মেহজাবীনের অভিষেক সিনেমা ‘প্রিয় মালতী’ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে

মডেল ও অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরীর দীর্ঘ অভিনয় ক্যারিয়ারে এবার প্রথমবারের মতো তাকে দেখা যাবে প্রেক্ষাগৃহের বড় পর্দায়। আগামী ২০ ডিসেম্বর মুক্তি পাচ্ছে তার অভিষেক পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘প্রিয় মালতী’। সংবাদ সম্মেলনে এই অভিনেত্রী তার অভিনয়ের শুরুর দিকের চ্যালেঞ্জ এবং অভিজ্ঞতা নিয়ে কথা বলেন।

মেহজাবীন বলেন, “আমার শৈশব-কৈশোর কেটেছে দেশের বাইরে। বাংলা ভাষায় দুর্বল ছিলাম, উচ্চারণ সমস্যাও ছিল। অভিনয়ে নিয়মিত হওয়ার পর তা কাটিয়ে উঠেছি। এই সিনেমা আমার জীবনের একটি বড় মাইলফলক।”

ছবিটির গল্প একটি নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের সংগ্রামী নারী মালতী রানী দাশকে কেন্দ্র করে। মেহজাবীন চরিত্রটিতে নিজের সবটুকু ঢেলে দিয়েছেন বলে জানান। মালতীর জীবনে প্রেম, লড়াই এবং নতুন অধ্যায় শুরু করার গল্পই সিনেমাটির মূল প্রতিপাদ্য।

‘প্রিয় মালতী’ পরিচালনা করেছেন শঙ্খ দাশগুপ্ত, প্রযোজক আদনান আল রাজীব ও রেদওয়ান রনি। সিনেমাটিতে মেহজাবীনের পাশাপাশি অভিনয় করেছেন আজাদ আবুল কালাম, নাদের চৌধুরী, মোমেনা চৌধুরী, শাহজাহান সম্রাট, সমু চৌধুরী, আনিসুল হক বরুন, রিজভী রিজু প্রমুখ।

মুক্তির আগে সিনেমাটি বেশ কিছু আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রশংসিত হয়েছে। তবে এটি দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে প্রথমবার।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন নির্মাতা শঙ্খ দাশগুপ্ত, প্রযোজকরা, এবং অভিনেতা-অভিনেত্রীরা। তারা সবাই সিনেমার ভবিষ্যৎ সাফল্যের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




শফিক রেহমানকে আজীবন সম্মাননা প্রদান করবে সিজেএফবি

বাংলাদেশের প্রথিতযশা সাংবাদিক ও সঞ্চালক শফিক রেহমানকে আজীবন সম্মাননা পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশের বিনোদন সাংবাদিকদের অন্যতম সংগঠন কালচারাল জার্নালিস্টস ফোরাম অব বাংলাদেশ (সিজেএফবি)। আগামী ২৮ ডিসেম্বর (শনিবার) সন্ধ্যায় ঢাকা শেরাটন হোটেলের গ্র্যান্ড বলরুমে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ইটিভি-সিজেএফবি পারফরমেন্স অ্যাওয়ার্ডস-এর ২৩তম আসর, যেখানে এই সম্মাননা তুলে দেওয়া হবে শফিক রেহমানের হাতে।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সিজেএফবির সভাপতি এনাম সরকার। তিনি জানান, দেশের অন্যতম বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল একুশে টিভি এবং সিজেএফবি যৌথভাবে এই অনুষ্ঠানটির আয়োজন করছে।

গত ২২ আসরে সিজেএফবি আজীবন সম্মাননা প্রদান করেছে শাহনাজ রহমত উল্লাহ, সাবিনা ইয়াসমিন, রুনা লায়লা, সৈয়দ আবদুল হাদী, গাজী মাজহারুল আনোয়ার, আলম খান, আজম খান, আতিকুল হক চৌধুরী, আসাদুজ্জামান নূর, আবদুল্লাহ আল মামুন, কবরী সারওয়ার, শবনম, সুচন্দা, সুবর্ণা মুস্তাফা, গোলাম সারওয়ার, জুয়েল আইচ, হুমায়ূন আহমেদ, ইমদাদুল হক মিলন এবং তারিক আনাম খান সহ দেশের শীর্ষস্থানীয় অনেক শিল্পী ও মিডিয়া ব্যক্তিত্বকে।

