছু কষ্ট রয়ে গেছে তার মনে। পরীমণি বলেন,

“যে প্রাক্তনের কাছ থেকে সবচেয়ে বেশি সম্মান পাওয়ার কথা ছিল, সেখান থেকেই সবচেয়ে বেশি অপমানিত হয়েছি। এই বিচ্ছেদটা আরও সুন্দরভাবে হতে পারত।”

সঞ্চালক যখন জানতে চান রাজ কি সন্তানের খোঁজখবর রাখেন—তখন পরীমণি বলেন,

“আমি তো কোথাও শুনিনি। উনি ভুলেই গেছেন, উনার একটা বাচ্চা আছে। কেউ কেউ বলেন, আমি যোগাযোগ করতে দিই না—এসব সম্পূর্ণ ভুল। আমি সব কিছু ক্লিয়ার রেখে গিয়েছি। আমি চাই না আমার সন্তান কখনো আমার দিকে আঙুল তুলে কিছু বলুক।”

তিনি আরও বলেন,

“আমার সন্তানের দাদা-দাদি আছেন, তারা কেন খোঁজ নেন না? পূণ্য অসুস্থ হলে একটা ফোনও দেয় না। রক্তের সম্পর্ক কি এভাবে মুছে যায়?”

মাতৃত্বকে জীবনের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হিসেবে দেখেন পরীমণি। তার ভাষায়,

“মাদারহুডে আমি ফেল করতে চাই না। আমার সন্তান যেন কোনোদিন মায়ের প্রতি হতাশ না হয়, সেই চেষ্টাই করছি।”

এই সাক্ষাৎকারে পরীমণি আবারও প্রমাণ করেছেন—তিনি যেমন খোলামেলা, তেমনি নিজের সত্য বলতে সাহসীও।

 

আল-আমিন



আঁখি আলমগীর: ভণ্ডামি ও নাটক দেখে বিরক্তি প্রকাশ

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত সংগীতশিল্পী আঁখি আলমগীর তার ফেসবুক পোস্টে সম্প্রতি প্রকাশ করেছেন যে, তিনি ভীষণভাবে বিরক্ত এবং রেগে আছেন। তিনি জানান, আশেপাশের কিছু মানুষের নাটক, ভণ্ডামি এবং অভিনয় তাকে ক্লান্ত করেছে।

শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) সকালে আঁখি আলমগীর ফেসবুকে লিখেছেন, “আমি খুব রাগ এবং বিরক্ত। রাগ, কারণ আশেপাশের কিছু মানুষের নাটক আর অভিনয় দেখে ক্লান্ত। কী সুন্দর সবাইকে বোকা ভেবে, ওভার কনফিডেন্সে অন্ধ হয়ে, তারা কত গল্প ফাঁদে, নাটক করে, অভিনয় করে। নির্মমতা, মানুষ ঠকানোর কথা আর না বলি।”

আঁখি আরও বলেছেন, “বিরক্ত নিজের উপরই। এতকিছু তো না বুঝলেও হতো। আগে তো শুনে, দেখে সব বুঝে যেতাম। বয়স আর অভিজ্ঞতার কারণে ইদানীং রাগ, হিংসা বা মিথ‍্যা, এগুলো স্মেল করতে পারি, অনুভব করতে পারি।”

ভণ্ডামি থেকে মুক্তির আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করে তিনি বলেন, “কী এক তেলেশমাতি। মুক্তি চাই ভণ্ডামি থেকে। মুক্তি চাই এই স্মেল থেকে। একটা নীরব, স্বাধীন, শান্তিপূর্ণ জীবন চাই এখন। বিশ্বাস করুন, আপনার কল্পনার চেয়েও অধিক পাওয়ার যোগ্য আমি।”

