তৌহিদ আফ্রিদির বিয়ে নিয়ে সরাসরি মন্তব্য, জানালেন আসল সত্য

কয়েকদিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়া ও অনলাইন মাধ্যমে ইউটিউবার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদির বিয়ের কিছু ছবি ভাইরাল হয়েছে। ছবিতে তৌহিদ আফ্রিদি ও রাইসাকে বিয়ের সাজে দেখা গেছে। তবে বিষয়টি নিয়ে নানা গুঞ্জনের পর এবার সরাসরি বক্তব্য দিলেন তৌহিদ আফ্রিদি। তিনি নিশ্চিত করেছেন, রাইসার সাথে তার কাবিন হয়েছে, তবে বিয়ের মূল অনুষ্ঠান এখনও বাকি।

তৌহিদ আফ্রিদি জানান, “অনেকেই অনলাইনে দেখেছেন আমি গোপনে বিয়ে করেছি, কিন্তু আসলে তা নয়। বিয়ের কাবিন হয়েছে এবং এতে দুই পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠজনরা উপস্থিত ছিলেন। তবে মূল বিবাহোত্তর সংবর্ধনার আয়োজন পরবর্তীতে করা হবে। আমি তো দেখতে গিয়েই বিয়ে করেছি।”

তৌহিদ আরও বলেন, “আমার স্ত্রীর বোন টিকটক করেন এবং দু’জনের চেহারায় অনেকটাই মিল রয়েছে। তাই অনেকে বিভ্রান্ত হয়ে রাইসাকে টিকটকার মনে করছেন।” আফ্রিদির বন্ধুরা জানিয়েছেন, রাইসা দেশের একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেছেন। তাদের বিয়ে হয়েছে দুই পরিবারের সম্মতিতে এবং ঘরোয়া পরিবেশে।

তৌহিদ আফ্রিদির সাম্প্রতিক সোশ্যাল মিডিয়া কার্যক্রম কমে যাওয়ার পেছনে নানা গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। বিশেষ করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় আওয়ামী লীগের পক্ষে কাজ করার কথাও শোনা গিয়েছে। তবে এসব গুঞ্জনকে পাশ কাটিয়ে এবার বিয়ের বিষয়টি সামনে এলো।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




যুক্তরাষ্ট্রের আগে শুক্রবার বাংলাদেশে মুক্তি পাচ্ছে ‘গ্লাডিয়েটর ২’

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: হলিউডের সাড়া জাগানো সিনেমা ‘গ্লাডিয়েটর’। দেখে থাকলে মহাকাব্যিক গল্পের এই সিনেমার কথা ভুলে যাওয়া সম্ভব নয়।

২০০০ সালে মুক্তি পাওয়া সিনেমাটি যেমন বক্স অফিসে সাফল্য পেয়েছিল, তেমনি অর্জন করেছে তুমুল প্রশংসা আর মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার।
৪৬০ মিলিয়ন ডলারের বেশি আয় করে সিনেমাটি।

অস্কারে ১২টি মনোনয়ন পায় এবং সেরা চলচ্চিত্রসহ পাঁচটি অস্কার জয় করে। সুখবর হলো, দুই যুগ পর পর্দায় আসছে এই সিনেমার দ্বিতীয় কিস্তি ‘গ্লাডিয়েটর ২’।

আগামী ২২ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে মুক্তি পাবে সিনেমাটি। বাংলাদেশের দর্শকদের চমকপ্রদ খবর হলো, যুক্তরাষ্ট্রের আগে বাংলাদেশের দর্শকরা সিনেমাটি দেখার সুযোগ পাবেন।

বাংলাদেশের স্টার সিনেপ্লেক্সে এটি মুক্তি পাবে শুক্রবার (১৫ নভেম্বর)।
অ্যাকশন আর আবেগের মিশেলে নির্মিত রাসেল ক্রো, হোয়াকিন ফিনিক্স অভিনীত সিনেমাটিকে এই শতকের অন্যতম সেরা সিনেমার একটি মনে করা হয়। ২৪ বছর পর রিডলি নিয়ে আসছেন সেই সিনেমার সিক্যুয়েল ‘গ্লাডিয়েটর ২’।




