তিন কন্যার বিয়ে দেবেন জাদুসম্রাট পি সি সরকার,পাত্র চাই বিজ্ঞাপন

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: তিন কন্যার বিয়ে দেবেন জাদুসম্রাট পি সি সরকার। আর তাই সরাসরি সংবাদপত্রে ‘পাত্র চাই’ বিজ্ঞাপন দিয়ে ফেললেন তিনি। এবার জাদু নয়, যেন দেখালেন চমক। হ্যাঁ, রীতিমতো চমকে উঠেছে তার ভক্ত ও অনুরাগীরা। প্রথমে এর সত্যতা নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা শুরু হলেও, বিষয়টি সত্যতা ও বিস্তরে খোলাসা করলেন তার মেয়ে অভিনেত্রী মুমতাজ।

রোববার (১০ নভেম্বর) সকাল থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয় একটি পাত্র চাই বিজ্ঞাপনের পেপার কাটিং। কেন ভাইরাল? কারণ, বিজ্ঞাপনটি দিয়েছেন জাদুকর পি সি সরকার ও তার স্ত্রী। তিন মেয়ের জন্য সুদর্শন, দীর্ঘাঙ্গী পাত্র চেয়েছেন তারা।

ওই বিজ্ঞাপনের বিষয়টি নিশ্চিত করে পিসি সরকারের মেয়ে মুমতাজ জানিয়েছেন, প্রেম–বিচ্ছেদে বিশ্বাসী নন তারা। বাবা-মায়ের পছন্দের ছেলের গলাতেই তিন বোন মালা পরাতে চান। আর সে কারণে এই বিজ্ঞাপন।




নতুন করে আলোচনায় আসছে সুভাষ দত্তের স্বপ্নের ‘বেগম রোকেয়া’ সিনেমা

প্রায় তিন দশক আগে প্রখ্যাত নির্মাতা সুভাষ দত্ত ঘোষণা দিয়েছিলেন ‘বেগম রোকেয়া’ নামে একটি সিনেমা নির্মাণের। রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের জীবন নিয়ে নির্মিত এই সিনেমার নাম ভূমিকায় অভিনয়ের কথা ছিল জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা শাবানার। সেই সময় সিনেমার মহরত ও এক দিনের শুটিংও হয়েছিল, কিন্তু নানা কারণে সিনেমাটি আলোর মুখ দেখেনি। এখন সেই সিনেমাটিই নতুন করে নির্মাণের উদ্যোগ নিচ্ছেন শাবানার স্বামী, প্রযোজক ওয়াহিদ সাদিক।

সম্প্রতি দেশের একটি গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ওয়াহিদ সাদিক জানান, তিনি আবারও ‘বেগম রোকেয়া’ সিনেমা তৈরির পরিকল্পনা করছেন। এর জন্য চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে আলোচনা করেছেন তিনি। তবে, শাবানার বয়স এবং বর্তমান অবস্থার কারণে তিনি এই চরিত্রে আর অভিনয় করতে পারবেন না। ওয়াহিদ সাদিক বলেন, “শাবানা আর বেগম রোকেয়া চরিত্রে অভিনয়ের উপযোগী নেই। তাই চরিত্রটি নিয়ে অন্য কাউকে ভাবছি। চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে দেশে ফিরে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেব।”

ওয়াহিদ সাদিক আরও বলেন, “ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানের পর রংপুর ও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে বর্তমান সময়ে অনেক আলোচনা হচ্ছে। এই বাস্তবতায় বেগম রোকেয়ার মতো সংগ্রামী চরিত্রকে নিয়ে সিনেমা নির্মাণ প্রাসঙ্গিক বলে মনে করছি।”

সুভাষ দত্তের বড় ছেলের স্ত্রী শ্রাবণী দত্ত জয়া এই খবর শুনে আনন্দ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “আমার শ্বশুরের স্বপ্ন ছিল বেগম রোকেয়ার ওপর সিনেমা নির্মাণ করা। মৃত্যুর আগেও তিনি এই সিনেমার কথা বারবার বলতেন। এটি তার শেষ সিনেমা হতে পারত। ওয়াহিদ সাদিকের উদ্যোগকে স্বাগত জানাই।”