এই পোস্টে অনেকে মন্তব্য করেছেন। শিল্পী অনুরুপ আইচ লিখেছেন, “যেন আমার মনের কথাটাই তুমি লিখে দিলে!” আর সংগীতশিল্পী রবি চৌধুরী মন্তব্য করেছেন, “এসব নিয়ে আমাদের থাকতে হবে। বাকি জীবনটা যেন সুন্দরভাবে কেটে যায়, সে দোয়া, শুভকামনা।”

আঁখি আলমগীর সম্প্রতি প্রকাশ করেছেন তার নতুন গান ‘প্রেম ব্যাপারী’, যেখানে দ্বৈত কণ্ঠে উপস্থিত হয়েছেন শিল্পী পুলক অধিকারী। গানটি প্রকাশিত হয়েছে প্রায় এক মাস আগে এবং শ্রোতাদের মধ্যে ইতোমধ্যেই ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




ত্রিভুজ প্রেমের গল্পে ‘এমন দিনে তারে বলা যায়’

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কালজয়ী গান ‘এমন দিনে তারে বলা যায়, এমন ঘনঘোর বরিষায়’ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে নির্মিত হয়েছে নতুন নাটক ‘এমন দিনে তারে বলা যায়’। জাহিদ প্রীতমের নির্মাণে এটি মুক্তি পেয়েছে ইউটিউবে ক্যাপিটাল ড্রামা চ্যানেলে। নাটকটির প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন তৌসিফ মাহবুব, প্রিয়ন্তী উর্বী ও মীর রাব্বি।

ত্রিভুজ প্রেমের আবেগঘন গল্পে নির্মিত এই নাটকটি সম্পর্কে পরিচালক জাহিদ প্রীতম বলেন,

“গল্পটি এমনভাবে সাজানো হয়েছে যে শেষ দৃশ্য পর্যন্ত দর্শক বুঝতে পারবেন না—চরিত্রগুলোর পরিণতি কী হতে যাচ্ছে। এই অনিশ্চয়তা ও রহস্যই গল্পটিকে জীবন্ত করেছে। আমি চাই দর্শক আমার গল্পের মায়ায় হারিয়ে যাক, আগের মতো এবারও।”

নাটকের কাহিনি যেমন আবেগে ভরপুর, তেমনি দর্শককে শেষ পর্যন্ত ধরে রাখার মতো টুইস্টে পরিপূর্ণ। এতে দেখা যাবে সম্পর্কের জটিলতা, ভালোবাসা, বিভ্রান্তি আর বৃষ্টিভেজা দিনের আবহে নির্মিত এক অন্যরকম অনুভূতি।

অভিনেতা তৌসিফ মাহবুব বলেন,

“প্রায় আড়াই বছর পর জাহিদ প্রীতম ভাইয়ের সঙ্গে কাজ করেছি। আর এটি আমার ও উর্বীর প্রথম কাজ একসঙ্গে। গল্পটা গোলকধাঁধার মতো। যখনই দর্শক ভাববেন গল্প শেষ, ঠিক তখনই নতুন টুইস্ট আসবে।”

অভিনেত্রী প্রিয়ন্তী উর্বী নিজের অনুভূতি জানিয়ে বলেন,

“নাটকটি নিয়ে আমি খুবই উত্তেজিত ও কিছুটা নার্ভাসও। নিজেকে টিভি পর্দায় প্রথমবার দেখার সময় যেমন কৌতূহল ছিল, তেমনই এক অনুভূতি কাজ করছে আবারও।”

আরো পড়ুন : দুমকিতে ৩২ লাখ টাকার সেতু দুই বছরেও ব্যবহারের অনুপযোগী, ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে মানুষ

নাটকটিতে একটি হৃদয়স্পর্শী গান যুক্ত হয়েছে—‘কাজল চোখে ভালোবাসা’। গানের কথা লিখেছেন নীল মাহবুব, সুর করেছেন শরিফুল ইসলাম, সংগীতায়োজন করেছেন সাউন্ড হ্যাকার, এবং কণ্ঠ দিয়েছেন জনপ্রিয় গায়ক মাহতিম শাকিব