এছাড়া, এই অনুষ্ঠানে সঙ্গীত, চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন মিডিয়ার বছরের সেরা পারফরমেন্সের ওপর ভিত্তি করে পুরস্কৃত করা হবে দেশবরেণ্য তারকাদের। আয়োজনটি জমকালোভাবে অনুষ্ঠিত হবে এবং দেশের জনপ্রিয় তারকাদের পারফরমেন্স থাকবে বিশেষ আকর্ষণ।

উল্লেখ্য, শফিক রেহমান বাংলাদেশের জনপ্রিয় টিভি অনুষ্ঠান ‘লাল গোলাপ’-এর সঞ্চালক হিসেবে তুমুল জনপ্রিয় ছিলেন। অনুষ্ঠানটি প্রথমে বিটিভি পরে বাংলাভিশনে প্রচারিত হতো এবং ব্যাপক দর্শকপ্রিয়তা অর্জন করেছিল। গত আট বছর বিদেশে থাকার কারণে তিনি এই অনুষ্ঠান উপস্থাপন করতে পারেননি, তবে সম্প্রতি দেশে ফিরে আসার পর ‘লাল গোলাপ’ অনুষ্ঠানটি আবারও টিভি পর্দায় ফিরেছে।

“মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম”



কিংবদন্তি তবলাবাদক উস্তাদ জাকির হুসেন আর নেই

ভারতের কিংবদন্তি তবলাবাদক ও সংগীতজ্ঞ উস্তাদ জাকির হুসেন আর নেই। রোববার (১৫ ডিসেম্বর) সান ফ্রান্সিসকোর একটি হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। সংগীতের জাদু দিয়ে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পাওয়া এই বিশিষ্ট তবলাবাদক শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় গত দুই সপ্তাহ ধরে ভেন্টিলেটরে ছিলেন।

উস্তাদ জাকির হুসেন দীর্ঘদিন ধরে রক্তচাপজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন। তার হৃদযন্ত্রে সমস্যা দেখা দিলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল, তবে শেষ পর্যন্ত তিনি সুস্থ হয়ে উঠতে পারেননি।

১৯৫১ সালে মুম্বাইয়ে জন্মগ্রহণ করা জাকির হুসেনের বাবা উস্তাদ আল্লা রাখাও ছিলেন একজন প্রখ্যাত তবলাবাদক। মাত্র তিন বছর বয়স থেকে তবলার হাতে প্রথম আঙুল রাখা শুরু করেন জাকির। সাত বছর বয়স থেকে মঞ্চে একক পরিবেশনা দিয়ে তার সংগীত জীবন শুরু হয়।

তার অসামান্য প্রতিভার কারণে ভারত সরকার তাকে পদ্মশ্রী, পদ্মভূষণ ও পদ্মবিভূষণ সম্মানে ভূষিত করেছে। ২০২৪ সালে তার হাত ধরেই ভারতে প্রথম গ্র্যামি পুরস্কার আসে। ভারতীয় ব্যান্ড ‘শক্তি’র গানের অ্যালবাম ‘দিস মোমেন্ট’কে গ্র্যামি পুরস্কারে ‘বেস্ট গ্লোবাল মিউজিক অ্যালবাম’ হিসেবে ভূষিত করা হয়। বর্তমানে ‘শক্তি’ ব্যান্ডের প্রধান কণ্ঠশিল্পী শঙ্কর মহাদেবন, আর তবলায় ছিলেন উস্তাদ জাকির।

জাকির হুসেন তবলায় সঙ্গ দিয়েছেন ভারতের প্রখ্যাত সঙ্গীতজ্ঞ পণ্ডিত রবিশঙ্কর, উস্তাদ আমজাদ আলি খান, এবং আন্তর্জাতিক সংগীতজ্ঞ জর্জ হ্যারিসনের মতো দিকপালদের সঙ্গে। তার তবলায় সঙ্গীতের জাদু অনেকের হৃদয়ে চিরকাল অমর থাকবে।

“মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম”



কখনো মেঘ কখনো বৃষ্টি’ নাটকে ইয়াশ-তটিনী

বছরের শেষ প্রান্তে এসে নতুন একটি নাটকে দর্শকদের সামনে হাজির হয়েছেন অভিনেতা ইয়াশ রোহান ও অভিনেত্রী তানজিম সাইয়ারা তটিনী। তাদের জুটি নিয়ে নাটকটির নাম রাখা হয়েছে ‘কখনো মেঘ কখনো বৃষ্টি’। মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজের লেখা ও পরিচালনায় এই নাটকটি দর্শকদের মন ছুঁয়ে গেছে।