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সিতে বসবাসরত শাবানা বলেন, “বেগম রোকেয়া চরিত্রটি না করতে পারার আক্ষেপ রয়েই গেছে। আমি মনে করি, এখন সেই পরিচালকও নেই, আমার বয়সও আর সেই পর্যায়ে নেই। তবে ওয়াহিদ এই উদ্যোগ নিয়েছে, এটি আনন্দের বিষয়।”

‘বেগম রোকেয়া’ সিনেমার পুনরুজ্জীবন নিয়ে চলচ্চিত্রপ্রেমীরা আশাবাদী। পুরনো এই স্বপ্ন নতুন করে বাস্তবায়িত হলে তা হবে বাংলা চলচ্চিত্রের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



উপদেষ্টা নিযুক্ত হওয়া নিয়ে সমালোচনার জবাব দিলেন মোস্তফা সরয়ার ফারুকী

দেশের বিশিষ্ট নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী সম্প্রতি অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে ঘিরে নানা সমালোচনা শুরু হয়েছে। এই সমালোচনার পেছনে অন্যতম কারণ হিসেবে উঠে এসেছে তার স্ত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশার ‘মুজিব : একটি জাতির রূপকার’ সিনেমায় অভিনয় করা।

সোমবার (১১ নভেম্বর) সচিবালয়ে প্রথম কর্মদিবসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ফারুকী এই সমালোচনার মুখে তার অবস্থান স্পষ্ট করেন। তিনি বলেন, “কোনো ধরণের উসকানিমূলক প্রশ্নের উত্তর আমি দেবো না। তবে যেকোনো প্রশ্ন করলে জবাব দিতে প্রস্তুত আছি, কিন্তু উসকানিমূলক প্রশ্ন করবেন না।”

এক পর্যায়ে তিশার সিনেমায় অভিনয় ও তা নিয়ে সমালোচনার বিষয়ে তিনি আরও বলেন, “আমার স্ত্রী একজন স্বাধীন অভিনেত্রী। তার কাজের জন্য আমাকে দায়ী করা ঠিক নয়।”

শিল্পকলায় নাটক বন্ধ প্রসঙ্গে নিজের মতামত তুলে ধরে ফারুকী বলেন, “সরকার কখনোই শিল্পের জন্য বাধা সৃষ্টি করেনি, আর করবে না। তবে শিল্পীদেরও দায়িত্বশীল হতে হবে। আমরা সবাই জানি, দেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে নানা বিতর্ক আছে। জুলাই মাসের ঘটনা ভুলে যাওয়া উচিত নয়। যদি জনগণ বিজয়ী না হতো, আজ আমরা হয়তো অনেকেই জেলে থাকতাম। যারা গণহত্যা চালিয়েছে, তাদের বিচার হবে। তবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদেরও ছাড় দেওয়া হবে না।”

তিনি আরও বলেন, “দেশের সংস্কৃতি ও শিল্পের বিকাশে কোনো বাধা আসুক, তা আমি চাই না। কিন্তু শিল্পীদেরও এমন কোনো আচরণ করা উচিত নয়, যা সমাজে অস্থিরতা তৈরি করতে পারে।”

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 

 




নতুন স্বাধীনতা উপভোগ করছেন সঙ্গীতশিল্পী ন্যান্সি

দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে সঙ্গীতশিল্পী নাজমুন মুনিরা ন্যান্সি এখন নতুন স্বাধীনতার স্বাদ উপভোগ করছেন। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ ত্যাগের পর থেকেই ন্যান্সির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজের প্রোফাইল ছবিতে দেখা যাচ্ছে লাল ব্যাকগ্রাউন্ডে সাদা অক্ষরে লেখা ‘স্বাধীন’ শব্দটি। ন্যান্সির দাবি, বিএনপি সমর্থক হওয়ায় বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তাকে পেশাগত জীবনে নানা ধরনের বাধার সম্মুখীন হতে হয়েছে।

বর্তমান সময়ের রাজনৈতিক পরিবর্তনকে সামনে রেখে ন্যান্সি ইতোমধ্যে একাধিক নতুন গান রেকর্ড করেছেন এবং স্টেজ শোতে পারফর্ম করেছেন। তিনি জনপ্রিয় গান ‘দুষ্টু কোকিল’ গেয়ে সমসাময়িক শিল্পীদের সঙ্গেও স্টেজ মাতিয়েছেন। ন্যান্সি এখন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের জুরি বোর্ডের মেম্বার হিসেবে কাজ করছেন।