নাটকটি মুক্তির পর থেকেই দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ দেখা গেছে। বৃষ্টিভেজা প্রেম, রহস্য ও সম্পর্কের টানাপোড়েনে গড়া গল্পটি আধুনিক দর্শকের আবেগ ছুঁয়ে যাচ্ছে বলে মনে করছেন অনেকে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে অভিনেতা হাসান মাসুদ

জনপ্রিয় অভিনেতা হাসান মাসুদ হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। বর্তমানে তিনি রাজধানীর মহাখালীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (২৭ অক্টোবর) রাতে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকেরা জানান, তিনি ইস্কেমিক স্ট্রোকমৃদু হার্ট অ্যাটাক করেছেন। বর্তমানে নিউরোলজি, কার্ডিওলজি ও ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন তিনি।

হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. আশীষ কুমার চক্রবর্তী গণমাধ্যমকে বলেন,

“হাসান মাসুদ এখন পর্যবেক্ষণে আছেন। সাধারণত এমন রোগীদের ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়। এরপর পরবর্তী চিকিৎসা পরিকল্পনা নির্ধারণ করা হবে।”

একসময় নিয়মিত নাটক ও চলচ্চিত্রে দর্শকপ্রিয় ছিলেন হাসান মাসুদ। তবে গত কয়েক বছর ধরে অভিনয় থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে নিয়েছেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, তিনি এখন চাকরি করতে চান এবং অভিনয়ে ফেরার কোনো ইচ্ছা নেই।

তার ভাষায়—

“আমি এখন একটা জব খুঁজছি। সাংবাদিকতা, প্রশাসন বা অন্য যে কোনো পেশায় সুযোগ পেলে ঢুকে যাব। অভিনয় থেকে একেবারে দূরে যেতে চাই।”

সাংবাদিকতা থেকেই অভিনয়জগতে প্রবেশ করেছিলেন এই অভিনেতা। ১৯৮৫ সালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়ে ক্যাপ্টেন পদে দায়িত্ব পালন শেষে তিনি সাংবাদিকতায় আসেন। এরপর বিবিসি বাংলায় (২০০৪-২০০৮) কাজ করেছেন। পরবর্তীতে মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ‘ব্যাচেলর’ সিনেমার মাধ্যমে অভিনয়ে অভিষেক ঘটে তার।

হাউজ ফুল’, ‘ট্যাক্সি ড্রাইভার’, ‘আমাদের সংসার’, ‘রঙের দুনিয়া’, ‘গণি সাহেবের শেষ কিছুদিন’সহ অসংখ্য জনপ্রিয় নাটকে অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকের মন জয় করেছেন তিনি।

দর্শকদের উদ্দেশে তিনি বলেন,

“সবসময় সৎ থাকবেন, সত্য কথা বলবেন। এখন সমাজে পরকীয়ার প্রবণতা বেড়েছে— এটা থেকে সবাই দূরে থাকুন। তাহলেই জীবন অনেক ভালো যাবে।”

বর্তমানে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন অভিনেতা হাসান মাসুদ। তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন সহকর্মী ও ভক্তরা।


আল-আমিন


 




রকস্টার জেমসের তৃতীয় বিয়ে, জন্ম নিল পুত্র সন্তান

বাংলাদেশের রকসংগীতের কিংবদন্তি জেমস তৃতীয়বারের মতো বিয়ে করেছেন এবং এবার তিনি বাবা হয়েছেন। দীর্ঘ এক দশক একাকী জীবন কাটানোর পর ২০২৪ সালের ১২ জুন তিনি বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক নামিয়া আমিনকে বিয়ে করেন।

চলতি বছরের ৮ জুন, নিউইয়র্কের হান্টিংটন হাসপাতালে জন্ম নেয় তাদের প্রথম পুত্র সন্তান, যার নাম রাখা হয়েছে জিবরান আনাম। জেমস বলেন, “বাবা হওয়ার অনুভূতি অসাধারণ। আল্লাহর কাছে শুকরিয়া, তিনি আমাকে সুস্থ সন্তান দান করেছেন।”