তৌহিদ আফ্রিদির বিয়ের ছবি ভাইরাল, স্ত্রীর নাম রাইসা

গতরাতে সামাজিক মাধ্যমে হঠাৎ করেই ছড়িয়ে পড়ে তৌহিদ আফ্রিদির বেশকিছু বিয়ের ছবি, যেখানে তাকে কনের সঙ্গে দেখা যায়। ছবিগুলোতে তৌহিদ আফ্রিদি ও তার কনে একসঙ্গে যৌথ ছবি তোলা, আহার অনুষ্ঠানসহ নানা মুহূর্তে একে অপরের সঙ্গে দেখা গেছে। এমনকি বধূবরণ করতেও তাকে দেখা যায়।

তবে আফ্রিদির সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে এই বিয়ের বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বা হালনাগাদ পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, ভাইরাল হওয়া ছবিগুলো এসেছে টিকটক থেকে, কারণ তার স্ত্রীর নাম রাইসা এবং তিনি টিকটকে জনপ্রিয়।

অনেকদিন ধরেই তৌহিদ আফ্রিদি এবং রাইসার প্রেমের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল। তবে বিষয়টি তৌহিদ আফ্রিদি উড়িয়ে দিলেও, এবার বিয়ের ছবি প্রকাশ পাওয়ার পর নেটিজেনদের মনে কোনো সন্দেহ থাকছে না।

এখন পর্যন্ত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি যে, ছবিগুলো কবে তোলা হয়েছে এবং বিয়েটি কখন হয়েছে। আফ্রিদির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি। তবে জানা গেছে, দুই পরিবারের সম্মতিতে এই বিয়েটি সম্পন্ন হয়েছে এবং বর্তমানে তারা একসঙ্গে আছেন।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



পার্বতী থিরুভোথু: “জয়া আহসান একজন তুখোড় অভিনেত্রী”

দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী পার্বতী থিরুভোথু সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তার সহকর্মী, দুই বাংলার নন্দিত অভিনেত্রী জয়া আহসানকে প্রশংসিত করেছেন। মালয়ালম সিনেমা ‘থাঙ্গালান’-এ গ্ল্যামারহীন রূপে অভিনয় করে দর্শকদের প্রশংসা অর্জন করা পার্বতী, জয়ার সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে গিয়ে বলেছেন, “জয়া অভিনেত্রী হিসেবে তুখোড়। আমরা শুটিংয়ের সময় বেশ ভালো সময় কাটিয়েছি এবং ভবিষ্যতে তার সঙ্গে আরও কাজ করার ইচ্ছে রয়েছে।”

জয়া আহসান এবং পার্বতী থিরুভোথু একসঙ্গে অভিনয় করেছেন বলিউডের ওয়েব ফিল্ম ‘কড়ক সিং’-এ। ছবিটি মুক্তির পর থেকেই দর্শকদের মন জিতে নিয়েছে। পার্বতী জয়ার সঙ্গে শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন এবং তার অভিনয়ের গুণাবলীকে সপ্রশংসে তুলে ধরেছেন।

পার্বতী তার নতুন ছবি ‘থাঙ্গালান’ নিয়ে বলেন, “এখানে গ্ল্যামারাস চরিত্রে অভিনয় না করলেও ছবিতে আমার মেকআপ করতে অনেক বেশি সময় লেগেছে। প্রতিদিন প্রায় আড়াই ঘণ্টা মেকআপের পেছনে সময় দিতাম। তাপমাত্রা ছিল অত্যন্ত উচ্চ, তবে পরিচালক চান যে তাপের মধ্যে শুটিং করানো হোক, তাই আমাদের কৃষিকাজও করতে হয়েছে। এই অভিজ্ঞতা একদম আলাদা ছিল এবং ছবির লুক আমার কাছে দারুণ ভালো লেগেছে।”

দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমায় দাপটের সঙ্গে কাজ করা পার্বতী বলিউডের ছবিতে খুব কমই দেখা দেন। তিনি বলেন, “আমি হিন্দি ছবিতে কাজ করতে চাই, কিন্তু আমাকে ডাকা হয় না। দক্ষিণি শিল্পীদের মধ্যে কিছু সমস্যা থাকে, কিন্তু আমি তো ছোট থেকেই হিন্দি শিখেছি। বাবা আর্মিতে ছিলেন, তাই আমি উত্তর ভারতীয়দের সঙ্গে হিন্দিতে কথা বলেছি।”

পার্বতী বলেন, “‘করিব করিব সিঙ্গেল’ ছবিটি আমার হৃদয়ে বিশেষ স্থান পেয়ে আছে। এই ছবিতে আমার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি ছিল ইরফান খানের সঙ্গে অভিনয় করা। তার সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা ছিল দুর্দান্ত, কারণ তিনি ছিলেন এক উদার মনের মানুষ।”

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



ফেসবুকে ছড়ানো স্ক্রিনশট নিয়ে অবস্থান পরিষ্কার করলেন শবনম ফারিয়া

ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া আজ সকাল থেকে একটি স্ক্রিনশট নিয়ে ফেসবুকে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপে ভাইরাল হওয়া ওই স্ক্রিনশটে ছাত্র-জনতার আন্দোলন এবং রাজনীতির ব্যাপারে প্রশ্ন তোলা হয়েছিল। বিষয়টি তার চোখে পড়তেই তিনি নিজের অবস্থান পরিষ্কার করতে ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট দেন।

ফারিয়া পোস্টে লেখেন, “আমি গত ৩ দিন ধরে জ্বরে আক্রান্ত। আমি কোনো স্ট্যাটাস পোস্ট করিনি, বিশেষভাবে রাজনীতিবিষয়কও না। এই পোস্টটি সম্পূর্ণ এডিটেড এবং আমার কোনো সম্পর্ক নেই।” তিনি আরও বলেন, “এটার সাথে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।”

ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া স্ক্রিনশটটির মধ্যে ছিল একটি বড় বক্তব্য, যেখানে শবনম ফারিয়া দাবি করেন, ৫ আগস্ট যে স্বাধীনতার উদযাপন হয়েছিল, তা কি সত্যিই পাওয়া গেছে? তিনি ওই পোস্টে লেখেন, “আমরা তো ছাত্র-জনতার পক্ষে রাস্তায় নেমেছিলাম, কিন্তু এখন প্রশ্ন উঠছে, আমাদের কি ধোঁকা দেওয়া হয়েছিল?”

ফারিয়া আরও লেখেন, “কিছু কুচক্রী মহল এডিট করে আমার নামে পোস্ট চালাচ্ছে, যাতে আমি কিছু বলতে পারি।” তিনি এই বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “এটা এমন একটি পরিস্থিতি, যেখানে সবার মুখ বন্ধ করে রাখা হচ্ছে।”

এছাড়া, ফারিয়া নিজের ফেসবুক পেজে এও লিখেছেন, “যারা মনে করছেন আমি এই পোস্ট দিয়েছি, তাদেরকে বলছি, তারা খুশি না থাকেন। গত ১৫ বছরে বহু পোস্ট ডিলিট করতে হয়েছে।” শেষ পর্যন্ত তিনি বলেন, “স্ট্যাটাস দেওয়ার পর পাঁচ মিনিটের মধ্যে কল এসে বলেছে, ‘আপা ডিলিট করেন, সমস্যা হবে।'”