আজ ন্যান্সি তার ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট শেয়ার করেছেন যেখানে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার প্রশংসা করা হয়েছে। পোস্টে বলা হয়, “রাজনীতি কীভাবে করতে হয়, এই মানুষটা আমাদের সামনে সেই উদাহরণ স্থাপন করেছেন।” তিনি আরও বলেন, “খালেদা জিয়া বিদেশে নিরাপদ জীবন ছেড়ে দেশের কারাগারে ফিরে এসেছেন। তিনি কখনও আপোস করেননি, বরং দেশের মাটিতে থেকে জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছেন।”

পোস্টের মাধ্যমে ন্যান্সি খালেদা জিয়ার দৃঢ় মনোবলের প্রশংসা করে বলেন, “এই দেশ হাসিনাকে মনে রাখবে একজন স্বৈরাচারী শাসক হিসেবে, আর খালেদা জিয়াকে মনে রাখবে আপোষহীন গণতন্ত্রের নেত্রী হিসেবে।”

সূত্র : মূল পোস্ট সাদিকুর রহমান খানের
মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




নাচের মঞ্চে ইতিহাস গড়লেন স্টিভ জায়রা, জয় করলেন ‘ইন্ডিয়াস বেস্ট ড্যান্সার’ সিজন ৪

ছোটবেলায় হাঁটার ক্ষমতা না থাকা স্টিভ জায়রা এবার টিভি রিয়েলিটি শো ‘ইন্ডিয়াস বেস্ট ড্যান্সার’-এর চতুর্থ সিজনের চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন। রোববার (১০ নভেম্বর) রাতে অনুষ্ঠিত এই গ্র্যান্ড ফিনালে স্টিভ জয় ছিনিয়ে নেন বিচারকদের মন ও দর্শকদের ভালোবাসা।

পুরস্কার হিসেবে স্টিভ জায়রা পেয়েছেন ১৫ লাখ রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২১ লাখ ৩৬ হাজার টাকা)। পাশাপাশি, তিনি একটি ট্রফি ও একটি বিলাসবহুল গাড়িও উপহার হিসেবে গ্রহণ করেছেন।

বিজয়ী হওয়ার পর হিন্দুস্তান টাইমসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে স্টিভ বলেন, “যখন আমি আমার যাত্রা এবং ট্রফি বিজয়ের মুহূর্তগুলো মনে করি, সত্যিই গা শিউরে ওঠে। কঠোর পরিশ্রম ও আত্মত্যাগ আমাকে এই সাফল্যের পথে নিয়ে এসেছে। কঠোর পরিশ্রম কখনোই বৃথা যায় না। সত্যিই, ধৈর্যের ফল মিষ্টি।”

স্টিভ আরও জানান, “ছোটবেলায় আমি ঠিকমতো হাঁটতে পারতাম না। আমার মা এবং নানি আমাকে হাঁটতে শিখিয়েছেন। সেই ছেলেটি আজ নিজের ফুটওয়ার্ক দিয়ে পরিচিত হয়েছে, এটা এক অবিশ্বাস্য যাত্রা। আমার মা ও নানির অনুপ্রেরণা ছাড়া আমি আজ এই জায়গায় পৌঁছাতে পারতাম না।”

এই আসরে স্টিভ ছাড়াও ফাইনালে প্রতিযোগিতা করেছেন হর্ষ কেশরী, নেক্সশন, নেপো, আকাঙ্ক্ষা মিশ্রা (আকিনা) এবং আদিত্য মালব্য। বিচারকের আসনে ছিলেন বলিউড তারকা কারিশমা কাপুর, গীতা কাপুর ও টেরেন্স লুইস। শোটি সঞ্চালনা করেন জয় ভাঁনসালি ও অঙ্কিতা চৌহান।

স্টিভের এই জয়ের মাধ্যমে প্রমাণিত হলো যে, শারীরিক চ্যালেঞ্জ থাকলেও ইচ্ছাশক্তি ও পরিশ্রম দিয়ে যেকোনো লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব।