জানা গেছে, ২০২৩ সালে লস অ্যাঞ্জেলসে এক অনুষ্ঠানে প্রথম দেখা হয় জেমস ও নামিয়ার। পরিচয়ের এক বছর পর ঢাকায় ঘরোয়া পরিবেশে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। নামিয়া যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ করেছেন এবং জন জে কলেজ থেকে ক্রিমিনাল জাস্টিসে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন।

এর আগে জেমসের দুটি বিবাহ হয়েছিল। প্রথম স্ত্রী ছিলেন চলচ্চিত্র অভিনেত্রী রথি; তাদের ঘরে রয়েছে এক ছেলে ও এক মেয়ে সন্তান। দ্বিতীয় স্ত্রী বেনজীর সাজ্জাদের সঙ্গে তার একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।

নতুন জীবন ও সন্তানের খবরে সামাজিক মাধ্যম এখন জেগে উঠেছে। ভক্তরা নগরবাউল জেমসকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন এবং নতুন সূচনা উদযাপন করছেন।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম / ২০২৫



“মায়ের বিয়ের শাড়িতে ‘অতীতে’ ফিরলেন জয়া আহসান”

নন্দিত অভিনেত্রী জয়া আহসান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আবারও নতুন চমক দেখিয়েছেন। এবার তিনি মায়ের বিয়ের এবং বৌভাতের শাড়ি পরে ফটোশ্যুট করেছেন, যা নিয়ে ভক্তদের মধ্যে উচ্ছ্বাস সৃষ্টি হয়েছে।

জয়া জানান, এই শাড়ি দুটির বয়স প্রায় ৪৫ বছর। এগুলো তার মায়ের বিয়ের সময় ব্যবহৃত হয়েছিল—একটি বিয়ের শাড়ি, আর একটি বৌভাতের। শাড়ি দুটি কলকাতা থেকে তার বাবা কিনে এনেছিলেন। সোনার সুতোয় কাজ করা এই শাড়ি আজও নতুন বিবাহের উচ্ছ্বাসের মতো শোভা বহন করছে।

ফটোশ্যুটের সময় আয়নার সামনে জয়া স্মৃতিকাতর হয়ে জানিয়েছেন, “এই শাড়ি নিয়ে আমাদের দুই বোন ছোটবেলা থেকেই হুল্লোড় করতাম। বিবাদ হোক বা খুনসুটি, সেটা হতো কে কোনটা নেবে তা নিয়ে। আমি নীল শাড়ি চাইতাম, বোন পছন্দ করত টুকটুকে লাল শাড়ি।”

জয়া শাড়ি দুটিকে অমূল্য সম্পদ মনে করেন। তিনি বলেন, “আমার মাতৃতান্ত্রিক শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের অংশ হিসেবে সব শাড়িই আমার কাছে রয়েছে—মায়ের বিয়ের শাড়ি, আমার জন্মের আগে মায়ের শাড়ি সবই। এগুলো আলমারির যত্নে সংরক্ষিত। এবার হঠাৎ সুযোগ হলো সুন্দরভাবে স্টাইলিং করে ফটোশ্যুট করার।”

ফটোশ্যুটের ছবি প্রকাশের পর ভক্তদের প্রতিক্রিয়া ছিল উচ্ছ্বাসপূর্ণ। এক ভক্ত লিখেছেন, “কী সুন্দর, ভালোবাসাময় মোহনীয় সৌন্দর্যের ছোঁয়া।” আরেকজন মন্তব্য করেছেন, “ছবিগুলো দেখে ও জেনে খুব ভালো লাগলো, মার্জিত ও নান্দনিক।”

জয়ার এই ফটোশ্যুট তার ভক্ত ও অনুসারীদের মধ্যে নস্টালজিয়া এবং উচ্ছ্বাসের সৃষ্টি করেছে।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




আহান-অনীতের একান্ত ছবিতে প্রেমের গুঞ্জন! ‘সাইয়ারা’ জুটি কি সত্যিই সম্পর্কে?