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



শক্তি ও সৌন্দর্য ধরে রাখতে যোগাসনে মগ্ন বুবলী

ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শবনম বুবলী, যিনি তার অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকদের মন জয় করেছেন, এখন শারীরিক সুস্থতা এবং সৌন্দর্য ধরে রাখতে নিয়মিত যোগাসন করছেন। তিনি বহুবার তার ফিটনেস এবং শরীরের যত্ন নেওয়ার বিষয়ে কথা বলেছেন। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক ভিডিও প্রকাশ করেছেন, যেখানে তাকে একটি স্নিগ্ধ সকালে যোগাসন করতে দেখা গেছে।

ভিডিওটির ক্যাপশনে বুবলী লিখেছেন, ‘ইয়োগা ইজ নট অ্যা ওয়ার্ক আউট। ইট ইজ অ্যা ওয়ার্ক ইন।’ এর মানে হল, যোগাসন শুধুমাত্র এক ধরনের শারীরিক কসরত নয়, বরং এটি শরীরের সাথে মনকেও সংযুক্ত রাখার একটি পদ্ধতি।

ভিডিওতে দেখা যায়, বুবলী সকালের মিষ্টি রোদে জানালার পাশে আসন পেতে যোগাসন করছেন। পরনে রয়েছে ডার্ক মেরুন ব্রাউন রঙের লেগিংস এবং স্পোর্টস টিশার্ট, আর হাতে-পায়ে শূন্যে মেলে ধরে যোগাসন করছেন তিনি। একই সঙ্গে, বুবলী তার ফেসবুক পেজে যোগাসনের আরও কয়েকটি ছবি শেয়ার করেছেন, যেখানে তাকে কার্পেটের ওপর বসে বিভিন্ন আসন করতে দেখা যায়।

অভিনয় প্রতিভার পাশাপাশি বুবলী তার সৌন্দর্য্য নিয়েও বেশ আলোচিত। ভিডিওটি প্রকাশের পর, তার ভক্তরা এবং শুভাকাঙ্ক্ষীরা তার পরিশ্রমের প্রশংসা করেছেন এবং তার সৌন্দর্য্য সম্পর্কে নানা মন্তব্য করেছেন।

এটি শুধুমাত্র শারীরিক সুস্থতার বিষয় নয়, শবনম বুবলী গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, যোগব্যায়াম তাকে মানসিকভাবে ভালো রাখতে সাহায্য করে। তিনি আরও জানান, নিয়মিত যোগব্যায়াম করলে বিষণ্ণতা এবং মন খারাপ এড়ানো সম্ভব হয়, এবং শরীর সুস্থ থাকার পাশাপাশি মনও ভালো থাকে।

প্রতিদিন এক ঘণ্টা সময় দিয়ে যোগাসন করতে অভ্যস্ত এই অভিনেত্রী। বর্তমানে তিনি প্রায় ৩০টি যোগাসন আয়ত্ত করেছেন এবং মনে করেন, শরীরের গতিবিধির পাশাপাশি শ্বাসপ্রশ্বাসের দিকেও বিশেষ মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



আসিফ আকবরের গানে মডেল হলেন ভাইরাল ফারজানা সিঁথি

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে প্রতিবাদী ভূমিকা ও সেনা কর্মকর্তার সঙ্গে বিতর্কে জড়িয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ফারজানা সিঁথি এবার নতুন চমক নিয়ে হাজির হলেন। বাংলা গানের যুবরাজ আসিফ আকবরের নতুন মিউজিক ভিডিওতে মডেল হিসেবে দেখা যাবে তাকে।

সম্প্রতি আসিফ আকবর তার ফেসবুক পোস্টে সিঁথির সঙ্গে একটি ছবি শেয়ার করে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। পোস্টে দেখা যায়, সিঁথি ও তরুণ সংগীতশিল্পী শেখ সাদীর সঙ্গে মিউজিক ভিডিওর একটি মুহূর্ত। গানটিতে আসিফের সঙ্গে কণ্ঠ দিয়েছেন বলিউডের জনপ্রিয় শিল্পী নিকিতা গান্ধী।