সুত্র : হিন্দুস্তান টাইমস
মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



‘বঙ্গবন্ধু ফিল্ম সিটি’র নাম পরিবর্তন, প্রস্তাবিত নাম ‘বাংলাদেশ ফিল্ম সিটি’

গাজীপুরের কবিরপুরে অবস্থিত দেশের বৃহত্তম ‘বঙ্গবন্ধু ফিল্ম সিটি’র নাম পরিবর্তন হতে যাচ্ছে। নতুন নাম হিসেবে প্রস্তাব করা হয়েছে ‘বাংলাদেশ ফিল্ম সিটি’। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ৫ আগস্ট বিএফডিসি (বাংলাদেশ ফিল্ম ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন) কর্তৃপক্ষ দেশের এই বৃহৎ ফিল্ম সিটির নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব দেয়।

(১০ নভেম্বর) বিকেলে ফিল্ম সিটির ইনচার্জ নাসির উদ্দিন জানান, “নাম পরিবর্তনের প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে, তবে এখনও চূড়ান্ত অনুমোদন হয়নি। নতুন নাম হবে ‘বাংলাদেশ ফিল্ম সিটি’। এফডিসি থেকে নির্দেশনা রয়েছে কবিরপুরস্থ ফিল্ম সিটিকে ‘বাংলাদেশ ফিল্ম সিটি’ নামে পরিচয় দেওয়ার জন্য।”

১৯৮০ সালে এই ফিল্ম সিটির পরিকল্পনা শুরু হয় এবং প্রাথমিকভাবে এর নাম ছিল ‘বাংলাদেশ ফিল্ম সিটি’। পরবর্তীতে ২০১৫ সালে এর নাম পরিবর্তন করে ‘বঙ্গবন্ধু ফিল্ম সিটি’ রাখা হয়েছিল। তবে ৫ আগস্টের পর নতুন প্রেক্ষাপটে নামটি পুনরায় পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

৩৮৭ কোটি ৯১ লাখ টাকা ব্যয়ে ১০৫ একর (৩১৭ বিঘা) জমির উপর নির্মিত ফিল্ম সিটিতে শিল্পীদের শুটিংয়ের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা থাকবে। এখানে থাকবে অত্যাধুনিক শুটিং স্পট, ফ্লোর, ভিএফএক্স স্টুডিও এবং অন্যান্য যন্ত্রপাতি। পুরো প্রকল্পের কাজ ২০২৮ সালে সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টদের আশা করছেন, ফিল্ম সিটি পুরোপুরি চালু হলে দেশের চলচ্চিত্র নির্মাণে মান উন্নত হবে এবং শুটিংয়ের জন্য বিদেশের ওপর নির্ভরতা কমবে। এই উন্নয়ন চলচ্চিত্রপ্রেমী দর্শকদের সিনেমা হলে আগ্রহ বাড়াবে এবং দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করবে। পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয়ও হবে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



ফারুকী হলেন উপদেষ্টা, তিশার উচ্ছ্বাসে ভাসল সোশ্যাল মিডিয়া

দেশের জনপ্রিয় নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী নতুন উপদেষ্টা হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন। রোববার (১০ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টা ৩৭ মিনিটে বঙ্গভবনের দরবার হলে রাষ্ট্রপতি তাকে শপথবাক্য পাঠ করান। শপথ নেওয়ার পরই তিনি সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান।

নতুন দায়িত্ব পেয়ে ফারুকী তার প্রতিক্রিয়ায় জানান, “এটা আমার জন্য এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা। কোনো দিন ভাবিনি কোনো পদ বা চেয়ারে বসব। তবে প্রফেসর ইউনূসের সহকর্মী হওয়াটা আমার জন্য বেশ লোভনীয় ছিল, তাই না বলতে পারিনি।”

ফারুকী আরও বলেন, “আমার দায়িত্বকালে কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারলে সেটা হবে আমার বড় অর্জন। আর কোথাও ভুল হলে আশা করি সবাই তা আমাকে ধরিয়ে দেবেন, আমি সেগুলো স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করব।”