বলিউডে নতুন প্রেমের গুঞ্জন! আলোচনায় উঠে এসেছে ‘সাইয়ারা’ সিনেমার জনপ্রিয় জুটি আহান পান্ডেঅনীত পাড্ডা। সিনেমায় দু’জনের রোমান্টিক রসায়নে মুগ্ধ হয়েছিল দর্শক, এবার সেই রসায়ন বাস্তবেও মিলছে এমন ইঙ্গিতই দিচ্ছে তাদের সাম্প্রতিক একটি ছবি।

সোমবার (১৩ অক্টোবর) অনীত পাড্ডার ২৩তম জন্মদিনে আহান ইনস্টাগ্রামে দু’জনের একান্ত মুহূর্তের ছবি শেয়ার করেন। ছবিগুলোতে দেখা যায়— ব্রিটিশ ব্যান্ড ‘কোল্ডপ্লে’-এর কনসার্টে একসঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন তারা। আহান চোখ বন্ধ করে গান উপভোগ করছেন, অনীত মাথা ঠেকিয়ে হাসিমুখে তাকিয়ে আছেন— এমন দৃশ্য ভক্তদের মধ্যে উচ্ছ্বাস ছড়িয়েছে।

আরেকটি ছবিতে দেখা যায়, কনসার্টের আলো ঝলমলে পরিবেশে তারা একসঙ্গে এলইডি রিস্টব্যান্ড নাড়ছেন। অনীতের মুখে তখনও উচ্ছ্বাসের ঝিলিক। এতে বলিউড অনুরাগীদের ধারণা, ছবির শুটিংয়ের সময় থেকেই তাদের সম্পর্কের সূচনা।

যদিও আহান বা অনীত কেউই সম্পর্ক নিয়ে সরাসরি কিছু বলেননি, তবে বিভিন্ন জায়গায় তাদের একসঙ্গে দেখা গেছে একাধিকবার। ভক্তরা ইতিমধ্যেই এই জুটিকে “নেক্সট জেনারেশনের পারফেক্ট বলিউড কাপল” বলে আখ্যা দিচ্ছেন।

সম্প্রতি অনীত পাড্ডা ল্যাকমে ব্র্যান্ডের অ্যাম্বাসেডর হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছেন। শাড়ি ও গহনায় তার উপস্থিতি নজর কেড়েছে ফ্যাশন মহলে। ডিজাইনার তরুণ তাহিলিয়ানি অনীতকে ‘নিষ্পাপ সৌন্দর্যের প্রতীক’ হিসেবে অভিহিত করে বলেছেন, “সে খুব তরুণ, কিন্তু তার মাঝে আত্মবিশ্বাস ও মাধুর্য দুটোই আছে।”

অন্যদিকে, আহান পান্ডে শিগগিরই যশরাজ ফিল্মসের নতুন প্রজেক্টে অভিনয় করতে যাচ্ছেন, যেখানে তার বিপরীতে থাকছেন অভিনেত্রী শাবর্রী

উল্লেখ্য, মোহিত সুরির পরিচালিত মিউজিক্যাল রোমান্টিক ছবি ‘সাইয়ারা’ মুক্তি পায় গত ১২ সেপ্টেম্বর। সিনেমাটি বিশ্বব্যাপী ৫৭৯ কোটি রুপি আয় করে বক্স অফিসে সাড়া জাগায়, আর আহান-অনীত জুটির রসায়ন দর্শকদের মনে জায়গা করে নেয়।


আল-আমিন


 