গানটির কথাগুলোতে ফুটে উঠেছে নিটোল প্রেমের ছোঁয়া—“ইচ্ছেরা আজ ইচ্ছেরা যেন মেলেছে ডানা, মন খুশির কারণটা আজ কেন লাগছে অজানা, ভালোবাসার তাজমহলে খুলে গেছে সিংহদ্বার।” এ গানটি বাংলা ও হিন্দি দুই ভাষায় প্রকাশ পাবে বলে জানিয়েছেন আসিফ। মুম্বাইয়ের মিউজিক ডিরেক্টর রাজীব রয় চৌধুরীর সুরে এই গানটির শুটিং হবে গাজীপুরের শালদহ ইকো রিসোর্টে।

আসিফ আকবর জানান, “জেন-জি প্রজন্মের ফারজানা সিঁথি এবং শেখ সাদীকে মডেল হিসেবে নির্বাচন করেছি, কারণ এদের সঙ্গে গানের আবেগ পুরোপুরি মিলে যায়। গানের ভিডিও পরিচালনা করবেন সৌমিত্র ঘোষ ইমন।”

আসিফ আকবরের ফেসবুকে সিঁথির সঙ্গে ছবি প্রকাশের পর নেটিজেনরা নানা মন্তব্যে ভরিয়ে দিয়েছেন পোস্টটি। তবে সমালোচনার জবাবে আসিফ তার স্বভাবসুলভ হাস্যরসে ভরা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।

আসিফের এই নতুন উদ্যোগে সিঁথি এবং সাদীর সঙ্গে মিউজিক ভিডিওটি কেমন সাড়া ফেলে সেটাই এখন দেখার বিষয়।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



শাহরুখ খানকে হত্যার হুমকি, ছত্তিশগড় থেকে গ্রেপ্তার আইনজীবী

বলিউড সুপারস্টার শাহরুখ খানকে হত্যার হুমকির অভিযোগে ছত্তিশগড়ের রায়পুর থেকে ফয়জান খান নামে এক আইনজীবীকে গ্রেপ্তার করেছে মুম্বাই পুলিশ। শাহরুখের জন্মদিনের কয়েকদিন পরেই বান্দ্রা থানায় অজ্ঞাত পরিচয় থেকে ফোন আসে, যেখানে কিং খানকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি এবং ৫০ লক্ষ টাকা দাবি করা হয়।

মুম্বাই পুলিশের কাছে এই হুমকির ফোন আসার পর তারা তাৎক্ষণিক তদন্ত শুরু করে। তদন্তে জানা যায়, রায়পুরের একটি নম্বর ব্যবহার করে এই হুমকি দেওয়া হয়েছে। এরপর পুলিশের বিশেষ দল রায়পুরে গিয়ে পান্দ্রি থানা এলাকার ফয়জান খানকে গ্রেপ্তার করে। তবে ফয়জান দাবি করেছেন, তার ফোনটি হারিয়ে গিয়েছিল এবং এই হুমকির পেছনে তার কোনো হাত নেই।

গ্রেপ্তারের পর ফয়জান খান জানান, “আমার ফোন নম্বর থেকে হুমকি কল করা হলেও আমি নিজে এই কাজ করিনি। কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে আমার ফোন নম্বর ব্যবহার করে আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করেছে। এটি নিছক ষড়যন্ত্র।”

উল্লেখ্য, এর আগেও ফয়জান খান ‘আনজাম’ সিনেমার একটি সংলাপ নিয়ে শাহরুখ খানের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছিলেন, যা বিষ্ণোই সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হেনেছিল বলে তিনি দাবি করেন।