নতুন দায়িত্বে ফারুকীর এই অর্জনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন তার স্ত্রী, অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশা। শপথ গ্রহণের মুহূর্তের একটি ভিডিও ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করে তিশা লেখেন, “নতুন পথচলার জন্য অভিনন্দন মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। আলহামদুলিল্লাহ।” ভিডিওটি পোস্ট করার পরই নেটিজেনদের শুভেচ্ছার বন্যা শুরু হয়। মাত্র এক ঘণ্টায় ভিডিওটিতে সাড়ে ৫ হাজারের বেশি রিঅ্যাকশন এবং অসংখ্য শুভেচ্ছা বার্তা জমা হয়।

এদিন ফারুকী ছাড়াও আরও দুজন উপদেষ্টা শপথ নিয়েছেন—প্রখ্যাত ব্যবসায়ী শেখ বশির উদ্দিন এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মাহফুজ আলম।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



দেশে ফিরলেন সংগীতশিল্পী বেবী নাজনীন, রাজনীতিতে সক্রিয় থাকার ঘোষণা

দীর্ঘদিন পর যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরলেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী বেবী নাজনীন। রবিবার (১০ নভেম্বর) সকালে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর বিএনপিকর্মী ও গণমাধ্যমকর্মীদের শুভেচ্ছায় সিক্ত হন তিনি। এ সময় বিএনপির কর্মীরা স্লোগানে তাকে স্বাগত জানালেও বেবী নাজনীন কারো কাছ থেকে কোনো ফুলের তোড়া গ্রহণ করেননি। তিনি জানান, “ফুল নয়, শুভেচ্ছাই যথেষ্ট।”

ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করার পর গণমাধ্যম ও বিএনপিকর্মীদের ঘিরে ধরলে বেবী নাজনীন বলেন, “আমি রাজনীতির সঙ্গেই আছি, মিডিয়াকর্মী হিসেবে আছি।” তিনি আরও বলেন, “জুলাই-আগস্টের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহিদ ছাত্রজনতার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশের মানুষ এখন মুক্তভাবে নিঃশ্বাস নিতে পারছে, কথা বলতে পারছে স্বাধীনভাবে।”

বেবী নাজনীন স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, “যে স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা নিয়ে ছাত্র-জনতা স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে, সেই স্বপ্ন পূরণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের যোগ্য উত্তরসূরী তারেক রহমানের নেতৃত্বে কাজ করতে হবে।” তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্বে প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইউনুসের মতো বিশ্ববরেণ্য ব্যক্তিত্বের থাকার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনা করে বেবী নাজনীন বলেন, “তিনবারের সফল প্রধানমন্ত্রী, দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি।”

সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বেবী নাজনীন জানান, “আমি সবসময় রাজনীতির সঙ্গেই আছি। মিডিয়াকর্মী হিসেবে আপনাদের সঙ্গেও আছি। দেশে ফিরে আসার পর পরিকল্পনার কথা পরে জানাব।”

বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশনের তালিকাভুক্ত সংগীতশিল্পী বেবী নাজনীন সাড়ে চার দশকের ক্যারিয়ারে আধুনিক সংগীতের অর্ধশতাধিক একক অ্যালবামসহ অসংখ্য দ্বৈত অ্যালবামে গান গেয়েছেন। প্রবাস জীবনে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন আয়োজনে বাংলা গান গেয়ে প্রবাসী বাঙালিদের মন জয় করেছেন তিনি। ভারতীয় সংগীতশিল্পী আশা ভোঁসলে, বাপ্পি লাহিড়ী, কুমার শানু এবং কবিতা কৃষ্ণমূর্তির সঙ্গেও তার একাধিক অ্যালবাম রয়েছে। শ্রোতাদের কাছে ‘ব্লাক ডায়মন্ড’ নামে সমাদৃত এই শিল্পী বাংলাদেশ অডিও ইন্ডাস্ট্রিতে এক অনন্য নাম।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



জন্মদিনে ২৫ কেক কাটলেন বিদ্যা সিনহা মিম, ভক্তদের ভালোবাসায় সিক্ত

জন্মদিনের দিনটি ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়িকা বিদ্যা সিনহা মিমের জন্য ছিল বিশেষভাবে উৎসবমুখর। ১০ নভেম্বর, রোববার ৩২ বছরে পা রেখেছেন এই অভিনেত্রী। বিশেষ দিনটি সাদামাটা আয়োজনেই উদযাপন করলেও ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের ভালোবাসায় ভরপুর ছিল মিমের জন্মদিন।