নাটকের মূল চরিত্রে ইয়াশ রোহান অভিনয় করেছেন অয়ন নামে। তিনি একজন মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে, যিনি বেকার হওয়ায় তার ভাই-ভাবীর খোঁচা খাচ্ছেন এবং বাবা-মা তার জন্য নিরুপায়। নাটকের অন্য প্রধান চরিত্র তমা, যাকে অভিনয় করেছেন তানজিম সাইয়ারা তটিনী। তমার মা তার মেয়েকে এক বিপত্নীক ছেলের সঙ্গে বিয়ে দিতে চান, যার দুটি সন্তান আছে। কিন্তু তমা এটি জানার পর ঘর থেকে পালিয়ে যায়।

নাটকটি দর্শকদের আবেগী করে তোলে এবং পরিবারের, প্রেম ও সামাজিক চাপের গল্প তুলে ধরে। এতে আরও অভিনয় করেছেন শহীদুজ্জামান সেলিম, শিল্পী সরকার অপু, মাহমুদুল ইসলাম মিঠু, সমু চৌধুরী, এমএনইউ রাজু, দিশা, রিমু রোজা খন্দকার, মিজু ইনজাম, রিপনসহ আরও অনেক জনপ্রিয় অভিনয়শিল্পী।

নাটকটির জন্য একটি নতুন গানও প্রকাশিত হয়েছে। আরফিন রুমি সুর ও গেয়েছেন গানটি, যার শিরোনাম ‘তোমার চুলে’। গানটির কথা লিখেছেন জনি হক। এই গানটির মিউজিক ভিডিও ইউটিউবে সিনেমাওয়ালা মিউজিক চ্যানেলে প্রকাশিত হয়েছে এবং এটি দর্শকদের মনোযোগ আকর্ষণ করেছে।

‘কখনো মেঘ কখনো বৃষ্টি’ নাটকটির শুটিং হয়েছে ঢাকার উত্তরায়, যেখানে চিত্রগ্রহণ করেছেন নাজমুল হাসান এবং সম্পাদনা ও রঙ বিন্যাসে ছিলেন রাশেদ রাব্বি। নাটকটির আবহ সংগীতের দায়িত্বও নিয়েছেন আরফিন রুমি।

শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) ইউটিউবে সিনেমাওয়ালা চ্যানেলে নাটকটি মুক্তি পেয়েছে এবং দর্শকদের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাচ্ছে।

“মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম”



কবি হেলাল হাফিজের বিদায়: একটি অধ্যায়ের সমাপ্তি

বাংলা সাহিত্যের অনন্য কবি হেলাল হাফিজ আর নেই। দীর্ঘ সাহিত্যজীবনে যিনি একটি বই দিয়েই জয় করেছিলেন অসংখ্য পাঠকের হৃদয়। গতকাল শাহবাগের সুপার হোমে থাকা অবস্থায় বাথরুমে পা পিছলে পড়ে যান তিনি। পরে পিজি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর (৭ অক্টোবর ১৯৪৮ – ১৩ ডিসেম্বর ২০২৪)।

হেলাল হাফিজের লেখা ‘যে জলে আগুন জ্বলে’ আজও বাংলা ভাষার সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া কাব্যগ্রন্থগুলোর একটি। তার কবিতা শুধু শব্দের গাঁথুনি নয়, ছিল স্বাধীনতার স্পন্দন। সমকালীন সময়ের শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে পরিচিত এই সাহিত্যিক স্বাধীন বাংলাদেশে কবিতার নতুন ধারার প্রবর্তন করেছিলেন।

তার মৃত্যুতে শোকাহত হয়েছেন সাহিত্য ও সংস্কৃতিজগতের মানুষ। কবি সাদী কাউকাব লেখেন, ‘বাংলাদেশকে বাংলাদেশি কবিতা উপহার দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।’ অভিনেত্রী জাকিয়া বারী মম প্রিয় কবির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, ‘মৃত্যুর মিছিলে যোগ দিলেন প্রিয় কবি হেলাল হাফিজ। অনন্তে এই যাত্রা শুভ হোক।’