পুলিশ সুপার (সিএসপি-সিভিল লাইনস) অজয় কুমার জানান, “ফয়জান তার ফোনটি হারিয়েছে বলে দাবি করেছেন। তবে বিষয়টি নিয়ে আরও তদন্ত চলছে।” মুম্বাই পুলিশ বর্তমানে ফয়জানের ফোনের কল রেকর্ড এবং অন্যান্য তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখছে, যাতে প্রকৃত দোষীকে খুঁজে বের করা যায়।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



বরেণ্য অভিনেতা মনোজ মিত্র আর নেই

ভারতীয় বাংলা সিনেমার কিংবদন্তি অভিনেতা ও নাট্যকার মনোজ মিত্র আর নেই। মঙ্গলবার সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে কলকাতার সল্টলেকের একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর।

তার ভাই অমর মিত্র গণমাধ্যমকে জানান, “সোমবার রাতে তার শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সংকটজনক হয়ে পড়ে। মঙ্গলবার সকালে তিনি পৃথিবী থেকে বিদায় নেন।”

সেপ্টেম্বর মাসে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে মনোজ মিত্রকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বুকের ব্যথার কারণে তিনি কয়েকদিন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেন। তবে বাড়িতে চিকিৎসা চলাকালীন অবস্থায়ও তাকে বিভিন্ন যন্ত্রের সাহায্যে বাঁচিয়ে রাখা হয়েছিল। গত মাসে ফের অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ক্যালকাটা হার্ট ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়, সেখানেই তার জীবনাবসান ঘটে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, মনোজ মিত্র হৃদরোগসহ নানা জটিল সমস্যায় ভুগছিলেন। বিশেষ করে, অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ, ক্রিয়েটিনিন এবং সোডিয়াম-পটাশিয়ামের ভারসাম্যহীনতায় তার শারীরিক অবস্থা দিন দিন খারাপ হচ্ছিল।

মনোজ মিত্র ছিলেন বাংলা থিয়েটার ও চলচ্চিত্রের এক অবিস্মরণীয় নাম। ‘বাঞ্ছারামের বাগান’ ও ‘আদর্শ হিন্দু হোটেল’-এর মতো তার অভিনীত নাটক ও সিনেমা আজও দর্শকদের মুগ্ধ করে। একসময় তার মঞ্চনাটকের জন্য দর্শকরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতেন। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি মঞ্চ ও চলচ্চিত্র থেকে দূরে সরে গিয়েছিলেন।

তার অভিনয় জীবনে তিনি তপন সিনহা, সত্যজিৎ রায়, বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত, বাসু চ্যাটার্জি, তরুণ মজুমদার, শক্তি সামন্ত ও গৌতম ঘোষের মতো প্রখ্যাত পরিচালকদের সঙ্গে কাজ করেছেন। শ্রেষ্ঠ নাট্যকার হিসেবে তিনি পেয়েছেন অসংখ্য পুরস্কার ও সম্মাননা, যা তাকে বাংলা সংস্কৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা দিয়েছে।

১৯৩৮ সালের ২২ ডিসেম্বর বাংলাদেশের খুলনা বিভাগের সাতক্ষীরার ধূলিহার গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন মনোজ মিত্র। দেশভাগের পর পরিবারের সঙ্গে তিনি কলকাতায় চলে আসেন। সেখানে স্কটিশ চার্চ কলেজ থেকে স্নাতক শেষ করে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। ছাত্রজীবনেই তিনি থিয়েটারে যুক্ত হন এবং পরবর্তীতে বাংলা নাটকের এক উজ্জ্বল নক্ষত্রে পরিণত হন।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



“চলাফেরায় অক্ষম স্টিভ এখন ‘ইন্ডিয়া’স বেস্ট ডান্সার’: প্রেরণার এক অনন্য গল্প”