অপমান থেকে বাঁচতে হিন্দি শিখেছিলেন এ আর রহমান

ভারতের অস্কারজয়ী সুরকার এ আর রহমান সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, হিন্দি ভাষা শেখার পেছনে মূল উদ্দেশ্য ছিল সম্মানহানি থেকে নিজেকে রক্ষা করা

তামিলনাড়ুতে জন্মগ্রহণ করা এ শিল্পীর সুর ও কণ্ঠ বিশ্বজুড়ে শ্রোতাদের মুগ্ধ করেছে। তার সুপারহিট চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে ‘স্লামডগ মিলিয়নেয়ার’, ‘রোজা’, ‘রঙ্গিলা’ এবং ‘তাল’।

এ আর রহমান বলেন, “প্রতিটি ভাষার প্রতি আমার একটা আকর্ষণ রয়েছে। যখন ‘দিল সে’ এবং ‘রোজা’ সিনেমা ব্যবসায় সফল হয়, তখন অনেকেই তামিল গানের হিন্দিতে অনুবাদ নিয়ে নানা আলোচনা শুরু করে। এ ধরনের সমালোচনা আমার কাছে অপমানজনক ছিল।”

তিনি আরও জানান, “অনেক সমালোচক তখন খারাপ মন্তব্য করতেন, কেউ বলতেন হিন্দি গানের কথাগুলো অর্থহীন, তামিল গান অনেক ভালো। কেউ বলেছিল, এই ধরণের কাজ আর কখনও করো না।”

এ প্রসঙ্গে এ আর রহমান বলেন, “সমস্যার কারণ ছিল, সেই সময়ে তিনটি ভাষায় তৈরি ছবিই বক্স অফিসে হিট হতো। দর্শক মূলত টাকাটাই দেখত। তখনই আমি ডাবিংয়ের পরিবর্তে সরাসরি হিন্দি ছবির দিকে মনোযোগ দিলাম। বলতে গেলে, অপমান থেকে বাঁচতেই আমি হিন্দি শিখেছিলাম।”

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম / ২০২৫




বাহুবলী ফিরে আসছে নতুন রূপে!

দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় অভিনেতা প্রভাস আবারও আলোচনায়। বলিষ্ঠ ব্যক্তিত্ব ও গভীর অভিনয়ের জন্য যিনি কোটি ভক্তের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন, সেই প্রভাস এবার ফিরছেন সেই সিনেমা সিরিজ নিয়ে, যা ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসই বদলে দিয়েছিল — ‘বাহুবলী’।

প্রায় এক দশক আগে মুক্তি পাওয়া এই মহাকাব্যিক ছবিটি শুধু দক্ষিণ ভারত নয়, পুরো বিশ্বের সিনেমা দর্শকদের মন জয় করেছিল। এখন সেই গৌরবময় অধ্যায়ের স্মৃতি ফিরিয়ে আনতে আসছে নতুন সংস্করণ ‘বাহুবলী: দ্য এপিক’।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, আগামী ৩১ অক্টোবর মুক্তি পেতে যাচ্ছে ‘বাহুবলী: দ্য এপিক’। সিনেমাটির দৈর্ঘ্য হবে ৫ ঘণ্টা, এবং এটি মূলত প্রথম দুই পর্ব — ‘বাহুবলী: দ্য বিগিনিং’‘বাহুবলী ২: দ্য কনক্ল্যুশন’— একত্রে পুনর্নির্মাণ করে নতুনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

এদিকে, নেটফ্লিক্স থেকে সম্প্রতি ‘বাহুবলী’র দুটি পর্ব সরিয়ে নেওয়ার পর থেকেই গুঞ্জন শুরু হয় যে, পরিচালক এস. এস. রাজামৌলি নতুন কোনো বিশেষ প্রজেক্টের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এবার সেই জল্পনাই সত্যি হতে যাচ্ছে।