অভিনেত্রী বন্যা মির্জা শেয়ার করেন তার কবিতার কিছু লাইন, ‘কবিতা কি কেবল শব্দের মেলা, সংগীতের লীলা? কবিতা তো অবিকল মানুষের মতো, চোখ-মুখ-মন আছে, সেও বিবেক শাসিত।’

গুণী নির্মাতা দীপঙ্কর দীপন স্মরণ করেন কবির বিখ্যাত পঙক্তি, ‘এখন যৌবন যার মিছিলে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়।’

সাংবাদিক গাজী নাসিরউদ্দিন আহমেদ লিখেছেন, ‘যৌবনে তার মিছিলের ডাক উপেক্ষা করা আমাদের প্রজন্মের জন্য কঠিন ছিল। তিনি আজ থেকে আর লৌকিক নন। মিছিলের কবি, ভালোবাসার কবি হেলাল হাফিজ, আপনার প্রস্থান সত্যিই বেদনার।’

তরুণ সাংবাদিক নাজমুস সাকিব রহমান জানান, ‘তার কবিতা আমাদের জীবনের বাস্তবতার পাশে দাঁড়িয়েছিল। এমন একজন কবি আর কখনো আসবেন না।’

নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরী লিখেছেন, ‘একজন অভিমানী কবি। তিনি বাংলার কবি। হেলাল হাফিজ। পরপারে ভালো থাকবেন আপনি। শ্রদ্ধা আর প্রণাম।’

সকলেই যেন এক সুরে তাকে স্মরণ করেছেন। তার প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা জানিয়ে পোস্ট দিয়েছেন মঞ্চনির্দেশক ওয়াহিদুল ইসলাম, নির্মাতা মোস্তাফিজুর রহমান মানিক, ইরানি বিশ্বাসসহ অনেকে।

কবি হেলাল হাফিজের মৃত্যুতে বাংলা সাহিত্যজগতে শূন্যতা নেমে এসেছে। তার কবিতায় দ্রোহ, প্রেম ও মানবিকতার যে অমোঘ আহ্বান, তা আজও পাঠকদের মুগ্ধ করে। বিদায় কবি। আপনার শব্দমালা চিরকাল বেঁচে থাকবে বাংলার হৃদয়ে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




প্রেক্ষাগৃহে আসছে মেহজাবীনের ‘প্রিয় মালতী’

অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরীর প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘প্রিয় মালতী’ অবশেষে দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রশংসিত এই সিনেমাটি আগামী ২০ ডিসেম্বর বাংলাদেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে। এটি মেহজাবীনের প্রথম সিনেমা যা দেশীয় প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শিত হবে।

সিনেমায় মেহজাবীন অভিনয় করেছেন নামভূমিকায়। মালতী রানী দাশ নামে এক নিম্ন-মধ্যবিত্ত লড়াকু নারীর চরিত্র রূপায়ন করেছেন তিনি। মালতী তার জীবনের নানা সংগ্রামের মধ্য দিয়ে এগিয়ে যায় এবং পলাশ কুমার দাশ নামে এক তরুণের সঙ্গে শুরু করে জীবনের নতুন অধ্যায়।

প্রেক্ষাগৃহে নিজের সিনেমা দেখার জন্য উত্তেজিত মেহজাবীন বলেন, “এটি আমার প্রথম সিনেমা, যা বাংলাদেশের সিনেমা হলে মুক্তি পাচ্ছে। অনুভূতিটা একদম ভিন্ন। আমি ভক্তদের ও প্রিয়জনদের সঙ্গে এটি দেখতে উদগ্রীব। আশা করি, সবার ভালো লাগবে।”

সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন শঙ্খ দাশগুপ্ত। তিনি জানান, “‘প্রিয় মালতী’র গল্পটি সত্য ঘটনা থেকে অনুপ্রাণিত। মালতীর সংগ্রাম ও সমস্যাগুলো শুধুমাত্র তার একার নয়, এটি দেশের অনেক নারীর বাস্তবতা। অন্তঃসত্ত্বা মালতীর সামাজিক ও ধর্মীয় রীতিনীতির বিরুদ্ধে লড়াই সমাজের প্রচলিত নিয়ম-কানুনকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। সিনেমাটি কেবল একটি গল্প নয়, বরং নারীর জীবনের কঠিন সত্য তুলে ধরেছে।”

মেহজাবীনের পাশাপাশি সিনেমায় অভিনয় করেছেন— নাদের চৌধুরী, আজাদ আবুল কালাম, মোমেনা চৌধুরী, সমু চৌধুরী, আনিসুল হক বরুন, শাহজাহান সম্রাট, রিজভী রিজু প্রমুখ।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



ছয় বছর পর রায়হান রাফীর সঙ্গে পূজা চেরি

‘পোড়ামন ২’ সিনেমার মাধ্যমে রায়হান রাফীর পরিচালনায় ঢালিউডে আত্মপ্রকাশ করেছিলেন পূজা চেরি। সেই ছবিতে সিয়াম আহমেদের সঙ্গে জুটি বেঁধে মন জয় করেছিলেন দর্শকের। একই বছর রাফীর আরেকটি সিনেমা ‘দহন’-এও সিয়ামের সঙ্গে অভিনয় করেছিলেন পূজা। তবে এরপর রাফীর কোনো সিনেমায় তাকে দেখা যায়নি। দীর্ঘ ছয় বছর পর রাফীর পরিচালনায় ‘ব্ল্যাক মানি’ ওয়েব সিরিজ দিয়ে আবারও পর্দায় ফিরছেন পূজা।

ওটিটি প্ল্যাটফর্ম বঙ্গতে আগামী ২ জানুয়ারি মুক্তি পাবে এই সিরিজটি। গত মঙ্গলবার প্রকাশিত টিজারে দেখা গেছে, হাজার কোটি টাকা নিয়ে শহরজুড়ে শুরু হয়েছে রক্তক্ষয়ী দ্বন্দ্ব। টাকার নিয়ন্ত্রণের লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়েছে প্রভাবশালী মাফিয়া, রাজনীতিবিদ, সন্ত্রাসী, ব্যবসায়ীসহ অনেকে। প্রতিশোধ ও ষড়যন্ত্রের এই গল্পে উঠে এসেছে রুদ্ধশ্বাস উত্তেজনা।

সিরিজটি নিয়ে পূজা বলেন, “রায়হান রাফী ভাইয়ের পরিচালনাতেই আমার নায়িকা হিসেবে পথচলা শুরু। তার সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা সবসময়ই অসাধারণ। ছয় বছর পর আবার তার সঙ্গে কাজের সুযোগ পেয়ে খুব ভালো লেগেছে। ‘ব্ল্যাক মানি’র গল্প দারুণ, আর টিমও ছিল চমৎকার। আশা করি, দর্শকদের ভালো লাগবে।”

‘ব্ল্যাক মানি’ সিরিজে পূজার সঙ্গে আরও অভিনয় করেছেন রুবেল, সালাহউদ্দিন লাভলু, ইন্তেখাব দিনার, মুকিত জাকারিয়া, সুমন আনোয়ার, পাভেল প্রমুখ।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



শুটিং সেটে দুর্ঘটনা, আহত অপূর্ব, ফারিণ ও পাভেল

রাজধানীর জিন্দা পার্কে ওয়েব ফিল্ম ‘হাউ সুইট’-এর শুটিং চলাকালে স্কুটি দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্ব, সাইদুর রহমান পাভেল এবং অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ। শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) দুপুরে এই দুর্ঘটনা ঘটে। পরিচালক কাজল আরেফিন অমি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

শুটিংয়ের সময় স্কুটি ড্রাইভিং দৃশ্য ধারণ করা হচ্ছিল। এ সময় স্কুটি থেকে পড়ে যান অপূর্ব, পাভেল ও ফারিণ। তবে অপূর্ব ও ফারিণ সামান্য আঘাত পেলেও পাভেলের আঘাত তুলনামূলক বেশি ছিল। দুর্ঘটনার পরপরই তাদের রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

নির্মাতা কাজল আরেফিন অমি বলেন, “আমাদের ‘হাউ সুইট’ ওয়েব ফিল্মের একটি দৃশ্য ধারণের সময় দুর্ঘটনাটি ঘটে। অপূর্ব ভাই, ফারিণ এবং পাভেল কিছুটা আহত হন। দ্রুত তাদের হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং চিকিৎসকরা নিশ্চিত করেছেন তারা সবাই সুস্থ আছেন।”

বর্তমানে তিন তারকাই এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। খুব শিগগিরই তারা কাজে ফেরার আশা প্রকাশ করেছেন।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



ফের বিয়ের পিঁড়িতে বুবলী! জেনে নিন বর কে?