মিম নিজেই জানিয়েছেন, “রাত ১২টা থেকে শুরু করে বিকেল পর্যন্ত প্রায় ২৫টির মতো কেক কেটেছি। একের পর এক সারপ্রাইজ পেয়েছি, সবাইকে ধন্যবাদ জানাই।” ঘনিষ্ঠ বন্ধু, সহকর্মী এবং পরিবারের সঙ্গে একাধিক কেক কাটার মাধ্যমে দিনটি উদযাপন করেন তিনি।

মিম আরও বলেন, “জন্মদিনের প্রথম প্রহর থেকেই ভালোবাসায় ভাসছি। বাসায় ফেরার পরও নতুন নতুন কেক আসছে, জানি না আরও কয়টা কেক কাটতে হবে!” বিশেষ সারপ্রাইজ হিসেবে রিমার্ক-হারল্যান প্রতিষ্ঠান থেকে একটি বিশাল সাইজের কেক নিয়ে তাকে শুভেচ্ছা জানানো হয়।

২০০৭ সালে ‘লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার’ প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়ে বিনোদন জগতে প্রবেশ করেন মিম। একই বছর হুমায়ুন আহমেদ পরিচালিত ‘আমার আছে জল’ সিনেমার মাধ্যমে রুপালি পর্দায় অভিষেক হয় তার। এরপর ‘জোনাকির আলো’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য ৩৯তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার পান তিনি।

তার সাম্প্রতিক চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে ‘পরাণ’ বক্স অফিসে উল্লেখযোগ্য সফলতা অর্জন করে। এছাড়াও, ‘দামাল’ ও ‘অন্তর্জাল’ সিনেমাগুলোতে মিমের অভিনয় দর্শকদের নজর কেড়েছে।

শুধু অভিনেত্রী হিসেবেই নয়, লেখক হিসেবেও মিম সমাদৃত। ২০১২ সালের অমর একুশে গ্রন্থমেলায় প্রকাশিত হয় তার প্রথম গল্পের বই ‘শ্রাবণের বৃষ্টিতে ভেজা’। ২০১৩ সালের বইমেলায় প্রকাশিত হয় তার উপন্যাস ‘পূর্ণতা’।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



অভিষেকের কাছে ক্ষমা’ চাইলেন ঐশ্বর্যা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: বলিউডের অলিগলিতে কান পাতলে শোনা যাচ্ছে অভিষেক বচ্চন এবং ঐশ্বর্যা রাই বচ্চনের সম্পর্কের টালমাটাল অবস্থা। ভাঙতে চলেছে তাঁদের সাধের সংসার। যদিও অভিষেক বা ঐশ্বর্যা, প্রকাশ্যে এখনও এই নিয়ে কেউই মুখ খোলেননি। বিভিন্ন জায়গায় তাঁদের দেখা পেলেই পাপারাৎজিরা একটাই প্রশ্ন করে বসছেন। তবে কি সত্যি হচ্ছে তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ?

২০০৭ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন অভিষেক বচ্চন এবং ঐশ্বর্যা রাই বচ্চন। বলিপাড়ায় রটেছে তাঁদের ১৬ বছরের দাম্পত্য নাকি ভাঙতে বসেছে। বলিউড নায়িকা নিমরত কৌরের সঙ্গে জুনিয়র বচ্চনের ঘনিষ্ঠতার জেরেই দাম্পত্যে ফাটল, এমনটা শোনা যাচ্ছিল। তাঁরা বরাবরই বলে এসেছেন একে অপরের সঙ্গে সংসার করতে ভালোবাসেন। কিন্তু একটা সময়ের পর ঘটে ছন্দপতন। একের পর এক বিচ্ছেদের জল্পনায় জেরবার হতে দেখা যায় জুটিকে। যদিও নিজেদের ব্যক্তি সম্পর্ক নিয়ে কোনওদিন মুখ খুলতে পছন্দ করেন না তাঁরা।