২০১৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘বাহুবলী: দ্য বিগিনিং’ দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমাকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছিল। ছবিটিই প্রভাসকে রাতারাতি সুপারস্টার বানায়। এরপর ২০১৭ সালে মুক্তি পায় ‘বাহুবলী ২: দ্য কনক্ল্যুশন’, যা বক্স অফিসে রেকর্ড ভাঙে এবং ইতিহাস গড়ে। আনুশকা শেঠির সঙ্গে প্রভাসের রসায়নও দর্শকদের কাছে এখনো অমলিন।

বর্তমানে প্রভাস ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন একাধিক বড় বাজেটের প্রজেক্ট নিয়ে। তিনি এখন সন্দীপ রেড্ডি ভাঙ্গা পরিচালিত ‘স্পিরিট’ ছবির প্রস্তুতিতে রয়েছেন, যেখানে তার বিপরীতে থাকবেন তৃপ্তি ডিম্রি। পাশাপাশি তিনি গ্রিসে ‘দ্য রাজা সাব’ ছবির গানের শুটিং করছেন।

এছাড়া প্রভাস অভিনয় করছেন হানু রাঘবপুদি পরিচালিত ‘ফৌজি’ ছবিতেও, যা আগামী বছরের ১৪ আগস্ট মুক্তি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। একইসঙ্গে তিনি প্রশান্ত নীলের ‘সালার’ এবং নাগ আশ্বিনের ‘কল্কি’ সিক্যুয়েলের সাথেও চুক্তিবদ্ধ আছেন।

‘বাহুবলী: দ্য এপিক’ মুক্তির ঘোষণায় আবারও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে প্রভাসের বিশ্বজুড়ে ভক্তদের মধ্যে। দশ বছর আগের সেই রাজকীয় কাহিনি এবার নতুন প্রযুক্তি ও ভিজ্যুয়াল ইফেক্টে দর্শকদের সামনে হাজির হবে, এমনটাই আশা নির্মাতাদের।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




গুজবে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানালেন ইলিয়াস কাঞ্চনের ছেলে জয়

দেশের এক সময়ের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক ও নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা ইলিয়াস কাঞ্চনের মৃত্যুর গুজব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ বিষয়ে তার একমাত্র ছেলে মিরাজুল মইন জয় দেশবাসীকে এসব ভুয়া তথ্য থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

শুক্রবার (১০ অক্টোবর) নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান লিটন এরশাদের মাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে জয় বলেন, “আমার বাবা বর্তমানে অসুস্থ এবং নিয়মিত চিকিৎসাধীন আছেন। তার চিকিৎসা চলছে ঠিকভাবে। কেউ দয়া করে কোনো গুজবে কান দেবেন না। আমি দেশবাসীর কাছে অনুরোধ করছি, আপনারা আমার বাবার দ্রুত সুস্থতার জন্য দোয়া করবেন।”

তিনি আরও জানান, বাবার অসুস্থতার খবর প্রকাশের পর থেকে দেশ-বিদেশে নিসচার সদস্য, শুভাকাঙ্ক্ষী ও সাধারণ মানুষ যে আন্তরিকভাবে দোয়া করছেন, বিশেষ করে আজ শুক্রবার বিভিন্ন স্থানে জুমার নামাজের পর দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছেন, তাতে পরিবারের পক্ষ থেকে সবাইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন তারা।

এ সময় জয় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “দুঃখজনকভাবে কিছু ইউটিউবার ও ফেসবুক ব্যবহারকারী সামান্য ভিউয়ের আশায় মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর ভিডিও প্রকাশ করছেন। এতে মানুষ কষ্ট পাচ্ছে এবং আমার বাবার ভক্তরা মানসিকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হচ্ছেন। আমরা এসব কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানাই।”

শেষে তিনি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “যদি কারও কোনো তথ্য জানার প্রয়োজন হয়, তাহলে তারা নিসচার কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান লিটন এরশাদের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন। অনুগ্রহ করে গুজবে বিভ্রান্ত হবেন না।”

 

আল-আমিন