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: ঢাকাই সিনেমার নায়িকা শবনম বুবলীর বিয়ের সাজের কিছু ছবি নেট দুনিয়া দাপিয়ে বেড়াচ্ছে । কথা রটেছে- বিয়ে করেছেন বুবলী!

এত আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে নায়িকা চুপ থাকলেও কথা বলেছেন ছবি কোরিওগ্রাফার গৌতম সাহা। তার কথায়, ‘বুবলীকে নিয়ে তিনটি শুট করেছি। ওয়েডিং, হলুদ ও মেহেদী। সে খুব আন্তরিকতার সঙ্গে সময় দেয়। সময় মত কাজে চলে আসে। ওর সঙ্গে কাজ করে খুব ভালো লেগেছে’।

গৌতম সাহার সঙ্গে আগেও কাজ করেছেন বুবলী। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বুবলী অনেক লক্ষ্মী একটা মেয়ে। কাজ ছাড়া কিছুই চিন্তা করে না। যখন সেটে থাকে, খেতে বললেও খায় না। সব সময় বলে, আগে কাজ তারপর খাওয়া-দাওয়া। সম্প্রতি একটা বিউটি পার্লারের ফটোশুট করেছি ওকে নিয়ে।’




এক রাতের জন্য ঐশ্বরিয়া পেয়েছিলেন ১০ কোটি রুপি!

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: মডেলিং থেকে বিশ্বসুন্দরীর খেতাব। তারপর বলিউডের নায়িকা। দেশীয় গণ্ডি পেরিয়ে হলিউড। কান ফিল্মোৎসবের রেড কার্পেটে দাঁড়ানো। নিজের ক্যারিয়ারে বহু সোনালি মুহূর্ত দেখেছেন অমিতাভ বচ্চনের পূত্রবধূ। একই সঙ্গে অস্বস্তিকর বিতর্কেও জড়িয়েছেন একাধিক বার।

ক্যারিয়ারের প্রথম থেকে উপমহাদেশে ঐশ্বরিয়া রাই মানেই বিশেষ কিছু। তাকে নিয়ে ভক্ত মনে উত্তেজনার পারদ বরাবরই তুঙ্গে। একসময় ঐশ্বরিয়াকে নিমন্ত্রণ জানাতে মরিয়া থাকত দেশ বিদেশের নাম করা ভক্তরা। এশিয়ানেট নিউজের খবর অনুযায়ী, সেই ভক্তদের একজন পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আসিফ আলি জারদারি। ২০০৮ সালে তিনিও চেয়েছিলেন তার অনুষ্ঠানে অভিনেত্রীকে আনতে।

অভিনয়ের পাশাপাশি মডেলিং— এমনকি ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েও মোটা টাকা আয় করেন তারকারা। ঐশ্বরিয়াকেও সে সময় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে দেখা যেত। শোনা যায়, জারদারি নিজের ইচ্ছেপূরণের জন্য ১০ কোটি রুপি ব্যয় করেছিলেন। যদিও এর প্রমাণ এখন পর্যন্ত নেই। এ প্রসঙ্গে ঐশ্বরিয়াও মুখ খোলেননি।

ঐশ্বরিয়াকে সাধারণত অধিকাংশ মানুষই মনে করে থাকেন বিশ্বের অন্যতম সুন্দরী নারী। ফলে সেই সেলেবকে নিজের দেশের অনুষ্ঠানে পেতে কে না চাইবে। জারদারি থেকে ১০ কোটি রুপি নিয়েছেন ঐশ্বরিয়া— প্রথম দিকে এ দাবি করেন পাকিস্তানের রাজনৈতিক বিশ্লেষক শাহিদ মাসুদ।

জারদারির একটি ঘনিষ্ঠ সূত্রের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন পাক প্রেসিডেন্টের বাসভবনের অনুষ্ঠানে এক রাতে নৃত্য পরিবেশনা করেন ঐশ্বরিয়া। সে জন্যই নাকি তাকে ১০ কোটি রুপি দেন জারদারি। ঘটনার সত্যি-মিথ্যা জানা নেই। তবে মাসুদের দাবি ঘিরে পাকিস্তানের অনেকেই হতবাক।