ভারতের আলোচিত রিয়েলিটি শো ‘ইন্ডিয়াস বেস্ট ড্যান্সার’-এর চতুর্থ মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন স্টিভ জিরওয়া। এই জয়ের পর হিন্দুস্তান টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি নিজের শৈশবের সংগ্রাম এবং কঠোর পরিশ্রমের কথা জানিয়ে আবেগপূর্ণ অনুভূতি ব্যক্ত করেছেন।

স্টিভ জিরওয়া, যিনি ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ‘ইন্ডিয়াস বেস্ট ড্যান্সার’ এর চতুর্থ মৌসুমে প্রতিযোগিতা করে শিরোপা জিতেছেন, পুরস্কার হিসেবে ১৫ লাখ রুপি এবং একটি গাড়ি পেয়েছেন। এছাড়া, তার কোরিওগ্রাফার রক্তিম ঠাকুরিয়া পেয়েছেন ৫ লাখ রুপি। বিচারকদের প্যানেলে ছিলেন— কারিশমা কাপুর, গীতা কাপুর ও ট্যারেন্স লুইস। শো-টির চূড়ান্ত প্রতিযোগীদের মধ্যে আরও ছিলেন হার্ষ কেশরী, নেক্সশন, নেপো, আকাঙ্ক্ষা মিশ্র (অকিনা) ও আদিত্য মাল্য।

স্টিভ জিরওয়া ট্রফি হাতে পাওয়ার পর বলেন, “যখন আমি আমার হাতে ট্রফি তুলে নেওয়ার কথা ভাবি, গায়ে কাঁটা দেয়। এটা আমার কঠোর পরিশ্রম ও নিষ্ঠার ফল। কঠোর পরিশ্রম শেষ পর্যন্ত ফল দেয়, এবং কথাতেই তো বলা হয়, ‘ধৈর্যের ফল মিষ্টি’। আমার মনে হয়, এটি সেই সব সংগ্রামের ফল যা আমি ছোটবেলায় পেরিয়েছি। আমি কখনোই আমার কঠোর পরিশ্রমকে বৃথা যেতে দিইনি।”

স্টিভ আরও বলেন, এটি একটি দীর্ঘ সংগ্রামের ফল। এই মুহূর্তটার জন্য আমি বহু দিন ধরে অপেক্ষা করেছি। আমি ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না যে, এই জয় কতটা আনন্দের। আমি এই পুরস্কার মা এবং দাদির হাতে তুলে দেব, কারণ তারা আমাকে সারা জীবনের জন্য শক্তি ও উৎসাহ দিয়েছেন।

স্টিভের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল তার শৈশব, যখন তিনি হাঁটতে পারতেন না। এই কঠিন সময়কে পেছনে ফেলে আজ তিনি ফুটওয়ার্কের জন্য খ্যাতি অর্জন করেছেন। শৈশবের সেই দুঃসহ স্মৃতি নিয়ে স্টিভ বলেন, “যে ছেলে কখনো নিজের পায়ে হাঁটতে পারত না, সে আজ ফুটওয়ার্কের জন্য পরিচিত। আমি এখন মাঝেমধ্যে নিজেও বিশ্বাস করতে পারি না। আমার দাদি ও মা আমাকে সব বাধা কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করেছেন। তাদের শক্তি ও উৎসর্গের কারণেই আমি আজ হাঁটতে ও নাচতে পারি।”

স্টিভের এই জয় শুধু তার জন্য নয়, তার পরিবার এবং সমাজের জন্যও একটি বড় অর্জন। তার গল্প অত্যন্ত অনুপ্রেরণাদায়ক, যেখানে শৈশবের সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে একজন তরুণ শিল্পী বিশ্বব্যাপী খ্যাতি অর্জন করেছেন। স্টিভের মতো তরুণ শিল্পীরা তাদের সংগ্রাম ও আত্মবিশ্বাস দিয়ে শিখিয়ে দেন যে, কঠোর পরিশ্রম ও ধৈর্যের মাধ্যমে জীবনের সবচেয়ে বড় বাধাগুলোও অতিক্রম করা সম্ভব।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম